ABH Network

ABH Network

Share

Welcome to ABH Creations.

04/04/2024

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Farhad Abbasisulak, Altangerel Hurelbaatar, Shamsuddeen Dalhatu Dan Amana, Murtala Zuru Aminu, Yasir Akbar Khan, Nazir Ulla, Zafar Ali Ali, A Khan, Sharon Augustine, Sivadas PV, Zhogshe Xhona, Gojo Saturo, Abusha Adusha

Photos from ABH Network's post 31/01/2024

আপনি কি জানেন?
আমাজন জঙ্গল বিশ্বজুড়ে এক রহস্য আর বিস্ময়ের নাম।
এই জঙ্গল বিশ্বের ৭ম আশ্চর্যের একটি।
তাহলে চলো আজকে আমরা দেখে আসি আমাজন জঙ্গলের ৭ টি অবাক করা বিস্ময়কর তথ্য......
১! এর আয়তন ৫৫,০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার (২১,২৩,৫৬২ বর্গমাইল)
★ তবে অবাক করা বিষয় হলো, ৩৭ টি বাংলাদেশ একত্র করলে এই জঙ্গলের সমান হবে।

২! এটি বিশ্বের নয়টি দেশজুড়ে বিস্তৃত ৬০% ব্রাজিলে,১৩% পেরুতে, বাকি ৭ টি কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর, বালিভিয়া, গায়ানা, সুরিনাম, ফরাসি গায়ানা।

৩! পৃথিবীর প্রায় 20% অক্সিজেন আসে এ জঙ্গল থেকে।

৪! এই বনে প্রায় ৩৯০ মিলিয়ন বৃক্ষ রয়েছে এগুলা আবার ১৬০০০ হাজার প্রজাতিতে বিভক্ত।

৫! পৃথিবী জুড়ে যে রেইনফরেস্ট রয়েছে তার ৫০% ই এই জঙ্গলে।

৬! এই বনে ৩০০ এরও বেশি আদিবাসি আছে। মোট আদিবাসি নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা ১০ লাখেরও বেশি।
★তবে মজার বিষয় হলো, এদের মধ্যে এমনও আদিবাসী আছে যাদের বর্তমান আধুনিক বিশ্বের সাথে এখন পর্যন্ত কোনো যোগাযোগই হয়নি৷

৭! এই বনে ৪৫ লাখ প্রজাতির পোকামাকড়, ৪২৮ প্রজাতির উভচর, ৩৭৮ প্রজাতির সরিসৃপ, ৪২৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী আছে।
[12P.]

©

30/01/2024

কবিতা: আমি ভালোবাসি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে
লিখা : রুমিয়ে জামানা শাহ আবদুল মতিন বিন হুসাইন (দা.বা.)
কণ্ঠ : জাওয়াদ ইবনে ফরিদ





21/01/2024

❝আত্মপক্ষ❞
কবিঃ আহমেদ দিন রুমি

07/05/2023

"সর্বোত্তম আমলের মধ্যে রয়েছে:
১) কোনো মু'মিনকে আনন্দিত করা,
২) তাঁর ঋণকে পরিশোধ করে দেয়া,
৩) তাঁর কোনো প্রয়োজনকে পূরণ করে দেয়া,
৪) তাঁর কোনো দুঃখ-কষ্ট থাকলে তা দূর করা"

"‌من ‌أفضل ‌العمل ‌إدخال ‌السرور ‌على ‌المؤمن تقضي عنه دينًا، تقضي له حاجة، تنفس عنه كربة"

~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম


[ ১) ইমাম বাইহাক্বী (রাহ.), শুআবুল ঈমান, হা: ৭৩৭৪, ড. আব্দুল আলী আব্দুল হামীদ হা-মিদের(রাহ.) মতে সনদ হাসান]

29/04/2023

যদি অপরিচিত হয়ে থাকতে পারো, তবে তাই করো। তোমাকে যদি কেউ না চিনে, তবে তোমার কী হবে? কেউ তোমার প্রশংসা করলে, তোমার কী এমন হয়ে যাবে? যদি তুমি আল্লাহর কাছে প্রশংসনীয় হয়ে থাকো, তবে মানুষের সমালোচনার তুমি কেন কান দিবে?

– ইমাম ফুদ্বাইল ইবনু ইয়াদ্ব রাহিমাহুল্লাহ

10/04/2023

১০০% পরীক্ষিত আমল এবং ফলাফল খুব শীঘ্রই নিশ্চিত
চাকরি, বিয়ে, রিজিক, সুস্থতা বা নিরাপত্তার জন্য আশ্চর্যজনক একটি দোয়া।
যে ব্যক্তি বিয়ে করার ইচ্ছা করে সে যেন এই দোয়াটি বেশি বেশি পড়ে।
রমজানে ইফতার এবং সেহেরির সময় এই দোয়া-টা বেশি বেশি পড়বেন।
দোয়াটি হলো-
رَبِّ إِنِّيْ لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيْرٌ

উচ্চারণ : ‘রাব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাক্বির।’

এই দুয়ার বরকতেই মূসা আলাইহিসসালাম এর প্রয়োজন পূরণ হয়েছিল

09/04/2023

#গুরুত্বপূর্ণ_রিমাইন্ডার

বিদ্যানন্দে যাকাত দিবেন কি দিবেন না—সেই আলাপ পরে। আগে তিনটা সহজ কথা বুঝেন।

* যাকাত দেন আপনি ইবাদত করতে, বিদ্যানন্দ নেয় "মানবতা" করতে। "মানবতা" আর ইবাদত কি এক?

* যাকাত হলো সালাতের মতো একটা স্পেসিফিক ইবাদত। ইবাদত করতে হয় মাবুদের নির্ধারিত উসুল দিয়ে। যেই প্রতিষ্ঠান আপনার মাবুদের বিদ্রোহী, সে আপনার ইবাদত আদায় করে দিচ্ছে—সেই ইবাদত আদায় হচ্ছে বলে মনে করেন?

* পুরোহিতের ইমামতিতে সালাতের ইবাদত না হলে বিদ্যানন্দের উকালতিতে (প্রতিনিধিত্বে) যাকাতের ইবাদত হয় কীভাবে?

© শায়খ মাহমুদ সিদ্দিকী

06/04/2023

কুরআনের প্রতি ভালোবাসা থাকার লক্ষণসমূহ :

১. কুরআনের সাক্ষাতে মন উৎফুল্ল হওয়া।
২. কুরআনের সাথে দীর্ঘক্ষণ সময় কাটানোর পরও কোনো ক্লান্তি অনুভব না করা।
৩. শত বাধা-বিপত্তি ও দূরত্ব সত্ত্বেও কুরআনের প্রতি পূর্ণ টান অনুভব করা। অন্তরে তার সাক্ষাতের জন্য পূর্ণ আকাঙ্ক্ষা জাগ্রত হওয়া। যে কারণে সংস্পর্শ লাভ হচ্ছে না তা দূর করার চেষ্টা করা।
৪. কুরআনের নির্দেশাবলির প্রতি নিজেকে সম্পূর্ণরূপে সঁপে দেওয়া। জীবনের ছোট-বড় সব ধরনের সমস্যায় এর দ্বারস্থ হওয়া।
৫. কুরআনে বর্ণিত আদেশ-নিষেধ পরিপূর্ণভাবে মেনে নেওয়া।

বই : কুরআন অনুধাবন : পদ্ধতি ও সতর্কতা
মূল : ড. খালিদ বিন আব্দিল কারীম মুহাম্মদ
ভাষান্তর : মুফতী জাওয়াদ আহমাদ
[ পৃষ্ঠা নং ৫৪ থেকে ]

05/04/2023

এ বছরের রমজানুল মুবারকের চাঁদের যে দৃশ্য দেখা গিয়েছিল, তার পর থেকেই মধ্য রমজানের বিকট আওয়াজ সংগঠিত হওয়ার একটি গুজব অনেকের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন মাধ্যমে অনেকেই এ বিষয়ে জানতে চেয়েছেন।

তাই আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের উপর ভরসা করে এ বিষয়ক হাদীসের তাহকীক ও পাশাপাশি কয়েকটি মৌলিক কথা পেশ করছি।

সংশ্লিষ্ট হাদীসের তাহকীক:

এ বিষয়ক একটি হাদীস হযরত আবু হুরায়রা, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহু আনহুমা সহ ফাইরুজ দাইলামী রহ. থেকেও বর্ণিত হয়েছে।

হাদীসটি হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে তিন সূত্রে
বর্ণিত হয়েছে।

হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে প্রথম সূত্রে বর্ণিত হাদীসের তাহকীক:
যে সকল কিতাবে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে:

১, কিতাবুল ফিতান, নুআইম ইবনে হাম্মাদ (হাদীস, ৬২৫/৬৩১)

২, মুসতাদরাক, হাকিম আবু আব্দিল্লাহ (হাদীস, ৮৫৮০)

হাদীসটির হুকুম:
হাকিম আবু আব্দিল্লাহ রহ. হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন:
قال الحاكم بعد رواية الحديث : "قد احتج الشيخان -رضي الله عنهما- برواة هذا الحديث عن آخرهم، غير مسلمة بن علي الخشني، وهو حديث غريب المتن، ومسلمة أيضا ممن لا تقوم الحجة به".

হাদীসটি একেবারেই অপরিচিত। আর হাদীস বর্ণনাকারী মাসলামাহর বর্ণিত হাদীসসমূহ দলীল যোগ্য নয়।

ইমাম যাহাবি রহ. বলেন: (মুখতাসারুত তালখীস, হাদীস, ১১৩৮)
[قلت: -أي الذهبي- ذا موضوع، قلت: بل هو ساقط متروك]
হাদীসটি জাল ভিত্তিহীন, আর হাদীস বর্ণনাকারী মাসলামাহ একেবারেই দুর্বল/অনির্ভরযোগ্য, পরিত্যাজ্য।

ইমাম যাহাবী রহ. মিযানুল ই'তিদালে (মাসলামাহ ইবনে আলীর) জীবনিতে হাদীসটি উল্লেখ করে বলেন:
هذا منكر، ومسلمة لم يدرك قتادة.
এটি মুনকার (ভিত্তিহীন) আর মাসলামাহ কাতাদাহ রহ. এর যুগ পায়নি/সাক্ষাৎ হয়নি।(অর্থাৎ হাদীসটিতে সনদ কেন্দ্রিক তথা বর্ণনাসূত্রের বিচ্ছিন্নতা রয়েছে)

হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত হাদীসের তাহকীক:

ইমাম উকাইলী আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে কাইস এর জীবনীতে (৩/৫২) হাদীসটি উল্লেখ করে বলেন:

ونقل رأي الإمام يحيى بن سعيد في عبد الواحد: عبد الواحد شبه لا شيء ثم قال العقيلي:
ليس لهذا الحديث أصل من حديث ثقة، ولا من وجه يثبت

আব্দুল ওয়াহিদের একেবারেই গ্রহণযোগ্যতা নেই।
হাদীসটি না কোনো নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে আর না কোনো প্রামাণিক সনদে বর্ণিত হয়েছে।

হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে তৃতীয় সূত্রে বর্ণিত হাদীসের তাহকীক:

আল মু'জামুল আউসাত (হাদীস, ৫১৬)

ইমাম হাইসামী রহ. মাজমাউজ জাওয়ায়িদে (১২৩৭৪) হাদীসটি উল্লেখ করে বলেন:
قال الهيثمي في المجمع : "فيه شهر بن حوشب، وفيه ضعف، والبختري بن عبد الحميد لم أعرفه".
সনদে শাহর ইবনে হাওশাব রয়েছে, তাঁর মাঝে দুর্বলতা রয়েছে। আরেক বর্ণনাকারী বুহতুরী ইবনে আব্দুল হামিদের পরিচয় আমি উদ্ধার করতে পারিনি।

ইমাম ইবনুল জাওযী রহ. জাল ও ভিত্তিহীন হাদীস সংশ্লিষ্ট তাঁর বিখ্যাত কিতাবে (আল মাউজুআত, ৩/১৯১) এই তিনটি হাদীস উল্লেখ করে বলেন:
هذا حديث موضوع على رسول الله صلى الله عليه وسلم.
এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস নয়, বরং এটি তার তাঁর নামি চালিয়ে দেয়া হয়েছে।

ইমাম যাহাবী রহ. মিযানুল ই'তিদালে ইমাম উকাইলির সূত্রে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে কাইসের জীবনিতে হাদীসটি উল্লেখ করে বলেন:
"هذا كذب على الأوزاعي"
ইমাম আওজায়ী এমন হাদীস বর্ণনা করেননি। বরং এটা আওজায়ির নামে চালিয়ে দেয়া মিথ্যাচার।

ইমাম যাহাবি মিজানুল ই'তিদালে ইমাম আওজায়ি থেকে হাদীসটির বর্ণনাকারী আমবাসাহ ইবনে আবী সাগীরাহর জীবনীতে বলেন:

"أتى عن الأوزاعي بخبر باطل".
আমবাসাহ আওজায়ী রহ. থেকে একটি বাতিল (ভিত্তিহীন) হাদীস বর্ণনা করেছে। (অর্থাৎ এই হাদীস জালের দায়ভার আমবাসাহর উপরে)

ইমাম ইবনুল জাওযি রহ. (আল মাউজুআত, ৩/১৯২) ফাইরুজ দাইলামি থেকে বর্ণনা করে বলেন:
هذا حديث لا يصح، قال العقيلي: عبد الوهاب ليس بشئ، وقال ابن حبان كان يسرق الحديث لا يحل الاحتجاج به. وقال الدارقطني: منكر الحديث. وأما إسماعيل فضعيف، وعبدة لم ير فيروزا، وفيروز لم ير رسول الله صلى الله عليه وسلم. وقد روى هذا الحديث غلام خليل عن محمد بن إبراهيم البياضي عن يحيى بن سعيد العطار عن أبي المهاجر عن الأوزاعي، وكلهم ضعاف في الغاية، وغلام خليل كان يضع الحديث.
এই হাদীসটি প্রমাণিত নয়। হাদীস বর্ণনাকারী আব্দুল ওয়াহ্হাবের কোনো নির্ভরযোগ্যতা নেই। ইমাম ইবনু হিব্বান রহ. বলেন: সে হাদীস চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত, তাকে প্রামাণ্য হিসেবে পেশ করা বৈধ নয়। এছাড়া এই হাদীসের দুই জায়গায় বিচ্ছিন্নতা রয়েছে: আবদাহ ফাইরুজের সাক্ষাৎ পায়নি, আর ফাইরুজ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাক্ষাৎ পাননি।

এছাড়াও হাদীসটি খলীলের গোলাম ইমাম আউজায়ি রহ. এর সূত্রে ইবরাহীম বায়াজি তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ তিনি আবুল মুহাজির থেকে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু ইমাম আওজায়ি রহ. থেকে বর্ণনাকারী সকলেই মারাত্মক পর্যায়ের দুর্বল, আর খলিলের গোলাম হাদীস জাল করত।

হাদীসটি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকেও বর্নিত হয়েছে,

ইমাম আবু নুআইম রহ. হাদীসটি কিতাবুল ফিতানে (৬৩৫/৬৪১)বর্ণনা করেছেন,

এই বর্ণনাটিও গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ মতনের (বক্তব্য) দিক থেকে এটি ভিত্তিহীন ও অপ্রমাণিত। একাধিক ইমাম এ বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য প্রদান করেছেন। যার কয়েকটি পেছনে উল্লেখ করা হয়েছে, সামনেও কয়েকটি আসছে। এছাড়াও এই হাদীসের সনদে প্রামাণ্যের অযোগ্য একাধিক বর্ণনাকারী রয়েছে।

وفي سنده ابن لهيعة وهو ضعيف لأنه خلط بعد احتراق كتبه، وفيه عبد الوهاب بن حسين وهو مجهول؛ كما قال الحاكم وابن حجر، وفيه محمد بن ثابت البناني، وهو معدود في المجروجين والضعفاء عند ابن حبان وابن عدي، وفيه الحارث الأعور الهمداني وهو من الكذابين؛ كما قال الشعبي وأبو حاتم وابن المديني، وقال أبو زرعة: لا يحتج بحديثه. ووثقه بعضهم في روايته عن علي، وهذا الحديث ليس من روايته عن علي، وإنما رواه عن ابن معسود، ومما تقدم نعلم أن الحديث غير صالح للاحتجاج به.

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম এ বিষয়ক সব হাদীসকেই আল মানারুল মুনীফে (পৃ. ১১০) জাল ভিত্তিহীন বলেছেন:

قال العلامة ابن القيم رحمه الله في أحاديث لا تصح في التواريخ المستقبلية ، قال : " كحديث : يكون في رمضان هدة توقظ النائم ، وتقعد القائم ، وتخرج العواتق من خدورها ، وفي شوال مهمهة ، وفي ذي القعدة تميز القبائل بعضها من بعض ، وفي ذي الحجة تراق الدماء ، وحديث : يكون صوت في رمضان إذا كانت ليلة النصف منه ليلة جمعة ، يصعق له سبعون ألفا ، ويصم سبعون ألفا " انتهى .

ইমাম আলী কারী রহ. জাল ও ভিত্তিহীন হাদীস বিষয়ক কিতাব আল আসরারুল মারফুআতে (পৃ. ৪৭৩) এ বিষয়ক সব হাদীসকে জাল ও ভিত্তিহীন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আল্লামা আজলুনী রহ. তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ কাশফুল খফায় (নির্দিষ্ট মাসে কিয়ামতের আলামত প্রকাশ অনুচ্ছেদে) এ বিষয়ক সব হাদীসকে জাল ভিত্তিহীন বলেছেন।

قال الحافظ العجلوني في كتابه كشف الخفاء ومزيل الإلباس: إن مثل هذا الحديث باطل، حيث قال في باب ظهور آيات القيامة في الشهور المعينة: "ومن المروي فيه: يكون في رمضان هدة وفي شوال همهمة، إلى غير ذلك، ما ثبت فيه شيء ومجموعه باطل. انتهى.

এখানে উল্লেখিত ইমামগণ ছাড়াও ইমাম জুযাকানী, ফাইরূজাবাদী, আল্লামা ওয়ারানী আল মাওসিলী, আল্লামা কাকুজী, হাদীসটি ভিত্তিহীন হওয়ার বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য প্রদান করেছেন।

কিয়ামতের আলামত বিষয়ক কিছু মৌলিক কথা:

১, যে কোনো বিষয়ে হাদীস বর্ণনার পূর্বে নিশ্চিত হোন যে, এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত নির্ভরযোগ্য হাদীস। আর কিয়ামতের আলামত বিষয়ে যেহেতু প্রচুর জাল, ভিত্তিহীন, বর্ণনার অযোগ্য হাদীস রয়েছে। তাই বিশেষভাবে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য প্রদানের পূর্বে ভালোভাবে জানুন। কারণ কোনো হাদীস শোনা মাত্রই তা বর্ণনা শুরু করা উচিত নয়। বরং ভালোভাবে না জেনে হাদীস বর্ণনা করা খুবই কঠিন গুনাহ, এমনটি করা কোনোভাবেই জায়েজ নেই।

২,
ফিতান ও কিয়ামতের আলামত সংশ্লিষ্ট হাদীসগুলো সাধারণত বিভিন্ন ধরনের সম্ভাবনা রাখে। তাই এ বিষয়ক কোনো হাদীস প্রমাণিত হয়ে গেলেই তার মাধ্যমে আমাদের যুগ বা আমার গবেষণাকেই বুঝাচ্ছে এমনটা বলার সুযোগ নেই। তাই এ বিষয়ক হাদীস থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো অর্থ গ্রহণ না করে, খুব বেশি হলে সম্ভাব্যতার কথা বলতে পারেন । এবং তা করার পূর্বেও নির্ভরযোগ্য উলামায়ে কেরামের সাথে ধীরস্থিরভাবে পরামর্শ করুন !

৩,
অনেকের আলোচনা পর্যালোচনা থেকে বুঝা যায় কয়েক বছরের মধ্যেই কিয়ামত সংঘটিত হয়ে যাবে। অথচ এ বিষয়ে এতটাই নিশ্চিত হওয়ার মত উপাদান আমাদের হাতে নেই। মনে রাখতে হবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চৌদ্দশ বছর পূর্বে বলেছেন,
أنا والساعة كهاتين
আমি আর কিয়ামত হাতের দুই আঙ্গুল একটি আরেকটি থেকে যতটা নিকটবর্তী ততটাই নিকটবর্তী। তো এই বক্তব্য হলো পৃথিবীর পুরো বয়সের বিবেচনায়। অর্থাৎ পৃথিবী তার মূল সময় পার করে ফেলেছে। পূর্বের সময়ের তুলনায় যা রয়েছে তা সামান্যই। কিন্তু এই সামান্য সময়টাই কতটুকুন তা নিশ্চিতভাবে বলার সময় নেই। কারণ
আমাদের আগেও অনেক যুগ গত হয়েছে। আমাদের পরেও কত যুগ আছে তা আল্লাহ‌ই ভাল জানেন।

৪,
হাদীসটি বিশুদ্ধ ধরে নিলেও তা এই রমজানেই সংগঠিত হবে এমন নিশ্চিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ হাদীসটিতে এতটাই নিশ্চিত হয়ে বলার মত কোনো উপাদান নেই। এছাড়া ইতিপূর্বে বহুবার মধ্য রমজানে শুক্রবার এসেছে, কিন্তু এমন কিছু সংগঠিত হয়নি। কেউ হয়ত জুলফি তারকার হাদীসের মাধ্যমে এই রমজানকে নিশ্চিত করতে চাইবেন। কিন্তু দুটি কারণে তারও সুযোগ নেই।
১, জুলফি তারকার হাদীসও প্রমাণিত নয়‌।
২, জুলফি তারকা ও মধ্য রমজানের হাদীসের মধ্যে কোনো যুগসুত্র নেই।

৫,
অনেকে মনে করেন, এই ধরনের হাদীস প্রমাণিত না হলেও যেহেতু এর মাধ্যমে মানুষ কিয়ামতকে ভয় করছে, আল্লাহমুখী হচ্ছে সমস্যা কোথায়?
কিন্তু, তাঁরা ভুলে যান, মধ্য রমাজান অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পর যখন মানুষ দেখবে কিছুই হয়নি, তখন বহু মানুষের পক্ষেই মারাত্মক পর্যায়ের বিভ্রান্তিতে পড়ে যাওয়ার আশংকা থাকে। এমনকি আলইয়াজু বিল্লাহ বিষয়টি তাদের কুরআন সুন্নাহর প্রতি আস্থাহীন করেও তুলতে পারে। এছাড়া হাদীস অস্বীকারের ফিতনাতেও এগুলোর মাধ্যমে বাতাস দেয়া হয়ে যায়।

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে সত্য সঠিক পথ সিরাতে মুস্তাকিমের উপর অটল অবিচল রাখেন।

লেখক : শাইখ ইউসুফ আল ওবাইদী হাফিযাহুল্লাহ

31/03/2023

আমাদের চলমান কোর্সে এখনো ভর্তি নেয়া হচ্ছে। ভর্তি ফরম ও ডিটেইলস কমেন্টবক্সে দেখুন।

Want your school to be the top-listed School/college?

Telephone