মিলনতত্ত্ব

মিলনতত্ত্ব

Share

This platform empowers people with accurate knowledge about intimacy & wellbeing.

Official page of the Bangladeshi community group “মিলনতত্ত্ব (Sex Education & Solution Centre)” dedicated to promoting sex education, awareness & healthy relationships.

21/06/2026

মেট্রোতে এক লোক তার পাশের আরেক লোকের গোপনাঙ্গে আঙুল দিয়ে স্পর্শ করে রাখছে, অথচ সেই লোকটা নির্বিকার। যার গোপনাঙ্গ ছুঁয়ে রাখছে তার ফোনেই দুইজনে কি যেন দেখতেছে। এর থেকে বোঝা যায় দুজনেই একই পথের পথিক। প্রায় শতভাগ সম্ভাবনা আছে এদের দুইজনই সমকামী।

মেট্রোর মতো একটা জায়গায় এরা এই কাজ করতেছে। আপনি একবার ভাবেন তো এই বিপর্যয় যদি এখনই ঠেকানো না যায় তাহলে আর কয়েক বছর পর এটা কেমন ভয়াবহ আকার ধারণ করবে? আপনার ঘরের বাচ্চাদের মধ্যে এই নষ্ট বীজ ছড়িয়ে যাবে না এর কোনো নিশ্চয়তা আছে?

আমরা এখনো বুঝতেই পারছি না যে, আমরা খুব বড় ধরনের একটা বিপর্যয়ের মুখে আছি। আর কয়েকটা বছর এভাবে চলতে থাকলে আপনার আমার ছোট ভাই,বোন, সন্তান, পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও এসব ছড়িয়ে যাবার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

আবার, এরা রাজপথে নেমে স্বীকৃতি চায়, যেখানে ৩৭৭ ধারা অনুযায়ী সমকামীতা শাস্তিযোগ্য অপরাধ কিন্তু প্রশাসন এবং সরকার এসব বসে বসে দেখে। কখনো দেখিনি এদের কাউকে গ্রেফতার করতে। আজকে ওরা রাজপথে নেমে আসছে, কালকে স্বীকৃতি পাবে, পরশু আপনার সন্তানের, ভাই বোনের স্কুল কলেজে গিয়ে ক্যাম্পেইন করবে এসবের।

আমরা তা হতে দিতে পারি না। আমি চাই আর কখনো যদি কেউ এসবের দাবি নিয়ে মিছিল মিটিং করে তবে ততক্ষণাৎ তাদের গ্রেফতার করতে হবে এবং সেইদিনই জনসম্মুখে তাদের ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। একমাত্র এই পদক্ষেপ গ্রহণ ছাড়া এই মহাবিপর্যয় ঠেকানোর আর কোনো উপায় আমি দেখি না।

আর, চুপ করে থাকবেন না, আপনারও কথা বলতে হবে, নয়তো আপনার পরিবারের লোকজনও এর ভয়াল থাবায় আটকে যাবে না এর নিশ্চয়তা নেই। কথা বলেন ভাই, আওয়াজ তোলেন।

শেখ জায়েদ হোসেন সাদ।
20 June, 2026

16/06/2026

ধোবাউড়ায় একটি কদমফুল ফুটেছিলো। যার বয়স চার বছর সাত মাস। বাবা-মার কোল থেকে সদ্যই নামতে শিখেছে সে। সে দৌড়াচ্ছিলো, খেলছিলো। এর মধ্যে এলো আষাঢ়ে বর্ষাকাল। গাছে গাছে আরও ফুটতে শুরু করলো কদমগুচ্ছ।

নিছামনি নামের কদমফুলটিকে গাছ থেকে কদমফুল দেয়ার কথা বলে চারটি ছেলে ডেকে নিয়ে গেলো। একজন হাত-পায়ে ধরলো, একজন শরীর ধরলো, একজন মুখ চেপে ধরলো। একজন করলো ধর্ষণ। কদমফুলটিকে। এভাবে সবাই ছিঁড়ে ফেললো ফুলের ডগা।

গোপনাঙ্গে রক্ত ছুটলো। থামলো না। মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে থাকলো। নিস্তেজ হতে থাকলো নিছামনি নামের কদমটি। ওরা ছাড়লো না তবুও। অর্ধমৃত নিছামনিকে চারজন মিলে নদীতে ছুঁড়ে মারলো।

মন বিষিয়ে তোলা পাশবিক ঘটনাটি আজকের। হ্যাঁ আজকের।

সন্তান হারা বাবা-মা কদমফুল দেখলেই ডুকরে কেঁদে উঠবে। এই দেশে বর্ষা না এলেও তাদের ভিতরে সারাজীবন বর্ষা ভর করবে। ঝরবে কান্নার কদমফুল।

©Shamim Ashraf

16/06/2026

আমার স্ত্রী দেখতে সুন্দর। তবু কেনো জানি তাকে এখন আর ভালো লাগে না। আমদের বিয়ে হয়েছে আট বছর হলো। পাঁচ বছর বয়সী একটা মেয়ে সন্তান রয়েছে।

‎অফিস থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে চলে যাই। ফিরি রাত করে। কারণ বাসায় যেতে ইচ্ছে করে না। অথচ বিয়ের শুরুর দিকে শুধুমাত্র স্ত্রীর টানে অফিস থেকে বেরিয়ে ছুটতাম বাসার দিকে। অফিস না থাকলে সারাদিন বাসায় থাকতাম। ওকে নিয়ে ঘুরতে যেতাম। কী যে ভালো লাগতো স্ত্রীকে তখন!

‎আর এখন ওর দিকে তাকাতে ইচ্ছে করে না। কথা বলতে ইচ্ছে করে না। ও আশেপাশে থাকলে বিরক্ত লাগে। বাইরে থাকা অবস্থায় ওর ফোন এলে ধরি না। রাতে যদি ও কাছে আসতে চায় আমি রূঢ় ভাষায় বলি, 'জ্বালাতন করো না। সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত হয়ে আছি। ঘুমাতে দাও।'

‎আসলে ক্লান্তি টলান্তি কিছু না। স্ত্রীকে ভালো লাগে না এটাই মূল কথা। কেন এমন হচ্ছে বুঝতে পারছি না।
‎.
‎আমি নিজে এখনো পরকীয়া করি নি। তবে করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। কেনো পুরুষেরা একটা সময় স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এটা জানার জন্য আমি যতো পুরুষের সাথে কথা বলেছি তাদের সবার উত্তর ছিলো এরকম, 'এটাই তো স্বাভাবিক। এক জিনিস কী আর বেশিদিন ভালো লাগে?'

‎তাদের উত্তরটা আমার কাছে সঠিক মনে হয় নি।

‎একটা সময় আমার মনে হলো এটা কি পুরুষের কোনো মানসিক সমস্যা? ডাক্তার দেখালে কি ভালো হয়ে যাবে?
‎.
‎আমি দ্বিধান্বিত মনে একদিন গোপনে এক মানসিক ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার আমার সমস্যার কথা শোনার পর বললেন, "আপনি কি আল্লাহকে বিশ্বাস করেন?" বললাম, "জী করি।"

‎"আল্লাহর একটা নির্দেশের কথা আপনাকে বলবো। যদি মানতে পারেন তাহলে আপনার এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে। কোনো ওষুধপত্র লাগবে না। গ্যারান্টি দিচ্ছি।"

‎"কী সেটা?"

‎"সুরা আন নূরে আল্লাহ বলেছেন, 'হে নবী, পুরুষদের বলে দাও, তারা যেনো নিজেদের দৃষ্টিকে সংযত করে রাখে এবং নিজেদের লজ্জা*স্থানসমূহের হেফাজত করে। এটা তাদের জন্য বেশি পবিত্র পদ্ধতি'।"

‎এরপর ডাক্তার দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি এক মাস পালন করুন। তারপর নিজেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।

‎সন্দেহ নিয়ে বললাম, "এটাতেই কাজ হয়ে যাবে?"

‎ডাক্তার হেসে বললেন, "অবশ্যই হবে।"

‎তবে আমাকে কথা দিতে হবে আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি নিখুঁত ভাবে পালন করবেন। কোনো ফাঁকি দেবেন না।

‎কথা দিলাম। নিখুঁত ভাবে পালন করবো।"

‎শেষে ডাক্তার বললেন, "এক মাস পর আমার কাছে আসবেন।"

‎আসবো কথা দিয়ে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরুলাম।

‎চেম্বার থেকে বেরুনোর সময় দেখলাম একটা যুবতী রূপবতী মেয়ে একজন বৃদ্ধাকে নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকছে। মেয়েটার দেহ দুর্দান্ত আকর্ষণীয়। আমি লো*লুপ দৃষ্টিতে মেয়েটার পুরো অঙ্গের দিকে তাকাতে গেলে আচমকা মনে পড়ে গেলো আল্লাহর নির্দেশের কথা। আমি সঙ্গে সঙ্গে চোখ সরিয়ে নিলাম।

‎এরপর পথে ঘাটে যদি কোনো মেয়ের দিকে চোখ পড়তো তবে চোখ সরিয়ে নিতাম। দৃষ্টি নত করে হাঁটতাম।

‎এভাবে দুদিন যাওয়ার পর অনুভব করলাম নারী শরীর দেখার জন্য ভেতরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অস্থিরতা দূর করার জন্য মোবাইল হাতে নিলাম। এবং পর্ণ দেখার সিদ্ধান্ত নিলাম। তারপর হস্ত*মৈ*থুন করে নিজেকে শীতল করবো।

‎গুগলে প*র্ণ ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ করার মুহূর্তে আল্লাহর নির্দেশের কথা মনে পড়ে গেলো। সাথে সাথে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলাম। এবং মোবাইল রেখে দিলাম।

‎এভাবে দৃষ্টি সংযত রেখে এবং লজ্জা*স্থান হেফাজত করে পনেরো দিন কাটানোর পর লক্ষ্য করলাম আমার মাথায় স্ত্রীর ভাবনা ছাড়া আর কিছু কাজ করছে না।

‎সেদিন অফিস থেকে বেরিয়ে উন্মাদের মতো ছুটলাম বাসার দিকে। বাসায় ঢুকেই ব্যাকুল হয়ে ডাকলাম, "এষা, কোথায় তুমি?"

‎স্ত্রী তখন রান্নাঘরে ছিলো। আমার চিৎকার শুনে দৌড়ে এলো। কারণ স্ত্রীর নাম ধরে বহুদিন ডাকি নি। ও আশ্চর্য হয়ে বললো, "কী হয়েছে তোমার? ডাকছো কেনো?"

‎সে কথার জবাব না দিয়ে কাঁধ থেকে অফিসের ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে স্ত্রীকে ঝট করে পাঁজা কোলে তুলে নিলাম। সে ততোক্ষণে আমার উদ্দেশ্য বুঝে গেছে। সে লজ্জায় লাল হয়ে বললো, "মেয়েটা ঘুমাচ্ছে। ও জেগে যাবে। কী করো, কী করো?"

‎স্ত্রীকে পাঁজা কোলে করে রুমে যেতে যেতে আচ্ছন্ন স্বরে বলতে লাগলাম, "ভালোবাসি এষা। ভালোবাসি।"

‎পরদিন ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার বললেন, "এখনো তো এক মাস পার হয় নি।"

‎হেসে বললাম, "সমস্যা দূর হয়ে গেছে।"

‎ডাক্তার বললেন, "স্বাগতম আপনাকে। আপনার সংসারের জন্য আন্তরিক শুভ কামনা রইলো।"

‎ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে খুশি গলায় বললাম, "ধন্যবাদ আল্লাহ। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।"

‎আমার মনে হয় এই সমস্যাটা শুধু আমার না আমাদের দেশের প্রায় ৯০% পুরুষেরই হয়।

‎যারা পর*নারীর বা অন্য কোন খারাপ কাজ থেকে দৃষ্টি ফিরাতে পারছেন না, তাদের জন্য খুবই উপকারী পোষ্ট হতে পারে!"

©Fidayah

15/06/2026

এই যুগের অবিবাহিত ছেলেমেয়েদের কথা ভাবলেই আফসোস লাগে। ৯৯% হারাম সম্পর্ক, অবৈধ শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা কোনোটাতেই বাদ নেই।

14/06/2026

বছর দুয়েক আগের কথা, আমি তখন আমার ফ্ল্যাটের কাজ করাচ্ছি। ইন্টার্নাল ডিজাইন চেঞ্জ করে একপাশের দেয়াল ভাঙা হচ্ছে, আরেক পাশে নতুন একটা দেয়াল তোলা হচ্ছে। এই ভাঙাভাঙির মধ্যে দরজার অর্ডার নেয়ার জন্য দুজন লোক এসেছে। কোন কাঠের দরজা হবে, ডিজাইন কেমন হবে সেই আলোচনা চলছে।

এরকম এক ক্যাওটিক পরিস্থিতির মধ্যে আমার ফ্ল্যাটের কাজ দেখতে আমার বাপের বয়সী এক আঙ্কেল এলেন।

উনি খুব আগ্রহ করে আমার চেঞ্জ করা ডিজাইনটা দেখলেন, কয়টা বারান্দা, কয়টা ওয়াশরুম সবই দেখলেন। বের হয়ে যাওয়ার আগে দরজার অর্ডার নিতে আসা লোকগুলোর দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকলেন।

আমাকে বললেন, "দরজা নিয়েও এত গবেষণা তোমার?? বাসায় ঢোকার জন্য মেইন দরজাটাই তো এনাফ। সব রুমের জন্য দরজা দেয়ার দরকার কী??"

বিষয়টা আমার মাথায় ধরলো না। ক্লিয়ার করার জন্য জিজ্ঞেস করলাম, "রুমের দরজা না দিলে প্রাইভেসি থাকবে কিভাবে??"

বরিশাইল্যা বুইড়া খাটাশটা হাসতে হাসতে ফ্লেক্স নেয়ার জন্য বললো, "অত পেরাইভেসির কি আছে?? মোর বাসায় তো মেইন ডোর বাদে আর কোনো দরজাই রাখি নাই। ছেলেরা চাইছিলো, আমি দেই নাই। নিজের পরিবারের মধ্যে অত রাখঢাক কিসের??"

আমি তাজ্জব হয়ে গেলাম। উনার দুই ছেলে, দুইজনেই বিবাহিত। উনার সাথেই থাকে। হিসাব মেলানোর জন্য প্রশ্ন করলাম, "আপনার দুই ছেলেই বিবাহিত না??"

"হয়"।

আমার বিস্ময় কাটলো না। আবার প্রশ্ন করলাম, "দরজা ছাড়া রুমে উনারা সেক্স করেন কিভাবে?? আপনার সামনেই?? এইসব দেখতে পছন্দ করেন নাকি আপনি??"

মূহুর্তের মধ্যে আঙ্কেলের নির্লজ্জ হাসি মিলিয়ে গেলো। এই ধরণের রেসপন্স উনি আশা করেন নাই। মুখটা গোমড়া করে রেখে উনি বিদায় নিলেন।

যাওয়ার আগে বিড়বিড় করে বললেন, "আস্তাগফিরুল্লাহ, কি বেয়াদব ছেলে!!"

ঘটনা এইখানেই শেষ হতে পারতো, হলো না। কারণ, কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছিলেন, "পড়বি পড়, তাও মালীর ঘাড়ে!!"

এরপরের কয়েকদিনে আমি এই লোকটার জীবন জাহান্নাম বানিয়ে ফেললাম। আমি উনার পরিচিত সবার কাছে বলে বেড়ালাম, এই লোক ছেলেদের রুমের দরজা লাগাতে দেয় না। উনি লুকিয়ে লুকিয়ে ছেলেদের আর ছেলের বউদের সেক্স দেখেন।

তার কয়দিন পরে ডালপালা যোগ করে বলা শুরু করলাম, উনি শুধু ছেলের বউদের সেক্সই দেখে না, সে অশ্লীল ইঙ্গিতও দেয়। বুইড়ার এক পা কবরে, তাও তার বদমায়েশী যায় না।

এইসবের ফলাফল হলো ভয়াবহ। সবাই উনাকে দেখলে মুখ টিপে হাসে। কথা হলে লোকজন টিপ্পনী কাটে। দুয়েকজন মুরুব্বী মুখ ফস্কে বলে ফেলে, "কি ব্যপার, ছেলেদের বিয়ে করায়েও আপনি নাকি দরজা লাগাইতে দেন না?? আপনি দেখেনটা কি আসলে ভাইসাহেব??"

নিজেকে ডিফেন্ড করতে করতে আক্ষরিক অর্থেই লোকটার এক পা কবরের দিকে চলে গেলো। দেড় বছর এই সামাজিক অত্যাচার চলার পরে অবশেষে উনি উনার রুমগুলোর জন্য দরজার অর্ডার দিলেন। সেই দরজা ডেলিভারি হয়েছে এই কোরবানি ঈদের পরপর।

আমি ব্যস্ত মানুষ, দুই সপ্তাহ রিউমার ছড়িয়ে আমি আমার জীবন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। মুরুব্বি যে দরজার অর্ডার দিয়েছেন, এই তথ্য আমার জানার কথা না।

জানলাম, কারণ উনার বড়ছেলে কয়দিন আগে আমাকে ডেকে এলাকার একটা চায়ের দোকানে নিয়ে গেলো। নন স্মোকার সেই লোক নিজের হাতে আমাকে একটা এডভান্স ধরিয়ে ছোট্ট করে বললো, "দরজার জন্য ধন্যবাদ ভাই।"

আমি হেসে ফেললাম।

©Hazat Sabbir

09/06/2026

সোমবার (৮ জুন) রাত আনুমানিক আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে বাড়িতে অবস্থানরত এক নারী ও তার স্কুলছাত্রী কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে মাতামুহুরি তদন্ত কেন্দ্র ও চকরিয়া থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। পরে গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত অবস্থায় মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ভুক্তভোগী শিশুর মামা সাইদুল ইসলাম মারুফ জানান, তার ভাগ্নির অবস্থা আশঙ্কাজনক। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে চিকিৎসকরা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন। তাকে আইসিইউ তে রাখা হয়েছে।

09/06/2026

এক নারীকে তার স্বামী রাগের মাথায় তালাক দিয়েছে অথবা বুঝাপড়ার মাধ্যমেই বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের ভুল ভেঙেছে তারা পুনরায় সংসার করতে চায় একসাথে।

এমতবস্থায় শরীয়ত অনুযায়ী ঐ নারী কে আরেক পুরুষ কে বিবাহ করতে হবে এবং তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে৷ তারপর সে এই স্পাউস কে ডিভোর্স দিয়ে পুনরায় আগের স্পাউস কে বিয়ে করার জন্য বৈধতা পাবে।

উদ্দেশ্য প্রণোদিত এমন কন্টাক্ট বিয়ে/হিল্লা বিয়ে হারাম। তবুও এক মেয়ে স্ক্যাম পেইজ খুলে পোস্ট দেয় যে সে একটি সংগঠন চালায় যেখানে সিভি ড্রপ করলে এমন তালাক প্রাপ্ত নারী পুনরায় স্বামীর কাছে ফিরতে চায় এমন নারীকে হিল্লা বিয়ে করা যাবে। সোজা কথায় বলি, চুক্তিবদ্ধ বিয়ের মাধ্যমে ঐ নারীকে স্ত্রী হিসেবে ভোগ করা যাবে। তারপর ডিভোর্স। কোনো দায়িত্ব নেওয়া লাগল না।

ঠিক এমন একটা সুযোগ পাওয়ার জন্যই শত শত মানুষ সিভি ড্রপ করেছে ঐ স্ক্যামার মেয়ের ইনবক্সে। মেয়েটা সবার সিভি ফাঁস করে দিয়েছে। পুরো পোস্টের লিংক কমেন্ট বক্সে;

সিভি পাঠানো মানুষগুলোর ৯০% মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের। এখানে আসলে ইসলামকে খারাপ দেখানোর জন্য এই কাজ করা হয়েছে সেটা স্পষ্ট কিন্তু আমার পোস্ট সেই বিষয়ে না।

ধরেন বস্তির ছেলেরা হরহামেশা ছিনতাই করে,এখন ধরেন হঠাৎ দেখলেন বাংলাদেশের হাজার হাজার পুলিশ থেকে একজন পুলিশ ছিনতাই করে ধরা পড়েছে। কেমন রিয়েকশন হবে? বস্তির ছেলেরা ডেইলি ছিনতাই,চুরি,চাঁদাবাজি করে কিন্তু কেউ রিয়েকশন দেয় না কারণ তাদের থেকে এক্সপেকটেড। কিন্তু পুলিশ করলে একদম হইচই লেগে যাবে না? কেন? কারণ তারা তো আমাদের রক্ষক।

একই ভাবে মাদ্রাসার স্টুডেন্ট, আলেমরা আমাদের সমাজের শিক্ষক। যাদের থেকে আমরা কুরআন, হাদীস শিখব।তারা যখন বেসিক ইসলামিক প্র্যাকটিস থেকে দূরে সরে যায় মানুষ রিয়েক্ট করবেই! কারণ তাদের থেকে এগুলো কেউ এক্সপেক্ট করে না।

মাদ্রাসার বলাৎকার ইস্যু নিয়ে কথা বললে অনেকেই কমেন্টে লেখে ভার্সিটিতে এগুলা আরও বেশি হয় মিডিয়াতে আসে না, আসে শুধু মাদ্রাসার টা 'ফ্রেমিং' করার জন্য। আমি মেনে নিলাম আপনাদের কথা। কিন্তু আমাকে বলেন ২০-৩০ সংখ্যা ইস্যু না, ১ টাই বা হবে কেন? যে ঘর থেকে ইসলামের আলোর দিশারী তৈরি হয় তাদের উপর এই পাশবিক নির্যাতন চলবেই বা কেন? আর যদিও হয় তবে আপনারা কেন ' মব ' করেন না? কেন হাত দিয়ে প্রতিহত করেন না?

এগুলো নিয়ে কথা বললে শত্রু বাড়ে,তাও বললাম কেন জানেন? কারণ আমি ইসলামকে ভালোবাসি।ইসলামের ক্ষতি হলে আমার খারাপ লাগে। আমাদের নিজেদের মাদ্রাসা আছে সেখানে আমরা গরীব বাচ্চাদের ফ্রি পড়াই। জানেন ফ্রি পড়া+খাবার শুনেও স্লট খালি। কারণ একটাই বাবা মা এখন ভয় পায়। কেন ভয় পায় মিডিয়ার প্রচার? জ্বি এটা একটা কারণ অবশ্যই কিন্তু মূল কারণ ১ হলেও এমন ঘটনা ঘটে। যদি এগুলা নাই হত মিডিয়াকি আদৌ প্রচার করতে পারত? আপনারা যদি বিচার করতেন তাহলে মিডিয়া ফাঁসাতে পারত?

এই লেখা পড়ে গালি দিতে পারেন । আমাকে জাহান্নামী বানাতে পারেন কিন্তু আমার ইসলাম আল্লাহ্ জানেন।আমার মনের সব কিছু আল্লাহ্ জানেন। আমার বিচার তিনিই করবেন হাশরের ময়দানে।

ডাঃ সাদীদ হোসেন

09/06/2026

একটা ভুয়া আইডি হালালা সেন্টার খুললো। অর্থাৎ যে নারীদের তালাক হয়ে গেছে, তাদের কে হিল্লা বিয়ে দিয়ে পুনরায় সংসারে জোড়া লাগানো৷

মোটকথা এটার কাজ ছিলো তালকপ্রাপ্তাদের ডাটা সংগ্রহ করা। এবং হালালা সেন্টারের মুহাল্লিল (হিল্লা বিয়ে আগ্রহী) সদস্যদের ডাটা সংগ্রহ করা।

অল্প কয়েকদিনেই শতশত লোক মুহাল্লিল সদস্য হওয়ার জন্য ইমেইল করে। যেখানে অধিকাংশ ই দেখা যায় হুজুর টাইপের। অনেকে নিজের নাম,ঠিকানা,ফোন নম্বর,পিক পর্যন্ত ইমেইল করেছে।
অধিকাংশ আবার বিবাহিত।

যদি এটা আরো কয়েক মাস চলতো তাহলে কত হাজার মুহাল্লিল হওয়ার আবেদন ইমেইল জমা পড়তো কল্পনার বাইরে।

মুহাল্লিল তথা হিল্লা বিয়ের পাত্র হওয়ার দিকে ঝুকে পড়ার সুবিধা হলো। কথিত বিয়ে নামে গোপনে ২/৩ মাস কোনো নারী কে ভোগ করবে৷ এবং এগুলোর ব্যাপারে পরিবার স্ত্রী কেউ ই জানবে না।

চিন্তা করে দেখেন মুখোশের আড়ালের ডার্ক সাইট টা কত বিশাল৷
আমরা সেই আখিরি জামানায় পৌছে গেছি নি:সন্দেহে।

খুব অল্পসংখ্যক লোক ফি:তনা থেকে রক্ষা পাবে।

আল ইন্তিফিদা

08/06/2026

Sohani Shifa উনাকে ছু*রি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। ৫-৬ ইঞ্চি গভীর ক্ষ*ত।

এই দেশের, ভালো কিছু চাইতে নেই, এই শহরের, ভালো কিছু হতে নেই।

উনার জন্যে, সবার নিকট দোয়া চাই, সুস্থ হয়ে ফিরে আসুক।

উনার জন্য সতর্কবার্তা হলো- অটোরিকশা এবং হকার বিজনেস এর সাথে সরাসরি ভাবে রাজনৈতিক নেতারা জড়িত। উনারাই এগুলো নিয়ন্ত্রণ করে। উনার নিজের ভালোর জন্য এই আন্দোলন থেকে সরে আশা উচিৎ।

05/06/2026

বিয়ে করা উচিত নয়!❌

ফরয পরিমাণ ইলম না থাকলে, কখনোই বিয়ে করা উচিত নয়!

অনেকেই কুফু না মিলিয়ে বিয়ে করেন— সেটা হোক সম্পদের দিক থেকে, কিংবা দ্বীনের ইলমের দিক থেকে। অথচ একজন মানুষ যতটুকু ইলমের অধিকারী, তার সমপর্যায়ের কাউকে, বা তার চেয়ে একটু কম ইলমের অধিকারী মেয়েকে বিয়ে করাই শ্রেয়।

একজন হাফেজ ভাই সদ্য দ্বীনের পথে ফিরে আসা এক বোনকে বিয়ে করেছেন। এখন সেই বোন তার আদেশ-নিষেধ মানছেন না, এবং তিনি পর্দা করাই ইসলাম পালন বা ইসলাম শুধু সেখানেই সীমাবদ্ধ— এমন ভাবনা রাখেন। এর মূল কারণ, ফরয পরিমাণ ইলমের অভাব।

আসলে ফরয পরিমাণ ইলম না থাকলে কখনোই বিয়ে করা উচিত নয়। চলুন, সেই ফরয পরিমাণ ইলম কী কী হওয়া উচিত তা একটু বিস্তারিতভাবে জানি:

❑ ফরযে আইন কী?
▬▬▬▬▬▬▬▬☞
ফরযে আইন হলো এমন ইলম বা আমল, যা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর উপর ব্যক্তিগতভাবে ফরজ — মানে, এটি অন্য কেউ করে দিলে হবে না, নিজেকেই শিখতে ও পালন করতে হবে।

❑ ফরযে আইন ইলম বলতে কী বোঝায়?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
একজন মুসলমানের জানা উচিত এমন কিছু ইলম আছে, যেগুলো তার ব্যক্তিগত জীবন, ইবাদত, আখলাক, ও পারিবারিক দায়িত্ব পালনের জন্য অপরিহার্য। এর মধ্যে রয়েছে:

১. আকীদা বা ঈমান—
(সঠিকভাবে তাওহীদ, রিসালাত, আখেরাত সম্পর্কে জানা)।

২. ফিক্বহ—
(তাহারা-মুজা, সালাত ও অন্যান্য ফরয ইবাদতের বিধান।)

৩. হালাল ও হারাম সম্পর্কিত জ্ঞান।

৪. প্রয়োজনীয় মাসয়ালা-মাসায়েল—
যেমন: হুরমতে মুসাহারাত, তালাক, পর্দা(মাহরাম-ননমাহরাম)।

৫. আদর্শ পারিবারিক জীবন—
কিভাবে শান্তিময় পরিবার গড়া যায় ইসলামি রীতিতে।

৬. ইসলামী আদব—
খাওয়া-দাওয়া, স্বামী/স্ত্রীর সাথে ব্যবহার।

❑ কেন ফরযে আইন ইলম ছাড়া বিয়ে করা উচিত না?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. অজ্ঞতার কারণে অন্যায় করা হয় – স্বামী বা স্ত্রী কেউ কেউ না জেনে এমন কিছু করে বসে যা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত হয়।

২. পারস্পরিক অধিকার লঙ্ঘিত হয় – স্বামী স্ত্রীর হক বুঝে না, স্ত্রী স্বামীর দায়িত্ব জানে না।

৩. সংসারে অশান্তি বাড়ে – কারণ ইসলামি জ্ঞান ছাড়া ইমোশন ও সংস্কারের উপর ভিত্তি করে চললে ঝগড়া-বিবাদ লেগে যায়।

৪. ইবাদতের সঠিকতা হারায় – অনেকেই সংসার শুরু করার পরও নামায, পবিত্রতা, সন্তানের দায়িত্বের ব্যাপারে অজ্ঞ থাকে।

ইসলামি আলেমদের মতামত:
“ফরযে আইন ইলম শেখা ছাড়া ঈমান শেখা হয় না।”
— মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক (হাফি.)

যে অবস্থায় যে কাজ ফরয হয়, তা জানার পরিমাণ ইলম অর্জন করাও ফরয হয়ে যায়। যেমন: ব্যবসা করলে ব্যবসার হালাল-হারাম শিখে নেয়া ফরয, তেমনি বিয়ে করলে বিয়ের মাসায়েল জানা ফরয।

❑ তাহলে করণীয় কী?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. বিয়ে করার আগে ফরযে আইন ইলম শিখে নেওয়া।
২. স্ত্রী ও স্বামীর উভয় পক্ষকে এই বিষয়ে সচেতন করা।
৩. আলেমদের কাছ থেকে মাসআলা-মাসায়েল জেনে নেওয়া।
৪. বিশ্বস্ত ইসলামি বই, লেকচার, কোর্সের মাধ্যমে ইলম অর্জন করা।

মুসলিম হিসেবে জীবনযাপনের জন্য ফরজে আইন অপরিহার্য। দ্বীনদার অর্থাৎ দ্বীনের বুঝ থাকা বা আসা মাত্রই প্রথম দায়িত্ব ফরজ পরিমাণ ইলম অর্জন করা। অবিবাহিত হলে বিবাহের আগে ফরযে আইন ইলম করা অপরিহার্য। অর্জনের পরই বিবাহের কথা ভাবা উচিত।

আর, বিয়ের আগে বিয়ে নিয়ে, বিয়ের ফিকহ, দায়িত্ব, কর্তব্য, নারী-পুরুষের মনস্তত্ব, প্যারেন্টিং এসব নিয়েও পড়াশোনা করা উচিত। জীবনের যেকোনো পর্যায়ে যাওয়ার আগে তা নিয়ে জানাশোনা, প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করা কর্তব্য।

বিয়েতে যেহেতু আরেকজন মানুষকে সম্পৃক্ত করা হয় তাই এটা আরো সেন্সিটিভ বিষয়। সবার উচিত সচেতন থাকা যেন কোনোভাবেই জীবনসঙ্গীর উপর জুলুম না করা হয়ে যায়। এমনকি নিজে মাজলুম হলেও..!

তাই সবার নিকট অনুরোধ কেউই ফরজে আইন ইলম এবং বিবাহ বিষয়ক হিকমাহ-জ্ঞান অর্জনের পূর্বে বিয়ে করবেন না, যার ফরযে আইন ইলম নেই, বিবাহ বিষয়ে পড়াশোনা করেনি, বিবাহ বিষয়ক জ্ঞান-হিকমাহ অর্জন করেনি, প্রেপারেশন নেই তাকেও বিয়ে করবেন না।(আহরিত)

© Guidelines to Jannah

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Dhaka
1000