Ahsan Aziz Sarkar

Ahsan Aziz Sarkar

Share

Psychiatrist. Researcher. Love to read. Personal growth, optimal functioning and well-being depend on self-knowledge (Know thyself!). Listen!

I will cast light on some of the paths.

03/04/2026

এর আগে ভিডিওতে আবেগ সৃষ্টির চারটি ধাপ নিয়ে কথা বলেছি। এই চারটি ধাপ নিয়ন্ত্রণ করে কীভাবে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা যায় তা ব্যাখ্যা করেছি। আজকের ভিডিওতে আমরা পজিটিভ সাইকোলজি, ভাষাগত ও ধারণাগত বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে কীভাবে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা যায় - তা বুঝার চেষ্টা করব।

27/03/2026

আবেগ নিয়ন্ত্রণ বলতে আবেগ প্রতিরোধ, হ্রাস, পরিবর্তন বা রূপান্তরকে বুঝানো হয়ে থাকে। আবেগ তৈরি হওয়ার চারটি ধাপ হচ্ছে – পরিস্থিতি/ঘটনা, মনোযোগ, উপলব্ধি এবং প্রকাশ। আজকে আমরা দেখার চেষ্টা করব কীভাবে এই চারটি ধাপকে নিয়ন্ত্রণ করে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

27/03/2026

আমার আজকের আলোচনা আপনার জীবন পরিবর্তন করে দেয়ার জন্য।

সাফল্যের সব সূত্রের সাথে আমেরিকার বইয়ের বাজারের বেস্ট সেলার লিস্টের একটা রহস্যময় যোগাযোগ আছে। নব্বইয়ের দশকে সেভেন হ্যাবিটস অব হাইলি ইফেকটিভ পিপল বের হওয়ার পরে দেখা গেল এই সাতটা অভ্যাস নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। মনে হল—এই সাতটা অভ্যাস ঠিকমতো করলেই জীবন সেট। ২০০৬ সালে দি সিক্রেট যখন বেস্ট সেলার হল তখন সব মোটিভেশন গুরু বলতে শুরু করলেন — ল অফ অ্যাট্রাকশন আর মনের পর্দায় কল্পনা করাই নাকি সাফল্যের চাবিকাঠি। অনেকেই তখন চোখ বন্ধ করে বিলাসবহুল গাড়ি আর সমুদ্রের ধারে বাড়ি কল্পনা করতে লাগলেন। ২০১৬ সালে ডিপ ওয়ার্ক বিখ্যাত হওয়ার পরে মনে হল — মনোযোগ দিতে পারলেই সাফল্য আমার হাতে ধরা দেবে। ২০১৮ সালে অ্যাটমিক হ্যাবিট বের হওয়ার পরে গুরুরা আবার ছোট ছোট অভ্যাসের গুরুত্ব শোনাতে লাগলেন। একদিনে এক শতাংশ উন্নতি করলেই নাকি সব ঠিক হয়ে যাবে। কখনো চলছে রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড আর সাইকোলজি অব মানি নিয়ে মাতামাতি — তখন মনে হয় টাকার ব্যাপারে সঠিক মানসিকতা হলেই সাফল্য নিশ্চিত। আবার কখনো কার্নেগীর হাউ টু উইন ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ইনফ্লুয়েন্স পিপল — মনে হয় মানুষের সাথে ঠিকমতো কথা বলতে পারলেই সব দরজা খুলে যাবে। কখনো প্রচার করা হচ্ছে ফোর আওয়ার ওয়ার্ক উইক হলেই ভাল — সপ্তাহে চার ঘণ্টা কাজ করলেই জীবন সুন্দর। আবার কখনো বলা হচ্ছে সাটল আর্ট অব নট গিভিং… — জীবনে কিছুই পাত্তা না দিলেই নাকি শান্তি।

চল্লিশের দশকে চিন্তা পরিবর্তন করতে বলা হচ্ছে (থিঙ্ক অ্যান্ড গ্রো রিচ), সোশ্যাল স্কিল বাড়াতে বলা হচ্ছে (হাউ টু উইন ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ইনফ্লুয়েন্স পিপল), ষাটের দশকে আশাবাদী হতে বলা হচ্ছে (পাওয়ার অব পজিটিভ থিংকিং), নব্বইয়ের দশকে অভ্যাস পরিবর্তন করতে বলা হচ্ছে (সেভেন হ্যাবিটস), একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে কল্পনা শক্তি বাড়াতে বলা হচ্ছে (দি সিক্রেট), আর গত দশক থেকে বলা হচ্ছে — মনোযোগ (ডিপ ওয়ার্ক) আর ছোট অভ্যাস (অ্যাটমিক হ্যাবিট)। সব মিলিয়ে অবস্থা অনেকটা রবার্ট গ্রিনের ফরটি এইট লজ অব পাওয়ার এর মত — একটার সূত্রের সাথে আরেকটার তেমন কোনো সামঞ্জস্য নেই - আর সবগুলো একসাথে মিলে ঠিক কী বলতে চায় বোঝা কঠিন। এভাবে বেস্ট সেলার লিস্ট পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে সাফল্যের সূত্র আপডেট হয়ে যাচ্ছে।

এটা ঠিক যে অর্থনৈতিক কাঠামো নির্ণয় করে দেয় কখন কোন বৈশিষ্ট্য বেশি দরকার হবে। সাফল্যের সূত্র হিসেবে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে যে জিনিসদুটি টিকে আছে তা হল মেধা ও পরিশ্রম। কেউ সফল হওয়ার জন্য মেধাবী হওয়ার চেষ্টা করছে, আবার কেউ বা পরিশ্রমী। যারা বেশি মোটিভেটেড তারা মনে করছে মেধা দরকার, তবে মেধা কাজে লাগানোর জন্য পরিশ্রম করতে হবে, তাহলেই সাফল্য ধরা দিবে। এর পাশাপাশি আছে ভাগ্যবাদীরা – কার হাতে সাফল্য ধরা দিবে তা আগে থেকেই নির্ধারিত – আসলেই তাই? আবার কেউ মনে করে বিশেষ কোন ঘটনা কারও কারও জীবনে ঘটে যা তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়ে সাফল্যের পথে নিয়ে যায়।

আপনি কী মনে করেন? সফলতার জন্য কোন জিনিস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?

19/03/2026

সাফল্যের সব সূত্রের সাথে আমেরিকার বইয়ের বাজারের বেস্ট সেলার লিস্টের একটা রহস্যময় যোগাযোগ আছে। নব্বইয়ের দশকে সেভেন হ্যাবিটস অব হাইলি ইফেকটিভ পিপল বের হওয়ার পরে দেখা গেল এই সাতটা অভ্যাস নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। মনে হল—এই সাতটা অভ্যাস ঠিকমতো করলেই জীবন সেট। ২০০৬ সালে রোণ্ডা বার্নের দি সিক্রেট যখন বেস্ট সেলার হল তখন সব মোটিভেশন গুরু বলতে শুরু করলো — ল অফ অ্যাট্রাকশন আর মনের পর্দায় কল্পনা করাই নাকি সাফল্যের চাবিকাঠি। অনেকেই তখন চোখ বন্ধ করে বিলাসবহুল গাড়ি আর সমুদ্রের ধারে বাড়ি কল্পনা করতে লাগলেন। ২০১৬ সালে ক্যাল নিউপোর্টের ডিপ ওয়ার্ক বিখ্যাত হওয়ার পরে মনে হল — ডিপ ফোকাস বা মনোযোগ দিতে পারলেই সাফল্য আমার হাতে ধরা দেবে। ২০১৮ সালে জেমস ক্লিয়ারের অ্যাটমিক হ্যাবিট বের হওয়ার পরে গুরুরা আবার ছোট ছোট অভ্যাসের গুরুত্ব শোনাতে লাগলেন। একদিনে এক শতাংশ উন্নতি করলেই নাকি সব ঠিক হয়ে যাবে। কখনো চলছে রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড আর সাইকোলজি অব মানি নিয়ে মাতামাতি — তখন মনে হয় টাকার ব্যাপারে সঠিক মানসিকতা হলেই সাফল্য নিশ্চিত। আবার কখনো কার্নেগীর হাউ টু উইন ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ইনফ্লুয়েন্স পিপল — মনে হয় মানুষের সাথে ঠিকমতো কথা বলতে পারলেই সব দরজা খুলে যাবে। কখনো প্রচার করা হচ্ছে ফোর আওয়ার ওয়ার্ক উইক হলেই ভাল — সপ্তাহে চার ঘণ্টা কাজ করলেই জীবন সুন্দর। আবার কখনো বলা হচ্ছে সাটল আর্ট অব নট গিভিং… — জীবনে কিছুই পাত্তা না দিলেই নাকি শান্তি। এখন আসছে ইকিগাই - জীবনের উদ্দেশ্যটা খুঁজে পেলেই সব সমস্যার সমাধান – যেন এতদিন জাপানিরা বাদে সবাই উদ্দেশ্যহীন জীবনযাপন করছিল।

চল্লিশের দশকে চিন্তা পরিবর্তন করতে বলা হচ্ছে (থিঙ্ক অ্যান্ড গ্রো রিচ), সোশ্যাল স্কিল বাড়াতে বলা হচ্ছে (হাউ টু উইন ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ইনফ্লুয়েন্স পিপল), ষাটের দশকে আশাবাদী হতে বলা হচ্ছে (পাওয়ার অব পজিটিভ থিংকিং), কষ্টকে মানে দিতে বলা হচ্ছে (ম্যানস সার্চ ফর মিনিং), নব্বইয়ের দশকে অভ্যাস পরিবর্তন করতে বলা হচ্ছে (সেভেন হ্যাবিটস), একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে কল্পনা শক্তি বাড়াতে বলা হচ্ছে (দি সিক্রেট), আর গত দশক থেকে বলা হচ্ছে — মনোযোগ (ডিপ ওয়ার্ক), ছোট অভ্যাস (অ্যাটমিক হ্যাবিট) আর উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবন (ইকিগাই)। সব মিলিয়ে অবস্থা অনেকটা রবার্ট গ্রিনের ফরটি এইট লজ অব পাওয়ার এর মত — একটার সূত্রের সাথে আরেকটার তেমন কোনো সামঞ্জস্য নেই - আর সবগুলো একসাথে মিলে ঠিক কী বলতে চায় বোঝা কঠিন। এভাবে বেস্ট সেলার লিস্ট পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে সাফল্যের সূত্র আপডেট হয়ে যাচ্ছে।

এটা ঠিক যে অর্থনৈতিক কাঠামো নির্ণয় করে দেয় কখন কোন বৈশিষ্ট্য বেশি দরকার হবে। তবে সাফল্যের সূত্র হিসেবে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে যে জিনিসদুটি টিকে আছে তা হল মেধা ও পরিশ্রম। কেউ সফল হওয়ার জন্য মেধাবী হওয়ার চেষ্টা করছে, আবার কেউ বা পরিশ্রমী। যারা বেশি মোটিভেটেড তারা মনে করছে মেধা দরকার, তবে মেধা কাজে লাগানোর জন্য পরিশ্রম করতে হবে, তাহলেই সাফল্য ধরা দিবে। এর পাশাপাশি আছে ভাগ্যবাদীরা – কার হাতে সাফল্য ধরা দিবে তা আগে থেকেই নির্ধারিত – আসলেই তাই? আবার কেউ মনে করে বিশেষ কোন ঘটনা কারও কারও জীবনে ঘটে যা তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়ে সাফল্যের পথে নিয়ে যায়।

আপনি কী মনে করেন? সফলতার জন্য কোন জিনিস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?

পরের ভিডিওতে এর জবাব দিব।

13/03/2026

আইকিউ এর সাথে যৌক্তিক চিন্তা করতে পারা, দীর্ঘমেয়াদী চিন্তা করতে পারা, ভবিষ্যৎমুখী চিন্তা করতে পারা, বিপরীতমুখী চিন্তা করতে পারা, বিমূর্ত চিন্তা করতে পারা, সৃজনশীল চিন্তা করতে পারা – এগুলোর সম্পর্ক রয়েছে। যে জাতির গড় আইকিউ যত বেশি তারা এসকল বিষয়ে তত দক্ষ হয়ে থাকে। আইকিউ কম থাকার কারণে বাঙালী দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করতে অক্ষম, অন্য জাতির সাথে প্রতিযোগিতায় পারে না, ও আবেগের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেয়। আজকের ভিডিওতে আমরা বাঙালী জাতির আইকিউ কেন কম হচ্ছে, আইকিউ কত কম এবং ফলে কি হচ্ছে তা বুঝার চেষ্টা করবো।

06/03/2026

মেধাবী হওয়ার উপায় কী ।। How can one become intelligent? ।। #83

একজন ব্যক্তি কীভাবে মেধাবী হয়ে উঠতে পারেন?
কোন কোন বৈশিষ্ট্য থাকলে আমরা একজনকে মেধাবী বলব?
বুদ্ধিমত্তা, প্রতিভা এবং মেধার মধ্যে কী সম্পর্ক রয়েছে? এগুলো কী একই জিনিস না ভিন্ন ভিন্ন?
মেধা কি ব্যক্তি জন্মসূত্রে লাভ করে না কি অর্জন করা সম্ভব?

আমাদের আজকের আলোচনা মেধা নিয়ে। আমরা মেধার গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করব।

03/10/2025

অভ্যাস পরিবর্তন করা এত কঠিন কেন? জ্ঞান কি অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারে? দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন কি অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারে? ইচ্ছাশক্তি কি অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারে?

জ্ঞান, দৃষ্টিভঙ্গি বা ইচ্ছাশক্তি অধিকাংশ ক্ষেত্রে অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারে না। বেশি মোবাইল ব্যবহার ভালো না - এই জ্ঞান এবং মোবাইলের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তি অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারে না। ইচ্ছাশক্তি আজকে আছে কালকে নেই। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে অভ্যাস পরিবর্তনের উপায়টা কি? আজকের আলোচনা অভ্যাস পরিবর্তনের মূলনীতি নিয়ে।

Photos from Ahsan Aziz Sarkar's post 05/09/2025

আমার লেখা বই পড়ার আমন্ত্রণ সবাইকে –

কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন আমরা জাতি হিসেবে এত নিম্নস্তরের? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন জাতি হিসেবে আমাদের অবস্থান এত নিচে? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন বিশ্ব সভ্যতায় আমাদের কোন অবদান নেই? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন মানব সভ্যতার বিকাশে আমাদের কোন অবদান নেই? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন মহৎ কোন ব্যক্তি এই জাতিতে জন্মগ্রহণ করেনি? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন বিশ্ববিখ্যাত কোন দার্শনিক, বুদ্ধিজীবী, লেখক, শিল্পী বা খেলোয়াড় এই জাতিতে কখনো জন্মগ্রহণ করেনি? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন এখানকার স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এত নিম্নমানের? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন বাইরে থেকে বৃটিশরা এসে আমাদের উপর রাজত্ব করে গেছে? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন আমরা সবসময় শোষণের শিকার হয়েছি? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে দুর্নীতিতে আমরা শীর্ষে? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন লক্ষ লক্ষ মানুষ মেথর, ঝাড়ুদার, চাকর আর মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতে এই দেশ ছেড়ে চলে যায়? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কীভাবে কোটি কোটি স্ত্রী স্বামী ছাড়া বা বাচ্চারা বাবা ছাড়া বছরযাপন করে? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন অশিক্ষিত অল্পশিক্ষিত লুটেরা নিকৃষ্ট সব মানুষেরা আমাদের নেতা হয়? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন আমরা কৃতদাসের জীবন যাপন করি?

এই বিষয়গুলো নিয়ে দীর্ঘসময় চিন্তা-ভাবনা করেছি। বুঝার চেষ্টা করেছি এর পেছনের কারণগুলো কী কী, সমাধান কোন পথে। চিন্তা-ভাবনাগুলোকে গুছিয়ে বই আকারে রেখে দিলাম। মাথায় রাখবেন এটি মনোবিজ্ঞানের বই না। এটি রাজনৈতিক দর্শনের বই – বইয়ের বিষয়বস্তু রাষ্ট্র, দেশ, জাতি, মানুষ, মানবজীবন, জীবন, নৈতিকতা, আইন,দাসত্ব, বিপ্লব।

বইয়ের নাম দিয়েছি নীল বই। আপনাদেরকে নীল বই পড়ার আমন্ত্রণ।

দারাজ থেকে নীল বই সংগ্রহের লিংক

https://bit.ly/4lM443J

19/05/2025

জুলাই বিপ্লবে যারা আহত হয়েছেন তারা মানসিক ভাবে কেমন আছেন?

আমরা বেশ কয়েকজন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ মিলে জুলাই বিপ্লবের পর থেকে একটি গবেষণা করছিলাম। আজকে এটি গবেষণা প্রবন্ধ হিসেবে ন্যাচার পাবলিকেশনসের কিউরিয়াস জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। মূল যে সমস্যাগুলো আমরা পেয়েছি খুব ছোট করে বললে তা হচ্ছে -

১. আহতদের ৮২ শতাংশ কোন না কোন মাত্রার বিষণ্ণতা বা ডিপ্রশনে ভুগছেন। এদের মধ্যে চরম মাত্রার বিষণ্ণতা ছিল ৫৬ শতাংশে।
২. আহতদের ৬৪ শতাংশ পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার বা পিটিএসডিতে ভুগছেন।
৩. যারা গ্রাম থেকে এসে চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের বিষণ্ণতা ও পিটিএসডিতে ভুগার হার বেশি।

সবচেয়ে করুণ বিষয় হচ্ছে গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত আহতদের মাত্র তিনজন (১.৪%) তাদের মানসিক সমস্যার জন্য চিকিৎসা পেয়েছেন বা নিচ্ছিলেন; অন্য সকলে শারীরিক সমস্যার জন্য চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। এটি বলে দেয় আহতদের মধ্যে সচেতনতা ও জ্ঞানের অভাব রয়েছে। তারা মানসিক সমস্যা সম্পর্কে সচেতন না, কোথায় চিকিৎসা পাওয়া যাবে এটি জানেন না। পাশাপাশি তাদের চিকিৎসায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীরাও সচেতন না যে আহতদের মানসিক সমস্যা হতে পারে এবং আলাদা ভাবে মানসিক সমস্যার জন্য চিকিৎসা দরকার হতে পারে।

#বিপ্লব ফ্যাক্টস

যারা বিস্তারিত জানতে চান তাদের জন্য গবেষণা প্রবন্ধটি পড়ার ও ডাউনলোডের লিংক -

https://www.cureus.com/articles/369958-mental-health-consequences-of-the-july-revolution-in-bangladesh-a-study-on-depression-and-post-traumatic-stress-disorder-among-survivors-of-violence-and-persecution #!/

27/09/2024

স্লিপ রেস্ট্রিকশন থেরাপি নিদ্রাহীনতা দূর করার সবচেয়ে কার্যকর থেরাপি। এর মূলনীতি হচ্ছে স্লিপ প্রেশার তৈরি করা। আপনি যত বেশি সময় জেগে থাকবেন তত বেশি স্লিপ প্রেশার বা ঘুমের চাপ তৈরি হবে। অধিকাংশ মানুষ যারা নিদ্রাহীনতায় ভুগেন তারা ঘুম না আসলেও বিছানায় শুয়ে ঘুমের চেষ্টা করে রাত পার করে দেন। এই থেরাপি বলে আপনি যতটুকু সময় ঘুমাবেন শুধু সেই সময়টুকু বিছানায় থাকবেন। বিছানার বাইরে যে সময় থাকবেন তা জেগে থাকা হিসেবে কাজ করবে ফলে স্লিপ প্রেশার বা ঘুমের চাপ তৈরি হবে।

এই থেরাপির তিনটি প্রধান ধাপ হচ্ছে :

ধাপ ১. ঘুমের জার্নাল রাখা এবং ঘুমের দক্ষতা হিসাব করা

প্রথমে অন্তত এক সপ্তাহ ধরে ঘুমের ধরণ পর্যবেক্ষণ করুন। ঘুমের জার্নালে শোবার সময়, ঘুম থেকে ওঠার সময় এবং মোট কত ঘণ্টা ঘুমিয়েছেন তা লিখুন। এটি আপনার ঘুমের দক্ষতা মূল্যায়নে সাহায্য করবে (ঘুমানোর সময়ের সাথে বিছানায় কাটানো সময়ের অনুপাত)।

সূত্র: ঘুমের দক্ষতা (%) = (মোট ঘুমের সময় / বিছানায় কাটানো সময়) × 100।

৮৫% বা তার বেশি ঘুমের দক্ষতা অর্জন করা এই থেরাপির লক্ষ্য ।

ধাপ ২. শুধুমাত্র ঘুমের সময়টুকু বিছানায় কাটান

ঘুমের জার্নালের ভিত্তিতে, আপনার ঘুমানোর ও জাগার সময় নির্ধারণ করুন যাতে আপনি আসলে যতক্ষণ ঘুমাচ্ছেন ততক্ষণই বিছানায় থাকেন। যদি আপনি গড়ে ৬ ঘণ্টা ঘুমাচ্ছেন, তাহলে বিছানায় মাত্র ৬ ঘণ্টা কাটান। দিনের বেলা ঘুমানো এড়িয়ে চলুন এবং কেবল তখনই বিছানায় যান যখন আপনি সত্যিই ঘুমাতে চাইছেন। এই ধাপটি ঘুমের ধারাবাহিকতা ও সময় বাড়ায় ।

ধাপ ৩. ১-২ সপ্তাহ পর সফল হলে ঘুমের সময় বাড়ান

১-২ সপ্তাহ ধরে সীমিত ঘুমের সময়সূচী অনুসরণ করার পরে, আপনার ঘুমের দক্ষতা পরীক্ষা করুন। যদি এটি ৮৫% বা তার বেশি হয়, তাহলে বিছানায় কাটানো সময় ১৫-৩০ মিনিট করে বাড়ান। ঘুমের দক্ষতা ভালো রাখতে প্রতি ১-২ সপ্তাহ অন্তর ঘুমের সময় ধীরে ধীরে বাড়ান, যতক্ষণ না আপনি আপনার কাঙ্খিত ঘুমের পরিমাণ ও মান অর্জন করছেন।

মাথায় রাখবেন ঘুম আসুক বা না আসুক কমপক্ষে ৫ ঘণ্টা বিছানায় থাকবেন।

20/09/2024

পর্ণ আসক্তির লক্ষণ, পর্ণ আসক্তির কারণ ও পর্ণ আসক্তির প্রভাব নিয়ে এর আগের ভিডিওতে আমরা কথা বলেছি। আজকের ভিডিওতে আমরা কথা বলব পর্ণ আসক্তির বের হওয়ার নানা উপায় নিয়ে। এর মধ্যে আছে - সচেতনতা বৃদ্ধি করা, নিজেকে মোটিভেট করা, দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন, পর্ণ ফ্রি পরিবেশ গড়ে তুলা, SOBER টেকনিক, নেতিবাচক আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা, ইত্যাদি ইত্যাদি।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Dhaka