GEC by Shykat

GEC by Shykat

Share

এই পেজের মুল উদ্দেশ্য একাউন্টিং এবং গ?

The main purpose of this page is to present all the chapters of Higher Accounting and up to 10th class in a beautiful and easy way. এই পেজের মুল উদ্দেশ্য উচ্চমাধ্যমিক হিসাববিজ্ঞান এবং দশম শ্রেণী পর্যন্ত সকল অধ্যায় সমুহকে সুন্দর ও সহজ ভাবে উপস্থাপন করা।

04/10/2024

দীর্ঘ তিরিশ বছরে যতটুকু ঞ্জাণ অর্জন করতে না পেরেছি এই দুই মাসে তার চেয়ে ঢের ঞ্জাণ অর্জন করতে পেরেছি।

19/08/2023

"নিজের যোগ্যতা ও সক্ষমতা অনুযায়ী নিজস্ব পরিচয় তৈরি হয়। নিজে সংগ্রাম করে, নিজেকে তৈরি করা যে কত গর্বের, কত আনন্দের তা কখনো বংশপরম্পরায় পাওয়া ব্যক্তিরা অনুভব করতে পারে না।"

সংগ্রহ দৈনিক প্রথম আলো
মৃত_মিনারুল---ঝিনাইদহ

05/04/2023

🔭সংগৃহীত:🕯️
লাইফে প্রথম এই পোস্ট পড়ে কান্না করলাম😭
রাতে মায়ের হাতে রান্না করা খাবার খুব মজা করে খেয়ে রাত ১০টায় ঘুমিয়ে গেলাম...!!!
সকাল গেলো ঘুম থেকে উঠলাম না...!!! আরামে ঘুমাবো বলে মা ডাকলো না...!!!
দুপুর হয়ে গেলো ঘুম থেকে উঠলাম না...!!!

এবার মা অনেক ডাকলো আমি উঠলাম না।
মা চলে গেলো।
একটু পর আবার আসলো।
এবার অনেক ডাকার পরেও না উঠায় মা অনেক বকলো আমি তাও উঠলাম না। এইবার মা একটা থাপ্পড় দিলো।
তাও উঠলাম না।

এবার মা হাত ধরে টান দিলো কিন্তু আমার হাত পুরো শরীর নিয়ে নড়ে উঠলো।
শরীর আমার পাথরের ন্যায় শক্ত হয়ে গেছে।
মা কিছু না বলে চুপ করে রুম থেকে বেরিয়ে বাবাকে ডেকে নিয়ে আসলো।
কিন্তু বাবা অনেক ডাকার পরও আমি উঠলাম না।
এইবার বাবা চোখের জল ফেলে বলছেঃ উঠে আয় তোকে আর কোন দিন কিছু বলবো না।
যেমন করে থাকতে চাস থাক।
তাও উঠে আয়।
তোকে আজকেই ল্যাপটপ কিনে দিবো।

আমি অবাক হয়ে দেখছি বাবা এতো করুণা করে কোনোদিন আমাকে বলে না অথচ আজ বলছে।
আমি উঠে আসতে চাচ্ছি কিন্তু কিছুতেই উঠতে পারছি না।
এদিকে বাবা নানান রকম লোভ দেখিয়ে বলছে উঠে আসতে।
একটু পর আমার বাড়িতে অনেক মানুষ চলে আসলো।

ওদিকে মা কাঁদছে কেউ মাকে স্বান্ত্বনা দিচ্ছে কেউবা বাবাকে কেউ ভাই বোনকে নানান কথা বলে বুঝাচ্ছে।
একটু পরেই কয়েকজন এসে আমাকে খুব যত্ন করে বিছানা থেকে নামিয়ে লোহার শক্ত খাটিয়াই শুইয়ে দিলো।

আমি কাঁদছি আর বলছি আমার পিঠে খুব ব্যাথা লাগছে নামাও এখান থেকে।
কেউ আমার কথা শুনলো না।
একটু পর ঐ মানুষ গুলো গরম পানি নিয়ে এসে আমার শরীরে কিছুটা পানি ডেলে দিলো।
ঈশ আমার শরীর পুড়ে গেলো বলে চিৎকার করছি কেউ কথা শুনছে না আমার। আমাকে পরম যত্নে গরম পানি দিয়ে খুব সুন্দর করে ডলে ডলে ধুঁইছে।

আমি কাঁদছি আর বলছি আমাকে আর গরম পানি দিয়ো না,শরীর পুড়ে যাচ্ছে। আমায় আর ডলা দিয়ো না।
খুব ব্যাথা লাগছে কেউ শুনলোনা।
অনেক সময় নিয়ে গোসল করিয়ে আমার শরীর ভালো করে মুছে নিয়ে আসলো আমার বসার জায়গাতে।

আমি খুব খুশি হলাম ভাবলাম আমাকে এইবার এখানে বসাবে।
কিন্তু ওরা আমাকে না বসিয়ে কাঠের শক্ত একটা খাটে শুইয়ে দিলো।
একটা চাদরও নিচে দিলনা।
একটু পরে মা,বোন আরো কয়জন মিলে আমাকে একটা সাদা কাপড় পড়ালো।
মা অনেক আদর করে আমার মুখে হাত বুলাচ্ছে আর কাঁদছে।
এতো আদর কোনোদিন করেনি মা আমাকে।

আমি অনেক করে বললাম কান্না থামাতে কিন্তু কিছুতেই কান্না থামাচ্ছে না।
আমি এতো করে বলছি কেঁদো না।
মা কিন্তু কিছুতেই শুনছে না আমার কথা । একটু পর কয়েক জন এসে আমার পা আর মাথাটা বেঁধে দিলো কত বললাম একটু খুলে দাও বাঁধন কেউ শুনলো না।

মাকে সরিয়ে দিয়ে আমাকে নিয়ে যেতে লাগলো।মা কিছুতেই নিতে দিচ্ছে না আমাকে।
ভাই বোন সব চুপ হয়ে কাঁদছে আর কিছু বলছে না।
কত করে বলছি ডিস্টার্ব করিস না আমাকে একজনও শুনলো না।
কেঁদেই চলেছে।
একটু বেশি ঘুমালে বাবা বকা দিতো।
কিন্তু এখন বাবা চুপ করে দাঁড়িয়ে চোখের পানি মুছতেছে।
একটা বকাও দিলো না আমাকে।

মাকে জোর করে সরিয়ে দিয়ে কয়েক জন আমাকে নিয়ে অনেক মানুষের সামনে শুইয়ে দিলো একটা ছায়ায়।
তার পরেই জানাজা পড়লো আমার। জানাজা শেষেই নিয়ে গেলো আমায়। একটু দূরেই একটা মাটির গর্ত করে রাখছে।
বাবা আর ভাই, ২ জন মিলে মাটির গর্তে নেমে আমাকে কোলে তুলে নিয়ে ঐ ছোট মাটির গর্তে শুইয়ে দিলো।

একটা বালিশ, চাঁদর কিছু দিলো না।
একটা লাইটও দিলো না।
আমার পা আর মাথার কাছের বাঁধন গুলো খুলে দিয়ে আমার উপর খুব তাড়াহুড়া করে কিছু কাচা বাঁশ দিয়ে ঢেকে দিলো।
তার উপর আরো কি কি দিলো আমি কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।
যতই সময় যাচ্ছে মাটির গর্তটা অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে।

আমি চিৎকার করছি আর বলছি এখান থেকে আমাকে বের করো।
আমার খুব ভয় করছে।
কিছু দেখতে পাচ্ছি না।
একটু পরেই আমার উপর মাটি চাপা দিয়ে সবাই চলে যাচ্ছে।
আমি ডাকছি আর বলছি আমাকে একা রেখে যেওনা।
না কেউ শুনল না।
স্বার্থপরের মত সবাই চলে গেলো...!!!

কি ভাবছেন...???
মৃত্যুবরণ করবেন না...???
আরো রং তামাশা করার বাকি আছে...?

আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে ঈমানের সহিত মৃত্যু দান করুন...!!!

,,,,,,আমিন,,,

আরমানুর রহমান ✍️

24/09/2022

অভিনন্দন

Photos from 𝑵𝒂𝒕𝒖𝒓𝒆 𝑶𝒇 𝑩𝒆𝒂𝒖𝒕𝒚's post 23/09/2022
15/08/2022

#মাধ্যমিক_রসায়ন
#অধ্যায়_৭_রাসায়নিক_বিক্রিয়া
#উত্তর_বিশ্লেষণ (পার্ট - ৩)

=> তামা (Cu) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al) এর ক্ষয় রোধ:

লোহার তৈরি দ্রব্যাদি ছাড়াও তামা (Cu) এবং অ্যালুমিনিয়াম (Al) এর দ্রব্যাদি বাতাসের অক্সিজেন (O২) এর সংস্পর্শে এলে প্রথমে তাদের ওপর কপার অক্সাইড (CuO) ও অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড (Al২O3) এর একটি আস্তরণ পড়ে। পরে আর বাতাসের অক্সিজেন (O২) উক্ত আস্তরণ ভেদ করে তামা (Cu) এবং অ্যালুমিনিয়াম (Al) এর সংস্পর্শে আসতে পারে না। ফলে আর বিক্রিয়া সাধিত হয় না। সুতরাং তামা (Cu) এবং অ্যালুমিনিয়াম (Al) এর ক্ষয় সাধিত হয় না। এরুপে কপার অক্সাইড (CuO) ও অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড (Al২O3) যথাক্রমে তামা (Cu) এবং অ্যালুমিনিয়াম (Al) ক্ষয় হওয়া থেকে রক্ষা করে।

=> পিঁপড়া বা মৌমাছি 🐝 কামড়ে জ্বালা যন্ত্রনা করা:

পিঁপড়া বা মৌমাছি 🐝 অথবা এই ধরনের অন্যকোন কীট পতঙ্গ কামড়ালে ক্ষত স্থানে জ্বালা যন্ত্রনা শুরু করে। এর কারণ এদের হুলে এক ধরনের এসিড থাকে। ক্ষত স্থানে আমরা চুন লাগাই ফলে জ্বালা যন্ত্রনা নিবারণ হয়। এর কারণ চুন একটি ক্ষারক, যা ঐ এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে প্রশমিত করে। আমরা জানি যে প্রশমন বিক্রিয়ায় এসিড ও ক্ষারক বিক্রিয়া করে নিরপেক্ষ পদার্থ লবন ও পানি উৎপন্ন করে। আর এ কারণেই জ্বালা যন্ত্রনা কমে যায়।

=> শ্বসন বিক্রিয়া:

প্রতিটি প্রাণীর শরীরের প্রতিটি কোষে শ্বসন বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে থাকে। শ্বসনে মূলতঃ শর্করা অর্থাৎ গ্লুকোজ (C6H১২O6) অণু অক্সিজেন (O২) দ্বারা জারিত হয়ে কার্বনডাই অক্সাইড (CO২) পানি (H২O) এবং শক্তি উৎপন্ন করে।
C6H১২O6 + 6O২ ---------> 6CO২ + 6H২O + শক্তি

=> এসিডিটি:

মানুষের শরীরে হজম বা পরিপাক ক্রিয়ার জন্য পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) নির্গত হয়। কখনো কখনো অতিরিক্ত মাত্রায় HCl নির্গত হয়। তখন আমরা ব্যাথা অনুভব করি। একেই এসিডিটি বলে। এসিডিটি দূর করার জন্য আমরা সাধারণত এন্টাসিড জাতীয় ঔষধ সেবন করে থাকি। এন্টাসিড মূলতঃ ম্যাগ্নেশিয়াম হাইড্রোঅক্সাইড Mg(OH)2 ও অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোঅক্সাইড Al(OH)3 এই দুটি ক্ষারকের মিশ্রন। এই ক্ষারক অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) এর সাথে বিক্রিয়া করে প্রশমিত করে ফলে ব্যাথা হ্রাস পায়।

2HCl + Mg(OH)২ -------> MgCl২ + 2H২O

3HCl + Al(OH)3 ---------> AlCl3 + 3H২O

=> প্রাকৃতিক গ্যাস:
আমরা জ্বালানি হিসেবে যে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে থাকি তাতে বেশিরভাগই মিথেন (CH4) গ্যাস থাকে। মিথেন (CH4) গ্যাস কে অক্সিজেনে (O২) পোরালে কার্বনডাই অক্সাইড (CO২) , জ্বলীয় বাষ্প (H২O) এবং প্রচুর পরিমাণে তাপশক্তি উৎপন্ন হয়। সিএনজি, ডিজেল, পেট্রল, অকটেন, কেরোসিন ইত্যাদি জ্বালানি কে বাতাসের অক্সিজেন (O২) এ পোড়ালে একই ভাবে কার্বনডাই অক্সাইড (CO২), জ্বলীয় বাষ্প (H২O) এবং প্রচুর পরিমাণে তাপশক্তি উৎপন্ন হয়।

CH4 + 2O২ ----------> CO২ + 2H২O + তাপশক্তি

=> কিছু কিছু গ্রাসের চুলার পাতিলে কালি হয় কেন?

আমরা জ্বালানি হিসেবে যে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে থাকি তাতে বেশিরভাগই মিথেন (CH4) গ্যাস থাকে। মিথেন (CH4) গ্যাস কে অক্সিজেনে (O২) পোরালে কার্বনডাই অক্সাইড (CO২) , জ্বলীয় বাষ্প (H২O) এবং প্রচুর পরিমাণে তাপশক্তি উৎপন্ন হয়। কিন্তু যদি উক্ত স্থানে বাতাসে অক্সিজেন (O২) এর পরিমাণ কম থাকে তাহলে জ্বালানির অর্ধেক দহন সম্পন্ন হয় ফলে কার্বন এর কালো ধোঁয়া উৎপন্ন হয়। যার ফলে পাতিলের তলায় কালি হিসেবে কার্বনের স্তর পড়ে। নিচের বিক্রিয়া গুলো লক্ষ্য করলেই বোঝা যায়।

CH4 + 2O২ ----------> CO২ + 2H২O + তাপশক্তি

CH4 + 1.5O২ ---------> CO + 2H২O + তাপশক্তি

CH4 + O২ ----------> C + 2H২O + তাপশক্তি

=> লা-শাতেলিয়ার নীতি:

তাপ, চাপ কিংবা ঘনমাত্রার পরিবর্তনের ফলে বিক্রিয়ার হার বা গতিবেগ এবং সাম্যবস্থার অবস্থানের যে পরিবর্তন হয় তাঁর সম্পর্কে রসায়নবিদ লা-শাতেলিয়া একটি সুস্পষ্ট ধারণা ব্যাখ্যা করেছেন যাকে তাঁর নাম অনুসারে লা-শাতেলিয়ার নীতি বলা হয়।

=> সাম্যবস্থা:

উভমুখী বিক্রিয়ায় প্রাথমিক অবস্থায় বিক্রিয়ক পদার্থ বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিণত হতে থাকে। উৎপাদের ঘনমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকলে আবার উৎপাদ পদার্থ সমূহ বিক্রিয়া শুরু করে। তবে প্রথম দিকে বিক্রিয়ক পদার্থের ঘনত্ব বেশি থাকে বিধায় সম্মুখমুখী বিক্রিয়ার হার বা গতিবেগ বেশি থাকে। আস্তে আস্তে বিক্রিয়ক পদার্থের ঘনত্ব কমতে থাকে এবং উৎপাদের ঘনমাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে সম্মুখমুখী বিক্রিয়ার হার বা গতিবেগ কমতে থাকে এবং পশ্চাদমুখী বিক্রিয়ার হার বা গতিবেগ বাড়তে থাকে। এই পরিবর্তনের একসময় উভয় বিক্রিয়ার হার বা গতিবেগ সমান হয়ে যায়। বিক্রিয়ার এই অবস্থান কে সাম্যবস্থা বলে। রাসায়নিক বিক্রিয়ার এই অবস্থায় উৎপাদের পরিমাণ বিক্রিয়ার নিয়ামক (তাপমাত্রা, চাপ ও ঘনমাত্রা) পরিবর্তন দ্বারা প্রভাবিত হয়। যা লা-শাতেলিয়ার নীতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

13/08/2022

#মাধ্যমিক_রসায়ন
#অধ্যায়_৭_রাসায়নিক_বিক্রিয়া
#উত্তর_বিশ্লেষণ (পার্ট - ২)

=> আদ্র বা পানি বিশ্লেষণ বিক্রিয়া:
কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক হিসেবে পানি অন্য কোনো যৌগের সাথে বিক্রিয়া করে উৎপাদ উৎপন্ন করলে তাকে আদ্র বা পানি বিশ্লেষণ বিক্রিয়া বলে। যেমন:
SiCl4 + H২O ------> Si(OH)4 + 4HCl.
আদ্র বিশ্লেষণ বিক্রিয়ায় অনেক সময় অসচ্ছ দ্রবনীয় যৌগ উৎপন্ন করে। এ ক্ষেত্রে বিক্রিয়াটিকে অধঃক্ষেপন বিক্রিয়াও বলা যায়।

=> পানি যোজন বিক্রিয়া:
অনেক সময় দেখা যায়, আয়নিক যৌগগুলো কেলাস বা স্ফটিক গঠনের জন্য এক বা একাধিক পানির অণুর সাথে যুক্ত হয়। এ ধরনের বিক্রিয়া কে পানিযোজন বিক্রিয়া বলে। যৌগগুলোর সাথে যে কয়টি পানির অণু যুক্ত হয় তাদের কে কেলাস পানি বলে।
যেমন: কপার সালফেট এর সাথে পাঁচ অণু পানি যুক্ত হয়ে পেন্ট্রা হাইড্রেট কপার সালফেট উৎপন্ন হয়।
CuSO4 + 5 H২O -----> CuSO4, 5 H২O.

=> সমানুকরন বিক্রিয়া:
যদি দুটি যৌগের আণবিক সংকেত একই থাকে কিন্তু গাঠনিক সংকেত ভিন্ন হয় তবে তাদের কে পরস্পরের সমানু বলা হয়। একটি সমানু থেকে অপর একটি সমানু তৈরির প্রক্রিয়াকে সমানুকরন বিক্রিয়া বলে।
যেমন: H4N২CO আনবিক সংকেত দ্বারা ভিন্ন গাঠনিক সংকেত বিশিষ্ট দুটি যৌগকে প্রকাশ করা হয়। যৌগ দুটি হলো অ্যামোনিয়াম সায়ানেট (NH4CNO) ও ইউরিয়া (H২N-CO-NH২). এরা পরস্পরের সমানু। অ্যামোনিয়াম সায়ানেট কে তাপ দিলে ইউরিয়াতে পরিনত হয়।
তাপ
NH4CNO ---------------------> H২N-CO-NH২

=> পলিমারকরন বিক্রিয়া:
প্রভাবক, উচ্চ চাপ, ও তাপের প্রভাবে যখন এক বা একাধিক যৌগের অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণু পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে একটি বৃহদাকার অণু তৈরি করে তখন তাকে পলিমারকরন বিক্রিয়া বলে। এ ক্ষেত্রে বৃহদাকার অণুটিকে পলিমার অণু এবং ক্ষুদ্র অণুটিকে মনোমার অণু বলা হয়। যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অসংখ্য মনোমার থেকে পলিমার উৎপন্ন হয় তাকে পলিমারকরন বিক্রিয়া বলে।
1200 atm চাপে 200°C তাপমাত্রায় ও O২ প্রভাবকের উপস্থিতিতে ইথিলিনের অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণু যুক্ত হয়ে বৃহত পলিমার অণু পলিথিন উৎপন্ন করে। এই বিক্রিয়া কে ইথিলিনের পলিমারকরন বলে। এখানে n দ্বারা ইথিলিনের অসংখ্য অণুর সংখ্যা বোঝায়।
O২
n (CH২=CH২) ------------------------> (-CH২-CH২-)n
200°C, 1200 atm

=> লোহায় মরিচা পড়া:
লোহা বা আয়রন (Fe) বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে আদ্র ফেরিক অক্সাইড বা মরিচা তৈরি করে। এতে করে ধাতুর পৃষ্ঠতল ক্ষয় হয়। মরিচা ঝাঁঝরা জাতীয় পদার্থ হওয়ায় এর ভিতর দিয়ে বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্প ঢুকে লোহার পৃষ্ঠকে ক্রমাগত ক্ষয় করতে থাকে। এভাবে এক সময় লোহার তৈরি পুরো জিনিসটাই নষ্ট হয়ে যায়।

2Fe + 1.5 O২ + 3H২O ----------> 2Fe(OH)3

2Fe(OH)3 ------------> Fe২O3, nH২O.
n এর মান ১,২,৩ ইত্যাদি যে কোন পূর্ণ সংখ্যা হতে পারে।

27/07/2022

#মাধ্যমিক_রসায়ন
#অধ্যায়_৭_রাসায়নিক_বিক্রিয়া
#উত্তর_বিশ্লেষণ (পার্ট - ১)
=>১. ভৌত পরিবর্তন:
পদার্থ বাহ্যিক তাপ, চাপ ও অন্যান্য প্রভাবকের সংস্পর্শে পরিবর্তন হয়। পদার্থের এ পরিবর্তনের সময় যদি আনবিক গঠনের পরিবর্তন না হয় বা পদার্থের ধর্মের কোন পরিবর্তন না হয়ে শুধু আকার আকৃতির পরিবর্তন হয় তবে তাকে ভৌত পরিবর্তন বলে।
যেমন:
১. বরফ গলে পানিতে পরিবর্তন হয় আবার পানিকে তাপ দিলে বাষ্পে পরিণত হয়। কিন্তু সকল ক্ষেত্রে আনবিক গঠন ও সংকেত একই হয় তা H২0.
২. একপৃষ্ঠা কাগজ ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করা।
৩. একটি পেনসিল কেটে দুইভাগ করা।

২. রাসায়নিক পরিবর্তন:
যে প্রক্রিয়ায় এক বা একাধিক পদার্থ এর আনবিক গঠনের পরিবর্তন হয়ে এক বা একাধিক নতুন ধর্ম বিশিষ্ট পদার্থে পরিণত হয় তাকে রাসায়নিক বিক্রিয়া বলে। যেমন:
১. হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন মিলিত হয়ে পানি উৎপন্ন হয়। 2H২ + O২ = 2H২O.
২. কাগজ আগুনে পুড়ানো ইত্যাদি।

৩. রাসায়নিক বিক্রিয়া:
যে বিক্রিয়ার মাধ্যমে রাসায়নিক পরিবর্তন সংঘটিত হয় তাকে রাসায়নিক বিক্রিয়া বলে।

=>রাসায়নিক সমীকরণ:
মে সমীকরণের মাধ্যমে রাসায়নিক বিক্রিয়াকে উপস্থাপন করা হয় তাকেই রাসায়নিক সমীকরণ বলে। রাসায়নিক সমীকরণের সমান বা এরো চিহ্নের বামদিকের পদার্থ গুলোকে বিক্রিয়ক পদার্থ বলে এবং ডানদিকের পদার্থ গুলোকে উৎপাদ পদার্থ বলে।

=> বিক্রিয়ার দিকের উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়াকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. একমুখী বিক্রিয়া
২. উভমুখী বিক্রিয়া

১. একমুখী বিক্রিয়া:
যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক পদার্থ বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিনত হয় কিন্তু উৎপাদ পদার্থ পুনরায় বিক্রিয়া করে বিক্রিয়ক পদার্থে পরিণত হতে পারে না তাকে একমুখী বিক্রিয়া বলে। যেমন:

CaCO3 (s) CaO (s)+CO২ (s) খোলা পাত্রে

২. উভমুখী বিক্রিয়া:
যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক পদার্থ বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিনত হয় একই সাথে উৎপাদ পদার্থ পুনরায় বিক্রিয়া করে বিক্রিয়ক পদার্থে পরিণত হয় তাকে উভমুখী বিক্রিয়া বলে। যেমন:

CaCO3 (s) CaO (s) + CO২ (s) বদ্ধ পাত্রে

=> তাপের পরিবর্তনের উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়াকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. তাপোৎপাদী বিক্রিয়া
২. তাপহারী বা তাপশোষী বিক্রিয়া

১. তাপোৎপাদী বিক্রিয়া:
যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপ উৎপন্ন হয় তাকে তাপোৎপাদী বিক্রিয়া বলে। যেমন:
Fe
N২(g) + 3H২(g) 2NH3 (g) + 92 KJ
200-250 atm
450-550°C
অথবা,

Fe
N২(g)+3H২(g) 2NH3(g) ; ∆H= -92KJ
200-250 atm
450-550°C

২. তাপহারী বা তাপশোষী বিক্রিয়া:
যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক থেকে উৎপাদ উৎপন্ন হতে যদি তাপশক্তি হ্রাস পায় বা শোষিত হয় তাকে তাপহারী বা তাপশোষী বিক্রিয়া বলে। যেমন:

N২ (g) + O২ (g) 2NO (g) - 180KJ

অথবা,

N২ (g) + O২ (g) + 180KJ 2NO (g)

অথবা,

N২ (g) + O২ (g) 2NO (g) ; ∆H=180 KJ

=> ইলেকট্রনের স্থানান্তরের উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়াকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. Redox বা জারন-বিজারন বিক্রিয়া
২. Non-Redox বিক্রিয়া

১. Redox বা জারন-বিজারন বিক্রিয়া:
সাধারণত যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান হয় তাকে Redox বা জারন-বিজারন বিক্রিয়া বলে।
বিজারন এর ইংরেজি শব্দ Reduction হতে Red এবং জারন এর ইংরেজি শব্দ Oxidation হতে Ox নিয়ে গঠিত শব্দ Redox. যার অর্থ হচ্ছে জারন-বিজারন। ইলেকট্রনের স্থানান্তরের মাধ্যমে জারন-বিজারন বিক্রিয়া সংঘটিত হয়। যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন ত্যাগ বা বর্জন করে তাকে বিজারক পদার্থ বলে এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক পদার্থ বলে। যেমন:

Zn + CuSO4 ---------> ZnSO4 + Cu

২. Non-Redox বিক্রিয়া:
যে সকল রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে না তাকে Non-Redox বিক্রিয়া বলে। এই বিক্রিয়ায় কোন বিক্রিয়ক পরমাণুর জারন সংখ্যা পরিবর্তন হয় না।

* প্রশমন বিক্রিয়া:
প্রশমন বিক্রিয়া একটি Non-Redox বিক্রিয়া। যে বিক্রিয়ায় এসিড ও ক্ষার বিক্রিয়া করে লবন ও পানি উৎপন্ন করে তাকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে। যেমন:

HCl (aq) + NaOH (aq) -----> NaCl (aq) + H২O

* অধঃক্ষেপন বিক্রিয়া:
অধঃক্ষেপন বিক্রিয়া একটি Non-Redox বিক্রিয়া। একটি নির্দিষ্ট দ্রাবকে দ্রবণীয় দুটি যৌগকে মিশ্রিত করার পর ঐ দ্রাবকে অদ্রবণীয় বা স্বল্প দ্রবণীয় নতুন যৌগ উৎপন্ন হলে যৌগটি বিক্রিয়া পাত্রের তলদেশে কঠিন পদার্থ হিসেবে জমা হয় একে অধঃক্ষেপ বলে। যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উৎপন্ন যৌগ অধঃক্ষেপ হিসেবে পাত্রের তলদেশে জমা হয় তাকে অধঃক্ষেপন বিক্রিয়া বলে। যেমন:

NaCl(aq)+AgNO3(aq)----->NaNO3(aq)+AgCl(s)¥

অসমাপ্ত...

22/07/2022

#মাধ্যমিক_রসায়ন_বিজ্ঞান:-
#অধ্যায়_৭
#রাসায়নিক_বিক্রিয়া:
আজ এই অধ্যায়ের বেসিক শুধু উল্লেখ করছি আমি। পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে ইনশাআল্লাহ!

যে সকল উত্তর আমাদের জানতে হবে?
১. ভৌত পরিবর্তন
২. রাসায়নিক পরিবর্তন
৩. রাসায়নিক বিক্রিয়া
৪. বিক্রিয়ার শ্রেণী বিভাগ
৫. বিক্রিয়ার দিকের উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়া কে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়:
=> একমুখী বিক্রিয়া
=> উভমুখী বিক্রিয়া

৬. তাপের পরিবর্তনের উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়া কে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়:
=> তাপোৎপাদী বিক্রিয়া
=> তাপহারী বা তাপশোষী বিক্রিয়া

৭. ইলেকট্রনের স্থানান্তরের উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়া কে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়:
=> Redox বা জারন-বিজারন বিক্রিয়া
=> Non Redox বিক্রিয়া

৮. Redox বিক্রিয়া শ্রেণী বিভাগ
=> সংযোজন বিক্রিয়া
=> বিয়োজন বিক্রিয়া
=> প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া
=> দহন বিক্রিয়া

৯. বিভিন্ন ধরনের Non Redox বিক্রিয়া
=> প্রশমন বিক্রিয়া
=> অধঃক্ষেপন বিক্রিয়া

১০. আরো কিছু বিক্রিয়া আছে যা উপরেল্লিখিত বিক্রিয়ার অন্তর্গত নয়:
=> আদ্র-বিশ্লেষণ বা পানি-বিশ্লেষণ বিক্রিয়া
=> পানি যোজন বিক্রিয়া
=> সমানুকরন বিক্রিয়া
=> তড়িৎ বিশ্লেষণ বিক্রিয়া
=> পলিমারকরন বিক্রিয়া
ইত্যাদি

১১. বিক্রিয়ার গতি
=> ধীর গতি সম্পন্ন বিক্রিয়া
=> মধ্যগতি সম্পন্ন বিক্রিয়া
=> উচ্চ বা দ্রুতগতি সম্পন্ন বিক্রিয়া

১২. লা-শাতেলিয়ার নীতি।

১৩. বিক্রিয়ার সাম্যবস্থা

১৪. বিক্রিয়ার সাম্যবস্থার উপর প্রভাবক
=> তাপমাত্রা
=> চাপ
=> ঘনমাত্রা
=> বিক্রিয়কের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল
এবং
১৫. জারন-বিজারন একটি যুগপৎ ক্রিয়া।

18/07/2022

#২০২২আগস্টে বন্যার আশঙ্কা, সেপ্টেম্বরে শুরু এসএসসি পরীক্ষা

বন্যার জন্য স্থগিত হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগস্টেও অনুষ্ঠিত হবে না। আগামী মাসেও বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ কারণে সেপ্টেম্বরে হবে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।

রোববার (১৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। আর ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের বই দেয়া হবে। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের চিহ্নিত করা গেছে। দীর্ঘ সময় ধরে এবার পরীক্ষা নেয়া হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address

Gazipur
Dhaka