IPO Education

IPO Education

Share

From dream to destination—clear, honest guidance.

07/05/2026

অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে চাও? Masters নাকি PhD, কোনটাই কঠিন না যদি সঠিকভাবে এগোও। RTP স্কলারশিপ আর Professor Funding নিয়ে আজকে সব বলছি, একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।

আমরা অনেকেই অস্ট্রেলিয়ায় পড়ার স্বপ্ন দেখি কিন্তু কোথা থেকে শুরু করব সেটাই বুঝি না। তাই আজকে দুইটা পথ নিয়েই বলছি, Masters by Research আর PhD।

প্রথমে বলি RTP কী। RTP মানে Research Training Program। এটা অস্ট্রেলিয়ান সরকারের একটা ফান্ডিং প্রোগ্রাম যেটা দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের রিসার্চ শিক্ষার্থীদের দিয়ে থাকে। ANU, Melbourne, Sydney, UQ, Monash সহ প্রায় সব বড় ইউনিভার্সিটি এই সুবিধা দেয়। গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো RTP শুধু PhD-এর জন্য না, Masters by Research-এর জন্যও পাওয়া যায়।

RTP-তে যা যা পাওয়া যায় তা হলো সম্পূর্ণ টিউশন ফি মাফ, বছরে প্রায় ৩৩,০০০ থেকে ৩৫,০০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার স্টাইপেন্ড, দেশ থেকে যাওয়ার সময় রিলোকেশন অ্যালাউন্স এবং থিসিস লেখার জন্য আলাদা অ্যালাউন্স। Masters by Research এর মেয়াদ সাধারণত দুই বছর আর PhD এর মেয়াদ সাড়ে তিন বছর।

এখন আসি Professor Funding প্রসঙ্গে। অনেক Professor-এর নিজস্ব ARC Research Grant থাকে। সেই গ্র্যান্ট থেকে Professor চাইলে RTP-এর উপরে তোমাকে আরও ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ ডলার পর্যন্ত এক্সট্রা Top-up দিতে পারেন। অর্থাৎ একজন ভালো Supervisor পেলে বছরে ৪০,০০০ ডলার পর্যন্ত পাওয়া সম্ভব।

এবার বলি কোন পথে কে যাবে। যদি তোমার Bachelor's শেষ হয়ে থাকে এবং রিসার্চ অভিজ্ঞতা কম থাকে, তাহলে Masters by Research দিয়ে শুরু করাটা স্মার্ট সিদ্ধান্ত। এটা শেষ করে সরাসরি PhD-তে উঠে যাওয়া যায় এবং অনেক সময় পুরো Masters-এর ক্রেডিট PhD-এ ট্রান্সফার হয়। আর যদি Masters শেষ হয়ে থাকে বা ভালো রিসার্চ ব্যাকগ্রাউন্ড থাকে, তাহলে সরাসরি PhD-এর জন্য যাও।

এখন আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপে, আর সেটা হলো Supervisor খোঁজা। এটাই পুরো বিষয়টার মূল চাবিকাঠি। Google Scholar-এ তোমার বিষয় লিখে সার্চ করো, ইউনিভার্সিটির Faculty Page দেখো, যার কাজ তোমার ভালো লেগেছে তাকেই contact করো। Professor select করার আগে দেখো তার সাম্প্রতিক Publication আছে কিনা, Active Grant আছে কিনা এবং তিনি নতুন student নিচ্ছেন কিনা।

Supervisor-কে email করার সময় সেটা ছোট, নির্দিষ্ট এবং Professional রাখতে হবে। তার specific কাজ mention করতে হবে। Generic email কখনোই কাজ করে না।

Supervisor রাজি হলে তারপর Formal Application জমা দিতে হবে। সেসময় যা যা লাগবে তা হলো Academic Transcripts, CV, Research Proposal, দুইটা Reference Letter, IELTS বা PTE Score এবং থাকলে Publication।

RTP-এর জন্য তুমি সরাসরি apply করতে পারবে না। তোমার Supervisor আর ইউনিভার্সিটির Faculty মিলে তোমাকে Nominate করে। তাই Supervisor-কে impress করাটাই আসল কাজ।

Offer Letter পাওয়ার পরে Student Visa অর্থাৎ Subclass 500 এর জন্য apply করতে হবে। সাথে OSHC Health Insurance নিতে হবে।

সময়ের হিসাবে বলতে গেলে Intake-এর কমপক্ষে ৪ থেকে ৬ মাস আগে Supervisor contact শুরু করতে হবে। অস্ট্রেলিয়ায় সাধারণত February আর July এই দুইটা Intake থাকে।

কিছু জরুরি টিপস মনে রাখবে। একসাথে পাঁচ থেকে দশজন Professor-কে email করো। email পাঠানোর আগে তার অন্তত দুই থেকে তিনটা paper পড়ো। Research Proposal যত specific হবে তত ভালো। IELTS ছাড়া কিছুই শুরু হবে না, তাই এটা আগেই রেডি রাখো।

এই পুরো প্রক্রিয়াটা একা navigate করা কঠিন হতে পারে। সঠিক গাইডেন্স না থাকলে অনেক সময় নষ্ট হয়। আমরা IPO-Education এই পুরো যাত্রায় তোমাকে সাহায্য করি, Supervisor search থেকে শুরু করে Visa পর্যন্ত। যোগাযোগ করো আমাদের সাথে WhatsApp-এ 01973204138 নম্বরে।

06/05/2026

ফুল ফান্ডিংয়ে MS/PhD করার স্বপ্ন দেখছেন?
অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ, USA কিংবা নিউজিল্যান্ডে প্রফেসর ফান্ডিং বা ফুল ফান্ডিং নিয়ে যেতে চান, কিন্তু কোথা থেকে শুরু করবেন বুঝতে পারছেন না?

IPO-Education দিচ্ছে সম্পূর্ণ End-to-End সাপোর্ট — ইউনিভার্সিটি সিলেকশন, প্রফেসর শর্টলিস্টিং, পার্সোনালাইজড ইমেইল এবং পুরো কমিউনিকেশন প্রসেসে গাইডলাইন। ✈️📚

02/05/2026

আমেরিকায় পড়তে চান? অনেকেই মনে করেন শুধু MIT বা Harvard-এ সুযোগ পেলেই হলো। কিন্তু সত্যি কথা হলো আমেরিকার Mid-Tier বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ফান্ডিং পাওয়া অনেক সহজ, প্রতিযোগিতা কম এবং গবেষণার মানও চমৎকার। আজকে এই বিষয়টা নিয়েই বিস্তারিত বলছি।

অনেকে Top 10 বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনে ছুটতে গিয়ে বারবার reject খান এবং মূল্যবান সময় নষ্ট করেন। অথচ Ranking-এ ৫০ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে Professor-রা সক্রিয়ভাবে ভালো Student খুঁজছেন, Grant আছে এবং ফান্ডিং দিতে প্রস্তুত। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে PhD বা Masters করে ক্যারিয়ার গড়া একদম সম্ভব এবং অনেকেই সফলভাবে করেছেন।

আমেরিকায় Mid-Tier বলতে মূলত QS বা US News Ranking-এ ৫০ থেকে ২৫০-এর মধ্যে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বোঝানো হয়। এগুলোতে ফান্ডিং কাঠামো Top বিশ্ববিদ্যালয়ের মতোই। Teaching Assistantship অর্থাৎ TA-তে ক্লাস বা ল্যাবে সাহায্য করলে টিউশন ফি মাফ হয় এবং মাসে stipend পাওয়া যায়। Research Assistantship অর্থাৎ RA-তে সরাসরি Professor-এর প্রজেক্টে কাজ করলে Professor-এর Grant থেকে টিউশন ফি ও stipend দুটোই আসে। Mid-Tier বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাধারণত বছরে ১৬,০০০ থেকে ২৮,০০০ ডলার পর্যন্ত stipend পাওয়া যায়, যেটা দিয়ে আমেরিকায় ভালোভাবেই জীবনযাপন করা সম্ভব।

এখন বলি কোন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো Mid-Tier হিসেবে ভালো। Engineering ও Computer Science-এর জন্য University of Alabama, University of South Carolina, Kansas State University, University of Wyoming, Mississippi State University এবং University of Idaho অত্যন্ত ভালো। Business ও Social Science-এর জন্য University of Missouri, University of Kentucky, University of Arkansas এবং University of Oklahoma ভালো সুযোগ দেয়। Biological Science ও Health-এর জন্য University of Nebraska, South Dakota State University এবং University of Montana-তে অনেক Active Grant আছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছোট শহরে অবস্থিত হওয়ায় জীবনযাত্রার খরচও তুলনামূলক কম, যেটা আরেকটা বড় সুবিধা।

এখন আসি Professor Funding প্রসঙ্গে। আমেরিকায় Mid-Tier বিশ্ববিদ্যালয়ের Professor-রা NSF, NIH, USDA সহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা থেকে নিয়মিত Grant পান। এই Grant থেকে তারা সরাসরি Student-কে RA হিসেবে নিয়ে ফান্ডিং দেন। Top বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজারো আবেদনের মধ্যে আপনার আবেদন হারিয়ে যেতে পারে, কিন্তু Mid-Tier বিশ্ববিদ্যালয়ের Professor আপনার email পড়ার এবং reply দেওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তাই এখানে Supervisor পাওয়া তুলনামূলক সহজ এবং ফান্ডিং কনফার্ম হওয়ার হারও বেশি।

এবার বলি কীভাবে এগোবেন। প্রথম কাজ হলো নিজেকে প্রস্তুত করা। TOEFL-এ ৭৫ থেকে ৯০ বা IELTS-এ ৬.৫ থাকলেই বেশিরভাগ Mid-Tier বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা যায়। GRE অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এখন আর চায় না, তবে আগেই চেক করে নিন। CGPA ৩.০ বা তার উপরে থাকলে ভালো। রিসার্চ অভিজ্ঞতা বা Publication থাকলে সেটা বড় সুবিধা দেয়।

দ্বিতীয় কাজ হলো Supervisor খোঁজা। Google Scholar-এ আপনার বিষয় লিখে সার্চ করুন। যেসব Professor সম্প্রতি ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে paper প্রকাশ করেছেন এবং যাদের Active NSF বা NIH Grant আছে তাদেরকে target করুন। University Faculty Page-এ অনেক সময় লেখা থাকে Professor কতজন Student নিচ্ছেন, সেটা দেখুন। একসাথে দশ থেকে পনেরোজন Professor-কে email করুন।

তৃতীয় কাজ হলো Formal Application জমা দেওয়া। Supervisor রাজি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের portal-এ আবেদন করুন। এর জন্য Academic Transcripts, CV, Statement of Purpose, Research Proposal, তিনটা Reference Letter এবং TOEFL বা IELTS Score লাগবে।

সময়ের হিসাবে বলতে গেলে আমেরিকায় মূল Intake হলো September এবং Application Deadline সাধারণত December থেকে February-এর মধ্যে। তাই এখনই Supervisor contact শুরু করলে September 2027 Intake ভালোভাবে ধরা সম্ভব।

Offer Letter পাওয়ার পরে F-1 Student Visa-এর জন্য apply করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় I-20 ফর্ম পাঠাবে এবং সেটা দিয়ে Visa Interview দিতে হবে।

একটা শেষ কথা বলি। Mid-Tier বিশ্ববিদ্যালয় মানে কম মানের বিশ্ববিদ্যালয় নয়। এখান থেকে PhD করে Google, Microsoft, NASA সহ বিশ্বের সেরা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন অনেকে। স্বপ্নটা বড় রাখুন, শুরুটা স্মার্টভাবে করুন।

এই পুরো প্রক্রিয়াটা একা সামলানো অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা IPO-Education এই পুরো যাত্রায় আপনাকে সাহায্য করি, Supervisor search থেকে শুরু করে Visa পর্যন্ত। যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে WhatsApp-এ 01973204138 নম্বরে।

02/05/2026

#বিদেশে_পড়াশোনা #গবেষণা_বৃত্তি

01/05/2026

Professor Funding নিয়ে অনেকেই জানেন না যে এটা আসলে কী এবং কীভাবে কাজ করে। আজকে এই একটা বিষয় নিয়েই বিস্তারিত বলছি। মন দিয়ে পড়ুন, কারণ এটা বুঝতে পারলে বিদেশে পড়ার স্বপ্ন অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।

আমরা যখন বিদেশে PhD বা Masters-এর কথা ভাবি, তখন মাথায় আসে স্কলারশিপের কথা। কিন্তু সত্যি কথা হলো, বিদেশে পড়া শিক্ষার্থীদের একটা বড় অংশ সরকারি স্কলারশিপে না, বরং সরাসরি Professor-এর ফান্ডিংয়ে পড়াশোনা করেন। এই বিষয়টাকেই বলা হয় Professor Funding।

Professor Funding আসলে কোথা থেকে আসে সেটা আগে বুঝতে হবে। আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ সহ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই সরকার এবং বিভিন্ন সংস্থা Professor-দের গবেষণার জন্য বিশাল অঙ্কের Grant দেয়। আমেরিকায় এই Grant দেয় NSF আর NIH। কানাডায় দেয় NSERC আর SSHRC। অস্ট্রেলিয়ায় দেয় ARC। ইউরোপে দেয় European Research Council এবং Horizon Europe। এই Grant-এর টাকা দিয়ে Professor তার গবেষণা চালান এবং সেই গবেষণায় সাহায্য করার জন্য তিনি Student নেন। সেই Student-কেই তিনি প্রতি মাসে বেতন দেন এবং টিউশন ফিও দেন।

এখন প্রশ্ন হলো আপনি কত টাকা পাবেন। দেশ আর বিষয়ভেদে এটা আলাদা হয়। আমেরিকায় বছরে ১৮,০০০ থেকে ৩৫,০০০ ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। কানাডায় বছরে ১৮,০০০ থেকে ৩০,০০০ কানাডিয়ান ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। অস্ট্রেলিয়ায় RTP Stipend-এর উপরে Professor আরও ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার Top-up দিতে পারেন। ইউরোপে বছরে ২৫,০০০ থেকে ৪৫,০০০ ইউরো পর্যন্ত পাওয়া যায়। এর সাথে প্রায় সব ক্ষেত্রেই টিউশন ফি সম্পূর্ণ মাফ থাকে।

এখন বলি Professor Funding পেতে হলে আসলে কী করতে হয়। পুরো বিষয়টা নির্ভর করে সঠিক Professor খুঁজে বের করার উপর। যে Professor-এর কাছে Active Grant আছে, তিনিই কেবল আপনাকে ফান্ডিং দিতে পারবেন। তাই Professor খোঁজার সময় শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেখলেই হবে না, দেখতে হবে সেই Professor সম্প্রতি কী কী Grant পেয়েছেন। এটা সাধারণত তার Faculty Page বা Lab Website-এ লেখা থাকে।

Professor-কে contact করার আগে তার দুই থেকে তিনটা সাম্প্রতিক paper পড়ুন। তারপর এমনভাবে email লিখুন যেন বোঝা যায় আপনি তার কাজ সত্যিই বুঝেছেন এবং সেই বিষয়ে আপনারও আগ্রহ আছে। শুধু "I want to pursue PhD under your supervision" লিখলে reply পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। বরং বলুন তার কোন কাজটা আপনাকে আগ্রহী করেছে এবং আপনি সেই বিষয়ে কী করতে চান।

একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখুন। Professor Funding শুধু PhD-এর জন্য নয়, Masters by Research-এর জন্যও পাওয়া যায়। তাই যদি সরাসরি PhD-তে যাওয়ার মতো অভিজ্ঞতা না থাকে, তাহলে Funded Masters দিয়ে শুরু করুন। এতে অভিজ্ঞতা হবে এবং পরে PhD-তে যাওয়া আরও সহজ হয়ে যাবে।

অনেকে ভাবেন শুধু নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের Professor-রাই ফান্ডিং দেন। এই ধারণাটা সঠিক নয়। Mid-Tier বিশ্ববিদ্যালয়ের Professor-দের কাছেও বড় বড় Grant থাকে এবং তারা ভালো Student সক্রিয়ভাবে খুঁজছেন। উল্টো Top বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় এখানে প্রতিযোগিতা কম হওয়ায় সুযোগ পাওয়া অনেক সহজ।

সবশেষে একটাই কথা বলব। Professor Funding হলো বিদেশে পড়ার সবচেয়ে বাস্তবসম্মত এবং টেকসই পথ। সরকারি স্কলারশিপের জন্য অপেক্ষা না করে সঠিক Professor খুঁজে বের করুন, ভালো email লিখুন এবং নিজের যোগ্যতা তুলে ধরুন। সুযোগ আসবেই।

এই পুরো প্রক্রিয়াটা কীভাবে শুরু করবেন সেটা নিয়ে যদি কোনো সাহায্যের দরকার হয়, আমরা IPO-Education সবসময় আছি। Supervisor search থেকে শুরু করে Visa পর্যন্ত পুরো যাত্রায় আপনার পাশে থাকব। যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে WhatsApp-এ 01973204138 নম্বরে।

30/04/2026

কানাডায় পড়তে চাও? Masters নাকি PhD, সঠিকভাবে এগোলে কানাডাও একদম সম্ভব। Professor Funding আর সরকারি স্কলারশিপ নিয়ে আজকে সব বলছি, একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।

কানাডা এখন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম পছন্দের গন্তব্য। কারণ এখানে রিসার্চ ফান্ডিং অনেক ভালো, পড়াশোনার পরিবেশ চমৎকার এবং PR পাওয়ার সুযোগও আছে।

প্রথমে বলি কানাডায় মূল ফান্ডিংগুলো কী কী। কানাডায় সরকারি ফান্ডিং মূলত তিনটা বড় সংস্থার মাধ্যমে আসে। NSERC হলো Natural Sciences and Engineering Research Council, যেটা Science, Engineering আর Technology-এর জন্য। SSHRC হলো Social Sciences and Humanities Research Council, যেটা সমাজবিজ্ঞান আর মানবিক বিষয়ের জন্য। আর CIHR হলো Canadian Institutes of Health Research, যেটা স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য। এই তিনটা সংস্থা Professor-দের Grant দেয়, আর সেই Grant থেকেই তুমি ফান্ডিং পাও।

এর বাইরে দুইটা বড় সরকারি স্কলারশিপ আছে। একটা হলো CGS অর্থাৎ Canada Graduate Scholarships, যেটা Masters আর PhD দুইটার জন্যই পাওয়া যায়। Masters-এর জন্য বছরে ১৭,৫০০ কানাডিয়ান ডলার আর PhD-এর জন্য বছরে ২১,০০০ কানাডিয়ান ডলার পাওয়া যায়। আরেকটা হলো Vanier CGS, যেটা শুধু PhD-এর জন্য এবং বছরে ৫০,০০০ কানাডিয়ান ডলার দেওয়া হয়। এটা অনেক competitive কিন্তু পেলে দারুণ সুযোগ।

এখন আসি Professor Funding প্রসঙ্গে, যেটা সবচেয়ে বেশি কাজে আসে। কানাডায় বেশিরভাগ PhD আর Masters by Research শিক্ষার্থী সরাসরি Professor-এর Grant থেকে ফান্ডিং পায়। Professor যদি NSERC বা SSHRC-এর Active Grant রাখেন, তাহলে তিনি তোমাকে Research Assistant হিসেবে নিয়ে মাসে মাসে টাকা দিতে পারেন। এই ফান্ডিং সাধারণত বছরে ১৮,০০০ থেকে ৩০,০০০ কানাডিয়ান ডলার পর্যন্ত হয়, বিশ্ববিদ্যালয় আর বিষয়ভেদে আলাদা হয়। এর উপরে Teaching Assistantship অর্থাৎ TA করলে আরও ৫,০০০ থেকে ৮,০০০ ডলার অতিরিক্ত আসে। অর্থাৎ মোট মিলিয়ে একজন ভালো Supervisor পেলে বছরে ২৫,০০০ থেকে ৩৫,০০০ কানাডিয়ান ডলার পর্যন্ত পাওয়া সম্ভব।

এখন বলি কোন পথে কে যাবে। যদি Bachelor's শেষ হয়ে থাকে এবং রিসার্চ অভিজ্ঞতা কম থাকে, তাহলে Masters by Research দিয়ে শুরু করাটা সবচেয়ে ভালো পরিকল্পনা। এটা শেষ করলে সরাসরি PhD-তে সুযোগ পাওয়া যায় এবং অনেক সময় Master's-এর কাজ PhD-এ যুক্ত হয়ে যায়। আর যদি Masters ইতিমধ্যে শেষ হয়ে থাকে বা ভালো রিসার্চ ব্যাকগ্রাউন্ড থাকে, তাহলে সরাসরি PhD-এর জন্য যাও। Coursework Masters অর্থাৎ শুধু ক্লাস করে পাস করা Masters-এ সাধারণত ফান্ডিং থাকে না, তাই রিসার্চ ট্র্যাকটাই বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

এবার আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপে, আর সেটা হলো Supervisor খোঁজা। কানাডায় Supervisor ছাড়া PhD বা funded Masters-এ ভর্তি হওয়া প্রায় অসম্ভব। Google Scholar-এ তোমার বিষয় লিখে সার্চ করো। ইউনিভার্সিটির Faculty Page দেখো। যার paper তুমি পড়েছ, যার কাজ তোমার নিজের আগ্রহের সাথে মেলে, তাকেই contact করো। Professor বেছে নেওয়ার আগে দেখবে তার ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে Publication আছে কিনা, তার কাছে Active Grant আছে কিনা এবং তিনি এখন নতুন student নিচ্ছেন কিনা।

Supervisor-কে email করার সময় সেটা ছোট, নির্দিষ্ট আর Professional রাখতে হবে। তার specific কাজ mention করতে হবে। Generic email কখনোই কাজ করে না। একসাথে পাঁচ থেকে দশজন Professor-কে email করাটা ভালো কৌশল।

Supervisor রাজি হলে তারপর Formal Application জমা দিতে হবে। সেসময় যা যা লাগবে তা হলো Academic Transcripts, CV, Statement of Purpose, Research Proposal, দুইটা Reference Letter, IELTS বা PTE Score এবং থাকলে Publication। কানাডার বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে IELTS-এ কমপক্ষে ৬.৫ লাগে, তবে কোনো কোনো জায়গায় ৭.০ চাওয়া হয়।

Application জমা দেওয়ার পরে Offer Letter পেলে Study Permit-এর জন্য apply করতে হবে। এটাই কানাডার Student Visa। সাথে প্রমাণ করতে হবে যে তোমার কাছে যথেষ্ট টাকা আছে প্রথম বছরের জন্য।

সময়ের হিসাব বলতে গেলে কানাডায় মূল Intake হলো September, তবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে January Intake-ও আছে। September Intake-এর জন্য কমপক্ষে ৬ থেকে ৮ মাস আগে Supervisor contact শুরু করতে হবে। অর্থাৎ এখন ২০২৬ সালের শুরুতে যোগাযোগ শুরু করলে September 2026 Intake ধরা সম্ভব।

কিছু জরুরি বিষয় সবসময় মাথায় রাখবে। IELTS বা PTE ছাড়া কিছুই শুরু হবে না, তাই এটা আগেই রেডি রাখো। Research Proposal যত specific হবে, Supervisor impress হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। email পাঠানোর আগে তার অন্তত দুই থেকে তিনটা paper পড়ো। Publication থাকলে সেটা অবশ্যই CV-তে রাখো কারণ এটা অনেক বড় সুবিধা দেয়। আর কানাডার শহর বেছে নেওয়ার সময় জীবনযাত্রার খরচটাও মাথায় রাখবে, টরন্টো আর ভ্যাংকুভারে খরচ বেশি, অন্য শহরে তুলনামূলক কম।

কানাডার টপ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে University of Toronto, University of British Columbia, McGill University, University of Alberta, University of Waterloo, McMaster University, University of Ottawa এবং Dalhousie University।

এই পুরো প্রক্রিয়াটা একা সামলানো অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। সঠিক দিকনির্দেশনা না থাকলে মূল্যবান সময় নষ্ট হয়। আমরা IPO-Education এই পুরো যাত্রায় তোমাকে সাহায্য করি, Supervisor search থেকে শুরু করে Visa পর্যন্ত। যোগাযোগ করো আমাদের সাথে WhatsApp-এ 01973204138 নম্বরে।

29/04/2026

ইউরোপে পড়তে চান? Masters অথবা PhD, সঠিকভাবে এগোলে ইউরোপও একদম সম্ভব। Professor Funding আর সরকারি স্কলারশিপ নিয়ে আজকে সব বলছি, একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।

ইউরোপ এখন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কারণ এখানে অনেক দেশে টিউশন ফি নেই বললেই চলে, গবেষণার মান বিশ্বমানের এবং Schengen Visa পেলে পুরো ইউরোপ ঘোরার সুযোগ তো আছেই।

প্রথমে বলি ইউরোপে মূল ফান্ডিংগুলো কী কী। ইউরোপে ফান্ডিং বিভিন্নভাবে আসে এবং দেশভেদে একটু আলাদা হয়। সবচেয়ে বড় ও পরিচিত ফান্ডিং হলো Erasmus Mundus Joint Master Degree, যেটাকে সংক্ষেপে EMJMD বলা হয়। এটা ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেওয়া স্কলারশিপ এবং এখানে সম্পূর্ণ টিউশন ফি মাফ, মাসে মাসে stipend এবং ট্রাভেল অ্যালাউন্স পাওয়া যায়। বিশেষ বিষয় হলো এই প্রোগ্রামে একাধিক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ মেলে।

এর বাইরে Marie Skłodowska-Curie Actions অর্থাৎ MSCA একটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ফান্ডিং প্রোগ্রাম যেটা মূলত PhD গবেষকদের জন্য। এখানে বছরে ৩০,০০০ থেকে ৪৫,০০০ ইউরো পর্যন্ত পাওয়া যায় এবং এটা ইউরোপের অন্যতম সেরা PhD ফান্ডিং হিসেবে বিবেচিত।

এখন বলি দেশভেদে সুবিধাগুলো কী। জার্মানিতে অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো টিউশন ফি নেই। DAAD স্কলারশিপ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এখানে মাসে ৮৫০ থেকে ১,২০০ ইউরো পর্যন্ত stipend পাওয়া যায়। নেদারল্যান্ডসে Holland Scholarship এবং অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব Excellence Scholarship আছে। সুইডেনে Swedish Institute Scholarship অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক কিন্তু পেলে সম্পূর্ণ খরচ বহন করা হয়। নরওয়েতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সবার জন্য টিউশন ফি নেই এবং PhD পজিশনগুলো চাকরির মতো বেতনসহ আসে। ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্কেও PhD পজিশন সরকারি বেতনের মতো দেওয়া হয় এবং বছরে ২৫,০০০ থেকে ৩৫,০০০ ইউরো পর্যন্ত পাওয়া যায়।

এখন আসি Professor Funding প্রসঙ্গে। ইউরোপে Professor-রা European Research Council অর্থাৎ ERC Grant, Horizon Europe এবং বিভিন্ন জাতীয় ফান্ডিং সংস্থা থেকে বিশাল অঙ্কের Grant পান। এই Grant থেকে Professor সরাসরি আপনাকে PhD Researcher বা Masters Research Assistant হিসেবে নিয়ে ফান্ডিং দিতে পারেন। ইউরোপে PhD মানেই সাধারণত একটা চাকরি, আপনি Employee হিসেবে বিবেচিত হন এবং সোশ্যাল বেনিফিটও পান। তাই যে Professor-এর Active ERC বা Horizon Grant আছে তাকে contact করলে ফান্ডিং পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

এবার বলি কোন পথে কে যাবেন। যদি Bachelor's শেষ হয়ে থাকে এবং রিসার্চ অভিজ্ঞতা কম থাকে, তাহলে Erasmus Mundus বা Funded Masters দিয়ে শুরু করাটা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত। এটা শেষ করলে ইউরোপেই PhD-এর সুযোগ অনেক বেড়ে যায়। আর যদি Masters শেষ হয়ে থাকে বা ভালো রিসার্চ ব্যাকগ্রাউন্ড থাকে, তাহলে সরাসরি PhD Position-এর জন্য আবেদন করুন।

এবার আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপে, আর সেটা হলো Supervisor খোঁজা। ইউরোপে Supervisor ছাড়া Funded PhD পাওয়া প্রায় অসম্ভব। Google Scholar-এ আপনার বিষয় লিখে সার্চ করুন। ইউনিভার্সিটির Faculty Page দেখুন। যার paper আপনি পড়েছেন এবং যার কাজ আপনার নিজের আগ্রহের সাথে মেলে তাকেই contact করুন। Professor বেছে নেওয়ার আগে দেখুন তার ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে Publication আছে কিনা, তার কাছে Active ERC বা Horizon Grant আছে কিনা এবং তিনি এখন নতুন student নিচ্ছেন কিনা।

Supervisor-কে email করার সময় সেটা ছোট, নির্দিষ্ট আর Professional রাখতে হবে। তার specific কাজ mention করতে হবে। Generic email কখনোই কাজ করে না। একসাথে পাঁচ থেকে দশজন Professor-কে email করাটা ভালো কৌশল।

Supervisor রাজি হলে তারপর Formal Application জমা দিতে হবে। ইউরোপে Application-এর জন্য যা যা লাগবে তা হলো Academic Transcripts, CV, Motivation Letter বা Statement of Purpose, Research Proposal, দুইটা Reference Letter, IELTS বা TOEFL Score এবং থাকলে Publication। বেশিরভাগ ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে IELTS-এ কমপক্ষে ৬.৫ লাগে, তবে ৭.০ থাকলে আরও ভালো।

Motivation Letter ইউরোপে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা শুধু পরিচয় নয়, বরং আপনি কী নিয়ে কাজ করতে চান, কেন এই বিশ্ববিদ্যালয় এবং কেন এই Professor সেটা স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে।

সময়ের হিসাব বলতে গেলে ইউরোপে মূল Intake হলো September বা October, তবে কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে February Intake-ও আছে। Erasmus Mundus-এর Deadline সাধারণত January থেকে February-এর মধ্যে হয়। PhD Position-এর জন্য সারা বছরই আবেদন করা যায় কারণ এগুলো Job Posting-এর মতো আসে। EURAXESS ওয়েবসাইটে নিয়মিত PhD ও Postdoc Position দেওয়া হয়, সেটা follow করলে অনেক সুযোগ পাওয়া যায়।

কিছু জরুরি বিষয় সবসময় মাথায় রাখবেন। IELTS ছাড়া কিছুই শুরু হবে না, তাই এটা আগেই রেডি রাখুন। Publication থাকলে সেটা অবশ্যই CV-তে রাখুন কারণ ইউরোপে এটা অনেক বড় সুবিধা দেয়। জার্মানির জন্য German Language জানলে সুবিধা হয় তবে English-medium প্রোগ্রামও অনেক আছে। একটা দেশ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমাবদ্ধ না থেকে একাধিক দেশে apply করুন। আর জীবনযাত্রার খরচের দিক থেকে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো যেমন চেক রিপাবলিক, পোল্যান্ড বা হাঙ্গেরি তুলনামূলক সাশ্রয়ী।

ইউরোপের টপ বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে জার্মানিতে TU Munich, Heidelberg, RWTH Aachen। নেদারল্যান্ডসে TU Delft, Wageningen, University of Amsterdam। সুইডেনে KTH, Lund, Uppsala। সুইজারল্যান্ডে ETH Zurich, EPFL। ডেনমার্কে DTU এবং ফিনল্যান্ডে Aalto University ও University of Helsinki।

Offer Letter বা PhD Contract পাওয়ার পরে Schengen Student Visa-এর জন্য apply করতে হবে। এর জন্য Admission Letter, আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ এবং স্বাস্থ্য বীমা লাগবে। ইউরোপের Visa প্রক্রিয়া সাধারণত চার থেকে আট সপ্তাহ সময় নেয়।

এই পুরো প্রক্রিয়াটা একা সামলানো অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। সঠিক দিকনির্দেশনা না থাকলে মূল্যবান সময় আর সুযোগ দুটোই নষ্ট হয়। আমরা IPO-Education এই পুরো যাত্রায় আপনাকে সাহায্য করি, Supervisor search থেকে শুরু করে Visa পর্যন্ত। যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে WhatsApp-এ 01973204138 নম্বরে।

28/04/2026

🇯🇵🌸 MEXT Scholarship 2027 — Profile Build-up & Application Support

জাপান সরকারের MEXT Scholarship-এর মাধ্যমে Fully Funded অবস্থায় জাপানে পড়াশোনার স্বপ্ন দেখছেন?
সঠিক গাইডলাইন ছাড়া এই স্কলারশিপে সফল হওয়া কঠিন—আর এখানেই IPO Education আপনার পাশে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🎯 আমরা কীভাবে সাহায্য করি?

✅ Profile Evaluation & Strategy Planning
→ আপনার প্রোফাইল বিশ্লেষণ করে কোথায় উন্নতি দরকার তা নির্ধারণ

✅ Professional Document Support
→ CV, Study Plan / Research Plan, SOP, Recommendation Letter প্রস্তুত ও উন্নয়ন

✅ Complete Application Guidance
→ Embassy Track & University Track—দুই প্রক্রিয়াতেই ধাপে ধাপে সহায়তা

✅ Professor Finding & Email Support
→ সঠিক Professor খুঁজে যোগাযোগ করার গাইডলাইন

✅ Written Exam & Interview Preparation
→ Previous প্রশ্ন, mock interview ও strategy

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

⏳ 2027 Intake Timeline (Bangladesh)
📅 Application চলমান / May deadline approaching
📅 Exam & Interview: June–July
📅 Final Result: Late 2026

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

⚠️ Important Note
✔️ MEXT Scholarship সম্পূর্ণ Government Funded
✔️ Application Fee নেই
✔️ Selection খুবই Competitive — সঠিক প্রস্তুতি জরুরি

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📲 Contact IPO Education
📩 Inbox us or Comment "MEXT"
📞 WhatsApp: 01973-204138
🎯 Limited Slots Available — First Come, First Served

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

#নোকিয়া_বৃত্তি #বিদেশে_পড়াশোনা #গবেষণা_বৃত্তি #মনবুকাগাকুশো

22/04/2026

🇫🇮📱 Nokia Foundation Scholarship 2026
বিশ্বের বিখ্যাত Nokia কোম্পানির Foundation থেকে PhD গবেষকদের জন্য বিশেষ Scholarship!

🌍 যেকোনো দেশের PhD গবেষকরা আবেদন করতে পারবেন
🇧🇩 বাংলাদেশিরাও Eligible ✔️
💡 ICT ও প্রযুক্তি গবেষণায় অসাধারণ সুযোগ!

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📖 Nokia Foundation কী?

Nokia Foundation হলো বিশ্বখ্যাত Finnish Technology Company Nokia-র প্রতিষ্ঠিত একটি অলাভজনক সংস্থা যা ফিনল্যান্ডে প্রতিষ্ঠিত। এই Foundation বিশ্বের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) ক্ষেত্রে উৎকর্ষ, উদ্ভাবন ও গবেষণাকে উৎসাহিত করতে প্রতি বছর PhD গবেষকদের Nokia Scholarship প্রদান করে।

Nokia Foundation-এর লক্ষ্য: দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলা PhD গবেষকদের সহায়তা করা যেন তারা উচ্চমানের গবেষণা সম্পন্ন করতে পারেন।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

💰 বৃত্তির পরিমাণ (Scholarship Amount)

✅ এককালীন অনুদান: সর্বোচ্চ €৭,৫০০
(বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ~৯০,০০০+ টাকা!)

✅ অর্থ সরাসরি গবেষকের ব্যাংক Account-এ প্রদান করা হয়

✅ গবেষণা খরচ, জীবনযাত্রা বা যেকোনো প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
এটি Fully Funded Scholarship নয়।
এটি একটি একক Research Grant যা PhD সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।
Tuition Fee বা সম্পূর্ণ জীবনযাত্রার খরচ কভার করে না।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🎓 কোন বিষয়ে গবেষণার জন্য এই Scholarship?
(Eligible Research Fields)

এই বৃত্তি শুধুমাত্র ICT ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে PhD গবেষণার জন্য:

📡 Telecommunications (টেলিযোগাযোগ)
💻 Computer Science & Software Engineering
🤖 Artificial Intelligence (AI) & Machine Learning
🌐 Network Technology & Internet Systems
📶 Wireless Communications & 5G/6G
🔐 Cybersecurity & Data Privacy
📊 Signal Processing & Electronics
📱 Mobile Technology & Applications
⚡ Embedded Systems & IoT
🔬 Related ICT Supporting Scientific Fields
(Physics, Mathematics যদি ICT-তে প্রয়োগযোগ্য হয়)

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

✅ যোগ্যতা (Eligibility)

এই Scholarship দুটি ক্যাটাগরিতে দেওয়া হয়:

ক্যাটাগরি ১:
যেকোনো দেশের নাগরিক যারা ফিনল্যান্ডের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে PhD করছেন ✔️
(বাংলাদেশিরা এই ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন!)

ক্যাটাগরি ২:
Finnish নাগরিক যারা বিদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে PhD করছেন

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📋 বিশেষ শর্তাবলী (Key Requirements)

🔹 আবেদনের সময় অন্তত ১টি Accepted Publication থাকতে হবে যা Dissertation-এ অন্তর্ভুক্ত হবে
🔹 দ্রুতগতিতে ও উচ্চমানে PhD এগিয়ে চলছে এমন প্রমাণ দিতে হবে
🔹 Principal Supervisor-এর Commitment Statement থাকতে হবে
(Supervisor অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ের Professor, Docent বা Senior Scientist হতে হবে)
🔹 Supervisor নিজে Electronic Portal-এর মাধ্যমে Statement জমা দেবেন
🔹 একজন ব্যক্তি এই Scholarship মাত্র একবারই পেতে পারবেন

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📋 বাছাই প্রক্রিয়া (Selection Criteria)

Nokia Foundation নিম্নলিখিত বিষয়গুলো দেখে সেরা প্রার্থী নির্বাচন করে:

🌟 গবেষণার মান ও প্রভাব (Research Quality & Impact)
🌟 Publication Record — কতটি মানসম্পন্ন গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে
🌟 PhD-তে অগ্রগতির গতি (Fast-paced Progress)
🌟 একাডেমিক উৎকর্ষতা (Academic Excellence)
🌟 ICT ক্ষেত্রে গবেষণার প্রাসঙ্গিকতা ও অবদান

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📁 আবেদনে যা যা লাগবে
(Required Documents)

📄 CV / Resume (Academic) — Publication List সহ
📄 List of Publications (গবেষণাপত্রের তালিকা)
📄 PhD Research Overview / গবেষণার সারসংক্ষেপ
📄 Supervisor-এর Commitment Statement
(Supervisor নিজেই Portal-এ Submit করবেন)
📄 একাডেমিক সার্টিফিকেট ও Transcript
📄 অন্যান্য Supporting Documents

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🔄 আবেদন প্রক্রিয়া (Step by Step)

ধাপ ১ → ফিনল্যান্ডের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ICT-সম্পর্কিত বিষয়ে PhD-তে ভর্তি হন
ধাপ ২ → গবেষণায় অন্তত ১টি Publication গ্রহণযোগ্য হোক
ধাপ ৩ → Supervisor-কে Commitment Statement-এর জন্য অবহিত করুন
ধাপ ৪ → ৩ আগস্ট ২০২৬ থেকে Nokia Foundation-এর Application Portal খুলবে
ধাপ ৫ → nokiafoundation.apurahat.net-এ গিয়ে Online Application পূরণ করুন
ধাপ ৬ → CV, Publications ও সব Document আপলোড করুন
ধাপ ৭ → Supervisor তার Commitment Statement Portal-এ Submit করবেন
ধাপ ৮ → ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করুন
ধাপ ৯ → ডিসেম্বর ২০২৬-এ Result ঘোষণা ও অর্থ প্রদান!

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🗓️ গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহ (Key Dates 2026)

৩ আগস্ট ২০২৬ → Application Portal খোলা শুরু
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ → আবেদনের শেষ তারিখ (Deadline)
ডিসেম্বর ২০২৬ → Nokia Foundation Website-এ Winner তালিকা প্রকাশ
ডিসেম্বর ২০২৬ (শেষের দিকে) → সরাসরি ব্যাংকে অর্থ প্রদান

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🏛️ ফিনল্যান্ডের কোন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ICT PhD করা যায়?

🔸 Aalto University (Helsinki) — Finland-এর সেরা Tech University
🔸 University of Helsinki
🔸 University of Oulu — 5G/6G গবেষণায় বিশ্বনেতা
🔸 Tampere University — ICT ও Electronics-এ শীর্ষ
🔸 University of Turku
🔸 LUT University (Lappeenranta)
🔸 University of Jyväskylä
🔸 Åbo Akademi University
(সব বিশ্ববিদ্যালয়ে PhD = চাকরি + মাসিক বেতন + সামাজিক সুবিধা!)

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

💡 Nokia Scholarship-এর সাথে Finland PhD-এর সুবিধা একসাথে!

ফিনল্যান্ডে PhD = Employment Contract
তার মানে:
✅ মাসিক বেতন: €২,৫০০ – €৩,৫০০
✅ Tuition Fee শূন্য
✅ Health Insurance
✅ Paid Vacation
✅ Pension Contribution
উপরে Nokia Scholarship পেলে আরও €৭,৫০০ বাড়তি!

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🏅 কেন Nokia Scholarship গুরুত্বপূর্ণ?

🌟 বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত Tech Brand-এর একটি Nokia-র প্রত্যক্ষ স্বীকৃতি
🌟 একাডেমিক CV ও Career-এ অসাধারণ মূল্য যোগ করে
🌟 Nokia-র Global Industry Network-এ প্রবেশের সুযোগ
🌟 ফিনল্যান্ডে বসবাস ও গবেষণার অভিজ্ঞতা
🌟 Nokia Bell Labs ও Industry Collaboration-এর পথ খোলে
🌟 ভবিষ্যতে Nokia-তে চাকরির সম্ভাবনা বাড়ে

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🔗 Official Links

🌐 Nokia Foundation Official Scholarship Page:
👉 https://www.nokiafoundation.com/nokia-scholarship-info

📝 Online Application Portal:
👉 https://nokiafoundation.apurahat.net

🏛️ Nokia Foundation Homepage:
👉 https://www.nokiafoundation.com

📩 যোগাযোগ Email:
👉 [email protected]

📬 ডাক ঠিকানা:
Nokia Foundation
P.O. Box 226
FI-00045 Nokia Group, Finland

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🏢 আমাদের সাহায্য নিন!

আমরা সাহায্য করি:
✅ ফিনল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়ে PhD Position খুঁজতে
✅ Supervisor-এর সাথে যোগাযোগ করতে
✅ Nokia Scholarship Application প্রস্তুতিতে
✅ শক্তিশালী CV ও Publication List তৈরিতে
✅ Finland Work/Study Visa Guidance-এ

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📲 যোগাযোগ করুন এখনই:

🟢 WhatsApp: 01973204138
🏷️ IPO-Education
🌟 "আপনার গবেষণার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ"

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🔁 পোস্টটি শেয়ার করুন — আপনার পরিচিত কোনো PhD গবেষকের কাজে আসতে পারে! 💙

#নোকিয়া_বৃত্তি #ফিনল্যান্ড #গবেষণা_বৃত্তি #বাংলাদেশ #বিদেশে_পড়াশোনা #মনবুকাগাকুশো

nokiafoundation.apurahat.net

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Dhanmondi 32
Dhaka