Rural Student Admission Support

Rural Student Admission Support

Share

Through this group you will be able to know the latest information of University news, Admission rel

19/04/2021

ক্যারিয়ার পরিকল্পনা শুরু হয় ছাত্রজীবন থেকেই। ক্যারিয়ার পরিকল্পনা একটি চলমান প্রক্রিয়া যা একই সাথে আপনাকে নতুন কিছু শিখতে এবং নিজেকে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
আমরা প্রতিটি কাজকে ভাগ্যের দোষ দিয়েই পার পাবার চেষ্টা করি। আসলে আমাদের শিক্ষাঙ্গন আর চাকুরি ক্ষেত্র সম্পূর্ণ আলাদা। তাই অনেকেই চাকুরি জীবনে এসে অসামঞ্জস্য ব্যবহার ও জীবনব্যবস্থার কারণে অনাকাংখিত হোঁচট খায়। একটু সতর্ক হলেই তা এড়ানো সম্ভব। আর এ সতর্কতাটাই হলো ক্যারিয়ার নিয়ে পরিকল্পনা করার ও নিজের দক্ষতা উন্নয়নের মধ্যে নিহিত। ক্যারিয়ার গড়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস নিয়ে আলোচনা করা হল-

পরিকল্পনা

ক্যারিয়ার পরিকল্পনা হলো নিজেকে ও নিজের সম্ভাবনা সম্পর্কে জানা। এছাড়া কোন পেশায় স্বাচ্ছন্দ্য পাওয়া যায়, সেটি খুঁজে বের করে সেভাবে কাজ করা। এ ক্যারিয়ার পরিকল্পনা মূলত চারটি বিষয়ের একটি সমন্বয়। প্রথমত, নিজের আগ্রহ, দক্ষতা এবং পছন্দের জায়গাগুলো খুঁজে বের করা। দ্বিতীয়ত, কাজ করা এবং শেখার যেসব সুযোগ রয়েছে, সেগুলো খুঁজে বের করা। তৃতীয়ত, যে কাজটি করছেন, সেটি যেন আপনার ব্যক্তিত্বের সাথে মানানসই হয়। আর চতুর্থত নিয়মিতভাবে নিজের কাজের মূল্যায়ন করা এবং সেভাবে নিজেকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

সময় সচেতনতা

ক্যারিয়ারের অন্যতম শর্ত হলো সময় সচেতনতা। প্রত্যেক মানুষেরই উচিত সময়ের সঠিক ব্যবহার করা। সময়ের কাজ সময়ে করতে পারলে যে কোনো ব্যক্তিই তার ক্যারিয়ারকে সফল স্থানে নিয়ে যেতে পারবে।

নিজেকে প্রস্তুত করা

সময়কে গুরুত্ব দিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করুন। আপনার জীবন বৃত্তান্ত এখন থেকে প্রতিনিয়ত আপডেট করুন। কালকেই হয়তোবা আপনার হাতের কাছে ধরা দিতে পারে আপনার স্বপ্নের চাবি। তাই নিজেকে এবং নিজের জীবন বৃত্তান্ত যথোপযুক্তভাবে গড়ে তুলুন যাতে যে কোনো প্রতিষ্ঠান অনায়াসে আপনাকে নিয়োগ দেয়।

কাজে নেমে পড়া

নিজেকে প্রস্তুত করা হয়ে গেলে এবার আপনার কাজ শুরু করার পালা। এই ধাপে রয়েছে ক্যারিয়ারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ, যোগ্যতা অর্জন প্রভৃতি বিষয়। অধিকাংশ মানুষের ক্যারিয়ার গড়ার কারিগর সে নিজেই। কাজ করার অনাকাংক্ষিত এসব অভাব জয় করেই আমাদের স্বপ্নের লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে।

কাজকে গ্রহণ করা

শুধু কাজে নেমে পড়লেই হবে না। আপনার বর্তমান কাজ সাদরে গ্রহণ করতে শিখতে হবে। কাজ ভালো লাগলেই আপনার কাজের মূল্যায়ন এবং এ কাজের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সহজ হবে। এক্ষেত্রে আপনার ভেতরের চিন্তা-চেতনার পরিবর্তন হতেও পারে। তবে নিজের যোগ্যতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে।

সাবধানে পা ফেলা

কাজকে গ্রহন করে করতে পারলেই সফলতা হাতছানি দিবে। আপনার কাজ সম্পর্কিত যে যে বিষয়ে সমস্যা অনুধাবন করবেন তা অন্যের সাথে শেয়ার করুন। এই পরিকল্পনা আপনাকে সামনে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে। মনে রাখবেন, সেতু দিয়ে যেমন সহজেই পথ পাড়ি দেওয়া যায়, তেমনি পরিকল্পনা থাকলে সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব।

বাংলায় একটা প্রবাদ- “ভালো জিনিস একটু দেরিতেই আসে।” কোনো কাজেই তাড়াহুড়া করাটা ভালো না। ত্বরিত যে কোনো কাজের মধ্যে ভুল হওয়ার আশঙ্কা বেশি। তাই হতাশাগ্রস্থ ও সব ধরণের চাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখে কাজ করুন। সেইসাথে তারাহুাড়া না করে মনোযোগ দিয়ে ভালো কাজের মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে হবে।

11/04/2021

স্টার্টআপ বা নতুন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা আর লেখালেখির শেষ নেই আজকাল। চাকরির সোনার হরিণের পেছনে না ছুটে অনেক তরুণই এখন উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। সফল উদ্যোক্তা হওয়ার কিন্তু কোনো শর্টকাট পথ নেই! গ্রাহক, প্রতিযোগী, বাজার-পরিস্থিতি এবং কী কী আনুষঙ্গিক ঝুঁকি রয়েছে—এসব বোঝার জন্য প্রয়োজন বেশ ভালো ‘হোমওয়ার্ক’।

শিক্ষার্থীরা মনে করতে পারেন, লেখাপড়া শেষ না করে কি ব্যবসার পরিকল্পনা শুরু করা উচিত? বাস্তবতা হলো বিল গেটস, স্টিভ জবস, মার্ক জাকারবার্গের মতো অনেক সফল উদ্যোক্তা ছাত্রাবস্থায়ই নিজের উদ্যোগ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন এবং ব্যবসা শুরু করে দিয়েছিলেন। আপনিও সম্ভবত আপনার প্রচেষ্টায় সফল হতে পারবেন, যদি এখনই উদ্যোগী হন।

দুর্যোগ থেকে সুযোগ

বিস্তারিত ব্যবসায়িক পরিকল্পনা শুরু করা এবং অন্যান্য প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার আগে একজন শিক্ষার্থী হিসেবে ব্যবসায় নেমে কী কী অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারেন, সেটা প্রথমেই ভেবে নিন। ক্লাস ও পরীক্ষার জন্য আপনাকে বেশ ব্যস্ত থাকতে হবে। কিন্তু ব্যবসায় সফলতার জন্য উদ্যোগের পেছনেও অনেকটা সময় ব্যয় করতে হবে। এখন করোনা মহামারিতে ক্যাম্পাস বন্ধ আছে। অনলাইনে ক্লাস হলেও শিক্ষার্থীদের হাতে বেশ খানিকটা সময় আছে। আমি মনে করি, এই দুর্যোগকে সুযোগে পরিণত করা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। নতুন ধারণা নিয়ে কিছু করার মোক্ষম সময় এটা। ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, বাজার যাচাই, ইত্যাদি ঘরে বসেই করে ফেলা যেতে পারে।

ব্যবসা শুরুর হোমওয়ার্ক

আপনার উদ্যোগটি যে সফল হবেই, এমন কোনো গ্যারান্টি কিন্তু নেই। তবে নিচের কিছু পদক্ষেপ অনুসরণ করলে আপনি আপনার ব্যবসাকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারবেন বলে মনে করি।

একা কোনো ব্যবসা শুরু করার চেয়ে এক বা একাধিক সহযোগী নিয়ে শুরু করা বুদ্ধিমানের কাজ। আপনার হয়তো ভালো ধারণা বা আইডিয়া আছে, কিন্তু যথেষ্ট কারিগরি দক্ষতা নেই, অথবা ব্যবসা চালানোর জন্য অত্যন্ত জরুরি যে ‘ফাইন্যান্স ও অ্যাকাউন্টিং’, সে বিষয়ে আপনার স্পষ্ট ধারণা নেই। তাই সম্পূরক দক্ষতাসম্পন্ন সহযোগী নিয়ে যদি ব্যবসা শুরু করতে পারেন, তাহলে সফলতার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

আপনার পণ্য বা পরিষেবা বর্তমান বাজারের সঙ্গে কতটা খাপ খায় এবং তা ভোক্তাদের চাহিদা ও প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম কি না, সে সম্পর্কে জানা খুব জরুরি। সেই অনুযায়ী আপনার উদ্যোগটি সমন্বয় করুন। তাড়াহুড়ো করলে ভুল হতে পারে।

আপনার আইডিয়া নতুন হলেও মনে রাখবেন, একই রকম চিন্তা হয়তো অনেকে করেছেন বা করছেন। আপনার পণ্য বা পরিষেবার মতো আর কী কী বাজারে আছে, অর্থাৎ আপনার প্রতিযোগী কে কে আছে, এসব নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা করা জরুরি। দরকার হলে আপনার পণ্য বা পরিষেবাকে কী করে অন্যদের চেয়ে আরও ভালো বা সহজ করা যায়, ভোক্তাদের কাছে কী করে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা যায়, তা নিয়ে কাজ করতে হবে। আপনার একটি ইউএসপি বা ইউনিক সেলিং পয়েন্ট থাকতে হবে। না হলে প্রতিযোগিতায় টেকা মুশকিল হবে।

অনেকেই কোনো রকম ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ছাড়াই ব্যবসা শুরু করে দেন। একজন নতুন উদ্যোক্তার পক্ষে এটা হলো সবচেয়ে মারাত্মক ভুল। কোনো নতুন আইডিয়া বিচার-বিশ্লেষণ করে কমপক্ষে ৩ থেকে ৫ বছরের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা করতে হবে। এই পরিকল্পনা করার সময় খুব বেশি আশাবাদী না হয়ে কিছুটা রক্ষণশীল হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। অর্থায়ন ভালো বোঝেন এমন কাউকে অথবা কোনো অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীকে দিয়ে পরিকল্পনাটি পরীক্ষা করিয়ে নিলে সেটা আরও পোক্ত হবে। ব্যবসা চলাকালে কিছুদিন পরপর নিয়মিতভাবে এই পরিকল্পনার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। প্রয়োজনে ব্যবসা পরিচালনায় কিছুটা পরিবর্তনও আনতে হতে পারে।

নতুন স্বাভাবিকে নতুন উদ্যোগ

এই ‘নতুন স্বাভাবিকতায়’ কী ধরনের ব্যবসার প্রসার ও বিস্তার বাড়তে পারে, সেই আলোচনায় আসা যাক। প্রথমেই মনে রাখবেন, কোভিড-১৯ মহামারি আমাদের জীবাণু সংক্রমণের ব্যাপারে অত্যন্ত ভীতসন্ত্রস্ত করে দিয়েছে। তাই কোনো ব্যবসায় যদি ধরাছোঁয়া বা মুখোমুখি হওয়ার প্রয়োজন না পড়ে, সেটি এই সময়ের জন্য বেশি উপযোগী হবে। অনলাইনে শিক্ষা বা অনুশীলন, পরামর্শ, পরিষেবা দেওয়া ইত্যাদি এখন বেশি গ্রহণযোগ্য। ‘ডেলিভারি সার্ভিস’ ইতিমধ্যে যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছে এই একই কারণে। এর বিস্তৃতি আরও বাড়বে। অনলাইনে অর্ডার করে ছোটখাটো কাজ করিয়ে নেওয়ার জন্য পরিষেবা দেওয়ার নতুন নতুন উদ্যোগ শুরু হবে। বাসা-অফিস-হাসপাতাল পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবসা আরও বেশি প্রচলিত হবে। অনলাইন ব্যবসায় যেহেতু ক্রেতা-বিক্রেতার সংস্পর্শ প্রয়োজন হয় না, সেহেতু যেকোনো ধরনের অনলাইননির্ভর ‘রিমোট সার্ভিস’–এর জনপ্রিয়তা বাড়তেই থাকবে।

করোনা মহামারি আমাদের চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের দিকে অনেক দূর ঠেলে দিয়েছে। তাই এই সম্পর্কিত নতুন প্রযুক্তি নিয়ে যাঁরা ব্যবসায় নামবেন, তাঁদের সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে। বিগ ডেটা অ্যানালিটিকস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার হয়—এমন সব উদ্যোগ গ্রাহকদের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্যতা পাবে। শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য ইত্যাদি খাতে যাঁরা প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট ব্যবসা শুরু করবেন, তাঁরা ভালো করবেন। ফ্যাশন বা প্রসাধনী শিল্পে অগমেন্টেড বা ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার গ্রাহকদের বেশি আকৃষ্ট করবে। অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় এই প্রযুক্তির ব্যবহার বা হলোগ্রামের সংযোজন ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানগুলোকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তুলবে দর্শক ও অংশগ্রহণকারীদের কাছে। যাঁরা নতুনভাবে উদ্যোক্তা হতে চাচ্ছেন, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁরা তাঁদের উদ্যোগে একটি নতুন মাত্রা যোগ করতে পারেন।

07/04/2021

জাতিসংঘের শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর বলেছেন, ‘আমরা করোনার দ্বিতীয় বছরে প্রবেশ করেছি। বিশ্বজুড়ে সংক্রমণের হার বৃদ্ধি অব্যাহত আছে, তাই স্কুলগুলো খোলা রাখতে বা পুনরায় খোলার পরিকল্পনায় অগ্রাধিকার দিতে কোনো প্রচেষ্টাই বাদ দেওয়া উচিত হবে না।’ গতকাল মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

ইউনিসেফপ্রধান জানান, শিশুদের ওপর স্কুল বন্ধের বিরূপ প্রভাবের বিষয়ে অভূতপূর্ব প্রমাণ এবং স্কুলগুলো মহামারির চালিকা শক্তি নয় বলে জোরালো নজির থাকা সত্ত্বেও অনেক দেশই স্কুলগুলো বন্ধ রেখেছে, তা–ও প্রায় এক বছর ধরে। মহামারির চূড়ান্ত পর্যায়ে লকডাউনের কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় বিশ্বব্যাপী ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যেখানে স্কুলগামী শিশুদের এক-তৃতীয়াংশই দূরশিক্ষণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পায়নি। ফলে স্কুলগুলো বন্ধ রাখায় তা বিপর্যয় নিয়ে এসেছে।

হেনরিয়েটা ফোর বলেন, ‘স্কুলের বাইরে থাকা শিশুর সংখ্যা ২ কোটি ৪০ লাখ বৃদ্ধি পেতে চলেছে। এটি এমন মাত্রায় বাড়ছে যা আমরা গত অনেক বছরেও দেখিনি। অথচ এটি কাটিয়ে ওঠার জন্য আমরা কঠোর লড়াই করেছি। শিশুদের পড়া, লেখা ও প্রাথমিক গাণিতিক সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একবিংশ শতাব্দীর অর্থনীতিতে সাফল্য অর্জনে যে দক্ষতার প্রয়োজন, তা হ্রাস পেয়েছে। তাদের স্বাস্থ্য, বিকাশ, নিরাপত্তা এবং সার্বিক কল্যাণের বিষয়টি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের ওপর দিয়ে ক্ষতির পরিমাণ হবে সর্বাধিক।’

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক বলেন, স্কুলকেন্দ্রিক খাবারের অভাবে শিশুরা ক্ষুধার্তই থেকে যাচ্ছে এবং এতে তাদের পুষ্টিগত অবস্থা খারাপের দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাদের সমবয়সীদের সঙ্গে প্রতিদিনের যোগাযোগের অভাব এবং চলাফেরা কমে যাওয়ায় তারা শারীরিক সুস্থতা হারাচ্ছে এবং তাদের মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিচ্ছে।

স্কুলগুলো প্রায়ই যে সুরক্ষা জাল নিশ্চিত করে তা না থাকলে তারা নির্যাতন, শিশুবিয়ে ও শিশুশ্রমের শিকার হওয়ার আরও বেশি ঝুঁকিতে পড়বে। এ কারণেই অন্য সব বিকল্প বিবেচনা করার পরই সর্বশেষ উপায় হিসেবে স্কুলগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

হেনরিয়েটা ফোর বলেন, স্কুলের কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে সংক্রমণের ঝুঁকি নিরূপণ করা মূল নির্ধারক হওয়া উচিত। যখনই সম্ভব দেশজুড়ে স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত পরিহার করা উচিত। যেসব স্থানে উচ্চ মাত্রায় কমিউনিটি সংক্রমণ রয়েছে, যেখানে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চরম চাপের মধ্যে রয়েছে এবং যেখানে স্কুল বন্ধ রাখা অত্যাবশ্যক হয়ে দাঁড়ায়, সেসব স্থানে সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এই সুরক্ষাব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে যেসব শিশু তাদের বাড়িতে সহিংসতার ঝুঁকিতে রয়েছে, যারা স্কুল টিফিন বা আহারের ওপর নির্ভরশীল এবং যাদের বাবা-মাকে কাজের জন্য বাইরে যেতেই হয়, তাদের শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া নিশ্চিত করা।

লকডাউনের ক্ষেত্রে, কর্তৃপক্ষ বিধিনিষেধ উঠিয়ে নিতে শুরু করার পর প্রথমেই যে প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেবে, তার মধ্যে অবশ্যই স্কুল থাকা উচিত। দূরশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে না পারা শিক্ষার্থীরা যাতে পিছিয়ে না থাকে, তা নিশ্চিত করার জন্য ঘাটতি পূরণে বাড়তি ক্লাস নেওয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। যদি আরও এক বছর শিশুদের স্কুল বন্ধ থাকার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে প্রজন্মান্তরে তার ফল ভোগ করতে হবে।

07/03/2021

অস্কারজয়ী মার্কিন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। অভিনয় ও পরিচালনার পাশাপাশি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের টাইম সাময়িকীর ‘কন্ট্রিবিউটিং এডিটর’ হিসেবে লেখালেখি করেন। গত বছরের ৮ মার্চ, নারী দিবসেও একটি নিবন্ধ লিখেছিলেন তিনি। কাল নারী দিবস উপলক্ষে সেটিই থাকল আজকের সফলদের স্বপ্নগাথায়।

অ্যাঞ্জেলিনা জোলিঅ্যাঞ্জেলিনা জোলি
দুই মাস ধরে আমার বড় মেয়েকে কয়েকবার সার্জারির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। আর কিছুদিন আগে ওর ছোট বোনকেও কোমরের একটা অস্ত্রোপচার করাতে হলো।

ওরা জানে, আমি ওদের এ বিষয়টা নিয়ে লিখছি। আমি ওদের সঙ্গে কথা বলে, ওদের অনুমতি নিয়ে তবেই লিখতে বসলাম। আমি ওদের ব্যক্তিজীবনের গোপনীয়তাকে সম্মান করি, তাই কিছু লেখার আগে ওদের সঙ্গে আগে আলোচনা করে নিই। তারা আমাকে সব সময় লিখতে উৎসাহ দেয়। আমার মেয়েরা এত দিনে বুঝে গেছে, স্বাস্থ্য নিয়ে যত ধরনের প্রতিবন্ধকতা আছে, সেসব সাহস নিয়ে মোকাবিলা করা এবং এগুলোর সঙ্গে লড়াই করে যাওয়া গর্বের ব্যাপার, লুকিয়ে রাখার বিষয় নয়।

আমি দেখি, কেমন করে আমার মেয়েরা একজন আরেকজনের খেয়াল রাখে, যত্ন নেয়। আমার ছোট মেয়েটা হাসপাতালের নার্সদের সঙ্গে থেকে থেকে শিখেছে, কী করে বাড়ি গেলে সে তার বোনের যত্ন নেবে। পরের বার সে সেভাবেই বোনের দেখভাল করেছে। আমি অবাক হয়ে দেখি, কী করে আমার মেয়েরা সবকিছু ফেলে সবার আগে একে অপরের জন্য এগিয়ে আসে। আর এভাবে একে অপরকে ভালোবেসে তারা যে আনন্দ পায়, আমি তা দেখে মুগ্ধ হই।

কীভাবে সাহসের সঙ্গে ভয়ের দিকে চোখ তুলে তাকাতে হয়, সেটা আমার সন্তানেরা শিখে গেছে। প্রত্যেকের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যেখান থেকে কেউ আমাদের উদ্ধার করতে পারে না। ওই সময় চোখ বন্ধ করে বড় বড় দম নেওয়া আর দিন বদলের অপেক্ষা করা ছাড়া আমাদের করার কিছু থাকে না। তখন চোখ বুজে স্থির হয়ে থাকতে হয়, যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করে নিশ্বাসের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে হয়।

এবারের নারী দিবসের এই লেখা আমি হাসপাতালে বসে লিখছি। আমার চিন্তায় এখন শুধু আমার মেয়েরা এবং বিশ্বের নানা প্রান্তের মেয়েদের কথা ঘুরপাক খাচ্ছে। কেউ একজন আমাকে বলেছিল, মেয়েদের ভেতর এই যে সবার দেখভাল করার অভ্যাস—এটা একেবারেই প্রকৃতির নিয়ম, মেয়েরা নাকি এমনই হয়। আমি তখন হেসেছিলাম। কিন্তু এরপরই মনে পড়ে গেল, মানুষ অনেক সময় এই অভ্যাসের সুযোগ নেয়। যে ছোট্ট মেয়েটির নিজেরই অন্যের যত্ন আর দেখভালের প্রয়োজন, আমরা তাকেই ছোটবেলা থেকে অন্যের দেখভাল করা, অন্যের জন্য ত্যাগ করা, নিজেকে ছাপিয়ে অন্যকে নিয়ে ভাবতে শেখাই। প্রত্যেক মেয়েকেই শৈশব থেকে শেখানো হয়, ততক্ষণই তারা ভালো, যতক্ষণ তারা অন্যের জন্য ভাববে, কাজ করে যাবে। তাদের অন্তরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় যে নিজের দিকে, নিজের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা আর চাহিদার দিকে নজর দেওয়া মানে হলো স্বার্থপরতা।

একটা ছোট্ট মেয়ের উদারতা, অন্যের যত্ন করার স্পৃহাকে অপব্যবহার না করে তার স্বপ্নকে আমাদের উৎসাহ দেওয়া উচিত। ওদের সরলতা আর নমনীয়তার যত্ন নেওয়া আমাদের দায়িত্ব। নারীর ওপর শুধু বড় বড় সহিংসতা, অন্যায় আর নিপীড়নের জন্য সোচ্চার হওয়াটাই এখন যথেষ্ট নয়। শৈশব থেকে আমাদের ভেতর দমনের যে বীজ বুনে দেওয়া হয়, যা কেউ কখনো আমলেই নেয় না, আমাদের সেসব নিপীড়নের বিরুদ্ধেও সোচ্চার হতে হবে।

তাই নারী দিবসে আমার প্রত্যাশা থাকবে, আমরা প্রত্যেক মেয়েকে নিজের যত্ন নেওয়ার জন্য উৎসাহ দেব, আমরা তাদের মূল্যায়ন করতে শিখব। তাদের কাছ থেকে যত্নের প্রত্যাশা না করে তাদের যত্ন নেব। আমাদের মনে রাখতে হবে, তারা যদি দৃঢ়, সুস্থ আর সুন্দরভাবে বেড়ে উঠতে পারে, তাহলে পরিবার আর সমাজেও এর ছাপ পড়বে। তাদের এগিয়ে যাওয়াতেই আমাদের সাফল্য।

আর সবশেষে এ সময়ের মেয়েদের জন্য আমি বলতে চাই, ছোট্ট বন্ধুরা, লড়ে যাও। তোমাদের একে অপরের জন্য ভালোবাসাটাই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার পথকে মসৃণ করবে। নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হও। নিজেকে এমনভাবে তৈরি করো যেন কেউ বৈষম্যের পাঠ তোমাকে না পড়াতে পারে। তুমি মূল্যবান, সমান আর বিশেষ নও—এমনটা বলার সাহস যেন কেউ না পায়।

23/02/2021

২১ বছরের জেসমিন কনিষ্ঠ নারী হিসেবে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিলেন

৭০ দিন ৩ ঘন্টা ৪৮মিনিটে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিলেন ব্রাইটন জেসমিন হ্যারিসন। এজন্যে ছোট একটি দাড়টানা নৌকায় তাকে স্পেন থেকে অ্যান্টিগুয়ায় ৩ হাজার মাইল পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। জেসমিনের এসময় আটলান্টিক পাড়ি দেওয়া বিশ্ব রেকর্ড।
জেসমিনের নৌকা একটি ড্রিলিং জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা খেতে খেতে বেচে গিয়েছে। দুইবার নিমজ্জিত হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। সাগরে তার খাবার ছিল পিনাট বাটার ও নিউটেলা যা টুইটারে জানান জেসমিন।
ব্রিটেনের নর্থ ইয়র্কশায়ারের থার্স্ক শহরে জেসমিনের বাড়ি। এলাকাটি চার পাশ থেকে ভূমিবেষ্টিত। ২০১৮ সালে তিনি সাঁতার শেখেন।
এ অভিযান শুরু করার পর জেসমিন একে এক বিরাট সুযোগ হিসেবে দেখেন যা তিনি আগে কখনো পাননি। আটলান্টিক ক্যাম্পেইনস বলছে সবচেয়ে কনিষ্ঠ নারী হিসেবে জেসমিনের আটলান্টিক পাড়ি রেকর্ড।

20/02/2021

খাতভিত্তিক দক্ষ লোকের চাহিদা বাড়বে। আমরা এখন সুযোগ কতটা নিতে পারব, তা নির্ভর করবে দুটি বিষয়ের ওপর। যেমন যোগাযোগদক্ষতা ও খাতভিত্তিক দক্ষতা। এসব কাজের সুযোগ ধরতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থায় ডিগ্রির পরিবর্তে দক্ষতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

করোনার আগে থেকেই দেশের চাকরির বাজার খারাপ অবস্থায় ছিল। বিশেষ করে চার-পাঁচ বছর ধরে শিক্ষিত ব্যক্তিদের জন্য চাকরির বাজার ভয়ংকর ছিল। শিক্ষিত ব্যক্তিদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ, যা পৃথিবীর যেকোনো দেশের তুলনায় বেশ বেশি। বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ থেকে পাস করা যুবকদের চেয়ে কম পড়াশোনা করা যুবক-যুবতীদের এ দেশে কাজ পাওয়ার সুযোগ বেশি। শিক্ষিত ব্যক্তিরা মনমতো চাকরি না পেলে বেকার বসে থাকেন। শিক্ষিত হয়ে ছোট চাকরি করলে সমাজের লোকজন কী ভাববে, এমন মানসিকতার কারণে শিক্ষিত ব্যক্তিদের মধ্যে বেকারত্ব আরও বেশি। কিন্তু অল্প শিক্ষিত ব্যক্তিরা খুব সহজেই যেকোনো কাজে ঢুকে পড়তে পারেন। অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজের সুযোগ তুলনামূলক বেশি। তবে সার্বিকভাবে কয়েক বছর ধরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) যে উচ্চ প্রবৃদ্ধি হচ্ছে, সেই তুলনায় কর্মসংস্থান কম। একটা কর্মসংস্থানহীন প্রবৃদ্ধির চিত্র আমরা করোনার আগে থেকেই দেখে আসছি।

এমন একটি অবস্থার মধ্য দিয়ে আমরা ২০২১ সালে প্রবেশ করলাম। বছরটি কর্মসংস্থানের বিরাট চ্যালেঞ্জের বছর হবে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ থেকে পাস করা তরুণদের চাকরি পাওয়া তুলনামূলক কঠিন হবে। বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো খরচ কমানোর অংশ হিসেবে জনবল নিয়োগ কমিয়ে দিতে পারে।

করোনার মধ্যে কর্মসংস্থানের বাজারে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতটিই। অথচ এই খাতে তুলনামূলক বেশি কর্মসংস্থান হতো। করোনার কারণে ছোট ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ কাজ হারিয়েছেন। অন্যদিকে বড় বড় খাতে চাকরি কম হারালেও অনেকের বেতন কমেছে। এমনিতেই কর্মসংস্থান হচ্ছিল না, এখন করোনার কারণে তা আরও কমে যাবে। এখন প্রাতিষ্ঠানিক খাতে চাকরির বাজার অনেকটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বিডিজবসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রবণতা গত অক্টোবর-নভেম্বর মাসে প্রায় করোনার আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে। অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতগুলো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।

এমন একটি অবস্থার মধ্য দিয়ে আমরা ২০২১ সালে প্রবেশ করলাম। বছরটি কর্মসংস্থানের বিরাট চ্যালেঞ্জের বছর হবে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ থেকে পাস করা তরুণদের চাকরি পাওয়া তুলনামূলক কঠিন হবে। বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো খরচ কমানোর অংশ হিসেবে জনবল নিয়োগ কমিয়ে দিতে পারে। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার দিকে বেশি জোর দেবে ওই সব প্রতিষ্ঠান। আর এখনকার তরুণদের জন্য লোভনীয় হলো সরকারি চাকরি। বাজেটের চাপের কারণে সরকার হয়তো আগের চেয়ে কম লোক নেবে। ফলে চাকরির বাজারে প্রবেশ করা শিক্ষিত তরুণদের জন্য ২০২১ সালটি চ্যালেঞ্জিং হবে। তাঁদের প্রতি আমার পরামর্শ হলো, মানসিকতা বদলাতে হবে। মোটা বেতনের সরকারি চাকরি বা করপোরেট চাকরি করতেই হবে, এমন মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সুযোগ নষ্ট না করে ছোট চাকরি হলেও ঢুকে পড়তে হবে। বেতন-ভাতায়ও ছাড় দিতে হবে। দু-এক বছর অভিজ্ঞতা অর্জন হয়ে গেলে বেশি বেতনের চাকরিতে ঢোকা যাবে। চাকরিদাতারা পরীক্ষার সনদের চেয়ে কাজের দক্ষতাকে বেশি মূল্যায়ন করেন।

যেহেতু সারা বিশ্ব ঘরে বসে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করার প্রবণতা শুরু হয়েছে। ফলে উন্নত দেশে এটি অব্যাহত থাকবে। এসব দেশের নিয়োগকর্তারা চিন্তা করবেন, কাজটি কোথায় বসে সম্পন্ন করা হয়েছে, সেটি বড় কথা নয়; কতটা দক্ষতার সঙ্গে করা হলো, তা-ই বড় বিষয়।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ২০২১ সালে আরেকটি নতুন চ্যালেঞ্জ দেখা দিতে পারে। যেমন আগে থেকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সংগতি রেখে কর্মসংস্থান হচ্ছিল না। করোনার কারণে লাখ লাখ মানুষ বেকার হয়েছেন। এ বছর তাঁরা এখন চাকরি খুঁজবেন, আবার নতুন করে শ্রমবাজারে প্রবেশ করবেন লাখ লাখ তরুণ-তরুণী। ফলে শ্রমবাজারে আগের চেয়ে কর্মসংস্থানের চাপ বাড়বে।

এবার আসা যাক করোনা-পরবর্তী বাংলাদেশে কেমন ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। যেহেতু সারা বিশ্ব ঘরে বসে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করার প্রবণতা শুরু হয়েছে। ফলে উন্নত দেশে এটি অব্যাহত থাকবে। এসব দেশের নিয়োগকর্তারা চিন্তা করবেন, কাজটি কোথায় বসে সম্পন্ন করা হয়েছে, সেটি বড় কথা নয়; কতটা দক্ষতার সঙ্গে করা হলো, তা-ই বড় বিষয়। তাই বিভিন্ন দেশ থেকে খাতভিত্তিক দক্ষ লোকের চাহিদা বাড়বে। আমরা এখন সুযোগ কতটা নিতে পারব, তা নির্ভর করবে দুটি বিষয়ের ওপর। যেমন যোগাযোগদক্ষতা ও খাতভিত্তিক দক্ষতা। এসব কাজের সুযোগ ধরতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থায় ডিগ্রির পরিবর্তে দক্ষতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানের বাজার বাড়বে। যেমন ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের জন্য গুগলসহ অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম কীভাবে ব্যবহার করা যায়, সেসব ক্ষেত্রে লোকের দরকার হবে। এখন ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়ছে। তাই ইন্টারনেট নিরাপত্তা, নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা, নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনা—এসব খাতে চাকরির সুযোগ বাড়বে

27/01/2021

উদ্বেগে শিক্ষার্থীরা, ফেব্রুয়ারির প্রথমে ফল প্রকাশের আশ্বাস

এইচএসসি সমমানের ফলাফল নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন শিক্ষার্থীরা। কাঙ্ক্ষিত ফল পাবেন কিনা বা কবে ফলাফল প্রকাশ করা হবে তা নিয়ে অনেকে দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন পার করছেন। যদিও ইতোমধ্যে অটোপাসের ফল তৈরির গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।

এখন শিক্ষাবোর্ডগুলোকে ফল তৈরির কাজ শেষ করতে নির্দেশ দেয়া হবে। ফলাফল প্রকাশে আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মতি চাওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী যেদিন সময় দেবেন সেদিন এ ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে গতকাল সোমবার (২৫ জানুয়ারি) পরীক্ষা ছাড়াই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে সংসদে পাস হওয়া তিনটি সংশোধিত আইনের গেজেট জারি করা হয়েছে। এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তিনটি বিলে সম্মতি দেন। বিল তিনটিতে রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর সেগুলো আইনে পরিণত হয়।
‘ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) আইন-২০২১’, ‘বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড (সংশোধন) আইন-২০২১’ ও ‘বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড (সংশোধন) আইন-২০২১’- এর গেজেট জারি করা হয়।

এখন যেকোনো দিন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। এসএসসি ও জেএসসির পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল দিতে এ আইনগুলো পাস করা হয়।

রোববার (২৪ জানুয়ারি) সংসদে বিল তিনটি পাসের পর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ‘বিল পাসের পর প্রজ্ঞাপন দিতে দুদিন সময় লাগবে। এরপরই আমরা দ্রুত ফলাফল প্রকাশ করব।’

এদিকে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন শিক্ষার্থীর এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল গত বছরের ১ এপ্রিল। কিন্তু করোনাভাইসের প্রকোপ বাড়তে শুরু করলে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়।

আগের আইন অনুযায়ী পরীক্ষা নেয়ার পর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল দেয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু সংশোধিত আইনে পরীক্ষা ছাড়াই বিশেষ পরিস্থিতিতে ফলাফল প্রকাশের বিধান রাখা হয়েছে।

আইন তিনটির উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে ডা. দীপু মনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত আইনে বিশেষ পরিস্থিতিতে অতিমারি, মহামারির কারণে বা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে কোনো অনিবার্য পরিস্থিতিতে কোনো পরীক্ষা প্রহণ, ফল প্রকাশ এবং সনদ প্রদান করা সম্ভব না হলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা কোনো বিশেষ বছরে শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা ছাড়াই বা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা গ্রহণ করে উক্ত প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত পদ্ধতিতে মূল্যায়ন এবং সনদ প্রদানের জন্য নির্দেশনা জারির বিষয় উল্লেখ রয়েছে।’

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪ ডট কম (২৬.০১.২০২১)

পরীক্ষা ছাড়াই এসএসসি-এইচএসসির ফল প্রকাশে সংসদে বিল - লেখাপড়া বিডি 21/01/2021

পরীক্ষা ছাড়াই এসএসসি-এইচএসসির ফল প্রকাশে সংসদে বিল
বিশেষ কোনো পরিস্থিতিতে এসএসসি ও এইচএসসি এবং সমমানের ফল পরীক্ষা ছাড়াই প্রকাশ করতে পৃথক পৃথক ৩টি আইন সংশোধনের প্রস্তাব জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯.০১.২০২১) শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ বিল উত্থাপন করেন।
৩টি বিলের মধ্যে, ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২১, একদিনের মধ্যে এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) বিল-২০২১, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) বিল- ২০২১, দুইদিনের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
এর আগে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই বিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এইচএসসি ফলাফলের জন্য শিক্ষার্থী-অভিভাবক সবাই অপেক্ষা করছেন এবং আমাদের ফলাফল সব প্রস্তুতও আছে। কিন্তু যেহেতু আইনে পরীক্ষা গ্রহণপূর্বক ফলাফল দেবার বিষয়টি ছিল। এবার যেহেতু বৈশ্বিক সঙ্কটের কারণে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। আমরা বিকল্প একটি পদ্ধতিতে আগের দুটি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে এই ফলাফল দিতে যাচ্ছি। সে কারণে বর্তমান আইনটি সংশোধন করার প্রয়োজন দেখা দেয়। সে কারণে এটি আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিলটি মন্ত্রিপরিষদে আনার পর বলেছিলাম যেহেতু ১৮ তারিখ সংসদ শুরু হবে, তারপর দ্রুততার সঙ্গে উত্থাপনের চেষ্টা করবো। যেদিন সংসদ পাস করবে, যদি সংসদ পাস করে তারপর আমরা দ্রুততার সঙ্গে ফলাফল দেব। এটি অবশ্যই সংসদের এখতিয়ার।

সংসদ কবে পাস করবে তার ওপর নিশ্চয়ই কথা বলবার এখতিয়ার নেই। সংসদের এখতিয়ারের ওপর কারো হাত দেবার সুযোগ নেই। অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় তাই দ্রুততার কথা এসেছে। এটি অত্যন্ত জরুরি।

আমাদের বোর্ডের সমস্ত পরীক্ষা এই আইনের অধীনেই হয়। পরে বিলটি পরীক্ষার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা হয় এবং একদিনের মধ্যে বিলের রিপোর্ট প্রদান করতে বলা হয়েছে।

বিল ৩টির উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে দীপু মনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনে বিশেষ পরিস্থিতিতে অতিমারি, মহামারি, দৈব দুর্বিপাকের কারণে বা সরকার কর্তৃক সময় নির্ধারিত কোনো অনিবার্য পরিস্থিতিতে কোনো পরীক্ষা গ্রহণ, ফল প্রকাশ এবং সনদ করা সম্ভব না হলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা কোনো বিশেষ বছরে শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা ছাড়াই বা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা গ্রহণ করে উক্ত প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত পদ্ধতিতে মূল্যায়ন এবং সনদ প্রদানের জন্য নির্দেশনা জারি করার বিষয় উল্লেখ রয়েছে।
সূত্র:

পরীক্ষা ছাড়াই এসএসসি-এইচএসসির ফল প্রকাশে সংসদে বিল - লেখাপড়া বিডি বিশেষ কোনো পরিস্থিতিতে এসএসসি ও এইচএসসি এবং সমমানের ফল পরীক্ষা ছাড়াই প্রকাশ করতে পৃথক পৃথক ৩টি আইন সংশোধনের প্রস...

12/01/2021

নতুন বছর আমাদের মধ্যে অনেক বড় সম্ভাবনা নিয়ে হাজির হয়েছে। কিভাবে ২০২১ সালটি আমাদের জীবনে শ্রেষ্ঠ সাল হবে সেটি নিয়ে আমরা অনেকেই নতুন নতুন পরিকল্পনা করেছি?
শিক্ষার্থী বা পেশাজীবী হিসেবে আমরা সবাই ব্যস্ত নতুন বছরের মাইলফলক অর্জনে।
কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্য অর্জনের জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য প্লাটফর্মের প্রয়োজন পড়ে। যেখান থেকে সম্মলিত প্রচেষ্টায় নিজেদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অর্জন মহা অর্জনে পরিণত হয়।

সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আমরা LinkedIn and Digital Marketing Practitioner Association এর শুভ সূচনা করেছি। ডিজিটাল মার্কেটিং এবং লিঙ্কডিনের উপর এমন প্রচেষ্টা বাংলাদেশে প্রথম।

আমাদের লক্ষ ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে মানুষদের দক্ষ করে তোলা এবং বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রফেশনাল নেটওয়ার্ক লিঙ্কডিন ব্যবহার করে তারা যেন চাকরি এবং ব্যবসায়িক সুযোগ নিজের দিকে আকৃষ্ট করতে পারে।

মাস জুড়ে ফ্রি কোর্সে যে বিষয়গুলোর উপর আলোচনা করবো

১. কিভাবে প্রফেশনালভাবে লিঙ্কডিন প্রোফাইল সাজাতে হয়?
২. কিভাবে কভার ফটো এবং প্রোফাইল পিকচার ব্যবহার করতে হয়?
৩. কিভাবে সার্টিফিকেট আপলোড করতে হয়?
৪. কিভাবে নিজেদের এক্সপিরিয়েন্স শো-অফ করতে হয়?
৫. কিভাবে অন্যদের রিকমেন্ডেশন করতে হয়?
৬. কিভাবে ক্যানভা ব্যবহার করে ফটো এডিট করা যায়? অথবা অন্যান্য পোস্টে প্রফেশনাল লুক দেওয়া যায়?

৭. কিভাবে রিজ্যুমি বা সিভি ইমেইল করা যায়।
৮. কিভাবে প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং তৈরি করতে হয়?
৯. কি ধরনের বেসিক নলেজ দরকার হবে লিঙ্কডিন চালাতে?
১০. কিভাবে ১৬০০০এর বেশি আন্তর্জাতিক মানের কোর্স এবং ভিডিও তে ফ্রি অংশগ্রহণ করা যায়।

তাই লাভের ষোল আনা ঘরে তুলতে LinkedIn and Digital Marketing Practitioner Association কর্তৃক পরিচালিত লিঙ্কডিন কোর্সে অংশ গ্রহণ করুন।

অংশগ্রহণ করতে নিচের গুগল ফর্মটি পূরণ করুন।
গুগল ফর্ম: https://forms.gle/jopo7bFTxvjcmNkd9

12/01/2021

স্যার ফজলে হাসান আবেদ, কেসিএমজি (২৭ এপ্রিল ১৯৩৬ - ২০ ডিসেম্বর ২০১৯) ছিলেন একজন বাংলাদেশি সমাজকর্মী এবং বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি সংগঠন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা।

সামাজিক উন্নয়নে তাঁর অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার, স্প্যানিশ অর্ডার অব সিভিল মেরিট, লিও তলস্তয় আন্তর্জাতিক স্বর্ণ পদক, জাতিসংঘ উন্নয়ন সংস্থার মাহবুবুল হক পুরস্কার এবং গেটস ফাউন্ডেশনের বিশ্ব স্বাস্থ্য পুরস্কার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রের নোবেল বলে খ্যাত ইয়াইদান পুরস্কার লাভ করেছেন।

২০১৪ ও ২০১৭ সালে ফরচুন ম্যাগাজিনের "বিশ্বের ৫০ সেরা নেতার তালিকা"য় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত হয়। অশোকা তাঁকে বৈশ্বিক সেরাদের একজন হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। তিনি স্বনামধন্য গ্লোবাল অ্যাকাডেমি ফর সোশ্যাল অন্ট্রপ্রনোরশিপের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।

বাংলাদেশে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দারিদ্র বিমোচন এবং দরিদ্রের ক্ষমতায়নে বিশেষ ভূমিকার স্বীকৃতি স্বরূপ ২০০৯ সালে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে সবচেয়ে সম্মানিত অর্ডার অব সেন্ট মাইকেল অ্যান্ড সেন্ট জর্জের নাইট কমান্ডার উপাধিতে ভূষিত করে। ২০১৯ সালে নেদারল্যান্ডের রাজা তাঁকে নাইটহুড উপাধিতে ভূষিত করেন।

তিনি অসংখ্য সম্মানসূচক ডিগ্রিতে ভূষিত হয়েছেন, তন্মধ্যে রয়েছে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অব হিউমেন লেটার্স (২০০৭), কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টর অব লজ (২০০৮), অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টর অব লেটার্স (২০০৯) ও প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টর অব লজ (২০১৪)।

12/01/2021

অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান ছিলেন একজন বিখ্যাত পণ্ডিত, যিনি পাল সাম্রাজ্যের আমলে একজন বৌদ্ধ ভিক্ষু এবং বৌদ্ধধর্মপ্রচারক ছিলেন। তিনি ৯৮২ খ্রিষ্টাব্দে বিক্রমপুর পরগণার বজ্রযোগিণী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত।

অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান দুই শতাধিক গ্রন্থ রচনা, অনুবাদ ও সম্পাদনা করেন। তিব্বতের ধর্ম, রাজনীতি, জীবনী, স্তোত্রনামাসহ তাঞ্জুর নামে বিশাল এক শাস্ত্রগ্রন্থ সংকলন করেন। বৌদ্ধ শাস্ত্র, চিকিৎসা বিদ্যা এবং কারিগরি বিদ্যা বিষয়ে তিব্বতী ভাষায় অনেক গ্রন্থ রচনা করেন বলে তিব্বতীরা তাকে অতীশ উপাধীতে ভূষিত করে।

মহান এই পন্ডিতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ প্রতিষ্ঠা করেন অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয় শুরু থেকেই দক্ষ ও যোগ্য মানবসম্পদ সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম।

উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে শিক্ষার্থীদের জন্য নানান সুযোগ-সুবিধা:
১. স্বল্প খরচে উচ্চ শিক্ষা লাভ। টিউশন ফি এর উপর ২৫% - ১০০% পর্যন্ত ছাড়।
২. ফ্রি ট্রান্সপোর্ট সার্ভিস।
৩. শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ব্যবস্থা।
৪. SSC ও HSC তে GPA 5 প্রাপ্তদের জন্য ১০০% টিউশন ফি ছাড়।
৫. মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য বিশেষ সুবিধা।
৬. এছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য ডিপার্টমেন্ট ভিত্তিক রয়েছে নানা সুযোগ সুবিধা।

তাই উজ্জ্বল ভবিষ্যত এবং ক্যারিয়ারের সমৃদ্ধির জন্য অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হোন।

ঠিকানা:
প্লট # ২০৯, সেক্টর # ১৫, উত্তরা (খানটেক), ঢাকা – ১২৩০।
মোবাইল - 01787 666 576, 01787 666 578, 01787 666 581
Website: www.adust.edu.bd

04/01/2021

Come, visit and join at ADUST.

Atish Dipankar University of Science & Technology (ADUST) is a well-reputed educational institution in the field of science & technology, Law, Textile, Pharmacy, Public health, Business and Agribusiness, English, B.Ed. As the HSC result is going to be published soon, all HSC candidates are eagerly waiting for their desire result.
Now this is the right time for parents as well as HSC candidates to select the right institution for higher education which will lead them to a bright future. Atish Dipankar University of Science & Technology is the forefront of the list of other preferred Universities because ADUST will provide a vibrant campus life that promotes our diverse students' personal growth and academic achievements.

To visit our campus, at first, you have to arrive at Azampur, Uttara. Then you can go by rickshaw or Laguna to (Hasur Bottala) near the regional passport office at Uttara, Sector 15. The university is 2 minutes away from here. From here you will see the signboard of the university. If there is any difficulty, you can ask anyone or feel free to call us. You can also come with your own transport if you want.

Our address
Atish Dipankar University of Science and Technology
Plot - 209, Sector - 15 (Khantek), Uttara, Dhaka - 1230.
Mobile: 01787 666 578, 01787 666 576, 01787 666 581
www.adust.edu.bd

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

House 30, Road 08, Sector 15E, Uttara
Dhaka
1230