মাদরাসা
নতুন সময়
মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ ﷺ শেষ নবী
নবীর পরে আর নবী নেই — এটা ঈমানের কথা।
মিথ্যা নবুয়ত অস্বীকারে চাই রাষ্ট্রীয় আইন।
খতমে নবুয়ত চিরসত্য — এতে সন্দেহকারীর নেই ঈমান।
কাদিয়ানিদের আকীদা ইসলামবিরোধী — মুসলিম উম্মাহর সিদ্ধান্ত।
11/11/2025
সামান্য উপহারই কচিকাচার মন ভালো করতে সক্ষম।
পরিক্ষার
২য় সাময়িক পরিক্ষা
09/11/2025
🌿 "একটি শিক্ষা — সন্তানকে সময় দিন"
ক্ষমা প্রার্থনা করছি, এ ধরনের ঘটনা শেয়ার করার জন্য।
তবে এই ঘটনাটি প্রতিটি অভিভাবকের চোখ খুলে দেওয়ার মতো এক বাস্তব শিক্ষা।
একটা গাছ ছোট থাকতে হেলে পড়লে, তখন সোজা করে দিলে সেটি সোজা হয়ে বড় হতে পারে।
কিন্তু যদি ছোটবেলায় সংশোধনের ব্যবস্থা না নেওয়া হয়,
১০ বছর পর যখন সেটি বিশাল বৃক্ষ হয়ে যায়,
তখন শত চেষ্টা করেও আর সোজা করা যায় না।
তেমনই একটি ঘটনা ঘটেছে আমার এক শিক্ষার্থীর পরিবারের সঙ্গে।
ছেলেটি মানসিকভাবে কিছুটা দুর্বল,
কিন্তু পরিবার সেটা গুরুত্ব না দিয়ে সবসময় “সব ঠিক আছে” বলেই প্রচার করত।
আমি ওকে পড়ানোর সময় কিছু অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করি।
ধীরে ধীরে বুঝতে পারি,
ওর বন্ধুমহল তাকে এমন কিছু অনুচিত বিষয় শেখাচ্ছে
যা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে।
আমি ওকে দীর্ঘদিন পরামর্শ দিয়েছি,
ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক দিকগুলো বোঝানোর চেষ্টা করেছি,
এমনকি ওর পরিবারের সাথেও যোগাযোগ করেছি।
কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তারা বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেয়নি।
শেষ পর্যন্ত আজ সেই পরিবারই আমাকে ডেকে বলল —
“আপনি যেটা বলেছিলেন, সব সত্যি। আমাদের ছেলেটাকে এখন বাঁচান।”
দেখতে দেখতে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে গেছে।
এই ঘটনাটা আমি কাউকে আঘাত করার জন্য নয়,
বরং প্রতিটি গার্ডিয়ান যেন নিজ সন্তানের ওপর নজর রাখে,
এই উদ্দেশ্যে বলছি।
আপনার সন্তান কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে,
মোবাইল বা ইন্টারনেটে কী দেখে —
এই বিষয়গুলো নিয়মিত মনিটর করুন।
কারণ আজকের শিশুরা আগের প্রজন্মের চেয়ে অনেক দ্রুত পরিণত হচ্ছে।
🔸 আপনি হয়তো ২০ বছর বয়সে যা বুঝতেন,
আজকের ৮-১০ বছরের শিশুরাও সেটি বুঝে ফেলছে।
তাই সময় থাকতে সচেতন হোন,
কারণ পরে অনুতাপের সুযোগ নাও থাকতে পারে।
📌 সংগৃহীত (শিক্ষণীয় বাস্তব ঘটনা)
09/11/2025
🕯️ “মৃতদেহের অমূল্য শিক্ষা”
মানুষ যদি কখনও অটোপসি—অর্থাৎ পোস্টমর্টেম—প্রক্রিয়াটা নিজের চোখে দেখত,
তাহলে হয়তো জীবনের কোনো কঠিন মুহূর্তেও আত্মহত্যার চিন্তা মনে আনত না।
আজ দ্বিতীয়বার এমন দৃশ্য দেখার সুযোগ হলো।
একটু এক্সাইটমেন্ট নিয়েই দেখতে গিয়েছিলাম।
তখন তিনটি কেস টেবিলে—
একজন ২৩ বছর বয়সী মেয়ের ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা,
একজন ৩০ বছর বয়সী নারীর বিষপান,
আর একজন ৩২ বছর বয়সী পুরুষ—যাকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
প্রথমেই ২৩ বছর বয়সী মেয়েটার শরীর থেকে জামাকাপড় কেটে খুলে ফেললেন ডোম মামা।
আহা! যে শরীর হয়তো জীবিত অবস্থায় লজ্জা ও পর্দায় ঢাকা থাকতো,
আজ সেটিই অসহায়, বিবস্ত্র, নিথর।
তারপর গলা থেকে নাভির নিচ পর্যন্ত একটানে ছুরি চালানো হলো।
দুই পাশে টেনে চামড়া আলাদা করে ফেললেন,
পাজরের হাড় একটানে কেটে ফুসফুস, হার্ট, পেট—সব অঙ্গ দেখা হলো।
চেক করা হলো, গর্ভে কোনো সন্তান ছিল কি না।
এরপর মাথার পেছনে ইনসিশন দিয়ে চামড়া কপাল পর্যন্ত টেনে তুলে খুলিটা ভেঙে ফেলা হলো—
দৃশ্যটা যেন কুরবানির সময় গরুর হাড় কাটা দেখার মতোই নির্মম।
তারপর একইভাবে বিষপানে আত্মহত্যা করা মহিলার
লিভার, কিডনি, ব্রেন—সব বের করে ফরেনসিকের জন্য পাঠানো হলো।
শেষ কেসটা মার্ডার।
চোখে দেখলেই বোঝা যায়—মানুষ কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে।
তবুও নিয়মমাফিক কাটাছেঁড়া করতেই হলো।
সব শেষে নিচ থেকে উপরে পর্যন্ত বস্তা সেলাইয়ের মতো করে দেহ সেলাই করা হলো—
‘লাশ খালাস’।
বাথরুমে নাকি আরেকটা নতুন লাশ এসেছে—
মামারা সেটার প্রস্তুতি নিতে চলে গেলেন।
দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম—
কোথায় গেল সেই সম্ভ্রম, সেই দাম্ভিকতা, সেই লজ্জা?
জীবিত অবস্থায় হয়তো কেউ তাকাতেও সাহস পেত না,
আর এখন সেই দেহ নিথর পড়ে আছে ধারালো ছুরি ও করাতের নিচে।
মৃত্যুর পর যেন শরীরের এক পয়সারও দাম নেই।
জীবিত অবস্থায় কেউ হয়তো অহংকারে মাথা উঁচু করে হাঁটত,
কিন্তু আজ তার মাথার খুলি দু’ভাগ হয়ে ফরেনসিক টেবিলে।
হয়তো মানুষ যদি এই দৃশ্য একবারও চোখে দেখতো,
তাহলে আত্মহত্যার সংখ্যা অনেক কমে যেতো—
কারণ মৃত্যুর পর এই দেহটার কী পরিণতি হয়,
তা চোখে দেখা সহ্য করা কঠিন।
সত্যিই—
আত্মা ছাড়া শরীরের কোনো দাম নেই।
আখেরাতই আসল জীবন।
এই দুনিয়া কেবল এক ব্যাটারি লাগানো শরীর,
যার ব্যাটারি একবার নিভে গেলে,
বাকি সবই নিরর্থক মাংসপিণ্ড মাত্র।
এটা শুধু বাংলাদেশেই সম্ভব,
30/10/2025
কিডনির নিঃশব্দ মহিমা
ডায়ালাইসিস চলাকালে রোগীর শরীর থেকে রক্ত বের হয় লাল টিউবের মাধ্যমে,
সে রক্ত যায় মেশিনে — সেখানে পরিশোধিত হয়।
তারপর পরিশুদ্ধ রক্ত আবার নীল টিউব দিয়ে শরীরে ফিরে আসে।
এই প্রক্রিয়া চলে টানা চার ঘণ্টা।
রোগীকে শুয়ে থাকতে হয় একটানা, না নড়াচড়া, না বিশ্রাম।
সপ্তাহে তিনবার এমন করতে হয় —
মানে মাসে বারোবার, বছরে প্রায় দেড়শোবার।
শুধু বেঁচে থাকার আশায়, যন্ত্রের ওপর ভর করে।
অথচ, আমাদের শরীরের ভেতরেই আছে এক অলৌকিক ব্যবস্থা।
সুস্থ মানুষের কিডনি দিনে এই কাজটি করে ফেলে প্রায় ছত্রিশবার!
না কোনো যন্ত্র লাগে, না সময় লাগে, না কষ্ট হয়।
ভাবুন তো—
যে নিয়ামত আমরা প্রতিদিন পাচ্ছি, তার মূল্য কত?
কিন্তু আমরা কি কৃতজ্ঞ?
“فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ”
“অতএব, তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?”
— সূরা আর-রহমান, আয়াত ১৩
মাদ্রাসার খাদেমের কন্ঠে গজল
Shuayeb Mahmud
Click here to claim your Sponsored Listing.