23/05/2026
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অফিশিয়াল লোগো
Admission Informer is a simple and helpful platform for university admission support. It also shares positive facts about our country to keep you updated.
23/05/2026
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অফিশিয়াল লোগো
23/05/2026
বাকস্বাধীনতা!!!
23/05/2026
যুদ্ধ কী আবার শুরু? ইরান তাদের আকাশপথ বন্ধ করেছে। তাদের সশস্ত্র দলগুলো প্রস্তুত। আগামী ৪৮ ঘন্টা উদ্বেগজনক।
22/05/2026
২০১১ সালের পবিত্র শবে বরাতের রাতে ঘুরতে বের হয়েছিল ৭ বন্ধু। সাভারের আমিনবাজারের কেবলার চরে তারা আড্ডা দিচ্ছিলো। এই সময় মসজিদের মাইকে ঘোষণা আসে এলাকায় ডাকাত পড়েছে। নির্মমভাবে পিটিয়ে খু*ন করা হয়- ৬জন শিক্ষার্থীকে।
সেদিন যাদের খু*ন করা হয় তারা ছিলো- ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ও লেভেলের শিক্ষার্থী শামস রহিম ওরফে সাম্মাম (১৮), মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজের হিসাব বিজ্ঞানের ছাত্র ইব্রাহিম খলিল (২১), পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অনার্স প্রথমবর্ষের শিক্ষার্থী তৌহিদুর রহমান পলাশ (২০), তেজগাঁও কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী টিপু সুলতান (২০), তারবিয়াতুল মিল্লাত একাডেমীর দাখিল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী কান্ত। এর মধ্যে আল আমিন নামের একজন সৌভাগ্যক্রমে বেচে যায়৷
শত শত গ্রামবাসী মসজিদে মাইকের ঘোষণা শুনে লাঠিসোটা হাতে বের হয়ে ছয় শিক্ষার্থীকে মনের সুখ মিটিয়ে পেটায়। খু*ন করার পর কয়েকজনের পুরুষাঙ্গ কে*টে দেয়। 😰
পরদিন আবার এদের বিরুদ্ধেই ডাকাতির মামলা করে আব্দুল মালেক নামের স্থানীয় জনৈক বালু ব্যবসায়ী।
কিন্তু বাস্তবে সেদিন কি ঘটেছিল তার বর্ণনা শোনা যাক বেচে যাওয়া আল আমিনের মুখে- প্রথম আলো থেকে উদ্ধৃত করছি-
" ২০১১ সালের ১৭ জুলাই পবিত্র শবে বরাতের রাতে তিনিসহ(আল আমিন) সাত বন্ধু দারুস সালাম এলাকার একটি মসজিদে নামাজ পড়তে যান। নামাজ পড়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁরা মসজিদ থেকে বের হন। দিবাগত রাত ১২টার দিকে তাঁরা বিরিয়ানি খেতে গাবতলীর দিকে যান। কিন্তু বিরিয়ানি না পেয়ে তাঁরা হাঁটতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁরা হাঁটতে হাঁটতে আমিনবাজারের বড়দেশী গ্রামে পৌঁছান। রাত সোয়া একটার দিকে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টি থেকে বাঁচতে তাঁরা এলাকাটির একটি কুঁড়েঘরে আশ্রয় নেন। আচমকা একদল লোক ডাকাত বলে তাঁদের ওপর হামলা চালায়..... এরপর মসজিদের মাইকে ঘোষণা.... ৬জন ছাত্রের জীবন শেষ।"
...... যদিও পরবর্তীতে এই ৬ ছাত্রকে খু*নের মামলায় ১৩ জনের ফা*সি এবং ১৯ জনের যাবজ্জীবন হয়। কিন্তু সেরেফ মাইকের ঘোষণা শুনে মবে অংশ নেয়া গ্রামবাসী কি বিবেকের কাছ থেকে কোনদিন মুক্তি পাবে? কোনরূপ যাচাই-বাছাই ছাড়া ঘোষণা শুনে ৬টা মায়ের বুক খালী করা গ্রামবাসী কি পারবে একজনকেও ফিরিয়ে দিতে?
তাই আমি সর্বদা যারা মবে অংশ নেয় তাদের চু*দি.... যারা মবের পক্ষে মতোৎপাদন করে তাদেরও চু*দি।
- খান ভাই
22/05/2026
আনন্দমোহন কলেজ, ময়মনসিংহ
ছবি: সাবিকুন নাহার
সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ষণ বিশেষত শিশু ধর্ষণ অতিমাত্রায় বেড়ে গিয়েছে। একই সাথে বেড়েছে নারী হয়রানি ও শিশু হত্যার মতো ঘটনাসমূহ। এর পেছনে আর্থ-সামাজিক কারণ যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে রাজনৈতিক, ধর্মীয়, প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সম্মিলিত অবক্ষয়জনিত ভূমিকা। নিচে বিস্তারিত দেয়া হলো -
১৷ আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট: আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান অনেক শোচনীয়। বিশেষ করে তূলনামূলক কম উন্নীত জায়গাসমূহে "নৈতিক শিক্ষাব্যবস্থা" ভেঙ্গে পড়েছে। এর ফলে যেমন বেড়েছে মানুষের মাঝে "Moral Degradation", পাশাপাশি বেড়েছে নারী ও শিশু হয়রানির হার, ধর্ষণ ও হত্যার মাত্রা। পাশাপাশি গ্রামের বিচার শালিসের নামে প্রভাবশালী মহল যে প্রভাব বিস্তার করে এটার ফলেও ঘটনাগুলার মাত্রা বেড়েছে।
২। রাজনৈতিক প্রভাব: বিগত সময়গুলোতে দেখা গেছে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অনেক ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। এমনকি কোনো একটা ঘটনা ঘটার পর প্রভাবশালী মহল হয় টাকা দিয়ে ভুক্তভোগী ও ভুক্তভোগী পরিবারের মুখ বন্ধ করার কিংবা হয়রানিকারী বা ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে বিষয়টিকে মিমাংসা করে আইনি সহায়তা পর্যন্ত আনা হয় না। ফলে ভুক্তভোগীর বিচারহীনতা ও আসামীর বিচার না হওয়াটা এই প্রবণতা বাড়িয়েছে।
৩। ধর্মীয় উগ্রবাদ-শিক্ষাব্যবস্থা: ধর্ষণ বাড়ার ক্ষেত্রে ধর্মীয় উগ্রবাদ, এমনকি ধর্মীয় অন্ধত্বও দায়ী। পাশাপাশি সঠিক ধর্মীয় ব্যবস্থা চালু না থাকাও অন্যতম একটি কারণ। কেননা অনেক সময় আমাদের দেশে এক শ্রেণির হুজুর আছে যারা ধর্ষণ বাড়ার ক্ষেত্রে একপাক্ষিকভাবে মেয়েদের পোশাক, পর্দাকে দায়ী করে। কিন্তু একজন শিশুকে যখন ধর্ষণ করা হয় তখন তারা তাদের ধর্মীয় অন্ধত্বকে জাহির করে ও বিভিন্ন ফতোয়া জারি করে। ফলে ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থার আক্ষরিক যে শিক্ষা পাওয়ার কথা ছিল তা পাওয়া হয়ে উঠে না।
৪। প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা ও দীর্ঘসূত্রিতা: ধর্ষণ ও হয়রানি বাড়ার সবচেয়ে বড় কারণ হলো আইনের ফাকফোকর ও বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা। বিচার না পাওয়া। দীর্ঘসূত্রিতা, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষপাত, বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে অনেক ভুক্তভোগী পরিবার শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠু বিচার পায় না। পাশাপাশি আইনের সীমাবদ্ধতায় অনেক আসামী জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও এরকম অপকর্ম করার সাহস পায়।
৫। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভূমিকা: ইদানিং নতুন আরেকটা সমস্যা শুরু হয়েছে আর তা হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। অনেক সময় অনেক ঘটনার normalize হওয়ার পিছনে ফেসবুকের বিভিন্ন পেজ ও মানুষেফ প্রত্যক্ষ ভূমিকা থাকে। বিশেষত, মানুষের মাঝে পক্ষপাতমূলক আচরণ, ভাইরাল প্রসঙ্গে ভয়েজ রেইজ, বাকি ক্ষেত্রে নীরবতা, কমেন্ট বক্সে মতের ভিন্ন নারীদের ব্যাপারে তীর্যক মন্তব্য, বডি শেমিং, স্লাট শেমিং এর ঘটনা এই ঘটনাগুলো আরও বেশি ত্বরান্বিত করছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরণের অশ্লীল কন্টেন্ট করে তা ছড়ানোর মাধ্যমেও এই ধরণের ঘটনার প্রবণতাকে আরো বেশি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
এখন বিষয়টা হলো, দেশের আপামর জনসাধারণের দায়িত্ব সরকারের। তবে সরকারের একার পক্ষে যেমন দেশের বৃহৎ অংশের দায়িত্ব পালন করাটা যথেষ্ট নয়, তেমনি নিজেদের জায়গা থেকেও নৈতিক শিক্ষা ও এই বিষয়গুলোকে নিয়ে কাজ করাটা উচিত। পাশাপাশি সামাজিকভাবে এই বিষয়গুলো উত্তরণ না করলে প্রশাসনিক বা বিচারিক ব্যবস্থাকে শুধু দায়ী করেও প্রকৃত কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না। প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা।
For SSC- 2026,
রেজাল্ট এবং কলেজ ভর্তি সব মিলিয়ে এখন হাতে প্রচুর সময় আছে। এ সময়ের মধ্যে নিজের সঠিক পছন্দ বাছাই করুন।
এইচএসসি কোন বিষয়ে পড়তে চান কোথায় পড়তে চান। পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষা কোন বিষয়ে এবং কোন প্রতিষ্ঠানে পড়তে চান সেগুলো বাছাইয়ের সময় এখন।
প্রশ্ন: এগুলো কিভাবে করবেন?
ভাই, আপনি এই পোস্ট দেখসেন মানে আপনার হাতে ইন্টারনেট কানেক্টেড ডিভাইস আছে।
সার্চ টো গুগল এন্ড এআই চ্যাটবোট।
ওয়েবসাইট ভিজিট করুন, কোন কোন প্রতিষ্ঠানে কি কি বিষয় আছে এবং বিষয়সমূহের কোর্সগুলো দেখুন। প্রশ্ন করুন, উত্তর খুঁজুন, সিনিয়রদের রিভিউ নেন।
Your today's research will help you to choose your path.
Best wishes to all.
সবার ঈদযাত্রা শুভ হোক💚
22/05/2026
হাম্বা মোবারক 💫
22/05/2026
বাংলাদেশে অর্থনীতি (Economics) বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দ্রুত কর্মসংস্থানের হার তুলনামূলকভাবে আশাব্যঞ্জক—এমন তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক সমন্বিত বিশ্লেষণে। স্নাতকোত্তর শেষ করার পর ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যের হার ৬৫ শতাংশ থেকে ৯২ শতাংশের মধ্যে অবস্থান করছে।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (BUP) সর্বোচ্চ সাফল্যের হার নিয়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এর পরপরই রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই ফলাফল সামাজিক বিজ্ঞান শিক্ষায় প্রাতিষ্ঠানিক সুনাম, হালনাগাদ কারিকুলাম এবং শ্রমবাজারমুখী প্রস্তুতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নির্দেশ করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনীতি শিক্ষার্থীদের বিশ্লেষণী দক্ষতা, ডেটা ব্যবহারের সক্ষমতা এবং নীতিনির্ধারণী বোঝাপড়া বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি উভয় খাতেই চাহিদাসম্পন্ন। যেসব প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ, শিল্প-সংযোগ এবং ক্যারিয়ার গাইডেন্স কার্যক্রম শক্তিশালী, সেখানে দ্রুত কর্মসংস্থানের হার তুলনামূলকভাবে বেশি।
তবে প্রতিবেদনে এটাও উল্লেখ করা হয়েছে যে, কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মসংস্থানের হার অপেক্ষাকৃত কম—যা কারিকুলাম ও শ্রমবাজারের সংযোগ আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিত দেয়। এ ক্ষেত্রে শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাড়ানো, ইন্টার্নশিপের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক সক্রিয় করার ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সামগ্রিকভাবে, বিশ্লেষণটি দেখায় যে লক্ষ্যভিত্তিক নীতিগত উদ্যোগ ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনীতি স্নাতকদের দ্রুত ও টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব।
সূত্র: BIDS, QS Metrics, CPD ও BBS-এর সমন্বিত বিশ্লেষণ (২০২৪–২০২৫)।
ডিজাইন - রাকিব সরকার (BUP)
আফগানিস্তানে প্রথমবারের মতো বাল্যবিয়েকে আইনি স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে তালেবান সরকার