21/08/2024
ধর্মের দোহাই,সংখ্যালঘু একেকটা একটা রাজনৈতিক ইস্যু।সবাই সচেতন হোন।
ধর্ম-বর্ণ সবাই আমরা বাংলাদেশী।
বন্যা এখন আমাদের বিষফোঁড়া, মোকাবিলা করেই বাচতে হবে।
রাজনীতি সবাই করে, ভারতও করছে,নিজেদের স্বার্থে।
ভবিষ্যতেও করবে,যেখানে বিজেপি-কংগ্রেস একই গোয়ালের **মূত্র।
এক.
আদানির কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাই বিদ্যুৎ সংকট কিন্তু শুরু হয়ে গিয়েছে।
দুই.
ত্রিপুরার ডুম্বুর গেইট খুলে দেওয়া হয়েছে। যেকারণে বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। মনে রাখা জরুরি এটা স্বাভাবিক বন্যা নয়, বরং "রাজনৈতিক বন্যা"।
তিন.
সামনে হয়তো ভারত পেয়াজ থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বাংলাদেশে রপ্তানি করা বন্ধ রাখবে।
চার.
সাবেক প্রাইম মিনিস্টার দিল্লিতে থাকায় সেখান থেকে ভারত একের পর এক চেষ্টা চালিয়েই যাবে ইন্টারিম সরকারকে অস্থিতিশীল করে তুলতে।
এর প্রথম কারণ হচ্ছে নয়াদিল্লি আগামী কয়েকমাস বাংলাদেশকে প্রচুর চাপে রেখে বিগত সরকারের স্বাক্ষর করা চুক্তিগুলো বহাল রাখতে চায়।
দ্বিতীয়ত, বিজেপি আর কংগ্রেস উভয়ই বাংলাদেশ ইস্যুতে এক। বিগত পনেরো বছর ধরে তারা বাংলাদেশ থেকে নানা সুবিধা পেতে পেতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে। তাই তারা এমন একটা পলিটিক্যাল স্যাটেলমেন্ট চায় যারা এখনো তাদেরকে দিয়েই যাবে।
তৃতীয়ত, বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লবের ঢেউ আশেপাশের রিজিয়নে খুবই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। তাই এই বিপ্লব সফল হয়ে স্বাধীনতাকামী অঞ্চলগুলেতে বিপ্লবের স্পিরিট ছড়িয়ে পরুক সেটাও চাচ্ছে না।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্য এই সময়টা খুবই টাফ হয়ে যাচ্ছে। তাই ফরেইন প্রেশারের পাশাপাশি আমরাও যদি নানা দাবি-দাওয়া নিয়ে এখনি অভ্যন্তরীণ প্রেশার ক্রিয়েট করি তাহলে এই সরকারের পক্ষে সবকিছু মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই ভাবুন দেশ আগে নাকি নিজের দাবি আগে?