MRCPN

MRCPN

Share

'Assalamu' Alaikum Warahmatullahi Wabarakatuh.চলো নতুন কিছু করি, নতুন কিছু শিখি, নতুন ভাবে চলি

Photos from MRCPN's post 20/07/2023

আমরা সব কিছু জেনে বুঝে ও মিথ্যার মায়ায় আসক্ত হই। নিচের চমৎকার গল্পটি পড়ুন আর ভাবুন...

নিন্মের ছবিটি নগ্ন। এটি Jean Leon Gerome নামক বিখ্যাত চিত্রকরের পেইন্টিং। ১৮৯৬ তে আঁকা এই ছবিটা ঊনিশ শতকের একটি লোক কথাকে ভিত্তি করে আঁকা হয়েছিলো যার শিরোনাম ছিলো- "The truth is coming out of the well."

গল্পটা ছিল এরকম -একবার সত্য এবং মিথ্যা পরস্পরের সঙ্গে দেখা করলো কিছু বিষয়ে মীমাংসার তাগিদে। হাঁটতে হাঁটতে তারা চলে গেলো একটা কুয়োর পাশে।

মিথ্যা বললো, দেখো, কী পরিষ্কার জল। চলো স্নান করি।

বলাবাহুল্য সত্য বিশ্বাস করেনি মিথ্যার কথা। নিজে পরখ করে দেখলো। যখন দেখলো কুয়োর জল সত্যিই পরিষ্কার তখন মিথ্যার প্রস্তাবে রাজী হলো।

দুজনে পোশাক ছেড়ে নেমে পড়লো কুয়োয়। স্নানের মাঝপথে মিথ্যা কুয়ো থেকে উঠে এসে সত্যের পোশাক পরে পালিয়ে গেলো।

খানিকক্ষণ অপেক্ষা করার পর মিথ্যাকে ফিরতে না দেখে সত্য উঠে এলো কুয়ো থেকে। না, মিথ্যা তো কোথাও নেই, পোশাকও নেই। রাগে অন্ধ হয়ে সত্য বের হলো মিথ্যাকে খুঁজতে, কিন্তু নগ্ন সত্যকে দেখে ছিঃ ছিঃ ধিক্কার করলো সভ্য মানুষেরা। এমন কী তেড়েও এলো অনেকে।

সত্য অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও তাদের বোঝাতে না পেরে রাগে দুঃখে অপমানে ফের কুয়োয় নেমে গেলো।

তারপর থেকে সত্যকে আর কখনও কেউ দেখেনি।
যাকে দেখেছে কিংবা দেখছে সে আসলে সত্যের পোশাক পরা মিথ্যা!

Photos from MRCPN's post 06/07/2023

"রাজা" ক*ন*ড*ম আর "হিরো" ক*ন*ড*ম ছিলো বেশি প্রচলিত। চায়ের দোকান থেকেও কিনতাম। প্রায় কোল বালিশ সাইযের বানিয়ে ফেলতাম ফুলিয়ে। বড়রা এগুলা পচা জিনিস,বাজে তেল দিয়ে বানায় এই সেই নানা কথা বলতো। কিন্তু এই ক*ন*ড*ম*কে বেলুন বানিয়ে খেলার কারণেই চায়ের দোকানীরা বিক্রি করতো খেলনা হিসাবে।

শুক্রবারটা ছিলো একটা ঈদের দিনের মতোন। সিনেমা হতো দুপুর আড়াইটা থেকে বিকাল পর্যন্ত। ম্যাগগেইভার আর আলিফ লায়লা চলতো সকাল দিকে।

একসাথে সিনেমা দেখার আলাদা মজা ছিলো। বড়রা খাটে বা সোফায় বসতো আমরা নিচে বসতাম। আঙুল দিয়ে বিজ্ঞাপণ গুনতাম। প্রায় বারোটা বিজ্ঞাপণ দেখানোর পরই সিনেমা শুরু হতো।

রুবেল, দিতি, জসীম, সাবানা, ববিতা, মৌসুমি, রাজ্জাক ছিল নায়ক নায়িকা। এদের কেউ নেই মানে সিনেমা পানসে। রাজীব, রানি, শরীফ, মিশা, জাম্বু ভিলেন থাকার কারণে কতো গালিই যে খেত তার হিসেব নেই। নায়ক মার খেলে আমাদের আফসোস হত, অসহায় ববিতার কান্নায় চোখে পানি চলে আসতো।

বিকেলটা ছিল অনেক লম্বা,শেষ হইতো না। তখন খেলতাম ইচিং বিচিং, কুতকুত, বউছি, ফুলের টোকা, বরফ পানি, ছোঁয়াছুঁয়ি, সাতচারা, ডাংগুলি, মাংশ চোর, আরও কী কী
মনেও নেই। খুব ছোটরা খেলার বায়না ধরলে তাদেরকে "দুধভাত" হিসেবে খেলায় নিতাম, তবুও ছোট বলে তাকে বঞ্চিত করতাম না।

ঝগড়া হলে তাহলে কাইন আঙুলে আড়ি নিতাম, দু দিন কথা বলতাম না। তারপর আবার আনুষ্ঠানিক ভাবে দুই আঙুলে " ভাব" নিতাম।

তখন আবার রক্তের বান্ধবীর প্রচলন ছিল। কারও হাত কাটলে ছুটে যেতাম রক্তের সই পাতাতে। আমার কাটা আঙুলের সাথে ভাল আঙুল মিলিয়ে হতাম "রক্তের বান্ধবী, কোনদিন এই বন্ধুত্ব যাবেনা"। কই গেল আমার সেই বান্ধবী গুলা।

মারবেল দিয়ে বিড়িং খেলা হত। দামি খেলনা ছিলো রবারকোপ আর পিস্তল। টাকাওয়ালা বাবার মেয়েরা খেলত ব্যাটারির পুতুল দিয়ে। পুতুলের সুইচ অন করলেই বাজত ‘চল ছাইয়া ছাইয়া’ গান। বেশিরভাগ মেয়েদের হাড়িপাতিল
থাকতো অনেকগুলা। সকাল হলে ভাত রান্না করতো আবার।

সন্ধ্যা হলেই শুরু হত যন্ত্রণা। বই খাতা খুলে পড়তে বসা লাগবে। সবার আগে পড়তাম সমাজ। চার্জার লাইটগুলা চার্জ দেয়া লাগতো,কখন কারেন্ট যাবে বলা যায় না,বাড়ির কাজও হবে না। অংক করতে বিরক্তি থেকে মুক্তি পেতে দোয়া করতাম, "আল্লাহ, কারেন্ট যা"।

যেই কারেন্ট যেত অমনি সবাই একসাথে চিৎকার করে বেড়িয়ে আসতাম ঘর থেকে। শুরু হয় নতুন খেলা, 'চোখ পলান্তিস' নাইলে 'বরফ পানি'। বড়রা বিরক্ত হয়ে যেতো চিল্লাচিল্লিতে।

খেলার সময় নিয়ম ছিল, যার ব্যাট সে আগে ব্যাটিং করবে। যার৷ যার বল সে একাই তিন ওভার বোলিং করবে। যার র‍্যাকেট সে কখনো বেট্টাস হবেনা। আজব নিয়ম ছিলো অনেক,বাউন্ডারির বাইরে বল গেলে আউট।

প্রতিদিন কটকটি ওয়ালা আসত, কেউ ভাঙাচোরার বদলে দিতো কটকটি সনপাপড়ি নইলে কুলফি। উফ সেউ কুলফিটা আর কোনদিন পাইনাই, সেকারিন মিশানো আইসক্রিম। খেলেই জিভ ঠোট লাল হয়ে যেত। সেই লাল ঠোট নিয়ে আমাদের কি গর্ব, আজো চোখে ভাসে। নারিকেল পাতা দিয়ে চশমা আর হাত ঘড়ি বানিয়ে দিতাম ছোটদের। কত কাগজের নৌকা দিঘিতে ভাসিয়েছি। সুপারি গাছের শুকনো
খৈলে বসিয়ে কত টেনেছি বন্ধুদের। কখনো লাঠির আগায় বোতলের মুখ পেরেক দিয়ে লাগিয়ে গাড়ি বানিয়ে খেলেছি,কখনো বা সাইকেলের টায়ার পিটিয়ে এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রাম ভ্রমণ করেছি।

ঈদ আসলে আমরা ঈদ কার্ড কিনতাম। "মিষ্টি মিষ্টি হাসিতে, দাওয়াত দিলাম আসিতে"- এমন ছন্দ লিখে বন্ধু বান্ধবদের দাওয়াত দিতাম। সেই সময় সব চাইতে দামী জরি ওয়ালা ঈদ কার্ড যেটা ছিল সেটা খুললে ভেতর থেকে অবিশ্বাস্য ভাবে মিউজিক বাজত। ঈদের জামা ঈদের দিন ছাড়া কাউকে দেখাতাম না, পুরানো হয়ে যাবে ভেবে। জামা লুকিয়ে রাখা ছিল সেসময় আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ।

চাঁদ রাতে হাতে মেহদী দিতাম,বড় আপুরা নামের প্রথম অক্ষর লিখে দিতো মেহদী দিয়ে। সকালে কার কার কাছে গেলে বেশি টাকা পাওয়া যাবে হিসেব করতাম, টাকা দিয়ে পিস্তল ছাড়া আর কী কেনা যায় ভাবতাম। সকাল হওয়ার আগেই মসজিদের মাইকে গজল গাইতো কারা যেনো। আর বারবার ঈদ মোবারক জানাইতো। আফসোস লাগতো রমজানের মতো একটা বড় ছুটি শেষ, আবার আনন্দ লাগতো সবাই বাড়ি আসবে টাকা জমবে।

কী সব সোনালী দিন ছিল আমার। আজকের অলস সন্ধ্যা এইসব ভেবেই কেটে গেল। এই প্রযুক্তির যুগে আর ইচ্ছা নেই ঈদ কার্ড কেনার, ভয়েস ম্যাসেজে ঈদ মোবারক জানাই দেই। সময়ের লগে মানুষও বদলে গেলো, বদলে গেলো সবার ইচ্ছা অভ্যাস সব। কিন্তু শৈশবের মায়ামাখা সেইসব স্মৃতি কল্পনা করতেও আনন্দ লাগে। একলাই হাসি, ভাবি যে এসব তো কুড়ি বছর আগের গল্পও না,এই এক দশকও আগের না,এতো অতীত লাগে কেনো! এতো দ্রুত সব বদলে গেলো কেনো.....

©

MRCPN

01/07/2023
23/06/2023

বউয়ের সাথে রুমে শুয়ে আছি। বউ আমার ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে বাচ্চাকে দুধ পান করাচ্ছে।আর আমি ফোনে একটু বিজি। কিছুক্ষণ পর আমার একটা জরুরী কল আসে। ফোন রিসিভ করে চলে গেলাম ঘরের বাহিরে।
ফোনে কথা বলার টাইমে,দেখলাম আমার চাচি আমাদের বাসায় আসে। আমার সামনে দিয়ে,উনি চুপচাপ আমার ঘরে ঢুকে গেলেন। রাত ১টা এখন। উনি হুট করে এতো রাতে কেন এলো? আমিও উনাকে ডেকে ডেকে পিছু নিলাম," চাচি,কিছু হইছে?"। চাচি আমার কথার উত্তর না দিয়ে আমার বউয়ের রুমে চলে যায়। আমিও চাচির পিছন পিছন যাবো,কিন্তু আমার আগে চাচি রুম থেকে বেরিয়ে যায়। আমি তাকিয়ে রইলাম চাচির দিকে। উনি এইবার আর আমার সামনে দিয়ে না,পিছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে গেলো। আমি দৌড়ে গেলাম বউয়ের রুমে,বউ আমার ঘুমাচ্ছে। আবার দৌড়ে এলাম চাচির পিছনে। চাচি আমাদের বাসার পিছন সাইডে চলে যাচ্ছে। আমি উনাকে ডাকতেই যাবো,এমন সময় আমার বউয়ের চিৎকার।

আমি দৌড়ে রুমে আসি,দেখি আমার বাচ্চাটা মারা গেলো। আর বউয়ের চিৎকার শুনে,চাচি উনার ঘর থেকে মাত্র বেরিয়ে এলো।চাচি যদি উনার ঘর থেকে মাত্র বেরিয়ে আসে, তাহলে একটু আগে উনি কে ছিলো?

অনুগল্প ( সত্য ঘটনা।)

20/06/2023

আজকাল ট্রেনে বাসে রাস্তায় রেস্তোরাঁয় সর্বত্রই জল তেষ্টা পেলে আমাদের হাতে উঠে আসে ঠান্ডা বা নর্মাল সিল করা জলের বোতল।
কিন্তু এই ফ্রিজ তো হালে এলো!
প্রশ্ন উঠতেই পারে, তখন কি মানুষ ঠান্ডা জল খেতেন না?
আজ্ঞে খেতেন, আলবাত খেতেন।
তখন ফ্রিজ না থাকলেও ছিল ‘ভিস্তি’।
‘ভিস্তি হল এক ধরনের বস্তার মত দেখতে ব্যাগ।
ছাগলের চামড়া দিয়ে তৈরি এই বিশেষ থলেকে ‘মশক’ও বলে।
এতে রাখলে ফ্রিজের মতোই ঠান্ডা থাকত জল।
আর স্বয়ং জলদাতা হয়ে এই ভিস্তির জল যারা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতেন তাদের বলা হত ভিস্তি ওয়ালা।

এই ভিস্তিওয়ালাদের সঙ্গে রয়েছে ইতিহাসের যোগ।
কথিত আছে, মুঘল নবাব হূমায়ুন একবার জলে ডুবে যাচ্ছিলেন।
তখন নবাবকে বাঁচিয়েছিলেন এক ভিস্তিওয়ালা।
এমনকি এই ভিস্তির উপর ভরকরেই সাঁতরে উঠেছিলেন হূমায়ুন।
কৃতজ্ঞতা স্বরূপ সেই ভিস্তিওয়ালাকে একদিনের জন্য তার আসনেও বসিয়েছিলেন তিনি।
অভিবক্ত ভারতবর্ষের ঢাকায় এবং কলকাতায় জল বিলোনোর কাজ করতেন এই ভিস্তিওয়ালারাই।

কিন্তু স্মার্টফোন সর্বস্ব এই ওভারস্মার্ট যুগে আজকের প্রজন্ম হয়ত জানেইনা ভিস্তিওয়ালাদের কথা।
পার্সি শব্দ ‘বেহেস্ত’ শব্দের অপভ্রংশ হয়ে এসেছে ভিস্তি, এর অর্থ হল স্বর্গ। পৃথিবীর পশ্চিম ও মধ্য প্রান্তে স্বর্গের বেশীরভাগ ছবিতেই মিলেছে নদী ও বাগানের ছবি।
কথিত আছে সেই স্বর্গের নদী থেকে জল এনেই ভিস্তিরা তা বিলিয়ে দিতেন মানুষকে, তাই তাদের স্বর্গের-দূতও বলা হত।

তিলোত্তমাতেও এককালে এদের একচেটিয়া আনাগোনা ছিল।
ভোরবেলা দোর খুলে রাস্তায় বেরোলেই দেখা মিলত ভিস্তিওয়ালাদের।
কাঁধে জল ভরতি চামড়ার ব্যাগ নিয়ে বেড়িয়ে পড়তেন মুসলিম সম্প্রদায়ের এই মানুষগুলো।
দিল্লিতেও একসময় ছিল ভিস্তির চল।
তবে এখনও এই প্রাচীন পদ্ধতি বাঁচিয়ে রাখতে সক্ষম জামা মসজিদের বাইরে মুশতাকিম চায়ের দোকান।
দোকানে গেলেই দেখা যাবে, ঝোলানো রয়েছে ছাগলের চামড়া দিয়ে তৈরি লম্বা লম্বা ভিস্তি।
বহুযুগ ধরে প্রাচীন দিল্লির সাক্কে ওয়ালি গলিতেই ভিস্তিওয়ালাদের বাস।

(সংগৃহীত)

Photos from MRCPN's post 10/05/2023

Responsible Full LOGIN PAGE IN FULL SCREEN Body
LOGIN PAGE:
#পর্ব০১

এখানে অনেক গুলো অতিরিক্ত style ব্যবহার ও লেখা হয়েছে CSS STYLE TAG ব্যবহার করে, যা আপনার নিজে নিজে পরির্বতন করে লিখতে পারবেন (ইন-শাল্লাহ)

যেমন: আপনার প্রথমে Head tag এর ভিতরে Style এর ভিতরে বিভিন্ন লেখা গুলো এক লাইন করে রিমুভ করে দেখুন কোনো পরির্বতন আসে কি না, যদি কোনো পরির্বতন না ঘটে রিমুভ করার পর তাহলে বুঝে নিবেন এগুলো form এর ভিতরে কোনো না কোনো এক স্থানে লেখা হয়েছে অন্য কোনো নতুন style। যখন সব গুলো পরির্বতন করে দেখবে, তখন তোমাদের Login পেজের এর ব্যাপারে আরো ভালো ধারনা হয়ে যাবে ইন-শাল্লাহ। তখন তোমরা এই Style গুলো আলাদা Css page লিখবে এবং সবগুলো Css Style লেখা গুলো রিমুভ করে Html পেজ থেকে Css পেজে Link করে দিবে।

যদি Html থেকে Css link করতে না পাড়ো তাহলে কমেন্ট করো, তখন ইন-শাল্লাহ এর সমাধান টি দিয়ে দিবো।




Login From |MRCPN


url('https://fonts.googleapis.com/css?family=Raleway:400,700');
body {
font-family: Raleway, sans-serif;
color: #666;
background: url(MRCPN.jpg) no-repeat center center fixed;
-webkit-background-size: 100% 100%;
-moz-background-size: 100% 100%;
-o-background-size: 100% 100%;
background-size: 100% 100%;

}

login {
margin: 200px auto;
padding: 40px 50px;
max-width: 800px;
height: 850px;
border-radius: 100px;
box-shadow: -1px -1px 5px 20px ;
}
.login input {
width: 100%;
display: block;
box-sizing: border-box;
margin: 40px 0;
padding: 34px 32px;
font-size: 26px;
color: white;
border-radius: 2px;
font-family: Raleway, sans-serif;
background-color: transparent;

}

login input[type=text],
login input[type=password] {
border: solid ;
transition: .2s;
}

login input[type=text]:hover {
border-color: ;
outline: none;
transition: all .2s ease-in-out;
}

login input[type=submit] {
border: none;
background: ;
color: white;
font-weight: bold;
transition: 0.2s;
margin: 20px 0px;
}

login input[type=submit]:hover {
background: ;
}

.login h2 {
margin: 20px 0 0;
color: ;
font-size: 28px;
}

login p {
margin-bottom: 40px;
}

links {
display: table;
width: 100%;
box-sizing: border-box;
border-top: 10px solid red;
margin-bottom: 10px;
font-size: 40px;
}

links a {
display: table-cell;
padding-top: 10px;
}

links a:first-child {
text-align: left;
}

links a:last-child {
text-align: right;
}

.login h2,
.login p,
.login a {
text-align: center;
}

login a {
text-decoration: none;
font-size: .8em;
}

login a:visited {
color: inherit;
}

login a:hover {
text-decoration: underline;
}

::placeholder {
color: ;
font-size: 60px;
box-shadow: -1px -1px 5px 10px ;
opacity: 1; /* Firefox */
}

:-ms-input-placeholder { /* Internet Explorer 10-11 */
color: ;
font-size: 60px;
box-shadow: -1px -1px 5px 10px ;
}

::-ms-input-placeholder { /* Microsoft Edge */
color: ;
font-size: 60px;
box-shadow: -1px -1px 5px 10px ;
}

button {
background-color: ; /* Green */
border: none;
color: white;
text-decoration: none;
display: inline-block;
font-size: 16px;
margin: 4px 2px;
transition-duration: 0.4s;

}
button2 {
background-color: ;
color: black;
border: 5px solid ;
}

button2:hover {
background-color: ;
color: white;
}

button3 {
background-color: ;
color: black;
border: 5px solid ;
}

button3:hover {
background-color: ;
color: white;
}

button4 {

color: black;
border: 5px solid ;
}







Welcome, User!

Now log In






Forgot password

Register





MRCPN

02/05/2023

একজন ওয়েব ডেভলপার হতে হলে অবশ্যই আপনাকে এইচটিএমএল ট্যাগ সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। এইচটিএমএল ট্যাগগুলো কিভাবে কাজ করে থাকে এবং কখন কোন দিকে কাজে লাগাতে হয় সেটা অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে। আপনি যদি এইচটিএমএল ট্যাগ (HTML Tag) এর ব্যবহার এবং কাজ সম্পর্কে না জানেন তবে কখনোই একজন সম্পূর্ণ ওয়েব ডেভলপার হয়ে উঠতে পারবেন না। নিম্নে আমরা এইচটিএমএল ট্যাগ এর বিভিন্ন লিস্ট দিয়ে দিয়েছি, আপনারা সেগুলো দেখে অনুশীলন করতে পারবেন। ( #পর্ব_০১)

HTML ভাষায় ব্যবহৃত ট্যাগ সমূহকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

ক) কন্টেইনার ট্যাগ

খ) এম্পটি ট্যাগ

১. HTML Container ট্যাগ কি?

যে ট্যাগ গুলোর শুরু এবং শেষ আলাদা আলাদা ভাবে করতে হয় তাদেরকে কন্টেইনার ট্যাগ বলে। যেমন প্যারাগ্রাফ ট্যাগ। HTML প্যারাগ্রাফ ট্যাগের জন্য ব্যবহার করতে হয় যার প্রথমটি শুরুর ট্যাগ এবং পরের / চিহ্ন যুক্ত ট্যাগটি শেষের ট্যাগ।

২. HTML Empty ট্যাগ কি?

যে ট্যাগ গুলোর শুরু এবং শেষ একবারেই করে ফেলা হয় তাকে এম্পটি ট্যাগ বলে। যেমন: লাইন ব্রেক ট্যাগ। ট্যাগ একবারেই দিয়ে এর কাজ শেষ করে দেয়া হয়। এই ট্যাগ গুলোকে এভাবেও লেখা যায়।

HTML এর ট্যাগসমূহকে ১৩ টি ভাগে ভাগ করে নিচে প্রত্যেকটিকে উল্লেখ করা হলো তাদের কাজ সহ।

খুঁজে নেয়ার সুবিদার্থে ভাগ গুলোকে উল্লেখ করে দেয়া হলো:

সাধারণ গঠন

ফরমেটিং

ফ্রেমস

ইনপুট (ফর্ম সহ)

অডিও এবং ভিডিও

ছবি বা ইমেজ

হাইপারলিংক

লিস্ট বা তালিকা

টেবিল

স্টাইল এবং সিমেনটিক

প্রোগ্রামিং

মেটা ট্যাগ

অন্যান্য ফাইল যুক্ত করা

HTML 5 এ সাপোর্ট করে না যেসকল ট্যাগ।

ক) সাধারণ গঠনের জন্য ব্যবহৃত HTML Tag সমূহ:
ক্রমিক নং ট্যাগ বর্ণনা
০১ ডকুমেন্টের ধরন নির্দেশ করে
০২ HTML ধরন নির্দেশ করে
০৩ হেড ট্যাগের ভেতরে টাইটেল, লিংকিং, মেটা ট্যাগ এবং ডকুমেন্টের বিভিন্ন তথ্যাদি থাকে
০৪ টাইটেল বা শিরোনাম নির্দেশ করে
০৫ মূল কোডিং এর পুরোটাই বডি ট্যাগে থাকে
০৬ থেকে হেডিং নির্দেশ করে। H1 হেডিং সবথেকে বড় এবং H6 সবথেকে ছোট।
০৭ প্যারাগ্রাফ বা অনুচ্ছেদ নির্দেশ করে
০৮ নতুন লাইন সৃষ্টি করে বা লাইন ব্রেক করে
০৯ আনুভূমিক বা হরাইজন্টাল লাইন নির্দেশ করে, যা মূল কন্টেন্টের দুটি অংশকে পৃথক করতে ব্যবহৃত হয়
১০ HTML কমেন্ট এর জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।

খ) HTML ফরমেটিং ট্যাগ
ক্রমিক নং ট্যাগ বর্ণনা
০১ সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশে ব্যবহৃত হয়
০২ যোগাযাগের ঠিকানার জন্য তৈরি বিশেষ ফন্টের জন্য
০৩ লেখা বোল্ড করে
০৪ টেক্সট ডিরেকশনকে ওভাররাইড করে
০৫ অন্য কারো কথাকে (উক্তি) চিহ্নিত করার জন্য
০৬ টাইটেল প্রকাশ করে
০৭ বিভিন্ন কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজের কোডকে আলাদা করে প্রকাশ করে
০৮ ডিলিট, অর্থাৎ লেখার উপর দিয়ে একটি দাগ (Strikethrough) দেয়ার জন্য
০৯ নির্দিষ্ট টার্মকে প্রকাশ করে যা ওই কন্টেন্টের সাথে কানেক্টেড
১০ লেখাকে এম্ফাসাইজড করে
১১ লেখাকে ইটালিক করে
১২ নতুন করে ইনসার্ট করা হয়েছে বুঝায়
১৩ কীবোর্ড ইনপুটকে আলাদা করে
১৪ কোনো লেখাকে আলাদাভাবে হাইলাইট করে
১৫ পরিচিত রেঞ্জে স্কেলার এককের পরিমাপ বুঝাতে ব্যবহৃত হয়
১৬ প্রিফরমেটেড টেক্সট বুঝায়
১৭ কোনো প্রজেক্ট/টাস্কের অগ্রগতি বুঝায়
১৮ ছোট উক্তি বুঝায়
১৯ যে ব্রাউজার রুবি অ্যানোশন সাপোর্ট করে না সেই ব্রাউজারে কি শো হবে তা ডিফাইন করে দেয়
২০ বর্ণের ব্যাখ্যা
২১ পূর্ব এশীয় টাইপোগ্রাফি
২২ ভুল হয়েছে বুঝাতে ব্যবহৃত হয়
২৩ স্যাম্পল আউটপুট
২৪ ছোট টেক্সট
২৫ গুরুত্বপূর্ণ টেক্সট
২৬ সাবস্ক্রিপ্টেড, অর্থাৎ পানির সংকেতের ২ কে নিচে পাঠানো
২৭ সুপারস্ক্রিপ্ট। যা দিয়ে স্কোয়ার, কিউব ইত্যাদি দেয়া হয়
২৮ পেজ লোড হওয়াকালীন যে কন্টেইনার দেখাবে তা
২৯ তারিখ, সময়
৩০ আন্ডারলাইন
৩১ ভেরিয়েবল নির্দেশ করে
৩২ সম্ভাব্য লাইন ব্রেক বুঝায়

গ) ফ্রেমস:
ক্রমিক নং ট্যাগ বর্ণনা
০১ অন্য কোনো ওয়েবসাইটকে বা কোনো অংশকে এই ওয়েবপেজে নির্দিষ্ট ফ্রেমে বন্দি করে শো করাতে ব্যবহৃত হয়

ঘ) ফর্মসহ অন্যান্য ইনপুট:
ক্রমিক নং ট্যাগ বর্ণনা
০১ ফর্ম বুঝায়
০২ ইনপুট কন্ট্রোল
০৩ কোনো কাজ/হিসাবের আউটপুট নির্দেশ করে
০৪ ড্রপ ডাউন লিস্টের কোনো অপশন বুঝায়
০৫ একই ধরনের অপশনকে বুঝায়
০৬ ইনপুট ইলেমেন্টের লেবেল নির্ধারণ করে দেয়
০৭ ক্লিক করে কোনো কাজ সম্পাদন যোগ্য বাটন যোগ করে
০৮ বড় আকারের টেক্সট ইনপুট নিতে ব্যবহৃত
০৯ ড্রপ ডাউন লিস্টের জন্য ব্যবহৃত
১০ একই গ্রুপ সম্পর্কিত তথ্যাদিকে একটি বর্ডারে রাখা
১১ ফিল্ডসেটের একটি নাম উল্লেখ করতে ব্যবহৃত।

ঙ) অডিও এবং ভিডিও:
ক্রমিক নং ট্যাগ বর্ণনা
০১ ভিডিও ফাইল যুক্ত করে
০২ অডিও ফাইল যুক্ত করে (নির্দিষ্ট ফরমেটের)
০৩ একাধীক মিডিয়া রিসোর্স বুঝাতে ব্যবহার করা হয়

চ) ছবি ও ইমেজ:
ক্রমিক নং ট্যাগ বর্ণনা
০১ ছবি যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়
০২ সেলফ কন্টেইন্ড কন্টেন্ট আলাদা করতে
০৩ একাধীক ইমেজ একসাথে
০৪ SVG ফরমেটের গ্রাফিক্স/ছবি যুক্ত করতে
০৫ ফিগারের ক্যাপশন দিতে ব্যবহার করা হয়

ছ) হাইপারলিংক:
ক্রমিক নং ট্যাগ বর্ণনা
০১ হাইপারলিংক নির্দেশ করে
০২ একটি ডকুমেন্টের সাথে অন্য ডকুমেন্ট যুক্ত করতে, বিশেষ করে HTML এর সাথে CSS ইত্যাদি যুক্ত করে থাকে
০৩ ন্যাভিগেশন লিংক বুঝায়

জ) লিস্ট বা তালিকা:
ক্রমিক নং ট্যাগ বর্ণনা
০১ আন-অর্ডার লিস্ট শুরু করে, যেমন বুলেট পয়েন্টার দিয়ে
০২ অর্ডারড লিস্ট (সংখ্যা বা বর্ণ দিয়ে শুরু) বুঝায়
০৩ লিস্টের আইটেম গুলো এই ট্যাগের মধ্যে থাকে
০৪ ডিসক্রিপশন লিস্ট বুঝায়
০৫ ডিসক্রিপশন লিস্টের নাম দিতে
০৬ ডিসক্রিপশনের নামের ডিসক্রিপশন দিতে

ঝ) টেবিল:
ক্রমিক নং ট্যাগ বর্ণনা
০১ টেবিল নির্দেশক
০২ টেবিলের ক্যাপশন দেয়
০৩ হেডার দেয় রো এর
০৪ টেবিলের সারি নির্দেশ করে
০৫ টেবিল ডেটা
০৬ টেবিলের হেডার কন্টেন্ট
০৭ ফুটার কন্টেন্ট
০৮ কলাম

ঞ) স্টাইল এবং সিমেন্টিক:
ক্রমিক নং ট্যাগ বর্ণনা
০১ ইন্টারনাল সিএসএস যুক্ত করতে। (সিএসএস কি জানতে এখানে ক্লিক করুন)
০২ একটি আলাদা সেকশন বুঝায় ( ও একই)
০৩ এবং এর মতোই
০৪ ডকুমেন্টের হেডার সেকশন বুঝায়
০৫ ফুটার সেকশন আলাদা করতে
০৬ মূল কন্টেন্টের সেকশন
০৭ এর মতোই
০৮ আর্টিকেল বুঝায়

ট) প্রোগ্রামিং:
ক্রমিক নং ট্যাগ বর্ণনা
০১ জাভাস্ক্রিপ্ট ফাংশন যোগ করে
০২ স্ক্রিপ্ট সাপোর্ট না করলে তার ব্যাকআপ
০৩ HTML না এমন এপ্লিকেশন যোগ করতে ব্যবহার করা হয়

ঠ) মেটা ট্যাগ সমূহ:
ক্রমিক নং ট্যাগ বর্ণনা
০১ ডিসক্রিপশন সহ অন্যান্য মেটা ডেটা যুক্ত করে ডকুমেন্টে
০২ মূল লিংককে আলাদা করে

ড) অন্যান্য ফাইল যুক্ত করা:
ক্রমিক নং ট্যাগ বর্ণনা
০১ সিএসএস টাইপ ফাইল যুক্ত করে
০২ Js টাইপ ফাইল যুক্ত করে

ঢ) HTML 5 এ সাপোর্ট করে না এমন ট্যাগ:
ক্রমিক নং ট্যাগ বর্ণনা
০১ এম্বেডেড এপলেটকে বুঝায়
০২ ডিফল্ট কিছু ব্যাপার সেট করতে ব্যবহৃত
০৩ ডিরেক্টরি লিস্ট ডিফাইন করে
০৪ ফ্রেমসেটে ফ্রেম নির্দেশ করে
০৫ কেটে দেয়া হয়েছে এমন দাগের জন্য
০৬ লেখাকে মাঝে আনতে
০৭ লেখাকে বড় করতে

HTML এ ব্যবহৃত প্রায় কিছু সংখ্যক খুবই গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরির সকল ট্যাগ নিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়েছে।অনেক ট্যাগ রয়েছে যা এখনো এখানে লেখা হয় নি। কোনো এক সময় বাকি ট্যগ গুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে ইন-শাল্লাহ কিছু সংখ্যক কম গুরুত্বপূর্ণ এবং হাই কোয়ালেটি ট্যাগ গুলো বাদ দিয়েছি। ভুল ত্রুটি কিছু থেকে থাকলেও থাকতে পারে তাই ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন কারন মানুষ বলতে ভুলোময় জাতীয় সাধারন জীব ও অসাধারণ কার্যসাধন প্রকৃতিগত আশ্চর্য জনক এক প্রানী।

এগুলো সম্পর্কে যেকোনো প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট বক্সে বা In-box করে ফেলতে পারেন নির্দ্বিধায়।সময় হলে reply দেওয়ার চেষ্টা করবো।

MRCPN

MRCPN 'Assalamu' Alaikum Warahmatullahi Wabarakatuh.চলো নতুন কিছু করি, নতুন কিছু শিখি, নতুন ভাবে চলি

01/05/2023

এইচটিএমএল, বাংলা টেক্সট, টেবিলের, ব্যাকগ্রাউন্ড,কালার কোড ইত্যাদি এর ব্যাবহার চলুন শিখে নেই... #পর্ব_০১

এইচটিএমএল রঙগুলি পূর্বনির্ধারিত রঙের নাম দিয়ে বা RGB, HEX, HSL, RGBA, বা HSLA মানগুলির সাথে নির্দিষ্ট করা হয়।

HTML এ, একটি রঙের নাম ব্যবহার করে একটি রঙ নির্দিষ্ট করা যেতে পারে:

bgcolor এট্রিবিউট টি বিশেষভাবে ওয়েব পেজ এবং টেবিলের ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ন্ত্রন করে। Bgcolor এট্রিবিউট টিকে অনেক এইচটিএমএল ট্যাগ এর মধ্যে ব্যাবহার করা যায় তবে সবচেয়ে ভাল হয় এবং ট্যাগ এর মধ্যে ব্যাবহার করলে। অতিরিক্ত হিসাবে ব্যাকগ্রাউন্ড স্টাইল করতে চাইলে সিএসএস ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে লেখা হলো:

গঠন:
(01) এইচটিএমএল কালার কোড এর ব্যবহার:

এইচটিএমএল এ যেকোন এলিমেন্ট এর রং সেট করার তিনটি পদ্ধতি আছে। ১. রংয়ের নাম দিয়ে, ২. রংয়ের RGB মান দিয়ে এবং ৩. রংয়ের হেক্সাডেসিমাল মান দিয়ে।

১. রংয়ের নাম দিয়ে

আপনি সরাসরি রংয়ের নাম ব্যবহার করে একটা এইচটিএমএল এলিমেন্টে রং দিতে পারেন। সাধারন কিছু কালার যেমন black, white, red ইত্যাদি। এইচটিএমএল এ কালার value লেখার সময় সরাসরি এদের নাম লেখা হয়। নিচে ১৬টি মৌলিক কালারের নাম লেখা হল।

(০১) কালো Black
(০২) ধূসর Gray
(০৩) সিলভার Silver
(০৪) সাদা White
(০৫) হলুদ Yellow
(০৬) চুন Lime
(০৭) অ্যাকোয়া Aqua
(০৮) ফুচিয়া Fuchsia
(০৯) লাল Red
(১০) সবুজ Green
(১১) নীল Blue
(১২) বেগুনি Purple
(১৩) মেরুন Maroon
(১৪) অলিভ Olive
(১৫) নেভি Navy
(১৬) টিল Teal



২. RGB মান মান দিয়ে

আমি আপনাদেরকে নিরাপদ web design এর জন্য HTML rgb ব্যবহারের পরামর্শ দেব না কারন Non-IE browser, HTML rgb সাপোর্ট করে না। আপনারা যদি CSS শিখতে চান তাহলে আপনাদের উচিত এই বিষয় সম্বন্ধে জানা।

Red, Green এবং Blue এই তিনটি কালারের সমষ্টি হচ্ছে rgb । প্রত্যেকের মান ০(যখন কোন কালার থাকে না) হতে ২৫৫(যখন ঐ কালারটি সম্পুর্ন থাকে)। rgb ফরমেটটি হল rgb(RED,GREEN,BLUE)।

bgcolor="rgb(255,255,255)"
bgcolor="rgb(255,0,0)"
bgcolor="rgb(0,255,0)"
bgcolor="rgb(0,0,255)"



(02)টেবিলের ব্যাকগ্রাউন্ড এ কালার যোগ করা :
একত্রে ব্যাকগ্রাউন্ড color এবং font color এর ব্যবহার:




HTML কালার টিউটোরিয়াল | MRCPN


* {
margin:0;
padding:0;
border:0;
}
body{
font-family: 'CharuChandan3D', Arial, sans-serif !important;
font-size:30px;
}






বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দেশ
আমরা রূপালী হতে এই অনুচ্ছেদের পটভূমি সেট. বডি ট্যাগ হল যেখানে আপনি পেজ ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করেন। আপনার HTML-এ পটভূমির রং যোগ করার বিষয়ে আরও জানতে পাঠটি চালিয়ে যান না!

টমেটো
কমলা
DodgerBlue
মাঝারি সমুদ্রসবুজ
ধূসর
স্লেট নীল
বেগুনি
হালকা ধূসর

টেবিলের ব্যাকগ্রাউন্ড এ কালার যোগ করা :


এই সারিটি হলুদ!
এই সারিটি ধূসর!
এই সারিটি হলুদ!
এই সারিটি ধূসর!
এই সারিটি হলুদ!
এই সারিটি ধূসর!


একত্রে ব্যাকগ্রাউন্ড color এবং font color:



গ্রিন বে
13

নিউ ইংল্যান্ড
27







এই অনুচ্ছেদ ট্যাগ আছে...








MRCPN

01/05/2023

HTML গণিত প্রতীক, গণিত সত্তা এবং ASCIIMath ক্যারেক্টার কোড রেফারেন্স...

#পর্ব_০১

আপনার হয়তো সাধারন ভাবে কিছু বা অনেক গণিত অঙ্ক করছেন? এটি একটি HTML প্লাস চিহ্ন বা বিয়োগ চিহ্নের সাথে এতটা ওতটা কঠিন বিষয় ছিলো না যা Html মাধ্যমে লিখার মাধ্যমে অনেক জটিল এবং কঠিন অপারেশন মতো মনে হয়?। এবার যোগ,বিয়োগ গুণ এবং ভাগের চিহ্নের জন্য HTML চিহ্ন এবং ASCII অক্ষর গুলো পান, চিহ্নের চেয়ে বড় এবং কম, সমান চিহ্ন, সমান চিহ্ন নয় এবং আরও অনেক কিছু। আরো ডিজিটাল ডিজাইন কন্টেন্ট খুঁজছেন? সাম্প্রতিক টিউটোরিয়াল, কৌশল এবং প্রযুক্তির জন্য এর পেশাদার ডিজাইনারদের ব্লগ ,ভিডিও টিউটোরিয়াল ইত্যাদি দেখুন এবং প্রতিয়িয়ত নতুন নতুন অভিজ্ঞা বাড়ান। চলুন এবার মূল কাজে আসা যাক...

PLUS SIGN ( + )

U+0002B ( UNICODE )

& ; ( HEX CODE )

& #43; ( HTML CODE )

+ ( HTML ENTITY )

\002B

.. ... ...

MINUS SIGN ( -)

U+02212 ( UNICODE )

& ; ( HEX CODE )

& #8722; ( HTML CODE )

− ( HTML ENTITY)

\2212

.. ... ...

MULTIPLICATION SIGN ( × )

U+000D7 ( UNICODE )

& ; ( HEX CODE )

& #215; ( HTML CODE )

× ( HTML ENTITY )

\00D7

.. ... ...

DIVISION SIGN ( ÷ )

U+000F7 ( UNICODE )

& ; ( HEX CODE )

& #247; ( HTML CODE )

÷ ( HTML ENTITY )

\00F7

.. ... ...

EQUAL SIGN ( = )

U+0003D ( UNICODE )

& ; ( HEX CODE )

& #61; ( HTML CODE )

= ( HTML ENTITY )

\003D

.. ... ...

NOT EQUAL TO SIGN ( ≠ )

U+02260 ( UNICODE )

& ; ( HEX CODE )

& #8800; ( HTML CODE )

≠ ( HTML ENTITY )

\2260

MRCPN

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

মাতুয়াইল, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২
Dhaka
1362