25/04/2026
আজকের কালের কণ্ঠে প্রকাশিত আমার ৪৫ তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা
বোর্ড চেয়ারম্যান: অধ্যাপক ড. মোঃ শরীফ হোসেন
ক্যাডার চয়েজ ক্রম: কাস্টমস এন্ড এক্সাইজ, ট্যাক্সেশন, অডিট এন্ড একাউন্টস, এডমিনিস্ট্রেশন, পুলিশ
সাবজেক্ট: ইকোনমিকস
সিরিয়াল: ৫
সময়: আনুমানিক ১৮-২০ মিনিট
ফলাফল: বিসিএস কাস্টমস এন্ড এক্সাইজ, মেধাক্রম ৬ষ্ঠ
আমার ৪৩তম এবং ৪৪তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা বেশ ভালো হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভেবেছিলাম আর বিসিএসের ভাইভা দেওয়া লাগবে না। কিন্তু প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত ৪৫তম বিসিএসের ভাইভাতেও অংশ নিতে হয়েছিলো।
তবে ৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ৪৩ ও ৪৪-এর মতো আশানুরূপ হয়নি। বিশেষ করে গণিত ও বিজ্ঞান পরীক্ষা খারাপ হয়েছিল। তবে বাংলা, ইংরেজি এবং বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অনেক ভালো হয়েছিল।
৪৩ ও ৪৪তম বিসিএসে ভালো লিখিত পরীক্ষা দিয়েও আশানুরূপ ক্যাডার না পাওয়ায় ভেবেছিলাম আমার আসলে এর উপরে উঠার যোগ্যতা নেই। সেজন্য ৪৫তম বিসিএসের ভাইভা দেব কি না তা নিয়ে দ্বিধায় ছিলাম। ফলে ৪৫-এর ভাইভার আগে কোনো ধরনের প্রস্তুতিই নেইনি, Not even the very basics!
ভাইবার দিন যখন জানতে পারলাম যে আমার ভাইবা অধ্যাপক ড. মোঃ শরীফ হোসেন স্যারের বোর্ডে দিতে হবে, ভাইবা এটেন্ড করার ইচ্ছা আরো চলে গিয়েছিলো৷ কারণ স্যারের বোর্ডে আগের বিসিএস প্রার্থীদের গড়পড়তা ভাইভা অভিজ্ঞতা খারাপ হয়। তার উপর আমার ৪৫ তম বিসিএস লিখিত আশানুরূপ না হওয়ায় ভাইবার ন্যূনতম প্রস্তুতিও ছিলো না।
আমরা যখন বোর্ডের বাইরে ভাইভার কাগজপত্র ঠিক করছিলাম এমন সময় চেয়ারম্যান স্যার বাইরে এসে আমাদের সবার সঙ্গে কথা বললেন এবং অভয় দিলেন। স্যার ফেসবুকে উনার সম্পর্কে অনেক নেগেটিভ কথা পড়েছেন, এটাও বললেন আমাদেরকে।
আমার সিরিয়াল ছিল ৫ নম্বরে। বেল বাজার পর সালাম দিয়ে বোর্ডে প্রবেশ করলাম। স্যার দেখলেন আমি ইকোনমিকস ব্যাকগ্রাউন্ডের। স্যার নিজেও স্ট্যাটিস্টিক্স এবং ইকোনমিকসের ছাত্র।
বলতে গেলে পুরো ভাইভাই স্যার নিয়েছেন।
স্যার আমার কাগজপত্রগুলো দেখছিলেন এবং বিভিন্ন তথ্য জিজ্ঞেস করছিলেন। আমি জ্বী স্যার, জ্বী স্যার বলে উত্তর দিচ্ছিলাম।
এরপর আমার ভাইভার প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু করলেন চেয়ারম্যান স্যারঃ
প্রশ্ন: কেন কাস্টমস ক্যাডার প্রথম চয়েজ?
উত্তর: স্যার, আমি ইকোনমিকসের ছাত্র হওয়ায় দেখেছি কিভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য একটি দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের সর্বোচ্চ অংশ আসে।
কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ ক্যাডার আমার প্রথম চয়েজ কারণ অর্থনীতির ছাত্র হিসেবে অর্থনীতির সাথে সরাসরি রিলেটেড ফিল্ডে কাজ করে রাষ্ট্রের রেভেনু এবং ফিসকাল এসপেক্টে এই ক্যাডার থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে বলে মনে করি।
চেয়ারম্যান স্যার: সিন্ডিকেট কীভাবে কাজ করে?
আমি: সিন্ডিকেট হচ্ছে একটি গোষ্ঠী যারা সংঘবদ্ধ হয়ে যেকোনো পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে এবং বেশি মুনাফা অর্জন করে। উদাহরণস্বরূপ আমাদের তেলের বাজারে সিন্ডিকেট কীভাবে কাজ করে সে বিষয়ে একটি সাম্প্রতিক নিউজ দেখেছিলাম। সেখানে দেখলাম বড় কোম্পানিগুলো তাদের পণ্য বহির্নোঙরে রেখে দেয়। বন্দরে খালাস না করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। এই সংকটের মাধ্যমে বাজারে চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য নষ্ট করে পণ্যের দাম বাড়ায়। পরে সুবিধাজনক সময় দ্রুত পণ্য খালাস করে।
চেয়ারম্যান স্যার: সিন্ডিকেটের ফলে অর্থনীতিতে কী ক্ষতি হয়?
আমি: সিন্ডিকেটের ফলে পণ্যের দাম বেড়ে যায়। মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। এর ফলে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পায়। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের যতটুকু কল্যাণ হওয়ার কথা, সিন্ডিকেটের কারণে ততটুকু হয় না।
স্যার: না না এগুলো শুনতে চাচ্ছি না। একজন অর্থনীতির ছাত্র হিসেবে অর্থনীতির ভাষা ব্যবহার করে আমাদের অর্থনীতিতে এই সিন্ডিকেটের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
কিছুক্ষণ চিন্তা করে বুঝতে পারছিলাম না কী বলা উচিত।
সরি বললাম।
স্যার নিজেই বললেন: Deadweight Loss এর নাম শুনেছো?
আমি: জ্বী স্যার
চেয়ারম্যান স্যার: এটা কীভাবে কাজ করে?
আমি আমার মত করে উত্তর দিলাম।
স্যারের এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে আমার শুরুর উত্তর কিছুটা ঠিক ছিল। এরপরও স্যারের সাথে সহমত পোষণ করলাম যে অর্থনীতির ছাত্র হিসেবে ডেডওয়েট লসের কথা আলাদাভাবে উল্লেখ করা উচিত ছিল।
এরপর স্যার আমাকে ইকোনোমেট্রিক্স থেকে প্রশ্ন করলেন।
স্যার: ইকোনোমেট্রিক্সের জ্ঞান কীভাবে কাজে লাগাবে যদি কাস্টমসে রেকমেন্ডেড হও?
আমি: স্যার, কাস্টমসসহ অর্থনৈতিক সেক্টরের অনেক সিদ্ধান্ত ডাটা-ড্রিভেন হয়। সেই ডাটা অ্যানালাইসিস, প্যাটার্ন আইডেন্টিফিকেশন এবং ফোরকাস্ট করার জন্য ইকোনোমেট্রিক্সের বিভিন্ন ধরনের টুল ব্যবহার করতে হয়।
স্যার: তাহলে কয়েকটা এরকম টুলের নাম বলো যেগুলো কাজে লাগাতে পারবে।
আমি: সরি স্যার, এই মুহূর্তে মনে করতে পারছি না।
(আসলে অনেকদিন আগে ইকোনোমেট্রিক্স ও স্ট্যাটিস্টিক্স পড়া হয়েছিল — তখন ফাঁকিবাজিও করেছি অনেক। তাই যে কয়েকটা টুলের নাম মনে আসছিল, বলিনি। কারণ বললেই স্যার বাস্তব প্রয়োগসহ ব্যাখ্যা করতে বলতেন, যেটা আমি পারতাম না।)
চেয়ারম্যান স্যার: তুমি ইকোনোমেট্রিক্স পড়ো নাই?
আমি: জ্বী স্যার, পড়েছি। অনেকদিন আগে পড়া হয়েছে। যেহেতু চর্চার মধ্যে নেই, তাই এখন ভালোভাবে বলতে পারছি না। সরি স্যার।
চেয়ারম্যান স্যার: তাহলে তো হবে না। অনার্সে কয় সেমিস্টারে ইকোনোমেট্রিক্স ছিল?
আমি: স্যার, দুই সেমিস্টারে ছিল।
(এই মুহূর্তে এসে ভেতরে ভেতরে অনেক নার্ভাস হয়ে পড়েছিলাম। ইকোনমিকসের ছাত্র হয়ে ইকোনোমেট্রিক্স না পারা বড় ডিসক্রেডিট। এরচেয়েও বড় ডিসক্রেডিট ছিল মাস্টার্সে ইকোনোমেট্রিক্স না নেওয়া। আমার মাস্টার্সে ইকোনোমেট্রিক্স ছিল না। স্যারের কাছে আমার মার্কশিটসহ মাস্টার্সের রেজাল্ট ছিল। কিন্তু স্যার সেদিকে তাকালেন না।)
জিজ্ঞেস করলেন: মাস্টার্সও তো করেছ ইকোনমিকস থেকেই দেখলাম। মাস্টার্সেও তো ইকোনোমেট্রিক্স ছিল, না? তোমার তো এই বিষয়ে ভালো দখল থাকা উচিত।
আমি: সরি স্যার। অনেকদিন সাবজেক্টিভ পড়ার সাথে নেই। এগুলো আবার রিভাইজ দিতে হবে।
চেয়ারম্যান স্যার: এভাবে হবে না। এভাবে হবে না।
আমি তখন বারবার সরি বলছিলাম।
(আমার ৪৫-এর লিখিত আশানুরূপ না হওয়ায় শুরুতে ভাইভা দিতে চাইনি। ভাইভার এই পর্যায়ে এসে লজ্জায় মনে হচ্ছিল তখনই উঠে চলে যাওয়া উচিত।)
এরপর চেয়ারম্যান স্যার আমাকে প্রথম এক্সটার্নাল স্যারের কাছে ছাড়লেন।
১ম এক্সটার্নাল স্যার: ইকোনমিক হেলথ কীভাবে পরিমাপ করা হয়?
আমি: বিভিন্ন ধরনের ম্যাক্রোইকোনোমিক প্যারামিটার আছে যেগুলো আগের বছরের সাথে তুলনা করে আমরা অর্থনীতির হেলথ পরিমাপ করতে পারি।
১ম এক্সটার্নাল স্যার: যেমন?
আমি: জিডিপি, জিএনপি, মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব, বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ইত্যাদি।
আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বলতে ভুলে গিয়েছিলাম, যেমন দারিদ্র্যের হার, আয় বৈষম্য, বিনিয়োগের অবস্থা ইত্যাদি।
১ম এক্সটার্নাল স্যার: এনবিআরের সাম্প্রতিক সংস্কার নিয়ে কী হচ্ছে?
আমি পত্রিকা থেকে পড়ে যতটুকু বুঝেছিলাম, ততটুকু নিজের মতো করে বললাম।
এরপর দ্বিতীয় এক্সটার্নাল স্যার আমার বাকি ভাইভা নিলেন।
২য় এক্সটার্নাল স্যার: Introduce yourself.
আমি ইংরেজিতে আমার নাম, একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড এবং বর্তমান কর্মস্থল মিলিয়ে খুব সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিলাম।
পরিবারের সদস্যরা কে কী করেন এবং অবসরে কী করি — সেগুলোও ইংরেজিতে বলতে বললেন।
- বললাম।
এরপর স্যার জিজ্ঞেস করলেন:
বাংলাদেশ ব্যাংকের তিনজন গভর্নরের নাম বলো।
আমার মাথা হঠাৎ সম্পূর্ণ ব্ল্যাংক হয়ে গেল। কোনো গভর্নরের নামই মনে আসছিল না। অলরেডি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারা এবং লিখিত পরীক্ষা আশানুরূপ না হওয়ার চিন্তা বারবার মনে আসায় তখন খুব অসহায় লাগছিল। তবে বাইরে বাইরে স্বাভাবিক থেকে বললাম
— দুঃখিত স্যার, এই মুহূর্তে কোনো গভর্নরের নাম মনে পড়ছে না।
স্যার অবাক হয়ে বললেন — যেকোনো একজনের নাম বলুন।
আমি: সরি স্যার, একজনের নামও মনে আসছে না।
স্যার: বর্তমান গভর্নরের নাম বলো।
৪৫ এর ভাইভার সময়টাতে তৎকালীন গভর্নর স্যারের বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে পত্র পত্রিকায় আলোচনা হচ্ছিলো খুব। আমি হতবাক হয়ে লক্ষ করলাম উনার নাম ভালোভাবে জানা থাকা সত্ত্বেও আমার মনে আসতেছে না!
স্যার কিছুটা অখুশি হয়ে চেয়ারম্যান স্যারের দিকে তাকালেন।
চেয়ারম্যান স্যার আমাকে Best of luck বলে কাগজপত্র নিয়ে যেতে বললেন। আমি কাগজপত্র সংগ্রহ করে সালাম দিয়ে বের হয়ে আসলাম।
যে কয়েকটা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারিনি, সেগুলো আমার কাছে ডিল ব্রেকার মনে হয়েছিল। আর ভাইভার শেষটাকে তো জঘন্য বলা চলে। আমি ধরেই নিয়েছিলাম যে এই ভাইভায় আমি ফেল করবো।
তাই ভেবেছিলাম ৪৭তম বিসিএসের লিখিত না দিয়ে ৪৫-এর রেজাল্ট চেক করবো না— আরেকটা নিশ্চিত হৃদয়ভঙ্গের বেদনা মেনে নেওয়ার মত মানসিক শক্তি ছিলো না।
৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার প্রথম দিনের ভোরে ঘুম ভাঙার পর কয়েকজনের মেসেজ দেখে কী মনে করে যেন রেজাল্ট চেক করলাম।
এতবার ব্যর্থ হওয়ার পর, যখন হাল ছেড়ে দিবো ভাবছিলাম, তখন এমন একটা রেজাল্ট হবে—এটা আমার দূরতম কল্পনাতেও ছিল না।
তিনটা বিসিএসে চারবার ভাইভা (৪৪ তম বিসিএসের ভাইভা দুইবার দিয়েছিলাম) দেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে আমার যা মনে হয় —
আগের বিসিএসের রেজাল্ট যেমনই হোক, বর্তমান বিসিএসের লিখিত যেমনই হোক, ভাইভার ২০০ মার্কের জন্য আলাদাভাবে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। লিখিত পরীক্ষায় কী হয়েছে বা হবে, সেটা নিয়ে না ভেবে ভাইভার ওপর পুরো ফোকাস রাখা দরকার। নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দিয়ে ভাইভার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।
নিজের সাবজেক্টের ডিপ নলেজ রাখতেই হবে। এটা ভয়ঙ্কর ডিসক্রেডিট যদি ভাইভা বোর্ডে আপনি না পারেন। কোনো এক্সকিউজই এখানে এক্সেপ্টেবল না।
ভাইভা শুধু পারা-না-পারার বিষয় না। এখানে ব্যক্তিত্ব, উপস্থিত বুদ্ধি এবং পরিস্থিতি মেনে নিয়ে নিজেকে তুলে ধরার সক্ষমতা—এসবও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমি যদিও ভালো বা আশানুরূপ পারফর্ম করতে পারছিলাম না, তবুও চেষ্টা করছিলাম পুরো ভাইভার সময়টা নিজেকে স্বাভাবিক রাখতে। রেজাল্ট আসার পর বুঝলাম সম্ভবত এ জিনিসটাই আমাকে ৪৫ এর ভাইভাতে কিছুটা এডভান্টেজ দিয়েছে এবং বাচিয়ে দিয়েছে।
বিসিএসে নিজের যোগ্যতা, পরিশ্রম এবং পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ভাগ্যের একটি বড় ভূমিকা থাকে, যার প্রভাব প্রিলিমিনারি, লিখিত কিংবা ভাইভা—যেকোনো ধাপে আপনার বিপক্ষে যেতে পারে। সেটাকে মেনে নিয়েই বিসিএসের যাত্রা শুরু করতে হয় এবং সাধ্যের সর্বোচ্চটা দিয়ে পরিশ্রম ও অধ্যবসায় চালিয়ে যেতে হয়।
BCS is a glorious journey filled with uncertainty.
এই কথাটা মনে রাখবেন-
যে ক্যান্ডিডেট বিসিএসে প্রথম হয়, সেও রেজাল্ট দেখার আগে শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারে না যে সে ভালো কোনো ক্যাডার পাবে, আশাবাদী হতে পারে সর্বোচ্চ। বিসিএসে অনেক যোগ্য প্রার্থীও তাদের কাঙ্ক্ষিত ক্যাডারে সুপারিশ পান না।
BCS is a long and uncertain journey. Persistence often matters as much as performance.