একজন আলেম ও আলোকিত শিক্ষক হিসেবে মাওলানা আবুল কাশেম (রাহ.) (হুজুর স্যার)
জন্ম ও শৈশব
মাওলানা আবুল কাশেম (রাহ.) জন্মগ্রহণ করেন ১ ডিসেম্বর ১৯৫৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার আকসিনা গ্রামে। তাঁর পিতা মৃত জয়দুল হুসেন এবং মাতা হোসনা আক্তার। ধর্মীয় পরিবেশে বেড়ে ওঠা এই মেধাবী শিশু শৈশব থেকেই গভীর ধার্মিকতা, সৌজন্যবোধ ও শান্ত চরিত্রের জন্য পরিচিত ছিলেন।
শিক্ষাজীবন
ছোটবেলা থেকেই ইসলামি জ্ঞান অর্জনের প্রতি তাঁর ছিল গভীর আগ্রহ। তিনি আড়াইবাড়ি ইসলামিয়া সাঈদিয়া কামিল মাদ্রাসা, সুনাকান্দা আলিয়া মাদ্রাসা এবং ধামতি আলিয়া মাদ্রাসায় দীর্ঘ সময় অধ্যয়ন করেন।
“হাদিস ও ফিকহ” বিভাগে কামিল ডিগ্রি অর্জনের মধ্য দিয়ে তিনি ইসলামি জ্ঞানচর্চাকে জীবনের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে স্থির করেন। তাঁর শিক্ষা ছিল শুধু জানার জন্য নয়—মানুষকে জানাতে, গড়তে, ও নৈতিকতা শেখানোর জন্য।
শিক্ষকতা জীবন
উচ্চশিক্ষা শেষে তিনি যোগ দেন হীরাপুর শহীদ নোয়াব মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে, হেড মাওলানা হিসেবে। এখান থেকেই শুরু হয় তাঁর জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার দীর্ঘ পথচলা।
তিনি ছিলেন শুধু একজন শিক্ষক নন—তিনি ছিলেন ছাত্রদের আস্থার জায়গা, চরিত্র গঠনের পথপ্রদর্শক, শৈশবের অভিভাবক।
তাঁর মাধ্যমে অসংখ্য শিক্ষার্থী কায়েদা থেকে কোরআন, আকাইদ থেকে আমল—সহীহ দীন শেখার সুযোগ পেয়েছে। তাঁর ক্লাস ছিল আত্মশুদ্ধির পাঠ। তিনি বলতেন—
“কোরআন শুধু পড়ার জিনিস নয়, জীবনে প্রয়োগ করার জিনিস।”
তাঁর কঠোরতা ছিল নিয়মানুবর্তিতা শেখানোর জন্য; আর সেই কঠোরতার আড়ালে ছিল সীমাহীন স্নেহ ও মমতা। তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে কেউ মিথ্যা বলতে বা অন্যায় লুকাতে সাহস পেত না। তাঁর দৃষ্টি ছিল এমন—যা মানুষের অন্তরের দোষ-কর্ম মনে করিয়ে দিত।
ধর্মীয় ও সামাজিক অবদান
হীরাপুর মধ্যপাড়ার ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় তিনিই ছিলেন শিশুদের প্রথম কোরআন শিক্ষক। মসজিদের ইমাম হিসেবে বহু বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর কণ্ঠে তিলাওয়াত, তাঁর ইমামতি, তাঁর দরদ—মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যেত।
তিনি বিশ্বাস করতেন—সমাজকে বদলাতে হলে পরিবারকে বদলাতে হবে।
মেয়েদের নামাজের অভ্যাস গড়ে তোলার ব্যাপারে তিনি বিশেষভাবে উদ্বুদ্ধ করতেন। তাঁর প্রভাবে পুরো পূর্বাঞ্চলে ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছিল।
ব্যক্তিত্ব ও আদর্শ
মাওলানা আবুল কাশেম (রাহ.) ছিলেন তাকওয়াবান, নীতিবান, মমতাময় এবং অত্যন্ত সৎ একজন মানুষ।
তিনি কখনও অর্থ, মর্যাদা বা প্রভাবের দিকে ঝুঁকেননি।
সারা জীবন নিজেকে উৎসর্গ করেছেন—
ইলমের জন্য, আমলের জন্য, মানুষের আত্মাকে আলোকিত করার জন্য।
ছোটবেলার শিক্ষার্থীরা আজও বলেন—
“হুজুর স্যারের সামনে সামান্য ভুল করলেও লজ্জায় মাথা তুলে দাঁড়ানো যেত না।”
এই সম্মান জন্মেছিল তাঁর চরিত্র, নৈতিকতা ও দৃঢ় ব্যক্তিত্ব থেকে।
স্যারের পরিবার
জীবনসঙ্গিনী, তিন ছেলে এবং এক মেয়ে নিয়ে তিনি গড়ে তুলেছিলেন একটি সুন্দর ও নৈতিক পরিবার।
হুজুর স্যারের সন্তানদের অবস্থান
বড় ছেলে: মাওলানা মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান কাসেমী
মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গুলশান—সহকারী অধ্যাপক
২০২৪ সালের ২০ জুলাই ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে দীর্ঘদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে বর্তমানে সুস্থতার পথে।
মেঝো ছেলে: মোহাম্মদ সাইফুর রহমান কাসেমী
পরিবার নিয়ে ইতালিতে ব্যবসায় নিয়োজিত।
ছোট ছেলে: আব্দুর রহমান আল মাহমুদ
ইতালিতে চাকরিরত।
একমাত্র মেয়ে: হাফসা আক্তার নাবিলা
দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে সংসার ও পরিবার পরিচালনা করছেন।
ইন্তেকাল
৩০ জুন ২০২১ সালের রাতে, মিরতলা–আকসিনা গ্রামের নিজ বাড়িতে তিনি ইন্তেকাল করেন। সময় ছিল রাত ২টা ২০ মিনিট।
সেই রাতের পর হীরাপুরের পরিবেশ যেন অন্য রকম হয়ে যায়— হুজুর স্যারের গলা আর শোনা যাবে না, বিদ্যালয়ে তাঁর পদচারণা আর দেখা যাবে না।
আমরা হারিয়েছি শুধু একজন শিক্ষক নয়—আমাদের নৈতিক জীবনের এক আলোর দিশারি।
তাঁর রেখে যাওয়া অনন্য শিক্ষা
তিনি বারবার শিখিয়েছেন—
মানুষের চরিত্রই তার প্রকৃত পরিচয়,।ধর্ম শুধু জ্ঞান নয়, তা চর্চা ও অমল করার বিষয়। শিক্ষকতা শুধু পেশা নয়, এটি এক আমানত। সততা, সংযম, ভদ্রতা—এসবই মানুষের মূল সম্পদ
আজও ভুল পথে হাঁটতে গেলে মনে পড়ে—
“হুজুর স্যার থাকলে কী বলতেন?”
এই একটি চিন্তা অসংখ্য মানুষকে সোজা পথে ফিরিয়ে আনে
মাগফিরাত কামনা
হে আল্লাহ,
আমাদের প্রিয় শিক্ষক মাওলানা আবুল কাশেম (রাহ.)-কে পরিপূর্ণ ক্ষমা করুন,
কবরকে নূর, রহমত ও প্রশান্তিতে ভরিয়ে দিন,
তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ উচ্চতায় স্থান দিন।
আ-মিন।
Md. Sabbir Hossain
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md. Sabbir Hossain, Personal coach, Jamtala Road, East Shewrapara, Dhaka.
নিজের জীবনে কোনো কষ্ট বা বিপদ আসলে আমরা খুব সহজেই বলি— “এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষা।”
কিন্তু ঠিক একই ঘটনা যখন আমাদের অপছন্দের কারো জীবনে ঘটে, তখন অনেকেই দ্বিধাহীনভাবে বলে বসি— “এটা তার পাপের ফল।”
চিল্লাইয়া কই— এই মানসিকতা কি আদৌ ঠিক?
বাস্তবতা হলো, আল্লাহর ফয়সালার ব্যাপারে আমরা কেউই সিদ্ধান্ত দেওয়ার মালিক নই। কোন ঘটনা কার জন্য পরীক্ষা, আর কোনটি শাস্তি—তা একমাত্র আল্লাহই জানেন। কষ্ট সব সময় পাপের ফল হয় না, আবার স্বাচ্ছন্দ্য সব সময় আল্লাহর সন্তুষ্টির প্রমাণও নয়। আল্লাহ যাকে চান তাকে কষ্টের মাধ্যমে মর্যাদা বাড়ান, আর যাকে চান তাকে সুযোগ দিয়ে অবকাশ দেন।
একই পরিস্থিতিতে নিজের জন্য দয়া চাইব, আর অন্যের জন্য ফতোয়া দেব—এই দ্বিমুখী আচরণ মূলত আমাদের আত্মকেন্দ্রিকতা ও বিচারপ্রবণ মানসিকতারই প্রকাশ। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে নিজের ব্যাপারে ভয় ও বিনয়, আর অন্যের ব্যাপারে সদয় ও সতর্ক হতে।
যে কষ্টে আছি—সেখানে নিজের জন্য বলব পরীক্ষা, আর অন্যের কষ্ট দেখলে বলব শাস্তি—এই মানসিকতা ঠিক নয়। বরং বলা উচিত:
“আল্লাহ ভালো জানেন। আমরা দোয়া করি, আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে হেফাজত করেন।”
কারণ বিচার করার দায়িত্ব আমাদের নয়,
আমাদের দায়িত্ব অনুধাবন, সংযম আর দোয়া।
10/12/2025
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি ব্যক্তিগত অপরাধ নয়—এটি মানবতা, আইন ও সামাজিক নিরাপত্তার বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধ। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা এখন নৈতিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। কোনো ধরনের ছাড়, রাজনৈতিক প্রভাব, ক্ষমতার অপব্যবহার বা আইনের ফাঁকফোকর যেন ব্যবহৃত না হতে পারে—সেদিকে কঠোর নজর দিতে হবে।
এই হত্যাকাণ্ড সমাজে ভয় ও অনিরাপত্তা সৃষ্টি করেছে। তাই কেবল আনুষ্ঠানিক বিচার নয়, বরং দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উন্মোচন করতে হবে। তদন্তে যেন কোনো মহল প্রভাব বিস্তার করতে না পারে এবং অপরাধীর পরিচয় বা ক্ষমতা বিবেচনায় না এনে আইন যেন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হয়—এটাই জনগণের প্রত্যাশা।
একই সঙ্গে বিচার প্রক্রিয়াকে দীর্ঘসূত্রতা থেকে মুক্ত রেখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের নৃশংস অপরাধ করার সাহস না পায়। কঠোর ও ন্যায়ভিত্তিক বিচারই পারে অপরাধ প্রবণতা কমাতে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে।
দেশ ও সমাজের সার্বিক নিরাপত্তা, মানবিক মূল্যবোধ এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও কঠোর বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জোর দাবি জানানো হচ্ছে।
01/12/2025
দয়া করে সবাই পড়ুন
ইমাম–মুয়াজ্জিনের বেতন ৭–৮ হাজার? এটা অবহেলা নয়—এটা অন্যায়।
মসজিদে কোটি টাকা ব্যয় করি, কিন্তু যারা নামাজ পরিচালনা করেন, আজান দেন, ধর্ম শেখান—তাদের প্রাপ্য দিতে গেলেই সবাই চুপ!
যদি হাদিয়া বর্তমান বাস্তবতার সাথে মানানসই না হয়, তাহলে মসজিদ কমিটিতে এমন লোক দরকার যারা নিজেরাই ইমামতি করবে, আজান দেবে—বিনা হাদিয়ায়।
তখন বোঝা যাবে দায়িত্ব কত কঠিন!
ইমাম–মুয়াজ্জিন কোনো “লো-সেলারি স্টাফ” নন—
তারা আল্লাহর ঘরের সম্মান, সমাজের নৈতিকতার রক্ষক।
প্রাপ্য বেতন না দিলে বড় বিল্ডিং কোনো দামি না—
এটা শুধু আমাদের মানসিকতার দেউলিয়াপনাই প্রমাণ করে।
কাউকে অন্যায়ভাবে ঠেকিয়ে রাখলে বা অবহেলা করলে মনে রাখবেন—
জীবন খুব হিসেবি। আজ আপনি কাউকে ঠকালে, কাল আপনাকেই তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ঠকতে হতে পারে।
অন্যায় করলে তার প্রতিক্রিয়া কখনোই অযৌক্তিক হয় না।
কারণ—
যে কষ্ট আপনি কাউকে দিয়েছেন, তার প্রতিটি অংশ কোনো না কোনোভাবে ফিরে আসে।
এটাই জীবনের নীরব নিয়ম।
কাউকে না বুঝে ভুল সিদ্ধান্ত দেওয়া, সত্য না জেনে অবমাননা করা, কথা না শুনে দোষারোপ করা— এগুলো মানুষকে শুধু কষ্টই দেয় না, সম্পর্ককেও ভেঙে দেয়। আর সেই ভাঙনের শব্দ একদিন আপনার নিজের জীবনেও প্রতিধ্বনির মতো ফিরে আসে।
তাই সতর্ক হোন।
কারও প্রতি অন্যায় করার আগে নিজেকেই জিজ্ঞেস করুন—
“এই আচরণের ফিরতি মূল্য আমি কি দিতে প্রস্তুত?”
কারণ পৃথিবী যেটা দেয়, দ্বিগুণ করেই ফেরত দেয়।
ভাল করলে ভাল ফিরে আসে, আর অন্যায় করলে তার ফল নিশ্চিতভাবেই ভোগ করতে হয়।
সুতরাং অন্যায় করার সাথে সাথে প্রস্তুত থাকুন—
কারণ সামনে কোনো না কোনোভাবে এর বড় মূল্য আপনাকেই দিতে হবে।
নিজেকে সৎ রাখুন, ন্যায় রাখুন।
এটাই আপনাকে রক্ষা করবে।
মানুষ ভুল করে— কিন্তু সেই ভুল সাধারণত একবারই হয়। কেউ যদি একই আচরণ বারবার繋 করে, সেটি আর ভুল থাকে না; সেটি পরিণত হয়ে যায় তার অভ্যাসে। আর অভ্যাস পরিবর্তন করা হয় খুবই কঠিন— অনেকসময় অসম্ভব।
আপনি হয়তো উদার মন নিয়ে বারবার ক্ষমা করছেন, নিজেকে মহান প্রমাণ করতে চাইছেন। কিন্তু সত্যি কথা হলো— এটি মহানতা নয়; প্রিয় মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় নিজের মর্যাদা বিসর্জন দেওয়া। আর যেখান থেকে ভালোবাসা ভিক্ষা করে নিতে হয়, সেখান থেকে ভালোবাসা নয়— কেবল করুণা পাওয়া যায়।
অন্যের করুণার জায়গায় নিজেকে করুণা করুন। নিজের প্রতি সদয় হোন, নিজেকে ভালোবাসুন। আপনার আত্মসম্মানই আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি— এটিই আপনাকে স্থির রাখে, দাঁড় করিয়ে রাখে, বাঁচিয়ে রাখে।
তাই এই আত্মসম্মানকে রক্ষা করুন। এবং এমন মানুষদের থেকে দূরে থাকুন— যারা বারবার আপনাকে আঘাত দেয়, আপনাকে মূল্যহীন করে তোলে।
কারণ নিজের সম্মান হারানোর চেয়ে বড় ক্ষতি আর কিছু নেই।
এই শহরে প্রতিদিন আমরা যাদের পাশ দিয়ে হেঁটে যাই— বুথের সিকিউরিটি, রাস্তায় বসে থাকা বয়স্ক চাচা, অভাবী মানুষ— এরা অনেকে ভিক্ষুকের থেকেও বেশি অসহায়। ভিক্ষুক হাত পাততে পারে, কিন্তু এদের অনেকেই পারে না। তাই যাই পারেন, ২০–৩০ টাকা নিরবে তাদের হাতে দিয়ে যান।
বয়স্ক চাচারা কয়েকটা কলা নিয়ে বসে থাকেন— তাদের সঙ্গে দামাদামি করবেন না। তারা কখনোই বেশি নেন না, বরং “বাবা দাম করেন নাই, তাই কমটাই রাখছি”— এই সরলতা আজও শহরে বেঁচে আছে।
বাড়ির দরজার পাশে একটা ছোট্ট দানের বাক্স রাখতে পারেন। প্রতিদিন বের হওয়ার সময় ৫–১০ টাকা রেখে “বিসমিল্লাহ” বলুন। সাদাকা বিপদ দূর করে— এটা অগণিত মানুষের জীবনে সত্য হয়েছে।
হোটেলে খেতে গেলে দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা অভাবী মানুষটিকে টাকা না দিয়ে ভাত খেতে বলুন। বেশিরভাগই রাজি হয়, কারণ তারা আসলে ক্ষুধার্ত। হয়তো আপনার ডাকটাই তার জন্য ছিল অপেক্ষার মুহূর্ত।
গরিব মসজিদে ঢোকার সময় এক প্যাকেট টিস্যু নিয়ে যেতে পারেন; রেখে আসুন, কাউকে না জানিয়েই।
মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলো নীরব দানে চলে। মাসের শুরুতে ১–২ কেজি চাল হলেও দিয়ে আসতে পারেন। আপনার কাছে কম হলেও, অনেকের কাছে তা বিশাল সহায়তা।
এক ধনী মানুষের গল্প আছে— জীবনে অনেক উপার্জন করেও আত্মার তৃপ্তি পায়নি। একদিন নিজের হাত দিয়ে কিছু প্রতিবন্ধী শিশুকে হুইলচেয়ার তুলে দেওয়ার মুহূর্তেই সে বুঝলো প্রকৃত সুখ কী— অন্যকে খুশি করার আনন্দই আসল তৃপ্তি।
অতএব বুথের সিকিউরিটিকে ২০ টাকা দেওয়া শুধু ২০ টাকা নয়। এটা সেই নীরব নিয়ত— “আমার রবকে খুশি করতে চাই”— আর এই নিয়তই মানুষকে বদলে দেয়, মনকে নরম করে, জীবনকে বরকতময় করে তোলে।
একজন নারী যদি তার মুখ বা কথা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তবে সে ধীরে ধীরে একজন পু*রুষের জীবন নষ্ট করে দিতে পারে। হ্যাঁ আপনি ঠিকই শুনছেন একজন নারীর কথা পুরুষের শান্তি, সম্মান, সম্পর্ক এমনকি ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিতে পারে।
1. ঝগড়া তার প্রধান অ*স্ত্র হয়ে যায় – তোমার ভুল, দুর্বলতা বা গোপন কথা সে জমিয়ে রাখে। রাগ হলে সব তোমার বিপক্ষে ব্যবহার করে।
2. সবার সামনে অপমান করা– সংসারের ভেতরের কথা বাইরে বলে, বন্ধুদের সামনে বা জনসম্মুখে হাসি-ঠাট্টা করে অপমান করে। এতে সম্মান নষ্ট হয়।
3. গসিপ বা কানাকানি – প্রমাণ ছাড়াই অন্যদের কাছে তোমার নামে বদনাম ছড়ায়। পরে সত্য প্রকাশ পেলেও ততদিনে সবাই তার কথাই বিশ্বাস করে ফেলে। এবং এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়
4. সন্তানদের মন বিষিয়ে দেয় – শুধু তোমার সাথে নয়, অন্যদের কাছেও, এমনকি সন্তানদের কাছেও তোমার সম্পর্কে খারাপ কথা বলে। এতে সন্তানরাও তোমাকে ভুলভাবে দেখতে শুরু করে। এবং আজীবন কার মতো তারা বাবাকে শ**ত্রু ভাবতে শুরু করে.
5. বড় ক্ষ*তি ডেকে আনে – অনেক সময় পুরুষ নিজের কাজের জন্য নয়, বরং স্ত্রীর অভিযোগের কারণে বাড়ি, সম্মান, সম্পর্ক সব হারায়। একটি বাড়িয়ে বলা বা ভুল অভিযোগই তাকে আদালতে টেনে নিতে পারে। এরা ঘরের থেকে পরের লোকের কথা বেশি শুনে
6. তুমি ভোগ করো, সে জেতে – তার মুখ তাকে সহানুভূতি আর মনোযোগ এনে দেয়, কিন্তু এর খেসারত দিতে হয় পুরুষকে—চাপ, কষ্ট আর ভেতরের ক্ষত দিয়ে। এটা পুরুষ কাউকে বোঝাতে পারে না
7. আপনার পিতা মাতা আত্মীয়-স্বজন সবার থেকে দূরে সরিয়ে নেবে এই নারী। যাতে আপনাকে সবাই খারাপ বলে গণ্য করে।
8 ' আর যদি সেই স্ত্রীর ভিতরে পরকীয়া করার ইচ্ছা জাগে তাহলে তো আপনি শেষ।
শেষে কথা:
সব জেলখানা লোহার শিক দিয়ে বানানো হয় না। কিছু জেলখানা তৈরি হয় অপবাদ, গুজব আর এমন কথায়, যেগুলো থেকে পালানো যায় না। তাই জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার সময় সাবধানে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। ভুল নারী শুধু বেশি কথা বলে না, সে পুরুষের অবশ্যই একটা পুরুষের জীবনকে রসাতলে নামিয়ে দেয়l
বিদ্র: কথাটি সবাই গাঁয়ে টেনে নেবেন না এখানে কিছু নারীদের কথা বলা হয়েছে যারা এমনটি করে!
11/11/2025
আল্লাহ কখন কাকে কোথায় নিয়ে যাবেন, তা একমাত্র তিনিই জানেন। তার পরিকল্পনা বুঝার ক্ষমতা অন্য কারোর নেই। মাত্র ৪ বছর আগে জোহরান মামদানি ট্যাক্সি শ্রমিকদের ঋণ মওকুফের দাবিতে আন্দোলন থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন, নিউইয়র্ক পুলিশ হ্যান্ডকাফ পরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল তাকে। আজ সেই মামদানি নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম নগরপিতা নির্বাচিত হয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ।।
🔥তরুণদের প্রতি আমার পরামর্শ
১. তোমার যৌন আকাঙ্ক্ষার উপর নিয়ন্ত্রণই তোমার সফলতা অথবা ব্যর্থতার কারণ হবে।
২. পর্ন এবং হস্তমৈথুন সাফল্যের সবচেয়ে বড় ঘাতক। এটি তোমার মস্তিষ্ককে স্তব্ধ করে এবং ধ্বংস করে।
৩. উটের মতো মদ্যপান এড়িয়ে চলুন, যেমন পানি পান করা। জ্ঞান হারানো এবং বোকার মতো আচরণ করা এর চেয়ে খারাপ আর কিছু নয়।
৪. তোমার মান উঁচু রাখো এবং কিছুতেই সন্তুষ্ট হও না কারণ এটি পাওয়া যায়।
৫. যদি তুমি তোমার চেয়ে বুদ্ধিমান কাউকে খুঁজে পাও, তাদের সাথে কাজ করো, প্রতিযোগিতা করো না।
৬. কেউ তোমার সমস্যা বাঁচাতে আসছে না। তোমার জীবনের ১০০% তোমার দায়িত্ব।
৭. তোমার এমন লোকদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া উচিত নয় যারা জীবনে তোমার পছন্দের জায়গায় নেই।
৮. অর্থ উপার্জনের নতুন উপায় খুঁজে বের করো। অর্থ উপার্জন করো এবং যারা তোমাকে উপহাস করে এবং উপহাস করে তাদের উপেক্ষা করো।
৯. তোমার ১০০টি স্ব-সহায়ক বইয়ের প্রয়োজন নেই, তোমার যা দরকার তা হল কর্ম এবং আত্ম-শৃঙ্খলা। শৃঙ্খলাবদ্ধ হও!
১০. মাদক এড়িয়ে চলুন। আগাছা এড়িয়ে চলুন।
১১. ইউটিউবে দক্ষতা অর্জন করুন, নেটফ্লিক্সে বাজে কন্টেন্ট খেয়ে সময় নষ্ট করবেন না।
১২. কেউ আপনার কথা ভাবে না। তাই লাজুক হওয়া বন্ধ করুন, বাইরে যান এবং আপনার সম্ভাবনা তৈরি করুন।
১৩. আরাম হল সবচেয়ে খারাপ আসক্তি এবং হতাশার সস্তা টিকিট।
১৪. আপনার পরিবারকে অগ্রাধিকার দিন। তাদের দুর্গন্ধযুক্ত হলেও, এমনকি তারা বোকা হলেও, তাদের রক্ষা করুন। তাদের নগ্নতা ঢেকে রাখুন।
১৫. নতুন সুযোগ খুঁজুন এবং আপনার সামনের লোকদের কাছ থেকে শিখুন।
১৬. কাউকে বিশ্বাস করবেন না। যতই প্রলুব্ধ হোক না কেন, একজনকেও নয়। নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন।
১৭. অলৌকিক ঘটনা ঘটানোর জন্য অপেক্ষা করবেন না। হ্যাঁ, আপনি সবসময় একা এটি করতে পারবেন না তবে মানুষের মতামত শুনবেন না।
১৮. কঠোর পরিশ্রম এবং দৃঢ় সংকল্প আপনাকে যেকোনো কিছু অর্জন করতে সাহায্য করতে পারে।
নিজেকে বিনীত করা আপনাকে কেবল উচ্চতর স্তরে নিয়ে যাবে।
১৯. নিজেকে আবিষ্কার করার জন্য অপেক্ষা করা বন্ধ করুন। পরিবর্তে নিজেকে তৈরি করুন।
২০. পৃথিবী আপনার জন্য ধীর হবে না।
২১. কেউ আপনার কাছে ঋণী নয়।
২২. জীবন একটা একক খেলোয়াড়ের খেলা। তুমি একা জন্মেছো। তুমি একাই মরবে। তোমার সমস্ত ব্যাখ্যা একাই। তুমি তিন প্রজন্ম ধরে চলে গেছো এবং কেউ পাত্তা দেয় না। তুমি আসার আগে কেউ পাত্তা দেয়নি। সবই একক খেলোয়াড়ের।
২৩. তোমার জীবনের পথ এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে তুমি সর্বদা অভাবী, হতাশাগ্রস্ত এবং দুর্বল বোধ করো। এবং এর থেকে বেরিয়ে আসার একটাই উপায় আছে, যা হল বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া। তুমি ছাড়া আর কেউ নিজেকে এবং তোমার প্রিয়জনদের বাঁচাতে পারবে না।
২৪. সবার হৃদয় তোমার মতো নয়। সবাই তোমার সাথে তোমার মতো সৎ নয় যেমন তুমি তাদের সাথে। তুমি এমন লোকদের সাথে দেখা করবে যারা তাদের লাভের জন্য তোমাকে ব্যবহার করবে এবং তারপর তাদের জীবনের সেই অংশটি পার হয়ে গেলে এবং তারা পূর্ণ হয়ে গেলে তোমাকে ত্যাগ করবে। জেগে থাকো।
২৫. ২৫ বছর বয়সে, আপনার যথেষ্ট বুদ্ধিমান হওয়া উচিত:
→অন্যদের সাফল্য উদযাপন করুন
→ঈর্ষা এবং হিংসা এড়িয়ে চলুন
→খোলা মন রাখুন
→ধারণা এড়িয়ে চলুন
→উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করুন
→কৃতজ্ঞতা অনুশীলন করুন
→সৎভাবে কথা বলুন
→প্রতিদিন ব্যায়াম করুন
→গসিপ এড়িয়ে চলুন
→পরিষ্কার খাবার খান
→ক্ষমা করুন
→শুনুন
→শিখুন
→ভালোবাসা
আপনার ক্যারিয়ার: গল্পটি যেভাবে সেরা হতে পারে।
বাদল সৈয়দ
'ইয়োর ক্যারিয়ার ইজ ইয়োর স্টোরি। রাইট ইট ওয়েল- আপনার ক্যারিয়ার আপনার নিজস্ব গল্প। সেরা গল্পটি লিখুন।'
প্রশ্ন হলো, গল্পটি কীভাবে ভালো লিখব? ক্যারিয়ার নামের গল্পটি যাতে অনবদ্য হয় সেজন্য দশটি ভাবনা তুলে ধরলাম। মূলত চাকরিজীবীদের জন্য এ পরামর্শ।
১। নিজেকে অনিবার্য করে তুলুন।
বর্তমান চাকরিতে আসার আগে আমরা বেশ কয়েকজন বন্ধু বিভিন্ন ব্যাংকে প্রবেশনার অফিসার হিসেবে জয়েন করেছিলাম। পরে আমরা কেউ কেউ সিভিল সার্ভিসে চলে এলাম। যারা রয়ে গেলো তাদের একজনকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘তুমি কি এখানেই থাকবে, না অন্য কোথাও যাবে?’ সে উত্তর দিলো, ‘থাকি ব্যাংকে। দেখা যাক কী হয়।‘
কয়েক বছর আগে সে একটি বিখ্যাত মাল্টিন্যাশনাল ব্যাংকের বাংলাদেশের কান্ট্রি সিইও হলো। তারপর একসময় তার রিটায়ারমেন্ট ঘনিয়ে এলো। কিন্তু তার রিটায়ার করা হলো না। কারণ চাকুরির বয়সসীমা শেষ হওয়ার পর পৃথিবী বিখ্যাত ব্যাংকটি তাকে অ্যাডভাইজার হিসেবে ধরে রেখেছে। সে এখন খুবই সুন্দর একটি দ্বীপরাষ্ট্রে সমুদ্র তীরের বাংলোয় থাকে। অনলাইনে ব্যাংকটির ম্যানেজমেন্টকে পরামর্শ দেয়। মাঝে মাঝে উড়োজাহাজে উড়ে গিয়ে ব্যাংকটির হেডঅফিসে মিটিং অ্যাটেন্ড করে।
বন্ধুটি কিন্তু আমার-আপনার মতোই দেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট। সে কীভাবে এত ভালো করল যে, রিটায়ার করার পরও ব্যাংকটি রাজ্যের সুবিধা দিয়ে তাকে অ্যাডভাইজর হিসেবে রেখে দিলো?
উত্তরটি খুব সিম্পল- সে নিজেকে ব্যাংকের কাছে অনিবার্য করে তুলতে পেরেছিল। তবে এর জন্য তার কত পরিশ্রম, বিনিদ্র রজনী এবং আত্মনিবেদন জড়িয়ে আছে তা কল্পনাও করা যায় না।
২। কাজটিকে ভালোবাসা।
আমরা যখন ব্যাংকিং পেশায় আনন্দ পাইনি তখন আমার বন্ধুটি তাতেই আনন্দ খুঁজে নিয়েছিল। হিসাবনিকাশের কঠিন জগতকে সে ভালোবেসেছিল। এ ভালোবাসা তাকে উপযুক্ত মূল্য ফেরত দিয়েছে। কনফুসিয়াসের একটি কথা আছে, 'কাজকে ভালোবাসলে, কাজ করছি বলে মনেই হয় না।' তার মানে, কাজে বিরক্তি আসে না। আর কাজে বিরক্তি না এলে উন্নতিকে ঠেকানোর সাধ্য কারো নেই। আমার বন্ধু কনফুসিয়াসের উপর আস্থা রেখেছিল। তাই তার এত সাফল্য!
৩। সময়মতো কাজ শেষ করা।
আমার এক বস ছিলেন। খুবই ব্যক্তিত্বসম্পন্ন এ বসের নাম জহির মোহাম্মদ। তিনি একবার আমাকে বলেছিলেন, ‘দায়িত্ব পালন করতে না পারলে আমি আমার আন্ডারে আইন্সটাইনকেও চাই না। আমি তাকে চাই যে কাজ ঠিক মতো করবে।'
কথাটি খুবই সত্য। যত মেধাবীই হোক, সময় মতো দায়িত্ব পালন করতে না পারলে ক্যারিয়ারের ফলাফল হবে জিরো।
৪। সুসম্পর্ক।
যেকোনো চাকরিতে সহকর্মীদের সাথে সুসম্পর্ক উন্নতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু সহকর্মী নয়, ক্লায়েন্ট বা
স্টেকহোল্ডারদের সাথেও ভালো সম্পর্ক রাখতে হবে। আমার পরিচিত এক যুবকের প্রত্যাশিত প্রমোশন বারবার আটকে গেছে। তার বস আমার পরিচিত। তাঁকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘ওর পিয়ার বা ক্লায়েন্ট রিলেশন কোনোটাই ভালো নয় বলে আমাদের এইচআর ডিভিশন মন্তব্য করেছে। এটি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত বোর্ড কখনোই ওকে প্রমোশন দেবে না।‘ কথাটি একদম ঠিক।
৫। বস ম্যানেজমেন্ট।
ক্যারিয়ারে বস খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাঁর প্রতিটি ন্যায়সঙ্গত আদেশ পালন করে তাঁকে খুশি রাখা উচিত। অযথা তাঁর সাথে ঝামেলায় যাওয়া, তাঁকে চ্যালেঞ্জ করা ক্যারিয়ারকে বিপদে ফেলে। এমনকি তাঁর কোনো সিদ্ধান্ত পছন্দ না হলে সুন্দর করে বুঝিয়ে বলাই ভালো। আমার বড়মামা ছিলেন ব্যাংকার। তিনি আমাকে একটি ঘটনার কথা বলেছিলেন। তাহলো, গত শতকের পঞ্চাশ দশকে দুবন্ধু তৎকালীন ইস্টার্ন কমার্শিয়াল ব্যাংকে একই পদে যোগদান করেছিলেন। এদের একজন বসের সাথে রাগারাগি করে চাকুরিতেই টিকতে পারেননি, আরেকজন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হয়েছিলেন।
( তবে আমি বলছি না যে, প্রয়োজনে বসের অন্যায়ের প্রতিবাদ করা যাবে না। তবে অপ্রয়োজনে খারাপ সম্পর্ক না করাই ভালো)
৬। ভালো একজন মেন্টর খুঁজে নেওয়া।
দীর্ঘ চাকরিজীবনে ভালো করতে হলে একজন যোগ্য, অভিজ্ঞ মেন্টর খুঁজে বের করা জরুরি। যিনি পেশাগত জীবনে পরামর্শ দিয়ে সঠিক পথ বাতলে দেবেন। সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবেন। ভালো মেন্টরের আলোর ছটায় হাঁটলে সাফল্য অনিবার্য।
৭। শৃঙ্খলা।
ক্যারিয়ারে ভালো করার জন্য শৃঙ্খলার বিকল্প নেই। যতটুকু দেখেছি, আমার বন্ধুটি খুবই শৃঙ্খলাপরায়ণ। ঝড়বৃষ্টি, রোদ কোনো কিছুই তাকে রুটিনচ্যুত করতে পারেনি। সকল দুর্ভোগের বিষাক্ত বীজ হচ্ছে বিশৃঙ্খলা। এ বীজ ডালপালা ছড়িয়ে শুধু ক্যারিয়ার নয়, জীবনও ধ্বংস করে দেয়
৮। ওয়ার্ক -লাইফ ব্যালান্স: সাইকেলের দুই প্যাডেল।
খুব কঠিন সত্য হচ্ছে, পারিবারিক শান্তি না থাকলে কোনো কাজেই ভালো করা যায় না। তাই ক্যারিয়ারে ভালো করতে হলে পারিবারিক শান্তি নিশ্চিত করতে হবে। এটা করার অন্যতম উপায় হলো, ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালান্স। কাজ করতে গিয়ে পরিবারকে যেমন অবহেলা করা যাবে না, আবার পরিবারের জন্য কাজকে অবহেলা করা যাবে না। মনে রাখতে হবে, দুটোই সাইকেলের প্যাডেল। প্যাডেল দুটোয় ভারসাম্য রাখতে হবে। নয়ত সাইকেল চলবে না।
৯। আউট অব বক্স পড়াশোনা।
ক্যারিয়ারে নিজস্ব পেশা বা ক্ষেত্র সম্পর্কে জ্ঞান যেমন জরুরি, একইসাথে এর বাইরের জ্ঞানও জরুরি। কারণ তা যেকোনো চাকরিজীবিকে স্মার্ট করে তোলে। নিজ কাজে বিশেষজ্ঞ হওয়া খুবই ভালো। কিন্তু এর বাইরে গিয়ে যদি প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য বিষয়েও পরামর্শ দেওয়ার দক্ষতা থাকে তবে তা এক্সট্রা মাইলেজ দেবে কোনো সন্দেহ নেই।
১০। আজকের কাজই আগামীকে তৈরি করে।
ক্যারিয়ারে যারা ভালো করতে চান তাঁদের একথাটি মনে রাখতে হবে। আজ আপনি কাজটি ভালোভাবে করলে আগামীকাল আপনি আরো ভালো করবেন। বিপরীত হলে উল্টো হবে।
ইয়োর ক্যারিয়ার ইজ ইয়োর স্টোরি। রাইট ইট ওয়েল। আপনার গল্পটি হোক সেরাদের সেরা।
শুভকামনা।
#আসুনমায়াছড়াই
From the wall of Badol Sayed
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Telephone
Website
Address
Dhaka
1216