PaperWisp

PaperWisp Paper Wisp �
whispers of forgotten pages |

Are clouds trying to tell you something? Maybe they are saying, "You've done everything for today. Now look at me and fe...
16/05/2026

Are clouds trying to tell you something?
Maybe they are saying, "You've done everything for today. Now look at me and feel light".

With Wikipedia – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
13/05/2026

With Wikipedia – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

বাংলাদেশের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য :১. সাধারণ পরিচিতি ও আয়তন-•ভৌগোলিক গঠন: বাংলাদেশ মূলত দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য নিয়ে গঠিত—একটি ...
12/05/2026

বাংলাদেশের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য :

১. সাধারণ পরিচিতি ও আয়তন-

•ভৌগোলিক গঠন: বাংলাদেশ মূলত দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য নিয়ে গঠিত—একটি বিশাল বদ্বীপ সমভূমি (যা ঘন ঘন বন্যার শিকার হয়) এবং দক্ষিণ-পূর্বে একটি ছোট পার্বত্য অঞ্চল।

•আয়তন: বিবিএস (২০২০) অনুযায়ী বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার। তবে সিআইএ ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্টবুক অনুযায়ী এটি ১,৪৮,৪৬০ বর্গ কিলোমিটার।

•সীমানা: বাংলাদেশের উত্তরে, পশ্চিমে এবং পূর্বে ভারতের সাথে প্রায় ৪,০৯৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমারের সাথে ১৯৩ কিলোমিটার সীমান্ত এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।

২. ভূ-প্রকৃতি ও সমভূমি-

•প্লাবন সমভূমি: দেশের প্রায় ৮০% অঞ্চল উর্বর পলিমাটি দিয়ে গঠিত সমভূমি, যা 'বাংলাদেশ সমভূমি' বা নিম্ন গাঙ্গেয় সমভূমি নামে পরিচিত।

•উচ্চতা: দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ মিটারের নিচে। উত্তরের কিছু এলাকায় উচ্চতা ১০৫ মিটার পর্যন্ত হলেও দক্ষিণে উপকূলীয় অঞ্চলের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠের সমান।

•জলাশয়: দেশের প্রায় ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা স্থায়ীভাবে পানিতে ঢাকা থাকে এবং বর্ষাকালে বিশাল এলাকা প্লাবিত হয়।

৩. পাহাড়ি অঞ্চল-

•অবস্থান: দক্ষিণ-পূর্বের চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চল, উত্তর-পূর্বের সিলেটের পাহাড় এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কিছু উচ্চভূমি হলো সমভূমির ব্যতিক্রম।

•চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস: এটি দেশের একমাত্র উল্লেখযোগ্য পর্বত ব্যবস্থা। এখানে পাহাড়গুলোর উচ্চতা সাধারণত ৬০০ থেকে ৯০০ মিটারের মধ্যে।

•সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হলো সাকা হাফং, যার উচ্চতা ১,০৫২ মিটার (৩,৪৫১ ফুট)।

৪. বনভূমি ও প্রকৃতি-

•বনের পরিমাণ: ২০২০ সালের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ১৪% বনভূমি (প্রায় ১৮,৮৩,৯০০ হেক্টর)। ১৯৯০ সালের তুলনায় বনভূমির পরিমাণ কিছুটা কমেছে।

•বনের ধরন: বনভূমির একটি বড় অংশ প্রাকৃতিকভাবে পুনরুৎপাদিত এবং প্রায় ৩৩% এলাকা সংরক্ষিত বনাঞ্চল হিসেবে স্বীকৃত। ১০০% বনভূমি সরকারি মালিকানাধীন।

৫. প্রাকৃতিক সম্পদ ও বন্যপ্রাণী-

•কৃষিজ ও বনজ সম্পদ: বাংলাদেশ প্রচুর পরিমাণে কাঠ, বাঁশ এবং আখ উৎপাদন করে। পার্বত্য উপত্যকায় উন্নত মানের কাঠ এবং সমতল ও পাহাড়ি সব এলাকায় বাঁশ জন্মে।

•রাবার চাষ: ১৯৮০-এর দশকে পার্বত্য অঞ্চলে রাবার চাষ শুরু হয়।

•বন্যপ্রাণী: বাংলাদেশের বনাঞ্চল বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল। বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের সুন্দরবন হলো বিশ্ববিখ্যাত রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার-এর ঘর।

•মাটির উর্বরতা: বাংলাদেশের সমভূমি অত্যন্ত উর্বর কারণ বর্ষাকালে নদীবাহিত পলিমাটি এখানে জমা হয়।

তথ্য সূত্র: Wikipedia

#ভূগোল #বাংলাদেশ

Sunset🌥️
03/05/2026

Sunset🌥️


ছবিটি ১৯৪০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে ফ্রান্সে ব্যবহৃত একটি ভূ-তাত্ত্বিক টাইম স্কেলের উদাহরণ। এখানে Geochronometry বা ভূ-তাত...
23/04/2026

ছবিটি ১৯৪০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে ফ্রান্সে ব্যবহৃত একটি ভূ-তাত্ত্বিক টাইম স্কেলের উদাহরণ। এখানে Geochronometry বা ভূ-তাত্ত্বিক কালানুক্রমিক বিজ্ঞানের ইতিহাস এবং বিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

​১. পুরনো বা অপ্রচলিত ডায়াগ্রাম (Obsolete Scale):

​টেবিলটি মূলত ১৯৪০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে ফ্রান্সে ব্যবহৃত একটি ভূ-তাত্ত্বিক টাইম স্কেলের উদাহরণ। ছবির নিচে ছোট করে লেখা আছে যে এটি একটি 'obsolete' বা অপ্রচলিত স্কেল। অর্থাৎ, আধুনিক বিজ্ঞানে এখন আর এই পুরনো হিসাব বা চার্ট ব্যবহার করা হয় না।

​২. ভূ-তাত্ত্বিক বিতর্ক (১৯শ শতাব্দী):

১৯শ শতাব্দীতে পৃথিবীর বয়স নিয়ে ভূতত্ত্ববিদ এবং পদার্থবিদদের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক ছিল।
​ভূতত্ত্ববিদরা ক্ষয়িষ্ণুতা (denudation) এবং পলি জমার স্তরের গভীরতা দেখে বয়স নির্ধারণ করতেন। অন্যদিকে, পদার্থবিদরা পৃথিবীর শীতল হওয়ার হার বা তাপগতিবিদ্যা (thermodynamics) ব্যবহার করে হিসাব করতেন।
​সেই সময়ের লর্ড কেলভিন (Lord Kelvin) এবং ক্লারেন্স কিং-এর মতো বিজ্ঞানীদের করা এই হিসাবগুলো পরবর্তীতে ভুল প্রমাণিত হয়। তখনকার হিসাবগুলো ১৫,০০০ মিলিয়ন বছর থেকে শুরু করে মাত্র ০.০৭৫ মিলিয়ন বছরের মধ্যে ওঠানামা করত।
Picture : Wikipedia

Global village 😓Expectations vs reality
23/04/2026

Global village 😓
Expectations vs reality

জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) তাদের গবেষণাপত্রগুলোতে পরিবেশগত সংকটের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়মিত তুলে ধরেছে। এরই ধারাবাহিকতা...
22/04/2026

জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) তাদের গবেষণাপত্রগুলোতে পরিবেশগত সংকটের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়মিত তুলে ধরেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালে প্রকাশিত তাদের ষষ্ঠ এবং সবথেকে বিস্তারিত প্রতিবেদনটি (GEO-6) বিশ্ববাসীর জন্য এক চূড়ান্ত সতর্কবার্তা প্রদান করে।

UNEP GEO-6 (২০১৯) রিপোর্টের মূল সারসংক্ষেপ:

​১. সুস্থ পৃথিবী, সুস্থ মানুষ:
এই রিপোর্টের প্রধান বার্তা ছিল—পরিবেশ যদি সুস্থ না থাকে, তবে মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষা করা অসম্ভব। পরিবেশ দূষণ বর্তমানে সারা বিশ্বে অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ।

​২. জরুরি অবস্থা:
রিপোর্ট অনুযায়ী, আমরা বর্তমানে একটি "পরিবেশগত জরুরি অবস্থার" মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। যদি দ্রুত এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তবে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের পরিবেশগত বিপর্যয় এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে যে তা আর সংশোধন করা সম্ভব হবে না।

​৩. তিনটি প্রধান সংকট:
এই রিপোর্টে তিনটি বিষয়কে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে:

i) ​জলবায়ু পরিবর্তন: গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর গতি অত্যন্ত ধীর।

ii) ​জীববৈচিত্র্য ধ্বংস: প্রাণীকুল এবং প্রাকৃতিক সম্পদ যে হারে ধ্বংস হচ্ছে, তা খাদ্য নিরাপত্তা এবং বাস্তুসংস্থানকে চরম ঝুঁকিতে ফেলছে।

iii) ​বর্জ্য ও দূষণ: বিশেষ করে প্লাস্টিক দূষণ এবং রাসায়নিক বর্জ্য আমাদের সমুদ্র ও মাটির ভয়াবহ ক্ষতি করছে।

​৪. পরিবর্তনের আহ্বান: রিপোর্টটিতে প্রথাগত উন্নয়নের পরিবর্তে 'সবুজ অর্থনীতি' (Green Economy) এবং টেকসই উন্নয়ন মডেল গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র কারিগরি পরিবর্তন যথেষ্ট নয়, বরং আমাদের খাদ্য উৎপাদন, জ্বালানি ব্যবহার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে।

পরিবেশগত সংকটের বৈশ্বিক চিত্র_​বর্তমান বিশ্বের পরিবেশগত সংকট কেবল একটি প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়, বরং এটি একটি গভীর সামাজিক ও...
22/04/2026

পরিবেশগত সংকটের বৈশ্বিক চিত্র_

​বর্তমান বিশ্বের পরিবেশগত সংকট কেবল একটি প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়, বরং এটি একটি গভীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা। এই সংকটের মূল দিকগুলো-

​সচেতনতার বিবর্তন:
১৯৭০-এর দশক থেকে পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ শুরু হয়। উত্তর আফ্রিকার খরা, চেরনোবিল পারমাণবিক দুর্ঘটনা এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রভাবের মতো বড় বড় বিপর্যয়গুলো প্রমাণ করেছে যে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া আমাদের সবার জন্য একটি সরাসরি হুমকি। ফলে সাধারণ মানুষ এখন বুঝতে শুরু করেছে যে পরিবেশ রক্ষা করা আমাদের সামষ্টিক দায়িত্ব।

​উন্নয়ন ও দারিদ্র্যের বৈষম্য:
UNEP-এর (২০০০) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে না। একদল মানুষ উন্নয়নের সুফল ভোগ করলেও বড় একটি অংশ চরম দারিদ্র্যে নিমজ্জিত। এই অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের অভাব পরিবেশগত ব্যবস্থাপনাকে আরও কঠিন করে তুলছে।

​প্রধান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ:
বর্তমানে গ্রিনহাউস প্রভাব, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, ওজোন স্তর ক্ষয়, এসিড বৃষ্টি এবং বনভূমি উজাড় হওয়া হলো প্রধান সমস্যা। তবে আশঙ্কার বিষয় হলো, প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার যেটুকু চেষ্টা করা হচ্ছে, তা ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও অনিয়ন্ত্রিত অর্থনৈতিক উন্নয়নের চাপে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে।

​মনস্তাত্ত্বিক সংকট:
পরিবেশগত সংকটের মূল কারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে নিহিত। আমরা চাই পরিবেশ একই সাথে আমাদের জীবনধারণের রসদ জোগাবে, অর্থনৈতিকভাবে লাভবান করবে এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও বজায় রাখবে। কিন্তু আমাদের অতি-প্রত্যাশা এবং বর্তমান জীবনধারা এই চাহিদাগুলোকে একসাথে পূরণ করতে পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করছে।

পরবর্তীতে ২০১৯ সালে প্রকাশিত UNEP-এর ষষ্ঠ গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট আউটলুক (GEO-6) রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছে যে, পৃথিবী এখন একটি চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে।
‌‌★'Healthy Planet, Healthy People' প্রতিপাদ্যের এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে আমাদের উৎপাদন ও ভোগের ধরনে এখনই বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে হবে, অন্যথায় প্রাকৃতিক বিপর্যয় মানবজাতির অস্তিত্বকে সংকটে ফেলবে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PaperWisp posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category