BD Tech World

BD Tech World

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BD Tech World, Education, Dhaka.

BD Edu Tech World এ আমরা রাজধানী ঢাকা সহ বিভিন্ন নাম করা স্কুলের ভর্তির বিজ্ঞপ্তি সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করি এবং সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে ভর্তি হওয়ার গাইডলাইন প্রদান করি, এছাড়াও বাংলাদেশের যে কোন স্কুলের অনলাইনে ভর্তির আবেদন করে থাকি।

05/05/2026

Admission Notice

Canadian International School Bangladesh ২০২৬–২০২৭ সেশনের জন্য ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বিস্তারিত জানতে নোটিশ দেখুন।

Play, Nursery, KG ও One ক্লাসের ভর্তি প্রস্তুতির প্যাকেজ নিতে আমাদের Inbox অথবা WhatsApp করুন।

03/05/2026

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬:
Pledge Harbor International School ২০২৬–২০২৭ সেশনের জন্য ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

📄 বিস্তারিত জানতে নোটিশ দেখুন।

02/05/2026

ডেডলাইন নোটিশ !!

"A. G. Church School, Dhaka"- ২০২৬-২৭ সেশনের জন্য প্লে শ্রেণির (ইংরেজি মিডিয়াম) ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ।✅

ফর্ম সংগ্রহের লাস্ট ডেটঃ আগামীকাল - ০৩ মে, ২০২৬

সময়ঃ সকাল ৯ঃ০০টা থেকে দুপুর ১২ঃ০০টা

01/05/2026

প্রায় ১৫-২০ হাজার স্টুডেন্ট প্রতি বছর কেমেস্ট্রি, বায়োকেমেস্ট্রি, বায়োটেকনোলজি, ফার্মেসি সহ এসব বিষয়ে পাশ করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, তাদের বেশিরভাগই খুব সামান্য স্কিল নিয়ে বের হয়।

কয়জন স্টুডেন্ট একটা সামান‍্য সিনথেসিস করে? কয়জন স্টুডেন্ট একটা TLC, Column Chromatography, NMR, LC-MS, UPLC করে? কয়জন স্টুডেন্ট Western blot করে? প্রোটিন পিউরিফিকেশন করে? কয়জন স্টুডেন্ট, Cell culture, এনজাইম বা সেল বেইসড Assay করে? ফার্মেসির কয়জন স্টুডেন্ট Plasma Protein Binding বা liver microsome stability assay করে?

এমন আরো অনেক এক্সপেরিমেন্ট আছে। আমি যাস্ট কয়েকটা বললাম। অন‍্যান‍্য ফিল্ডেও তাদের উপযোগী বহু টেকনিক আছে, টুলস আছে—যেগুলো স্টুডেন্টদের শেখাতে হয়। দেখাতে হয়।

প্রত‍্যকোটা ফিল্ডে অনেক সফ্টওয়্যার ব‍্যবহার হয় এখন। কতোজন স্টুডেন্ট এসব সফ্টওয়্যার ব‍্যবহার করতে জানে? তার উপর এখন এআই আছে। কতোজন স্টুডেন্ট নিত‍্য নতুন এআই মডেলগুলো সম্পর্কে ধারনা রাখে? টুলসগুলো ব‍্যবহারের সুযোগ পায় কয়জন?

সামান‍্য স্কিল না দিয়েই আমরা স্টুডেন্টদের সনদ দিয়ে বিদায় করছি। ঠিক একই সময়ে ওর লেভেলের একজন চাইনিজ স্টুডেন্ট এসব স্কিলসেট নিয়ে বের হচ্ছে। কোরিয়া, জাপান কিংবা ইউরোপের স্টুডেন্টরা এসব শিখে বের হচ্ছে। তাহলে বিশ্বের সাথে আমরা কি করে পারবো?

আমাদের স্টুডেন্টদের ক্রিটিক্যাল থিংকিং কি করে গ্রো করবে? কি করে ওরা বুঝবে, কেন একটা বিষয় পড়ছে? সেটার গুরুত্ব কি করে বুঝবে? পড়াশুনায়, এক্সপেরিমেন্টাল স্কিল সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। প্রায়োগিক বিষয় শেখানো খুবই জরুরি। তাহলে স্টুডেন্টরা বুঝতে পারে কেন পড়ছে! তারা প্রশ্ন করতে শেখে। তারা একটা বিষয় থেকে অনেকগুলো বিষয় অনুধাবন করতে পারে। জ্ঞানকে প্রসারিত করার সুযোগ পায়। তা না হলে, শুধু পাশ করার জন‍্য পড়ে!

যুগের পর যুগ আমরা শুধু স্টুডেন্টদের সনদ দিয়ে বের করছি। বইয়ের পড়াশুনাকে বইয়ের পাতার বাইরের জগতের সাথে কানেক্ট করার কোন সুযোগই আমাদের স্টুডেন্টদের দেয়া হয়না। এমনই এক শিক্ষা ব্যবস্থা। —আছে কারো মাথাব্যথা? অথচ, অর্থ অপচয়ের যতো সহস্র রাস্তা আছে, আমার বের করি।
…………………
RAUFUL ALAM
গোড়া থেকেই দেশের শিক্ষার মান সম্পর্কে ধারণা দেয় ছবির রিপোর্ট।

24/04/2026

আবারও Rajuk Uttara Model College (রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ) - ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে শূন্য আসন সাপেক্ষে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণিতে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ!

ভর্তির আবেদন শুরু ১৮ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৫ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত।

আরও বিস্তারিত জানতে নোটিশ চেক করুন। ✅

ভর্তির প্রিপারেশনের জন্য আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন: 01741-590073

22/04/2026

১৪ মে প্রকাশ করা হবে ৫ম শ্রেণির প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এর ফলাফল।

22/04/2026

০–৫ বছর কেন ব্রেইনের জন্য অলৌকিক সময় কেন?

চাইল্ড ব্রেইন ম্যাজিক:

আমরা অনেক সময়ই ভাবি, শিশু তো এখনো খুব ছোট, পড়াশোনা শুরু করবে পরে, শেখা শুরু হবে স্কুলে। কিন্তু আধুনিক নিউরোসায়েন্স আমাদের এমন এক গভীর সত্য জানায়, যা জানলে বাবা–মা হিসেবে দৃষ্টিভঙ্গি পুরো বদলে যাবে আপনাদের।

মানুষের জীবনের ব্রেইনের মূল ভিত্তি গড়ে ওঠে জন্ম থেকে ৫ বছরের মধ্যেই। এই সময়টা ব্রেইনের জন্য কোনো সাধারণ সময় নয় এটা একেবারে একটি Golden Window। এই জানালাটা একবার বন্ধ হয়ে গেলে, পরে আর কখনো একই শক্তি, একই গতিতে ব্রেইন গড়া সম্ভব হয় না।

এই সিরিজের লক্ষ্য একটাই এই ৫ বছরে কীভাবে সচেতনভাবে শিশুর ব্রেইনকে সুপার একটিভ করা যায়, যাতে সে ভবিষ্যতে আবেগিকভাবে সুস্থ, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে শক্তিশালী ও সত্যিকারের “জিনিয়াস” হয়ে উঠতে পারে।

এই পর্বে দারুন কিছু অজানা বিষয় জানবো, চলুন জেনে নেই💁‍♀️

১. Synaptogenesis: নিউরন কানেকশনের বিস্ফোরণ

জন্মের সময় একটি শিশুর ব্রেইনে থাকে প্রায় ৮৬ বিলিয়ন নিউরন। সংখ্যার দিক থেকে প্রায় একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের মতোই। কিন্তু আসল ম্যাজিকটা লুকিয়ে আছে অন্য জায়গায়। পার্থক্যটা নিউরনের সংখ্যায় নয়, নিউরনের সংযোগে (Synapse)। ০–৩ বছরে শিশুর ব্রেইনে প্রতি সেকেন্ডে ৭০০–১০০০টি নতুন Synapse তৈরি হয়। প্রতিদিন তৈরি হয় লক্ষ লক্ষ নিউরাল কানেকশন। ৩ বছর বয়সে শিশুর ব্রেইনে Synapse থাকে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের থেকেও বেশি। এই ঘটনাকেই বলা হয় Synaptogenesis Explosion। একবার ভাবুন কতটা গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।

কিন্তু এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সত্যটি আসে। সব কানেকশন রাখা হয় না। যেগুলো বারবার ব্যবহার হয়, কথা, খেলাধুলা, স্পর্শ, চোখে চোখে যোগাযোগ সেগুলো শক্ত হয়। আর যেগুলো ব্যবহার হয় না, সেগুলো ধীরে ধীরে কেটে ফেলা হয়। একে বলা হয় Synaptic Pruning। তাই যা ধরে রাখতে চান তার পুনরাবৃত্তি আবশ্যক, নাহয় ব্রেইন নিজেই ছেটে ফেলবে। অর্থাৎ শিশুর ব্রেইন স্পষ্টভাবে বলে:“যেটা তুমি ব্যবহার করছো, সেটাকেই আমি ভবিষ্যতের জন্য রেখে দিচ্ছি।” এই কারণেই বাবা–মায়ের প্রতিদিনের ছোট কাজ, কথা বলা, গল্প শোনানো, খেলায় অংশ নেওয়া, শিশুর ব্রেইনের গঠন বদলে দেয়।

২. Brain Plasticity: ব্রেইনের নিজেকে বদলে নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা( এটা একটা ম্যাজিক পাওয়ার)

০–৫ বছরে ব্রেইনের আরেকটি অলৌকিক ক্ষমতা হলো Neuroplasticity মানে, অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে ব্রেইনের নিজেকে নতুনভাবে গড়ে নেওয়ার শক্তি। এই বয়সে কোনো অভিজ্ঞতা শুধু স্মৃতি হয়ে থাকে না, বরং: প্রতিটি অভিজ্ঞতা ব্রেইনের সার্কিট, রাস্তা আর স্ট্রাকচার বদলে দেয়। হা ব্রেইন চেইঞ্জ হবার ক্ষমতা রাখে। যদি একটি শিশু, নিরাপদ কোলে বড় হয়, তার ব্রেইনে নিরাপত্তার সার্কিট তৈরি হয়। নিয়মিত কথা শোনে তবে ভাষা ও চিন্তার সার্কিট তৈরি হয়। অবহেলা বা ভয় পায় তবে স্ট্রেস ও ভয়ের সার্কিট শক্ত হয়। তারমানে বুঝতে পারছেন কেন ০-৫ বছর এতো গুরুত্বপূর্ণ। হার্ভার্ডের Center on the Developing Child বলছে: “Early experiences literally shape brain architecture.” তাই বাচ্চার সমস্ত আচরন ৫ বছর এর মধ্যে খেয়াল করুন ডেভলপমেন্টাল কোনো সমস্যা থাকলেও তা যত দ্রুত ধরা পরবে ব্রেইনের নিউরোপ্লাসটিসিটি ক্ষমতা দিয়ে তা ততো সঠিকভাবে সমাধান করা সম্ভব তবে ৭ বছরের পরে অনেকটাই অসম্ভব হয়ে দাড়ায়।

তাই এই বয়সে বাবা–মা আসলে শুধু বাচ্চা বড় করছেন না, তারা একটি মানুষের ব্রেইনের নকশা আঁকছেন। আপনি হয়তো ভাবছেন ছোট কি হবে?. এখন সে একটা টেপ রেকর্ডার সব রেকর্ড করছে। আমাদের কম্পিউটার সায়েন্সের ভাষায় বললে সব ইনপুট নিচ্ছে, process করে ভবিষ্যতে আউটপুট দেবে। তাই এই সময় হেলায় হাড়াবেন না। গুরুত্ব দিন।

৩. Serve & Return Theory: সম্পর্কই ব্রেইনের সবচেয়ে বড় খাবার( ব্রেইন কে আকার দেবার প্রাথমিক হাতিয়ার বলা যায়)

অনেকে মনে করেন ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট মানে বই, খেলনা, কোচিং। কিন্তু নিউরোসায়েন্স স্পষ্টভাবে বলে: শিশুর ব্রেইন সবচেয়ে বেশি গড়ে ওঠে মানুষের সাথে সম্পর্কের ভেতর দিয়ে। হা " It's build biologically in our system". তাই হিউম্যান ইন্টারেকশনে ফোকাশ বাড়ান।

Serve & Return মানে কী?

শিশু কিছু করে (Serve): তাকায়, শব্দ করে, হাসে, কাঁদে। বড়রা সাড়া দেয় (Return): কথা বলে, হাসে, কোলে নেয়, প্রতিক্রিয়া দেখায়।

এই ছোট ছোট মুহূর্তেই তৈরি হয়, ভাষার সার্কিট,
আবেগ নিয়ন্ত্রণের সার্কিট। Prefrontal Cortex–এর ভিত্তি (যা সিদ্ধান্ত, মনোযোগ ও আত্মনিয়ন্ত্রণের জন্য দায়ী)। যখন শিশুর সংকেতে কেউ সাড়া দেয় না: ব্রেইন শেখে দুনিয়াটা নিরাপদ না। কর্টিসল (stress hormone) বাড়ে। শেখার ক্ষমতা কমে যায়। তাই কেবল খেলনা বা স্ক্রিন নয়। আপনিই আপনার শিশুর সবচেয়ে শক্তিশালী ব্রেইন স্টিমুলাস।

৪. Emotion ছাড়া Learning হয় না, একটি অজানা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সত্য

শিশুর ব্রেইনে আবেগ (Limbic System) আর শেখা (Prefrontal Cortex) আলাদা সিস্টেম নয়। যখন শিশু ভয় পায়, লজ্জা পায় বা চাপ অনুভব করে তখন চিন্তার ব্রেইন বন্ধ হয়ে যায়। আর যখন সে নিরাপদ, আনন্দিত ও সংযুক্ত বোধ করে তখন শেখা হয় সবচেয়ে দ্রুত। গবেষণায় দেখা গেছে: Emotionally secure শিশুরা ভাষা, স্মৃতি, সমস্যা সমাধান ও সৃজনশীলতায় অনেক এগিয়ে থাকে। অর্থাৎ, ভালোবাসা ছাড়া “জিনিয়াস ব্রেইন” সম্ভব নয়। তাই আমার পোস্টে সবসময় বলি ০-৫বছর যত পারুন সন্তানকে ভালোবাসুন। এটা খুবি গুরুত্বপূর্ণ।

বাবা–মা কীভাবে শিশুর ব্রেইনকে সুপার একটিভ করবেন?

এই ৫ বছরে কোনো কঠিন ট্রেনিং দরকার নেই। দরকার সচেতন উপস্থিতি। প্রতিদিন কথা বলা ও শোনা( এমনভাবে বলুন, যেন সে আপনার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ বা তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন সেটা সে বোঝে)। খেলতে খেলতে শেখানো। আবেগকে সম্মান করা ( ইমোশন রেগুলেশন শেখানো)। ভয় নয়, নিরাপত্তা তৈরি করা।একঘেয়েমি ভেঙে নতুন অভিজ্ঞতা দেওয়া ( যত নতুন নতুন অভিজ্ঞতা ততো নতুন নতুন কানেকশন)। এই ছোট কাজগুলোই ব্রেইনের ভেতরে শক্তিশালী নিউরাল হাইওয়ে তৈরি করে। তাই শিশুকে নিয়ে নতুন নতুন জায়গায় যাওয়া, নতুন নতুন অভিজ্ঞতা দেয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।

০–৫ বছরে আপনি যা দিচ্ছেন ভালোবাসা, সময়, কথা, সংযোগ সেগুলোই শিশুর ব্রেইনের স্থায়ী ভিত্তি হয়ে যায়। তাই এই সময়টা গুরুত্ব দিন🙏

এই সিরিজের লক্ষ্য কোনো চাপ তৈরি করা নয়। লক্ষ্য একটাই বাবা–মাকে ক্ষমতাবান করা, যেন তারা সচেতনভাবে একটি সুস্থ, বুদ্ধিমান, আবেগিকভাবে শক্তিশালী ও সত্যিকারের জিনিয়াস প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন। কারণ ভবিষ্যৎ সঠিকভাবে তৈরি হয় আজকের ছোট ছোট সিদ্ধান্তে।
বাচ্চাদের ব্রেন এক্টিভিটি বাড়ানোর চমৎকার সব খেলনা পাওয়ার জন্য এখনই আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন: 01741-590073
ধন্যবাদ।

17/03/2026
Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Dhaka