10/06/2026
📢 মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
বাসায় পড়াতে আসা প্রাইভেট টিউটর, কোচিং শিক্ষক বা মাদরাসার হুজুরদের পারিশ্রমিক মাসিক নয়, বরং ঘন্টাভিত্তিক বা ক্লাসভিত্তিক নির্ধারণ ও প্রদানের বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়নের অনুরোধ জানাচ্ছি।
বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, একজন শিক্ষক মাসের শুরুতে পড়ানো শুরু করেন। ১২-১৬ দিন পড়ানোর পরও পুরো মাসের বেতন দাবি করা হয়। আবার কোনো কারণে পড়ানো বন্ধ হয়ে গেলে ২-৩ মাস পরেও পূর্বের মাসগুলোর সম্পূর্ণ বেতন দাবি করা হয়।
এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অনেক সময় বলা হয়, “স্কুল-কলেজ বা মাদরাসায় ভর্তি হলে ছাত্র যাক বা না যাক, মাসিক বেতন দিতে হয়।”
কিন্তু একটি প্রাইভেট টিউশন কি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান? একজন টিউটর বা হুজুর কি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন? যদি সেবা প্রদান না করা হয়, তাহলে অনুপস্থিত সময়ের জন্য পারিশ্রমিক দাবি কতটা যৌক্তিক?
আমরা বিশ্বাস করি, উভয় পক্ষের স্বার্থ রক্ষার জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন, যেখানে—
✅ ক্লাসভিত্তিক বা ঘন্টাভিত্তিক পারিশ্রমিকের ব্যবস্থা থাকবে।
✅ পূর্বেই চুক্তির শর্ত নির্ধারণ করা হবে।
✅ অভিভাবক ও শিক্ষকের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় বিরোধ কমবে।
✅ উভয় পক্ষই ন্যায্য অধিকার পাবে।
মাননীয় কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ রইল।
#বাংলাদেশ