Dawah

Dawah প্রকৃত দ্বীনের দাওয়াত দিতে চাই!

13/08/2026

হাকিমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানবি রহ. বলেন—
১) মহিলাদের একটি অভ্যাস হল, তারা শিশুদের জ্বীন, ভূত ও অন্যান্য ভয়ংকর জিনিসের ভয় দেখিয়ে থাকে। এটি খুবই খারাপ অভ্যাস। এর ফলে শিশুর হৃদয় দুর্বল হয়ে যায়।
২) মায়ের উচিত, শিশুকে সবসময় বাবার ভয় দেখিয়ে রাখা।
৩) ছেলে হলে তার মাথার চুল বড় হতে দেবে না। আর মেয়ে হলে সে পর্দার উপযুক্ত বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত তাকে অলংকার পরাবে না। কারণ, একদিকে অলংকারের কারণে তার জীবনের ঝুঁকি থাকে। অন্যদিকে ছোটবেলা থেকেই অলংকারের প্রতি দিলে আকর্ষণ তৈরি হওয়াও ভালো নয়।
৪) শিশুদের হাত দিয়ে গরিবদের খাবার, কাপড়, টাকা-পয়সা ইত্যাদি দান করানো উচিত। একইভাবে খাবার-পানীয় তাদের ভাই-বোন কিংবা অন্যান্য শিশুদের মধ্যে বিতরণ করাতেও অভ্যস্ত করাতে হবে। এর ফলে সন্তানদের মধ্যে দানশীলতার অভ্যাস গড়ে উঠবে।
(সূত্র: মাওলানা আলাউদ্দিন কাসেমি কৃত আওলাদ কি তরবিয়ত কে ইসলামি উসুল, পৃষ্ঠা ৮২-৮৩)

12/08/2026

আমরা এমন লোকদের সুহবত পেয়েছি যাদের কাছে আল্লাহ কে ভয় করুন এই কথাটিই ছিল সবচেয়ে প্রিয়। কিন্তু এখনকার লোকেরা এই কথাটিকে সবচেয়ে বেশি বিরক্তিকর মনে করে।

-ইমাম সুফিয়ান সাওরি রহিমাহুল্লাহ

05/08/2026

“বান্দার জন্য উচিত হলো, তার প্রতিটি নিঃশ্বাস যেন দুই প্রকারের হয় - এক নিঃশ্বাসে সে তার রবের প্রশংসা করবে, আর অন্য নিঃশ্বাসে সে তার গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে।”

- ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহ.)
[জামি‘ আর-রাসাইল, ২/১৬১]

31/07/2026

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ বলেন,

“শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ রাহিমাহুল্লাহ মানুষের প্রয়োজন পূরণে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে চেষ্টা করতেন, কেননা তিনি জানতেন—যত বেশি তিনি অন্যকে সাহায্য করবেন, আল্লাহও তত বেশি তাঁকে সাহায্য করবেন।”

— রাওদাতুল মুহিব্বীন (পৃ.১৬৮)

22/07/2026

পাওনা টাকা অথবা টাকা ধার নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে সময়মত ফেরত না দিয়ে জুলুম করা আজকাল খুবই কমন বিষয়, আসুন এ সম্পর্কিত কিছু হাদিস জেনে নেই এতে যদি কারো হুশ ফেরে -

‘যে ব্যক্তি ঋণ করার পর মনে মনে সঙ্কল্প করে রাখে যে, সে ওই ঋণ পরিশোধ করবে না, তবে সে আল্লাহর সাথে চোর হয়ে সাক্ষাৎ করবে’ (ইবনে মাজাহ : ২৪১০)


রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যে সচ্ছল ব্যক্তি ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করে, তাকে অপমান ও শাস্তি উভয়টিই দেয়া আমার জন্য হালাল’ (নাসায়ি : ৪৬৯০, আবু দাউদ : ৩৬২৮, মুসনাদে আহমাদ: ১৮৯৬২)



"ধনী/সামর্থ্যবান ব্যক্তির ঋণ আদায়ে টালবাহানা করা অন্যায়’ (সহিহ বুখারি : ২২৮৭, মুসলিম : ১৫৬৪, মুয়াত্তা মালেক : ১৩৭৯)।

‘কোনো ব্যক্তি তার হাত দিয়ে যা গ্রহণ করেছে, তা পরিশোধ না করা পর্যন্ত সে দায়ী থাকবে (তিরমিজি : ১২৬৬, আহমাদ : ১৯৫৮২)


রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির আত্মা লটকে থাকে, যতক্ষণ না তার পক্ষ থেকে কেউ সেই ঋণের টাকা পরিশোধ করে দেয়’ (ইবনে মাজাহ : ২৪১৩)।এজন্য কেউ মরে গেলে সাথেসাথেই ছেলেমেয়েদের উচিত তার ধার দেনা শোধ করে দেয়া।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি একটি দিনার অথবা দিরহাম ঋণ রেখে মারা যাবে, কিয়ামতের দিন তাকে তার নেকি থেকে সেই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। কারণ সেখানে কোনো দিনার ও দিরহাম নেই’ (ইবনে মাজাহ : ২৪১৪, আহমদ : ৫৫১৯)।


রাসূল সা: বলেন, ‘ঋণ পরিশোধের পাপ ছাড়া শহীদের সব পাপই মাফ দেয়া হবে’ (মুসলিম, মিশকাত : ২৯১২)।

যে ব্যক্তি পরিশোধ করার উদ্দেশ্যে মানুষের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করে, আল্লাহ তায়ালা তা আদায়ের ব্যবস্থা করে দেন। আর যে তা নেয় বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে, আল্লাহ তায়ালা তাকে ধ্বংস করেন’ (সহিহ বুখারি : ৫৭২)।

সুতরাং জুলুমকারী ভাইয়েরা সতর্ক হউন।সময়মত ধার পরিশোধ করুন।

21/07/2026

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন:

"তোমাদের কেউ যখন (আল্লাহর কাছে) কিছু চাইবে, তখন সে যেন অঢেল ও বেশি করে চায়। কারণ, সে তো তার রবের কাছেই চাচ্ছে (যাঁর ভাণ্ডারে কোনো কিছুরই কমতি নেই)!"

[সূত্র: সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নং: ৮৮৯; হাদিসটি সহীহ]

16/07/2026

প্রিয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

“ তুমি যদি বিছানায় শুয়ে সূরা ফাতিহা ও সূরা ইখলাস পাঠ কর, তাহলে মৃত্যু ছাড়া সবকিছু থেকেই তুমি নিরাপদ থাকবে।”

[মুসনাদুল বাযযার, হাদীস নং ৩১০৭]

11/07/2026

শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন —

“মুত্তাকী হওয়ার জন্য এমন কোনো শর্ত নেই যে, সে পাপ করতে পারবে না। অথবা সে ভুল কিংবা অপরাধ থেকে নিষ্পাপ। যদি এমন কোনো শর্ত থাকতো তাহলে পুরো উম্মাহর মাঝে কেউই মুত্তাকী হতে পারতো না। বরং মুত্তাকী তো সে, যে নিজের কৃত পাপ থেকে তওবাহ করে এবং পাপকে মিটিয়ে দেয় এমন নেক আমল করে।”

[মিনহাজুস সুন্নাহ, ৭/৮২]

05/07/2026

"আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে সবচেয়ে ঘৃণিত কাজ হচ্ছে, মিথ্যা বলা। যদি কোনো সাহাবীর মধ্যে কখনো এটা দেখতেন, তাহলে সে তাওবা না করা পর্যন্ত নবীজি তাকে এড়িয়ে চলতেন।"

— উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাদ্বি.)

[সূত্র: সিলসিলাতুল আহাদীসিছ ছহীহাহ, ২০৫২]

03/07/2026

শো-অফের দুনিয়ায়, আমরা যারা অপরকে মুগ্ধ করার জন্য খেটেখুটে মরি, আমরা আসলে কি পাই দিনশেষে? আর মূসা আলাইহিস সালাম, যাঁর ব্রত-ই ছিলো কেবল আল্লাহকে মুগ্ধ করা, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা, তিনি কী পাননি দুনিয়ার? এক মনীষী কতো সুন্দর বলেছেন----সে কি পেলো, যে আল্লাহকে হারালো? আর সে কি হারালো, যে আল্লাহকে পেলো?


বই :কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ।

Address

Riyadh
Dhaka
11564

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dawah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share