ইরান যুদ্ধ ইন্দোনেশিয়াকে একটা শিক্ষা দিয়েছে, আর এর প্রভাব এশিয়ার বাণিজ্যকে চিরতরে বদলে দিতে পারে...
ইন্দোনেশিয়ার অর্থমন্ত্রী এইমাত্র মালাক্কা প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর টোল আরোপের ধারণা তুলে ধরেছেন, এবং স্পষ্টভাবে ইরানের হরমুজ কৌশলকে অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেছেন: "যদি আমরা এটাকে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া আর সিঙ্গাপুরের মধ্যে তিন ভাগে ভাগ করি, তাহলে পরিমাণটা বেশ বড় হতে পারে। আমাদের অংশটা সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে দীর্ঘ।"
মালাক্কা প্রণালী পূর্ব এশিয়ার জন্য বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চোক পয়েন্ট।
মধ্যপ্রাচ্যের তেল চীন, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছায় এই পথ দিয়েই। বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা এর ওপর নির্ভরশীল। আর চীন তার জ্বালানি আমদানির ৮০% এই জলপথ দিয়ে পায়।সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া সঙ্গে এই ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছে। কিন্তু বোতল থেকে জ্বিন বেরিয়ে গেছে। এই ধারণা আজ হোক কাল হোক কার্যকরী হবেই।
ইরান দেখিয়ে দিয়েছে যে উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ও ছোট নৌকা থাকা একটি দেশই বিশ্বব্যাপী জাহাজ চলাচলকে জিম্মি করতে পারে। এখন চোক পয়েন্টের সীমান্তবর্তী প্রতিটি দেশ হিসাব কষছে, তারাও একই কাজ করতে পারে কিনা। কৌশলগত চিত্রটা বেশিরভাগ মানুষ যা বোঝে তার চেয়েও পরিষ্কার। ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে একটি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক সহযোগিতা বাড়ছে।
জাপান, তাইওয়ান ও ফিলিপাইন নিয়ে গঠিত প্রথম দ্বীপ শৃঙ্খল ওয়াশিংটনকে প্রয়োজন হলে মালাক্কা প্রণালীতে চীনের প্রবেশাধিকার সীমিত করার হাতিয়ার দেয়। চোকপয়েন্ট নিয়ন্ত্রণ করো, তাহলে কে কী সম্পদ পাবে সেটাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। এই যুক্তিতেই ট্রাম্প কাজ করছেন, আর ইন্দোনেশিয়া তা মনোযোগ দিয়ে দেখছে। সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিদেশি জ্বালানির ওপর চীনের নির্ভরশীলতাই তার সবচেয়ে বড় কৌশলগত দুর্বলতা। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা যদি কখনো বাড়ে, ওয়াশিংটনের বেইজিংয়ে আক্রমণ করার দরকার নেই। শুধু মালাক্কা নিয়ন্ত্রণ করলেই হবে। আর ইন্দোনেশিয়া এইমাত্র প্রকাশ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে যে সঠিক দাম পেলে তারা সেই চাপ প্রয়োগের কাঠামোর অংশ হতে রাজি।
ইরান যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত হরমুজ থেকে মালাক্কা হয়ে পানামা পর্যন্ত প্রতিটি বৈশ্বিক চোক পয়েন্টের আর্থিক কাঠামোই বদলে দিতে পারে।
Rima's Lifestyle
মনে দৃঢ় প্রত্যয় রাখুন - আমি জিতবই👍 তবেই আপনি সাফল্যের চূড়ায় উঠতে পারবেন✌️
মানুষের জন্ম হেরে যাওয়ার জন্য নয় ; জিতে আসার জন্য🖐️🖐️
দেখা হবে বিজয়ে ✌️ইনশাআল্লাহ 🌺
😂😂
হাসুন প্রাণ খুলে....😂🤣
fans
😂🤣😂🤣
fans
03/04/2026
যারা মানুষ তারা ইরানের পাশে, আর যারা সালাফি তারা হিজ্রাইলের পাশে...... চিল্লায়া কন, ঠিক কি না?
29/03/2026
কি তামাশা : তাই না...!?
সহীহ মাজহাবের অনুসারীরা : যে শয়তানের আনুগত্য করে চলছে।।
শিয়া মাজহাবের অনুসারীরা : সেই শয়তানের সাথে যুদ্ধ করে চলছে।।
দক্ষিণ লে'বা'ননে ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট হা'ম'লায় ৯ ইস'রা-য়েলি সেনা নি'হ'ত ❤️🔥
🔴 যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বিমানগুলো ইরানের মাথাব্যাথার কারণ ছিল।
➡️ বিশেষ করে F-35 এর মতো স্টেল্থ ফাইটার জেটগুলো। কারণ, ইরানের কোনো রাডার ফাইটারগুলো ডিটেক্ট করতে পারছিলো না।
➡️ তাই নির্দ্বিধায় ইরানের আকাশ সীমায় প্রবেশ করে যেকোনো স্থাপনা ও অর্থনৈতিক অঞ্চলকে লক্ষ্যবস্তু করে একের পর এক হামলা চালিয়েছিল। এবং অনেক ক্ষয়ক্ষতিও করেছিলো।
➡️ কিন্তু যুদ্ধের তৃতীয় সপ্তাহে এসে ইরান খেলা দেখাতে শুরু করে। এক সাথে যুক্তরাষ্ট্রের ২টা F-35 ফাইটারজেটকে ডিটেক্ট করে এবং হিট করে। একটা সরাসরি ভূপাতিত হয়। যে খবরটা যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি গোপন করে ফেলে। এবং দ্বিতীয়টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মধ্যপ্রাচ্যের কোন একটা ঘাঁটিতে জরুরি অবতরণ করে। যা তারা প্রথমে স্বীকার না করলেও পরবর্তীতে স্বীকার করে।
➡️ এরপরে যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি ফাইটার জেট F-15 কে ইরান তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থার মাধ্যমে ইন্টারসেপ্ট করে ।
➡️ আজ ইরানের চাবাহার বন্দরের কাছে এফ-১৮ সুপার হর্নেটকে ভূপাতিত করে ভিডিও প্রকাশ করেছে ইরান। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের এই দাবিকে অস্বীকার করেছে।
➡️ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শক্তিশালী জায়গা হলো ইরানের আকাশে ঢুকে এয়ার স্ট্রাইক করা। আর সেখানেও ইরান শক্তিশালী প্রত্যাঘাত শুরু করেছে। এই ব্যাপারটি যুক্তরাষ্ট্রকে ভাবিয়ে তুলছে। এবং ট্রাম্প প্রশাসন পুরোপুরি নেতিয়ে পড়েছে।
➡️ ইরান এভাবে যুদ্ধ বিমান ভূপাতিত করার ধারা অব্যাহত রাখলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলকে পাততাড়ি গুটিয়ে পালানো ছাড়া আর কোনো রাস্তা খোলা থাকবেনা।
তাই ট্রাম্প প্রশাসন যেকোন উপায়ে যুদ্ধ বিরতি করার ফন্দি আঁটছে। 😆
পোস্টগুলো আপনাদের জানার জন্য তৈরি করতে হয়।শেয়ার করার আবেদন থাকলো। 🤗
শুভ সন্ধ্যা।
কেমন আছেন আপনারা সবাই??
শুভ সন্ধ্যা
17/08/2025
Click here to claim your Sponsored Listing.