15/07/2020
🕋 হে মুসলিম! গল্পের বই নয়,পোস্টগুলো পড়ুন 🕋
বান্দার নেকী-বদী লিপিবদ্ধ করা হয়; কিয়ামতের দিন বান্দার সামনে তা মেলে ধরা হবে। ছোট বড় সবকিছু লেখা হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলার দয়া দেখুন- নেক কাজের ইচ্ছা করলেই একটি নেকী লেখা হয় আর সে নেক কাজটি করলে দশ থেকে সাতশটি পর্যন্ত নেকী লেখা হয়; কখনো আল্লাহ আরো বাড়িয়ে দেন। পক্ষান্তরে কেউ যদি কোনো গোনাহের ইচ্ছা করে, তো যতক্ষণ গোনাহটি না করে ততক্ষণ কোনো গোনাহ লেখা হয় না। তারপর যদি গোনাহটি করে ফেলে তখন মাত্র একটি পাপ লেখা হয়।
مَنْ جَآءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهٗ عَشْرُ اَمْثَالِهَا، وَ مَنْ جَآءَ بِالسَّیِّئَةِ فَلَا یُجْزٰۤی اِلَّا مِثْلَهَا وَ هُمْ لَا یُظْلَمُوْن.
কেউ কোনো সৎ কাজ করলে সে তার দশ গুণ পাবে আর কেউ কোনো অসৎ কাজ করলে তাকে শুধু একটি পাপের শাস্তি দেওয়া হবে। আর তাদের প্রতি কোনো যুলুম করা হবে না। -সূরা আনআম (৬) : ১৬০
হাদীসে কুদসীতে হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন-
إِذَا هَمّ عَبْدِي بِحَسَنَةٍ وَلَمْ يَعْمَلْهَا، كَتَبْتُهَا لَهُ حَسَنَةً، فَإِنْ عَمِلَهَا كَتَبْتُهَا عَشْرَ حَسَنَاتٍ إِلَى سَبْعِ مِائَةِ ضِعْفٍ، وَإِذَا هَمّ بِسَيِّئَةٍ وَلَمْ يَعْمَلْهَا، لَمْ أَكْتُبْهَا عَلَيْهِ، فَإِنْ عَمِلَهَا كَتَبْتُهَا سَيِّئَةً وَاحِدَةً.
বান্দা যখন কোনো নেক কাজের ইচ্ছা করে, উক্ত নেক কাজ না করলেও (এ ইচ্ছার কারণে) একটি নেকী লেখা হয়। যদি সে নেক কাজটি করে তাহলে দশ থেকে সাতশ গুণ পর্যন্ত নেকী লেখা হয়। আর যখন কোনো গোনাহের ইচ্ছা করে, কিন্তু ওই পাপ কাজটি করে না; তখন (এ ইচ্ছার কারণে) কোনো গোনাহ লেখা হয় না। হাঁ, যদি ওই পাপ কাজটি করে বসে তখন মাত্র একটি পাপ লেখা হয়। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১২৮
15/07/2020
🕋🕋🕋 খুবই শক্তিশালী দুয়া:
رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِی الدُّنۡیَا حَسَنَۃً وَّ فِی الۡاٰخِرَۃِ حَسَنَۃً وَّ قِنَا عَذَاب النَّارِ
‘হে আমাদের রব! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দিন এবং আখেরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন”।
‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রায়ই এ দোআ করতেন।
[বুখারী ৪৫২২, মুসলিম: ২৬৯০]
15/07/2020
🕋🕋🕋 মহান আল্লাহ বলেন:
সুতরাং আমি অবশ্যই তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করব যাদের নিকট রাসূল প্রেরিত হয়েছিল এবং অবশ্যই আমি প্রেরিতদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করব।
(সূরা:আরাফ আয়াত-০৬)
তাফসির
[১] প্রত্যেক উম্মতকেই জিজ্ঞাসা করা হবে যে, 'তোমাদের কাছে কি আমার পয়গম্বর এসেছিল? তারা কি তোমাদের কাছে আমার বার্তা পৌঁছে দিয়েছিল?' সেখানে তারা উত্তর দেবে, 'হ্যাঁ, হে আল্লাহ! পয়গম্বর অবশ্যই আমাদের কাছে এসেছিলেন, কিন্তু আমরাই ছিলাম হতভাগ্য যে, তাঁদের কোন পরোয়া করিনি।' আর নবীদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে যে, 'তোমরা আমার বার্তা উম্মতের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলে কি না? তারা এর মোকাবেলায় কি আচরণ প্রদর্শন করেছিল?' নবীরা এ প্রশ্নের উত্তর দেবেন। এর বিশ্লেষণ কুরআন মাজীদের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যমান রয়েছে।
14/07/2020
রাসুলুল্লাহ (সা.) আয়েশা (রা.)-কে এভাবে দোয়া করতে বলেন, ‘হে আল্লাহ! নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে পছন্দ করেন। সুতরাং আমাকে ক্ষমা করুন।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১১৯৫)।
14/07/2020
🕋 আল্লাহ মহান-পরম দয়ালু ও পরম ক্ষমাশীল
আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে আদম সন্তান! তুমি যত দিন পর্যন্ত আমার কাছে দোয়া করতে থাকবে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে, আমি তত দিন তোমার গুনাহ মাফ করতে থাকব, তুমি যা-ই করে থাকো আমি সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করব না। হে আদম সন্তান! তোমার গুনাহ যদি আকাশের উচ্চতা পর্যন্তও পৌঁছে যায়, অতঃপর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, তবু আমি তোমাকে ক্ষমা করব, আমি সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করব না। হে আদম সন্তান! তুমি যদি পৃথিবী পরিমাণ গুনাহ নিয়ে আমার কাছে আসো এবং আমার সঙ্গে কোনো কিছুকে শরিক না করে থাকো, তাহলে আমিও সমপরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমার কাছে আসব।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৩৫৪০)
13/07/2020
বুরায়দাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জান্নাতীদের একশত বিশটি কাতার হবে। তন্মধ্যে এই উম্মাতের হবে আশিটি কাতার এবং অন্যান্য উম্মাতের হবে চল্লিশটি।
[তিরমিযী ২৫৪৬,সুনানে ইবনে মাজাহ,৪২৮৯]
13/07/2020
🕋🕋🕋 আপনার ভুল ধারণা শুধরে নিন 🕋🕋🕋
মহান আল্লাহ বলেন:
আর মানুষ তো এমন যে, যখন তার রব তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর তাকে সম্মান দান করেন এবং অনুগ্রহ প্রদান করেন,তখন সে বলে, ‘আমার রব আমাকে সম্মানিত করেছেন(সূরা:আল ফাজর-১৫)
অর্থাৎ, যখন আল্লাহ কাউকে রুযী ও ধন-দৌলতের প্রাচুর্য দান করেন,তখন সে নিজের ব্যাপারে ভুল ধারণার স্বীকার হয়ে মনে করে যে,আল্লাহ তার প্রতি বড় অনুগ্রহশীল। অথচ এ প্রাচুর্য তাকে পরীক্ষাস্বরূপ দান করা হয়।
অনেকে এও বলে আমি ভালো আমল করি তাই আল্লাহ আমাকে ধনী বানিয়েছেন ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে সাবধান এটাই হচ্ছে আল্লাহর কঠিন পরীক্ষা।অন্যান্য পরীক্ষায় মানুষ উত্তীর্ণ হলেও এই পরীক্ষাটি যাদেরকে করা হয় তাদের অধিকাংশই অকৃতকার্য হয়।যাদেরকে ধন দৌলত দিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে তারা সাবধান!!! সাবধান!!!সাবধান।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে তার সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার তাওফিক দান করুক আমিন।
11/07/2020
🕋 এটাই ইসলাম!!এটাই ইসলাম!!হে মুসলিম শিখো
প্রতিদিন এক অন্ধ মহিলার ঘরের সব কাজ করে দিতেন,মুসলিম জাহানের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ)-
হযরত আবু বকর(রা:) এর শাসন কালে,তিনি প্রতিদিন ফজরের নামায আদায় করে মরুভূমির দিকে গমন করতেন এবং সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থান করে শহরে ফিরে আসতেন। হযরত ওমর(রা:) তার প্রত্যেহ এরুপ গমনের দৃশ্য দেখে আশ্চার্যান্বিত হলেন।তাই একদিন ফজরের সালাতের পর আবু বকর সিদ্দিক(রা:) যখন বের হলেন,তখন তিনি গোপনে তাঁকে অনুসরণ করতে লাগলেন। অতঃপর তিনি একটি টিলার পিছনে লুকিয়ে থাকলেন ও আবু বকর(রা:)কে একটি পুরাতন তাঁবুতে প্রবেশ করতে দেখলেন।তিনি আবু বকর(রাদিয়াল্লাহ্ তায়ালা আনহু) সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থান করার পর বের হয়ে গেলেন। অতঃপর ওমর(রা:) টিলার আড়াল থেকে বের হয়ে উক্ত তাঁবুতে প্রবেশ করলেন।সেখানে তিনি এক অন্ধ দুর্বল মহিলাকে দেখতে পেলেন,যার কয়েকটি শিশু সন্তান রয়েছে। তিনি মহিলাকে জিজ্ঞেস করলেন,তোমার নিকট কে আসছে?মহিলা বলল,আমি তাকে চিনি না। তিনি একজন মুসলিম।প্রতিদিন সকালে তিনি আমাদের কাছে আসেন অতঃপর আমাদের গৃহ পরিস্কার করে দেন,আঁটা পিষে দেন এবং গৃহপালিত পশুগুলির দুগ্ধ দোহন করে দেন,আমার সংসারের সব কাজ শেষ করে অতঃপর তিনি চলে যান। বিস্ময়াভিভুত হযরত ওমর(রা:) বেরিয়ে আসলেন এবং হযরত আবু বকর সিদ্দীক(রা:) কে বললেনঃ হে আবু বকর! পরবর্তী খলীফাদের উপর তুমি কত না দায়িত্ত অর্পন করে দিলে! উত্তরে সিদ্দীকে আকবর (رضي الله عنه) বলে,আমার শাসন আমলে যদি জনগণ কষ্টে থাকে,তাহলে আমি হাশরের দিনে আল্লাহকে কি জবাব দিব।
(তারীখু দিমাশক ৩০/৩২৩)
সুপ্রিয় মুসলিম! আমাদের বর্তমান যুগের শাসকেরা কি জবাব দিবেন?আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুক আমিন।
11/07/2020
🌌 মুসা আঃ ওঃ ইউসুফ আ: এর চমৎকার কিছু মিল
পবিত্র কুরআনে মূসা আ. ও ইউসুফ আ. সম্পর্কিত ঘটনার মধ্যে চমৎকার কিছু মিল রয়েছে। যেমন:
এক.দুইজনেরই কাহিনী শুরু হয় মিশরে।
দুই.
দুইজনই হারিয়ে যায়। দুইজনকেই আবার ফিরে পায় তাঁদের আপনজন। একজন মায়ের কাছে ফিরে আসেন।আরেকজনকে পিতা খুঁজে পান।
তিন.
দুইজনকেই নিক্ষেপ করা হয়। একজনকে (الجب)এ অর্থাৎ কুপে। আরেকজনকে (اليم)এ অর্থাৎ সাগরে।
ইউসুফ আ. নিক্ষিপ্ত হয় হিংসুটে ভাইদের হাতে ( وَأَلْقُوهُ فِي غَيَابَتِ الْجُبِّ )। আর মূসা আ. নিক্ষিপ্ত হয় তাঁর প্রিয়জন অর্থাৎ মায়ের হাতে আপন রবের নির্দেশে ( فَأَلْقِيهِ فِي الْيَمِّ وَلَا تَخَافِي وَلَا تَحْزَنِي )।
: ﴿ وَأَلْقُوهُ ﴾....و.....﴿ فَأَلْقِيهِ ﴾
এ-দুই শব্দের মধ্যে:
প্রথমটা ( وَأَلْقُوهُ ) পর্বতসম হিংসা ও ঘৃণা বহন করে। দ্বিতীয়টা ( فَأَلْقِيهِ )র মধ্যে লুকিয়ে আছে একসাগর দয়া ও মমতা।
প্রথমটা মানবের কারসাজি। আর দ্বিতীয়টা মানবস্রষ্টার অমোঘ ব্যবস্থা।
চার.
উভয়ই বেড়ে উঠে রাজপ্রাসাদে। রাজকীয়ভাবে।
পাঁচ.
এদিকে মূসা আ.এর জন্য চিন্তিত ছিলেন তাঁর মা। ওদিকে ইউসুফ আ.এর জন্য চিন্তিত ছিলেন তাঁর পিতা ইয়াকুব আ.।
ছয়.
মূসা আ. যে-রাজপ্রাসাদে ছিলেন তার কারণ ওই মহলের রাজরানী। তিনিই স্বামীর নিকট আবেদন করে, মূসা (আ.) যেন তার ঘরে লালিত-পাালিত হয়। ওদিকে ইউসুফ আ. যে-রাজমহলে ছিলেন তার কারণ ওই মহলের প্রধান পুরুষ,যার ইচ্ছা ছিল,যেন ইউসুফ তার ঘরে প্রতিপালিত হয়।
সাত.
যে-প্রাসাদে মূসা আ. ছিলেন তার রাজরানী ছিলেন তাঁর জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল। আর ইউসুফ আ. যে-প্রাসাদে ছিলেন তার রাজরানী ছিল তাঁর সমূহ সমস্যার উৎস।
আট.
উভয়ের পরিণত বয়স (سن الرشد) বর্ণনায় পবিত্র কুরআনের ভাষাও প্রায় অভিন্ন।
নয়.
মূসা আ.এর মায়ের দুঃখ বর্ণনা করতে গিয়ে বলা হয়েছে:
﴿ وَأَصْبَحَ فُؤَادُ أُمِّ مُوسَى فَارِغًا ﴾
একইভাবে ইউসুফ আ.এর পিতার দুঃখগাঁথাও বর্ণিত হয়েছে:
﴿ يَا أَسَفَى عَلَى يُوسُفَ وَابْيَضَّتْ عَيْنَاهُ مِنَ الْحُزْنِ ﴾ .
দশ.
একদিকে ইউসুফ আ.এর ভায়েরা তাঁকে কষ্ট দেয়। অন্যদিকে মূসা আ.এর বোন তাঁর জন্যে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
এগার.
একদিকে হারানো মূসা আ.কে খোঁজতে মা তাঁর বোনকে পাঠান। যেমন:
﴿ وَقَالَتْ لِأُخْتِهِ قُصِّيهِ ) .
অন্যদিকে হারানো ইউসুফ আ.কে তালাশ করার জন্য পিতা তাঁর ভাইদেরকে পাঠান। যেমন:
﴿ يَا بَنِيَّ اذْهَبُوا فَتَحَسَّسُوا مِن يُوسُفَ ﴾.
বারো.
এদিকে আল্লাহ মূসা আ.কে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেন এভাবে:
﴿ وَحَرَّمْنَا عَلَيْهِ الْمَرَاضِعَ ﴾
ওদিকে ইউসুফ আ.এর সন্ধানও দিয়ে দেন তাঁর পিতাকে:
﴿ إِنِّي لَأَجِدُ رِيحَ يُوسُفَ ﴾.
তেরো.
ওহির মাধ্যমে আল্লাহ একদিকে মূসা আ.কে ফিরিয়ে দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন:
﴿إِنَّا رَادُّوهُ إِلَيْكِ وَجَاعِلُوهُ مِنَ الْمُرْسَلِينَ ﴾
একইভাবে পিতা ইয়াকুব আ.কেও জানিয়ে দেন,তাঁর ছেলে ইউসুফ আ.কে তাঁর কাছে ফিরিয়ে দিবেন: ইরশাদ করেন:
﴿ وَأَعْلَمُ مِنَ اللَّهِ مَا لَا تَعْلَمُونَ ﴾.
চৌদ্দ:
মূসা আ.যে-রাজপ্রাসাদে ছিলেন তার বাসিন্দারা (বড় হবার পর) তাঁর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। একসময় তাঁকে বিতাড়িত করে। তাঁর পিছু নেয়:
﴿ قَالَ أَصْحَابُ مُوسَىٰ إِنَّا لَمُدْرَكُون ﴾
ওদিকে যে-মহলে ইউসুফ আ. ছিলেন তার বাসিন্দারা (বড় হবার পর) তাঁর সঙ্গে সমজোতা করে.. তাঁকে আরো কাছে টেনে নেয়। বলা হয়:
﴿ إِنَّكَ الْيَوْمَ لَدَيْنَا مكين أمين
সুবহানাল্লাহ ! কী অদ্ভূত মিল ! কী চমৎকার তুলনামূলক বর্ণনা
নিশ্চয়ই আল্লাহ মহান,সর্বশক্তিমান ও সর্বজ্ঞ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বেশি বেশি ইসলাম সম্পর্কে জানার তাওফিক দান করুক আমিন।
10/07/2020
জান্নাতে সর্ব প্রথম গান শোনাবেন হুরেরা,
_______তাতে কেটে যাবে ৭০ বছর,
জান্নাতি বাতাসে গাছের পাতার সাথে মিলিয়ে অপূর্ব এক বাজনা সৃষ্টি করবে,আর জান্নাতের হুরদের সাথে সুর মিলাবে সুরের মুর্ছনায় গোটা জান্নাত মুখরিত হয়ে যাবে,
আল্লাহ্ তখন জান্নাতবাসীদের কাছে জানতে চাইবেন,,
----"কেমন লাগলো?
----"সকলেই জবাব দিবে, খুব ভালো,
----"আল্লাহ্ বলবেন," এর চেয়েও ভালো শোনো।
জান্নাতবাসী বলবে
"হে আল্লাহ্ এর চেয়ে ভালো কি,
তখন আল্লাহ্ হযরত দাউদ (আঃ) কে ডাক দিয়ে বলবেন,
---- "হে দাউদ এবার তুমি শুনাও"
দাউদ (আঃ) বলবেন,
----"হে আল্লাহ্ আমার কন্ঠ তো দুনিয়াতে ছিল যবুর শরীফে,
আল্লাহ্ বলবেন,
----তোমার কন্ঠ ফিরিয়ে দিলাম কোরআন শরীফ শোনাও।
হযরত দাউদ (আঃ) কোরআনের " একটি সুরা শোনাবেন! জান্নাতবাসী মুগ্ধ হয়ে যাবে।
আল্লাহ্ আবার বলবেন,---"কেমন লাগলো?
"জান্নাতিরা বলবে,--মারহাবা, খুব ভালো লাগলো।
আল্লাহ্ বলবেন, এর চেয়ে ভালো শোনো,
জান্নাত বাসীরা, বলবে "হে আল্লাহ্ এর চেয়ে ভালো কি হতে পারে, আল্লাহ্ পাক রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) কে বলবেন,
--হে আমার প্রিয় হাবিব এবার আপনি ওদের শোনান!
রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) কোরআনের হৃদয় "সুরা ইয়াসিন" তেলাওয়াত করবেন। পুরো জান্নাত আনন্দে মুখরিত হয়ে যাবে আর ধ্বনি তুলবে,"
আল্লাহু আকবার "
আল্লাহ্ আবারও জানতে চাইবেন, কেমন লাগলো?
জান্নাতবাসীরা বলবেন, আল্লাহ্ সবকিছু থেকে এটাই বেশি ভালো লাগলো!
আল্লাহ্ বলবেন,"এর চেয়েও ভালো আছে, "জান্নাতবাসী অবাক হয়ে বলবে, আল্লাহ্ এর চেয়ে ভালো কিছু আছে,
আল্লাহ্ জবাব দিবেন,
"এর চেয়ে ভালো যা তা হলো তোমাদের রব!
আল্লাহ্ বলবেন, "রিজওয়ান (একজন ফেরেস্তা) পর্দা সরিয়ে দাও,
আজ আমার বান্দা আমার দীদার করবে, আমাকে দেখবে,
"আল্লাহু আকবার"!
পর্দা সরে যাবে ও সবাই আল্লাহর দীদার লাভ করবে আল্লাহকে দেখার পরে বান্দা অস্থীর হয়ে যাবে তখন
শেষে আল্লাহ পাক সুরা আর রহমান পাঠ করবেন তখন মানুষের অবস্থা কি যে হবে আল্লাহ ভাল জানেন।
জান্নাতের হুর কি,
শরাব কি,
নহর কি,
ফল কি,
সব কিছুকে মূল্যহীন মনে হবে
বান্দা বলবে, "আল্লাহ্ কিছুই চাইনা,
শুধু তোমার দীদার চাই!