পবিত্র কুরআনের অযুঃ
সূরা আল-মায়েদা ৫:৬
১| মুখ ধৌত করা
২| কনুই পর্যন্ত দুইহাত ধৌত করা
৩| মাথা মাসেহ করা
৪| টাকনু পর্যন্ত পা ধৌত করা
As-Sajdah ৩২:২২
আর তার চেয়ে বড় যালিম আর কে, যাকে স্বীয় রবের আয়াতসমূহের মাধ্যমে উপদেশ দেয়ার পর তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। নিশ্চয় আমি অপরাধীদের কাছ থেকে প্রতিশোধ গ্রহণকারী।
ইউনুস ১০:১৫ٍ
আমি আমার প্রতিপালকের অবাধ্যতা করলে এক অতি বড় বিভীষিকার দিনে আমি শাস্তির ভয় করি’’।
"তোমাদের নিকট সুস্পষ্ট হুকুম পৌঁছার পরেও যদি তোমাদের পদস্খলন ঘটে তবে জেনে রেখ, নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রান্ত, প্রজ্ঞাময়।"
(QS. Al-Baqarah 2: Verse 209)
হুকুম বা কর্তৃত্বের মালিকানা আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে নেই। তিনিই সত্যকথা বর্ণনা করেন, আর তিনিই সর্বোত্তম ফায়সালাকারী।"
(QS. Al-An'am 6: Verse 57)
জেনে রেখ, সৃষ্টি তাঁর, হুকুমও (চলবে) তাঁর, বরকতময় আল্লাহ বিশ্বজগতের প্রতিপালক।"
(QS. Al-A'raf 7: Verse 54)
আল্লাহ হুকুম দেন, তাঁর হুকুম পেছনে ঠেলে দেবে এমন কেউ নেই। হিসেব গ্রহণের ব্যাপারে তিনি খুবই দ্রুতগতি।"
(QS. Ar-Ra'd 13: Verse 41)
আল-আন‘আম ৬:৫০
বল, আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ধন-ভান্ডার আছে, আর আমি অদৃশ্যের খবরও জানি না। আর আমি তোমাদেরকে এ কথাও বলি না যে, আমি ফেরেশতা, আমার প্রতি যা অবতীর্ণ করা হয় তাছাড়া (অন্য কিছুর) আমি অনুসরণ করি না। বল, অন্ধ আর চোখওয়ালা কি সমান, তোমরা কি চিন্তা করে দেখ না?
আল-আ‘রাফ ৭:২০৩
যখন তুমি তাদের কাছে কোন নিদর্শন হাজির কর না, তখন তারা বলে, তুমি নিজেই একটা নিদর্শন বেছে নাও না কেন? 👉বল, ‘আমার প্রতিপালকের পক্ষ হতে আমার প্রতি যা ওয়াহী করা হয় আমি তো তারই অনুসরণ করি। এটা তোমাদের রবেবর পক্ষ হতে মু’মিন সম্প্রদায়ের জন্য উজ্জ্বল আলো, হিদায়াত ও রহমত।’
ইউনুস ১০:১৫ٍ
যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াতগুলো তাদের কাছে পঠিত হয়, তখন যারা আমার সাক্ষাতের আশা রাখে না তারা বলে, ‘এটা বাদে অন্য আরেকটা কুরআন আন কিংবা ওটাকে বদলাও’। বল, ‘‘আমার নিজের ইচ্ছেমত ওটা বদলানো আমার কাজ নয়, আমার কাছে যা ওয়াহী করা হয় আমি কেবল সেটারই অনুসরণ করে থাকি। আমি আমার প্রতিপালকের অবাধ্যতা করলে এক অতি বড় বিভীষিকার দিনে আমি শাস্তির ভয় করি’’।
আল-ফুরকান ২৫:৩০
রসূল বলবে- ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার জাতির লোকেরা এ কুরআনকে পরিত্যক্ত গণ্য করেছিল।’
The islam bangla
Education
Aal-e-Imran ৩:৯২
যতক্ষণ না তোমরা তোমাদের পছন্দের জিনিস থেকে ব্যয় করবে ততক্ষণ তোমরা পুণ্যের নাগাল পাবে না। আর তোমরা যা কিছু ব্যয় করো আল্লাহ তা ভাল করে জানেন।
Aal-e-Imran 3:92
Never will you attain the good [reward][1] until you spend [in the way of Allāh] from that which you love. And whatever you spend - indeed, Allāh is Knowing of it.
Aal-e-Imran ৩:৯১
যারা কুফরি করে এবং কাফের অবস্থায় মারা যায় তাদের কেউ যদি মুক্তিপণস্বরূপ পুরো পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণও দেয় তবু তা গ্রহণ করা হবে না। তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি (নির্ধারিত) রয়েছে। আর তাদের কোন সাহায্যকারী নেই।
13/05/2024
6 SHOCKING SCIENTIFIC MIRACLES IN THE QURAN Produced By One Islam Productions------------------------------------------------------------------------------------The ONE ISLAM TV APP is now available on...
07/05/2024
♦️পবিত্র কুরআনে আগুন তৈরীর মিরাকল তথ্য। আগুন তৈরীর মূল উপাদান অক্সিজেন, আর অক্সিজেন তৈরী হয় সবুজ গাছ থেকে। বিস্তারিত নিচ থেকে পড়ে নিন।
Ya Sin ৩৬:৮০
He who made for you from the green tree, fire, and then from it you ignite.
যিনি তোমাদের জন্য সবুজ গাছ থেকে আগুন উৎপন্ন করেন; তখন তা থেকে তোমরা (আগুন) জ্বালাও।
🛑আগুন
আগুন দ্রুত প্রজ্জ্বলনশীল পদার্থের রাসায়নিক বিক্রিয়াবিশেষ। এটি তাপোৎপাদী, দহন বিক্রিয়ায় পদার্থের দ্রুত জারণ প্রক্রিয়া। এতে উত্তাপ, আলো সহ বহুবিধ রাসায়নিক উৎপাদ সৃষ্টি হয়।[১][টীকা ১] আগুন গরম, কারণ আণবিক অক্সিজেন, O2, এর দুর্বল দ্বি-বন্ধন, দহন বিক্রিয়ার উৎপাদ কার্বন ডাই অক্সাইড ও [জল] দৃঢ় বন্ধনে রূপান্তরের সময় শক্তি উৎপাদন করে (প্রতি ৩২ গ্রাম O2 থেকে ৪১৮ kJ শক্তি); জ্বালানির বন্ধন শক্তি এখানে খুব সামান্যই ভূমিকা পালন করে।[২] দহন বিক্রিয়ার একটি নির্দিষ্ট বিন্দু বা জ্বলনাঙ্কে পৌছালে অগ্নিশিখা উৎপন্ন হয়। শিখা হলো আগুনের দৃশ্যমান অংশ।
🛑অগ্নিশিখা মূলত কার্বন ডাই অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন নিয়ে গঠিত। যথেষ্ট উত্তপ্ত হলে, গ্যাস আয়নিত হয়ে প্লাজমা উৎপাদন করতে পারে।[৩] প্রজ্জ্বলিত পদার্থের উপাদান এবং অপদ্রব্যের উপস্থিতির ভিত্তিতে শিখার রং এবং আগুনের তীব্রতা ভিন্ন হয়।
🛑অক্সিজেন
অক্সিজেন (IPA: /ˈɒksɪdʒən/) বা অম্লজান একটি রাসায়নিক মৌল, (এর প্রতীক O এবং পারমাণবিক সংখ্যা ৮ ও নিউট্রন সংখ্যা ৮)। অক্সিজেন শব্দটি দুইটি গ্রিক শব্দ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে: οξύς অক্সুস্ ("অম্ল") এবং -γενής -গেন্যাস্ ("উৎপাদক", "জনক")। অষ্টাদশ শতাব্দীতে বিজ্ঞানী অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে অম্লজান নামটি নির্দিষ্ট করেন। কারণ তখন মনে করা হতো সকল অম্লের মধ্যে অম্লজান বিদ্যমান থাকে, যা ভুল ছিল। অক্সিজেনের যোজ্যতা সাধারণত ২। এই মৌলটি অন্যান্য মৌলের সাথে সাধারণত সমযোজী বা আয়নিক বন্ধন দ্বারা যৌগ গঠন করে থাকে। অম্লজান গঠিত সাধারণ কিছু মৌলের উদাহরণ দেয়া যেতে পারে: পানি (H2O), বালি (SiO2, সিলিকা) এবং আয়রন অক্সাইড (Fe2O3)। দ্বিপরমাণুক অম্লজান বায়ুর প্রধান দুইটি উপাদানের একটি।
🛑উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার সময় এই মৌলটি উৎপন্ন হয় এবং এটি সকল জীবের (উদ্ভিদ ও প্রাণীর) শ্বসনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।
🛑সালোকসংশ্লেষণ🛑
সালোকসংশ্লেষণ শব্দটি দুটি গ্রিক শব্দ photos (অর্থ: আলোক; এখানে সূর্যালোক) ও synthesis (অর্থ: সংশ্লেষণ, বা তৈরি করা) এর সমন্বয়ে গঠিত।[১][২][৩] আবার সালোকসংশ্লেষণ কথাটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়,সালোক শব্দটির অর্থ হলো--সূর্যালোকের উপস্থিতি এবং সংশ্লেষণ শব্দটির অর্থ—কোনো কিছু উৎপাদিত হওয়া। এক কথায় সালোকসংশ্লেষণ এর অর্থ দাঁড়ায় সূর্যালোকের উপস্থিতিতে রাসায়নিক সংশ্লেষ। যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ কোষে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে, পরিবেশের বায়ুমণ্ডল থেকে গৃহীত কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) ও মূল দ্বারা শোষিত জলের বিক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্যের সংশ্লেষ ঘটে এবং গৃহীত কার্বন ডাইঅক্সাইডের সমপরিমাণ অক্সিজেন (O₂)প্রকৃতিতে নির্গত হয়, তাকে সালোকসংশ্লেষণ বলে। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার উপজাত হল অক্সিজেন।
🛑এই প্রক্রিয়ায় সজীব উদ্ভিদকোষে উপস্থিত ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক আলোকশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং তা উৎপন্ন শর্করাজাতীয় খাদ্যের মধ্যে স্থিতিশক্তি রূপে সঞ্চিত রাখে। এই শক্তি পরবর্তীকালে স্বভোজী উদ্ভিদ দ্বারা অথবা শাকাহারী প্রাণীদের গৌণ পুষ্টিতে সাহায্য করে। সবুজ উদ্ভিদ ছাড়া কিছু জীবাণু এবং কিছু আদ্যপ্রাণীর মধ্যেও এই প্রক্রিয়া পরিদৃষ্ট হয়। এরকম কিছু জীবাণু, আদ্যপ্রাণী ও ক্লোরোফিল যুক্ত সজীব কোষে (উদ্ভিদ) শারীরবৃত্তিয় জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের উপস্থিতিতে, পরিবেশ থেকে গৃহীত কার্বন ডাই অক্সাইড ও মূলরোম দ্বারা শোষিত জলের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সরল শর্করা জাতীয় খাদ্য উৎপন্ন হয় ও কার্বন ডাই অক্সাইডের সমপরিমান অক্সিজেন উৎপন্ন হয়ে সৌরশক্তির আবদ্ধ ঘটার মাধ্যমে সালোকসংশ্লেষণ সম্পূর্ণ হয়। উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ দিনের বেলা ঘটে।
31/01/2024
ঈমানের রুকনসমূহ ও ঈমান-ইসলামের তুলনামূলক আলোচনা। আজোকে আমরা এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যেটিকে আল্লাহ আমল কবুল হওয়ার এবং জান্নাতে প্রবেশ করার শর্ত নির্ধারণ করে.....
শয়তানকে মোকাবেলার দোয়া
আউযু বিল্লাহি মিনাশ শায়ত্বানির রাজীম
আমি আল্লাহর আশ্রয় চাইছি বিতাড়িত শয়তান হতে । মানুষের শত্রু শয়তান
মানুষের আজন্ম শত্রু শয়তান। তার অপর নাম ইবলিস। মানব সৃষ্টির আদিতে আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের বললেন: আমি পৃথিবীতে আমার প্রতিনিধি পাঠাতে চাই। ফেরেশতারা তাতে আপত্তি জানাল। বলল: প্ৰভু হে! আমরা তো সারাক্ষণ তোমার পবিত্রতা বর্ণনা ও গুণগানে নিয়োজিত। আবার কেন মানুষকে পাঠাবে, যারা সেখানে খুন খারাবি করবে। ইতোপূর্বে পৃথিবীতে জ্বিনদের বসতি ও দৌরাত্ম্য ছিল। তারা ঝগড়া ফ্যাসাদ, খুনাখুনিতে লিপ্ত ছিল। তাই তাদের বিতাড়িত করা হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে ফেরেশতারা আপত্তি জানিয়েছিল মানব সৃষ্টির ব্যাপারে। আল্লাহ তাআলা তাদের জবাবে বললেন: মানব সৃষ্টির আসল রহস্য আমি জানি, যা তোমরা জান না। বিশাল মজলিসে পরীক্ষা নেয় হল প্রথম মানব আদম (আ) আর ফেরেশতাদের। সে পরীক্ষা জ্ঞানের। আল্লাহ বললেন: এগুলোর নাম ও স্বরূপ বল। আদম সবকিছু ঠিক-ঠিক বলে দিলেন। ফেরেশতারা অজ্ঞতা, অপারগতা প্রকাশ করে পূর্বের আপত্তির জন্য ক্ষমা চাইল।
অহংকার তার সর্বনাশ ঘটাল
আল্লাহ তাআলা হুকুম দিলেন, তোমরা সবাই আদমকে সিজদা কর। আদেশের সাথে সাথে ফেরেশতারা সবাই আদমকে সিজদা করল। কিন্তু তাদের মধ্যকার একজন করল না। তার নাম ছিল ইবলিস। জানা গেল ইবলিস আসলে ফেরেশতা নয়, সে ছিল জ্বিন জাতির। ফ্যসাদ আর খুনাখুনির কারণে জ্বিনদের ভূভাগ হতে বিতাড়িত করার সময় সে কৌশলে ফেরেশতাদের দলে ভিড়ে মস্ত বুযুর্গ হয়ে গিয়েছিল।
বলা হয়, পৃথিবীর বুকে এমন কোন মাটি নাই, যেখানে ইবলিস আল্লাহকে সিজদা করে নি; কিন্তু গর্ব ও অহংকার তাকে শেষ করে দিল। ফেরেশতারা ছিল নূর বা জ্যোতির তৈরি আর জ্বিন ও ইবলিস আগুনের তৈরি। আল্লাহ ইবলিসের কাছে জানতে চাইলেন- কিহে! তুমি আদমকে সিজদা করলে না কেন? সে তখন যুক্তির জাল বিস্তার করল। বলল, আদম মাটির তৈরি, তার ধর্ম নিম্নগামী হওয়া, মাটিতে সিজদায় মাথা ঠেকানো তার জন্য মানায়। আমি আগুনের তৈরি। আমি সবসময় উর্ধগামী। আমার মাথা নত হতে পারে না। তোমার নির্দেশ যথাস্থানে থাক। তোমাকে ছাড়া আর কাউকে আমি সিজদা করতে পারি না। এভাবে 'আমি আমি'র ফাঁদে পড়ে ইবলিস আল্লাহর আদেশ অমান্য করল। আল্লাহ বললেন, এখন থেকে তুমি আমার সান্নিধ্য হতে বিতাড়িত-রজীম। শয়তান কিন্তু নাছোড়বান্দা। বলল: প্রভুহে! এই আদমের কারণে তুমি আমাকে জীবনভরের দুর্দশায় নিক্ষেপ করলে। আমি তোমার কাছে একটি অবকাশ চাই। আমি একা জাহান্নামে যাব, তা হবে না। আমি আদম সন্তানকেও সাথে নিয়ে জাহান্নাম ভরতে চাই। আদমের রক্ত প্রবাহে চলাচল করার শক্তি চাই, ক্ষমতা চাই, যাতে আমার অনুগামী করে তাদের বিভ্রান্ত করা যায়। আল্লাহ পাক বললেন: যাও, তোমাকে তাই দেয়া হল। তোমার যারা অনুসরণ করবে তাদের নিয়ে আমি জাহান্নাম ভর্তি করব, তবে যারা আমার একনিষ্ঠ মুখলেস বান্দা তাদের কোন ক্ষতি তুমি করতে পারবে না। জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাতে তারা আমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করবে, আমি আশ্রয় দেব, তখন তুমি তাদের পথহারা
করতে পারবে না ।
জ্ঞান বৃদ্ধির দোয়া
رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا
রব্বি যিদনী ইলমা
হে আমার রব! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।
এই দোয়া সূরা তোয়াহা-এর ১১৪ নং আয়াতের একটি অংশ। আল্লাহ পাক এখানে স্বয়ং নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দোয়াটি পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এর দ্বারা উম্মতের জন্য শিক্ষা হল, জ্ঞান আহরণের জন্য চেষ্টা ও সাধনার সাথে সাথে আল্লাহর কাছ থেকে সাহায্য চাইতে হবে। কেননা, তিনিই সকল জ্ঞানের আধার ।
দ্বিতীয়ত, জ্ঞান বিমুখ হয়ে থাকার কোন সুযোগ মুসলমানের জন্য নাই । কারণ, জ্ঞান ও পড়াশোনা মুসলমানদের রক্ত-মাংসের সাথে মিশ্রিত। তাদের ধর্মগ্রন্থ কুরআনের শাব্দিক অর্থ 'পঠন'। জিব্রাঈল (আ) প্রথম যখন কুরআনের বাণী হযরতের কাছে অবতীর্ণ করেন, তখনকার প্রথম শব্দটি ছিল, 'ইকরা'- *পড়ুন আপনার প্রভুর নামে। ইসলামের বিভিন্ন ইবাদত-বন্দেগী সঠিকভাবে পালন করতে হলেও জ্ঞানের দরকার। এ জন্যেই জ্ঞানার্জন প্রত্যেক মুসলমান নরনারীর ওপর ফরয।
আরো লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, যে জ্ঞান মহান প্রভুর নামে, সে জ্ঞানই দামী। যে জ্ঞানের সম্পর্ক আপন প্রভুর সাথে বা জীবন ও জগৎ আর এই পৃথিবীতে আল্লাহর নির্দেশিত দায়িত্বের সাথে সম্পর্কিত হবে না, শেষ পরিণতির বিচারে সে জ্ঞানের কোন দাম নাই। বস্তুত সর্বাবস্থায় প্রতিটি মু'মিনের কামনা ও দোয়া হতে হবে 'হে আমার রব (আল্লাহ)! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন ।
- (সূরা তোয়াহা : ১১৪ )
ঈমানদার যুবক ও আছহাবুল উখদূদের কাহিনী
পবিত্র কুরআন এবং হাদিসের দোয়া #২
হযরত আদম আলাইহিস সালাম আল্লাহর কাছে যেই দু'আ করেছিলেন।
সূরা হুমাযাহ বাংলা তাফসীর ১০৪. 104 shurah humazah, tafsir ibn kathir.
Click here to claim your Sponsored Listing.