আপিলের নামে বিচার বিলম্বের দিকে নেওয়া হচ্ছে।
Pori"s Kitchen
আসসালামু আলাইকুম 🌸
আমার পেইজে সবাইকে স্বাগতম!😘⃝🍜❀
(Cooking and Star stories.!! ★🎬)
22/05/2026
একটু হলেও ন্যায় পেলো রামিসা আদলতে টাকা দিয়েও কিনতে পারেনি কোনো আইনজীবী কে আলহামদুলিল্লাহ সবাই যদি রুখে দাঁড়ায় কারো সার্ধ নেই রামিসার ন্যায় বিচার কে থামায়!
22/05/2026
তাহলে কি আর বিচার হবে না!?
রামিসার বোড় বোনের দাইক্ত নিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,, যে বিচার আইনের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সেখানে যদি সত্যি সব সময় ন্যায় বিচার হতো তাহলে আর রামিসার হ'ত্যা'র বিচার চাইতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পায়ে লুটিয়ে পড়তেন না রামিসার বাবা তাহলে এতো মানব বন্ধন হতো না এতো মানুষ থানায় গিয়ে আসামি কে তাদের হাতে তুলে দিতে বলতো না!
তাহলে হয়তো আর বিচার হবে না আপনারা কি মনে করেন আসিয়ার মতো রামিসার মামলাও ঝুলবে কিছু দিন পর তাকেও সবাই ভুলে যাবে........?
#রামিসা #ধর্ষন
এই সেই রুম যেখানে রামিসা কে ধর্ষ'ণে'র পর হ'ত্যা করা হয়।
21/05/2026
ধ'র্ষণ ও হ'ত্যা'র পর রামিসার খণ্ডিত দে'হ একত্রে করার ছবি গোপন সূত্রে পাওয়া গেছে এই জঘন্য হত্যাকান্ড ঘটানোর পরেও খু'নির মুখে উল্লাসের হাঁসি!
তাহলে এবার বোঝেন এদের জন্য আ'ই'ন হাতে তুলে নেওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই কারন এরা ভালো করে জানে বাংলাদেশের আইনে ধ'র্ষ'নের বিচার হয় না জামিনে বের হয়ে আরো ধ'র্ষন করা যায়!😡
যে কারনে রামিসার লা'স মিলাতে পুলিশ ও হিমসিম খেয়েছে।
21/05/2026
ধর্ষক কে যে ভাবে জামাই আদর করে নেওয়া হচ্ছে তাতে কি কখনো ধর্ষন থামবে?
ধর্ষক নিজে খু'ন ও ধর্ষনের দায় শিকার করেছে তাহলে কিসের ভিত্তি তে ধর্ষক কে এতো প্রোটেকশন দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে?
একটা শিশু মেয়ে একটা হায়নার লালসার শিকার হয়ে প্রাণ হারালো তখন কই ছিলো পুলিশের প্রোটেকশন?
আসামি কে ছিনিয়ে নিতে থানা দখল।
#রামিসা
21/05/2026
সেদিন যদি আসিয়ার ধর্ষণের বিচার হতো তাহলে আজ রামিসা বেঁচে থাকতো যে দেশে ধর্ষকের পক্ষে উকিল পাওয়া যায় সে দেশে আপনার মেয়ে কতোটা নিরাপদ?
#রামিসা #ধর্ষন #আছিয়া
শকুনের নজর ট্যার পেয়ে ছিলো রামিসা।
20/05/2026
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না নিজের ঘরের একটি কক্ষে ঘুমাচ্ছিলেন। তখন সোহেল বাইরে থেকে ওই কক্ষের সিটকিনি লাগিয়ে দেন।
এরপর রামিসাকে জোর করে ফ্ল্যাটের ভেতরে ধরে নিয়ে আসেন সোহেল ও তার এক সহযোগী। শিশুটি চিৎকার করতে চাইলে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে বাথরুমের ভেতরে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে হত্যা করা হয়।
পুলিশ জানায়, হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে গুম করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল খুনিরা। ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির মাথা শরীর থেকে আলাদা করে একটি বালতিতে রাখা হয়। এ ছাড়া তার দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
এরপরে ও এই নির্মম হত্যার বিচার দ্রুত কার্যকর হবে বলে মনে হয় না আসামিকে হ্যামলেট পরিয়ে এতো জামাই আপ্যায়ন কিসের আসামি ধরা পরার পর তার সাথে এমন ব্যাবহার করা উচিত যাতে এই ধরনের ধর্ষকদের পুলিশের নাম মনে পরলেই গা ঠান্ডা হয়ে যায়। 😡
Click here to claim your Sponsored Listing.