18/05/2026
@,
নিজের উপড় একটু বিশ্বাস রাখ!!
18/05/2026
@,
16/05/2026
মনে রাখুন
🚨 আজকের চাকরির গুরুত্বপূর্ণ আপডেট!
📢 নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদনের সময়সূচি, ফলাফল ও চাকরির খবর— সব একসাথে।⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯
⭐ বাংলাদেশ ব্যাংক ডাটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর (আইটি) ২৬ পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি!
🗓️ আবেদন শেষ: ২১ মে ২০২৬
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯
⭐ শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে 'ট্রেইনি অফিসার (জেনারেল)' পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি!
🗓️ আবেদন শেষ: ১৬ মে ২০২৬
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯
⭐ কর কমিশনারের কার্যালয়ে (কর অঞ্চল কক্সবাজার) ১২২ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি!
➝ গ্রেড: ১৩-২০তম
🗓️ আবেদন শুরু: ১৮ মে, ২০২৬
🗓️ আবেদন শেষ: ৪ জুন, ২০২৬
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯
⭐ ২৭ পদে কর অঞ্চল-১২ ঢাকা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
🗓️ আবেদন শুরু: ২১ মে, ২০২৬
🗓️ আবেদন শেষ: ১০ জুন, ২০২৬
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯
⭐ দিনাজপুর কর অঞ্চলে ১১২টি বিভিন্ন পদে চাকরির বিজ্ঞপ্তি!
🗓️ আবেদন শেষ: ১৭ মে ২০২৬
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯
⭐ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ১৩-২০তম গ্রেডের ৪ ক্যাটাগরির ৩৭ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি!
🗓️ আবেদন শেষ: ৮ জুন ২০২৬
🔥 ব্যাংকের বারবার আসা কিছু গুরুত্বপূর্ণ টার্ম জেনে নিন
➡️ ব্যাংক রেট — যে সুদ হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকগুলোকে দীর্ঘ সময়ের জন্য ঋণ দেয়, তাকে ব্যাংক রেট বলে। বর্তমানে দেশে ব্যাংক রেট — ৪%।
➡️ রেপো রেট — Repo এর পূর্ণরূপ - Repurchase Option। যে সুদ হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকগুলোকে স্বল্প সময়ের জন্য ঋণ দেয়, তাকে রেপো রেট বলে। একে ওভারনাইট রেপো বা নীতি সুদহারও (Policy Rate) বলা হয়। বর্তমানে রেপো রেট — ১০%।
> পুনঃক্রয় চুক্তি যদি ১ দিন বা স্বল্প সময়ের জন্য করা হয় তাহলে তাকে বলা হয় Over Repo।
> পুনঃক্রয় চুক্তি যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য করা হয় তাহলে তাকে বলা হয় Term Repo।
✴️ বর্তমানে নীতি সুদহার করিডোরের উর্ধ্বসীমা Standing Lending Facility (SLF) — ১১.৫০%। একে স্পেশাল রেপো বলা হয়।
✴️ বর্তমানে নীতি সুদহার করিডোরের নিম্নসীমা Standing Deposit Facility (SDF) — ৮.০০%। একে রিভার্স রেপো বলা হয়।
➡️ রিভার্স রেপো রেট — বাণিজ্য ব্যাংকগুলো যে সুদ হারে উদ্ধৃত্ত অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে, তাকে রিভার্স রেপো রেট বলে। বর্তমানে রিভার্স রেপো রেট — ৮%।
🔥 CRR & SLR
➡️ Cash Reserve Ratio (CRR) — তফসিলি ব্যাংকগুলো তাদের মোট ডিমান্ড ডিপোজিট ও টাইম ডিপোজিটের যে অংশ বিনা সুদে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে, তাকে ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও বলে।
> বর্তমানে CRR (Traditional & Islamic Banking) এর জন্য — ৪%।
➡️ Statutory Liquidity Ratio (SLR) — তফসিলি ব্যাংকগুলো তাদের মোট ডিমান্ড ডিপোজিট ও টাইম ডিপোজিটের যে অংশ অল্প সুদে কিন্তু অধিকতর নিরাপদ খাতে বিনিয়োগ করতে হয়, তাকে Statutory Liquidity Ratio বলে।
> বর্তমানে SLR (Traditional Banking) এর জন্য — ১৩%
> Islamic Banking এর জন্য — ৫.৫%।
*** ইসলামিক ব্যাংকগুলো জরুরি প্রয়োজনে অন্য ব্যাংক থেকে সুদে টাকা ধার করতে পারে না, এজন্য ইসলামিক ব্যাংকের SLR কম।
🔥 ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ড
➡️ ট্রেজারি বিল — নির্দিষ্ট তারিখে অর্থ পরিশোধ করার অঙ্গীকার করে সরকার (বাংলাদেশ ব্যাংক) যে স্বল্পমেয়াদি অঙ্গীকারপত্র ইস্যু করে তাকে ট্রেজারি বিল বলে। সরকারের পক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক এটি ইস্যু করে।
> টি বিলকে Zero Coupon Security বলা হয়।
> মেয়াদ তিন মাস থেকে ১ বছর। বর্তমানে বাজারে ১৪, ৯১, ১৮২ ও ৩৬৪ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিল চালু আছে।
13/05/2026
পড়ে ফেলুন, কাজে দিবে
13/05/2026
পড়ে ফেলুন
13/05/2026
গাইড বই এবং মেইন বই এর সমন্বয় করবেন কিভাবে ?
একটা ভুল ম্যাসেজ হয়ত যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের কাছে । গাইড বই পড়ে লাভ নাই শুধু মৌলিক/ মেইন বই পড়তে হবে । এটা ভুল কৌশল ।
বিসিএস এর সিলেবাস অনেক বড় । প্রিলির সব সাবজেক্ট এর একটা করে গাইড বই শেষ করতে হলেও দেখবেন ২/৩/৪ মাস লেগে যাবে । তাহলে প্রতিটা সাবজেক্ট এর প্রত্যেক চ্যাপ্টার নিয়ে মৌলিক বই পড়তে গেলে বিপদে পড়বেন৷
মনে করুন আপনার সামনে ৪ মাস আছে । আপনি প্রথমেই সব সাবজেক্টের একটা করে গাইড বই পড়ে ফেলেন । তারপর?
যে গাইড বই টা পড়েছিলেন সেটা আরেকবার রিভিশন দেন । অন্তত ২ বার না পড়লে কোন বিষয়ের ভিজুয়্যাল মেমোরি তৈরি হয় না ।
এখন ধরুন গাইড বই পড়তে যেয়ে কোন টপিক একদমই বুঝতে পারছেন না তখন পাশের বন্ধুর থেকে বুঝায়ে নেন । তাতে নাহলে ইউটিউবে চট করে ভিডিও দেখে নেন অথবা গুগলে সার্চ করে অল্প পরিসরে জেনে নেন ।
তাহলে মেইন বই কিভাবে পড়বেন ? গাইড বই পড়ার সময় বা শেষ হলে যদি কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেইন বইতে পান তাহলে সেটা গাইড বই এর পেইজের ফাকা জায়গায় লিখে রাখেন বা স্টিকি নোট লাগায়ে রাখেন ।
এভাবে ৪ মাস পরার পরে যখন আপনার মনে হবে যে আমি গাইড বই এর সবকিছু মোটামুটি পারি তখন আপনি মৌলিক বই গুলো বৃহৎ পরিসরে পড়তে পারবেন, পত্রিকার সম্পাদকীয় গুলো রেগুলার পড়বেন ।
প্রথমেই সরাসরি মেইন বই পড়তে গেলে অসীম সাগর মনে হয়ে হীতে বিপরীত হতে পারে । প্রথমে একসেট গাইড বই শেষ হোক তারপর ধীরে ধীরে মৌলিক বই গুলো থেকে তথ্য কালেক্ট করে গাইড বই এর সাথে সংযোগ করতে থাকেন ।
আর একবার প্রিলি পাশ করে গেলে বা রিটেন পাশ করে গেলে তখন আপনি যে বই খুশি অবাধ বিচরণ করতে পারবেন ।
বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক পড়ার সময় রাজনীতিকোষ ( হারুনুর রশিদ) এবং কূটনীতি কোষ ( শামীম আহসান) এই দুইটা বই সাথে রাখেন৷
যেটা দরকার বর্নাক্রমানুসারে সাজানো আছে সহজে সংক্ষেপে পেয়ে যাবেন ।
তারেক শামসুর রেহমানের কূটনীতিকোষ ও কেউ কেউ রাখেন । তবে আমার কাছে মনে হয়েছে বইটা কপি পেস্ট এবং নিম্নমানের । তার চেয়ে শামীম আহসানের কূটনীতিকোষ বইটা যোজন যোজন ভালো অপশন ।
সকলের জন্য শুভকামনা
post
11/05/2026
আস্থা পুনরুদ্ধারের পরীক্ষায় পিএসসি
10/05/2026
গোলাম রব্বানী, ঢাকা
মাত্র ৯ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারির ফলাফল প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। সর্বশেষ ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারির ফলও প্রকাশিত হয়েছে ১১ দিনের মাথায়। বিসিএসের ইতিহাসে আগে কখনো এত দ্রুত ফল প্রকাশ হয়নি। এর পাশাপাশি বিসিএসের আবেদন ফি কমে হয়েছে ২০০ টাকা। মৌখিক পরীক্ষার নম্বরও কমে হয়েছে ১০০। পিএসপির এই সিদ্ধান্তগুলো প্রশংসিত হচ্ছে সব মহলেই। তবে প্রশাসনিক গতিশীলতার মধ্যেও রয়ে গেছে স্থায়ী সংস্কার ও নন-ক্যাডার নিয়োগের মতো কিছু অমীমাংসিত জটিলতা। সম্প্রতি রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গত ১৮ মাসের সংস্কারের চিত্র তুলে ধরে পিএসসি। জন–আস্থা ফেরাতে কমিশনের বর্তমান উদ্যোগ ও আগামীর পরিকল্পনা নিয়ে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
‘ওয়ান ইয়ার বিসিএস’ স্বপ্ন
বিগত কয়েকটি বিসিএসের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, পিএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশে নিজেদের রেকর্ড ধারাবাহিকভাবে ভাঙছে। ২০১৯ সালের ৩ মে অনুষ্ঠিত ৪০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ করতে সময় লেগেছিল ৮৪ দিন (২৫ জুলাই ২০১৯)। একইভাবে ২০২১ সালের ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ৪৩তম বিসিএসের ফলাফল প্রকাশিত হয় ১০২ দিন পর (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২)। বর্তমান কমিশন ফলাফল প্রকাশে অতীতের সেই দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে গতির সঞ্চার করেছে। সোহরাব (মো. সোহরাব হোসাইন) কমিশনের ৪৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারির ফল দিতে ২৭ দিন সময় লেগেছিল, ৪৭তম বিসিএসে মোবাশ্বের মোনেমের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশন ফল প্রকাশ করে মাত্র ৯ দিনে। সেই ধারাবাহিকতায় ৫০তম বিসিএসে ২ লাখ ৯০ হাজার ৯৫১ জন প্রার্থীর প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশিত হয় ১১তম দিনে। পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, এই পরিবর্তনের পেছনে কাজ করছে কমিশনের ‘ওয়ান বিসিএস, ওয়ান ইয়ার’ রোডম্যাপ। এর লক্ষ্য একটি বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পুরো প্রক্রিয়াটি এক বছরের মধ্যে শেষ করা।
পিএসসি সদস্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস প্রথম আলোকে বলেন, ‘শুধু কম সময়ে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে, বিষয়টি এভাবে বললে অসম্পূর্ণ থেকে যায়। বর্তমান কমিশন লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। আগে লিখিত পরীক্ষার খাতা দেখতে যেখানে এক বছরের বেশি সময় লাগত, এখন “সার্কুলার ইভাল্যুশন সিস্টেম” চালু করার ফলে তা মাত্র তিন মাসে নামিয়ে আনা হয়েছ
11/05/2026
পত্রিকা এবং বইয়ের বড় বড় অনুচ্ছেদ পড়ার সময় কীভাবে 5W1H পদ্ধতি প্রয়োগ করে ব্রেনস্ট্রোর্মিং এর মাধ্যমে লেখার যোগ্যতা বাড়াবেন?হেডলাইনটা দেখার পর কিছুক্ষন নিচের মত করে ব্রেনস্ট্রোর্মিং করেন।
যেমন:
আজকের পত্রিকা থেকে নিচের লেখাটি দিয়ে উদাহরণ দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
What:পোড়ামহল কী?
Where:কোন কোন এলাকায় এই অগ্নি*কান্ড বেশি ঘটছে?
Who:কে ঘটাচ্ছে এই ঘটনা?এটা কী প্রাকৃতিকভাবেই ঘটছে নাকি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটাচ্ছে?
When:এই ঘটনাগুলো কোন সময়গুলোতে ঘটিছে?
Why:কেন সুন্দরবনেই এই অগ্নিকান্ড ঘটছে?এখানে কার স্বার্থ জড়িত থাকতে পারে?
How:কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে?এইরকম দূর্গম এলাকায় এই আ*গুন কীভাবে নিয়ন্ত্রনে আনে?
এইভাবে চিন্তাভাবনা করার পর মুল অনুচ্ছেদটা পড়লেন।এখন যদি দেখেন আপনার চিন্তার সাথে অনেক কিছু মিলে গেছে তাহলে আপনার নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়বে।ভাববেন "Great minds think alike".
আর যদি না মিলে তাহলে পড়ার পর আপনার ভিতরে নতুন কিছু তথ্যের ইনপুট হবে।আপনি সমৃদ্ধ হবেন।তখন ভাববেন "হারাই নি কিছুই, হয় জিতেছে না হয় শিখেছি"।
ধন্যবাদ সবাইকে।
আমাদের এই ভূখণ্ডের নাম ‘বঙ্গ’ কীভাবে হলো, তা নিয়ে আমাদের অনেকের মনেই কৌতূহল আছে। এই অনেক কিছু ব্যাখ্যা প্রচলিত আছে তাঁদের মধ্যে একটি ব্যাখ্যাতে ভারতীয় পুরাণে একটি অত্যন্ত চমৎকার গল্প পাওয়া যায়। প্রাচীনকালে চন্দ্রবংশীয় এক শক্তিশালী রাজা ছিলেন, যার নাম বলি। উল্লেখ্য, ইনি সেই বিখ্যাত অসুর রাজ মহাবলী নন, বরং তিনি ছিলেন এক দয়ালু আর প্রতাপশালী নৃপতি। তাঁর রানির নাম ছিল সুদেষ্ণা। ধন-সম্পদ আর বিশাল সাম্রাজ্য সবকিছুই এই দম্পতির ছিল, কিন্তু মনে ছিল কেবল একটি বড় কষ্ট। তাঁদের কোনো সন্তান ছিল না। বিশাল এই রাজ্য শাসনের পর কে এর হাল ধরবে কিংবা কার হাত ধরে বংশের নাম টিকে থাকবে, এই চিন্তায় রাজা ও রানি সবসময় অস্থির থাকতেন।
তখনকার দিনে বংশ রক্ষার জন্য একটি বিশেষ নিয়ম প্রচলিত ছিল, যাকে বলা হতো ‘নিয়োগ’ প্রথা। যদি কোনো রাজা সন্তানহীন হতেন, তবে স্বামীর অনুমতি ও অনুরোধে রানি কোনো অত্যন্ত জ্ঞানী, গুণী বা দেবতুল্য ঋষির মাধ্যমে সন্তান লাভ করতে পারতেন। রাজা বলি তাঁর বংশের উত্তরসূরি পেতে সেই সময়ের অত্যন্ত তপোবলসম্পন্ন মহর্ষি দীর্ঘতমাকে রাজপ্রাসাদে আমন্ত্রণ জানান। মহর্ষি দীর্ঘতমা ছিলেন জন্মান্ধ, কিন্তু তাঁর আধ্যাত্মিক শক্তি ছিল অতুলনীয়। তাঁর আশীর্বাদেই রানি সুদেষ্ণা পর্যায়ক্রমে পাঁচটি অত্যন্ত তেজস্বী ও সুন্দর পুত্রসন্তান লাভ করেন। এই পাঁচ ভাই যেহেতু রাজার স্ত্রী বা ‘ক্ষেত্র’ থেকে জন্ম নিয়েছিলেন, তাই শাস্ত্রের ভাষায় তাঁদের ‘ক্ষেত্রজ’ সন্তান বলা হতো। তাঁদের বীরত্ব আর রাজকীয় আভিজাত্যের কারণে ইতিহাসে তাঁরা ‘বালেয় ক্ষত্রিয়’ নামেও পরিচিতি পান।
এই পাঁচ পুত্রের নাম ছিল যথাক্রমে— অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ, পুণ্ড্র এবং সুহ্ম। তাঁরা যখন বড় হয়ে রাজকার্যে দক্ষ হয়ে উঠলেন, তখন রাজা বলি তাঁর বিশাল সাম্রাজ্যকে ভৌগোলিক সীমানা অনুযায়ী পাঁচটি ভাগে ভাগ করে তাঁদের হাতে তুলে দেন। প্রত্যেক পুত্র স্বাধীন রাজা হিসেবে নিজেদের নামের ওপর ভিত্তি করে নিজ নিজ রাজ্যের নামকরণ করেন। এর ফলে পূর্ব ভারতে পাঁচটি প্রাচীন ও স্বতন্ত্র জনপদের সৃষ্টি হয়। প্রথম পুত্র ‘অঙ্গ’ যে রাজ্যটি পান তা বর্তমান ভারতের বিহারের মুঙ্গের ও ভাগলপুর অঞ্চল। দ্বিতীয় পুত্র ‘বঙ্গ’ যে ভূখণ্ডটি লাভ করেন, তাঁর নামানুসারেই সেই রাজ্যের নাম হয় ‘বঙ্গদেশ’ বা ‘বঙ্গ’ রাজ্য।
একইভাবে তৃতীয় পুত্র ‘কলিঙ্গ’ বর্তমান ওড়িশা অঞ্চলে তাঁর রাজ্য গড়ে তোলেন। চতুর্থ পুত্র ‘পুণ্ড্র’ লাভ কর