ধৈর্য হলো এমন এক শক্তি, যা নীরবে মানুষকে বড় করে তোলে।
সময়ের সাথে সব কষ্টই সহজ হয়, যদি ধৈর্য ধরে রাখা যায়।
ধৈর্যবান মানুষ কখনো হারে না—সে শুধু অপেক্ষা করে সঠিক সময়ের।
ঝড় যতই শক্ত হোক, ধৈর্যের নৌকা ঠিকই তীরে পৌঁছায়।🌸
Kuran Shikkha
All information about the Quran will be provided
Only women and children have access to education at home
Interested people will knock in the inbox
29/05/2025
জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ সময় হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এই দিনগুলোতে নেক আমলের গুরুত্ব সম্পর্কে বেশ কিছু সহিহ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। নিচে একটি প্রসিদ্ধ ও সহিহ হাদিস উল্লেখ করা হলো:
হাদিস:
عبد الله بن عباس (رضي الله عنه) থেকে বর্ণিত:
قال رسول الله ﷺ:
"ما من أيامٍ العملُ الصالحُ فيها أحبُّ إلى الله من هذه الأيام" – يعني أيام العشر.
قالوا: يا رسول الله، ولا الجهادُ في سبيل الله؟
قال: "ولا الجهادُ في سبيل الله، إلا رجلٌ خرج بنفسِه ومالِه فلم يرجعْ من ذلك بشيءٍ".
(সহিহ বুখারি, হাদিস: 969)
অনুবাদ:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
“এই দশদিনে (জিলহজ্জের প্রথম দশ দিন) নেক আমল আল্লাহর নিকট যত প্রিয়, অন্য কোনো দিনে এত প্রিয় নয়।”
সাহাবাগণ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করাও না?
তিনি বললেন: “আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করাও না, তবে সে ব্যক্তি ব্যতিক্রম, যে নিজের জান ও মাল নিয়ে বের হয়ে যায় এবং কিছুই নিয়ে ফিরে না আসে।”
এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, জিলহজ্জের প্রথম দশ দিন—বিশেষ করে আরাফার দিন (৯ জিলহজ্জ)—অত্যন্ত বরকতময়। এই সময়ে বেশি বেশি ইবাদত, জিকির, তাওবা, রোযা রাখা, কুরআন তিলাওয়াত ও কোরবানি করা খুবই ফজিলতপূর্ণ।
25/05/2025
হাদিস (জিলহজ মাস সম্পর্কে):
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
"আল্লাহর নিকট যেসব দিন অধিক পছন্দনীয় যে দিনগুলোতে সৎকর্ম করা খুবই প্রিয় — তা হলো এই দশটি দিন (জিলহজের প্রথম দশ দিন)।"
— (সহিহ বুখারী: ৯৬৯)
ছবি:
আমি এখন জিলহজ মাসের ফজিলত বোঝাতে একটি ইসলামিক স্টাইলের ছবি তৈরি করছি, যেখানে জিলহজ মাসের প্রথম দশদিনের গুরুত্ব তুলে ধরা হবে।
(ছবি জেনারেট করছি...)
27/03/2025
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদর উপলব্ধি করে ইবাদত করবে, আল্লাহ তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেবেন।"
(সহিহ বুখারি, হাদিস: ২০১৪; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৭৬০)
এই রাতে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং এটি হাজার মাসের চেয়েও উত্তম বলে কুরআনে উল্লেখ রয়েছে (সুরা আল-কদর: ৩)।
25/03/2025
শবে কদর (লাইলাতুল কদর) হলো ইসলাম ধর্মে একটি মহিমান্বিত ও বরকতময় রাত। এটি রমজান মাসের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোর (২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯) মধ্যে কোনো এক রাতে সংঘটিত হয়, তবে ২৭তম রাতকে বেশি সম্ভাব্য মনে করা হয়।
শবে কদরের গুরুত্ব:
কুরআন অবতরণ: এই রাতে আল্লাহ তা'আলা মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর কুরআন অবতীর্ণ করা শুরু করেন (সূরা আল-কদর, আয়াত ১-৩)।
হাজার মাসের চেয়ে উত্তম: এই রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে অধিক সওয়াবের (৮৩ বছর ৪ মাস) সমান বলে উল্লেখ করা হয়েছে (সূরা আল-কদর, আয়াত ৩)।
ফেরেশতাদের আগমন: এই রাতে অসংখ্য ফেরেশতা পৃথিবীতে নেমে আসেন এবং ফজর পর্যন্ত রহমত ও শান্তি বর্ষণ করেন (সূরা আল-কদর, আয়াত ৪-৫)।
গুনাহ মাফের সুযোগ: রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই রাতে ইবাদত করবে, আল্লাহ তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেবেন (সহিহ বুখারি, হাদিস ২০১৪)।
এই রাতের করণীয় ইবাদত:
নফল নামাজ: বেশি বেশি নফল নামাজ আদায় করা।
দোয়া ও ইস্তেগফার: আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা ও দোয়া করা (বিশেষতঃ
24/03/2025
শবে কদর সম্পর্কে বেশ কয়েকটি হাদিস রয়েছে। নিচে কিছু উল্লেখযোগ্য হাদিস দেওয়া হলো:
১. শবে কদরকে রমজানের শেষ দশকে খোঁজার নির্দেশ
হাদিস:
আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
"তোমরা লাইলাতুল কদরকে রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোর মধ্যে অনুসন্ধান করো।"
(সহিহ বুখারি: ২০১৭, সহিহ মুসলিম: ১১৬৭)
২. শবে কদরের ফজিলত
হাদিস:
আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় শবে কদরে (ইবাদত করতে) দাঁড়ায়, তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।"
(সহিহ বুখারি: ১৯০১, সহিহ মুসলিম: ৭৬০)
৩. শবে কদরের দোয়া
হাদিস:
আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করলাম:
"হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমি জানতে পারি যে এটি শবে কদর, তাহলে কোন দোয়া পড়বো?"
তিনি বললেন:
"اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ العَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي"
**উ
16/03/2025
হ্যাঁ, রোজা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস হলো—
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখে, তার পূর্ববর্তী গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।"
(সহিহ বুখারি: ২০১৪, সহিহ মুসলিম: ৭৬০)
এই হাদিস থেকে বোঝা যায় যে, যদি কেউ সত্যিকারের বিশ্বাস এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য রোজা রাখে, তাহলে আল্লাহ তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দেন।
15/03/2025
নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
"রোজা ঢালস্বরূপ, যখন তোমাদের কেউ রোজা রাখে, সে যেন অশ্লীল কথা না বলে এবং শোরগোল না করে। যদি কেউ তাকে গালি দেয় বা তার সঙ্গে ঝগড়া করতে চায়, সে যেন বলে: আমি রোজাদার।"
—(সহিহ বুখারি: ১৯০৪, সহিহ মুসলিম: ১১৫১)
এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, রোজা শুধু উপবাস থাকা নয়; বরং আত্মসংযম, ভালো আচরণ ও খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকার একটি প্রশিক্ষণ।
13/03/2025
লাইলাতুল কদর (শবে কদর) সম্পর্কে বহু হাদিস রয়েছে, যা এর গুরুত্ব ও ফজিলত প্রকাশ করে। নিচে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হাদিস দেওয়া হলো—
১. লাইলাতুল কদরের ফজিলত:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে ইবাদত করবে, তার অতীতের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।"
(সহিহ বুখারি: ২০১৪, সহিহ মুসলিম: ৭৬০)
২. লাইলাতুল কদর খোঁজার নির্দেশ:
আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন:
"তোমরা রমজানের শেষ দশ রাতের বেজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর তালাশ করো।"
(সহিহ বুখারি: ২০২০, সহিহ মুসলিম: ১১৬৯)
৩. লাইলাতুল কদরে দোয়ার গুরুত্ব:
আয়িশা (রা.) বলেছেন:
"আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমি জানতে পারি যে কোন রাত লাইলাতুল কদর, তাহলে আমি কী দোয়া করব?"
তিনি বললেন, বলবে: "আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’ফু আন্নি।"
(অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমা করতে ভালোবাসো, আমাকে ক্ষমা করে দাও।)
(তিরমিজি: ৩৫১৩, ইবনে মাজাহ: ৩৮৫০)
৪. লাইলাতুল কদরের মর্যাদা:
আবু দরদা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন:
"লাইলাতুল কদর রমজানের শেষ দশ রাতের মধ্যে অবস্থিত। যে ব্যক্তি তা থেকে বঞ্চিত হলো, সে প্রকৃত অর্থে সব ভালো থেকে বঞ্চিত হলো।"
(মুসনাদ আহমাদ: ২১৪৭৩)
লাইলাতুল কদর হল এমন এক রাত, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম (সূরা আল-কদর: ৩)। তাই এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি, কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও জিকির করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
12/03/2025
নিয়তের উপর আমলের মূল্য নির্ভরশীল
নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
"إنما الأعمال بالنيات وإنما لكل امرئ ما نوى"
অর্থ:
“নিশ্চয়ই সকল কাজ নিয়তের উপর নির্ভরশীল, এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিয়ত অনুযায়ী প্রতিদান পাবে।”
— (সহিহ বুখারি: ১, সহিহ মুসলিম: ১৯০৭)
❝ আমাদের প্রতিটি কাজের মূল হলো নিয়ত। সৎ নিয়ত নিয়ে কাজ করলে তা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে, ইনশাআল্লাহ! ❞
#হাদিস #ইসলাম #নিয়ত #আমল
11/03/2025
হাদিস:
"যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় রমজান মাসের রোজা রাখে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।"
(সহিহ বুখারি: ২০১৪, সহিহ মুসলিম: ৭৬০)
হ্যাশট্যাগ:
#রমজান #হাদিস #ইসলাম #রোজা #সওয়াব #ইবাদত #মাগফিরাত #তাকওয়া
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1219