Taking Online Students for upcoming O level Exam.
Cambridge IGCSE
Cambridge O Level
Edexcel IGCSE/ O Level
All Maths
Female Students Only.
Fahmida's Formula For Girls
Female Math Teacher, Coordinator of an English medium School (Ex BUET)
Dreaming to establish a platform for female teachers and students in shaa Allah
26/06/2024
অনলাইন টিউশন এবং বাস্তবতা
অনেকের কাছে মনেহয়, অনলাইনে পড়ানো খুব সহজ একটা ব্যাপার, একবার স্টুডেন্ট পেলেই হয়! তবে বাস্তবতা একেবারে ভিন্ন। টিউশন পাওয়া যেমন আকাশের চাঁদ পাবার মত ব্যাপার আর পেলে কন্টিনিও করতে পারা।
প্রথমেই বলে রাখি, যাদের কখনো টিউশন করানোর অভিজ্ঞতা নেই, অফলাইনেও না, তারা প্রথমেই অনলাইনে ভালো করতে পারবেনা। টুকটাক শিক্ষকতা করছেন, অলরেডি কিছু অভিজ্ঞতা আছে পড়ানোর ; তারা আরেকটু শিখে নিলে অনলাইনে ভালো করতে পারবেন।
খুব সহজ তো নয়ই, বরং সামনা-সামনি পড়ানোর চেয়ে চ্যালেঞ্জিং। কারণ?
নেটওয়ার্ক এবং ডিভাইস : ভালো একটা ল্যাপটপ এবং ফোন লাগবেই। সাথে লাগবে ভালো নেটওয়ার্ক কানেকশন। ব্যাক আপ কানেকশন রাখতে হবে ইলেক্ট্রিসিটি/ নেট না থাকলে।
যারা ম্যাথ, সাইন্স ক্লাস করান, তাদের গ্রাফিক্স ট্যাবলেট জরুরী। সাথে ভালো ইয়ার ফোন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডিভাইস।
কমিউনিকেশন স্কিল : অনলাইন টিচারের কমিউনিকেশন স্কিল খুব ভালো হতে হয়। স্টুডেন্ট এর গলা শুনেই আপনাকে তার পেটের খবর বুঝতে হবে এরকম আর কি! স্টুডেন্ট ঠিক কথা বলছে কিনা, ফাকি মারছে কিনা, অনেক সময় বোঝা কঠিন। গার্ডিয়ানের সাথে রেগুলার যোগাযোগ রাখতে হয়, বাচ্চার ট্রাকে রাখতে আরো বিভিন্ন কৌশল জানতে হয়। এসব অনেক কিছুই সামনা-সামনি পড়ানোর সময় লাগেনা।
টাইম ম্যানেজমেন্ট : অফলাইনে টিউশনি করালে, রাস্তায় জ্যাম, বৃষ্টি, হরতাল এরকম নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। অনলাইনে সমস্যা, মহিলা হলে ঘর, বাচ্চা সামলে সময়মতো ক্লাসে জয়েন করা। ঝিমাতে ঝিমাতে, ঘুম চলে আসলে বিপদ! এর সাথে নেটওয়ার্ক এর সমস্যা তো আছেই। ডিভাইস গুলোকে চার্জ দিয়ে রাখা সহ অন্যান্য ব্যাবস্থা করে রাখা।
আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে, অনলাইন টিউশন এর একটা বড় অংশ দেশের বাইরের স্টুডেন্ট। এরা প্রবাসী বাংগালী। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাচ্চারা পড়ে। ওদের টাইমের সাথে মিল রেখে সময় নির্ধারিত হয়। কখনো এমন হতে পারে, একটা স্টুডেন্ট এর টাইম বাংলাদেশ থেকে ২ ঘন্টা আগানো আবার আরেকজনের ৩ ঘন্টা পেছানো। কখনো ভোরবেলা পড়াতে হয়, কখনো বেশ রাতে!
মিডিয়া চার্জ : এসব টিউশন কোনটাই আপনি মিডিয়া ছাড়া পাবেন না। কখনো কখনো পরিচিত লোকের মাধ্যমে হয়, এরকম ছাড়া। মিডিয়া চার্জ ৪০% থেকে ৬০% পর্যন্ত হতে পারে। কেউ কেউ মাসের স্যালারি পাবার আগেই চার্জ দাবি করে, কেউ পরে। তবে সেটা দিতে হবেই। এখানে দুই নাম্বারি আছে কিছু, তবে বুদ্ধি খাটিয়ে নিতে পারলে ঠকার সুযোগ কম।
কারিকুলাম : আগেই বলেছি, অনলাইন টিউশন বেশিরভাগ ই দেশের বাইরের। বোঝাই যায়, ওদের ইংরেজিতে পড়াতে হয়, এবং আর ওখানে ইংলিশ মিডিয়াম এর কারিকুলাম ফলো করে; এডেক্সেল, ক্যাম্ব্রিজ অথবা ঐ দেশের নিজস্ব কোনটা। ব্যাপারটা খুব কঠিন না, বিশেষ করে যাদের এই কারিকুলামের জ্ঞান আছে। অথবা কিছুটা পরিশ্রম করলেও পারা যায়। কিছু ইংলিশ ভার্শনের স্টুডেন্ট আছে, আর অল্প স্টুডেন্ট আছে বাংলা মিডিয়ামের।
স্যালারি : অনেকের ধারণা, অনলাইন টিউশন অনেক কম খরচে বাচ্চা পড়ানো যায়। প্রথমেই ডিভাইস আর নেটওয়ার্ক এর কথা বলেছি। এগুলো ফিক্সড খরচ। আর অনলাইনে বাচ্চাদের ফুল সাপোর্ট দেয়া যায়। এক্সামের আগে যেকোনো সময় সাপোর্ট অফলাইন টিচার কখনো দিবেনা।
আর অনলাইনে যিনি ভালো পড়ান, তিনি অবশ্যই অফলাইনে অভিজ্ঞ টিচার। অভিজ্ঞতা আর দক্ষতা থাকলে ভালো স্যালারি পাওয়া যায়।
আর স্যালারি কোন ক্লাসের, কি কি বিষয়, কয়দিন, কত সময়, কোন কারিকুলাম/ মিডিয়ায়ম ফলো করছে এসবের উপরেও নির্ভর করে।
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় : অনলাইনে বা অফলাইনে যে মাধ্যমেই পড়ানো হোক, টিচারের দক্ষতা, স্ট্রং একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড, যে বিষয় পড়াচ্ছেন সে বিষয়ে ভালো জ্ঞান থাকা সবচেয়ে জরুরী। এর সাথে টেকনোলজি ব্যবহার করতে পারা, পর্দার ওপাশে থেকে নিজের জ্ঞানকে বাচ্চার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারা, দায়িত্বশীল আচরণ করা এসব গুরুত্বপূর্ণ।
স্টুডেন্ট পর্দার ওপাশে কি করে এপাশে বসে বোঝা কঠিন। অভিজ্ঞতার কোন বিকল্প নেই। কিছু উল্লেখ করতে পারলাম, আরও অনেক বিষয় আছে।
*কোথায় পাবো অনলাইন / অফলাইন টিউশন?
*মিডিয়া কি ট্রাস্ট করবো?
*কিভাবে resume বানাবো?
*কত টাকা ডিমান্ড করলে গার্ডিয়ান রাজি হবে?
*স্টুডেন্ট ধরে রাখার কৌশল.... ইত্যাদি...
24/05/2024
অনলাইন ক্লাসে ম্যাথ করা যায়!!
অনেকের প্রশ্ন এটা। বেশিকিছু বলিনা, শুধু আমার সাথে একটা ডেমো ক্লাস করতে বলি। আর কিছু বলা লাগেনা, আলহামদুলিল্লাহ।
(গ্রাফিক্স ট্যাবলেট দিয়ে অনলাইন ক্লাস, আর বোর্ডের সামনে বসে ক্লাসের একমাত্র পার্থক্য শুধু দূরত্ব)
We are open
Alhamdulillah
রমাদানে আমাদের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ঈদের পর থেকে আবার পুরোদমে শুরু হবে ইন শা আল্লাহ।
আমাদের সময়ে হাতে গোনা কিছু ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ছিল যেখানে পড়াশোনা করতে পারতো শুধুমাত্র উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান। এখন পাড়ার পাড়ায় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল থাকলেও মান বজায় রাখতে পারেনি অনেকেই। ইংলিশ মিডিয়ামে পড়া বাচ্চাদের ইংরেজি উচ্চারণ শুনলেই বোঝা যায় অনেকটা হাড়ির ভাতের খবরের মতই।
এরই সাথে এখন উচ্চ-মধ্যবিত্ত, কিছু মধ্যবিত্ত পরিবারের বাচ্চাও ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ছে। একটা সময় হাতেগোনা কিছু বাচ্চা ইংলিশ মিডিয়াম থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেত। সংখ্যাটা বাড়তে শুরু করেছে, ভালো খবর এটা। একদিকে বাংলা মিডিয়ামে কারিকুলামের বাজে অবস্থা, স্কুলগুলোতে পড়াশোনার চেয়ে কোচিং বাণিজ্যের দৌরাত্ম্য টেনে নামিয়ে দিচ্ছে পড়াশোনার মান।
অন্যদিকে ইংলিশ মিডিয়ামে বেশিরভাগ স্কুল এডেক্সেল,ক্যামব্রিজ কারিকুলামের সবচেয়ে আপডেটেড বইগুলো ফলো করে। প্রাইভেট স্কুল হওয়াতে, টিকে থাকার তাগিদে নিজেদের মান বাড়াতে চেষ্টার কোন কমতি থাকেনা।
এরসাথে মধ্যেবিত্ত, উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবারের বাচ্চাদের পাবলিকে ভর্তির জন্য অভিভাবকদের আগ্রহ এবং চেষ্টাও একইসাথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সিলেবাসের কিছু পার্থক্য থাকার কারণে ইংলিশ মিডিয়ামের বাচ্চাদের এ লেভেল দেয়ার পর কোচিং করতেই হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য। কোচিং কিন্তু বাংলা মিডিয়ামের বাচ্চাদেরও লাগে ভর্তির আগে।
অনেক অভিভাবকদের কপালে ভাজ পড়ার অন্যতম কারণ বাচ্চাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া নিয়ে। এটা খুবই যৌক্তিক কারণই বটে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এখন ভালো করছে তবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারটাই আলাদা।
আপনার বাচ্চার জন্য পাবলিক/প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়কে বেছে নিতে চান? কেন?
গিনিপিগ + কারিকুলাম = গিনিপিগুলাম
নতুন কারিকুলামে পাল্টে যাচ্ছে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা। শিক্ষার্থীদের ওপর পরীক্ষার চাপ কমানোর অংশ হিসেবে এ পরিবর্তন বলছে বোর্ড। এদিকে পাবলিক পরীক্ষার মূল্যায়ন পদ্ধতি নির্ধারণ করতে সভা ডেকেছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড। আগামী শনিবার (২ মার্চ) অনুষ্ঠেয় সভায় দেশের সকল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত থাকবেন। এ সভায় সবকিছু চূড়ান্ত হবে বলে জানা যায়।
এদিকে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, নবম-দশমের সিলেবাসে নয়, শুধুমাত্র দশম শ্রেণির সিলেবাসে হবে এসএসসি পরীক্ষা। আর এইচএসসি হবে দুইবার। একবার একাদশে, দ্বিতীয়বার দ্বাদশে।এনসিটিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, নতুন কারিকুলামে পাবলিক পরীক্ষার মূল্যায়নের ক্ষেত্রে একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এই খসড়া শিক্ষামন্ত্রী এবং শিক্ষা সচিবের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে একাই কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চায় না শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেজন্য শিক্ষা বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করার আহবান জানানো হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতে এই সভা ডাকা হয়েছে।
#গিনিপিগুলাম
27/02/2024
এই সমাজে এসবের কোন সমাধান নেই!
একমাত্র সমাধান আছে ইসলামে।
অনেক পেইজে ৩০ এবং ৩১ তারিখ এত্ত এত্ত ছাড়!
৯৯% ডিস্কাউন্ট, এটা সেটা ফ্রি অফার দেয়া হচ্ছে।
অমুক সময় লাইভে জয়েন করলে তো পুরা ফ্রি!
এগুলো কি স্পষ্ট প্রতারণা/ মিথ্যাচার নয়?
অনেকেই খেয়াল করতে পারেন না বিষয়গুলো। কেউ কেউ দ্বিধায় পরে যায়, কেউ বিশ্বাস করে ফেলে।
খুব কি প্রয়োজন এমন মিথ্যার আশ্রয় নেয়া?
সফলতার এক সিকরেট রেসিপি "টাইম ম্যানেজমেন্ট বা টাইম ইউটিলাইজেশন"। পরীক্ষা পাশের পড়া আর লক্ষ্যের জন্য পড়া ভিন্ন জিনিস। বেশির ভাগ বাচ্চারা টাইম ম্যানেজমেন্ট বোঝেনা। কিভাবে অল্প সময়ে পড়া গুছানো যায়, কোন পড়াটা আগে কোনটা পরে, কোন পড়াটা রেগুলার করবে, কোনগুলি মাঝেমধ্যে, কোন বিষয়গুলোতে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে এরকম বিষয়গুলো প্ল্যানিং বাচ্চাকে এগিয়ে রাখতে সাহায্য করে।
সাধারণ স্কুলের পরীক্ষার প্রশ্নগুলো এমন ভাবেই করা হয়, যাতে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী পাশ করতে পারে। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষা, চাকরির পরীক্ষা বা কোন কম্পিটিশনে ভালো করতে হলে কৌশল জানতে হয়। খুব শর্টকাট, অল্প জায়গায়, মেন্টাল ক্যালকুলেশন জানা এক্ষেত্রে অনেক উপকারী হয়।
একটা ক্লাস পার হলেই বাচ্চারা হাতে ক্যালকুলেটর পেয়ে যায়। জানেন কি, অনেক বড় বড় জায়গায় ভর্তি পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর ব্যবহার নিষেধ?
বাচ্চার মেন্টাল ক্যালকুলেশন করার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারলে সেটা ওকে এগিয়ে রাখবে। শুধু স্কুল কলেজেই না প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষাতেও।
অভিজ্ঞতার একটা মূল্য আছে।
এখন অনেকেই ছাত্রজীবনে টিউশন শুরু করে। আস্তে-ধীরে অভিজ্ঞতা প্রাপ্ত হয়। তবে এই অভিজ্ঞতা বিশ্ববিদ্যালয় পেরিয়ে, স্কুল কলেজে শিক্ষকতা করে যে অভিজ্ঞতা তার সাথে কখনোই মেলানো যাবেনা।
একজন শিক্ষকের শুধু পড়াশোনা করা করানোই সবকিছু না। ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মূল্যবোধের শিক্ষা, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা, জীবনে চলার বন্ধুর পথে এগিয়ে চলার শিক্ষা;শিক্ষক মাত্রই দিতে পারেননা। এরজন্য প্রয়োজন শিক্ষালব্ধ অভিজ্ঞতা।
প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শিক্ষা তারাই ভালো দিতে পারেন যারা সেই প্রতিযোগিতায় নিজেদের প্রমাণ করতে পেরেছেন। তারা নয় যারা জানেই না কিভাবে সেখানে অংশগ্রহণ করতে হয়।
এই অভিজ্ঞতার মূল্য বোঝা যায় ছাত্রের মধ্যে পজেটিভ পরিবর্তনের মাধ্যমে। মায়ের মত দায়িত্ব নিয়ে বাচ্চাকে পড়ানো কলেজ পড়ুয়া বাচ্চাদের কাজ নয়।
সচেতন বাবা মায়েরা সন্তানকে কখনো পিছিয়ে থাকতে দিবেন না। যে মিডিয়ামেই পড়ুক না কেন সন্তানের বেস্ট ভবিষ্যতের জন্য তারা সর্বদা সজাগ, আলহামদুলিল্লাহ।
একটা মেয়েকে পড়াতাম, ঢাকার বাইরে থেকে পড়তো। ইংলিশ মিডিয়ামের স্টুডেন্ট ছিল। সাথে সে ইংলিশ ভার্শনের বইগুলো বাসায় টিচার রেখে শেষ করতো। আইডিয়াটা ভালো লেগেছিল। কারণ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ভালো করার জন্য বাংলা মিডিয়াম/ ইংরেজি ভার্শনের বইগুলোর আইডিয়া থাকতে হবে।
আরেকটা স্টুডেন্ট এর কথা বলি। বাবার পোস্টিং এর জন্য ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল রেখে কাছাকাছি ইংলিশ ভার্শনের একটা স্কুলে ভর্তি হয় এই মেয়েটা। তবে মা বাবা নতুন বই, কারিকুলাম নিয়ে হতাশ। যে জায়গায় থাকছেন সেখানে ভালো ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ছিলোনা না পাচ্ছিলেন ভালো কোন টিচার। মেয়েটা ইংলিশ ভার্শন স্কুলে পড়লেও বাসায় থেকে ইংলিশ মিডিয়াম কারিকুলামের বইগুলো শেষ করছে।
ভাবেন, বাবা-মায়েদের দূরদর্শিতা, মা শা আল্লাহ। আইডিয়া টা আমার বাচ্চাদের ক্ষেত্রেও কাজে লাগানোর প্ল্যান করছি ইন শা আল্লাহ।
*যাদের কোন দ্বিধা আছে বাচ্চা কোন মিডিয়াম/ কারিকুলামে রাখবেন আমাদের পেইজে নক করতে পারেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.