Umm Ibrahim

Umm Ibrahim

Share

Short tafsir and hadith study in bangla

16/12/2019

সুরাহ নাসর -আল্লাহ সুবহানুতায়ালা বলেন,ইযা যা আ নাসরুল্লাহি ওয়াল ফাতহ-যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়।

বেশিরভাগ বলেন এটা মাদানী সুরাহ ,আর কেও কেও বলেন মাক্কী।যেটা মেইন কথা সেটা হলো আল্লাহ প্রতিজ্ঞা করে বলেছেন যে বিজয় আসবেই মুসলিমদের।

এটা দুনিয়ার ইতিহাসে অন্যতম বড় একটা ঘটনা যে আল্লাহর দ্বীন ইসলামের বিজয় ও প্রতিষ্ঠা।সর্বশেষ নবী এবং সর্বশেষ বিজয় এ নবীর দ্বারা।

ছোট খাটো সাইন গুলো যখন দেখানো হয় তখন বুঝানো হয় বড় ঘটনাগুলো ও আসতেছে শীঘ্রই।

ঠিক সেরকম ইসলামের যে বিজয় আসবে সেটা আল্লাহ প্রতিজ্ঞা করে বলেছেন। আর এর পরের সুরাহ তে গেলে আমরা সেটা আরো বুঝতে পারবো ইন শা আল্লাহ।

11/12/2019

সুরাহ কাফিরুন ও ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর দুয়ার সংযোগ -

আরবদের ইতিহাসে তোমার আইডেন্টিটি বা নাগরিকত্ব হলো তোমার গোত্র বা কাবিলাহ। আল্লাহ তার নবী সাঃ কে নবী সাঃ এর নাগরিকত্ব যেটা হলো আল্লাহর দ্বারা ঘোষিত সেটা নাজিল করলো আর বাকি অবিশ্বাসীদের আইডেন্টিটিটির ও ঘোষণা দিলেন .

এভাবে শুরু হলো,সুরাহতে ,বলো তোমরা যারা অবিশ্বাস করো-

এখানে এভাবে বলা হয়নি,ও আমার লোকেরা বা ও কোরাইশরা।

তাই এটা একদম পরিষ্কার ,যে নবী সাঃ তাদের মতো না.আল্লাহ সুবহানুতায়ালা পৃথক করলেন তাদের থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াস সাল্লামকে।

যখনই পৃথক হলো তখনি তারা শত্রূ হলো.এরকম পরিস্থিতিতে দেখা যায় এক গ্রূপ জিতে এক গ্রূপ হারে।

আর এখানেও আল্লাহ বিশ্বাসীদের জয় দিলেন ইসলাম প্রতিষ্টা দিয়ে আর যা ছিলো ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এরই দুয়ার পার্ট।

02/12/2019

আল্লাহ সুবহানুতায়ালা সুরাহ কাউসারের দ্বিতীয় আয়াতে বলেন ফা সাল্লি,মানে-অতএব নামাজ পড়ো। আল্লাহকে শুকরিয়া জানানোর প্রথম যে পন্থা টা সেটা হলো নামাজ পড়া.

তারপর আয়াতে বলা ওয়ান হার এর কথা মানে বিসর্জন দিতে(কোরবানি ). নামাজ আর এই কোরবানি দুইটায় কিন্তু ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর রীতি।

বিসর্জনের প্রথাটা শুরু হয় ইসমাইল আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর সে ঘটনা দিয়ে। তাই যারা এই কথাগুলো মানতেছেনা তারা ইব্রাহিমের পরিবারের আর অন্তভুক্ত নয় আর এভাবে বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসীর মধ্যে পার্থক্য হলো.

তোমাদের জন্যে ইব্রাহীম ও তাঁর সঙ্গীগণের মধ্যে চমৎকার আদর্শ রয়েছে। তারা তাদের সম্প্রদায়কে বলেছিলঃ তোমাদের সাথে এবং তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যার এবাদত কর, তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। আমরা তোমাদের মানি না। তোমরা এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না করলে তোমাদের মধ্যে ও আমাদের মধ্যে চিরশত্রুতা থাকবে। কিন্তু ইব্রাহীমের উক্তি তাঁর পিতার উদ্দেশে এই আদর্শের ব্যতিক্রম। তিনি বলেছিলেনঃ আমি অবশ্যই তোমার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করব। তোমার উপকারের জন্যে আল্লাহর কাছে আমার আর কিছু করার নেই। হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা তোমারই উপর ভরসা করেছি, তোমারই দিকে মুখ করেছি এবং তোমারই নিকট আমাদের প্রত্যাবর্তন।(সুরাহ মুমতাহিনা:৪)

21/11/2019

গত লিখায় সুরাহ বাকারাহতে ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর দুয়া গুলো থেকে দেখলাম একটা বিষয়,বিশ্বাসীরা সবচেয়ে উত্তম,আর মন্দরাই অধম.কাবাঘরের প্রথা শুধু থাকবে নবী ও তার উত্তরসূরিদের জন্যে যারা তাদের অনুসরণ করে ,তারা যোগ্য নয় যারা মাউন। যারা হয়তো বিসর্জন বা ত্যাগ করে কিন্তু এর থেকেও তাদের লোভটাই বেশি থাকে।আল্লাহ বলেন বায়তুল্লাহর কর্তৃত্ব শুধু তাদের যারা আল্লাহর বাধ্য বান্দা, আল্লাহর নবীর।তাই এর পরের সুরাহতে ,সুরাহ কাউসার এ আল্লাহ তার নবীকে অনেক উপহার দেন. কাউসার প্রচুর পরিমানে ভালো কিছু এর মধ্যে রয়েছে ,ইসলাম বিজয়,কোরআন ,ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর লিগেসি,বায়তুল্লাহ থেকে মূর্তি অপসারণ।আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াস সাল্লাম কে সেই সম্মান দেয়া হয়েছে যিনি ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর হাতে বানানো কাবা আল্লাহর উপাসনা করার জন্যে,সেটাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

17/11/2019

সুরাহ মাউন
সুরাহ কোরাইশের পর এ সুরাহটি। এ সুরাহতে দেখানো হয় তারা যে আসলেই আল্লাহর রহমত পাবার যোগ্য নয়.

সুরাহ বাকারাহতে ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর দুয়াগুলো

যখন ইব্রাহীম বললেন, পরওয়ারদেগার! এ স্থানকে তুমি শান্তিধান কর এবং এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা অল্লাহ ও কিয়ামতে বিশ্বাস করে, তাদেরকে ফলের দ্বারা রিযিক দান কর। বললেনঃ যারা অবিশ্বাস করে, আমি তাদেরও কিছুদিন ফায়দা ভোগ করার সুযোগ দেব, অতঃপর তাদেরকে বলপ্রয়োগে দোযখের আযাবে ঠেলে দেবো; সেটা নিকৃষ্ট বাসস্থান।

স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম ও ইসমাঈল কা’বাগৃহের ভিত্তি স্থাপন করছিল। তারা দোয়া করেছিলঃ পরওয়ারদেগার! আমাদের থেকে কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ।

হে পরওয়ারদেগার! তাদের মধ্যে থেকেই তাদের নিকট একজন পয়গম্বর প্রেরণ করুণ যিনি তাদের কাছে তোমার আয়াতসমূহ তেলাওয়াত করবেন, তাদেরকে কিতাব ও হেকমত শিক্ষা দিবেন। এবং তাদের পবিত্র করবেন। নিশ্চয় তুমিই পরাক্রমশালী হেকমতওয়ালা।

11/11/2019

সুরাহ কোরাইশ এ আয়াত ৪ এ বলা -

যিনি তাদেরকে ক্ষুধায় আহার দিয়েছেন এবং যুদ্ধভীতি থেকে তাদেরকে নিরাপদ করেছেন

ঠিক এই কথাটায় ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার দুয়ায় উল্লেখ করেছিলেন।কিন্তু এরা কি যোগ্য ছিলো এই দুয়ার রহমত পাবার ?

ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লামকি শুধু বিশ্বাসীদের জন্যে দুয়া করেননি ?যেহেতু এই মানুষগুলো ছিলো অবিশ্বাসী রোজ হাশরের দিনের আগ পর্যন্ত আর মুশরিক ,তারা কি ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর দুয়ার ফলাফল গুলো পাওয়ার যোগ্যতা রাখে ?যেখানে তারা শুধু ইব্রাহিম (আ) এর নীতির বিরুদ্ধেই ছিলো।

আল্লাহ সুব্হানুতায়ালা বলেন,যখন ইব্রাহীম বললেন, পরওয়ারদেগার! এ স্থানকে তুমি শান্তিধান কর এবং এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা অল্লাহ ও কিয়ামতে বিশ্বাস করে, তাদেরকে ফলের দ্বারা রিযিক দান কর। বললেনঃ যারা অবিশ্বাস করে, আমি তাদেরও কিছুদিন ফায়দা ভোগ করার সুযোগ দেব, অতঃপর তাদেরকে বলপ্রয়োগে দোযখের আযাবে ঠেলে দেবো; সেটা নিকৃষ্ট বাসস্থান।

03/11/2019

সুরাহ কোরাইশ ও ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর দুয়া -

ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর দুয়ায় ছিলো শহরটাকে নিরাপদ রাখার কথা আর নাগরিকদের শস্য ফলফলাদির মতো রিযিক দেয়া। সুরাহ ফিল এর পর সুরাহ কোরাইশে আল্লাহ দেখালেন যেভাবে তিনি শহরকে নিরাপদ করেছিলেন ঠিক সেরকম সুরাহ কোরাইশে দেখালেন তাদের সারা বছরের ফলমূল খাবার সেগুলোরও ব্যবস্থা করে দিলেন।আরবের কোনো গোত্রই কোরাইশদের মতো এতো নিরাপদে সারা বছর ভ্রমণ করতে পারতোনা।অন্য কোনো গোত্র যদি তা করার চেষ্টা করতো দেখা যেতো তারা ডাকাতি রাহাজানির পর্যায়ে পড়ে যেতো। কোরাইশদের সাথে কেও আর লাগতে আসতো না কেনো ?কারণ আরবরা ভাবতো এই কোরাইশরা অনেক পবিত্র টাইপের লোক কারণ তারা পবিত্র মাসজিদুল হারামের দেখাশুনা করতো।চোরডাকাত তাদের ক্ষতি করতে ভয় পেতো এই ভেবে পাছে তারা গায়েবি শাস্তি পেয়ে যায়.তাছাড়া পলিটিক্স ও ছিলো।

সব গোত্রের মিথ্যা মূর্তি আর সেগুলো সব হারামে(মাসজিদুল হারাম যা মক্কায় ) ছিলো। এরা প্রতি বছর হজের সময়ে সেখানে সমবেত হতো. যদি কোনো গোত্র কোরাইশদের ক্ষতি করার চেষ্টা করতো,তখন কোরাইশরা তাদের রেখে যাওয়া মূর্তিকে নিয়ে হুমকি দিতো যে তারাও সে মূর্তির ক্ষতি করবে।এভাবে গোত্রগুলো এদের ক্ষতি করা থেকে দূরে থাকতো। আর এভাবেই আল্লাহ ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর দুয়া কবুল করলেন।

সুরাহ কোরাইশ এর আয়াত এর তিন ও চার এ- অতএব তারা যেন এবাদত করে এই ঘরের পালনকর্তার
যিনি তাদেরকে ক্ষুধায় আহার দিয়েছেন এবং যুদ্ধভীতি থেকে তাদেরকে নিরাপদ করেছেন। এখানে এই ঘর হলো কাবা,মক্কা শহর.তাদের স্বরণ করতে বলা হচ্ছে ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর কথা যিনি আল্লাহর একত্ববাদের উপাসনা করতেন।আর তারাও যাতে তা করে.

01/11/2019

এখন আমরা শেষ দশটি সূরাহর তাফসীর বুঝার আগে দৃশ্যপট, অবস্থান এতদিনের ব্যাখ্যা করা ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর দুয়ার সাথে সামঞ্জস্য দেখবো।

সুরাহ ফিল #

এতো বিশাল হাতির বাহিনী,সৈন্য আকারে এরকম যুদ্ধ কখনোই আরবরা দেখেনি।আরবদের কাছে ব্যাপারটি এতোই বিস্ময়কর ছিলো যে তারা এ বছরটির নাম দিয়েছিলো আম আল ফিল যার মানে হাতির বছর।

কিভাবে তারা এই হাতির বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করবে ?এখন যখন এই খবর টা হলো তখন কি হলো,মক্কার শান্তি ভঙ্গ হলো ,মানুষের মধ্যে আতংক, ভয় আসলো ,এক একটা হাতি যেন যুদ্ধের ট্যাঙ্ক এর মতো.মক্কার প্রায় সমস্ত মানুষ পাহাড়ে গিয়ে লুকিয়েছিলো কয়েকজন ছাড়া যারা আব্রাহার সাথে সমঝোতা করার চেষ্টা করতেছিলো।

কেওই ভাবেনি তখন মক্কায় যে শান্তি ফিরে আসবে।আব্রাহা যে ছিলো নেতা ,উদ্দেশ্যেই ছিলো তার কাবাকে ধ্বংস করা আর মক্কা শহরকে তার নিয়ন্ত্রণে আনা।

এই রকম অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে আল্লাহ সুবহানুতায়ালা ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর করে যাওয়া দুয়া কবুল করলেন।তিনি আব্রাহা আর হাতির বাহিনীকে ধ্বংস করে মক্কার শান্তি ফিরিয়ে দিলেন।

সুবহানআল্লাহ এভাবে যদি চিন্তা করি,দুয়া কত বড় একটা পাওয়ারফুল জিনিস ,এক নবীর দুয়াতে পুরো শহর সারা জীবনের জন্যে শান্তির শহর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলো.

ইন শা আল্লাহ আমরা নেক্সট পোস্ট এ পরের সুরাহটির সাথে সে দুয়ার সামঞ্জস্য দেখবো।
কেও যদি মনে করো এই লিখাগুলো উপকারী তাহলে শেয়ার করো ,ইনভাইট করো এ পেজটি যাতে অন্যরাও উপকৃত হয়.

30/10/2019

ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম তিনি তার দুয়ায় বিশ্বাসীদের রেখেছিলেন।অবিশ্বাসীদের কথা চিন্তা করার বোধগম্য মনে করেননি।তিনি চাননি তার জাতি যারা আল্লাহ ও শেষ দিনটাকে বিশ্বাস করেনা তারা আল্লাহর কাছ থেকে সমৃদ্ধি পাক কারণ তারা সেটার যোগ্য নয়.তিনি খুশি হতেন তারা যদি শেষ হয়ে যেতো ,কারণ তারাই বড় ধরণের অপকর্ম,পাপ আর বিদ্রোহ করে. আর এরকম চিন্তা নূহ আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর জাতির ক্ষেত্রেও ছিলো। তিনিও আল্লাহর কাছে দুআ করেছিলেন যাতে আল্লাহ ওই জাতিকে ধ্বংস করেন।যে তারা সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পাপী সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অবিশ্বাসী ছাড়া অন্য কোনো কিছুই জন্ম দিতে পারবেনা তাই তারা যাতে ধ্বংস হয় যাতে শিরক,কুফুর এগুলো চালু না থাকে।আল্লাহ সুবহানুতায়ালা ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর দুয়ার উত্তরে বলেছেন-যারা অবিশ্বাস করে,আমি তাদের সামান্য কিছুও দিবো।তারপর আমি তাদের বাধ্য করবো দোজখের শাস্তিতে যেতে।

20/10/2019

ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম ছিলেন ইমাম। ইমামের মানে অনেক কিছুই যেমন সাধারণ মানে,নেতা বা লিডার,তাই উনাকে লিডারশিপ এর পজিশন দেয়া হয়েছে।আর তাই সব বিশ্বাসীদের তাদের পরিবারের উপর তাদেরকে কর্তৃত্ত্ব বা লিডারশিপ দেয়া হয়েছে। আর এজন্যেই আমরা এ দুয়াটা পড়ি,ওয়া যাআলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা। তাদের জিজ্ঞেস করা হবে যারা তাদের অধীনে ছিলো ,আমাদের জিজ্ঞেস করা হবে আমাদের যাদের প্রতি দায়িত্ব ছিল. ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম আল্লাহর কাছে দুয়া করেছিলেন যে নাগরিকদের সবরকমের ফলন দিতে মানে তিনি সমৃদ্ধির জন্যে দোয়া করেছেন।আর তার পর বলেছেন তিনি শুধু তাদের সেটা দিতে যারা আল্লাহ ও শেষ দিনটাকে বিশ্বাস করে. কারণ-বিচার দিবসের দিনটাতে তিনি চাননা আল্লাহ তাকে প্রশ্ন করুক ইব্রাহিমের সেই সন্তানদের নিয়ে যারা শিরকে জড়িয়ে আছে,কুফুরে জড়িয়ে গেছে।সহজ কথায় তিনি বিশ্বাসীদের জন্যে দুআ করেছিলেন।

10/10/2019

ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর দুয়া নিয়ে বলা হচ্ছিলো। পলিটিক্যাল সাইন্স এর কথা যদি চিন্তা করি,একটা সমাজ টিকে থাকতে পারেনা যদি না তার দুইটা জিনিস না থাকে সেটা হলো এক শান্তি আর এক হলো সমৃদ্ধি।

এর মানে যদি তোমার বাড়ি থাকে তাহলে সেটার মানে তোমার ব্যবসা,গাড়ি,টাকা ,কাজ এইগুলোও থাকতে পারে।কিন্তু এইগুলোর কোনো কিছুই নিরাপদ নয় রাখা যদিও সমৃদ্ধি আছে.যদি কোনো শান্তি না থাকে তাহলে সেখানে কোনো নিরাপত্তাও থাকেনা। সে সমাজ টিকে থাকা কঠিন হয়ে যায় যদি কোনো নিরাপত্তা না থাকে।

কিন্তু আবার আর এক দিক দিয়ে দেখি ,সবকিছুই নিরাপদ কিন্তু তুমি কাজ পাচ্ছো না,তোমার পরিবারকে খাওয়াতে পারছোনা সে সমাজও কিন্তু আসলে টিকে থাকতে পারেনা।

নিরাপত্তা একা যেমন যথার্থ নয় তেমনি সমৃদ্ধিও একা যথার্থ নয়। তাই একটা সমাজ সুস্থ থাকে যখন সেখানে শান্তি ও নিরাপত্তা দুইটায় থাকে।

ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম ছিলেন জিনিয়াস তিনি তার দুইটা দুয়াতে এ দুইটা কথা বলেছেন। ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লামকে আল্লাহ ইমাম বলেছিলেন।

পরবর্তী পোস্টে এ সম্মন্ধে আরো কিছু জানবো ইন শা আল্লাহ।

08/10/2019

ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম যখন মরুভূমিতে ছিলেন দুয়াটা করার সময় ,সে সময়টার কথা চিন্তা করো,তখন কি সেটা শহর ছিলো ?

তার মানে তিনি তখন সেখানে শূন্যতা দেখতেছিলেন।তিনি তখন এই দুয়া করেন রাব্বীজ আল হাজা বালাদান আমানা ,তিনি তার দুয়াতে বলেছিলেন এটাকে বানাতে ,মানে এই শূন্যতা,নীরব মরুভূমিকে বানাতে একটা শহর.আর শুধু শহর ই নয় ,একটা শান্তিপূর্ণ শহরে যাতে সেটা পরিণত হয় যেটাতে নিরাপত্তা থাকে।

তিনি এরপর আবারো কিছু বছর পর যখন আসলেন তখন কি সেটা শহর ছিলোনা ?
হুমমম সেটা অলরেডি শহর হয়ে গিয়েছিলো।

সুরাহ বাকারাহ ১২৬ আয়াতে ,যখন ইব্রাহীম বললেন, পরওয়ারদেগার! এ স্থানকে তুমি শান্তিধান কর এবং এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা অল্লাহ ও কিয়ামতে বিশ্বাস করে, তাদেরকে ফলের দ্বারা রিযিক দান কর।
বললেনঃ যারা অবিশ্বাস করে, আমি তাদেরও কিছুদিন ফায়দা ভোগ করার সুযোগ দেব, অতঃপর তাদেরকে বলপ্রয়োগে দোযখের আযাবে ঠেলে দেবো; সেটা নিকৃষ্ট বাসস্থান.

এ দুয়ার প্রথম অংশ হলো শহরের নিরাপত্তা আর দ্বিতীয় অংশ হলো নাগরিকদের সব রকমের ফলফলাদি দিয়ে রিযিকের ব্যবস্থা করা.এই ফলফলাদি মানে হচ্ছে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি,নাগরিকদের অধিকার রক্ষা তাদের শান্তি সমৃদ্ধি।
ইন শা আল্লাহ ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম এর দুয়া নিয়ে আরো কিছু কথা নিয়ে আবারো পোস্ট দেয়া হবে.

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka