Dawah

Dawah

Share

প্রকৃত দ্বীনের দাওয়াত দিতে চাই!

24/04/2026

শাইখ বিন বায রাহিমাহুল্লাহ এর এক ছাত্রের সাথে এক মুসলিম তরুণের দেখা হয়েছিল। সৌদি সেই তরুণ ইংল্যান্ডে পড়াশোনা করতো। ইংল্যান্ডে থাকাকালীন সে একদিন যিনা করে বসে। প্রচন্ড অপরাধবোধে ভুগতে থাকে সে। সিদ্ধান্ত নেয় সব কিছু ছেড়ে দেশে ফিরে যাবে। ফিরতি পথে ফ্লাইটেই দেখা হয়েছিল সেই ছাত্রের সাথে।

ছেলেটি সারা পথ কেঁদেছিল। গ্লানিতে, কষ্টে, আল্লাহর ভয়ে। সিদ্ধান্ত নেয় জীবন শেষ করে দেবে। কিন্তু সেই ছাত্র তাকে বললেন দেশে গিয়ে শাইখ বিন বায এর সাথে এই বিষয়ে কথা বলবে।

যখন শাইখ বিন বায কে জানানো হল, তিনি বললেন, তাকে বলে দাও, আল্লাহ তা গোপন রেখেছেন, সেও যেন গোপন রাখে আর সৎ আমল করে। তরুণ যেন নব উদ্যোম পেল। সে সালাত আদায় শুরু করলো। মাসজিদে যাওয়া শুরু করলো।

অনেক দিন পেরিয়ে যায়। বিন বায এর সেই ছাত্রের ফোনে একদিন সেই তরুণের বাবার কল। "একটু আসুন। দেখে যান।" দ্বিধান্বিত ছাত্র ছুটে যায় তরুণের বাসায়। তরুণের বাবা তাকে দেখিয়ে দেয় তার রুম।

রুমে সেই তরুণ সিজদায় পড়ে আছে। কিন্তু দেহটা নিথর। আল্লাহ তাকে ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন তাঁর কাছে। সিজদারত অবস্থায়।

সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযিম। এ তো সেই তরুণ যে নোংরামির চূড়ান্ত স্তরে পৌঁছে করেছিল যিনার মত মৃত্যুদণ্ডযোগ্যঅপরাধ। এ তো সেই তরুণ যে চেয়েছিল বেছে নিতে আত্মহত্যার পথ। তার যে আর কোন সৎকর্ম অবশিষ্ট ছিল না! বাকি ছিল না জীবনের আর কোন অর্থ। ছিল এক জঘন্য আমল। যিনা। অথচ তাকেই কিনা আল্লাহ কবুল করে নিলেন তাঁর সিজদায় লুটানো অবস্থায়।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছিলেন, প্রত্যেক বনু আদমই পাপী। কিন্তু পাপীদের মাঝে সেই ব্যক্তিই তো উত্তম, যে তাওবাহ করে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে দিনে ১০০ বার তাওবাহ করতেন।

আজ তাওবাহ করেছেন তো?
Nazmus Sakib

24/04/2026

যদি কখনো খুব মনোযোগ দিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়াটা খেয়াল করেন তাহলে দেখবেন, অনেক সময়, অর্থ ব্যয় করে প্রথমে নিচের ফাউন্ডেশন তৈরি করা হয়। এটা করতেই মূলত সবচেয়ে বেশী অর্থ ব্যয় হয়, সময়ও বেশী লাগে। এরপরের কাজটুকু খুব দ্রুত হয়ে যায়। আল্লাহর দ্বীনকে যদি এই বহুতল ভবন নির্মাণের সাথে তুলনা করা হয় তাহলে এই দ্বীনের সেই ফাউন্ডেশন হল সালাত। রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, "সবকিছুর মূল হল ইসলাম, আর ইসলামের খুঁটি সালাত, আর ইসলামের শীর্ষ পীঠ (চূড়া/ছাদ) হল জিহাদ।" [তিরমিযি:৩৫৪১]

কোন ভবন কতটা শক্তিশালি আর ঝুকিমুক্ত সেটা যেমন নির্ভর করে নিচের ফাউন্ডেশনের উপর ঠিক তেমনি একজন মুমিনের ঈমানের একাগ্রতার মাপকাটি হল সালাতের প্রতি তার মনোভাব। অথচ আজকের এই ফিতনাময় সময়ে মুসলিম উম্মাহ এই সালাতকেই ছেড়ে দিয়েছে। সালাত চলে যাচ্ছে, যে যার কাজে ব্যস্ত, মানুষ নাচছে, গাইছে, ফুর্তি করে বেড়াচ্ছে। সবকিছুর জন্য তার সময় আছে, শুধু সালাতের টাইমেই দুনিয়ার সব ব্যস্ততা এসে ভর করে। অথচ এটা এমন এক ইবাদাত যার জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক অন্ধ সাহাবীকেও মসজিদে জামাতে সালাত আদায় থেকে অব্যাহতি দেননি। এটা এমন এক ইবাদাত হাশরের মাঠে যার হিসেব প্রথমেই নেওয়া হবে।

আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল (সা.) বলেছেন, ‘কেয়ামতের দিন বান্দার কাছ থেকে সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। যদি নামাজের হিসাব ভালো হয় তবে তার সব আমলই ভালো হবে। আর যদি নামাজের হিসাব খারাপ হয় তবে তার সব আমলই বরবাদ হবে। (তাবরানি আওসাত : ১৯২৯, সহিহ আত-তারগিব : ৩৬৯।)

আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজের সংরক্ষণ করবে অর্থাৎ যথাযথভাবে সালাত আদায় করবে কেয়ামতের দিন তা তার জন্য নূর, দলিল ও মুক্তির উপায় হবে। আর যে নামাজের সংরক্ষণ করবে না, তা তার জন্য নূর, দলিল ও মুক্তির উপায় হবে না। তার হাশর হবে ফেরাউন, কারুণ, উবাই ইবনে খালফের সঙ্গে।’ (আহমাদ : ৬৫৭৬, দারিমি : ২৭৭১।)

"সেদিন, যারা আল্লাহর দয়ায় জান্নাত লাভ করবে, তারা জাহান্নামীদের জিজ্ঞেস করবে "কেন তোমরা আজ এখানে এসেছ? কি তোমাদেরকে আজ এখানে নিয়ে এসেছে" তারা বলবে ,আমরা নামাজ পড়তাম না" (সূরা মুদ্দাসসিরঃ ৪২-৪৩)

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন ভীষণ অসুস্থ, শেষ সময়। মসজিদে সালাত আদায় করার মত শারীরিকভাবে সমর্থ নন। আবু বকর (রাঃ) এর ইমামতিতে সবাই ফজরের সালাতে দাঁড়ালো। মসজিদ থেকে তিলাওয়াতের শব্দ শুনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিছানা থেকে উঠলেন, জানালার পর্দা সরিয়ে দেখলেন, দেখলেন তার সাথীরা কাঁধে কাধ মিলিয়ে সারিবদ্ধভাবে তাদের রবের সামনে দাঁড়িয়েছে। দৃশ্যটা এত সুন্দর, মনোরম ছিল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুচকি হাসলেন। কেননা তিনি সারাজীবন ধরে যে তারবিয়াত আর দাওয়াত দিয়ে বেড়িয়েছেন তার ফল তিনি এখন দেখছেন। যার জন্য তিনি রক্ত ঝরিয়েছেন, যুদ্ধ করেছেন, প্রিয়জন হারিয়েছেন, এটাই তো তার ফল। সালাত কায়েম হবে, মুসলিমরা মুয়াজ্জিনের ডাকে একসাথে ঘর থেকে বেরিয়ে আসবে, একসাথে সালাতে দাঁড়াবে, এটাই তো ঐক্য, এটাই তো দ্বীনের ভিত্তি। অথচ সেই সালাতকেই আমরা অবহেলা করি, সেই সালাতকেই ছেড়ে দিই। সালাতই যদি ছেড়ে দিলাম তাহলে আর রইল কি। কিছুই না। আল্লাহ আমাদের সালাতকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরার তৌফীক দিন। আমীন।

- সংগৃহীত

17/04/2026

বাবা-মা'র সন্তুষ্টির মধ্যে আল্লাহ সন্তুষ্টি নিহিত:
!!
আদালতে দুই ভাইয়ের মামলা ওঠেছে। কিন্তু মামলাটি ধন-সম্পত্তি নিয়ে নয়।

সৌদি আরবের এ ঘটনাটি সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মত।

বৃদ্ধ বড়ভাই 'হিজাম আল-গামিদি' নিজের ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে দাঁড়াতে বাধ্য হন। কিন্তু অবাক করার বিষয়, তাদের বিরোধ টাকা-পয়সা বা সম্পত্তি নিয়ে নয়। বরং কে মায়ের খোঁজ-খবর রাখবে, কে তাঁর সেবা করার দায়িত্ব নেবে—সেই অধিকার নিয়েই এই মামলা।
বড়ভাই 'হিজাম' দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, তিনি সবসময় মায়ের যত্ন নিয়েছেন। মা ছাড়া নিজের জীবন তিনি কল্পনাও করতে পারেন না।
অন্যদিকে ছোট ভাইয়ের কথাও ছিলো গভীর ভালোবাসায় ভরা—ভাই বয়সে বড় ও এখন বার্ধক্যে উপনীত। উনার বিশ্রাম দরকার। মায়ের দায়িত্ব আমি নিতে চাই।

আদালতের পরিবেশ মুহূর্তেই আবেগে ভারী হয়ে ওঠে। দুই ভাই-ই কাঁপা কণ্ঠে দাঁড়িয়ে একটাই আবেদন করছিলেন, মায়ের সেবা করার সুযোগ যেন নসিব হয়।
বিচারক দ্বিধায় পড়ে গেলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি মা'কে আদালতে উপস্থিত করার নির্দেশ দেন এবং জানতে চান, তিনি কার সঙ্গে থাকতে চান?

মায়ের উত্তর শুনে পুরো আদালত নিস্তব্ধ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, আমি কাউকে বেছে নিতে পারব না। আমার দুই ছেলে—আমার ডান ও বাম চোখের মত।
মা যখন কাউকেই আলাদা করে বেছে নিতে পারলেন না, তখন বিচারক কঠিন এক দায়িত্বের সামনে পড়েন।
আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার ভয় নিয়েই শেষ পর্যন্ত যুক্তির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত দিতে বাধ্য হন।

ছোট ভাই অপেক্ষাকৃত কম বয়সী ও শারীরিকভাবে সক্ষম হওয়ায় আদালত তার পক্ষেই রায় দেয়।
রায় ঘোষণার পর নেমে আসে গভীর নীরবতা।

বড়ভাই 'হিজাম' নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি, ভেঙে পড়েন কান্নায়।

এ কান্না ছিল না কোনো রাগ বা ক্ষোভের।
এটা ছিল এক রত্নসম বরকত হারানোর বেদনা।
তিনি কাঁদছিলেন এই ভেবে, জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সুযোগটি হারিয়ে ফেলেছেন। মায়ের শেষ সময়গুলোতে তাঁর সেবা করার সুযোগ—জান্নাতের দরজা খোলার সেই সোনালি সুযোগ তার হাতছাড়া হয়ে গেল!

(এ দুই ভাইয়ের জন্য অজস্র সম্মান ও বিনম্র শ্রদ্ধা রইল। এদের মত ভাইয়েরা আছে; বিধায় দুনিয়াও টিকে আছে। নতুবা কিয়ামত এসে যেত!)

[সংগৃহীত ও ঈষৎ পরিবর্তিত]

12/04/2026

"আপনার স্ত্রীকে রাণীর মর্যাদা দিন, বিনিময়ে তিনি আপনাকে রাজার মর্যাদা দিবেন।

সাফিয়্যা (রা.) ছিলেন, নবীজির অন্যতম স্ত্রী। তিনি কিছুটা খাটো ছিলেন, ফলে উটের পীঠে আরোহন করতে কষ্ট হতো।

তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে সাহায্য করার জন্যে নিজের হাঁটু পেতে দিতেন। সাফিয়্যা (রা.) সেই হাঁটুতে পা রেখে উটের হাওদায় ওঠে বসতেন। [সহিহ বুখারি: ৪২১১]

আম্মাজান সাফিয়্যা (রা.) বলেন,❝একবার রাসূল ﷺ তাঁর স্ত্রীদের সাথে হজ্বে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আমার উট বসে পড়ল, কারণ ওটা ছিল সবচেয়ে দুর্বল উট, তাই আমি কেঁদে ফেললাম

নবী ﷺ আমার কাছে আসলেন আর আমার চোখের জল নিজের জামা ও হাত দিয়ে মুছে দিলেন।❞ [মুসনাদে আহমাদ: ৬/৩৩৭]

সুবহানাল্লাহ!.....

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষটি তাঁর স্ত্রীর সাহায্যে নিজের হাঁটু বিছিয়ে দেন আর সেই হাঁটুতে পা দিয়ে ভর করে স্ত্রী উটের পীঠে চড়েন!

কী অসাধারণ দৃশ্য! কী চমৎকার বিনয় ও ভালবাসা! আবার স্ত্রীর চোখের পানি নিজের জামা ও হাত দিয়ে পরম মমতায় মুছে দেন

অন্য হাদিসে এসেছে, তিনি উঠের পীঠে তন্দ্রালু হয়ে পড়তেন, তখন নবীজি তাঁর মাথা ধরে রাখতেন! একজন স্ত্রী তাঁর স্বামীর কাছ থেকে আর কী চায়?

একজন স্ত্রী হিসেবে সাফিয়্যা (রা.) নিজ স্বামী রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কীভাবে মূল্যায়ন করতেন?

কতটুকু ভালবাসতেন? এটি বুঝতে একটি হাদিসই যথেষ্ট হতে পারে।

হাদিসে এসেছে,❝রাসূল ﷺ যখন প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে মৃ*ত্যুশয্যায় ছিলেন, তাঁর স্ত্রীরা তাঁর চারপাশে জড়ো হলেন। তখন সাফিয়্যা (রা.) বললেন

হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর শপথ! আপনার জায়গায় যদি আমি থাকতে পারতাম!’ (অর্থাৎ, আপনার কষ্টটা আপনার না হয়ে যদি আমার হতো!) তাঁর কথা শুনে অন্য স্ত্রীগণ মুখটিপে হাসলেন

রাসূল ﷺ তাঁদের দেখে ফেললেন এবং বললেন, ‘তোমাদের মুখ ধুয়ে ফেল।’ তাঁরা বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! কেন?’ তিনি জবাবে বললেন,‘কারণ তোমরা তাঁকে বিদ্রুপ করেছ। আল্লাহর শপথ! সে সত্য বলছে।❞

[তবাকাতে ইবনে সা'দ: ৮/১০১]

জ্বী, এটিই বাস্তবতা। জ্ঞানীরা বলেন, নারীকে আপনি যেটুকু ভালবাসা ও সম্মান দিবেন, সে বিনিময়ে তারচেয়ে বেশি ভালবাসা ও সম্মান ফিরিয়ে দেবে। আবার তাকে যতটুকু ঘৃণা দেখাবেন, বিনিময়ে সে তারচেয়েও বেশি ঘৃণা ফিরিয়ে দেবে।

লেখা সংগৃহীত

12/04/2026

দুনিয়াতে সারাজীবন পরিশ্রম করে আমরা আমরা কংক্রিটের একটি বাড়ি বানাতে পারি।অথচ আমরা চাইলেই ৫ মিনিটে জান্নাতে একটি বাড়ি বানাতে পারি যার এক ইট হবে স্বর্ণের অপরটি রূপার আর মাটি হবে জাফরানের।কি সেই আমল?আসুন জেনে নেই।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,

"যে ব্যাক্তি সকাল সন্ধ্যায় মসজিদে যাওয়া আসা করে, তার প্রত্যেকবার যাওয়া আসার সময় আল্লাহ তায়ালা তার জন্য জান্নাতে একটি করে আবাস প্রস্তুত করে দেন"

[ রাসূলের চোখে দুনিয়া পৃঃ১৮ ]

11/04/2026

আজ ৫৩ বছর বয়সের এক আংকেল এর সাথে পরিচিত হলাম। জীবনের সব অর্জন দিয়ে একটা আড়াই কাঠার প্লট কিনেছেন ঢাকায়। নিজের টাকা না থাকায় ডেভেলপার কম্পানিকে দিয়েছেন বাড়ী বানাতে৷ তাকে ৩ টি ফ্ল্যাট দিয়েছে কম্পানি যার বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা।

তারপর তিনি বলতে শুরু করলেন, " আমার একসময় থাকতে কষ্ট হতো৷ বাবা মা ছোটবোন নিয়ে থাকতাম, বড় বাসা নিতে পারিনি। এখন আমার নিজের নামে ৩ টা ফ্ল্যাট। বাবা মা মারা গিয়েছে জমি কেনার পরপরই৷ ফ্ল্যাটে তাদের থাকার ভাগ্য হয়নি৷ আজ অনেক বড় বাসা কিন্তু শূন্য মনে হয় সব৷ "

সব শেষে তিনি যা বললেন আমি নিজেই বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে গেলাম৷ আমাকে বললেন "এই মুহূর্তে কেউ যদি আমাকে বলতো আমার সম্পত্তি এই ৩ কোটি টাকার ফ্ল্যাট এর বিনিময়ে হলেও একবার শুধু বাবা মা কে দেখতে পারবো আমি সব দিয়ে দিতাম, সব৷ তিনি আর কথা বলতে পারেন নি৷ আমিও আর কিছু জানতে চাইনি। তবে শেষে যাওয়ার আগে বারবার বলছিলেন, বাবা মা থাকতে থাকতে যত্ন করেন, "এমন জান্নাত আর পাবেন না।"

বেঁচে থাকতে বাবা মা কে ছয় মাসে অন্তত একবার একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে শারীরিক চেকআপ করান। বসা থেকে উঠতে গেলে হাটুতে ব্যাথা লাগে কিনা, ডায়াবেটিসটা কন্ট্রোলে আছে কিনা, ঠিকমতো খাবারগুলো খেতে পারছে কিনা, রাতে ঘুম হয় কিনা, মনটা ভালো আছে কিনা - আপনার শত ব্যস্ততার মাঝেও খোঁজ নিন৷ এরপর জীবনে হয়তো অনেক সময় পাবেন কিন্তু যত্ন করার মানুষগুলো একবার হারিয়ে গেলে আর ফিরে পাবেন না।

ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল বাবা মায়েরা।

Collected

06/04/2026

"তুমি আমল করতে থাকো কেননা মরে গেলে তুমি আর ফিরে আসবে না। যারা চলে গেছে তাদের দিকে চেয়ে দেখো, তারা কি আর ফিরে এসেছে?"

~ মুহাম্মাদ বিন মুক্বাতিল [রাহ.]

[নাদ্বরাতুন নাঈম: ২/৩৮৭]

01/04/2026

‘উত্তম চরিত্রের একটি দিক হলো মুচকি হাসির দিয়ে অন্যের সাথে কথা বলা।’
—হাবিব ইবনু আবি সাবিত (রাহিমাহুল্লাহ)
[ইবনু হিব্বান, রাওদ্বতুল উক্বালা: ১/৭৭]

আবু যার গিফারি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বলেছেন—

لا تحْقِرَنَّ من المعرُوفِ شيْئًا ، ولوْ أنْ تلْقَى أخاكَ بوجْهٍ طلْقٍ

“তুমি নেকির কোনো কাজকে তুচ্ছ মনে করো না, যদিও তুমি তোমার (মুসলিম) ভাইয়ের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করো (তবে, এটিকেও পুণ্যের কাজ হিসেবে গুরুত্ব দাও)।” [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬২৬]

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও প্রচুর পরিমাণে মুচকি হাসি হাসতেন।

আবদুল্লাহ ইবনু হারিস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেয়ে অধিক মুচকি হাসি হাসা ব্যক্তি কাউকে দেখিনি। [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ১৭৭৫০; ইমাম বাগাবি, শারহুস সুন্নাহ: ৩৩৫০; ইমাম তিরমিযি, আশ-শামায়িল: ১৬৮; হাদিসটি সহিহ]

জারির (রা.) বলেন, ‘আমি যখন ইসলাম গ্রহণ করেছি, তখন থেকে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে তাঁর নিকট প্রবেশ করতে বাধা দেননি এবং যখনই তিনি আমার চেহারার দিকে তাকাতেন, তখন মুচকি হাসতেন।’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৩০৩৫]

মোমেন্টাম অনুযায়ী একটি মুচকি হাসিতে যে কাজ হয়, তা মহাকাব্যকেও হার মানায়। তাই, আসুন আমরা মুচকি হাসির অভ্যাস করি। মুখ গোমরা করে থাকা নবিজির সুন্নাহর পরিপন্থী। তাছাড়া মুচকি হাসি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতারও অন্যতম নিয়ামক।

Tasbeeh

31/03/2026

আসহাবে সুফফার একজন খুবই গরীব সাহাবি রাবিআ বিন কাব আল আসলামি রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি আহলুস সুফফার সদস্য ছিলেন। মসজিদে নববির পেছন দিকে একটা অংশ ছিল, যেখানে বসবাসকারীদের আহলুস সুফফা বলা হতো। আহলুস সুফফার সাহাবাগণ ছিলেন আক্ষরিক অর্থেই কপর্দকশূন্য। আমরা প্রায়ই বলি না যে “হাতে টাকা-পয়সা নাই,” “অভাবে আছি” ইত্যাদি? আমাদের বলার অর্থ হলো, “আমার পকেটে বেশি টাকা নেই, কিন্তু বাপের টাকা দিয়ে আরামেই চলছি।” কিন্তু এই আহলুস সুফফার মানুষগুলোর কাছে সত্যি সত্যিই কোনোই টাকা-পয়সা ছিল না। মসজিদে থাকছেন, সতর ঢাকার মতো পোশাক কিনবেন, সেইটুকু আর্থিক সামর্থ্যও নেই। আপনি মসজিদে নববিতে সালাত আদায় করছেন, কিন্তু আপনার সতর ঢাকার মতো সামর্থ্য নেই! ভাবতে পারেন?
আল্লাহর রাসূল তাহাজ্জুদ পড়ার জন্য যখন ঘর থেকে বের হতেন, রাবিআ বিন কাব আল-আসলামি নবিজির জন্য ওযুর পানি নিয়ে আসতেন। এমনি একদিন রাবিআ ওযুর পানি নিয়ে এলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাবিআর দিকে তাকালেন। তাঁর গরিবি হালত দেখে নবিজির মন খারাপ হয়ে গেল। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন,

— “রাবিআ, কিছু একটা চাও।”

— “হে আল্লাহর নবি! আমি জান্নাতে আপনার সাথে থাকতে চাই।”

নবিজি যেন ইঙ্গিতে বোঝাতে চাচ্ছেন, আরে! আমি আখিরাতের কথা বলছি না। এখানে দুনিয়ায় কী চাও? স্ত্রী লাগবে না? অথবা একটা ঘর? বলো, কিছু একটা চাও। রাবিআ নবিজির দিকে তাকিয়ে বললেন,

— “ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি জান্নাতে আপনার সাথে থাকতে চাই। আর কিছু না।”

আচ্ছা ভাবুন তো আপনি বিল গেটসের সাথে একটা রুমে বসে কথাবার্তা বলছেন। সে আপনার অবস্থা দেখে দুঃখ পাচ্ছে। তারপর হঠাৎ বলল—“আপনি এই চেকটাতে যেকোনো একটা টাকার পরিমাণ লেখেন তো। আমি সাইন করে দিই।” সেখানে এই তরুণ সাহাবি প্রস্তাব পেলেন স্বয়ং আল্লাহর নবির কাছ থেকে। যে নবি কেবল দুআ করলে, আল্লাহ্ আসমান থেকে স্বর্ণের বৃষ্টি বর্ষণ করিয়ে ছাড়তেন, সেই নবি রাবিআকে বলছেন কিছু একটা চাইতে। কিন্তু গরীব এই সাহাবির জীবনে শুধু একটিই চাওয়া—জান্নাতে যেন নবিজির সাথে থাকতে পারেন।

যেখানে আমরা বলি জান্নাতে কোনোরকমে ঢুকতে পারলেই হলো! সেখানে এই মানুষগুলোর চিন্তাভাবনা কেমন ছিল দেখুন। দুনিয়ায় যার কিছুই নেই, একেবারে নিঃস্ব, অসহায়—সেই মানুষটি আপনার আমার মতো শুধু কোনোমতে জান্নাতে যেতে চান না। তিনি চান জান্নাতে যেন নবিজি তাঁর সঙ্গী হয়।

রাবিআর এই চাওয়া শুনে নবিজি (সা.) বললেন,

— “হে রাবিআ! তুমি বিরাট এক জিনিস চেয়েছ। বেশি বেশি সিজদার মাধ্যমে তোমার এই অনুরোধ পূরণে আমাকে সাহায্য করো।” অর্থাৎ বেশি বেশি সালাত পড়ো।

আরেকজন সাহাবি একবার নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে এসে বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি যতক্ষণ আপনার সাথে থাকি, ততক্ষণ আমার মন-মেজাজ খুব ভালো থাকে। আর যখনই ঘরে ফিরে যাই, তখনই আপনাকে মিস করতে শুরু করি। তারপর আমি পরিবারকে ছেড়ে আবার আপনার কাছে ফিরে আসি। আপনার উপর চোখ পড়তেই আমার অন্তরে প্রশান্তি ফিরে আসে। কিন্তু হঠাৎ আমার মাথায় চিন্তা ভর করল যে, একদিন তো আপনি মারা যাবেন, আর আমিও মারা যাব। আর তখন আপনি থাকবেন জান্নাতের উঁচু স্তরে নবিদের সাথে। আর আমি যদি কোনোমতে জান্নাতে যেতে পারিও, আমি তো আর আপনার সমকক্ষ হতে পারব না, জান্নাতে গেলেও হয়তো নিচু কোনো স্তরে থাকব। ইয়া রাসূলাল্লাহ! জান্নাত কী করে আমার কাছে জান্নাত হবে, যদি সেখানে আপনাকে না পাই?”

সাহাবির কথা শুনে কিছু সময়ের জন্য নবিজি নির্বাক হয়ে গেলেন। আসমান থেকে জিবরিল আলাইহিসসালাম নেমে এলেন। তিনি বললেন, “আপনার উম্মাতকে বলে দিন, তারা যাকে ভালোবাসে, জান্নাতে তাদের সাথেই থাকবে।” আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আল্লাহর কসম! এই হাদিসটি আমাদের সবথেকে প্রিয়। কারণ আল্লাহর কসম! আমরা রাসূল (সা.), আবু বকর (রা.) ও উমর (রা.) এর চেয়ে বেশি কাউকে ভালোবাসতাম না।”

আকাশের ওপারে, অনিন্দ্য সুন্দর জান্নাতে, আল্লাহ্ যেন আমাদেরকেও একটি করে ঘর বানিয়ে দেন। যে ঘরের পাশেই কোথাও প্রিয় নবিজিও থাকবেন। কোথাও থাকবেন আবু বকর (রা.), কোথাও উমর (রা.)। আমরা সেদিন বলব, দুনিয়াতে আপনাদেরকে আমরা ভালবাসতাম। জান্নাতে এসে একদিন আপনাদের সাথে মিলিত হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম।

আল্লাহ্ যেন আমাদেরকে কবুল করেন। আমীন।

Copied From Bujhtesina Bishoyta

31/03/2026

আবু উমামা রা. বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
إِنَّ لِلَّهِ مَلَكًا مُوَكَّلًا بِمَنْ يَقُولُ: يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ، فَمَنْ قَالَهَا ثَلَاثًا قَالَ الْمَلَكُ: إِنَّ أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ قَدْ أَقْبَلَ عَلَيْكَ فَاسْأَلْ.
‘আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন নির্ধারিত ফিরিশতা আছেন। কোনো বান্দা তিনবার ইয়া আরহামার র-হিমীন (হে সর্বাপেক্ষা দয়ালু সত্তা!) বললে সে ফিরিশতা বলেন, আরহামুর র-হিমীন তোমার প্রতি মনোযোগী হয়েছেন। এখন তুমি চাও।’
(আল মুস্তাদরাক আলাস সহীহাইন, হাদীস নং : ১৯৯৬, সহীহ)

31/03/2026

মহল্লার এক লোক মারা গেল। সবাই দেখতে যাচ্ছে। এলাকার মুরব্বি ব্যক্তি হিসেবে শায়েখ আব্দুল্লাহও দেখতে গেলেন। মৃত লোকটা পরিচিতই ছিল।

অনেক মানুষই এসেছে। মহিলারা কাঁদছে। আত্মীয়েরা স্বান্তনা দিচ্ছে। কিন্তু লোকটার মেয়ের কান্না চোখে লাগার মতো। একটু অন্য রকম। মেয়েরা চিৎকার করে কান্নাকাটি করে, দুঃখ প্রকাশ করতে থাকে, আবেগে আবল-তাবল বকেও কেউ কেউ—এগুলো স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু এই ব্যক্তির মেয়ে কেমন পাগলের মতো কাঁদছে।

শায়েখ আব্দুল্লাহ মেয়েটির কাছে গিয়ে বললেন, ‘দেখো মা, পৃথিবীতে কেউ চিরদিন বেঁচে থাকে না। আমরাও একদিন মারা যাব। তোমার বাবা মরে গেছেন, এটাই কদর। এতে না-রাজি প্রকাশ কোরো না। আল্লাহ অসন্তুষ্ট হবেন।’

মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে বলল, ‘শায়েখ, আমার বাবা মারা গেছেন—এটা আমি মেনে নিয়েছি। আল্লাহর কদরে আমার কোনো অসন্তুষ্টি নেই। কিন্তু আমি কাঁদছি...’ একটু থেমে মেয়েটি বলল, ‘আমার বাবা যেভাবে মারা গেলেন, সেটা মনে করে আমি কাঁদছি।’

শায়েখ অবাক হলেন। ‘আচ্ছা’ বলে চলে গেলেন সেখান থেকে। লোকটি কীভাবে মারা গেলেন, জিজ্ঞেস করলেন না। কেননা আশেপাশে অনেক মহিলা। মেয়েটি যদি বিব্রত বোধ করে। সে যদি না চায় অন্য মানুষেরা জানুক।

পরে মেয়েটি শায়েখকে জানাল—‘আমার বাবা প্রতিদিন অফিস থেকে এসে নিজের ঘরে ঢুকতেন। এরপর দরজা লক করে প্রায় দুই ঘণ্টার মতো ঘুমাতেন। দুই ঘণ্টা পর বের হয়ে খাবার খেতেন, আমাদের সাথে গল্প করতেন বা বাসার অন্য কোনো কাজ করতেন। এটাই ছিল তার নিয়ম। প্রতিদিনের মতো আজও বাবা অফিস থেকে এসে নিজের রুমে চলে যান। দুই ঘণ্টা পার হলো, তিন ঘণ্টা হলো। খাওয়ার জন্য বাবাকে ডাকা হলো—কোনো সাড়া নেই। এভাবে চার-পাঁচ ঘণ্টা হয়ে যাচ্ছে, আমরা দরজায় নক করছি, তারপরও কোনো উত্তর নেই। ছয় ঘণ্টা হয়ে যাওয়ার পরও যখন সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না, তখন আমরা দরজা ভাঙতে বাধ্য হই। ভেতরে ঢুকে দেখি, বাবা বিছানায় শুয়ে অচেতন, আর তার ল্যাপটপে ভিডিও চলছে। কিন্তু ভিডিওগুলো...’ গলা জড়িয়ে এলো মেয়েটির।

‘ল্যাপটপে খুবই নোংরা-অশ্লীল ভিডিও চলছিল। আমরা কখনো ভাবতে পারিনি বাবা এসব ভিডিও দেখেন, তাও এই বয়সে!’
শায়েখ নিচে-মেঝের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। দেখলেন মেয়েটির ফোটা ফোটা অশ্রু পড়ছে মেঝেতে।

‘বাবা প্রতিদিন এসে দুই-আড়াই ঘণ্টা ওই রুমে কাটাতেন। আমরা ভাবতাম অফিস থেকে ফিরেছেন—ক্লান্ত—ঘুমাচ্ছেন। কোনো ডাকাডাকি করতাম না, কোনো ডিস্টার্ব করতাম না এই দুই ঘণ্টা। কিন্তু... কিন্তু তিনি যে সবার আড়ালে নোংরা ভিডিও দেখতেন, আর এই অবস্থাতেই উনার মৃত্যু হলো—এটা ভাবতেই ঘেন্না লাগে, গা গুলিয়ে আসে।' এরপর আর কথা বলতে পারল না মেয়েটি। ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করল।

আসলে কেউ যখন প্রথমবার গোপনে কোনো গুনাহ করে, তার খারাপ লাগে, সে তাওবাহ করে, আল্লাহ তাকে মাফ করে দেন। কিন্তু কিছু মানুষ অন্যদের লুকিয়ে গুনাহ করতে করতে অভ্যস্ত হয়ে যায়, তাদের আর গুনাহ করতে খারাপ লাগে না। তাদের অন্তর কঠিন হয়ে যায়। এক সময় তাদের এই গোপন গুনাহ আর গোপন থাকে না, আল্লাহ অন্যদের সামনে তা প্রকাশ করে দেন। আর কেউ যদি গুনাহ করা অবস্থায় মারা যায়—ব্যাপারটা কতই না খারাপ! কারণ হাদিসে এসেছে—“প্রত্যেক বান্দাকে সেই অবস্থায় উঠানো হবে, যে অবস্থায় সে মৃত্যুবরণ করেছে।” [সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২৮৭৮]

#গোপন_গুনাহ
#প্রস্থানের_পথে
লেখা : Mahbuba Upoma

[সত্য ঘটনা অবলম্বনে]

30/03/2026

আপনি দুনিয়াতে নাই। আপনার জন্য মোনাজাতে কেউ হু হু করে কাঁদছে! তাহাজ্জুদে দুআ করছে। এরকম চক্ষু শীতল করা দৃশ্যটার জন্য হলেও চলুন কিছু একটা করে যাই, এমন কিছু, যার জন্য মানুষ দু’আ করবে, কাঁদবে, মনে রাখবে, আপনার লিগ্যাসি ধরে রাখবে।
“কী করবেন” না বুঝলে ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াসাল্লামের পঠিত দু'আটা পড়তে পারেন ইনশাআল্লাহ।

رَبِّ هَبۡ لِیۡ حُکۡمًا وَّ اَلۡحِقۡنِیۡ بِالصّٰلِحِیۡنَ
উচ্চারণ : রাব্বি হাবলি হুকমাও ওয়া আলহিক্বনি বিস-সালিহিন।
অর্থ : হে আমার রব! আমাকে সুগভীর জ্ঞান দান করুন এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের সঙ্গে শামিল করুন। [সুরা শুআরা : আয়াত ৮৩]

وَ اجۡعَلۡ لِّیۡ لِسَانَ صِدۡقٍ فِی الۡاٰخِرِیۡنَ
উচ্চারণ : ওয়াঝআললি লিসানা সিদকিং ফিল আখিরিন।
অর্থ : আর পরবর্তীদের মধ্যে আমার সুনাম-সুখ্যাতি অব্যাহত রাখুন। [সুরা শুআরা : আয়াত ৮৪]

অন্তর থেকে অনুভব করুন ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াসাল্লামের দু'আটা। তারপর সিজদায়, আজান ও ইকামাতের মাঝখানে, বৃষ্টির সময়ে, শেষ রাতে।তবে হ্যাঁ, শর্ত একটাই।
আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে চাইতে হবে। হিদায়তের নূর আল্লাহ আপনাকে দেবেনই ইনশাআল্লাহ।

আললাহ পাক আমাদের সবাইকে সেই নুর পাওয়ার তৌফিক দান করুন । আমিন

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Riyadh
Dhaka
11564