সরকারকে ফাঁকি দিয়ে কিছু অসাধু সরকারি কর্মচারীকে দিয়ে সার্টিফিকেট সার্টিফিকেট সত্যায়ন করে, বিদেশ পড়তে এসে দেশে গিয়ে নিজেকে খাঁটি আকিদার ঠিকাদার দাবি করাটা সত্যি হাস্যকর না?
ধোঁকাবাজ তো মুসলিম ই না। সে আবার খাঁটি আকিদাদার হয় কিভাবে? তাহলে কি من غش فليس منا এটাকেও মানতে নারাজ আমাদের কিছু ভাই? নাকি এ হাদিসেরও অন্য কোন অর্থ দাড় করাবে তা?
খনিকের বাচ্চারা, নিজের পক্ষে গেলে সরাসরি মানার কথা বলবে, আর বিপক্ষে গেলে তাবীল করে পক্ষে নিতে চাইবে।
এসব ভণ্ডামিও কি মানুষ বুঝে না? এসব বাটপারদের দিয়ে কোনদিন প্রকৃত দ্বীনের প্রচার করার আশা করা বোকামি।
প্যারাডক্সিক্যাল লা-মাজহাবী
আপনার সময়ের যাকাত হিসেবে দৈনিক ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৩০ মিনিট বাতিল ফিরকাগুলোর সংশোধনে ব্যয় করতে পারেন না?
27/12/2025
মুজতাহিদ ইমাম তথা ফকীহ গনের মর্যাদা ও লা মাজহাবীদের হিংশা বিদ্ধেশতা ।
একটি ঘটনা মনে পড়ল। এক বাদশার দরবারে এক কবি বাদশার প্রশংসা করে কবিতা শুনালে বাদশা খুশি হয়ে এক হাজার টাকা পুরস্কার দেয়। এতে মন্ত্রী নাখোশ হয়ে বলে-“রাজা মশাই! আপনি তাকে একটি কবিতার জন্য পুরো এক হাজার টাকা দিয়ে দিলেন? টাকাটা ফেরত নিন”। রাজা মশাই বললেন-“তাকে টাকা দিয়ে আবার ফেরত নিতে আমার লজ্জা লাগছে। তুমি এক কাজ কর, তুমি তাকে বল তুমি তাকে একটি প্রশ্ন করবে সে যদি সুন্দর উত্তর না দিতে পারে তাহলে তার টাকা ফেরত নেয়া হবে”।
তখন মন্ত্রীকে কবিকে ডাক দিয়ে বলল-“কবি! এদিকে আস! তোমার কাছে আমার একটি প্রশ্ন আছে। সঠিক উত্তর না দিতে পারলে তোমার টাকা ফেরত দিয়ে দিতে হবে”। কবি বলল-“বলুন! আপনার কি প্রশ্ন?”।
মন্ত্রী বলল-“তুমি বল রাজার মাথায় কেন টাক পড়ল?”
কবি ঝটপট বলল-“রাজা মশাই আমার মত ব্যক্তিদের উপহার দিতে দিতে মাথায় টাক পরে গেছে”। এই কথা শুনে রাজা খুব খুশি হলেন। কবিকে আরো এক হাজার টাকা পুরস্কার দিলেন।
মন্ত্রী এবার আরো দিশেহারা হয়ে গেল। কবিকে বলল-“আমার আরেকটি প্রশ্ন আছে। সেটার সঠিক জবাব না দিতে পারলে তোমাকে দেয়া টাকা ফেরত নেয়া হবে”। কবি বলল-বলেন”। মন্ত্রী বলল-“তোমরা মাথায় টাক পড়ল কেন?” কবি বলল-রাজার মত মহানুভব ব্যক্তির দান গ্রহণ করতে করতে আমার মাথায় টাক পরে গেছে”। রাজা এই কথাও খুব খুশি হল। আরো এক হাজার টাকা কবিকে দান করলেন।
মন্ত্রী এবার মরিয়া হয়ে বলল-“কবি এবার আমার একটি শেষ প্রশ্ন আছে। সেটার জবাব না দিতে পারলে তোমাকে দেয়া সকল টাকা ফেরত নেয়া হবে”। কবি বলল-বলেন”। মন্ত্রী বলল-“তাহলে আমার মাথায় কেন টাক পড়ল?। কবি মুচকি হেসে জবাব দিল-“মহানুভব রাজা আমার মত ব্যক্তিদের দান করেন, আর আমার মত গুনিরা তা গ্রহণ করতে দেখে দেখে আপনি হিংসায় হাত কচলাত কচলাতে টাক হয়ে গেছেন”। কবির এই কথায়ও রাজা খুব খুশি হলেন। তাকে আরো এক হাজার টাকা হাদিয়া দিলেন”। মন্ত্রী শুধু হায়! হায় করেই গেল। কোন ফায়দা লুঠতে পারলনা। দাতা দিতেই রইল। আর গ্রহীতা নিতেই আছে। আর হিংসুক শুধু জ্বলতেই রইল।
তেমনি আল্লাহ তায়ালা ফক্বীহদের মর্যাদা দিয়েছেন। আর ইমাম আবু হানীফা রহঃ গ্রহণ করেছেন। ইমাম মালিক রহঃ গ্রহণ করেছেন। ইমাম শাফেয়ী রহঃ গ্রহণ করেছন। ইমাম আহমাদ রহঃ গ্রহণ করেছেন। আর গায়রে মুকাল্লিদরা শুধু শুধু হিংসা করে জ্বলতেই আছে।
ফিক্বহ আক্বলকে বলে, সুতরাং ফিক্বহের যারা বিরোধিতা করে আল্লাহ তায়ালা তার থেকে আক্বলকে ছিনিয়ে নেন। আল্লাপহ তায়ালা ফুক্বাহাদের উপর সন্তুষ্ট আর শয়তান রাগাম্বিত।
শয়তান কেন নারাজ জানেন? কারণ হল দ্বীনের মাঝে তিনটি বিষয় ছিল। যাতে শয়তান হস্তক্ষেপ করার জন্য উদগ্রিব ছিল। যখন ওসব পথ বন্ধ করে দেয়া হল, তখন যারা বন্ধ করে দিল তাদের প্রতি শয়তান রেগে গেল।
প্রথম নাম্বার হল হাদীস সংরক্ষণের বিষয়। শয়তান চেয়েছিল রাসূল সাঃ এর হাদীসকে গড়বড় করে মিথ্যা হাদীসকে হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করে ফেলতে। তখন মুহাদ্দিসীনদের এক জামাত দাঁড়িয়ে গেল। যারা মেহনত করে হাদীস যাচাই বাছাই করার জন্য এমন কিছু মূলনীতি সাব্যস্ত করলেন, এবং তা সংরক্ষণের জন্য প্রচেষ্টা করলেন যে, সহীহ হাদীস বাতিল হাদীস থেকে মুক্ত হয়ে গেল। এই কারণে শয়তান মুহাদ্দিসীনদের উপর রাগাম্বিত।
আর দ্বিতীয় বিষয় হল-হাদীসের মূল অর্থকে সংরক্ষণ করা। আরবীতে এক শব্দের একাধিক অর্থ আছে। যেমন সালাত শব্দের অর্থ এক স্থানে নামায, আরেক স্থানে রহমত। আরেক স্থানে দরূদ ও সালাম। শয়তান চাইল এই সকল অর্থ মানুষ কোন স্থানে কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে তার সঠিক অর্থ মানুষ না জানলে বিভ্রান্ত হওয়া সহজ। নামাযের অর্থবোধক স্থানে বলা হবে দরূদ। দরূদের স্থানে রহমত ইত্যাদী। কিন্তু ফুক্বাহায়ে কিরাম তা হতে দেননি। তারা গবেষণা করে হাদীসের সঠিক অর্থ নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
তৃতীয় বিষয় হল একাধিক হাদীদের মাঝে বাহ্যিক যে বিরোধ রয়েছে তা নিরসন করে সঠিক অর্থ বের করা। কিন্তু শয়তান চাইল বিরোধপূর্ণ হাদীস নিজের অবস্থানে থাকলে মানুষ ভুল আমল করে বিভ্রান্ত হবে। তাই সে এটা কামণা করছিল যে, মানুষকে হাদীসের ব্যাপারে বিভ্রান্তিতে ফেলা হবে যে, হাদীস পরস্পর বিরোধী, সুতরাং কোন হাদীসই আমলযোগ্য নয়। কিন্তু ফুক্বাহায়ে কিরাম যখন পরস্পর বিরোধী হাদীসের মাঝে গবেষণা করে হাদীসের সঠিক অর্থ এবং আল্লাহ ও তারা রাসূলের মূল মাকসাদকে নির্ধারণ করে দিয়েছেন তখন শয়তান নারাজ হয়ে গেছে ফুক্বাহাদের উপর।
নবীজী সাঃ যখন কুরআনের ব্যাখ্যা করেন তখন তা হয় হাদীস। আর সাহাবায়ে কিরাম ও আয়িম্মায়ে দ্বীন যখন কুরআন সুন্নাহর মাসআলা থেকে মাসআলা বের করেন গবেষণা করে সেটা হয় ফিক্বহ।
সুতরাং যেহেতো শয়তানের একটি ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছেন মুহাদ্দিসীনরা। আর ফুক্বাহারা শয়তানের ২টি ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছেন। তাই শয়তান ফুক্বাহাদের উপর এতটা ক্ষ্যাপা। কিন্তু গায়রে মুকাল্লিদরা কেন ফক্বীহদের উপর এতটা রাগাম্বিত শয়তানের মত?
ছবিটা দেখে কিছু বলে যাবেন আশা করি
15/12/2025
ক্বওমীর সন্তানরা ইজতেমা করলে ওরা ওটা বিদআত বলে কিন্তু লা-মাজহাবীর বাচ্চারা অন্য নাম দিয়ে করলে সেটা জায়েজ হয়ে যায়।
লা-মাজহাবীদের মত ভন্ড পৃথিবীতে আর দ্বিতীয় একটা নেই।
নিচের যে সুশীলকে দেখছেন কিছুদিন আগেও দাড়িহীন জেনারেল শিক্ষিত ছিল। এখন পা-চেটে চাকরি নিয়ে লা-মাজহাবীদের বাবা বনে গেছে। অথচ কুরআনটা ভালো করে পড়তে পারে কি না সন্দেহ।
#পেইজটা বেশি বেশি শেয়ার করুন। ওদের ভন্ডমি সম্পর্কে জানতে চোখ রাখুন নিয়মিত
30/11/2025
আহলুল হাদীসের জামাই আর শ্যালিকা 😂😂।
আল্লাহকে কটুক্তিকারী ভিন্নমতাবলম্বী🤔।
29/11/2025
এজন্যই সালাফিরা ২০ রাকাত তারাবীহ ও জু'মার দুই আজানের জন্য আমিরুল মু'মিনীন হযরত ওমর রা. এবং হযরত ওসমান রা. কে বিদআতী সাব্যস্ত করে থাকে। কেননা তাদের বিশ্বাস, সাহাবীর আমল দলীল হওয়ার উপযোগী নয় আর সাহাবারা সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করতেন না যা শুধু কথিত সালাফিরা করে।
28/11/2025
ওরা সারাজীবন ক্বওমি মাদ্রাসার বিরোধীতা করে গেছে কালেকশন করার বিষয়ে।এখন নিজেরা করতেছে কোন সমস্যা নেই
28/11/2025
আপুটি ভন্ড লা-মাযহাবি মুসলেহ উদ্দিনের মেয়ে। ওরা আবার সহীহ আকিদার ঠিকাদার
30/10/2025
আমাদের দেশের বাঙ্গু লা-মাযহাবীরা সারাদিন চিল্লায় যে হা*মা*সের জন্য নাকি ফিলিস্তি*নিদের এ অবস্থা। অথচ জরিপ বলছে ভিন্ন কথা।
ওদের ৯০% ই আউট নলেজ নেই। সারাদিন বিরোধীদের সমালোচনা করা নিয়ে ব্যস্ত থাকে অথচ বিরোধীদে সম্পর্কে সামান্য পড়াশোনা করে না।
কিছু কিছু তো আছে ইমাম আবু হানিফা রহি. কাফের বলতেও দ্বিধা করে না। অথচ ওদের বাপ ইবনে তাইমিয়া সহ সবাই ইমাম আবু হানিফার মাজদ স্বীকার করে। এবং ইমাম সাহেবকে সবচে বড় ইমামও মানে
লা-মাযহাবীদের নিকৃষ্টতম ভণ্ডামি হচ্ছে, তাদের পক্ষে গেলে যে কারো থেকে দলিল গ্রহণ করবে কিন্তু বিপক্ষে গেলে নিজের দলের লোকের দলিল ই গ্রহণ করবে না।
আমি লক্ষ্য করেছি ওদের ৯০% ই দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা। সামান্য টাকার লোভে তারা এখন নিজেদের আকিদার ঠিকাদার বানিয়েছে। কিছু ইউনিভার্সিটি তাদের স্কলারশিপ না দিলে এতদিনে এ নব্য ফিতনা বন্ধ হয়ে যেতো।
এদের ভণ্ডামির একটা উদাহরণ দেয়। ওরা কিন্তু আমাদের দেশের সাধারণ মানুষদের কোনদিন বলে না, আমাদের সৌদি অনুসারী মনে করলেও আমরা কিন্তু আদতে পেটপূজারী। কারণ সৌদি আরব রাষ্ট্রীয় ভাবে মাজহাব মানলেও তারা হচ্ছে লা-মাজহাবী। মানে মাজহাব মানে না।
সৌদির রাষ্ট্রীয় মাজহাব হাম্বলীর সাথে আমলের দিকে কিছু মিল থাকার কারণে সহজে মানুষকে সৌদির দোহাই দিয়ে পথভ্রষ্ট করতেছে। সাধারণ মানুষ ভাবে সৌদি হাত বুকে বাঁধে, আমরাও বাঁধব। সৌদিতে আমীন জোড়ে বলে, আমরাও বলব। এটার সুযোগ নিয়ে ভন্ড লা-মাহজাবীরা, সাধারণ মানুষদের তাদের দলে ভীড়ায়।
আল্লাহ এসব ভন্ডদের ধ্বংস করুন। যারা মানুষের কাছে সত্য লোকিয়ে টাকা কামাই করার ধান্দা করে।
12/08/2025
কথা কিন্তু সত্য
12/08/2025
ড. জাকির নায়েক সাহেবের ছেলে "ফারিক নায়েক" সাম্প্রতিক সময়ে মুজাফফর বিন মুহসিনের "দুলাভাই" খ্যাত ছাত্র ভাইদের ইমারতে ইসলামি আফ...নিস্তানে ভ্রমণ করেছেন। সাথে ছিলেন তুরস্ক, কাতার, ইয়ামান সহ প্রায় ১২টি দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
এই সফরে তারা অর্থনৈতিক বিনিয়োগ সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তারা ইমারতে ইসলামি আফ...নিস্তানকে পরিপূর্ণ নিরাপদ এবং সুশৃঙ্খল হিসেবে মন্তব্য করেন।
পরবর্তী সময়ে আফ..নিস্তানের একজন প্রসিদ্ধ ইউটিউবার জাকির নায়েক সাহেবের ছেলের উপস্থিতিতে জাকির নায়েক সাহেবের সাথে কথা বলেন এবং তাকে ইমারতে ইসলামি আফ...নিস্তান ভ্রমণ করার নিমন্ত্রণ জানান। জাকির নায়েক সাহেব নিমন্ত্রণ গ্রহণ করে আফ..নিস্তান ভ্রমণের আশ্বাস দেন।
আর এদিকে বাঙ্গালী আহলে হাদিস পড়ে আছে ছাত্র ভাইদেরকে দুলাভাই বানাতে। আর ওদিকে তারা আগে যাদেরকে "আব্বু" ডাকতো, তারা ইমারতে ইসলামি আফ..নিস্তানে ভ্রমণ করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। যদিও জাকির নায়েক সাহেবের পরিবর্তনের পর ফাত্তান আহলে হাদিসরা এখন তারা তাকে আব্বু ডাকে না। কারণ যে ফেতনা লাগাতে পারে না, সে আহলে হাদিসদের আব্বু হওয়ার যোগ্য না।
লা-মাজহাবী শালাদের একটাই দাবী, সব ওদের আন্ডারে চাই।
ক্ষমতা ওরা চাই। আইন ওরা যা করবে তাই ঠিক।
অন্য কাউকে চাকরি দিলে, অনেক খারাপ হয়েছে কিন্তু কোন কুত্তার বাচ্চা লা-মাজহাবী পেলে বাহ বাহ দিতে দিতে ফেনা তোলে।
শালারা পড়াশোনায়ও অষ্টরম্ভা। এদের ৯০% বাহিরে পড়ার সুযোগ না পেলে লা-মাযহাবী হতো না
Click here to claim your Sponsored Listing.