14/04/2026
TikTok · রাসেল চাঁদপুরের ছেলে 210 likes, 22 comments. Check out রাসেল চাঁদপুরের ছেলে’s video.
আইন সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। শিক্ষার জন্য এসো, সেবার জন্য বেড়িয়ে যাও।
14/04/2026
TikTok · রাসেল চাঁদপুরের ছেলে 210 likes, 22 comments. Check out রাসেল চাঁদপুরের ছেলে’s video.
TikTok · 🍒তোমাগো_taekookie_আফা🍒 454 likes, 31 comments. “ ゚viral You Bangladesh”
27/03/2025
অধ্যাপক ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের গতোকালের ভাষণ যারা শুনেননি এবং যারা আসন্ন লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন, তাদের জন্য তুলে ধরা হলো:-
📺অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ:-
১. সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর জানুয়ারি মাসেই কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং ৭% বৃদ্ধি পেয়েছে।
২. রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩%।
৩. বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) প্রত্যাবর্তন আইন সংশোধনের মাধ্যমে জটিলতা নিরসনে কাজ করছে।
৪. আগামী মাসে ৪ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন আয়োজন করা হবে, যেখানে বিশ্বখ্যাত ডিপি ওয়ার্ল্ড, সিঙ্গাপুর পিএসএ ও এপি মোলার-মার্স্ক কয়েক বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব দিয়েছে।
৫. জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ৪৭টি আলাদা ইভেন্টে অংশগ্রহণ করা হয়, যেখানে বিভিন্ন সরকার প্রধান ও বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছেন।
📺আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতি:-
৬. সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা ইস্যু শীগ্রই সমাধান হবে।
৭. আরব আমিরাত বাংলাদেশের শিল্প খাতের উন্নয়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং দুটি প্রকল্প নিয়ে কাজ শুরু করবে।
👉মুসলিম বিশ্বের জন্য হালাল মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা।
👉মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা। নতুন সমুদ্র বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণেও আগ্রহ দেখিয়েছে।
৮. বাংলাদেশ আসিয়ান সদস্যপদ লাভের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আসিয়ানের বর্তমান সভাপতি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ইতোমধ্যে ড. ইউনুসকে মালয়েশিয়ায় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মালয়েশিয়া রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য জাতিসংঘে সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে এবং বাংলাদেশি শ্রমিকদের সমস্যা দ্রুত সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
৯. চীন সফরে চীনা প্রেসিডেন্ট, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল ও বিশ্বের বৃহত্তম সৌর বিদ্যুৎ কোম্পানি লংজি বাংলাদেশের জন্য কারখানা স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এছাড়া প্রযুক্তি ও চিকিৎসা খাতে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের মৌসুমি ফল দ্রুত রপ্তানি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
📺অবকাঠামো ও জ্বালানি খাত:-
১০. দক্ষিণ এশীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের মাধ্যমে সমুদ্র ও বিদ্যুৎ খাতকে শক্তিশালী করা হবে। নেপাল ও ভুটান বাংলাদেশকে জলবিদ্যুৎ সরবরাহে আগ্রহী, যা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনবে।
১১. দুর্নীতি রোধে সর্বোচ্চ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। সরকারি অফিসে ই-ফাইলিং এবং অনলাইন সেবা সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে নাগরিকরা সরাসরি ই-মেইলের মাধ্যমে মতামত দিতে পারেন।
১২. মধ্যপ্রাচ্যের এয়ার টিকিটের দাম ৭৫% কমিয়ে আনা হয়েছে।
১৩. ভূমি সংক্রান্ত সকল সেবা অনলাইনে রূপান্তরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
📺ধর্ম ও নাগরিক জীবন:-
১৪. হাজিদের হজযাত্রা সহজ করতে রিয়েল-টাইম অ্যাপ চালু করা হয়েছে, যেখানে থাকবে:-
👉প্রয়োজনীয় দোয়ার রিমাইন্ডার।
👉পথনির্দেশনা।
👉অনলাইন ডাক্তার পরামর্শ।
👉প্রতিটি পবিত্র স্থানের ইতিহাস ও ছবি।
👉কল সেন্টার সাপোর্ট।
১৫. স্টারলিংক প্রযুক্তি চালু হলে ভবিষ্যতে কোনো সরকার ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।
১৬. সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত আলোচনা জুলাই মাসে প্রকাশ করা হবে, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল কী চায় তা বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।
১৭. ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে ডিএনএ ল্যাব স্থাপন করা হবে।
১৮. তরুণদের জন্য সৃজনশীল উৎসব সারা বছর ধরে চলবে, যাতে গ্রাম থেকে শহরে সৃজনশীলতা প্রসারিত হয় এবং প্রতিভাবানদের স্বীকৃতি দেওয়া যায়।
📺সমাপ্তি
ড. ইউনুস তার বক্তব্যের শেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন এবং জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন—
👉সব ধর্ম-বর্ণের নাগরিক অধিকার রক্ষা করতে হবে।
👉শবে কদরের রাতে দেশের জন্য দোয়া করতে বলেছেন।
👉ঈদে আত্মীয়-স্বজনের কবর জিয়ারত ও গরিব আত্মীয়দের খোঁজ নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
👉ঈদের জামাতে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
(তথ্য জনস্বার্থে: সংগৃহীত ও পরিমার্জিত)
প্রশ্নঃ- মলম পার্টির শাস্তি দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে এবং এর শাস্তি কি?
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আইনজীবী তালিকাভুক্ত লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য রইল দোয়া ও শুভ কামনা।
08/09/2022
আইনজীবী তালিকাভুক্তি লিখিত পরিক্ষা ১৭ তারিখ হবে এটা কনফার্ম। সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা অবধি চলবে। সকলের জন্য শুভকামনা রইল।
Bangladesh Bar Council Canons of Professional Conduct and Etiquette/ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তীতা সংক্রান্ত ৪টি অধ্যায় আছেঃ
১ম অধ্যায়ঃ অন্য আইনজীবীর সাথে আচরণ
২য় অধ্যায়ঃ মক্কেলের সাথে আচরণ
৩য় অধ্যায়ঃ আদালতের প্রতি কর্তব্য
৪র্থ অধ্যায়ঃ জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব/ কর্তব্য।
১ম অধ্যায়:
অন্য আইনজীবীর সাথে অসদাচরণ
১। পেশার মর্যাদা সমুন্নত রাখা । [বিধি-১]
২। বিজ্ঞাপন দিতে পারবে না তবে পেশাগত কার্ড, ব্যক্তিগত প্রকাশনা, নাম ফলক ডায়রি জারি করতে বাধা নেই। [বিধি ২]
৩। একজন আইনজীবী অন্য কোন ব্যক্তিকে আইন পেশা পরিচালনা করার অনুমতি বা পারিশ্রমিক প্রদান করবে না। [বিধি ৩]
৪। প্রতিপক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে প্রতিপক্ষের মক্কেলের সাথে পূর্ব সম্মতি ছাড়া আলাপ আলোচনা করবে না/পরিহার করবে। [বিধি-৪]
৫। প্রতিপক্ষ আইনজীবীর অনুপস্থিতি বিচারকের নিকট মামলা সম্পর্কিত তথ্য কোন বিষয়বস্তু, যুক্তি তর্ক পেশ করবে না। [বিধি-৫ ]
৬। মক্কেল অতিরিক্ত আইনজীবী নিয়োগ দিতে চাইলে বাধা দিবেন এটা আস্থার বিশ্বাসের অভাব বলে গণ্য হবে না। [বিধি-৬]
৭। ব্যক্তিগত সমস্যা/ বিবাদ/ ঝামেলা পরিহার/ বাদ দিতে হবে। [বিধি-৭]
৮। বন্টন নীতিমালাতে যেরূপ আছে ঐ ভাবে আইন সহায়তার জন্য ফিস নিতে পারবে। এবং তার ফিস অন্য কোন ব্যক্তির সাথে বন্টিত বা ভাগ বাটোয়ারা হবে না। [বিধি-৮]
৯। শাসনতান্ত্রিক প্রথা ও কার্যক্রম অনুসারে এাটনী ও অ্যাডভোকেট জেনারেলের কার্যাবলী প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্তির বিধান মতে এই কার্যাবলীর আদেশ সম্মুন্নত রাখা আইনজীবীর কর্তব্য। [বিধি-৯]
১০। জুনিয়র এবং নবীন আইনজীবীর সর্বদা সিনিয়র এবং প্রবীন বা জেষ্ঠ্য আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে। [বিধি-১০]
১১। একের অধিক আইনজীবী থাকলে জেষ্ঠ্য আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন। [বিধি-১১]
২য় অধ্যায়:
মক্কেল এর সাথে সম্পর্ক
১। মামলার বিষয়বস্তু বা মামলার স্বার্থের প্রতি নজর দিবেনা/আসক্ত হবে না। [বিধি ১]
২। পূর্বে যদি মক্কেলের পক্ষে মামলা করে থাকে কোন আইনজীবী পরবর্তীতে তার বিপক্ষে মামলা পরিচালনা করবে না। [বিধি ২]
৩। বিবাদীর সাথে বা মামলার বিষয়বস্তুতে স্বার্থ থাকলে মকেলকে প্রকাশ করতে হবে।[বিধি ৩]
৪। উভয়পক্ষে মামলা পরিচালনা করতে পারবে না। [বিধি ৪]
৫। মামলার বিষয়বস্তু আইনজীবী ক্রয় করতে পারবে না। [বিধি ৫]
৬। নিজের সম্পত্তির সাথে মক্কেলের সম্পত্তি মিশ্রন/মিলিয়ে ফেলা যাবে না। [বিধি ৬]
৭। যতক্ষণ পর্যন্ত মামলার জন্য বাদী বা বিবাদী তাকে নিয়োগ দিবে ততক্ষণ পর্যন্ত মামলা সম্পর্কে বাদী বা বিবাদীকে পরামর্শ দিবে না। [বিধি ৭]
৮। কোনরূপ আইনভঙ্গের পরামর্শ দিবে না [বিধি ৮]
৯। অভিযুক্ত আসামির পক্ষে মামলা প্রতিদ্বন্দিতা করা আইনজীবীর অধিকার। [বিধি ৯]
১০। সঠিক পারপ্রিমিক গ্রহণ করতে হবে কোন আইনজীবী অনুরোধ করলে বিবেচনা করতে হবে এবং আইনজীবীর বিধবা স্ত্রী বা এতিম সন্তানদের সকল আইনজীবী বিনা ফিসে সহায়তা দিবে। [বিধি ১০]
১১ । আইনজীবী তার ক্ষতিপূরণ আদায়ে বিরোধ করবে না। [বিধি ১১]
১২। মক্কেলের সম্পর্কে ব্যক্তিগত বিশ্বাস বর্ণনা করবে না। [বিধি ১২]
১৩। যদি কোন আইনজীবী মক্কেলের মামলায় সাক্ষী হলে সেই মামলার দায়িত্ব অন্য আইনজীবীর উপর ছেড়ে/অৰ্পণ করতে হবে। তবে সাক্ষ্য যদি দলিল/ জিম্মাদার বিষয়ে হয় তাহলে নিজেই মামলা চালাতে পারবে। [বিধি ১৩]
১৪। মক্কেলের কোন ক্ষতি বা অবিচার না হলে কোন বিশেষ দিনে মামলা পরিচালনার জন্য প্রতিপক্ষ আইনজীবীকে বাধ্য করা যাবে না। [বিধি ১৪]
৩য় অধ্যায়:
আদালতের প্রতি কর্তব্য
১। আদালতে ভদ্ৰভাবে উপস্থিত হওয়া। [বিধি ১]
২। মামলার বিরুদ্ধে যেতে পারে এমন বিষয়ে কাউকে উপদেশ না দেওয়া [বিধি ২]
৩। ভুল তথ্য বা ভুলব্যাখ্যা/অপব্যাখ্যা পরিহার করা। [বিধি ৩]
৪ বিচারক ও বারের কর্মকর্তার সাথে সুসম্পর্ক বাজায় রাখা । [বিধি ৪]
৫। সরকারি আইনজীবী হলে তার প্রধান/ প্রথম দায়িত্ব ন্যায় বিচারে সহায়তা করা, শুধুমাত্র অভিযুক্তকে শাস্তি দেওয়া না। [বিধি ৫]
৬। মামলা সম্পর্কে পত্রিকাতে খবর প্রকাশ না করা। [বিধি ৬]
৭।আইনজীবী চেষ্টা করবেন বিচারক নির্বাচনে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করা। [বিধি ৭]
৮। আদালতে সময়মত উপস্থিত হওয়া। [বিধি ৮]
৯। কোন পক্ষের আইনজীবীর অবর্তমানে বিচারক অন্যকে আইনজীবীর মতামত চাইলে তিনি নিরপেক্ষভাবে তার মতামত প্রদান করা। [বিধি ৯]
৪র্থ অধ্যায়:
জনগণের প্রতি দায়িত্ব
১। মামলা বিলম্ব বা কাউকে হয়রানি করার জন্য মক্কেল আইনজীবী নিয়োগ দিবে না।[বিধি-১]
২। বিরূদ্ধ পক্ষের সাক্ষী বা পক্ষের সাথে সর্বদা ভালো ব্যবহার করতে হবে। [বিধি-২]
৩। কাউকে হয়রানি বা ক্ষতি না করা। [বিধি-৩]
৪। পরামর্শ প্রদান বা আইনজীবী হিসাবে দায়িত্ব পালনে বাধ্যবাধকতা থাকবে। [বিধি ৪]
৫। আইনজীবী মামলা গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করার অধিকার থাকবে। [বিধি ৫]
৬। কোন পাবলিক অফিসার, বোর্ড, কমিটি বা সংস্থার নিকট পেশাগত দায়িত্বে উপস্থিত হলে, তিনি তার পরিচয় এবং যার জন্য হাজির হবেন তার নাম বা স্বার্থ প্রকাশ করবেন।[বিধি ৬]
৭। বিচারক হিসেবে যদি কোন বিষয়ে আগেই অবগত হয়ে থাকেন তাহলে আইনজীবী হিসাবে উক্ত মামলার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না। [বিধি ৭]
৮। অন্য কোন ব্যবসা, চাকুরী বা অন্য পেশার সাথে বেতনভুক্ত হিসেবে জড়িত হবে না।
বিধি বিধানসমূহ মেনে চলা একজন আইনজীবীর আবশ্যকীয় কর্তব্য, যা মান্য করা/ মেনে চলা পেশাগত সদাচরণ। যদি মান্য না করেন তাহলে অসাদাচরণ হবে। [বিধি ৮]
(বিঃদ্রঃ উপরোক্ত প্রতিটি অধ্যায়ের সকল বিধিসমুহের বিষয়বস্তু অবশ্যই বিস্তারিত পড়ে নিবেন)
এক নজরে সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ঃ-
১) সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালের ১ নং আইন।
২) সাক্ষ্য আইন পাশ হয় ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ।
৩) সাক্ষ্য আইন কার্যকর হয় ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে।
৪) সাক্ষ্য আইন পদ্ধতিগত আইন।
৫) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করেন স্যার জেমস স্টিফেন।
৬) সাক্ষ্য আইনের মোট ধারা ১৬৭টি।
৭) মোট অংশ ৩টি
৮) মোট অধ্যায় ১১টি।
৯) সাক্ষ্য আইনের ৩ধারা অনুসারে সাক্ষ্য বলতে বুঝানো হয়েছে, বচার কার্যের জন্য কোন বিষয় সম্পর্কে, সাক্ষির যে বিবৃতি প্রদান করার জন্য বা যে সকল দলিল আদালতে উপস্থাপন করার জন্য, আদালত অনুমতি প্রদান করে তাকেই বুঝানো হয়েছে। সাক্ষ্য প্রধানত দু প্রকার, যথাঃ
ক) মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence)
খ) দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary Evidence)
ধারাঃ ১- সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।
ধারাঃ ৩-ব্যাখ্যা অনুচ্ছেদ (Interpretation Clause )- ঘটনা, প্রাসঙ্গিক বিষয়, বিচার্য বিশয়/ঘটনা, দলিল,
সাক্ষ্য, প্রমানিত, মিথ্যা প্রমানিত, প্রমানিত নয়।
ধারাঃ ৪- অনুমান (Presumtion)
ক) অনুমান করতে পারে (May Presume)
খ) অনুমান করবে ( Shall Presume)
গ) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof)
ধারাঃ ৫- যে সকল বিষয়ে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়-
ক) বিচার্য বিষয়
খ) প্রাসঙ্গিক বিষয়
ধারাঃ ৬- যে সকল ঘটনা একই কাজের অংশ সেগুলো প্রাসঙ্গিক (Res Gestae)
ধারাঃ ৭- ঘটনার উপলক্ষ, কারণ যা ঘটনার তথ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৮- উদ্দেশ্য/ আচরণ/বিদ্বেষ/প্রস্তুতি (Motive/Malice/Preparation) প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৯- প্রাসঙ্গিক তথ্য ব্যাখ্যা করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১০- ষড়যন্ত্রকারীর কথা ও কাজ প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১১ – অন্য কোনভাবে প্রাসঙ্গিক নয় সেগুলো যখন প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১২- যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারন করতে সহায়তা করে তা প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১৩- যে সকল ঘটনা অধিকার ও প্রথার সাথে সম্পর্কিত, তা প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১৪- যে সকল বিষয় দ্বারা মানসিক ও শারিরিক অবস্থা ও অনুভূতি প্রকাশ পায় সে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১৬- কার্য পরম্পরার অস্তিত্ব যখন প্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ১৭- স্বীকৃতির সংজ্ঞা/Admission
১) মৌখিক বিবৃতি
২) লিখিত বিবৃতি
#দোষ স্বীকারোক্তি/Confession
১) বিচারিক দোষস্বীকারোক্তি (Judicial Confession)
২) বিচারবহির্ভূত দোষস্বীকারোক্তি (Extra-Judicial Confession)
#সাক্ষ্য আইনের ১৮ থেকে ২০ ধারার মধ্যে কারা স্বীকৃতি প্রদান করতে পারবে সে বিষয়ে উল্লেখ আছেঃ
ধারাঃ ১৮- ক) কার্যবাহের কোন পক্ষ বা তার এজেন্ট কতৃক
খ) প্রতিনিধিত্ব ভুমিকায় মোকদ্দমাকারি কতৃক
গ) বিষয়বস্তুতে স্বার্থানিত পক্ষ কতৃক
ঘ) যার নিকট থেকে স্বার্থের প্রাপ্তি ঘটেছে এমন ব্যক্তি কতৃক
ধারাঃ ১৯- যে ব্যক্তিগনের অধিষ্ঠান মোকদ্দমার কোন পক্ষের বিরুদ্ধে প্রমানিত হওয়া প্রয়োজন তাদের স্বীকৃতি।
ধারাঃ ২০- মোকদ্দমার পক্ষ কতৃক উল্লেখিত ব্যক্তিগন কতৃক স্বীকৃতি।
ধারাঃ ২৩- দেওয়ানী মামলায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ২৪- প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা আদায়কৃত দোষস্বীকারোক্তি ফৌজদারি মামলায় অপ্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ২৫- পুলিশের নিকট দোষস্বীকারোক্তি
ধারাঃ ২৬- পুলিশ হেফাজতে থাকাকালিন প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি
ধারাঃ ২৭- আসামির নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য যতটুকু প্রমাণ করা যেতে পারে।
ধারাঃ ২৮- প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতি অপসারণ করার পর প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ২৯- অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক হলে শুধুমাত্র গোপনীয়তার প্রতিশ্রুতির ফলে অপ্রাসঙ্গিক হবেনা।
ধারাঃ ৩০- একজন অপরাধীর দোষস্বীকারোক্তি যখন অন্য সহ আসামির/অপরাধির বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৩১- প্রমানে বাধা(Estoppel)
#এমন ব্যাক্তি যাদেরকে সাক্ষী হিসেবে তলব করা যায়না
মৃত ব্যক্তি
খুঁজে পাওয়া যায়না এমন ব্যক্তি
সাক্ষ্য দেওয়ার অযোগ্য ব্যক্তি
যে ব্যক্তিকে হাজির করা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ্য
(বিঃদ্রঃ মৃত ব্যক্তির সাক্ষ্য মৃত্যুকালীন ঘোষণার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক)
-----------
ধারাঃ ৩২- প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে মৃত ব্যক্তি/নিখোঁজ ব্যক্তির সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৩২(১) মৃত্যুকালিন ঘোষণা (Dying Declaration)
ধারাঃ ৩৩- কোন মামলায় প্রদত্ত সাক্ষ্যের সত্যতা পরবর্তী মোকদ্দমায় যখন প্রাসঙ্গিক (শর্ত সাপেক্ষে)
ধারাঃ ৩৬- মানচিত্র, রেখাচিত্র ও নকশায় বিবৃতির প্রাসঙ্গিকতা।
ধারাঃ ৩৭- কোন কোন আইনের বা প্রজ্ঞাপনের অন্তর্ভুক্ত সার্বজনিক প্রকৃতির তথ্য সম্পর্কিত বিবৃতির প্রাসঙ্গিকতা।
ধারাঃ ৪০- ২য় মোকদ্দমায় বিচার নিষিদ্ধ করার জন্য পূর্ববর্তি মামলার রায় প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৪১- প্রবেট বিষয়ক ইত্যাদি ক্ষেত্রে রায়ের প্রাসঙ্গিকতা।
#তৃতীয় পক্ষের অভিমত যখন প্রাসঙ্গিকঃ
ধারাঃ ৪৫- বিশেষজ্ঞের মতামত
ধারাঃ ৪৬- বিশেষজ্ঞগণের অভিমতের সাথে তথ্য যখন সম্পর্কযুক্ত হয় তা প্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৪৭- হস্তলিপির সাথে পরিচিত ব্যক্তির অভিমত
ধারাঃ ৪৮- অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিমত
ধারাঃ ৪৯- প্রচলিত রীতিনীতি সম্পর্কে অভিমত
ধারাঃ ৫০- আত্মীয়তা সম্পর্কে অভিমত
#চরিত্র কখন প্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫২- দেয়ানি মামলায় চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫৩- ফৌজদারি মামলায় চরিত্র প্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫৪- ফৌজদারি মামলায় অসচরিত্র প্রাসঙ্গিক/ অপ্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫৫- দেওয়ানী মামলায় বাদির চরিত্রে প্রাসঙ্গিকতা
#যে সকল ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেইঃ
ধারাঃ ৫৬- বিচারকের দৃষ্টিগোচরের ঘটনা
ধারাঃ ৫৭- যে সকল বিষয় আদালতকে বিচারিকভাবে লক্ষ্য করতেই হবে।
ধারাঃ ৫৮- স্বীকৃত ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন নেই।
#মৌখিক সাক্ষ্য বিষয়েঃ
ধারাঃ ৫৯- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা তথ্য প্রমাণ
ধারাঃ ৬০- মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে।
#দালিলিক সাক্ষ্য বিষয়েঃ
দালিলিক সাক্ষ্য বলতে যে সকল দলিল আদালতে পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করার অনুমতি প্রদান করা হয় তাকেই বুঝায়। দালিলিক সাক্ষ্য(Documentary Evidence) দু প্রকার, যথাঃ
প্রাথমিক সাক্ষ্য ( Primary Evidence)
মাধ্যমিক বা গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence)
ধারাঃ ৬১- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ- দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
ধারাঃ ৬২- প্রাথমিক সাক্ষ্য(Primary Evidence)
ধারাঃ ৬৩- মাধ্যমিক বা গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence)
ধারাঃ ৬৪- প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ
ধারাঃ ৬৫- যে ক্ষেত্রে দলিলের বিষয়বস্তু প্রমানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে।
ধারাঃ ৬৬- দলিল উপস্থাপনের নোটিশ
ধারাঃ ৬৮- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত আবশ্যক তা সম্পাদনের প্রমাণ।
ধারাঃ ৬৯- যে ক্ষেত্রে কোন প্রত্যায়ক সাক্ষ্য খুঁজে পাওয়া যায়না সে ক্ষেত্রে প্রমান।
ধারাঃ ৭০- প্রত্যায়িত দলিলে পক্ষ কতৃক নিষ্পাদনের স্বীকৃতি।
ধারাঃ ৭১-প্রত্যায়ক সাক্ষী নিষ্পাদ্ন অস্বীকার করলে তার প্রমাণ।
ধারাঃ ৭৩- সাক্ষর, লিখন বা সিলমোহর অন্য স্বীকৃত বা প্রমানিত সাক্ষর, লিখন বা সীলমোহরের সাথে মেলানো।
#সরকারি/বেসরকারি দলিল প্রসঙ্গেঃ
ধারাঃ ৭৪- সরকারি দলিল
ধারাঃ ৭৫- বেসরকারি দলিল
ধারাঃ ৭৬- সরকারি দলিলের সার্টিফাইড কপি(জাবেদা নকল)
ধারাঃ ৭৭- জাবেদা নকল দ্বারা দলিলের প্রমাণ
ধারাঃ ৭৯- জাবেদা নকলের বিশুদ্ধতা সম্পর্কে অনুমান
ধারাঃ ৮০- সাক্ষ্য হিসেবে দাখিলকৃত দলিল সম্পর্কে অনুমান
ধারাঃ ৮৩- সরকারি কতৃত্বাধিনে প্রনিত নকশা
ধারাঃ ৮৫- আমমোক্তারনামা সম্পর্কে অনুমান
ধারাঃ ৯০- ত্রিশবছরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান
#প্রমানের ভার/ দায়িত্ব বিষয়েঃ
ধারাঃ ১০১- প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০২- প্রমানের দায়িত্ব কার উপর বর্তায়
ধারাঃ ১০৩- কোন নির্দিষ্ট তথ্য প্রমানের দায়িত্ব (Plea of aliv নীতি)
ধারাঃ ১০৪- সাক্ষ্য প্রমাণ করার জন্য যে তথ্য প্রমান করতে হবে তা প্রমাণ করার দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৫- সাধারণ ব্যতিক্রম প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৬- বিশেষভাবে জানা ঘটনা প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৭- ত্রিশ বচর ধরে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৮- সাত বছর ধরে নিখোঁজ ব্যক্তিকে জীবিত প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৯- কতিপয় ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্ক প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১১০- মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১১২- সন্তানের বৈধতা প্রমানের দায়িত্ব/সন্তানের বৈধতার চূড়ান্ত প্রমাণ
ধারাঃ ১১৪- আদালত কতিপ্য ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে
#স্বীকৃতির বাধা সম্পর্কেঃ
ধারাঃ ১১৫- স্বীকৃতির বাধা (Estoppel)- কোন ব্যক্তির, কোন জমিতে স্বত্ব বা কোন কিছুতে কোন অধিকার না থাকার পরেও অন্য কোন ব্যক্তিকে উক্ত স্বত্বের বা অধিকারের বিষয়ে বিশ্বাস অর্জন করিয়ে যদি হস্তান্তর করতে চায় এবং হস্তান্তর করার পুর্বে যদি স্বত্ব অর্জন করে তাহলে সম্পত্তি হস্তান্তর করার সময় উক্ত পুর্বকার স্বত্বহীনতার অজুহাত দিয়ে হস্তান্তর অস্বীকার বা স্থগিত করতে পারবেনা, আর এই নীতিকে বলা হয় স্বীকৃতির বাধা বা Estoppel.
>১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টোপেল নীতির প্রয়োগ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
ধারাঃ ১১৬- সাক্ষ্য আইনের ১১৬ধারা অনুযায়ী দুইটি ক্ষেত্রে এস্টপেল নীতির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে......
ক) ভাড়াটিয়া(Tenant) এবং মালিক (Landlord)
খ) দখলি ব্যক্তির অনুমতিক্রমে অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি(Licensee) এবং অনুমতিদাতা (Licensor)
ধারাঃ১১৭- বিল অফ এক্সচেঞ্জের বা বিনিময় বিলের ক্ষেত্রে এস্টপেল।
#সাক্ষী প্রসঙ্গেঃ
ধারাঃ ১১৮- কে সাক্ষ্য দিতে পারে
ধারাঃ ১১৯- বোবা সাক্ষী
ধারাঃ ১২০- স্বামি বা স্ত্রি সাক্ষি
ধারাঃ ১২১- জজ বা ম্যজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য
ধারাঃ ১২২- স্বামী বা স্ত্রির মধ্যে পত্রালাপ
ধারাঃ ১২৩- রাষ্ট্রীয় বিষয়ে সাক্ষ্য
ধারাঃ ১২৪- সরকারি বার্তায় আদান প্রদান
ধারাঃ ১২৫- অপরাধের সংঘটন সম্পর্কে তথ্য
ধারাঃ ১২৬- পেশা সম্পর্কিত পত্রালাপ
ধারাঃ ১২৮- সেচ্ছায় সাক্ষ্য প্রদান করতে উধ্যত হলে বিশেষাধিকার অধিত্যক্ত হয়না
ধারাঃ ১২৯- আইন উপদেষ্টা
ধারাঃ ১৩০- পক্ষ নয় এরূপ সাক্ষির স্বত্বদলিল উপস্থাপন
ধারাঃ ১৩২- কোন প্রশ্নের উত্তর কোন সাক্ষিকে কোন অপরাধের সাথে জড়িত করবে এজন্য উক্ত সাক্ষিকে উত্তর দান থেকে অব্যাহতি দেওয়া যাবেনা।
ধারাঃ ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী
ধারাঃ ১৩৪- সাক্ষির সংখ্যা
ধারাঃ ১৩৫-সাক্ষীগনের উপস্থাপন ও পরিক্ষনের অনুক্রম
ধারাঃ ১৩৬- বিচারকগন সাক্ষীর গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারন করবেন
ধারাঃ ১৩৭- জবানবন্দী/জেরা/পুনঃজবানবন্দি
ধারাঃ ১৩৮- সাক্ষ্য গ্রহনের ধারাবাহিকতা
ধারাঃ ১৩৯- যে ব্যক্তিকে কোন দলিল উপস্থাপন করার জন্য তলব করা হয়েছে তার জেরা
ধারাঃ ১৪০- চরিত্র সম্পর্কে
ধারাঃ ১৪১- ইঙ্গিতপুর্ন প্রশ্ন (Leading Question)
ধারাঃ ১৪২- যে ক্ষেত্রে ইঙ্গিতবাহি প্রশ্ন করা যাবেনা
ধারাঃ ১৪৩- যে ক্ষেত্রে ইঙ্গিতবাহি প্রশ্ন করা যাবে।
ধারাঃ ১৪৪- লিখিত বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য
ধারাঃ ১৪৫- পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি সম্পর্কে জেরা
ধারাঃ ১৪৬- জেরায় যে ধরনের প্রশ্ন আইনসম্মত করা যাবে
ধারাঃ ১৪৭- কখন সাক্ষিকে উত্তর দিতে বাধ্য করা যাবে
ধারাঃ ১৪৮-কখন প্রশ্ন করা এবং কখন সাক্ষিকে উত্তর দিতে বাধ্য করা যাবে তা আদালত কতৃক নির্ধারিত হবে
ধারাঃ ১৪৯- প্রশ্ন যুক্তিসংগত হেতু ব্যতীত করা যাবেনা
ধারাঃ ১৫০-যুক্তিসঙ্গত হেতু ব্যতীত প্রশ্ন করলে আদালতের করনীয় বা প্রকক্রিয়া
ধারাঃ ১৫১- অশালিন ও কুৎসাজনক প্রশ্ন
ধারাঃ ১৫২-অপমান কিংবা উত্যক্তমূলক প্রশ্ন
ধারাঃ ১৫৩-সত্যবাদিতা পরিক্ষা করার জন্য প্রশ্নের উত্তর খণ্ডন করতে সাক্ষ্যের পরিবর্জন
ধারাঃ ১৫৪- নিজের সাক্ষিকে প্রশ্ন করা
ধারাঃ ১৫৫- সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ
ধারাঃ ১৫৯- স্মৃতি পুরুজ্জিবিত করা
ধারাঃ ১৬১- স্মৃতি পুরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে বিরুদ্ধপক্ষের অধিকার
ধারাঃ ১৬২- দলিলের উপস্থাপন/দলিলের অনুবাদ
ধারাঃ ১৬৫- বিচারক কতৃক প্রশ্ন কিংবা কিছু দাখিলের আদেশ
#এক নজরে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
১) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ১৮৭৭ সালের ১নং আইন।
২) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কার্যকর হয় ১৮৭৭ সালের ১লা মে।
৩) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন হল বিষয়ভিত্তিক/প্রতিকারমুলক আইন (Substantive law)
৪) এই আইনের ৫৭ টি ধারা
৫) এই আইন ৩টি খণ্ড, ১০টি অধ্যায়ে বর্ণিত।
ধারাঃ ৫- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় ৫টি উপায়ে।
>সম্পত্তির দখল গ্রহন ও তার দাবিদারকে সম্পত্তি অর্পনের মাধ্যমে।
>সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দানের মাধ্যমে/যা করার বিষয়ে বাধ্যবাধকতা আছে, তেমন কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে।
>নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে অর্থাৎ যা না করার আইনগত বাধ্যবাধকতা আছে তা না করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে।
>ক্ষতিপূরণের রায় প্রদান ব্যতীত অন্য প্রকারে পক্ষসমুহের অধিকার নির্ণয় ও ঘোষণার মাধ্যমে।
>রিসভার নিয়োগের মাধ্যমে।
ধারাঃ ৬- প্রতিরোধমূলক/ নিরোধক প্রতিকার
ধারাঃ ৭- দণ্ডমূলক আইন কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা যায়না।
ধারাঃ ৮- সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখল পুরুদ্ধার (স্বত্বসহ দখল পুনুরুদ্ধার/ মামলা করার সময়সীমা ১২ বছর)
ধারাঃ ৯- স্থাবর সম্পত্তির দখল পুরুদ্ধার (স্বত্বছাড়া শুধু দখল পুনুরুদ্ধার/মামলা করার সময়সীমা ৬ মাস)
ধারাঃ ১০- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি পুনুরুদ্ধার।
ধারাঃ ১২- ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যায়। (অদ্য ধারার প্রয়োগ আদালতের সেচ্ছাধিন ক্ষমতা)
>চুক্তিভুক্ত কাজ ট্রাষ্টের অন্তর্ভুক্ত হলে।
>যে ক্ষেত্রে সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করলে ক্ষতির মানদণ্ড নির্ণয় করা যায়না।
>যেক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া যায়না।
>আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
ধারাঃ ১৩- চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিক বিলুপ্ত হলে চুক্তিটি সম্পূর্ণরুপে বাস্তবায়নের অযোগ্য হবেনা বা চুক্তি অনুযায়ী কাজ করা পুরোপুরি অসম্ভব হবেনা।
ধারাঃ ১৪- চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন, যেখানে অসম্পাদিত অংশ ছোট।
ধারাঃ ১৫- চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন, যেখানে অসম্পাদিত অংশ বড়।
ধারাঃ ১৬- চুক্তির স্বতন্ত্র অংশের সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদন।
ধারাঃ ১৭- এমন কোন চুক্তি যা উপরোক্ত ১৪, ১৫, এবং ১৬ ধারার আওতায় পড়েনা, সেসবক্ষেত্রে চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার যায়না।
ধারাঃ ১৮-ত্রুটিপুর্ন স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার।
ধারাঃ ১৯- চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যথেষ্ট না হলে ক্ষতিপূরণের আদেশ।
ধারাঃ ২০- খেসারত পরিশোধ সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে বাধা নহে।
ধারাঃ ২১- যেসব ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন সম্ভব নয়:
>যে চুক্তির কার্যসম্পাদন না করলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়।
>যে চুক্তি জটিলতার কারণে সম্পাদন অযোগ্য হয়।
>চুক্তির শর্তাবলি ত্রুটিযুক্ত ও অযৌক্তিক হলে।
>চুক্তির প্রকৃতি শুরু থেকেই বাতিলযোগ্য হলে।
>ট্রাস্টি কতৃক কৃত এমন চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা লঙ্ঘন করে করা হয়েছে।
>ক্ষমতা বহির্ভূত চুক্তি
>যে চুক্তি সম্পাদনে ৩বছরের বেশি সময় কাজ করতে হবে।
>যে চুক্তির বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগেই বিলুপ্তি ঘটেছে।
ধারাঃ ২১ক- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদন করা যাবেনা। (ধারাটি সংযোজিত করা হয়েছে ২০০৪ সালে/ কার্যকর করা হয়েছে ১লা জুলাই, ২০০৫ সাল থেকে)
ধারাঃ ২২- চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ আদালতের ইচ্ছাধিন ক্ষমতা তবে এটি স্বেচ্ছাচারিতা হবেনা বরং সুষম, যুক্তিসংগত বিচার বিভাগিয় মূলনীতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং আপীল আদালত কতৃক সংশোধনযোগ্য।
ধারাঃ ২৩- চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার প্রদান যাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
ধারাঃ ২৪- চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকারের আবেদন যারা করতে পারবেনা।
ধারাঃ ২৭- চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করা যায় যাদের বিরুদ্ধে।
ধারাঃ ২৮- চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করা যায় না যাদের বিরুদ্ধে।
ধারাঃ ২৯- চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলা খারিজ হলে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবেনা।
ধারাঃ ৩১- দলিল সংশোধন (তামাদির মেয়াদ ৩ বছর, অনুঃ ৯৫, ৯৬)
ধারাঃ ৩২- পক্ষসমুহের ইচ্ছা সম্বন্ধে অনুমান।
ধারাঃ ৩৩-সংশোধন সম্বন্ধীয় মুলনিতিসমুহ।
ধারাঃ ৩৪- সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর।
ধারাঃ ৩৫- বিচারপুর্বক চুক্তি রদ।
ধারাঃ ৩৬- লিখিত চুক্তি শুধুমাত্র ভুলের জন্য সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা যায়না।
ধারাঃ ৩৭- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বিকল্প হিসেবে চুক্তি রদ।
ধারাঃ ৩৮- চুক্তি বাতিল হলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের প্রতিকার।
ধারাঃ ৩৯- দলিল বাতিল ( দলিল রদ বা বাতিল করার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর, অনুচ্ছেদ ৯১)।
ধারাঃ ৪০- দলিল আংশিক বাতিল বা আংশিক সংশোধন
ধারাঃ ৪১- দলিল বাতিলকারি পক্ষ কতৃক ক্ষতিপূরণ প্রদান
ধারাঃ ৪২- ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
বাদির আইনগত পরিচয়
সম্পত্তিতে বাদির কোন অধিকার বিষয়ে
ধারাঃ ৪৩- ঘোষণার ফলাফল।
ধারাঃ ৪৪- রিসিভার নিয়োগ
ধারাঃ ৫২- প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর
ধারাঃ ৫৩- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ধারাঃ ৫৪- চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়/ যেসব ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়
ধারাঃ ৫৫- বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
ধারাঃ ৫৬- নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান (১১টি ক্ষেত্রে)
ধারাঃ ৫৭- নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞা
ধন্যবাদ
এখন আর শুধুমাত্র ১২ ডিজিটের টিআইএন (TIN) কপি জমা দিলেই হবে না,আয়,ব্যয়,বিনিয়োগ,ব্যবসা, স্হাবর ও অস্হাবর সম্পদের হিসাব সম্বলিত আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে বাধ্যতামূলক।
...….................................................................
২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে টিআইএন (TIN) জমার পাশাপাশি সেসব সুবিধা নিতে আপনাকে অবশ্যই আয়কর রিটার্ন জমার প্রাপ্তিস্বীকার পত্র (Acknowledgement Slip) / আয়কর প্রত্যয়ন সনদ জমা দিতে হবেঃ
১. সঞ্চয়পত্র ক্রয়: পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্রর ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণ দেখাতে হবে। যেখানে তিনি সঞ্চয়পত্র কেনার আবেদন করবেন, সেখানেই রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দিতে হবে।
২. ব্যাংক ঋণ: কোন ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি ঋণ নেয়ার আবেদন করলে আয়কর রিটার্নের প্রমাণপত্র দিতে হবে।
৩. ব্যাংকে জমা: ব্যাংক জমার সুদ আয় থেকে উৎস কর কর্তনে টিআইএন সনদ থাকলে ১০ শতাংশ কাটা হয়ে থাকে। না থাকলে ১৫ শতাংশ কাটা হয়। এখন থেকে টিআইএনের পরিবর্ততে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। তাহলেই তিনি ওই সুবিধা পাবেন। না হলে বেশি উৎস কর দিতে হবে।
৪. জমি-ফ্ল্যাট ক্রয়: সিটি কর্পোরেশন, জেলা সদরের পৌর এলাকা অথবা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ১০ লাখ টাকা বেশি মূল্যের জমি বা ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি, বিক্রি, দলিল হস্তান্তর, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে হলে এতদিন শুধুমাত্র টিআইএন সার্টিফিকেট জমা দিতে হতো। কিন্তু এখন থেকে ক্রেতাকে রেজিস্ট্রি অফিসে রিটার্ন জমার স্লিপ বা সনদ জমা দিতে হবে।
৫. ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ: যেকোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেডিট কার্ড নিতে হলে এখন থেকে আয়কর রিটার্নের প্রাপ্তিস্বীকার পত্র জমা দিতে হবে। নাহলে মিলবে না ক্রেডিট কার্ড।
৬. গাড়ি ক্রয়, মালিকানা পরিবর্তন: দুই বা তিন চাকা ছাড়া যেকোনো মোটরগাড়ি নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়ন করতে রিটার্ন জমা স্লিপ দেখাতে হবে। আগে শুধুমাত্র টিআইএন দিতে হতো, কিন্তু এখন থেকে রিটার্ন দাখিলের কপি দিতে হবে।
৭. ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ানো: সিটি কর্পোরেশন বা জেলা সদর, পৌরসভায় সন্তান বা পোষ্যদের আন্তর্জাতিক পাঠ্যক্রমের আওতায় ইংরেজি মিডিয়াম স্কুল বা জাতীয় পাঠ্যক্রমের আওতায় ইংরেজি ভার্সনে ভর্তি করাতে হলে আয়কর রিটার্ন জমার স্লিপ বা সনদ জমা দিতে হবে।
৮. গ্যাসের সংযোগ: দেশের যেকোনো স্থানে বাণিজ্যিক বা শিল্প কারখানায় গ্যাসের সংযোগ নিতে হলে এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাসা বাড়ির গ্যাসের সংযোগ নিতে বা আগের সংযোগ বজায় রাখতে হলে রিটার্ন জমার স্লিপ বা সনদ লাগবে।
৯. বিদ্যুৎ সংযোগ: সিটি কর্পোরেশন বা সেনানিবাস এলাকায় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে হলে রিটার্নের প্রাপ্তিস্বীকার পত্র জমা দিতে হবে। গ্রাম বা সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরে অবশ্য এই নিয়ম বাধ্যতামূলক করা হয়নি।
১০. বাড়িভাড়া: জমি বা বাড়ি ভাড়া দিয়ে অনেকে আয় করে থাকেন। আয় যাই হোক না কেন, এই ধরনের আয়ের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
১১. সরকারি আয়: সরকার বা সরকারি কোন সংস্থা, কর্পোরেশন থেকে বেতন হিসাবে মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা বা বেশি হলেই আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
১২. বেসরকারি বেতন: বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন নেয়ার সময় বার্ষিক আয়কর রিটার্ন প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
১৩. এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আয়: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি অংশ বা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আয় মাসে ১৬ হাজার টাকার বেশি হলেই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।
১৪. নকশার অনুমোদন: ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী শহরে ভবন নির্মাণের অনুমোদন চাইলে আবেদনপত্রের সঙ্গে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দিতে হবে।
১৫. জনপ্রতিনিধি: জাতীয় সংসদ, সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলায় কোন নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে আয়কর রিটার্ন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
১৬. ফান্ডের রিটার্ন: পেনশন ফান্ড, অনুমোদিত গ্র্যাচুইটি ফান্ড, স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ড, অনুমোদিত সুপার এন্যুয়েশন ফান্ড এবং শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল ছাড়া অন্যান্য ফান্ডের রিটার্ন দাখিলের প্রস্তাব করা হয়েছে।
১৭. ট্রেড লাইসেন্স: সিটি কর্পোরেশন বা পৌর এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি ও নবায়ন করতে হলে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। তবে এর বাইরের অন্যান্য এলাকায় এই নিয়ম প্রস্তাব করা হয়নি।
১৮. ডিজিটাল পণ্য ও সেবা: ডিজিটাল প্লাটফর্মে কোন পণ্য বা সেবা বিক্রি করতে হলে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র থাকতে হবে।
১৯. মোবাইল ব্যাংকিং: মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অথবা ইলেকট্রনিক উপায়ে অর্থ হস্তান্তরে কমিশন, ফি জাতীয় অর্থ পেতে হলে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।
২০. সমবায় সমিতি: সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের আওতায় কোন সমিতি বা ক্লাব গঠিত হলে বা এ ধরণের ক্লাবের সদস্য হলে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।
এছাড়া আরও যেসব সেবা পেতে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, সেগুলো হলোঃ
# ডাক্তার, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি ইত্যাদি পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য হলে বা সদস্য হতে চাইলে
# পরামর্শক, ক্যাটারিং, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, জনবল বা নিরাপত্তা সেবা দিয়ে অর্থ গ্রহণ করতে
# বিবাহ নিবন্ধক বা কাজী হিসাবে লাইসেন্স পেতে
# আমদানি-রপ্তানির সনদ পেতে চাইলে
# আমদানির এলসি খুলতে চাইলে
# কোম্পানি পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার পদ পেতে
# ব্যবসা বা বাণিজ্য সংগঠনের বা সমিতির সদস্যপদ গ্রহণ
# বীমা কোম্পানির এজেন্ট হিসাবে তালিকাভুক্তি বা নবায়ন করতে
# বীমা বা সার্ভেয়ার হিসাবে নিবন্ধন নিতে
# অস্ত্রের লাইসেন্স নেয়ার আবেদন করলে
# ওষুধ ব্যবসার জন্য ড্রাগ লাইসেন্স থাকলে বা করাতে
# অগ্নি-নিরাপত্তা লাইসেন্স,
# পরিবেশ ছাড়পত্র
# বিএসটিআই লাইসেন্স পেতে চাইলে
# লঞ্চ, স্টিমার, ট্রলার, কার্গো, বার্জ ইত্যাদি নৌযানের সার্ভে সার্টিফিকেটের জন্য
# ইটভাটার অনুমোদন নিতে হলে
# পরিবহন সেবার ব্যবসা করলে
# কোন কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটর বা এজেন্টশিপ চাইলে।
# পণ্য সরবরাহের ঠিকাদারী
ফৌজদারী কার্যবিধি
#ম্যাজিস্ট্রেট_আদালত_কর্তৃক_মামলার_বিচার
ধারাঃ ২৪১(ক)-আসামিকে অব্যহতি
ধারাঃ ২৪২- অভিযোগ গঠন
ধারাঃ ২৪৩-দোষ স্বীকারে দণ্ড
ধারাঃ ২৪৪- দোষ স্বীকার না করলে করনীয়
ধারা; ২৪৫-খালাশ
ধারাঃ ২৪৭- ফরিয়াদির অনুপস্থিতিতে খালাশ
ধারাঃ ২৪৮- ফরিয়াদি কতৃক মামলা প্রত্যাহার
ধারাঃ ২৪৯- ফরিয়াদি না থাকলে কার্যক্রম বন্ধ ও আসামিকে মুক্তি
ধারাঃ ২৫০- মিথ্যা, তুচ্ছ ও বিরক্তিকর অভিযোগ
ধারাঃ ২৬০- সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষমতা
ধারাঃ ২৬২- সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ড
#দায়রা_আদালতে_বিচারঃ
ধারাঃ ২৬৫(ক)- পাবলিক প্রসিকিউটর কতৃক মামলা পরিচালনা
ধারাঃ ২৬৫(গ)- আসামিকে অব্যহতি
ধারাঃ ২৬৫(ঘ)- অভিযোগ গঠন
ধারাঃ ২৬৫(ঙ)-দোষ স্বীকারে দণ্ড
ধারাঃ ২৬৫(চ)- অভিযোগকারী পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহনের তারিখ
ধারাঃ ২৬৫(ছ)- অভিযোগকারীর পক্ষে সাক্ষী
ধারাঃ ২৬৫(জ)- খালাশ
ধারাঃ ২৬৫(ঝ)- আসামিকে আত্মপক্ষ সমর্থনে আহবান
ধারাঃ 265(J)- যুক্তি তর্ক
ধারাঃ ২৬৫(ট)- খালাস বা দণ্ডাদেশের রায়
ধারাঃ ২৬৫(ঠ)- পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ
#অনুসন্ধান_ও_বিচারের_সাধারণ_বিধানসমূহঃ
ধারাঃ ৩৩৭- অপরাধীর সহযোগীকে ক্ষমা
ধারাঃ ৩৩৮- অপরাধীর সহযোগীকে ক্ষমার আদেশ
ধারাঃ ৩৩৯(খ)- আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার
ধারাঃ ৩৩৯(খ)(২)- আসামি হাজির হওয়ার পর অনুপস্থিতে বিচার
ধারাঃ ৩৩৯(গ)- মামলা নিস্পত্তির সময়
ধারাঃ৩৪০- আত্মপক্ষ সমর্থন
ধারাঃ ৩৪২- আসামির জবানবন্দি গ্রহন করার ক্ষমতা
ধারাঃ ৩৪৪- মামলার কার্যক্রম স্থগিত ও নথি তলব
ধারাঃ ৩৪৫- আপোষ মীমাংসা
ধারাঃ ৩৫৩- আসামির উপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহন
ধারাঃ ৩৬৪- আসামির জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করা
#রায়ঃ
ধারাঃ ৩৬৬- রায় ঘোষণার পদ্ধতি
ধারাঃ ৩৬৭- রায়ের ভাষা, বিষয়বস্তু, বিকল্প রায়
ধারাঃ ৩৬৮- মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৬৯- আদালত রায় পরিবর্তন করবেনা
ধারাঃ ৩৭১(৩)- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিষয়
ধারাঃ ৩৭২- রায় কখন অনুবাদ করতে হবে
ধারাঃ ৩৭৩- অনুলিপি প্রেরণ
#মৃত্যুদণ্ড_অনুমোদন_বিষয়েঃ
ধারাঃ ৩৭৪- মৃত্যুদন্ডাদেশ পেশ
ধারাঃ ৩৭৫- কার্যক্রম পেশ করার পর হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা
ধারাঃ ৩৭৬- হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা
ধারাঃ ৩৭৭- দণ্ড অনুমোদনে সাক্ষর
(যখনি যে ধারাটি পড়বেন, পড়ার সাথে সাথে সংক্ষেপে লিখে রাখুন, এতে মনে রাখাটা অনেক সহজ হবে)
ধন্যবাদ