আমের মৌসুম শুরু – ইনশাআল্লাহ মে'র প্রথম সপ্তাহ থেকে অর্ডার নিচ্ছে "আমওয়ালা"!
প্রিয় আমপ্রেমী গ্রাহকবৃন্দ,
সুন্দর একটি মৌসুমের অপেক্ষা শেষের পথে। আবারও ফিরে এলো গ্রীষ্মের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত স্বাদ – আম!
আমওয়ালা পরিবার আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছে, ইনশাআল্লাহ আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে আমরা শুরু করছি পাকা গুটি আমের অর্ডার গ্রহণ।
এরপর পর্যায়ক্রমে পাওয়া যাবে:
গোপালভোগ – মে'র মাঝামাঝি
হিমসাগর (ক্ষিরসাপাত) – মে'র শেষের দিকে
ল্যাংড়া, ফজলি, আম্রপালি – জুন থেকে
সতর্কভাবে বাছাই করা প্রতিটি আম আপনার টেবিলে পৌঁছাবে সততার গ্যারান্টি নিয়ে।
---
পূর্ব-অর্ডার করতে এখনই যোগাযোগ করুন:
"আমওয়ালা"
মোবাইল: ০১৮১৪৭১০৬৬৩
অর্ডার ডেলিভারি: ঢাকা সহ সারা দেশে
বিশেষ অফার: আগাম বুকিংয়ে মূল্যছাড় ও প্রাধান্য!
---
"আমওয়ালা" – মিষ্টতা যেখানে সত্যিকার।
আপনার পরিবারের মিষ্টি মুহূর্তে আম থাকুক – আর সেই দায়িত্ব থাকুক আমাদের হাতে।
আমওয়ালা - AAMwala
গাছ থেকে ঘরে, সুস্বাদু, নিরাপদ ও তাজা – পরিবারের জন্য আদর্শ দেশি আমের বাজার
বাংলাদেশের গ্রীষ্মকাল যেন আমের মৌসুমের সুবাসে ভরে থাকে। বৈচিত্র্যময় জাতের সুস্বাদু আম দেশের নানা প্রান্তে গ্রীষ্মের শুরু থেকেই বাজারে আসে এবং দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের রসনা তৃপ্ত করে। মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত সময়টাই মূলত আমের মৌসুম হিসেবে ধরা হয়, যদিও আবহাওয়ার পার্থক্য ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে এই সময় কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে।
১. রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ (বাংলাদেশের সবচেয়ে বিখ্যাত আম উৎপাদন অঞ্চল)
এলাকার আবহাওয়া ও মাটি আম চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এখানে সবচেয়ে বেশি জাতের ও সুস্বাদু আম হয়।
গুটি আম / দেশি আম: মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই বাজারে আসে। এগুলো ছোট আকৃতির ও দ্রুত পেকে যায়।
গোপালভোগ: মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে পাকে। খুব মিষ্টি ও ত fibre কম, তাই সহজেই গলে যায়।
হিমসাগর / ক্ষিরসাপাত: মে মাসের শেষ থেকে জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত পাওয়া যায়। এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় জাতগুলোর একটি। খোসা পাতলা, আঁশ নেই, খুব মিষ্টি।
ল্যাংড়া: জুন মাসের শুরু থেকে মাঝামাঝি পর্যন্ত পাকে। হালকা টক-মিষ্টি স্বাদের, আঁশ কম থাকে।
ফজলি: জুনের শেষ থেকে জুলাই পর্যন্ত বাজারে আসে। বড় আকৃতির, রসালো, ও মিষ্টি আম।
আশ্বিনা / বারি-৪: জুলাইয়ের শেষ থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত পাওয়া যায়। এটি দেরিতে পাকা জাত।
---
২. সাতক্ষীরা ও যশোর
এখানকার আবহাওয়ায় আম তুলনামূলক আগে পাকে। তাই সাতক্ষীরার আম আগে বাজারে আসে।
হিমসাগর / ক্ষিরসাপাত: মে মাসের মাঝামাঝি থেকেই পাওয়া যায়। সাতক্ষীরার হিমসাগর রপ্তানির জন্য বিখ্যাত।
গোপালভোগ ও ল্যাংড়া: মে শেষ থেকে জুনের শুরুতে বাজারে আসে।
ফজলি ও আশ্বিনা: জুনের শেষ থেকে আগস্ট পর্যন্ত।
---
৩. নওগাঁ ও দিনাজপুর
এই অঞ্চলেও অনেক আম হয়, বিশেষ করে ল্যাংড়া ও ফজলি জনপ্রিয়।
ল্যাংড়া: জুন মাসের শুরুতে পাকে। দিনাজপুরের ল্যাংড়া বিখ্যাত।
ফজলি: জুনের শেষ থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত। নওগাঁর ফজলি বেশ বড় ও রসালো।
আম্রপালি: জুলাই মাসে পাওয়া যায়। এটি আঁশবিহীন, অনেক মিষ্টি এবং লম্বা সময় সংরক্ষণযোগ্য।
---
৪. মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা
এই অঞ্চলগুলোতেও আম চাষ ব্যাপকভাবে হয়।
গুটি আম: মে মাসের শুরুতেই আসে।
হিমসাগর ও গোপালভোগ: মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে।
ল্যাংড়া ও ফজলি: জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে।
আম্রপালি ও আশ্বিনা: জুলাই মাস থেকে আগস্ট পর্যন্ত।
আর মাত্র কিছু দিনের অপেক্ষা… পেকে উঠছে স্বাদের – মিষ্টি দেশি আম!
গাছভর্তি সোনালি স্বপ্ন… কিছুদিন পরই ঘরে আসবে টাটকা, পাকা আম!
মিষ্টতার ক্ষণ গুনছি আমরা – আপনিও প্রস্তুত হন, কারণ পুরো পুরি আম পাকতে আর বাকি মাত্র কয়েক দিন!
16/04/2025
বাংলাদেশে আমের প্রচুর জাত আছে, যার মধ্যে বেশ কিছু জনপ্রিয় ও বহুল চাহিদার। নীচে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য আমের জাতের বিস্তারিত তালিকা ও বর্ণনা দেওয়া হলো:
1. হিমসাগর (Himsagar):
• বৈশিষ্ট্য: অত্যন্ত মিষ্টি, রসালো এবং নরম মাংস।
• উৎপত্তি: প্রধানত রাজশাহী অঞ্চলে পাওয়া যায়।
• বিশেষত্ব: খাঁটি স্বাদের জন্য জনপ্রিয়, ছেড়ে দেওয়া হলে ভালো স্বাদ ও গন্ধ বজায় থাকে।
2. ফজলি (Fazli):
• বৈশিষ্ট্য: আকারে বড়, কিছুটা ফাইবারযুক্ত হলেও স্বাদে মিষ্টি ও সুগন্ধি।
• ব্যবহার: সাধারণত কাটাকাটি করে সরাসরি খাওয়া বা বিভিন্ন ডেজার্টে ব্যবহার করা হয়।
• উৎপত্তি: বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের কিছু অঞ্চলে প্রচুর উৎপাদিত।
3. ল্যাংরা (Langra):
• বৈশিষ্ট্য: স্বাদে একটু টক-মিষ্টি এবং খুবই মনোরম গন্ধযুক্ত।
• উৎপত্তি: কিছু অঞ্চলে এই আম জাত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
• বিশেষত্ব: এটির আকৃতি ও স্বাদের কারণে অনেকেই পছন্দ করে থাকেন।
4. আম্রপালি (Amrapali):
• বৈশিষ্ট্য: এটি একটি হাইব্রিড আম যা মিষ্টতা ও টকত্বের সুন্দর সমন্বয় প্রদান করে।
• উৎপত্তি: নতুন প্রজন্মের আম হিসেবে কৃষি গবেষণায় উৎপাদিত হচ্ছে।
• ব্যবহার: সরাসরি খাওয়া, স্মুদি বা সালাদের মিশ্রণে ব্যবহৃত হয়।
5. রসপুর (Raspuri):
• বৈশিষ্ট্য: ক্রিমি টেক্সচার, মৃদু ও সুগন্ধি স্বাদের আম।
• বিশেষত্ব: এর কোমলতা ও অস্বাভাবিক মিষ্টতা অনেক আমপ্রিয়দের আকৃষ্ট করে।
এছাড়াও, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচলিত আরও অনেক স্থানীয় ও আঞ্চলিক আমের জাত পাওয়া যায়। এসব আমের স্বাদ, আকার, রঙ ও টেক্সচারে ভিন্নতা থাকায় বাংলাদেশের আম বিশ্বব্যাপী অনেকের কাছেই জনপ্রিয়।
05/01/2025
শীতের সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ 👀
***ব্রেকিং নিউজ***
২০২৪ সালের পরীক্ষা ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু হবে।
-62💡মেডিকেলে এ আসা প্রশ্ন...
🔹 বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কত তারিখে?
A ২ আগস্ট ১৯৭১. B ২ মার্চ ১৯৭১
C. ২ এপ্রিল ১৯৭১ D. ২ জানুয়ারি ১৯৭১
সঠিক উত্তর কমেন্টে জানাও
-61💡মেডিকেলে আসতে পারে...
🔹 গ্লুকোজ অণুতে কার্বন সংখ্যা কত?
A. পাঁচ B. চার
C. ছয়. D. সাত
সঠিক উত্তর কমেন্টে জানাও
-55💡মেডিকেলে আসতে পারে...
🔹 ৪৮.০ মিটার/সেকেন্ড বেগে একটি বল খাড়া উপরের দিকে নিক্ষেপ করলে কত সময় শূন্যে থাকবে? (মে.ভ.প. ১৯-২০)
A. 8.4 sec B.9.0 sec
C.9.8 sec. D. 4.8 sec
সঠিক উত্তর কমেন্টে জানাও
-53💡মেডিকেলে আসতে পারে...
🔹 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী পানীয় জলে আর্সেনিকের নিরাপদ মাত্রা কত? (মে.ভ.প. ১৯-২0 )
A. 1 mg/L. C. 0.1 mg / L
B. 0.001 mg/L. D. 0.01 mg/L
সঠিক উত্তর কমেন্টে জানাও
Click here to claim your Sponsored Listing.