Dawah Decode-দাওয়াহ ডিকোড

Dawah Decode-দাওয়াহ ডিকোড

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dawah Decode-দাওয়াহ ডিকোড, Educational consultant, Dhaka, Dhaka.

📖 সত্য উন্মোচন, ফিতনা থেকে সতর্কতা
💠 ইতিহাস সংস্কৃতি ও ইসলামিক দর্শন উদঘাটন
🕌 কুরআন ও সহিহ হাদিস ভিত্তিক আলোচনা
❓ জটিল মাসাআলা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা
⚠️ সচেতন হোন, সহিহ আমল করুন।
“Follow করুন – প্রতিদিন নতুন কিছু শিখতে”

10/06/2026

বাচ্চাদেরকে আল্লাহর উপর ভরসার শিক্ষা কিভাবে দিবেন?
আসুন জেনে নেয়

শৈশবে কুতুব উদ্দিন রহ. মাদরাসা থেকে ফিরে খাবার চাইলে তাঁর মা বলতেন, “আল্লাহর কাছে চাও।” তিনি দোয়া করতেন, আর মা গোপনে খাবার আলমারিতে রেখে দিতেন। এভাবেই তাঁর মনে আল্লাহর প্রতি গভীর বিশ্বাস জন্মাতে থাকে।

একদিন মা ভুলে খাবার রেখে যেতে পারেননি। বিষয়টি মনে পড়তেই তিনি খুব চিন্তিত হয়ে পড়লেন। ভাবলেন, আজ হয়তো ছেলের বিশ্বাসে আঘাত লাগবে। কাঁদতে কাঁদতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরলেন।

বাড়িতে এসে দেখলেন, ছেলে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে। পরে তাকে খাবার খেতে বললে সে বলল, “আমি তো আগেই খেয়েছি!” মা বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কোথা থেকে?” ছেলে উত্তর দিল, “প্রতিদিনের মতো আজও আল্লাহর কাছে চেয়েছিলাম, তারপর আলমারিতে খাবার পেয়েছি।”

এই ঘটনা আমাদের শেখায়—আল্লাহর প্রতি আন্তরিক ভরসা কখনো বৃথা যায় না। মানুষের হিসাব শেষ হয়ে গেলেও আল্লাহর রহমত ও সাহায্যের দরজা কখনো বন্ধ হয় না।

আর যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, তিনিই তার জন্য যথেষ্ট।(সূরা আত-তালাক: ৩)

09/06/2026

চেহারার সৌন্দর্য ক্ষণস্থায়ী, চরিত্র ও তাকওয়ার সৌন্দর্য চিরস্থায়ী।

08/06/2026

ভাবুন তো—
যে পৃথিবীর জন্য আমরা এত ব্যস্ত,
সেই পৃথিবীতেই আমাদের কবরের জন্য এক টুকরো জমিই যথেষ্ট!
বর্তমান সময়ে মানুষ ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তিত, সম্পদ নিয়ে চিন্তিত, সম্মান নিয়ে চিন্তিত;
কিন্তু আখিরাত নিয়ে চিন্তা করার মানুষ দিন দিন কমে যাচ্ছে।
আজ পাপ সহজ হয়ে গেছে,
কিন্তু তাওবা কঠিন হয়ে গেছে।
মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইলে সময় দিতে পারে,
কিন্তু কয়েক মিনিট কুরআন পড়তে কষ্ট হয়।
আমরা দুনিয়াকে সাজাতে গিয়ে নিজেদের পরকালের ঘরকে ভুলে যাচ্ছি।
মনে রাখবেন—
জীবন যত দীর্ঘই মনে হোক,
মৃত্যু তার চেয়েও নিকটবর্তী।
একদিন আমাদের নাম, পরিচয়, পদবি—সবকিছু পিছনে রয়ে যাবে।
সাথে যাবে শুধু আমল।
তাই আজই নিজেকে জিজ্ঞেস করুন— যদি আজই আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হয়, আমি কি প্রস্তুত?
এখনও সময় আছে। একটি আন্তরিক তাওবা, একটি খাঁটি সিজদা, একটি ভালো কাজ— আপনার জীবন বদলে দিতে পারে।
আল্লাহ আমাদেরকে দুনিয়ার মোহ থেকে বাঁচিয়ে আখিরাতমুখী জীবন দান করুন। আমীন।

07/06/2026

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ভাড়তের বা_ন্দ্রা মুম্বাইয়ে পুলিশ এক আ_হত মুস_লিম ব্যক্তিকে নির্মম_ভাবে লাথি মা-রছে।

বোম্বে গরিব নগরে উচ্ছেদ অভিযান চলা_কালীন একটি মসজিদ বুল_ডোজার দিয়ে গুঁ_ড়িয়ে দেয়, যার ফলে মুসলিমরা পরিক্রিয়া দেখালে মুসলমানদের সাথে চর_ম নিষ্ঠু_রতা ও ব_র্বর আচরণ করে হিন্ডু পুলিশ_রা।

07/06/2026

থামুন! এক মিনিটের জন্য নিজের হৃদয়কে প্রশ্ন করুন—

আমরা কি আল্লাহর দিকে এগোচ্ছি, নাকি প্রতিদিন তাঁর থেকে দূরে সরে যাচ্ছি?

আজ এমন এক সময় এসেছে,
যেখানে মানুষের কাছে খবরের অভাব নেই, কিন্তু হেদায়েতের অভাব আছে।
বন্ধুর অভাব নেই, কিন্তু আন্তরিকতার অভাব আছে।
মসজিদের অভাব নেই, কিন্তু নামাজিদের অভাব আছে।

চারদিকে ফিতনা, অন্যায়, অশ্লীলতা আর বিভ্রান্তির ঢেউ।
মানুষ নিজের ইচ্ছাকে অনুসরণ করতে করতে আল্লাহর আদেশকে ভুলে যাচ্ছে।

কিন্তু মনে রাখুন—

এই দুনিয়া কারও জন্য স্থায়ী নয়।
ক্ষমতাবানও চলে গেছে, ধনীরাও চলে গেছে,
একদিন আমরাও চলে যাব।

তখন আমাদের অনুসারী, সম্পদ বা পরিচয় নয়,
কাজে আসবে শুধু ঈমান ও নেক আমল।

তাই আজই সিদ্ধান্ত নিন—
মানুষকে খুশি করার আগে আল্লাহকে খুশি করার চেষ্টা করবেন।
কারণ মানুষের সন্তুষ্টির শেষ নেই,
কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টিই প্রকৃত সফলতা।

যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য উত্তরণের পথ বের করে দেন।” (সূরা আত-তালাক: ২)

আল্লাহ আমাদেরকে ফিতনার যুগে সত্যের উপর দৃঢ় থাকার তাওফিক দান করুন। আমীন।

06/06/2026

যারা হিজবুত তাওহীদ সম্পর্কে জানতে চান তাদের জন্য এই লেখাটি ,কষ্ট হলেও একটু পড়ুন। সচেতন হোন অন্যকে সচেতন করুন।

হেযবুত তওহীদ’ বাংলাদেশভিত্তিক একটি ভয়ংকর পথভ্রষ্ট ধর্মীয় সংগঠন। ২০০৮ সালে সংগঠনটিকে কালো তালিকাভুক্ত করে বাংলাদেশ সরকার (উইকিপিডিয়া)।

#প্রতিষ্ঠাতার_পরিচিতি

১৯৯৫ সালে টাঙ্গাইলের করটিয়ার গ্রামের পন্নী পরিবারের সন্তান মোহাম্মাদ বায়াজিদ খান পন্নী (১৯২৫-২০১২ খ্রি.) দলটির প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ছিলেন রাজনীতিক, শিকারী ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক।

প্রথম যৌবনে তিনি এনায়াতুল্লাহ মাশরেক্বী (১৮৮৮-১৯৬৩ খ্রি.)-এর বৃটিশবিরোধী ‘খাকসার’ আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন।

পরবর্তীতে রাজনৈতিক সংস্রব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিরিবিলি জীবন-যাপন শুরু করেন।

এক সময় তার ধারণা হয় যে, বর্তমান ইসলাম বিকৃত ইসলাম। এজন্য তিনি মানুষকে ‘প্রকৃত ইসলাম’-এর পথ দেখাতে দলটির সূচনা করেন।

বর্তমান যুগে একশ’ বিশ কোটি মুসলমানের মধ্যে কেবল তার অনুসারী ‘পাঁচ লক্ষ’ মানুষকে তিনি ‘প্রকৃত মুসলমান’ মনে করেন।

— (এসলামের প্রকৃত রূপরেখা, পৃ. ১১)।

#ইমামুয্যামান_দাবি

তিনি নিজেকে এই যুগের ইমাম বা এমামুয্যামান হিসাবে দাবি করেন। এই দলের অনুসারীদের বিশ্বাস হলো, বায়াজিদ খান পন্নীকে আল্লাহ বর্তমান যুগে সমগ্র মানবজাতির ত্রাতা হিসাবে পাঠিয়েছেন।

(হিজবুত তওহীদের গঠনতন্ত্র, পৃ. ১৩)

তাদের মতে, রাসূল (ছাঃ)-এর মৃত্যুর একশত বছরের মধ্যেই ইসলাম বিকৃত হয়ে যায়। অতঃপর দীর্ঘ তেরশ’ বছর এই উম্মাহকে (হেযবুত তওহীদের) এই পবিত্র কর্মসূচি থেকে মাহরুম, বঞ্চিত রাখার পর আল্লাহ তাঁর অসীম করুণায় তাঁর দেওয়া কর্মসূচির পরিচয় মাননীয় এমামুয্যামানকে বোঝার তাওফীক দিয়েছেন।

(ঐ, পৃ. ৬৯, ৭১)

#অন্যান্য_মুসলমান_সম্পর্কে_তাদের_দৃষ্টিভঙ্গি

তারা অন্য মুসলমানদের সাথে ছালাত আদায় করে না এবং তাদের সাথে কোনো ইবাদতেও অংশগ্রহণ করে না।

এই দলে যারা যুক্ত হবে তাদের শপথবাক্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই দলভুক্ত যারা নয় অর্থাৎ বাকি দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান পথভ্রষ্ট ও বিকৃত ইসলামের অনুসারী। অতএব তাদের সাথে কোনো ইবাদতে অংশগ্রহণ করা যাবে না। কেবল এই আন্দোলনের সাথে যুক্তদের সাথেই ইবাদতে অংশগ্রহণ করা যাবে।

(ঐ, পৃ. ৭৩)

#আলেম_ওলামা_ও_ইসলামী_জ্ঞান_সম্পর্কে_ধারণা

এই দলটি আলেম-ওলামার প্রতি চূড়ান্ত বিদ্বেষ পোষণ করে এবং তারা মনে করে যে, হাদীস, তাফসীর, ফিকহসহ ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা কেবল অপ্রয়োজনীয়ই নয়; বরং মুসলিম উম্মাহর বিভক্তির কারণ।
(ঐ, পৃ. ১৩; আকিদা, পৃ. ২৩)

তারা মনে করে যে, আল্লাহ ‘হেযবুত তওহীদ’কেই মানবজাতির উদ্ধারকর্তা হিসাবে মনোনীত করেছেন। কাজেই এই সময়ে যারা মুমিন-মুসলিম হতে চায়, আল্লাহর সঠিক দিকনির্দেশনা ও সত্যপথ লাভ করতে চায়, তাদের এমামুয্যামানের আনুগত্য করা ছাড়া মুক্তি নেই।

‘হেযবুত তওহীদ’-এর মাধ্যমে গোটা বিশ্বে প্রকৃত ধর্ম প্রচার হবে। এটা আল্লাহরই নির্দেশ।

(http://www.hezbuttawheed.org)

#মুজিযা_ও_নবুয়ত_সদৃশ_দাবি

পন্নী আল্লাহর পক্ষ থেকে মু‘জেযা প্রাপ্তির দাবি করে প্রকারান্তরে নিজেকে নবী দাবি করেছেন। যেমন তিনি নিজের একটি ১০ মিনিটের ভাষণকে আল্লাহর মু‘জেযা হিসাবে দাবি করেন এবং প্রচার করেন যে, এই মু‘জেযার মাধ্যমে আল্লাহ তাকে এবং হেযবুত তওহীদকে হক হিসাবে ঘোষণা করেছেন।

তিনি বলেন—

“এর চেয়ে বড় রহমত আর কি হতে পারে? যে মো‘জেযা তিনি নবীদের সময় ঘটাতেন একটা একটা করে, এখন তিনি নিজে এক সাথে ৮টা মো‘জেযা ১০ মিনিটের মধ্যে ঘটিয়ে দিলেন।”

(আল্লাহ মো’জেজা হিজবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা, পৃ. ৬৯)

তাদের গঠনতন্ত্রে লেখা হয়েছে—

“হেযবুত তওহীদের সবচেয়ে বড় মাইলফলক হচ্ছে, ২রা ফেব্রুয়ারি ২০০৮ তারিখে মহান আল্লাহ এক মহান অলৌকিক ঘটনা (মো‘জেযা) সংঘটন করেন, যার দ্বারা তিনি তিনটি বিষয় সত্যায়ন করেন—

১. হেযবুত তওহীদ হক (সত্য)
২. এর ইমাম আল্লাহর মনোনীত হক ইমাম
৩. হেযবুত তওহীদের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে আল্লাহর সত্য দীন প্রতিষ্ঠিত হবে”

শুধু তাই নয়, তারা এই ভাষণটিকে কুরআনের মর্যাদা দিয়ে বলে—

“কোরআন ও ইমামের এই ভাষণটি একই পর্যায়ভুক্ত।”

যারা বায়াজিদ খান পন্নীর উপর আল্লাহ প্রদত্ত এই মো‘জেযায় বিশ্বাস করবে না এবং এতে সন্দেহ রাখবে, তারা কুরআনকে অবিশ্বাস করার মত অপরাধী এবং তাদের জন্য উভয় জাহানে রয়েছে ভয়াবহ শাস্তি।

(গঠনতন্ত্র, পৃ. ১৬; আল্লাহ মো’জেজা হিজবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা, পৃ. ১১-১৭, ৩৩, ৯৩; মহাসত্যের আহবান, পৃ. ২৬-২৭)

#দাজ্জাল_সম্পর্কে_তাদের_ধারণা

তাদের মতে, হাদীসে বর্ণিত দাজ্জাল কোনো প্রাণী নয়; বরং দাজ্জাল হলো ‘ইহুদী-খ্রিষ্টান সভ্যতা’।

আধুনিক যুগে এমামুয্যামান তথা পন্নী প্রথম এই দাজ্জালকে চিহ্নিত করেছেন এবং তিনি প্রমাণ করেছেন যে, পাশ্চাত্য বস্তবাদী ইহুদী-খ্রিষ্টান যান্ত্রিক সভ্যতাই হচ্ছে সেই দাজ্জাল, যেই দানব ৪৮১ বছর আগেই জন্ম নিয়ে তার শৈশব-কৈশোর পার হয়ে বর্তমানে যৌবনে উপনীত হয়েছে এবং দোর্দণ্ড প্রতাপে সারা পৃথিবীকে পদদলিত করে চলেছে।

আজ মুসলিমসহ সমস্ত পৃথিবী অর্থাৎ মানবজাতি তাকে প্রভু বলে মেনে নিয়ে তার পায়ে সিজদায় পড়ে আছে।

(দাজ্জাল? ইহুদি-খ্রিষ্টান ‘সভ্যতা’!, পৃ. ৫; মহাসত্যের আহবান, পৃ. ১৩)

#শহীদ_ও_জান্নাত_সম্পর্কে_দাবি

তারা নিজ দলের সদস্যদেরকে শেষ যামানায় দাজ্জালের বিরুদ্ধে যোদ্ধা ভাবে এবং তাদের পুরুষ ও নারী সদস্যদের যথাক্রমে মুজাহিদ ও মুজাহিদা সম্বোধন করে।

শুধু তাই নয়, মুজাহিদ হিসাবে শাহাদাত লাভের প্রমাণ হিসাবে তাদের কর্মীদের মৃত লাশ অন্যদের মত শক্ত বা শীতল হয় না বলে তারা দাবি করে।

পন্নীর ভাষ্যমতে, কোনো ব্যক্তি ‘হেযবুত তওহীদে’ যোগ দিলেই দুই শহীদের মর্যাদা পাবে, যদি সে শেষ পর্যন্ত থাকে।

শুধু তাই নয়, ‘হেযবুত তওহীদে’ যারা সত্যিকারভাবে এসেছে তাদের জন্য জান্নাত নিশ্চিত। এ ব্যাপারে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই। এখন কে কোন জান্নাতে যাবে তা আমলের উপর নির্ভর করবে।

(আল্লাহ মো’জেজা হিজবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা, পৃ. ৬৫)

05/06/2026

একটা সময় ছিল—
মানুষ রাতে ঘুমানোর আগে আল্লাহকে স্মরণ করত,
আর আজ মানুষ ঘুমানোর আগ পর্যন্ত মোবাইল স্ক্রল করে…

বর্তমান পরিস্থিতি এমন হয়ে গেছে যে,
হারামকে স্বাভাবিক মনে করা হচ্ছে,
গুনাহকে “ট্রেন্ড” বানানো হচ্ছে,
আর দ্বীনের কথা বললে মানুষ অবাক হয়ে তাকায়।

চারদিকে অশান্তি, সম্পর্কের ভাঙন, বেইমানি, হতাশা আর ফিতনার ছড়াছড়ি।
মানুষের কাছে সবকিছু আছে—
কিন্তু শান্তি নেই।

কারণ আমরা রবকে ভুলে গেছি।
যে হৃদয় কুরআন ছাড়া বাঁচে, সে হৃদয় কখনো সত্যিকারের শান্তি পায় না।

আজ আমাদের দরকার—
আবার সিজদায় ফিরে যাওয়া,
আবার চোখের পানি নিয়ে তাওবা করা,
আবার আল্লাহর সাথে সম্পর্ক ঠিক করা।

মনে রাখবেন,
দুনিয়া যতই অন্ধকার হোক,
আল্লাহর নূর কখনো নিভে যায় না।

“যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট।”

05/06/2026

যে সমাজে আজ গান শুনলে মানুষ আধুনিক হয়,
আর কুরআনের কথা বললে মানুষ “অতিরিক্ত ধার্মিক” বলে,
বুঝে নিন, আমরা কত কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।

বর্তমান পরিস্থিতি সত্যিই ভয়াবহ।
মানুষ দুনিয়াকে এত বেশি ভালোবেসে ফেলেছে যে আখিরাতকে ভুলতে বসেছে।
অশ্লীলতা আজ বিনোদন,
মিথ্যা আজ স্বাভাবিক,
আর ভালো মানুষগুলো দিন দিন একা হয়ে যাচ্ছে।

অথচ আল্লাহ তাআলা বারবার আমাদের ডাকছেন—
ফিরে আসো আমার দিকে।

এই পৃথিবী কখনো স্থায়ী শান্তির জায়গা ছিল না,
আর হবেও না।
প্রকৃত শান্তি শুধু আল্লাহর আনুগত্যেই।

তাই এখনও সময় আছে—
নিজেকে বদলান,
নামাজ ঠিক করুন,
কুরআনের সাথে সম্পর্ক গড়ুন,
আর আল্লাহর কাছে কান্না করে বলুন—
“হে আল্লাহ! আমাদের হিদায়েত দিন।” 🤍

04/06/2026

যে সমাজ চরিত্রের চেয়ে চেহারার বিচার নিয়ে ব্যস্ত, সে সমাজ তার মূল্যবোধ হারাতে বসেছে।

আজ যদি নারীদেরকে “সুন্দরী নির্বাচন” এর মঞ্চে দাঁড় করিয়ে তাদের সৌন্দর্য বিচার করা হয়, তাহলে তা নারীকে সম্মানের আসন থেকে নামিয়ে বাহ্যিক রূপের প্রতিযোগিতায় পরিণত করে।

“সুন্দরী নির্বাচন” নামের এসব আয়োজন মানুষকে এই বার্তাই দেয় যে একজন নারীর সবচেয়ে বড় পরিচয় তার সৌন্দর্য। অথচ একজন মানুষের মূল্য তার জ্ঞান, চরিত্র, নৈতিকতা ও অবদানে।

আজ যখন সমাজে ন্যায়বিচার, শিক্ষা ও নৈতিকতার সংকট রয়েছে, তখন সৌন্দর্যকে প্রতিযোগিতার বিষয় বানানো কতটা যুক্তিসঙ্গত—সেটা ভেবে দেখার সময় এসেছে।

ইসলাম মানুষের মর্যাদা নির্ধারণ করে তাকওয়া ও চরিত্রের ভিত্তিতে, মুখমণ্ডল বা বাহ্যিক সৌন্দর্যের ভিত্তিতে নয়। তাই এমন সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করার পরিবর্তে এমন প্রজন্ম গড়া উচিত, যারা সৌন্দর্যের নয়, চরিত্রের প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে চায়।

04/06/2026

আহারে জীবন! এক হতভাগা মায়ের শেষ পরিণতি...

মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটে এক মায়ের মরদেহ মৃত্যুর পর টানা সাত দিন পড়ে ছিল। কেউ তাঁর খোঁজ নেয়নি, কেউ দরজায় কড়া নাড়েনি, কেউ একটি ফোনও করেনি। এক সময় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা বিষয়টি জানতে পারেন। ততক্ষণে লাশ পচে গলে গেছে, পোকামাকড় দেহের বিভিন্ন অংশ খেয়ে ফেলেছে।

সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো—তিনি কোনো অসহায় বা পথের মানুষ ছিলেন না। তাঁর সন্তানদের কেউ যুগ্ম সচিব, কেউ বুয়েটের শিক্ষক, কেউ বিদেশে প্রতিষ্ঠিত। মেয়ে ও জামাতাও উচ্চশিক্ষিত এবং সম্মানিত পেশার মানুষ। অথচ জীবনের শেষ মুহূর্তে সেই মা ছিলেন সম্পূর্ণ একা।

ভাবতে অবাক লাগে, যে মা ১০ মাস ১০ দিন গর্ভে ধারণ করেছিলেন সন্তানদের, নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে তাদের মানুষ করেছিলেন, রাত জেগে অসুস্থ সন্তানের পাশে বসে থেকেছেন, নিজের প্রয়োজনকে তুচ্ছ করে তাদের ভবিষ্যৎ গড়েছেন—সেই মায়ের শেষ পরিণতি হলো নিঃসঙ্গতা, অবহেলা আর একাকী মৃত্যু!

ঘরের অবস্থা দেখে মনে হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অবহেলিত ছিলেন। হয়তো অসুস্থতা, হয়তো একাকীত্ব, হয়তো বুকভরা কষ্ট—সবকিছু নিয়েই তিনি পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। কিন্তু তাঁর শেষ মুহূর্তে পাশে ছিল না কোনো সন্তান, ছিল না কোনো আপনজন।

এই ঘটনা শুধু একটি পরিবারের নয়; এটি আমাদের পুরো সমাজের জন্য একটি ভয়ংকর সতর্কবার্তা।

আল্লাহ তাআলা বলেন—

"তোমার প্রতিপালক আদেশ করেছেন, তোমরা তাঁরই ইবাদত করো এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো। তাদের একজন বা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে তাদেরকে ‘উফ’ পর্যন্ত বলো না এবং তাদের সাথে সম্মানজনক কথা বলো।"
(সূরা আল-ইসরা: ২৩)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"আল্লাহর সন্তুষ্টি পিতার সন্তুষ্টির মধ্যে এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টি পিতার অসন্তুষ্টির মধ্যে।"
(তিরমিজি)

আজ যারা মা-বাবাকে সময় দিতে পারছি না, খোঁজ নিতে পারছি না, মনে রাখা উচিত—একদিন আমরাও বৃদ্ধ হবো। আজ আমরা আমাদের সন্তানদের যা শেখাচ্ছি, কাল তারাই আমাদের সঙ্গে সেটাই করবে।

যাদের মা-বাবা বেঁচে আছেন, আজই তাদের ফোন করুন। পাশে বসুন। তাদের কথা শুনুন। কারণ পৃথিবীর সব সম্পদ, সব ডিগ্রি, সব সম্মান এক পাশে—আর একজন মা-বাবার দোয়া আর ভালোবাসা এক পাশে।

মা-বাবা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় নিয়ামত। তাঁদের অবহেলা নয়, ভালোবাসা দিন। কারণ তাঁদের হারানোর পর হাজার কান্নাও আর একটি মুহূর্ত ফিরিয়ে আনতে পারবে না।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে মা-বাবার হক আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

#অবহেলিত_মা
#অসুস্থ_মায়ের_খবর_কে_নিবে

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Dhaka
Dhaka
1000