27/04/2026
H.S.C/26 ব্যাচ ।
পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রের সংক্ষিপ্ত সাজেশন।
অধ্যায় ৪: তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া ও চুম্বকত্ব। পিডিএফ লিংক কমেন্টে
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from H.S.C -PhysicsHub, Educational consultant, Dhaka.
"Physics Hub" is a leading online based privet centre for physics education, committed to helping students excel in their academic pursuits.Its offers a comprehensive academic and admission program, designed to assess each student’s needs .
27/04/2026
H.S.C/26 ব্যাচ ।
পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রের সংক্ষিপ্ত সাজেশন।
অধ্যায় ৪: তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া ও চুম্বকত্ব। পিডিএফ লিংক কমেন্টে
H.S.C-26 ব্যাচের জন্য পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রের সংক্ষিপ্ত সাজেশন ।
অধ্যায় ৯ : পরমাণুর মডেল ও নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞান।
লিংক কমেন্টে।
Base Editing মূলত একটি গবেষণাগার বা ল্যাবরেটরি ভিত্তিক প্রযুক্তি, যা বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কিছু বায়োটেক ল্যাব এবং বড় বড় হাসপাতালে নির্দিষ্ট ক্লিনিকাল ট্রায়ালের (Clinical Trial) মাধ্যমে প্রয়োগ করা হচ্ছে।
এর অবস্থান এবং প্রয়োগক্ষেত্রগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. চিকিৎসা গবেষণাগারে (Research Centers)
এটি মূলত Genetic Engineering বা Molecular Biology ল্যাবে ব্যবহৃত হয়। বিজ্ঞানীরা ক্যানসার কোষের জেনেটিক কোড পরিবর্তন করে সেগুলোকে দুর্বল করার জন্য এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেন। বিশেষ করে Broad Institute of MIT and Harvard (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) এই প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং উন্নয়নের প্রধান কেন্দ্র।
23/04/2026
HSC-26 শুধু বিজ্ঞান বিভাগের রুটিন টা আলাদা করে দিলাম।
#ব্লুহয়েল
নীল তিমি (প্রাণী)
এটি পৃথিবীর ইতিহাসে জানামতে সবচেয়ে বড় প্রাণী। এর কিছু অবাক করা তথ্য হলো:
আকার: এরা প্রায় ৩০ মিটার (১০০ ফুট) পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।
ওজন: একটি পূর্ণবয়স্ক নীল তিমির ওজন প্রায় ১৭৩ টন বা ১,৯০,০০০ কেজি হতে পারে।
হৃদপিণ্ড: এদের হৃদপিণ্ড একটি ছোটখাটো গাড়ির সমান বড়।
খাদ্য: এরা মূলত 'ক্রিল' নামক এক ধরণের ক্ষুদ্র চিংড়ি জাতীয় প্রাণী খেয়ে বেঁচে থাকে। একদিনে এরা প্রায় ৪ টন ক্রিল খেতে পারে।
22/04/2026
H.S.C-26 EXAM ROUTINE
কি অবস্থা পড়ছো তো ?
22/04/2026
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Dalia Habib, Alamgir Hossain, Md. Sultan Mahmud, Jahid Islam, Mahim Mizan, Ariful Islam, Nasir Ahmed, Tohid Hasan, Rashed Noor, Md Absar, Mizanur Rahman Mithun, Mostafijur Rahman, Noorkobir K, Abdul Riad, Gazi Humayun Kabir, Mamun Hossain, মুফতি আব্দুল মান্নান, Md Shaukat Al Hasan, Shak Salauddin, MD Dalwear, Shafiq Chowdhury, Md Faruk, Hafiz Ahmed, Naved Khan, Al Mamun Hawlader, বারী ইন্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, Mon Pakhi Azad, Md. Shah Jahan Majumder, Ashad Hossain, Imran Khan Imon, Engr Md Alamin, Md Shujon, Bisweswar Chakraborty, Jahir Khan, Abdur Rahim, MD Robiul Islam Rubel, Md Abubakar Siddique, Md Yousuf, Maity Jugal, MD Imran, Jol Pori, Millat Hossain, Shamsul Islam, Sharmin Akter, Sarkar Mamun, Mahjabin Anzara, Engr Sohel Rana Patwary, Md Sirajul Islam, Md. Polash, Mahmuda Akter
#স্যাটেলাইট
স্যাটেলাইট কেন পৃথিবীতে পড়ে যায় না, তা বোঝার জন্য আমাদের পদার্থবিজ্ঞানের দু’টি মূল বিষয়—মহাকর্ষ বল এবং কেন্দ্রবিমুখী বলের ভারসাম্য বুঝতে হবে।
সহজ কথায় বলতে গেলে, স্যাটেলাইট আসলে সবসময় পৃথিবীর দিকে পড়ে যেতে চায়, কিন্তু এর প্রচণ্ড গতিবেগ একে মাটির দিকে না নামিয়ে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে বাধ্য করে। বিষয়টি নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
১. নিউটনের ‘ক্যানন বল’ থিওরি
আইজ্যাক নিউটন একটি চমৎকার উদাহরণের মাধ্যমে এটি বুঝিয়েছিলেন। কল্পনা করুন, একটি উঁচু পাহাড়ের ওপর থেকে একটি কামান দিয়ে গোলা ছোড়া হচ্ছে।
যদি গোলার গতি কম হয়, তবে সেটি কিছু দূর গিয়ে পৃথিবীতে পড়বে।
যদি গতি আরও বাড়ানো হয়, তবে সেটি আরও দূরে গিয়ে পড়বে।
কিন্তু যদি এমন একটি নির্দিষ্ট গতিতে (যাকে অরবিটাল ভেলোসিটি বলা হয়) গোলাটি ছোড়া যায়, তবে পৃথিবীর বক্রতার কারণে এটি যে হারে নিচে নামবে, পৃথিবীও ঠিক সেই হারে তার নিচ থেকে বেঁকে যাবে। ফলে গোলাটি কখনোই মাটি স্পর্শ করবে না এবং পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে থাকবে।
২. বলের ভারসাম্য
একটি স্যাটেলাইট যখন কক্ষপথে ঘোরে, তখন সেখানে প্রধানত দু’টি বল কাজ করে:
মহাকর্ষ বল (Gravitational Force): পৃথিবীর অভিকর্ষ টান স্যাটেলাইটকে নিজের কেন্দ্রের দিকে টেনে নামাতে চায়।
কেন্দ্রবিমুখী বল (Centrifugal Force): স্যাটেলাইটের নিজস্ব গতির কারণে তৈরি হওয়া এই বলটি তাকে বাইরের দিকে ঠেলে দিতে চায়।
যখন স্যাটেলাইটের গতি এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় যে মহাকর্ষ বল এবং কেন্দ্রবিমুখী বল একে অপরকে কাটাকাটি করে সমান হয়ে যায়, তখন স্যাটেলাইটটি স্থির উচ্চতায় থেকে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে থাকে।
৩. বায়ুমণ্ডলের অভাব
পৃথিবীর খুব কাছে কোনো বস্তু ঘুরতে চাইলে বাতাসের ঘর্ষণে তার গতি কমে যেত এবং সেটি এক সময় নিচে পড়ে যেত। কিন্তু স্যাটেলাইটগুলো মহাকাশের এমন উচ্চতায় থাকে যেখানে বায়ুমণ্ডল নেই বললেই চলে। ফলে বাতাসের বাধা বা ঘর্ষণ না থাকায় এদের গতি সহজে কমে না এবং এরা বছরের পর বছর একইভাবে ঘুরতে পারে।
সারকথা:
স্যাটেলাইট আসলে পৃথিবীর দিকে সবসময়ই পড়ছে, কিন্তু তার অনুভূমিক গতি (Horizontal Velocity) এত বেশি যে তা পৃথিবীর বক্রতাকে অনুসরণ করে কক্ষপথে আটকে থাকে। এই গতি যদি কোনো কারণে কমে যায়, তবেই কেবল সেটি বায়ুমণ্ডলে ঢুকে পড়ে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে অথবা পৃথিবীতে আছড়ে পড়বে।
50 বছর পর কেনো আবার আমেরিকা চন্দ্র অভিযান শুরু করল ? শুধু কি রাজনৈতিক সক্ষমতা প্রমাণ করবে তাই নাকি অন্য নাকি অন্য কোনো কারণ লুকিয়ে আছে?
#আর্টেমিস2
“NASA কি আবার Moon race শুরু করেছে?”