Confidence Law Academy

Confidence Law Academy A smart Online Law Coaching Center in Bangladesh.

10/04/2024

সকলকে পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা
'ঈদ মুবারক'

16/02/2024

আইনজীবী তালিকাভুক্তি ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতি!

এই সময়ের প্রস্তুতি –
যেহেতু হাতে সময় তেমন বেশী নেই এই সময়ে নতুন করে পড়ার কিছু নেই। তবে অবশ্যই আইনের মুল জিনিস গুলো সঠিক ভাবে আয়ত্ত করে নিতে হবে। আইনের কিছু বেসিক জিনিস থাকে যা একজন আইনজীবী হিসেবে জানা আবশ্যক।
এই মুহুর্তে আপনার কঠিন কিছু নয় বরং সহজ জিনিসগুলো কঠিনভাবে আয়ত্ত করে নিতে হবে।
কথায় আছে “কঠিন প্রস্তুতি সহজ যুদ্ধ” অর্থাৎ আপনি যত কঠিন প্রস্তুতি নিবেন আপনার যুদ্ধ আপনার কাছে সহজ মনে হবে।

ভাইভায় কি দেখা হয়?

যেহেতু আইন পেশায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আনুষ্ঠানিক পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন সেহেতু এই পেশায় আপনি থাকবেন কিনা, আদালতে আসা যাওয়া আছে কিনা তা দেখা হবে।
ব্যক্তিত্ব যাচাই অথবা ‘আপনি আইনজীবী হতে চান কারন জানতে চাইবে।
আপনি আইনজীবী হতে চান কেন?’ অথবা
‘আপনি আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হলে প্র্যাকটিস করবেন কি?’
এই দুইটি কমন প্রশ্ন ভাইভাবোর্ডে জিজ্ঞেস করা হয়ে থাকে।
এই প্রশ্নের উত্তর যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস সহকারে দিতে হবে। বলা বাহুল্য, উত্তরটা পজিটিভ হওয়া বাঞ্ছনীয়। তাছাড়া ভাইভা বোর্ড এ আপনার কমিউনিকেশন স্কিল যাচাই করবে।
একজন মক্কেলের সমস্যা, আইনের কোন শাখায় তা ফেলে সেই বিচার প্রার্থীকে আইন অধিকার নিশ্চিত করতে সাহায্য করবেন তার বড় মাধ্যমই হলো কমিউনিকেশন এবং ভাইভা পরীক্ষা মূলত আপনার কমিউনিকেশন স্কিল যাচাই করার একটা মাধ্যম।
কিন্তু এই কমিউনিকেশন স্কিল জিনিসটা কি?
ধরুন, আপনাকে জিজ্ঞেস করলো যে, আপনার সিনিয়র আইনজীবী কোন সাইডে প্রেক্টিস করেন?আপনি সরাসরি তার উত্তর না দিয়ে হাবিজাবি উত্তর দেয়া শুরু করলেন। বললেন তিনি একজন ভালো মানুষ, তার বাড়ি অমুক জেলায় ইত্যাদি।
অর্থাৎ আপনাকে জিজ্ঞেস করলো একটা, উত্তর দিলেন অন্য, এবং সঠিক উত্তর দিতে সময় নিচ্ছেন । অর্থাৎ যা প্রশ্ন করা হয়েছে তার টু দ্য পয়েন্টে উত্তর দিতে হবে।
মূলত এই কমিউনিকেশন স্কিলটি ভাইভা বোর্ডে কিন্তু লক্ষ্য রাখা হয়। আদালতে আপনি একজন বিচারকের সাথে কমিউনিকেশন করতে পারবেন কিনা,সেটা চেক করাটা তাদের জন্য আবশ্যক।
ফলে আপনাকে জিজ্ঞাসিত যেকোনো প্রশ্নের টু দ্য পয়েন্টে উত্তরটা দিতে হবে। গুড কমিউনিকেশন স্কিলের প্রকাশ ঘটাতে হবে।

Advocate M.Hasibul Islam
L.L.B Hon's,DIU
[email protected]
01773-277083

08/01/2024
বার কাউন্সিল পরীক্ষার পুন:প্রস্তুতি নিন
18/10/2023

বার কাউন্সিল পরীক্ষার পুন:প্রস্তুতি নিন

22/07/2023

ফৌজদারী মামলা কি?
সাধারন ভাষায় কোন ব্যক্তিকে যখন মারামারি, চুরি, ডাকাতি, খুন, যখম, প্রতারনা, দস্যুতা, রেইপ, অপহরণ, বে-আইনি সমাবেশ, ইভ-টিজিং, জালিয়াতি, মিথ্যা সাক্ষ্যদান প্রভুতি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে তার বিরুদ্বে মামলা দায়ের করা হয় তাকে বলে ফৌজদারি মামলা ক্রিমিনাল কেস।
পেনাল কোডে অপরাধ এবং এর শাস্তির পরিমাণ উল্লেখ আছে কিন্তু কিভাবে অপরাধিকে শাস্তি দেয়া হবে তার কথা উল্লেখ আছে কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮ বা ফৌজদারি কার্যবিধিতে।

ব্যাপক ভাবে ক্রিমিনাল আদালত তিনভাগেবিভক্ত:
(ধারা-৬) ব্যক্তির অধিকার ও সম্পত্তির অধিকার ব্যতিত যেকোনো অপরাধ ফৌজদারি মামলার অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় রাজনৈতিক হাঙ্গামা, ব্যক্তির জীবন হরণ, অর্থসম্পদ লুটপাট ও যৌন হয়রানির অপরাধে ফৌজদারি মামলার ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। এক কথায় চুরি, ডাকাতি, খুন, জখম, প্রতারণা, দস্যুতা, লুটপাট, বিস্ফোরণ, ধর্ষণ, অপহরণ, বেআইনি সমাবেশ, যৌন হয়রানি, জালিয়াতি, মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান প্রভৃতি অপরাধে যেসব মামলা দায়ের করা হয় তাকে ফৌজদারি মামলা বলা হয়। এসব মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে জেল জরিমানা, যাবজ্জীবন এবং মৃত্যুদণ্ড হয়ে থাকে।

প্রকৃতপক্ষে ফৌজদারী মামলাকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়, একটি আমলযোগ্য মামলা, অন্যটি আমল অযোগ্য মামলা। আবার আমলযোগ্য মামলাকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়, একটি জি আর বা পুলিশী মামলা অন্যটি সি আর বা নালিশী মামলা।

১) আমলযোগ্য মামলা: আইন মোতাবেক কিছু অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে। এসব ক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দিয়ে থাকেন। এসব অপরাধে যে মামলা হয় তাই আমলযোগ্য মামলা। ফৌজদারী কার্যবিধির ৪(১) উপধারায় ক্লজ চ-এ আমলযোগ্য মামলা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

২) আমল অযোগ্য মামলা: কিছু অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে না। অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে প্রসিকিউশন রিপোর্ট বা নন-এফআইআর মামলা আদালতে দাখিল করে। এগুলো আমল অযোগ্য মামলা। এধরনের অপরাধের মামলা কোর্টের নন-জিআর রেজিস্টার ভুক্ত হয়ে পরিচালিত হয় হয় বলে এ মামলাকে নন-জিআর মামলা বলা হয়। ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ (১) উপধারার ক্লজ ঢ-এ আমল অযোগ্য মামলা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

নালিশী বা সিআর মামলা: ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সরাসরি গিয়েও কোর্ট ফি দিয়ে বিচার প্রার্থনা করা যায়। এক্ষেত্রে কা:বি: ২০০ ধারায় শপথ নিয়ে আবেদনের উল্টো পিঠে জবানবন্দি রেকর্ড করতে হয়। কোর্ট রেজিস্টারে মামলা এন্ট্রি হয়ে পরিচালিত হওয়ার কারণে এগুলোকে সিআর মামলা বলা হয়।

পুলিশী মামলা: থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে এজাহার দায়েরের মাধ্যমে যে মামলা শুরু হয় তাই পুলিশী মামলা নামে পরিচিত। পুলিশী মামলাকে আবার দু’ভাগে ভাগ করা হয়:

ক) জি আর মামলা:থানায় কোন আমলযোগ্য অপরাধ ঘটার খবর পেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কা:বি: ১৫৪ ধারা অনুসারে মামলা করে আদালতে এফআইআর দাখিল করে কা:বি: ১৫৬ ধারা অনুসারে মালার তদন্ত শুরু করেন। এটিই জি আর মামলা। থানা থেকে এফআইআর আদালতে আসার পর কোর্ট ইন্সপেক্টর/সাব-ইন্সপেক্টর বা জিআরও (জেনারেল রেজিস্টার অফিসার) উক্ত এফআইআর-টি মামলা হিসেবে কোর্টের জেনারেল রেজিস্টারে এন্ট্রি করে তা দ্রুত ম্যাজিস্ট্রেট এর নজরে আনেন।

খ) নন জি আর মামলা:আবার থানায় আমলযোগ্য মামলা সংঘটিত হওয়ার সংবাদ পেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেটিকে এজাহার হিসেবে গণ্য না করে পুলিশ প্রবিধান এর প্রবিধি ৩৭৭ অনুসারে জিডি এন্ট্রি করে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে আদালতে নন-এফআইআর প্রসিকিউশন রিপোর্ট দায়ের করতে পারেন। এগুলো নন-জিআর মামলা নামে পরিচিত। ফৌজদারি মামলা পরিচালিত হয় যে আদালতে ফৌজদারি মামলাগুলো সাধারণত চারটি আদালতে পরিচালিত হয় তা হলো

১। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ২। হাইকোর্ট বিভাগ ৩। দায়রা জাজ আদালত ৪। ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

জেলা পর্যায় যে বা যারা ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করেন তাদের সেশন কোট বা দায়রা আদালত বলে। এই আদালতের বিচারকরা হলেন :১। দায়রা জজ : যিনি জেলা পর্যায়ে ক্রিমিনাল মামলার প্রধান বিচারক।২। অতিরিক্ত দায়রা জজ৩। যুগ্ম দায়রা জজ। দায়রা জজ আইন আরোপিত সব ধরনের শাস্তি দিতে পারেন। শুধু ডেথ পেনাল্টির কার্যকর করার ক্ষেত্রে হাইকোটের অনুমতি লাগবে। যুগ্ম দায়রা জজ ডেথ পেনাল্টি বা ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ডাদেশ দিতে পারবেন না।

মেট্রোপলিটন এলাকার ম্যাজিস্ট্রেটের শ্রেণি বিভাগ নিম্নরূপ :১। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম)২। অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। অন্যদিকে মেট্রোপলিটন বা মহানগর এলাকার বাইরের ম্যাজিস্ট্রেটরা বা জেলা আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটরা কয়েকটি শ্রেণিতে বিভক্ত :

১. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,২. অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।মেট্রোপলিটন মেজিস্ট্রটদের মধ্যে রয়েছেন :১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট,২. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট,৩. দ্বিতীয় শ্রেণির মেজিস্ট্রেট ও৪. তৃতীয় শ্রেণির মেজিস্ট্রেট। প্রথম শ্রেণির মেজিস্ট্রেট নির্জন কারাবসসহ পাঁচ বছরের অনধিক কারাদণ্ড দিতে পারবেন এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করতে পারবেন।

দ্বিতীয় শ্রেণির মেজিস্ট্রেট নির্জন কারাবাসসহ তিন বছরের কারাদণ্ড এবং অনধিক পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করতে পারবেন। তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক দুই বছরের সাজা এবং দুই হাজার টাকা জরিমানা করতে পারবেন। কোনো আসামি যদি জরিমানার টাকা দিতে না চান সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের টাকা অনাদায়ের জন্য আসামিকে দণ্ডদানের যে ক্ষমতা রয়েছে তার এক-চর্তুথাংশের বেশি দিতে পারবেন না।

অর্থাৎ কারো কারাদণ্ড যদি ২ বছরের হয় এবং এর সঙ্গে অর্থদণ্ডও হয় সে ক্ষেত্রে আসামি যদি অর্থ দিতে না পারে তাহলে মেজিস্ট্রেট বাড়তি আরো সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিতে পারবেন।

এডভোকেট এম.হাছিবুল ইসলাম
01773-277083

Address

Wari

Telephone

+8801773277083

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Confidence Law Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Confidence Law Academy:

Shortcuts

Share