গওহরডাঙ্গা মাদরাসা

গওহরডাঙ্গা মাদরাসা

Share

official page

Photos from গওহরডাঙ্গা মাদরাসা's post 10/05/2026

প্রতি বছরের মতো এ বছরও গওহরডাঙ্গা মাদরাসায় কুরবানির ভাগের সদকা ও কুরবানির পশু (গরু বা ছাগল) আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করা হবে ইনশাআল্লাহ। প্রতি বছর কুরবানির ঈদে মাদরাসার মুহিব্বিনদের সদকাকৃত কুরবানির পশু– দাতা ব্যক্তি বা সংস্থার পক্ষ থেকে গওহরডাঙ্গা মাদরসায় কুরবানি করা হয়।

কুরবানির এই গোশত সংরক্ষণ করে দ্বীনি শিক্ষার্থীদের খাওয়ানো হয়।

গওহরডাঙ্গা মাদরাসার মুহিব্বিন, মুসাইদিন ও মুতাল্লিকিনদের আল্লাহ ভরপুর বরকত আতা ফরমান।

09/05/2026

এস এস সি পরীক্ষার্থীদের জন্য কুরআন শেখার সুবর্ণ সুযোগ। গওহরডাঙ্গা মাদরাসায় প্রতি বছরের মতো এ বছরও ২০ দিন ব্যাপী পবিত্র কোরআন শিক্ষা, জরুরি মাসআলা- মাসায়েল ও ফরজ ইলমের সমন্বয়ে এক সংক্ষিপ্ত ও কার্যকরী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন।

04/05/2026

اللهم امين

03/05/2026

গওহরডাঙ্গা মাদরাসায় ইসলাহি মাহফিল।
প্রতি ইংরেজি মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার গওহরডাঙ্গা মাদরাসায় ইসলাহি মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মে মাসের ইসলাহি মাহফিল ৭ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার আসর নামাজের পর থেকে এশার নামাজ পর্যন্ত।
ইসলাহি মাহফিলে বয়ান, জিকির ও ছূরা- ক্বিরআতের মশক, মাসায়েল শিক্ষা, নামাজের বাস্তব প্রশিক্ষণ, ওযু- গোসলসহ বিভিন্ন আমলের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
সকলে আমলের নিয়াতে যথা সময় শরিক হব ইনশাআল্লাহ

03/05/2026

চরমোনাই পীর সাহেব হুজুরের প্রতিনিধি দল গতকাল গ‌ওহরডাঙ্গা মাদ্রাসায় বেড়াতে আসেন, মুজাহেদে আজম রহ. এর কবর জিয়ারত করেন, এবং হযরতের সাহেবজাদা আমাদের মুহতামিম আল্লামা মুফতি রুহুল আমিন সাহেবের সঙ্গে এবং মুফতি উসামা আমিন সাহেবের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

পারিবারিক বন্ধন, দেশের সার্বিক হালচাল, শিক্ষা কার্যক্রম সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

মেহমানরা ছিলেন মরহুম চরমোনাই পীর সাহেব হুজুরের ষষ্ঠ সন্তান, কোরআন শিক্ষা বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান সৈয়দ আবুল খায়ের মোহাম্মদ ইসহাক সাহেব, জামিয়া কারিমিয়া রামপুরার শাইখুল হাদিস সাহেব এবং
মাওলানা শামসুদ্দোহা তালুকদার, পরিচালক কুরআন শিক্ষা বোর্ড চরমোনাই এছাড়াও বোর্ডের আরো নেতৃবৃন্দ।

30/04/2026

হে আল্লাহ! আপনি আমাদের কৃষকদের প্রতি রহমত নাযিল করুন। তারা অনেক শ্রম ও ঘাম ঝরিয়ে ফসল ফলিয়েছে; শেষ সময়ে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে ফসল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। রক্ষা করার ক্ষমতা একমাত্র আপনারই, সকল প্রকার বালা-মুসিবত থেকে হেফাজত করুন।

তারা যেন তাদের এই অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল নিরাপদে ঘরে তুলতে পারে এ ফয়সালা আপনি করে দিন।

এই ফসলের মাধ্যমে তারা দ্বীনি প্রতিষ্ঠানেও সহযোগিতা করে থাকে; এই উসিলায় আপনি ভরপুর বরকত দান করুন এবং আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ফসল ঘরে আনার তৌফিক দান করুন। আমীন।

30/04/2026

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বয়ান।

29/04/2026

শোকবার্তা

নোয়াপাড়া পিরবাড়ি মাদরাসার পীর সাহেব আলহাজ্ব হাফেজ ওলিউজ্জামান শাহ (নোয়া হুজুর ) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন।
হযরতের ইন্তেকালে গওহরডাঙ্গা মাদরাসার মুহতামিম আল্লামা মুফতি রুহুল আমিন ছাহেব দা: বা: ও নায়েবে মুহতামিম মুফতি উসামা আমিন ছাহেব দা: বা: গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
আমরা দোয়া করি আল্লাহ রব্বুল আলামীন মরহুমকে মাফ করে জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সবরে জামিল আতা ফরমান।

28/04/2026

তালিমের চেয়ে তরবিয়তের আহাম্মিয়্যাত বেশি

মুফতি উসামা আমিন (হাফিজাহুল্লাহ)
নায়েবে মুহতামিম, গওহরডাঙ্গা মাদরাসা

তরবিয়তের কমি কখনো তালিম দ্বারা পূর্ণ হয় না। কিন্তু তরবিয়ত ভালো হলে তালিমের কমতি একদিন পূর্ণ করা সম্ভব। কাজেই তালিমের চেয়ে তরবিয়ত বেশি আহাম। যেমন একটা বাচ্চা দুর্বল অবস্থায় দুনিয়াতে আসলে তাকে চিকিৎসা দিয়ে সবল করা সম্ভব। কিন্তু যদি কোন এক অঙ্গ ছাড়া ভূমিষ্ঠ হয় তাহলে তা পূরণ করার সাধ্য কারো নেই।

আর তরবিয়তের মোক্ষম সময় হলো তালিবে ইলমি জামানা। দরসে দুর্বল তালিবে ইলম যদি ভালো তরবিয়তি পরিবেশ পেয়ে যায় তাহলে জিন্দেগি শতভাগ কামিয়াব ইনশাআল্লাহ।

কিন্তু এমন অনেক মিছাল আছে–জাহিন, জাকি, ইমতিহানের নতিজা অনেক ভালো, তবে তরবিয়তের বেলায় শূন্য। আসাতেযায়ে কেরামের সাথে বেয়াদবি, মাদরাসার কানুনের প্রতি উদাসীনতা, আমলের ক্ষেত্রে গাফলতসহ নানারকম বেউসুলি হরকত তাদের মাধ্যমে হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় শুধুমাত্র তরবিয়ত না থাকার কারণে এধরনের জ্ঞানী ও মেধাবীরা সমাজের বোঝা হয়ে যায়। দ্বীনের খেদমত থেকে মাহরুম হয়ে যায়। কেউ কেউ সুন্নত থেকে দূরে সরে যায়। হিদায়াত থেকেও বঞ্চিত হয়ে যায়। বদদ্বীনি ও গোমরাহির শেকলে বন্দী হয়ে যায়। বড়ই আফসোস হয় এ ধরনের জেহেন ওয়ালাদের জন্য। যারা ইলমে নুকুশের পেছনে ছুটেছে কিন্তু ইলমে নূর থেকে বঞ্চিত হয়ে গেছে শুধু তরবিয়তের অভাবে।

এজন্য আমাদের দেওবন্দি ধারার প্রতিষ্ঠানের মেজাজ হলো তালিমের দিকে কিছু ছাড় থাকলেও তরবিয়তের ব্যাপারে কোন ছাড় দেওয়া যাবে না।
কারণ আমাদের শুধু ইলমে নববী না, নূরে নববীও অর্জন করতে হবে। আর নূর ছাড়া ইলম অন্ধকার। আর এই নূর হাসিলের জন্য তাযকিয়া ও তরবিয়তের বিকল্প নেই।

25/04/2026

"সংস্কার" এর আবরণে যে বিকৃতি আসে
___________________________________

ইতিহাসে যতবার কোনো মহৎ প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেটি সরাসরি আক্রমণে হয়নি। হয়েছে "সংস্কার" এবং "উন্নয়ন" এর নামে ধীরে ধীরে। দারসে নিজামীর ক্ষেত্রেও এই প্রক্রিয়া চলছে। সমালোচকরা সরাসরি বলছেন না যে "এই শিক্ষা ব্যবস্থা বন্ধ করো।" বরং তারা বলছেন: "একটু আধুনিক করো, একটু সহজ করো, একটু প্রাসঙ্গিক করো।" শুনতে নিরীহ, কিন্তু প্রস্তাবের গভীরে গেলে দেখা যায়, প্রতিটি "সংস্কার" আসলে একটি স্তম্ভ সরিয়ে ফেলার প্রস্তাব।

তাদের প্রস্তাবগুলো বিশ্লেষণ করলে একটি প্যাটার্ন স্পষ্ট হয়। প্রথমত, কঠিন কিতাব বাদ দেওয়া বা সহজ সংক্ষিপ্তসার দিয়ে প্রতিস্থাপন। দ্বিতীয়ত, মানতিক ও ফালসাফার মতো বিষয় "অপ্রাসঙ্গিক" বলে কমিয়ে দেওয়া। তৃতীয়ত, আরবি ভাষাকে কেবল communicative Arabic এ নামিয়ে আনা। চতুর্থত, উসূলের বিস্তারিত আলোচনার বদলে "সরাসরি ফিকহ" শেখানো। এই প্রতিটি প্রস্তাব পৃথকভাবে "যুক্তিসঙ্গত" মনে হতে পারে, কিন্তু একত্রে এগুলো পুরো কাঠামোর মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়।

একটি উপমা দেওয়া যাক। একটি পুলের উপর নির্মিত সেতুর কথা ভাবুন। কেউ বলল: "এই মোটা লোহার রড কি দরকার? হালকা রড দিলেও তো হয়।" আরেকজন বলল: "এত গভীর ভিত্তি কেন? তিন ফুট হলেই চলে।" তৃতীয়জন বলল: "এই অতিরিক্ত বিম কি সৌন্দর্য নষ্ট করছে না?" প্রতিটি পরামর্শ আলাদাভাবে তুচ্ছ মনে হয়। কিন্তু সবগুলো মেনে নিলে সেতু ভেঙে পড়বে। দরসে নিজামির "সংস্কার" প্রস্তাবগুলো ঠিক এই রকম।
সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো, এই বিকৃত প্রক্রিয়াটি "ইসলাহ" ও "তাজদিদ" এর পবিত্র ভাষায় উপস্থাপিত হয়। যারা বিরোধিতা করেন তাদের "পশ্চাৎপদ" বা "পরিবর্তনবিরোধী" বলে চিত্রিত করা হয়। এই কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর। কারণ কেউই "পরিবর্তনবিরোধী" তকমা পেতে চান না। ফলে সত্যিকার সংরক্ষণবাদীরা অনেক সময় নীরব থাকেন বা দ্বিধায় পড়েন।
কিন্তু সংস্কার ও বিকৃতির পার্থক্য আসলে সহজ। প্রকৃত সংস্কার কাঠামোকে শক্তিশালী করে, দুর্বল করে না। প্রকৃত সংস্কার কিছু যোগ করে, মূল বিয়োগ করে না। প্রকৃত সংস্কার গভীরতা অক্ষুণ্ণ রেখে প্রাসঙ্গিকতা বাড়ায়। এই মানদণ্ডে বিচার করলে আজকের অধিকাংশ "সংস্কার প্রস্তাব" যথাযথ মানদণ্ডে টেকে না।

16/04/2026

সংসদে যেকোনো বিল পাস, প্রস্তাবনা, মন্তব্য ও সমালোচনার পক্ষে বা বিপক্ষে সংসদ সদস্যদের টেবিল চাপড়ানো সমর্থন ও উচ্ছ্বাসের একটি বিশেষ প্রভাব রয়েছে। যা সংসদীয় যে কোনো সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সংসদ নেতা ও স্পিকারের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
কিন্তু এম পি মুফতি হানজালার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কটুক্তিকারীদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আইন পাসের দাবির পক্ষে তেমন কারো বাহ্যিক উচ্ছ্বাস, সমর্থন ও টেবিল চাপড়িয়ে দায়িত্বশীলদের দৃষ্টি আকর্ষণের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা চোখে পড়েনি। দুঃখজনক। আফসোস।

মনে রাখবেন জুলাই ইস্যুর চাইতে আমার নবীর ইজ্জতের প্রসঙ্গ ছোট করে দেখলে কিংবা কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে কাফের হয়ে যাবেন। আল্লাহর কসম করে বলছি।

লিখেছেন–
Mahmudul Hasan Khan
উসতায, গওহরডাঙ্গা মাদরাসা

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

Dhaka
1020