পথচলা

পথচলা

Share

পথচলা | Life • Travel • Motivation
নিজের চোখে দেখা জীবন, অনুভব করা পথচলা
আর বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে শেখা গল্প।

জীবনের প্রতিটি মোড়ে আমাদের প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য। "পথচলা" একটি বহুমুখী প্ল্যাটফর্ম যেখানে আমরা শিক্ষা, ক্যারিয়ার, সমসাময়িক বিষয়, জীবনশৈলী এবং প্রয়োজনীয় সকল আপডেট নিয়ে আলোচনা করি।

08/04/2026

এক অর্থবছরে ৭০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা এনটিআরসিএ-র

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রবেশ পর্যায়ে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের একটি বিশাল পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এই চাহিদার বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে।

বাজেট ও অর্থ বরাদ্দ: অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে আগামী অর্থবছরের জন্য সম্ভাব্য এই নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকার চাচ্ছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শূন্য পদগুলো পূরণ করতে।রোডম্যাপ ও পরিকল্পনা: এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, তারা বছরে চারবার নিয়োগ কার্যক্রম (দুইবার প্রবেশ পর্যায়ে এবং দুইবার প্রতিষ্ঠান প্রধান পদে) পরিচালনা করার একটি রোডম্যাপ তৈরি করছেন।শূন্য পদের সংখ্যা: যদিও প্রাথমিকভাবে ৭০ হাজার পদের কথা বলা হয়েছে, তবে ই-রিকুইজিশন বা শূন্য পদের চূড়ান্ত তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে এই সংখ্যা কিছুটা কম বা বেশি হতে পারে।১৮তম ও ১৯তম নিবন্ধিতদের সুযোগ: এই বিশাল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিশেষ করে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ এবং ১৯তম নিবন্ধনের অপেক্ষায় থাকা চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।একনজরে অন্যান্য আপডেট (২০২৬):বিষয়বর্তমান অবস্থাপ্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগঅধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষক পদে ১৩,৫৯৯টি পদের জন্য আবেদন শেষ হয়েছে। পরীক্ষা ১৮ এপ্রিল ২০২৬ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।আবেদনকারী সংখ্যাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান হতে মোট ৫৩ হাজার ৬৯ জন শিক্ষক আবেদন করেছেন।নিয়োগ সম্পন্ন করার লক্ষ্যকর্তৃপক্ষ আগামী ২৩ জুন ২০২৬-এর মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে চায়।

Photos from পথচলা's post 18/02/2026

পিঠের বোঝা কি কমছে? স্কুলব্যাগের ভারে নুয়ে পড়া শৈশব
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

সকাল ৮টা। রাজধানীর একটি নামী স্কুলের সামনে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আদিবকে তার মা রিকশা থেকে নামিয়ে দিচ্ছেন। আদিবের পিঠে বিশাল এক ব্যাগ। ব্যাগের ভারে আদিবের শরীরটা সামনের দিকে কিছুটা ঝুঁকে আছে। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, ছোট্ট শরীরের চেয়ে ব্যাগের আয়তনই বেশি।

এটি শুধু আদিবের চিত্র নয়, সারা বাংলাদেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের লাখো শিক্ষার্থীর প্রতিদিনের বাস্তবতা। উচ্চ আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা এবং চিকিৎসকদের বারবার সতর্কবার্তা সত্ত্বেও শিশুদের কাঁধ থেকে এই ‘ভারী বোঝা’ সরছে না।

আদালতের নির্দেশনা ও বাস্তবতা
২০১৬ সালে মহামান্য হাইকোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের শরীরের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি ওজনের ব্যাগ বহন করানো যাবে না। কিন্তু মাঠপর্যায়ে এই নির্দেশনার প্রতিফলন খুবই সামান্য।

একটি বেসরকারি সংস্থার সাম্প্রতিক জরিপ বলছে:

শহরাঞ্চলের প্রায় ৭৫% শিক্ষার্থী তাদের ওজনের তুলনায় বেশি ভারি ব্যাগ বহন করে।

অনেক ক্ষেত্রে ব্যাগের ওজন শিক্ষার্থীর ওজনের ২৫% থেকে ৩০% পর্যন্ত হয়ে থাকে।

স্কুল ডায়েরি, টেক্সট বুক, ৪-৫টি খাতা, টিফিন বক্স এবং পানির বোতলের সম্মিলিত ওজন গড়ে ৫ থেকে ৭ কেজি ছাড়িয়ে যায়।
স্বাস্থ্যঝুঁকি: পঙ্গুত্বের দিকে কি এগোচ্ছে প্রজন্ম?
অতিরিক্ত ওজনের ব্যাগ বহন করার ফলে শিশুদের শরীরে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের হাড় ও পেশি পূর্ণ বিকাশের আগেই অতিরিক্ত চাপ পড়লে তা স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।

"শিশুদের মেরুদণ্ড অত্যন্ত নমনীয় থাকে। দীর্ঘ সময় ভারী ব্যাগ বহন করলে মেরুদণ্ড বাঁকা হয়ে যাওয়া (Scoliosis), পিঠে ও ঘাড়ে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা এবং কুঁজো হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।"

— ডা. মাহফুজুর রহমান, শিশু হাড় বিশেষজ্ঞ

কেন কমছে না ব্যাগের ওজন?
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ব্যাগের ওজন বাড়ার পেছনে প্রধানত তিনটি কারণ দায়ী:

অতিরিক্ত সহায়ক বই: বোর্ড বইয়ের পাশাপাশি স্কুলের নির্ধারিত অতিরিক্ত প্র্যাকটিস বুক ও রেফারেন্স বই।

লকার সুবিধার অভাব: স্কুলে বই রেখে আসার ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিন সব বই-খাতা আনা-নেওয়া করতে হয়।

সচেতনতার অভাব: অনেক অভিভাবক মনে করেন বেশি বই মানেই বেশি পড়াশোনা।

উত্তরণের পথ কী?
শিক্ষাবিদদের মতে, ডিজিটাল ক্লাসরুম এবং ট্যাবের ব্যবহার বাড়াতে পারলে কাগজের বইয়ের চাপ কমবে। এছাড়া প্রতিটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যক্তিগত লকার ব্যবস্থা করা জরুরি। সর্বোপরি, স্কুল কর্তৃপক্ষকে রুটিন অনুযায়ী শুধু প্রয়োজনীয় বই আনার বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করতে হবে।

আদালতের কাগজকলমে শিশুদের শৈশব ভারমুক্ত হলেও বাস্তবের রাজপথে তারা আজও সেই ‘বোঝা’ টেনেই চলেছে। এই ভার না কমলে ভবিষ্যতে একটি শারীরিকভাবে দুর্বল প্রজন্মের মুখোমুখি হতে পারে দেশ।

14/02/2026

চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত: প্রাথমিকে নিয়োগ পাচ্ছেন ১৪,৩৮৫ জন !

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। মোট ১৪ হাজার ৩৮৫ জন প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। ১০ লাখ ৮০ হাজার আবেদনকারীর মধ্য থেকে এই মেধাবীদের বেছে নেওয়া হয়েছে।

পরামর্শ: আপনার রেজাল্ট এখনো না দেখে থাকলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (DPE) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে এখনই রোল নম্বর মিলিয়ে নিন।

📚 প্রশ্ন সমাধান: ২০২৬ সালের পরীক্ষার ধরন কেমন ছিল?
গত ৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এবারের প্রশ্নপত্রে গণিত এবং ইংরেজি অংশে কিছুটা বৈচিত্র্য ছিল।

বাংলা: পর্তুগিজ শব্দ (যেমন: সাবান, আনারস) এবং বর্ণমালার অর্ধমাত্রা নিয়ে প্রশ্ন এসেছে।

গণিত: শতকরা ও লসাগু-গসাগু থেকে কমন প্রশ্ন ছিল।

ভাইরাল টিপস: যারা সামনের নিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা ২০২৬ সালের এই প্রশ্নপত্রটি PDF আকারে সংগ্রহে রাখুন। কারণ, এখান থেকেই পরবর্তী পরীক্ষার অনেক প্রশ্ন 'রিপিট' হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

🎤 ভাইভা টিপস: মৌখিক পরীক্ষায় বাজিমাত করার ৩টি কৌশল
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ভাইভা বোর্ড বা মৌখিক পরীক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। যারা ভাইভা দিয়েছেন তাদের অভিজ্ঞতা থেকে সেরা ৩টি পরামর্শ:

পোশাক ও ব্যক্তিত্ব: মার্জিত পোশাক এবং আত্মবিশ্বাসী প্রবেশ বোর্ড মেম্বারদের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

নিজ জেলা সম্পর্কে জ্ঞান: ভাইভা বোর্ডে নিজের জেলার বিখ্যাত ব্যক্তি, স্থান এবং ঐতিহ্য নিয়ে প্রশ্ন করা প্রায় বাধ্যতামূলক।

পেশার প্রতি আগ্রহ: "কেন আপনি শিক্ষক হতে চান?"—এই প্রশ্নটির একটি সৃজনশীল ও বাস্তবসম্মত উত্তর আগে থেকেই গুছিয়ে রাখুন।

⚠️ নিয়োগ জালিয়াতি থেকে সাবধান!
এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগে মৌখিক পরীক্ষার সময় অন্তত ১১ জন প্রার্থীকে আটক করা হয়েছে। প্রশাসন অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে আছে। তাই কোনো ধরণের আর্থিক লেনদেন বা অবৈধ উপায়ে চাকরির প্রলোভনে পা না দেওয়ার জন্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে।

🔜 পরবর্তী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কবে?
শোনা যাচ্ছে, শূন্য পদ পূরণে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ আরও একটি বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসতে পারে। যারা এবার সুযোগ পাননি, তারা ভেঙে না পড়ে এখন থেকেই বিগত বছরের প্রশ্ন সমাধান এবং সাধারণ জ্ঞান ঝালিয়ে নিতে শুরু করুন।

আপনার জেলায় কতজন নিয়োগ পেলেন? কমেন্টে জানান এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে তথ্যগুলো পৌঁছে দিন।

12/02/2026

Big shout out to my newest top fans! 💎 Alamgir Hossain

Drop a comment to welcome them to our community,

10/02/2026

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের যে ছুটির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো:

ছুটির সময়কাল ও কারণ আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত টানা ৫ দিন দেশের সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসার শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

এই ছুটির কারণগুলো হলো:
১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধ ও বৃহস্পতিবার): জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সরকারের নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি।
১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্র ও শনিবার): নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি।
১৫ ফেব্রুয়ারি (রবিবার): হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব 'শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত' উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ছুটি।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্যভোটের সুবিধার্থে ছুটি: মূলত ভোটারদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্বাচনের আগের দিন (১১ ফেব্রুয়ারি) বাড়তি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
শিল্পাঞ্চলে বিশেষ ছুটি: শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে তারা দূরবর্তী গন্তব্যে যাতায়াতের পর্যাপ্ত সময় পান।
মাদ্রাসায় রমজানের ছুটি: অনেক মাদ্রাসায় এই ছুটির পরপরই অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকেই পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দীর্ঘকালীন ছুটি শুরু হয়ে যাবে।
বিশ্ববিদ্যালয় আপডেট: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কিছু বড় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এই সময়ে তাদের নির্ধারিত পরীক্ষাগুলো স্থগিত ঘোষণা করেছে।

10/02/2026

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আপনার 'পত্রিকা পেজ'-এর জন্য এই নিউজের বিস্তারিত নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো:

🗳️ নির্বাচনী মাঠে ৪১৮ ড্রোন ও ৬৫৫ ম্যাজিস্ট্রেট: নজিরবিহীন নিরাপত্তার চাদরে দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে আজ (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকেই সারাদেশে মাঠে নেমেছেন ৬৫৫ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। পাশাপাশি নির্বাচনী ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আকাশপথে নজরদারির জন্য যুক্ত করা হচ্ছে আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি।

🚁 প্রথমবারের মতো নির্বাচনী আকাশে ড্রোন
নিরাপত্তা পরিকল্পনা অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট মোট ৪১৮টি ড্রোন ব্যবহার করবে।

সেনাবাহিনী: ২০০টি ড্রোন।

বিজিবি: ১০০টি ড্রোন।

পুলিশ: ৫০টি ড্রোন।

কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও র‍্যাব: বাকি ড্রোনগুলো পরিচালনা করবে। এই ড্রোনগুলোর মাধ্যমে অতি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র এবং দুর্গম এলাকায় রিয়েল-টাইম মনিটরিং করা হবে। কোথাও কোনো গোলযোগের চেষ্টা হলে আকাশ থেকেই তা শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে স্ট্রাইকিং ফোর্স।

মাঠে ৬৫৫ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
নির্বাচনী অপরাধগুলো সশরীরে আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক বিচারের জন্য দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে মোট ৬৫৫ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

দায়িত্বের মেয়াদ: তারা আজ ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ৫ দিন মাঠে থাকবেন।

ক্ষমতা: তারা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে (Summary Trial) অপরাধীদের সাজা প্রদান করতে পারবেন। ভোটকেন্দ্রে বাধা দেওয়া, ভোটারদের ভয় দেখানো বা ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের মতো অপরাধের তাৎক্ষণিক বিচার করবেন তারা।

📹 বডি ওর্ন ক্যামেরা ও স্মার্ট মনিটরিং
ড্রোনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের গায়ে থাকবে ২৫,০০০ বডি ওর্ন ক্যামেরা। এছাড়া প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের জন্য ‘Election Security App-2026’ নামক একটি বিশেষ অ্যাপ চালু করেছে এনটিএমসি (NTMC), যার মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে সবকিছুর ওপর নজর রাখা হবে।

ইসি সচিবের বক্তব্য: "আমরা একটি প্রযুক্তি নির্ভর ও স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর। প্রযুক্তির এই ব্যবহার কোনো বিশৃঙ্খলাকারীকে পার পেতে দেবে না।"

10/02/2026

সাবধান! খেজুরের কাঁচা রস যেন মৃত্যুফাঁদ না হয়: নিপাহ ভাইরাসের সতর্কতা 📢
নিজস্ব প্রতিবেদক | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শীতের আমেজে কাঁচা খেজুরের রস খাওয়ার ধুম পড়েছে সারাদেশে। কিন্তু এই রসই এখন হয়ে উঠতে পারে প্রাণঘাতী। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (IEDCR) থেকে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে যে, দেশে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

⚠️ কেন এই ভাইরাস এতো বিপজ্জনক?
নিপাহ ভাইরাস মূলত বাদুড় থেকে ছড়ায়। রাতে যখন বাদুড় খেজুরের রস খায়, তখন তাদের লালা বা মল-মূত্র রসের সাথে মিশে যায়। সেই কাঁচা রস মানুষ পান করলে সরাসরি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। এই রোগে মৃত্যুর হার ৭০% থেকে ৮০%, যা অত্যন্ত ভয়াবহ।

🔍 নিপাহ ভাইরাসের প্রধান লক্ষণসমূহ:
তীব্র জ্বর ও মাথাব্যথা।

মাংসপেশিতে ব্যথা ও বমি বমি ভাব।

তীব্র শ্বাসকষ্ট ও খিঁচুনি।

মানসিক বিভ্রান্তি বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।

🚫 স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি নির্দেশনা:
১. কাঁচা রস পুরোপুরি বর্জন: কোনোভাবেই খেজুরের কাঁচা রস পান করা যাবে না। ২. রস ফুটিয়ে পান করুন: রস যদি খেতেই হয়, তবে তা ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে। আগুনে জ্বাল দেওয়া গুড় বা পাটালি খাওয়া নিরাপদ। ৩. আধা খাওয়া ফল বর্জন: বাদুড় বা পাখির মুখ দেওয়া বা আধা খাওয়া ফল (যেমন: পেয়ারা, বড়ই) খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। ৪. আক্রান্তের সেবা: আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার সময় অবশ্যই মাস্ক এবং গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ভাইরাসের এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা টিকা নেই। তাই সচেতনতাই একমাত্র বাঁচার উপায়।

Photos from পথচলা's post 07/02/2026

ভোট ও গণভোট: দেশজুড়ে ২ দিনের শিক্ষা ছুটি, শিল্পাঞ্চলে ৩ দিনের বিশেষ অবকাশ
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন ও বহুল প্রতীক্ষিত গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে টানা ছুটির ঘোষণা দিয়েছে সরকার। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সুপারিশ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি পরিপত্রে জানানো হয়েছে, আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) দেশের সকল প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।

ভোটের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, দেশের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। ব্যালট বাক্স পাঠানো, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভোটের আগের দিন থেকেই প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মূলত ভোটারদের নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে পৌঁছানো এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিল্পাঞ্চলে বাড়তি সতর্কতা
এদিকে, দেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি শিল্পাঞ্চলগুলোর জন্য নেওয়া হয়েছে ভিন্ন এক পরিকল্পনা। বিশেষ করে পোশাক শিল্প ও উৎপাদনমুখী কারখানার কর্মীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে ১০ ফেব্রুয়ারি থেকেই ছুটির ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে শিল্পাঞ্চলের কর্মীরা ভোটের আগে নিজ নিজ এলাকায় যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাবেন।

সাধারণ ছুটি ও জনজীবন
১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন সারা দেশে সাধারণ ছুটি কার্যকর থাকবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্বাচন চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মোতায়েন করা হয়েছে বিজিবি ও সশস্ত্র বাহিনী। জরুরি সেবা ব্যতীত সকল প্রকার যানবাহন চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, "জাতীয় উৎসবের এই দিনে শিক্ষার্থীরা যাতে পরিবারের সাথে থাকতে পারে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যাতে ভোটকেন্দ্র হিসেবে সুষ্ঠুভাবে ব্যবহৃত হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই দুই দিনের ছুটি।"

02/02/2026

বুদ্ধির লড়াই! 🧠 বাংলাদেশের শিক্ষা নিয়ে আপনার জ্ঞান কতটা প্রখর? চলুন যাচাই করা যাক।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি?

সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে আমাদের পরবর্তী পোস্টে মেনশন করা হবে। দ্রুত কমেন্ট করুন এবং বন্ধুদের মেনশন করে চ্যালেঞ্জ জানান! 👇

#পাবলিক_বিশ্ববিদ্যালয় #কুইজ #বাংলাদেশ

02/02/2026

মানুষ গড়ার কারিগর যারা, তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। ❤️ একজন আদর্শ শিক্ষক শুধু পাঠদানই করেন না, বরং স্বপ্ন দেখতে শেখান। আমাদের জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে তাঁদের শিক্ষা ও আশীর্বাদ মিশে আছে। 📚✨

আপনার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় শিক্ষকের নাম কমেন্টে জানিয়ে দিন আজ। দেখি কার কার প্রিয় শিক্ষক একই! 🎓👇

#মানুষ_গড়ার_কারিগর #প্রিয়_শিক্ষক #বাংলাদেশ

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka