মারকাযুল কুরআন লিল বানাত

মারকাযুল কুরআন লিল বানাত

Share

ইলম ও আমলের সমন্বয়ে একটি আদর্শ মহিলা মাদরাসা

মারকাযুল কুরআন লিল বানাত মাদ্রাসা!

মারকাযুল কুরআন লিল বানাত মাদ্রাসা বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য গুণগত ইসলামী শিক্ষা প্রদানে মৌলিক। আমাদের সংস্থা আল্লাহর কলমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং আমরা কুরআন এবং ইসলামী শিক্ষার গভীর বুঝে মেয়েদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মারকাযুল কুরআন লিল বানাত মাদ্রাসা, আমরা একটি সম্পূর্ণ শিক্ষা কার্যক্রম প্রদান করি যা ঐতিহাসিক ইসলামী অধ্যয়নের সাথে আধুনিক শিক্ষার

03/12/2025

এখানেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 🤍
বর্তমানে এটি লাইব্রেরী হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।

02/12/2025

গুনাহের প্রতি অন্তরে অনীহা বিদ্যমান থাকা, আল্লাহ তাআলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেয়ামত ও রহমত।

01/12/2025

আমাদের কুরআনের পাখিরা।

29/11/2025

প্রথমে নিজের জীবনে শরীয়াহ কায়েম করতে হবে, অতঃপর মানুষকে আহ্বান করতে হবে।

25/11/2025

🎯 প্রিয় অভিভাবক, আপনি কি আপনার কন্যা সন্তানের দ্বীনি শিক্ষা নিয়ে চিন্তিত❓
👉 কারণ মেয়েদের যুগোপযোগী মানসম্পন্ন দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা খুবই কম❗

👉 তাই আপনার কন্যা সন্তানের কথা চিন্তা করে চৌধুরীপাড়ায় (মাটির মসজিদ এলাকায়) আমরা গড়ে তুলেছি একটি আদর্শ মহিলা মাদরাসা।

📌 যেটা পরিচালিত হয় শুধু মাত্র নারী উস্তাযাদের মাধ্যমে, যেখানে আপনি পাবেন ইলম ও আমলের সমন্বয়, ইলম অনুযায়ী আমলের বাস্তবায়ন।

☞ একটি ছাত্রী মাদরাসা বোর্ডে পরীক্ষা দিয়ে সেই একজনও বোর্ডে সিরিয়ালে আসার রেকর্ড!!

📌 শুধু পড়াশোনায় নয়, আপনার কন্যা সন্তানকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের।

📌 তাই নিশ্চিন্তে আপনার মেয়েকে ভর্তি করাতে পারেন আমাদের প্রতিষ্ঠানে। কারণ কুদূরী, শরহে বেকায়া, হেদায়া এবং মেশকাত জামাতের মেধাবী ছাত্রীদের জন্য রয়েছে বিশেষ স্কলারশীপ ব্যবস্থা।

📌 আমাদেরকে বেছে নিতে পারেন আপনার আদরের কন্যা সন্তানের দ্বীনি শিক্ষার জন্যে কারণ আমাদের এমন কিছু বিশেষত্ত্ব রয়েছে যা আপনি সচরাচর অন্য কোথাও পাবেন না ।

🎯 আমাদের বিভাগসমূহ:

📍 হিফজুল কুরআন ও নাযেরা
📍 নূরানী / মক্তব ( প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণী )
📍 কিতাব বিভাগ ( খুসূসী - মিশকাত )

📌 বিশেষ আকর্ষণ: মাদানী নিসাব প্রথম বর্ষ❗

👉 মহিলা মাদরাসার ছাত্রীদের অধিকাংশ দেখা যায় আরবিতে খুবই দুর্বল থাকে ফলে আরবি কিতাবাদি পড়ার জন্য বাংলা নোটের উপর নির্ভর করতে হয়।

👉 তাই আমরা মাদানী নেসাব প্রথম বর্ষ রেখেছি যাতে ছাত্রীদের আরবি দুর্বলতা দূর হয়ে তারা আরবি কিতাবগুলো কোনো প্রকার বাংলা নোট ছাড়া আরবি ভাষায় পড়তে ও বুঝতে পারে।

🎯 আমাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

✅ শুধুমাত্র নারী উস্তাযাদের মাধ্যমে পরিচালিত।
✅ সার্বক্ষণিক সি সি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
✅ সুন্দর কার্পেটিংয়ের দ্বারা স্বাস্থ্যকর পরিবেশ।
✅ বাচ্চাদের জন্য খেলাধূলার ব্যবস্থা ও সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

✅ ২৪ ঘন্টা ফিল্টারিং করা বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা।
✅ গরীব, মেধাবী ছাত্রীদের জন্য আংশিক স্কলারশীপের ব্যবস্থা।
✅ মাতৃভাষা চর্চার সাথে সাথে আরবী ভাষায় দক্ষতা অর্জনের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ।
✅ অভিজ্ঞ, মেহনতি ও আমলদার উস্তাযাদের মাধ্যমে পাঠদান।
✅ ইলম অনুযায়ী আমলের বাস্তবিক অনুসরণ।

☎️ সার্বিক যোগাযোগ:
মাদরাসা অফিস: 01984944258

🎯 আমাদের মহিলা মাদরাসা সম্পূর্ণ অনাবাসিক❗

24/10/2025

ইসকন এই দেশ থেকে নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত চুপ থাকা উচিত নয়।

Photos from মারকাযুল কুরআন লিল বানাত's post 22/10/2025

বিশ্বের অন্যতম সেরা গোয়েন্দা সংস্থা, ইসরায়েলি শাবাক (Shin Bet), আমেরিকার পূর্ণ সমর্থন এবং সর্বাধুনিক ক্ষমতার ভরসায় এক বিশাল অভিযান শুরু করে। তাদের লক্ষ্য ছিল—ধ্বংসস্তূপ গাজায় এমন এক অদৃশ্য নজরদারির জাল বোনা, যা চিরতরে আল-কাসসাম ব্রিগেডের কার্যকলাপ ট্র্যাক করতে সক্ষম হবে।

সম্পূর্ণ গাজা যখন ওদের দখলে তখন তারা গাজার জমি ও ভবনগুলিতে উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন নজরদারি চিপ (Surveillance Chip) এবং ট্র্যাকিং প্রযুক্তি স্থাপন করে, যা ছিল দূর-দূরান্তের কার্যকলাপ নির্ণয় করার একটি গোপন কেন্দ্র। এই পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে, সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখে সম্পন্ন করা হয়।

কিন্তু, ​কিন্তু আল-কাসসাম ব্রিগেড বিষয়টি আঁচ করতে পারে। তাদের এলিট বাহিনী দূর থেকে পুরো স্থাপনা প্রক্রিয়াটি নীরবে পর্যবেক্ষণ করে। তাদের ধৈর্য ছিল অবিশ্বাস্য—তারা শত্রুকে কোনো বাধা দেয়নি, বরং অপেক্ষা করেছে। শাবাক যেভাবে পরিকল্পনা করেছিল, ঠিক সেভাবেই যখন প্রতিটি সরঞ্জাম স্থাপন করা শেষ হলো, তখনই আসে আল-কাসসামের চূড়ান্ত আঘাত। এক মুহূর্ত দেরি না করে তারা সেই ডিভাইসগুলোর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং সেগুলোকে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন ও নিষ্ক্রিয় করে ফেলে।
​শাবাক চমকে ওঠে। তাদের সর্বশেষ প্রযুক্তি নীরব! যখন যুদ্ধ থেমে যায় এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করে নেয়, তখন এই হাই-টেক ডিভাইসগুলোর অবস্থা অনুসন্ধান করারও আর উপায় থাকে না।

​এরপর আসে আল-কাসসামের 'ছায়া ইউনিট' (Shadow Unit)-এর চরম জবাব। তারা শত্রুর ফেলে যাওয়া সেই প্রযুক্তিই নিজেদের অস্ত্র বানায়। তারা সেই নজরদারি চিপের সংযোগ ব্যবহার করে বন্দীদের তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য ফোন দেয়। শাবাক তখন বিস্ময়ে হতবাক—তাদের চিপগুলো সচল, কিন্তু তা ব্যবহৃত হচ্ছে বন্দীদের কল করার কাজে!

এই ঘটনা ইসরায়েলি গোয়েন্দা মহলে তীব্র বিভ্রান্তি ও হতাশায় নিমজ্জিত করেই তারচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে - বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি এখন আল-কাসসাম ব্রিগেডের হাতে, কার্যত বিনামূল্যে ই।

​আমার কাছে এই ঘটনা আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে 'ব্রেন ওভার ব্রুট ফোর্স' অর্থাৎ পেশিশক্তির ওপর বুদ্ধির বিজয়ের এক ক্লাসিক উদাহরণ। শাবাক-এর ভুল ছিল তাদের প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং প্রতিপক্ষের বুদ্ধিমত্তাকে অবমূল্যায়ন করা। তারা ভুলে গিয়েছিল যে, যারা টিকে থাকার জন্য লড়ে, তাদের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা এবং ধৈর্যের গভীরতা অনেক বেশি হয়।

আল-কাসসামের এই কৌশলটি শুধু একটি সামরিক জয় নয়, এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক বিজয়। শত্রুর অস্ত্রকে তার বিরুদ্ধেই ব্যবহার করা—এটাই হলো চরম রণকৌশল। এই ঘটনা প্রমাণ করে, উন্নত প্রযুক্তি যতই শক্তিশালী হোক না কেন, চূড়ান্ত জয় সবসময়ই আল্লাহর পক্ষ থেকে আল্লাহর বিশেষ বান্দাদের জন্যই নির্ধারিত। আল্লাহ তার বান্দাদের আরও সৃজনশীলতা, ধৈর্য এবং বিচক্ষণ কৌশল দান করেন। যেমন তিনি বলেছেন :

​وَإِن يُرِيدُوا أَن يَخْدَعُوكَ فَإِنَّ حَسْبَكَ اللَّهُ ۚ هُوَ الَّذِي أَيَّدَكَ بِنَصْرِهِ وَبِالْمُؤْمِنِينَ

​আর যদি তারা তোমাকে ধোঁকা দিতে চায়, তবে তোমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। তিনিই তাঁর সাহায্য ও মুমিনদের দ্বারা তোমাকে শক্তিশালী করেছেন।

09/10/2025

আগের এক যুদ্ধবিরতির দিন, সেই ক্ষণিকের শান্ত মুহুর্তে আমাকে বলেছিল তার জ্যাকেট আর বর্ম খুলে দিতে। তারপর ক্লান্ত, কিন্তু যুদ্ধকে ছাপিয়ে যাওয়া এক মুহূর্তের হাসি নিয়ে আমার কাঁধে মাথা রেখে বলেছিল: "অবেশেষে... অবশেষে আমরা বিয়ে করতে চলেছি হালা"
তোমার মুখের সেই হাসি ছিল ধ্বংসস্তূপের মাঝে ফোঁটা এক জোড়া যাইতুন ফুলের মতো।

​আর আজ, যুদ্ধবিরতি আবারও ফিরে এল। কিন্তু যে পথ ধরে তুমি সেদিন এসেছিল, সেই পথ আজ শূন্য।
মুহাম্মদ আর আসেনি। আমার নিঃসঙ্গ কাঁধের পাশে মুহাম্মাদ আর বসবে না।

​এই সুন্দর মুহূর্তে আমার এই ছোট্ট হৃদয় হতে পারতো পরিপূর্ণ, অথচ আজ তা হারানোর ভারে জর্জরিত। এই আমার বিশাল শোক, যা কোনোভাবেই শান্ত হচ্ছে না, হবার নয়, কোনো সান্ত্বনা মানছে না।

তবু ​দয়াময়ের কাছে প্রার্থনা - হে প্রভু, আমাদের জন্য এমন এক আনন্দ লিখে দাও, যা এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়া মানুষগুলোর আত্মার মতো উজ্জ্বল হবে। এমন এক মুক্তি দাও, যা আমাদের এই দীর্ঘ অন্ধকারের প্রহরকে আলোকময় করে তুলবে।

***

যুদ্ধবিরতির নীরব যন্ত্রণা: একটি প্রেম ও শোকের আখ্যান -
লিখেছেন হালা আসফুর। আল-জাজিরার ফটোগ্রাফার মুহাম্মাদ আবু সালামাহ'র বাগদত্তা। সামনের যুদ্ধ বিরতিতে হালাকে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘরে তোলার কথা ছিল। ২৫ আগস্ট খান ইউনিসের নাসার হাসপাতালে নিউজ কাভারের সময় দখলদারের বোমা হামলায় শহীদ হন।

৯ অক্টোবর ২০২৫

09/09/2025

রাশিয়ায় অধ্যয়নরত এক ছাত্র লিখেছেঃ

রাশিয়ায় পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর দেয়া হয় ৫ আর কেউ কোন উত্তর না লিখে সাদা খাতা জমা দিলে তাকে দেয়া হয় ২।
মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিনটিতে আমি পরীক্ষার এই নম্বর পদ্ধতি সম্পর্কে জানতাম না। জেনে অবাক হয়ে ড থিওদর মেদ্রায়েভকে জিজ্ঞেস করি,একজন ছাত্র কিছুই না লিখে ২ পাবে এটা কী যৌক্তিক! তার তো শূন্য পাওয়াটাই সঠিক।

ড মেদ্রায়েভ উত্তর দেন, একজন মানুষ এতো শীতের মধ্যে সকাল সাতটার ক্লাসগুলো ধরতে আরো আগে ঘুম থেকে উঠেছে, গণপরিবহনে চড়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্লাসরুমে পৌছেছে; প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে চেষ্টা করেছে, তাকে কী করে শূন্য দিই!
যে তার রাতগুলোতে পড়ালেখা করেছে, কলম-নোটবুক-কম্পিউটার কিনেছে পড়ালেখার জন্য; জীবন-ধারায় এতো ত্যাগ সাধন করেছে পড়ালেখার জন্য তাকে কী করে শূন্য দিই!

একজন ছাত্র উত্তর লিখতে পারেনি জন্যই তাকে আমরা শূন্য দিতে পারিনা বাবা। আমরা মানুষ হিসেবে তাকে শ্রদ্ধা জানাতে চাই; তার মেধা আছে, সে কমপক্ষে চেষ্টা করেছে। যে ফলাফল আমরা দিই এটা শুধু উত্তরপত্রে লেখা উত্তরের ওপর ভিত্তি করে হতে পারেনা। এই ফলাফল দেয়া হয় তার প্রশংসা করতে আর সে যেহেতু মানুষ সে ন্যুনতম একটা নম্বর পাবার যোগ্য।

এটা শুনে আমি কেঁদেছি; বুঝতে পারিনি কী বলবো। কিন্তু ঐদিন আমি মানুষের গুরুত্ব বুঝতে পারি।

শূন্য নম্বর ছাত্রদের মোটিভেশন কমায়, তাদেরকে শেষ করে দেয়, তারা আর লেখাপড়াকে পছন্দ করতে পারে না।

গ্রেড বুকে শূন্য নম্বর লেখা হলে, ছাত্ররা ঐ বিষয়ের প্রতি আর আগ্রহ বোধ করে না। এই গল্পটা শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলা; তারা যেন নিজ নিজ দেশের শূন্য দেবার বাতিল-জবুথবু শিক্ষা-ব্যবস্থাটাকে বদলাতে চেষ্টা করে।

সংগৃহীত পোস্ট।

08/09/2025

#সমাধান:-
তোমাকে পেরেশান লাগছে?
জ্বি, যে কাজই করি, উল্টো ফল আসে। যেদিকেই পা বাড়াই, একটু পর বুঝতে পারি, উল্টো পথে এসে পড়েছি। কপালটাই মন্দ। ভাগ্যটাই উল্টো।
সিল দেখেছ?
জি।
সিলের লেখা দেখেছ?
জি,
সিলের লেখাগুলো উল্টো করে সাজানো থাকে, জানো তো?
জি।
সেগুলো সোজা করার উপায়? সিল উপুড় হয়ে নিজের মাথাকে কাগজে ঠেকালেই লেখাটা সোজা হয়ে ধরা দেয়। তুমিও উপুড় হয়ে সিজদায় গিয়ে মাটিতে কপাল ঠেকাও। দেখবে কপালের লিখন সোজা হয়ে যাবে। জীবনের লেখাগুলো যত বেশি উল্টো হয়ে ধরা দিবে, ততবেশি উপুড় হয়ে সিজদা দিতে থাকবে। দেখবে, কপালের লেখাগুলো সোজা হয়ে ধরা দিচ্ছে।


|শায়েখ আতিক উল্লাহ হাফি.

29/08/2025

صلى الله عليه وسلم🤍🤍

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

১৪০/৫, বি চৌধুরীপাড়া, মালিবাগ, ঢাকা (মাটির মসজিদের পূর্ব গেইট থেকে একটু ডানে
Dhaka