কেমন হলো বাংলা পরীক্ষা?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও গাইডলাইন
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও গাইডলাইন, Dhaka.
"This is an admission-based educational page where you will find university admission-related videos, tips, and tricks — including guidance for DU Admission, B Unit, B+D Unit, Public University Admission, RU, JnU, JU, BUP, and many more."
21/04/2026
Shuvo kamona Folks. 😛😛
লেখা পড়া করে যেই,
গাড়ি ঘোরা চড়ে সেই-
গাড়ি ঘোরা চড়া আর চালানোর মধ্যে ফারাক আছে।
বেছে নিতে কোনটা চাও তুমি-
নইলে?
20/04/2026
আগামীর কাণ্ডারি এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য এক বুক শুভকামনা! 🌟
দীর্ঘ দশ বছরের স্কুল জীবনের পাঠ চুকিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে তোমাদের প্রথম বড় চ্যালেঞ্জ— এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এটি কেবল একটি পরীক্ষা নয়, বরং তোমাদের স্বপ্নের সিঁড়ির প্রথম ধাপ।
দেশের প্রতিটি কোণা থেকে পরীক্ষায় বসতে যাওয়া আমার ছোট ভাই-বোনদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা। তোমরা তোমাদের সেরাটা দিয়ে প্রস্তুতি নিয়েছো, এখন শুধু শান্ত মাথায় তা পরীক্ষার খাতায় লিখে আসার সময়। 🖋️📖
✍️
💡 শেষ মুহূর্তের কিছু টিপস:
প্রবেশপত্র ও সরঞ্জাম:
অ্যাডমিট কার্ড, রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং প্রয়োজনীয় কলম-পেন্সিল আজ রাতেই গুছিয়ে রাখো।
🪀শান্ত থাকা:
পরীক্ষার হলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। প্রশ্ন হাতে পেয়ে ভালো করে পড়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
পর্যাপ্ত বিশ্রাম:
আজ রাতে অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা ঘুম খুব জরুরি, যাতে কাল মস্তিস্ক সজাগ থাকে।
তোমাদের এই পরিশ্রমের ফল আসুক সাফল্যের রঙে। প্রতিটি পরীক্ষার্থী যেন তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে, সেই কামনাই করি। 🚩
"সফলতা মানেই শেষ নয়, আর ব্যর্থতা মানেই মৃত্যু নয়; আসল হলো এগিয়ে যাওয়ার সাহস ধরে রাখা।"
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও গাইডলাইন
#এসএসসি_পরীক্ষা #শুভকামনা #শিক্ষার্থী
#শুভকামনা #এইচএসসি_পরীক্ষা #শিক্ষা_সহায়ক #স্বপ্নের_পথে
মিলন স্যার আসার আগে ও পরে বাংলার ছাত্রসমাজের অবস্থা!
12/04/2026
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের কত সহস্র গল্প যে আমাদের অজানা, তা তো আর বলে কয়ে গুনে শেষ করা যাবে না।
আজকে ছোট্ট একটি গল্প চোখে পড়লো।
যুদ্ধ তখন গড়িয়েছে এপ্রিল মাসে, আমেরিকার অনুমতিতে শুরু করা গণ*হ*ত্যায় অ**স্ত্রের প্রয়োজন পড়ায় পাকিস্তানকে অ**স্ত্র সাপ্লাই দিচ্ছিলো আমেরিকা। ১৯৭১ সালের ৭ই এপ্রিল আমেরিকার ফিলাডেলফিয়া থেকে একটি জাহাজ অ**স্ত্র নিয়ে পাকিস্তান যাচ্ছিল। বাংলার মাটিতে হ*ত্যা**যজ্ঞে মেতে ওঠা পাকিস্তানি হায়েনাদের হাতে এই অ**স্ত্র পৌছে দিতে জাহাজের নাবিকদের আদেশ দেয়া হয়।
সুলতানা নামের এক বাঙালী তরুণী তখন আমেরিকায় পড়াশুনা করছিলো। ফিলাডেলফিয়ার এক ইউনিভার্সিটিতে পি এইচ ডি করছিল মেয়েটি। পত্র পত্রিকায় বাংলার মাটিতে গ*ণ*হত্যার এই সংবাদে ভেঙে পড়া তরুণীটি কীভাবে যেন টের পেয়ে যায়, তার ফিলাডেলফিয়ার বন্দর থেকেই অ*স্ত্র যাচ্ছে বাংলার মাটিতে। । সে তার কিছু বন্ধুদের সাথে নিয়ে সেই জাহাজ যাতে ফিলাডেলফিয়া থেকে পাকিস্তান না যেতে পারে সেটা নিয়ে প্রতিবাদ করেবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বিদেশ বিভুইয়ে একা বাঙালী এক তরুণী চাইলেই তো এসব সম্ভব হলো না।
তবুও তিনি তার বন্ধুদের এই ছোট্ট দল নিয়ে প্রতিবাদে সরব হলেন।
একটা ছোট ডিঙি নৌকা নিয়ে তারা জাহাজের আসে পাশে ভেসে ভেসে প্রতিবাদ করতে লাগলেন। ্ধীরে ধীরে তার বন্ধুরা সরব হলো। তারা বিশাল জাহাজের পাশে ছোট্ট কয়েকটি ডিঙ্গি নিয়ে তাদের প্রতিবাদ চালাতে লাগলেন। এই প্রতিবাদ নজরকাড়ে স্থানীয় সকল নাবিক ও খালাসিদের।
কয়েকদিন পরেই আমেরিকায় খালাসিদের সংগঠনের এক অনুষ্ঠানে একজন বাংলাদেশী মেয়ে হিসেবে সুলতানা নামের এই তরুণী কথা বলার অনুরোধ জানায়। কোনো এক দৈব কারণে তাকে কথা বলার জন্য কিছুটা সময় দেয়া হয়। মানবতার উপরে, নিরীহ বাঙালীদের উপরে ন্যাক্কারজনক এই গ*ণহত্যা নিয়ে হৃদয় নিংড়ানো এক বক্তব্যে খালাসিদের মন জয় করে নেন এই তরুণী।
সাথে সাথে আমেরিকান জাহাজের খালাসিরা সিদ্ধান্ত নেয় তারা সেই জাহাজে অ*স্ত্র তুলবেও না, নামাবেও না।
একজন বাঙালী নারীর এই ছোট্ট কিন্তু সাহসী প্রতিবাদে হয়তো সে যাত্রায় বড় অ*স্ত্রের চালান আটকে যায়।
কে ছিলেন এই তরুণী সুলতানা?
এই সুলতানাই নাকি আজকের ৮৬ বছর বয়সের জাতীয় নানী, যার কারনে বাংলাদেশ রোনান এবং ডেকলেন সালিভানকে বাংলাদেশ ফুটবল দলের খেলোয়াড় হিসেবে দলে পেয়েছে।
এই সুলতানাকে একটি ক্যাফেতে পাওয়া, ডেকলান সুলিভানের নিকট যাওয়া, বাংলাদেশের হয়ে খেলার প্রস্তাব দেয়া ও সাড়া পাওয়া এবং বাংলাদেশের হয়ে খেলে সাফ ট্রফি এনে দেয়া, পুরো বিষয়টিকেই এতদিন একটি কাল্পনিক রুপকথার গল্প মনে হচ্ছিলো। কিন্তু আজকে মনে হচ্ছে, এ তো ডিভাইন ডেসটিনি। ডেকলান, রোনান সুলিভানরা বাংলাদেশের না হয়ে আর খেলতেন কীভাবে?
২০১৬ সালে এই ঘটনার উপরেই একটি ডকুমেন্টারি তৈরী করেন বাঙালী আমেরিকান প্রবাসী আরিফ ইউসুফ। আজকে তার স্ত্রীর ছোটভাই এই রিলেটেড একটি পোস্ট দিয়েছেন ফেসবুকে।
কমেন্টে ডকুমেন্টারিটির ট্রেইলার লিংক দেয়া হলো।
ছবিতে আলাদা ক্যাপশন আছে।
06/04/2026
ছেলেটার নাম বায়েজিদ।
হামে আক্রান্ত হয়ে ভেন্টিলেশনে থাকার কারণে বায়েজিদ মুখে কিছু বলতে পারত না। তাই নিজের কথাগুলো জানাত কাগজে লিখে, কখনো বা হাতের ইশারায়।
গতকাল সে লিখেছিল—
'আম্মু, আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাও… না হলে আমার লাশ নিয়ে যেতে হবে।'
আজ সন্ধ্যায় সে আবার লিখে রেখেছে—
'আম্মু, রাতে আইসো… কাল সকালে শরীর মুছে দিবা।'
কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! আজ রাতই হয়ে গেল বায়েজিদের শেষ রাত।
কোনো দেশের কোনো সুস্থ সবল মানুষ কীভাবে পারে, জীবন বাচানোর টিকা না কিনতে।
কীভাবে পারে পুরো দেশকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে?
হে খোদা, ওদের উপর লানত বর্ষাও।
05/04/2026
📍 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ভবন, ১৯৩২
বর্তমান সায়েন্স লাইব্রেরির অবস্থান থেকে তোলা এই ঐতিহাসিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে সে সময়ের মূল ভবন। তখনকার সময়ে বর্তমান Dhaka Medical College ভবনটি ছিল University of Dhaka-এর অংশ।
🖼️ সাদাকালো এই ছবিটিকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে রঙিন করা হয়েছে, তবে মূল কাঠামো ও ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
📚 সোর্সঃ কনভোকেশন স্মরণিকা, ১৯৩২
প্রীয় HSC 26 Batch,
খোজ খবর রাখছো তো? মন্ত্রী মহোদয়ের কথাবার্তা শুনছো তো?
পড়াশুনা করছো তো?
যারা ব্যাকবেঞ্চার আছো, যারা পড়াশুনা করছো না, করতে ইচ্ছে করছে না, তাদের জন্য উপহার, নাও।
আমাদের দেশে সেই ছেলে হবে কবে,
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।।
কুসুমকুমারী দাশ বলে গেছেন, আজ তা স্কুলের ছেলেপেলেরা বুঝিয়ে দিচ্ছে।
চিন্তাভাবনা জেন জি কতটা এগিয়ে, এই বাচ্চাটির কথা শুনলেই বোঝা যায়।
জ্বালানি খরচ বাচাতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইনে এবং ৩ দিন সশরীরে ক্লাস।
~ শিক্ষা মন্ত্রণালয়
HSC-26 Batch:
এত পইড়া লাভ আছে? পরিক্ষার আগের রাতে কূ বায়ে দেবো।
এসব বলে বলে পয়াড়্র সময় নষত করো না। পরিক্ষার আগে এত প্রেশার দিলে মাথা হ্যাং হয়ে যাবে। এর মত অবস্থা হবে।
সো, বি কেয়ারফুল।
JSC, SSC & HSC
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
1205