Iqra Al-Quran & Dua

Iqra Al-Quran & Dua

Share

اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَق
Read in the name of your Lord who created
(Surah Al-Alaq : 1 )

31/12/2023

আল্লাহ তাআলাকে স্মরণের মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করি। নিশিরাতের তাহাজ্জুদের সেজদায় কেঁদে কেঁদে দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করি। আল্লাহ তাআলা নতুন বছরটি দেশ, জাতি এবং গোটা বিশ্বের সবার জন্য অফুরন্ত কল্যাণময় করে দিন। আমিন।

28/06/2023

🌙✨ Eid ul Adha Mubarak! ✨🌙

Eid ul Adha is a time to cherish the company of our loved ones. Following the prayers, we return home to share joyful moments with our family. The air is filled with laughter, hugs, and warm greetings. We exchange heartfelt wishes and express gratitude for the blessings bestowed upon us. It's a beautiful opportunity to strengthen our bonds and create lasting memories.

🌟✨ May your Eid ul Adha be filled with love, happiness, and blessings! ✨🌟

23/05/2023

♣ কুরআনুল কারীম বিশ্ব মানবতার জন্য এক অফুরন্ত নিয়ামত। আল্লাহ তা‘আলার বড়ই মেহেরবানী যে, তিনি আমাদের উপর কুরআন অবতীর্ণ করেছেন। কুরআনে বলা হয়েছে, ‘বড়ই মেহেরবান তিনি (আল্লাহ) কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন’। [সূরা আর-রহমান : ১-২]।

কুরআন এমন একটি কিতাব যার মাধ্যমে আরবের সেই বর্বর জাতি সৌভাগ্যবান জাতিতে পরিণত হয়েছিল। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআন দিয়েই পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ তৈরি করেছিলেন। তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বমানবমন্ডলীর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হলো আমার যুগ’ -[সহীহ বুখারী : ২৬৫২]।

কুরআন মাজীদের বেশ কিছু হক রয়েছে যেগুলো আদায় করা আবশ্যক। এর অনেকগুলো হক এমন যে, কেউ যদি তা আদায় না করে কিয়ামাতের দিন নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বিরুদ্ধে আল্লাহর দরবারে অভিযোগ করবেন। কুরআনে বলা হয়েছে, ‘আর রাসূল বলবেন (কিয়ামাতে), ‘‘হে আমার রব, নিশ্চয় আমার জাতি এ কুরআনকে পরিত্যাজ্য গণ্য করেছে’’ -[সূরা আল-ফুরকান : ৩০]

আমাদের উপর কুরআনের যে হকগুলো রয়েছে তা এখানে আলোচনা করা হলো :
১। ঈমান আনা
২। সহীহভাবে পড়তে জানা
৩। তিলাওয়াত করা ও শ্রবণ করা
৪। অপরকে শিক্ষা দেয়া
৫। হিফয বা মুখস্ত করা
৬। বুঝা ও উপলব্ধি করা
৭। আমল করা (বাস্তবায়িত করা)
৮। যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা দেয়া
৯। কুর’আন প্রচার ও প্রতিষ্ঠা করা

♠১। ঈমান আনা
কুরআনের হকসমূহের মধ্যে প্রধানতম হক বা অধিকার হলো কুরআনের প্রতি ঈমান আনা। কুরআনের প্রতি ঈমান আনার অর্থ হলো : কুরআন আল্লাহর কালাম, ইহা আসমানী শেষ কিতাব এবং এই কিতাবের মধ্য দিয়ে সকল আসমানী কিতাব রহিত হয়ে গিয়েছে। কুরআন বিশ্ব মানবমন্ডলীর জন্য হিদায়াত এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে নূর বা আলো। কুরআনে এসেছে, ‘অতএব তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের এবং আমি যে নূর অবতীর্ণ করেছি তার প্রতি ঈমান আন। আর তোমরা যে আমল করছ আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবহিত’।
-[সূরা আত-তাগাবুন : ০৮]

‘তোমরা কি কিতাবের কিছু অংশে ঈমান রাখ আর কিছু অংশ অস্বীকার কর, সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা তা করে দুনিয়ার জীবনে লাঞ্চনা ছাড়া তাদের কী প্রতিদান হতে পারে! আর কিয়ামাতের দিন তাদেরকে কঠিনতম আযাবে নিক্ষেপ করা হবে। আর তোমরা যা কর, আর আল্লাহ সে সম্পর্কে গাফিল নন’। -[সূরা আল-বাকারাহ : ৮৫]

♠২। সহীহভাবে পড়তে জানা
কুরআন শিক্ষা করা ফরয করা হয়েছে। প্রত্যেক মুসলিমকে কুরআন পড়া জানতে হবে। কেননা কুরআনে বলা হয়েছে, ‘পড় তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন’ [সূরাহ আলাক : ১]।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআন শিক্ষার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘তোমরা কুরআন শিক্ষা কর এবং তা তিলাওয়াত কর’ [মুসনাদ আল-জামি‘ : ৯৮৯০]।

♠৩। তিলাওয়াত করা ও শুনা
কুরআন তিলাওয়াত করা কুরআনের অন্যতম হক। কুরআন মাজীদে নির্দেশ দেয়া হয়েছে এভাবে, ‘তোমার প্রতি যে কিতাব ওহী করা হয়েছে, তা থেকে তিলাওয়াত কর’ -[সূরাহ আনকাবুত : ৪৫]।

সহীহভাবে কুরআন তিলাওয়াত করতে হবে। তিলাওয়াতের আদবগুলো রক্ষা করতে হবে। বাংলাভাষায় উচ্চারণ করে পড়লে হবে না।

আবূ হুরায়রা রাদি আল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে কুরআন সুন্দর উচ্চারণে পড়ে না, সে আমার উম্মতের মধ্যে শামিল নয়’ -[সহীহ বুখারী : ৭৫২৭]।
ধীরস্থীরভাবে তিলাওয়াত করার নির্দেশ দিয়ে কুরআনে বলা হয়েছে।

‘তুমি কুরআনকে তারতীলের সাথে অর্থাৎ ধীরস্থীরভাবে তিলাওয়াত কর’।
-[সূরা আল-মুযযাম্মিল : ৪]

আর কুরআন তিলাওয়াতে রয়েছে বিরাট সাওয়াব। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কুরআনের একটি হরফ পাঠ করে, তাকে একটি নেকি প্রদান করা হয়। প্রতিটি নেকি দশটি নেকির সমান। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ এবং মীম একটি হরফ’ -[সুনান আত-তিরমিযি : ২৯১০]।

কুরআন তিলাওয়াত শুনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদি আল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, ‘তুমি আমাকে কুরআন পড়ে শুনাও, আমি বললাম, আপনার উপর কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, আমি আপনাকে কীভাবে কুরআন শুনাবো? তখন তিনি বললেন, আমি অপরের নিকট থেকে কুরআন শুনতে ভালবাসি’ -[সহীহ বুখারী : ৫০৪৯]।

♠৪। অপরকে শিক্ষা দেয়া
কুরআনের অন্যতম হক হলো তা অপরকে শিক্ষা দেয়া। আমাদের প্রিয় নবীর অন্যতম কাজ ছিল মানুষকে কুরআন শিক্ষা দেয়া। আল-কুরআনে বলা হয়েছে, ‘‘অবশ্যই আল্লাহ মুমিনদের উপর অনুগ্রহ করেছেন, যখন তিনি তাদের মধ্য থেকে তাদের প্রতি একজন রাসূল পাঠিয়েছেন, যে তাদের কাছে তাঁর আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করে এবং তাদেরকে পরিশুদ্ধ করে আর তাদেরকে কিতাব ও হিকমাত শিক্ষা দেয়। যদিও তারা ইতঃপূর্বে স্পষ্ট ভ্রান্তিতে ছিল’’-[সূরা আলে ইমরান : ১৬৪]।

কুরআন শিক্ষা দেয়ার চেয়ে উত্তম কাজ আর নেই। হাদীসে এসেছে, উসমান রাদি আল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সেই যে নিজে কুরআন শিক্ষা করে ও অপরকে শিক্ষা দেয়’-[সহীহ বুখারী : ৫০২৭]।

যদি কেউ অপরকে কুরআন শিক্ষা দেয়, তবে তাঁর জন্য শিক্ষাগ্রহণকারীর সমান সাওয়াবের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। হাদীসে এসেছে, ‘‘ভাল কাজের পথপ্রদর্শনকারী এ কাজ সম্পাদনকারী অনুরুপ সাওয়াব পাবে’’ -[সুনান আত-তিরমীযি : ২৬৭০]।

♠৫।হিফয বা মুখস্থ করা
কুরআন হিফয করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা আল্লাহ তা‘আলা নিজেই কুরআন হিফযের দায়িত্ব নিয়েছেন। এ হিফযেরই এক প্রকার হচ্ছে, বান্দাদেরকে কুরআন হিফয করানো। যার মাধ্যমে আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর কুরআনকে সংরক্ষণ করেছেন। কুরআনে এসেছে, ‘‘নিশ্চয় আমি কুরআন নাযিল করেছি, আর আমিই তার হিফাযতকারী’’।
-[সূরা আল-হিজর : ০৯]

যে যত বেশি অংশ হিফয করতে পারবে তা তার জন্য ততই উত্তম। আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে,, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
‘‘ কুরআনের হাফেযকে বলা হবে কুরআন পড়ে যাও, আর উপরে উঠতে থাক, ধীর-স্থিরভাবে তারতীলের সাথে পাঠ কর, যেমন দুনিয়াতে তারতীলের সাথে পাঠ করতে। কেননা জান্নাতে তোমার অবস্থান সেখানেই হবে, যেখানে তোমার আয়াত পড়া শেষ হয়’’ -[সুনান আত-তিরমিযী : ২৯১৪]।

♠৬। বুঝা ও উপলব্ধি করা
কুরআনের অর্থ বুঝা ও অনুধাবন করা কুরআনের অন্যতম হক। কুরআনের অর্থ না বুঝতে পারলে কুরআন নাযিলের উদ্দেশ্য ও দাবী আমরা কেউ পালন করতে পারবো না। না বুঝে পড়লে কুরআনের আসল মজা পাওয়া যাবে না। কুরআন বুঝার জন্য শব্দের অর্থ, আয়াতের ব্যাখ্যা, অবতীর্ণ হওয়ার কারণ বা প্রেক্ষাপট এবং কুরআনের আয়াতসমূহের শিক্ষা জানতে হবে। কুরআনে এসেছে, ‘‘নিশ্চয় আমি একে আরবী কুরআনরূপে নাযিল করেছি যাতে তোমরা বুঝতে পার’’-[সূরা ইউসুফ: ০২]।

কুরআন বুঝার ক্ষেত্রে হাদীসের সাহায্য না নিলে যে কেউ বিভ্রান্ত হতে পারে। সেক্ষেত্রে হাদীসের সাহায্য নিলেই কেবল সহীহভাবে কুরআন বুঝা সম্ভব।

আল-কুরআনে বলা হয়েছে, ‘‘আর রাসূল তোমাদের যা দেয় তা গ্রহণ কর, আর যা থেকে সে তোমাদের নিষেধ করে তা থেকে বিরত হও’’।
-[সূরা আল-হাশর: ৭]

কুরআন বুঝার পাশাপাশি তা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে হবে।
‘‘তবে কি তারা কুরআন নিয়ে গভীর চিন্তা-ভাবনা করে না ? নাকি তাদের অন্তরসমূহে তালা রয়েছে’’- [সূরা মুহাম্মাদ : ২৪]।

♠৭। আমল করা
কুরআনের আমল করার অর্থ, কুরআনের অনুসরণ করা। কুরআন অনুযায়ী নিজের জীবনকে গড়ে তোলা। এ বিষয়ে কুরআনে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, ‘তোমাদের প্রতি তোমাদের রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে, তা অনুসরণ কর এবং তাকে ছাড়া অন্য অভিভাবকদের অনুসরণ করো না। তোমরা সামান্যই উপদেশ গ্রহণ কর’।
-[সূরা আল-আরাফ : ৩]

কুরআনের জ্ঞানে পারদর্শী আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমরা যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কুরআনের দশটি আয়াত শিক্ষা গ্রহণ করতাম, এরপর ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা পরবর্তী দশটি আয়াত শিক্ষা করতাম না, যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা এই দশ আয়াতের ইলম ও আমল শিখতাম’।
-[শরহে মুশকিলুল আছার : ১৪৫০]

♠৮। যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা দেয়া
কুরআন মাজীদ সম্মানিত এবং যারা কুরআনের সাথে থাকবে তাঁরাও সম্মানের অধিকারী। এজন্য কুরআনের যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে। কুরআন তিলাওয়াতের সময় তাঁর হক আদায় করতে হবে। কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যাদেরকে আমি কিতাব দিয়েছি, তাঁরা তা পাঠ করে যথার্থভাবে। তাঁরাই তাঁর প্রতি ঈমান আনে। আর যে তা অস্বীকার করে, সে-ই ক্ষতিগ্রস্থ’ -[সূরা আল-বাকারাহ : ১২১]।

কুরআনকে মহববত করা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে মহববত করার শামিল। আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘যে কুরআনকে মহববত করল সে যেন আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে মহববত করল’-[জামিউল উলুম ওয়াল হিকাম : ৩২৯]।

♠৯। কুরআন প্রচার ও প্রতিষ্ঠা করা
কুরআনের প্রচার, প্রসার ও তা প্রতিষ্ঠার কাজ করা কুরআনের অন্যতম হক। নিজ ব্যবস্থাপনায় কুরআন শিক্ষাকেন্দ্র স্থাপন, কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা, হিফয প্রতিযোগিতা, কুরআন বুঝার আসর, তাফসীর প্রতিযোগিতা, মাকতাব চালু করা, বিভিন্ন এলাকায় কুরআনের মুয়াল্লিম প্রেরণ বা মুয়াল্লিম স্পন্সর করা, কুরআন বিতরণ করা, কুরআনের মুয়াল্লিম তৈরি করা, কুরআনের প্রচার ও প্রতিষ্ঠার কাজে নিয়োজিত সংস্থাকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা, এ কাজের অন্তর্ভুক্ত। সর্বোপরি কুরআনের বিধান সমাজে প্রতিষ্ঠার কাজ করতে হবে। কুরআন মাজীদে বলা হয়েছে, ‘আর আমি যেন আল-কুরআন অধ্যয়ন করি, অতঃপর যে হিদায়াত লাভ করল সে নিজের জন্য হিদায়াত লাভ করল; আর যে পথভ্রষ্ঠ হল তাকে বল, আমিতো সতর্ককারীদের অন্তর্ভুক্ত’ -[সূরা আন-নামল : ৯২]।

হে রাসূল, তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমার নিকট যা নাযিল করা হয়েছে, তা পৌঁছে দাও [সূরা আল-মায়িদাহ : ৬৭]।

কুরআন তিলাওয়াত, হিফয, প্রচার, প্রসার এবং প্রতিষ্ঠার কাজে আনন্দ প্রকাশ করার সুযোগ রয়েছে। কুরআন এমন একটি কিতাব যা নিয়ে ঈমানদার বান্দাহগণ আনন্দ প্রকাশ করতে পারে। কেননা, আল-কুরআনে বলা হয়েছে, ‘হে মানুষ, তোমাদের রবের পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে এসেছে উপদেশ এবং অন্তরসমূহে যা থাকে তার শিফা, আর মুমিনদের জন্য হিদায়াত ও রহমত। বল, আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমতে। সুতরাং এ নিয়েই যেন তারা খুশি হয়। এটি যা তারা জমা করে তা থেকে উত্তম’।
-[সূরা ইউনুস : ৫৭-৫৮]।

আবূ সাইদ খুদরী রাদি আল্লাহু আনহু বলেন, ‘আল্লাহর অনুগ্রহ হলো আল-কুরআন এবং এর অধিকারী হওয়াই রহমত’ -[শুয়াবুল ঈমান]।

প্রিয় পাঠক!
আমরা কি কুরআনের হকগুলো আদায় করতে পারছি? আদায় করার জন্য কোন প্রচেষ্টা আছে কি? আসুন কুরআনের হকগুলো আদায় করি, কিয়ামাতের সেই ভয়াবহ দিনে কুরআনের সুপারিশ পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করি। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে কুরআনের হকগুলো যথাযথভাবে পালন করার তাওফীক দিন। আমীন!

03/05/2023

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক ভাবে সঠিক সময়ে সহিহ শুদ্ধ ভাবে কুরআন তেয়ালাওাতের মাধ্যমে সালাত আদায় করার তাওফিক দান করুন!
আমিন।

27/04/2023

✅ We are now 𝐨𝐩𝐞𝐧 𝐟𝐫𝐨𝐦 𝐭𝐨𝐝𝐚𝐲.
🟥 𝗖𝗼𝗻𝘁𝗮𝗰𝘁 𝘂𝘀 𝘁𝗼𝗱𝗮𝘆 for more info about Our Courses.

24/04/2023

প্রকৃত সুখী মানুষ তারাই, যাদের শ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে
কিন্তু তাদের জন্য আল্লাহর পুরস্কার অব্যাহত রয়েছে।

21/04/2023

As we bid farewell to the holy month of Ramadan, let us hold onto the lessons we learned and continue to strive towards being better versions of ourselves. May Allah accept our efforts and bless us with a wonderful Eid celebration.
"𝐄𝐢𝐝 𝐌𝐮𝐛𝐚𝐫𝐚𝐤"

19/04/2023

➡️ We would like to inform you that we will be closed starting today, 𝗔𝗽𝗿𝗶𝗹 𝟭𝟵𝘁𝗵, 𝟮𝟬𝟮𝟯, 𝘂𝗻𝘁𝗶𝗹 𝗔𝗽𝗿𝗶𝗹 𝟮𝟲𝘁𝗵, 𝟮𝟬𝟮𝟯, for the celebration of 𝗘𝗶𝗱-𝗔𝗹-𝗙𝗶𝘁𝗿.

✅ We apologize for any inconvenience this may cause and appreciate your understanding.
Our team will not be available during this time, but we will be happy to assist you with your inquiries when we return on 𝗔𝗽𝗿𝗶𝗹 𝟮𝟲𝘁𝗵, 𝟮𝟬𝟮𝟯.

🟢 Jajakallahu Khairan for your continued trust in our services, and we wish you all a 𝗵𝗮𝗽𝗽𝘆 𝗮𝗻𝗱 𝗯𝗹𝗲𝘀𝘀𝗲𝗱 𝗘𝗶𝗱 𝗔𝗹 𝗙𝗶𝘁𝗿.

14/04/2023

আলহামদুলিল্লাহ শুরু হয়ে গিয়েছে রামাদানের শেষ দশক। সেই সাথে শুরু হলো মহিমান্বিত সেই রজনী, অর্থাৎ লাইলাতুল ক্বদরকে খুঁজে পাওয়ার মিশন।

সালাত, যিকর, সাদাকাহ, দুআ, কুরআন তিলাওয়াত ইত্যাদি যেটাই করা হবে না কেন এই রাতে, সাওয়াব বেড়ে যাবে হাজার গুণ! এত সুবর্ণ সুযোগ কি হাতছাড়া করা যায়?

এই দশদিন ইবাদাত করবেন আপনার নিজের সামর্থ অনুযায়ী। তা সফলভাবে যেন করতে পারেন সেজন্য থাকছে কিছু টিপস-

🌙 দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্নতা :

কোয়ালিটিফুল ইবাদাতের জন্য প্রথমেই দুনিয়াবি চিন্তা ও অপ্রয়োজনীয় কাজ থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া উচিত।

• বেস্ট হল মসজিদে ইতিকাফ করা। তবে ইচ্ছা থাকলেও সেই সুযোগ হয়তো হবে না অনেকেরই। সেক্ষেত্রে সম্ভব হলে বাসার ভেতরে আলাদা রুমে, একাকী ইবাদত করতে পারেন। এটা ইতিকাফ না, তবে মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে।
• তাও না সম্ভব হলে দুনিয়াবি আলাপ থেকে এই কটা রাত যথাসম্ভব দূরে থাকুন, অন্তত মেসেজিং থেকে।
• মহিলাদের পক্ষে বিচ্ছিন্ন হওয়াটা কষ্টকর, সংসারের কাজ থাকেই। সেসব কাজ যথাসম্ভব দিনের বেলা গুছিয়ে নিবেন।
• ছোট বাচ্চার মায়েরা ওদের একটা ইতিকাফ টেন্ট বানিয়ে দিয়ে ওদের সেখানে বিজি রাখতে পারেন, যাতে হৈ হুল্লোড় কম করে। আর রাতের বেলা জলদি সন্তানদের ঘুম পাড়ানোর পর একটু নিরিবিলি ইবাদাত করতে পারেন।

🌙 সালাত :

ফরজ ও সুন্নাহ সালাতের পাশাপাশি নফল সালাতের প্রতিও গুরুত্ব দিবেন।

• শেষ রাতে কিয়ামুল লাইল পড়বেন, অন্তত দুই রাকাত হলেও। পরিপূর্ন বিশ্বাস ও সাওয়াবের আশা নিয়ে সালাত পড়লে তা পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফের উসিলা হতে পারে। (সুনান নাসাঈ)
• সালাত জামাতে পড়ার মাধ্যমে সাওয়াব ২৭ গুণ করে ফেলতে পারেন।
• রাতে ওযুর পর দু রাকাত নফল সালাত পড়তে পারেন, এই সালাতের ফজিলত অনেক।
• রুকু ও সিজদাহ দীর্ঘ করার চেষ্টা করবেন রাসূল (সাঃ) এর মত। নতুন কিছু তাসবীহ মুখস্ত করে নিন আগে।
• চেষ্টা করবেন সালাতে সর্বোচ্চ ফোকাস (খুশু) ধরে রাখতে।

🌙 কুরআন :

কুরআন নাযিলের মাসে কুরআনের সাথে অধিক সময় কাটাবেন অবশ্যই।

• কুরআন তিলাওয়াত করুন বেশি বেশি। প্রতিটি হরফের জন্য ১০ নেকি! তিলাওয়াত করতে না পারলে অন্তত অডিও শুনুন।
• তিলাওয়াতের পাশাপাশি অর্থও পড়ুন। সালাতে পড়ার সূরাগুলোর প্রতিটি শব্দের অর্থ জানুন, বিশেষ করে সূরা ক্বদরের। সম্ভব হলে সেগুলোর তাফসীরও পড়বেন এবং গভীরভাবে চিন্তা করবেন।
• নতুন কোন সূরা বা কুরআনের ছোট্ট কোন দুআ মুখস্ত করতে পারেন।

🌙 যিকর :

যখনই সময় পাবেন যিকর করবেন। চলতে-ফিরতে, শুয়ে-বসে কিংবা রান্না করতে করতেও যিকর করা যায়। কিছু মাসনূন যিকরের উদাহরণ দেয়া হল-

• ওযুর পর শাহাদাহ বাক্য- পড়লে জান্নাতের সব দরজা উন্মুক্ত হয়ে যাবে
• দুরূদ- একবার পড়লে দশবার রহমত নাজিল হয়
• লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াহদাহু লা শারিলাহু, লাহুল মূলক ওয়া লাহুল হামদ, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইইন ক্বদীর- একশবার পড়লে দশজন ক্রীতদাস মুক্তির সাওয়াব
• সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আজিম- একশো বার পড়লে সমুদ্রের ফেনার মত গুনাহও মাফ হবে
• সালাত শেষে সুবহানাল্লাহ (৩৩), আলহামদুলিল্লাহ (৩৩), আল্লাহু আকবর (৩৩)- গুনাহ মাফ হয়
• লা হাওলা, ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ- জান্নাতের একটি অলংকার এটি।
• আস্তাগফিরুল্লাহ- রাসূল (সাঃ) দৈনিক অন্তত ৭০-১০০ বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতেন
• সকাল সন্ধ্যার যিকিরসমূহ (দেখুন হিসনুল মুসলিম)- এগুলো প্রতিদিন পড়লে সমূহ বিপদ ও শয়তানের হাত থেকে আল্লাহ রক্ষা করবেন।

🌙 সাদাকা :

প্রতি রাতেই অল্প অল্প করে সাদাকাহ করার চেষ্টা করবেন।

• কত টাকা সাদাকা করবেন আগেই নির্দিষ্ট করে ফেলুন। যেহেতু বেজোড় রাতে এবং শেষের দিকে লাইলাতুল ক্বদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি তাই দশদিনের জন্য এভাবে টাকা ভাগ করতে পারেন- ১৫০, ১০০, ১৫০, ১০০, ২৫০, ১০০, ২৫০, ১০০, ২৫০, ১০০। এটা একটা উদাহরণ মাত্র। আপনার সুবিধা অনুযায়ী ভাগ করুন।
• বিকাশে বা নগদে পাঠালে ফোন নাম্বার আগেই লিখে কোথাও লিখে রাখুন। যেন ওই সময়ে ফোন হাতে সময় অপচয় না হয়।
• বিকাশ, নগদ কিছুই না থাকলে একটি খামে বা ব্যাগে প্রতি রাতে টাকা আলাদা করে রাখবেন, পরে দিয়ে দিবেন।

🌙 দুআ :

দুআ হল লাইলাতুল ক্বদরের মূল আকর্ষণ। এটিও কিন্তু এক প্রকার ইবাদাত, তাই এতে পর্যাপ্ত সময় দিন।

• দুআ লিস্ট তৈরি না করে জলদি করুন। নিজের ও আপনজনদের কি চাওয়া সব লিখে ফেলুন। মুসলিম উম্মাহকে ভুলবেন না।
• একটি দুআর শর্টলিস্ট রাখবেন। দুআ কবুলের সময় গুলোতে পড়ার জন্য। (যেমন- ইফতারের আগে, বৃষ্টির সময়, ভালো কাজের পর, আজানের পর ইত্যাদি)
• কুরআনের ও হাদিসের দুআ গুলো সব পড়বেন, প্রয়োজনে দেখে দেখে। এগুলোর মধ্যেই মোটামুটি আমাদের যা প্রয়োজন তা মোটাদাগে আছে।
• আল্লাহর সুন্দরতম নামগুলোর সাহায্যে, একাগ্রতার সাথে, কিবলামুখী হয়ে এবং দুহাত তুলে চাইবেন। নিশ্চয়ই কবুল হবে। আর কবুল না হওয়ার হলে বুঝবেন এর থেকেও উত্তম কিছু আল্লাহ আপনার জন্য লিখে রেখেছেন।
• লাইলাতুল ক্বদরের একটি বিশেষ দুআ আছে যেটা বেশি বেশি পড়বেন-
​​اللّٰهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيْ

(আল্লাহুম্মা ইন্নাকা 'আফুউন, তু'হিব্বুল 'আফওয়া, ফা'ফু 'আন্নী)
হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাকারী, তুমি মাফ করতেই পছন্দ কর, অতএব তুমি আমাকে মাফ করে দাও।

🌙 ইলম অর্জন

লাগাতার ইবাদাত কষ্টকর হতে পারে, মাঝে মধ্যে দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমেও সাওয়াব পেতে পারেন।

• ভালো কোন বই পড়ুন। কাগজের বই, পিডিএফ না। ফোন থেকে দূরে থাকাই উত্তম।
• সেটাও কষ্ট হলে ভালো কোন লেকচার শুনুন। লেকচারটি আগেই সেইভ করে রাখতে পারেন, যেন তখন ইন্টারনেট চালু করার প্রয়োজন না হয়।

🌙 অন্যান্য

সাওয়াব অর্জনের উপায় কি শুধু উপরের গুলোই? না। বরং আরো অনেক উপায়েই হতে পারে যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য করা হয়।

• সন্তানের যত্ন নেয়া, মা বাবার খেয়াল রাখা, পরিবারের জন্য রান্না করা, ছোট খাটো গৃহস্থালি কাজ করা ইত্যাদি যাই করবেন, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করবেন।
• দিনের বেলা আত্মীয়ের খোঁজ নিন। কারো উপর রাগ পোষণ করে থাকবেন না। আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করলে আপনার দুআ কবুল নাও হতে পারে।
• অন্তত শেষ দশদিন নিজের জিহবা ও পেটকে লাগাম দিন। কম খেলেই বেশি ইবাদাত করতে পারবেন, বিশ্বাস করুন!
• তারাবীর আগে একটু এক্সারসাইজ বা স্ট্রেচিং করে নিন। দেখবেন অনেক এনার্জি পাবেন।
• নিজেকে পরিপাটি ও সজ্জিত করা, উত্তম পোশাক পড়ার মাধ্যমেও সাওয়াব পেতে পারেন। রাতের সালাতের আগে মিসওয়াক করে, আতর মেখে নিজেকে প্রস্তুত করে নিবেন, কারণ আপনি দুনিয়ার মালিকের সামনে দাঁড়াতে যাচ্ছেন!
• ঘরটিকেও সুন্দর করে পরিষ্কার করে গুছিয়ে নিবেন। ফেরেশতারা যে মেহমান হতে পারে আপনার ঘরে!
• যেহেতু রাতে ঘুম কম হবে, দুপুরে একটু কায়লুলা বা পাওয়ার ন্যাপ নিলে ভালো হবে। তবে আবার বেশি ঘুমাবেন না।
• ছোট খাটো কোন নতুন সুন্নাহ পালনের টার্গেট নিতে পারেন। বাড়ির অন্যদেরকেও এ ব্যাপারে উৎসাহিত করতে পারেন যেন আপনার সাওয়াব আরো বৃদ্ধি পায়।
• অসুস্থতার কারণে কিছুই করতে না পারলে শুয়ে শুয়ে আল্লাহর দেয়া নিয়ামত নিয়ে ভাবুন, ইস্তিগফার এবং যিকর করুন। তবু আশা হারাবেন না। আপনার সাথে আপনারই তুলনা হবে, আর কারো সাথে না।

রাসূল (সাঃ) কোমর বেঁধে (দৃঢ়ভাবে) ইবাদাত করতেন রামাদানের শেষের দশদিন। পরিবারের অন্যদেরকেও জাগিয়ে দিতেন। আমরাও তাঁর মত চেষ্টা করবো নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে ইবাদাত করার, আপনজনদের সঙ্গে নিয়ে। হতে পারে এটাই আমাদের জীবনের শেষ লাইলাতুল ক্বদর।

আল্লাহ আমাদের সকলকে লাইলাতুল ক্বদর মিলিয়ে দিন ও সে রাতের প্রচেষ্টা কবুল করে নিন। আমিন।

#সংগৃহীত

07/04/2023

মুসলিম জাহানের খলিফা হযরত উমর (রাঃ) এর ঈদ শপিং!
ঈদের আগের দিন খলিফা উমরের (রা) স্ত্রী নিজ স্বামীকে বললেন, ‘আমাদের জন্য ঈদের নতুন কাপড় না হলেও চলবে, কিন্তু ছোট বাচ্চাটি ঈদের নতুন কাপড়ের জন্য কাঁদছে’।
আরব জাহানের শাসক খলিফা উমর (রা) বললেন, ‘আমার তো নতুন কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই’।
পরে খলিফা উমর (রা) তার অর্থমন্ত্রী আবু উবাইদা (রা) কে এক মাসের অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি পাঠালেন।
সমগ্র মুসলিম জাহানের খলিফা যিনি, যিনি সেই সময় প্রায় অর্ধেক পৃথিবী শাসন করছেন, তাঁর এ ধরণের চিঠি পেয়ে আবু উবাইদার (রা) চোখে পানি এসে গেল। উম্মতে আমীন আবু উবাইদা (রা) বাহককে টাকা না দিয়ে চিঠির উত্তরে লিখলেন, ‘আমীরুল মুমিনীন! অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য দুটি বিষয়ে আপনাকে ফয়সালা দিতে হবে।
প্রথমত, আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে থাকবেন কি না?
দ্বিতীয়ত, বেঁচে থাকলেও দেশের জনসাধারণ আপনাকে সেই মেয়াদ পর্যন্ত খিলাফতের দায়িত্বে বহাল রাখবে কিনা?

চিঠি পাঠ করে খলিফা উমর (রা) কোন প্রতি উত্তর তো করলেনই না, বরং এত কেঁদেছেন যে তাঁর চোখের পানিতে দাঁড়ি ভিজে গেলো। আর হাত তুলে আবু উবাইদার (রা) জন্য দোয়া করলেন- একজন যোগ্য অর্থমন্ত্রী নির্বাচিত করতে পেরেছেন ভেবে।

02/04/2023

⭕️ আল্লাহপাক বলেন, ‘কুরআন সেই মুত্তাকিদেরকে মুক্তির পথ দেখাবে যারা জীবনে সালাত কায়েম করে।’ (সূরা বাকারা : ২-৩)
👉 তিনি আরো বলেন, ‘এটা হিদায়েত ও সুসংবাদ ঐ মুমিনদের জন্য যারা সালাত কায়েম করে, জাকাত দেয় এবং আখেরাতের ওপর দৃঢ় ইয়াকিন রাখে।’ (
সূরা নামল : ২-৩)
👉 তিনি আরো বলেন, ‘তোমরা সালাত কায়েম কর, জাকাত দাও এবং রাসূলের আনুগত্য কর। আশা করা যায় তোমাদের ওপর রহম করা হবে।’

🔴 তাই প্রিয় বোন আপনাদের বলছি - আপনারা কি সঠিক শুদ্ধ ভাবে কুরআন তেলাওয়াত এর মাধ্যমে নামাজ পরছেন তো ঠিক ভাবে?

25/03/2023

আমি জানি যে আমার কুরআন তেলাওয়াত শুদ্ধ নেই; তার মানে আমার সলাত ও ঠিক নেই!

এই চিন্তা মাথায় না রেখে তাও কীভাবে আমি কসমেটিক, বিভিন্ন কোর্স, গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স, ফ্রিল্যান্সিং কোর্স,কলেজ- ভার্সিটি এসবের পিছনে লেগেই আছি?

অন্তর কাঁপে না বোন?
হঠাৎ কেয়ামতের দিন চলে আসলে কী হবে? ভাবার সময় এসেছে কি?

~উস্তাজা রশনী আল-ফাতিহা

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Narayanganj
Dhaka
1400