Handwriting Tuto-হ্যান্ডরাইটিং টিউটর

Handwriting Tuto-হ্যান্ডরাইটিং টিউটর All the work of this page will be done for the benefit of the students.Especially for the students

31/12/2025

'খ' এভাবে লিখলে কেমন হয়?
বার বার দেখুন আর অনুশীলন করুন।
খুবই সহজ।

29/12/2025

'অ' এভাবে লিখুন।
খুবই সহজ।

21/12/2025

আল্লাহ আমাদের উত্তম রিজিক দান করুন। পবিত্র রিজিক দান করুন। 🤲❤️


20/12/2025

প্রিয় হাদি ভাইয়ের জন্য ❤️
আল্লাহ আপনাকে ওপারে ভালো রাখুন।🤲



16/12/2025

প্রতিটি বর্ণ লেখার কৌশলসহ বিস্তারিত তথ্য সমৃদ্ধ ভিডিও ধারাবাহিকভাবে আসবে ইনশাআল্লাহ।😍

বেশ কয়েকবছর আগের ঘটনা। লন্ডনের রাস্তায় দূর্ঘটনার শিকার হলেন এক নারী। তাকে হাসপাতালে নেয়া হকো।সার্জারির জন্য দ্রুত স্থানা...
24/07/2022

বেশ কয়েকবছর আগের ঘটনা। লন্ডনের রাস্তায় দূর্ঘটনার শিকার হলেন এক নারী। তাকে হাসপাতালে নেয়া হকো।সার্জারির জন্য দ্রুত স্থানান্তর করা হলো। সবকিছু ঠিকঠাক এগোচ্ছিলো, তারপরও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এর কারণ জানতে কর্তব্যরত ডাক্তার তার মস্তিষ্ক স্ক্যান করে দেখতে পান দুর্ঘটনার পর তার মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বেঁধে গেছে। ব্যাপারটি যদি সার্জারির আগে পরীক্ষা করা যেত, তবে হয়তো তাকে বাঁচানো যেত।

এটা কেবল অনেকগুলো ঘটনার একটি। এরকম অনেকগুলো ঘটনাকে একসাথ করলেই একটি নতুন প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করা যায়, যার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুপথযাত্রীর শরীরের অবস্থা সম্পর্কে ধারণা নেয়া যাবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী কর্তব্য নির্ধারণ করা সহজ হবে। চিকিৎসাক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কিংবা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহারের ধারণা চলতি বছরগুলোতে বেশ আলোচিত হচ্ছে। সবার মতে, এই প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে আমাদের চিরায়ত ওষুধের ব্যবহার ও চিকিৎসা সেবার ধারণা বদলে যাবে।

ওষুধ গ্রহণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

চিকিৎসাক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার মূলত এমন একটি ধারণা, যেখানে যান্ত্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করে রোগের প্রাথমিক লক্ষণ নির্ণয় করে সেই অনুযায়ী সেবা দেয়া হবে। এই পুরো প্রক্রিয়াটিই হবে স্বয়ংক্রিয়, যেখানে ব্যবহৃত মেশিনের নিজে থেকেই শেখার ক্ষমতা থাকবে। আপাতদৃষ্টিতে পুরো জিনিসটি সরল মনে হলেও তেমনটা নয়, মূলত অনেকগুলো বিষয়কে একসাথে করে তবেই সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হবে। যেমন- সবার প্রথমেই একজন রোগীর সাক্ষাৎকার নেয়া হবে এবং পাশাপাশি কিছু পরীক্ষানিরীক্ষা করা হবে।

তারপর প্রাপ্ত তথ্যগুলো যাচাই-বাছাইয়ের পর্ব চলবে। যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের পর কোন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে সেটা নির্ধারিত হবে। চিকিৎসা পরবর্তী নির্দেশনা প্রদান এবং মনিটরিংয়ের দায়িত্ব থাকবে এসব মেশিনের উপর। মেশিনগুলো একজন রোগীর রোগের ইতিহাস, বয়স, লিঙ্গ, পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল, সেনসিটিভিটি, ডিএনএ সিকোয়েন্স এবং অসংখ্য ক্যাটাগরির তথ্য মজুদ রাখবে। যে পরিমাণ তথ্য একজন মানুষের মনে রাখা সম্ভবের বাইরে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রাথমিক ব্যবহার

চিকিৎসাক্ষেত্রে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহার শুরু হতে পারে ইমেজিংয়ের ক্ষেত্রে। বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত কতগুলো ইমেজিং হলো এক্সরে, ইসিজি, সিটি স্ক্যান, ইকোকার্ডিওগ্রাম, এমআরআই ইত্যাদি।©

মাইটোকন্ড্রিয়াকোষের বেশিরভাগ শক্তি উৎপাদনকারী শক্তিঘর নামে পরিচিত অঙ্গাণুকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলে।মাইটোকন্ড্রিয়া হলাে প্...
24/07/2022

মাইটোকন্ড্রিয়া

কোষের বেশিরভাগ শক্তি উৎপাদনকারী শক্তিঘর নামে পরিচিত অঙ্গাণুকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলে।

মাইটোকন্ড্রিয়া হলাে প্রকৃত জীবকোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ থাকে। তাই মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বা শক্তি ঘর বলা হয়।

এতে ক্রেবস চক্র, ফ্যাটি অ্যাসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপাের্ট সিস্টেম ইত্যাদি সংঘটিত হয়।

আবিষ্কার

কলিকার (১৮৫০) সাইটোপ্লাজমে এসব অঙ্গাণু আবিষ্কার করেন। অল্টম্যান (১৮৯৪) মাইটোকন্ড্রিয়ার উপস্থিতি আবিষ্কার করেন। বেন্ডা (১৮৯৮) মাইটোকন্ড্রিয়ার নামকরণ করেন।

উৎপত্তি

পুরাতন মাইটোকন্ড্রিয়া বিভাজনের মাধ্যমে নতুন মাইটোকন্ড্রিয়া সৃষ্টি করে। বিভাজনের মাধ্যমে এদের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে। কোষে একটিমাত্র মাইটোকন্ড্রিয়া থাকলে তা কোষ বিভাজনের সাথেই বিভাজিত হয়।

সংখ্যা

প্রজাতি ও প্রকারভেদে প্রতি কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া এক হতে বহু সংখ্যক হতে পারে। সাধারণত প্রতি কোষে ৩০০-৪০০ মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে। তবে যকৃত কোষ ১০০০ বা ততােধিক থাকে। অ্যামিবাতে আরও বেশি থাকে।

আয়তন

আকারভেদে মাইটোকন্ড্রিয়ার আয়তন বিভিন্ন রকম হয়। বৃত্তাকার মাইটোকন্ড্রিয়ার ব্যাস ০.২ থেকে ২.০ মাইক্রোমিটার।

সূত্রাকার মাইটোকন্ড্রিয়া ৪০ মাইক্রোমিটার থেকে ৭০ মাইক্রোমিটার ও দন্ডাকার মাইটোকন্ড্রিয়ার দৈর্ঘ্য ৯ মাইক্রোমিটার ও প্রস্থ ০.৫ মাইক্রোমিটার হতে পারে।

মাইটোকন্ড্রিয়ার গঠন

মাইটোকন্ড্রিয়া নিম্নলিখিত অংশ নিয়ে গঠিত-

(i) ঝিল্লীপ্রতিটি মাইটোকন্ড্রিয়া দুস্তরবিশিষ্ট ঝিল্লী দিয়ে আবৃত থাকে। এদেরকে বহিঃঝিল্লী ও অন্তঃঝিল্লী বলে। দু’ঝিল্লীর মধ্যে ব্যবধান ৬-৮ nm।

(ii) প্রকোষ্ঠদুটি ঝিল্লীর মাঝখানে অবস্থানকৃত প্রকোষ্ঠকে বহিঃপ্রকোষ্ঠ বলে যা কোএনজাইম-এ (Coenzyme A) সমৃদ্ধ তরল পদার্থ দিয়ে পূর্ণ থাকে অন্তঃঝিল্লীবেষ্টিত ভেতরের গহবরকে অন্তঃপ্রকোষ্ঠ বলে যাতে দানাদার বস্তু সমন্বিত তরল পদার্থের ধাত্র (Matrix) বিদ্যমান।©

পৃথিবী তথা মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্পর্কিত সর্বাধুনিক মতবাদ গুলির মধ্যে অন্যতম হলো মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব বা বিগ ব্যাং তত্ত্ব। ...
24/07/2022

পৃথিবী তথা মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্পর্কিত সর্বাধুনিক মতবাদ গুলির মধ্যে অন্যতম হলো মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব বা বিগ ব্যাং তত্ত্ব। এখানে এই বিগ ব্যাং তত্ত্বটি সহজ ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হলো। মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্পর্কিত বিগ ব্যাং তত্ত্ব।

বিগ ব্যাং তত্ত্ব প্রবর্তনের মূলে ছিলেন এডউইন হ্যাবেল, তিনি যে দূরবীন আবিষ্কার করেন তার দ্বারাই আমরা মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ও অন্যান্য গ্যালাক্সির কথা জানতে পারি। হ্যাবেল, 1929 সালে পর্যবেক্ষণ করে বলেন যে বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড ক্রমশ প্রসারিত হচ্ছে। এর ফলে গ্যালাক্সি গুলিও দূরে সরে যাচ্ছে। তার মতে 13.7 বিলিয়ন বছর পূর্বে মহাবিশ্ব অত্যন্ত ছোট ও অতি উষ্ণ ও ঘন ছিল। এই একক বস্তু প্রসারিত হয়ে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়।

অনুমান সমূহ - বিগ ব্যাং তত্ত্ব টি দুটি প্রধান অনুমানের উপর ভিত্তি করে প্রবর্তিত হয়েছে

i) physical laws - The universality of physical laws

ii) Cosmological Principle - এই নীতি অনুযায়ী ব্রহ্মাণ্ড হোমোজেনিয়াস (Homohrneous) এবং আইসোট্রপিক (Isotropic) প্রকৃতির।

সিঙ্গুলারিটি এবং ব্ল্যাক হোল - হ্যাবল এর মতে 13.7 বিলিয়ন বছর আগে মহাবিশ্ব একটি ছোট বস্তু ছিল যার অত্যাধিক উষ্ণতা ও Infinite ঘনত্ব ছিল। এই একক বস্তুটিকে সিঙ্গুলারিটি বলে। আর ব্ল্যাক হোল হল অত্যাধিক মাধ্যাকর্ষণ চাপ যুক্ত অঞ্চল।

বিগ ব্যাং - একক বস্তুটিই (Singularity) মহাবিশ্বের মূল বস্তু যার পরবর্তী কালে প্রসারণের ফলে সম্প্রসারণ শীল মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এবং বস্তু টিও শীতল হতে থাকে। এই সময় থেকেই প্রসারণের শুরু যা বিগ ব্যাং নামে পরিচিত। মহাজাগতিক বস্তু প্রসারণের ফলে ক্রমশ ঠান্ডা হতে থাকে এবং গামা রশ্মি মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে ও পরমাণুর ছোট কণার উদ্ভব হয়। বিগ ব্যাং এর কয়েক মিনিট পর সূক্ষাতিসূক্ষ বস্তুকণা ক্রমশ ঘন হয়ে নিউট্রন ও প্রোটন তৈরি করে। এই প্রোটন ও নিউট্রন থেকে হাইড্রোজেন তৈরি হয় এবং দুটি হাইড্রোজেন পরমাণুর বিক্রিয়ার ফলে হিলিয়াম তৈরি হয়। সম্প্রসারণ শীল মহাবিশ্বের বয়স 3 মিনিট হলে তা প্রশস্ত ও ঠান্ডা হয়। অভিকর্ষ শক্তির ফলে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের সমন্বয় ঘটে এবং যে উষ্ণতার সৃষ্টি হয়, তা অত্যন্ত উজ্জ্বল গ্যাস যুক্ত মেঘ সৃষ্টি করে। এই মেঘ থেকেই কয়েকশো মিলিয়ন বছর পর নক্ষত্র ও গ্যালাক্সির সৃষ্টি হয়। ©

Address

Mymensingh
2260

Telephone

+8801919323817

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Handwriting Tuto-হ্যান্ডরাইটিং টিউটর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category