উপ-সহকারী কৃষি অফিসার পদে লিখিত পরীক্ষা শেষ হল।আশা করি অনেকেই ভাল পরীক্ষা দিয়েছো।
কিছুদিন পরই ভাইভা হবে।
অনেকের পরীক্ষা ভাল হয় নি।পুনরায় প্রিপারেশন নিবে। অনেকেই একদম নতুন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে
SAAO পরীক্ষা এবং ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা এই নিয়ে অনলাইনে আলোচনা অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা করেছি।যে কেউ অংশগ্রহণ করতে পার।
যারা আগ্রহী নিচে কমেন্ট করে জানাবে।সাথে যোগাযোগ করার নম্বর দিবে।
SAAO online coaching
Ultimate support for those who are taking SAAO EXAM,BADC,PRIMARY SCHOOL EXAM
✅আমাদের হাতে সময় খুব কম।আমার প্লান আগামী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে লেকচার গুলো শেষ করে দিব।নোটস যা দেয়ার দিয়ে দিব।১০ তারিখের পর থেকে রেগুলার এক্সাম নিব।
✅মোট ১১-১৫ টি ক্লাস নিব।
আশা করি ইনশাআল্লাহ হয়ে যাবে।
✅কোর্স ফি সকলের সুবিধার্থে ৫০০ টাকাই থাকবে।
✅আমি সব কিছু এই গ্রুপে আপডেট দিব।কারো সমস্যা
হলে নিভ নিতে পার।
কালকের পর আর নতুন কারো জয়েন না করাই ভাল। অগোছালো একটা ব্যাপার হয়ে যাবে তখন।
যে পার্টগুলো কাভার করতে চাই।
✅বাংলা -রচনা,গ্রামার,চিঠি
✅ইংরেজি -রচনা,গ্রামার,চিঠি, পেসেজ
✅সাধারন জ্ঞান।
✅কৃষি ৫ টা এক্সাম নিব। মডেল টেস্ট এর মত করে।
ফোকাস রাইটিং
পদ্মা সেতুর অর্থনৈতিক গুরুত্ব
২০১৫ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার পর ১০ ডিসেম্বর,২০২০, ৪১ তম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে বহুল আলোচিত সম্পূর্ণ পদ্মা সেতুর কাঠামো দৃশ্যমান হয়েছে।আশা করা হচ্ছে যে ২০২১ সালের মধ্যে যাবতীয় কাজ শেষ করে ২০২২ সালের প্রথম দিকে বা মাঝামাঝি সময়ে সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।কিন্তু প্রকল্পটির চলার পথ সহজ এবং সাবলীল ছিল না। বিশ্বব্যাংকের সাথে বাংলাদেশ সরকারের টানাপড়ন, ঋণ স্থগিত ও দীর্ঘসূত্রতার ফলে এ সেতুর বাস্তব কাজ শুরু হতে বিলম্ব হয়।যেখানে এ সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৪ সালে সেখানে নানা কারণে নিজস্ব অর্থায়নে এর নির্মাণ কাজই শুরু হয় ২০১৫ সালে।চালু হলে এটা হবে দেশের র্দীর্ঘতম সেতু। দেশের দীর্ঘতম ৬.১৫ কিলোমিটারের সেতুটি বাস্তবায়নের সাফল্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয় এবং এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এ ৩০,১৯৩ কোটি টাকার সেতুটির প্রভাব কেমন হবে সে সম্পর্কে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মাধ্যম থেকে নানামূখী তথ্য এসেছে।
পদ্মা সেতুর অর্থনৈতিক প্রভাব: পদ্মা সেতুটির নির্মাণ শেষে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হলে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ টি জেলার সাথে ঢাকার দূরত্ব ২ থেকে ৪ ঘণ্টা কমে যাবে।রাজধানীর সাথে সরাসরি সংযোগ সহজ হওয়ায় ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার, কাঁচামাল সরবারহ সহজলভ্য ও শিল্পায়ন প্রসার হবে অর্থাৎ ছোট-বড় নানা শিল্প গড়ে উঠবে। কৃষির ব্যাপক উন্নয়ন ঘটবে।ছোট-বড় কলকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে নতুন নতুন ও টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।দুই কোটি বেকার কর্মসংস্থানের মুখ দেখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।জাইকাসহ ডিজাইন পরামর্শক, সেতু বিভাগ নিয়োজিত পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের তথ্যমতে সেতু নির্মাণের অর্থনৈতিক প্রভাবে দক্ষিণাঞ্চলের বার্ষিক জিডিপি ২ শতাংশ এবং দেশের সার্বিক জিডিপি ১.২ শতাংশ বাড়বে।বিভিন্ন সূত্রমতে এবং অর্থনীতিবিদদরে পর্যবেক্ষণ অনুসারে দেশের সার্বিক দরিদ্রের হার বার্ষিক ১.৯ শতাংশ কমবে।মানুষের আয় রোজগার বাড়বে।যোগাযোগ উন্নয়নসহ মানুষের সার্বিক স্বাচ্ছন্দ্য বাড়বে, মানব উন্নয়ন সূচকের অগ্রগতি হবে।যানবাহনের টোল আয়ও প্রবৃদ্ধিতে যুক্ত হবে। সেতু নির্মাণের ফলে দেশের সম্বনিত যোগাযোগ কাঠামোর উন্নতি হবে।দেশের দক্ষিণাঞ্চল ট্রান্স-এশিয়ান হাইওয়ে ও ট্রান্স রেলওয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে।ভারত, ভুটান এবং নেপালের সাথে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সংযোগ স্থাপিত হবে।সেতু উভয় পাড়ে অর্থনৈতিক অঞ্চল, হাইটেক পার্ক ও প্রাইভেট শিল্পনগরী গড়ে উঠবে । বাড়বে বিনিযোগ বাড়বে কর্মসংস্থান। বিভিন্ন পযর্টন কেন্দ্রগুলো দেশি-বিদেশি পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হবে।পযর্টন শিল্প থেকে প্রতিবছর কয়েকশত কোটি টাকা অর্জিত হবে।
সুতরাং এটা পরিষ্কার যে কৃষি, বাণিজ্য, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, পযর্টন, রপ্তানিমূখী প্রক্রিয়াজাত এলাকা এবং শিল্প এলাকাসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে সেতুর উভয়প্রান্তে ব্যাপক শিল্পায়ন এবং যোগাযোগ উন্নয়ন ঘটবে যা দেশের সার্বিক অর্থনীতির চাকাকে আরও টেকসই এবং গতিশীল করবে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা।
11/11/2021
SAAO EXAM NOTICE👈
26/04/2021
এগ্রিবিজনেস: উচ্চ শিক্ষার এক অনন্য দিগন্ত
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস বিভাগের প্রফেসর রয় গোল্ডবার্গ ও জন ডেভিস পঞ্চাশের দশকে সর্বপ্রথম এগ্রিবিজনেস বা কৃষি ব্যবসা শব্দটি প্রবর্তন করেন।
০৪ নভেম্বর, ২০১৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি কৃষি ব্যবসা তথা এগ্রিবিজনেস বিষয়টি বিসিএস (কৃষি) এর অধীনে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের টেকনিক্যাল ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
তবে বেসরকারি পর্যায়ে একমাত্র অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি (এড্যাস্ট) এগ্রিবিজনেস বিষয়ের উপরে উচ্চ শিক্ষার দ্বার উন্মোচন করেছে।
এগ্রিবিজনেস বিভাগ থেকে পাশকৃত ছাত্রছাত্রীরা দেশ ও বিদেশের চাকরী, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষকতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের মেধা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে চলছে।
এগ্রিবিজনেস বিভাগে ভর্তির যোগ্যতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যঃ
স্বল্প খরচে গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এগ্রিবিজনেস বিভাগের অধীনে প্রতিবছর স্প্রিং (Spring), সামার (Summer) এবং ফল (Fall) এই তিন সেমিস্টারে বিবিএ-ইন এগ্রিবিজনেস এবং ইএমবিএ-ইন এগ্রিবিজনেস প্রোগ্রামে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়।
এই বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিজীবীদের জন্য সান্ধ্যাকালীন শিফটে ভর্তির সুযোগ আছে। করোনা মহামারীর কারণে বর্তমান এগ্রিবিজনেস বিভাগে ভর্তি ফি তে ৫০% ছাড় এবং টিউশন ফি তে সর্বোচ্চ ১০০% ছাড়ে সামার সেমিস্টারের ভর্তির সুযোগ রয়েছে।
এগ্রিবিজনেস, এগ্রিকালচার পোল্ট্রি এন্ড লাইভস্টক, ফিশারিজ প্রভৃতি বিষয়ের উপর অভিজ্ঞ ও স্বনামধন্য শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা এগ্রিবিজনেস বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের জন্য নিজস্ব পরিবহনের সুব্যবস্থা রয়েছে।
এগ্রিবিজনেস বিভাগ হতে পাসকৃত সকল মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা দেশের কৃষি উন্নয়নের জন্য ব্যাপক অবদান রাখছে। আধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে এগ্রিবিজনেস প্রসার ও উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত করে প্রতিযোগিতামূলক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যোগ্য করে তোলার জন্য অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি এবং এগ্রিবিজনেস বিভাগের শিক্ষকগণ নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে যেতে বদ্ধ পরিকর।
..................................................
Permanent Campus:
ATISH DIPANKAR UNIVERSITY OF SCIENCE & TECHNOLOGY (ADUST)
Plot # 209, Sector # 15 (Khantek), Uttara, Dhaka-1230
Email: [email protected]
Call: 01535435510,01922429322
❏❏ (UNESCO) ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতিসমূহঃ-
❏❏ ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যঃ-
☑️ সুন্দরবন (৭৯৮ তম১৯৯৭ সালে)।
☑️ ষাট গম্বুজ মসজিদ (৫২২ তম,১৯৮৫ সালে)।
☑️ পাহাড়পুরের সোমপুর বিহার (১৯৮৫ সালে)।
-
❏❏ জি আই পণ্যঃ-
☑️ জামদানি (১৭ নভেম্বর,২০১৬)
☑️ ️ ইলিশ (৭ আগস্ট, ২০১৭)
☑️ ️ক্ষীরসাপাতি আম (২৭ জানুয়ারি, ২০১৯)
☑️ মসলিন কাপড় (২৮ ডিসেম্বর, ২০২০ )
-
❏❏ রামসার ঘোষিত জলাশয়ঃ-
(১৯৭১ সালে অনুষ্ঠিত হয় রামসার কনভেনশন, ইরানে)
☑️ সুন্দরবন (২১ মে, ১৯৯২)
☑️️ টাঙ্গুয়ার হাওড় (২০ জানুয়ারি, ২০০০)
-
❏❏ ২০০৫ সালের ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশের "ঐতিহ্যবাহী বাউল গান"-কে ইউনেস্কো মানবতার ধারক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
-
❏❏ ২০১৩ সালের ৪ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের "জামদানির মেধা স্বত্ব(বুনন শিল্পরীতি)"-কে ইউনেস্কো ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি স্বীকৃতি দেয়।
-
❏❏ ২০১৬ সালের ৩০শে নভেম্বর বাংলাদেশের ''মঙ্গল শোভাযাত্রা'' ইউনেস্কোর অধরা বা ইনট্যানজিবল সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পায়।
-
❏❏ ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর "বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চের ভাষণ"-কে ইউনেস্কোর মেমরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
৭৮ টি ভাষণের মধ্যে ৪৮ তম।
-
❏❏ ২০১৭ সালের ৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের "শীতলপাটি"-কে ইউনেস্কোর নির্বস্তুক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ অফ হিউমিনিটি) তালিকায় স্থান পায়।
===============
১. সুন্দরবনের মোট আয়তন কত?
=১০,০০০বর্গ কি.মি.(২৫,১০তম বিসিএস)
২.সুন্দরবনের বাংলাদেশ অন্তর্গত আয়তন কত?(২০তম বিসিএস)
=৬০১৭ বর্গ কি. মি. বা ২৪০০ বর্গ মাইল
৩.সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আয়তন কত?(২৭তম বিসিএস
=৮বর্গ কি.মি.
৪ .নিঝুম দ্বীপের আয়তন কত?(২৮তম বিসিএস)
= ৯১ বর্গ কি. মি. বা ৩৫.১৩৫ বর্গ মাইল(প্রচলিত উত্তর)
১৬৩.৪৫ কিমি২ (৬৩.১১ বর্গমাইল) > উইকিপিডিয়া
৫.গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত সোনাদিয়া দ্বীপের আয়তন কত?(৩৫তম বিসিএস)
= ৯ বর্গ কি.মি.
৬।সুন্দরবন এর কত শতাংশ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার মধ্যে পড়েছে?(৩৬তম বিসিএস)
-৬২%
তারপর ৪১তম বিসিএস ....????
আপডেট তথ্য
১।বঙ্গবন্ধু দ্বীপের আয়তন কত?
=১০ বর্গ কি.মি.
২।বাংলাদেশের একমাত্র ডিজিটাল দ্বীপ
- মহেশখালী
৩।ছেড়াদ্বীপের আয়তন
- ১০০-৫০০ বর্গ মিটার
মারসৃপারি মাছ নামে উভচর কোথায় আছে?
-নিঝুম দ্বীপ
চেউয়া মাছের জন্য বিখ্যাত কোন দ্বীপ?
-নিঝুম দ্বীপ
প্রচুর হরিণ পাওয়া যায় কোন দ্বীপে?
- নিঝুম দ্বীপ
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন কোনটি?
-নিঝুম দ্বীপ
=======
এক নম্বর কমন ১
সুশাসনের উপাদান কতটি ?
১. UNDP এর মতে ? ৯ টি
২. জাতিসংঘ এর মতে ? ৮ টি
৩. বিশ্বব্যাংকের মতে? ৬ টি
৪. UNHCR এর মতে? ৫ টি
৫. AFDB এর মতে? ৫ টি
৬. IDA এর মতে ? ৪ টি
৭. ADB এর মতে ? ৪ টি
৮."শাসক ও উন্নয়ন"শীর্ষক প্রতিবেদন প্রথম প্রকাশ করে ?
~বিশ্বব্যাংক[১৯৯২]
৯. "শাসন ও ক্রমবর্ধমান মানবিক উন্নয়ন "শীর্ষক প্রতিবেদন প্রথম প্রকাশ করে ?
~জাতিসংঘ[১৯৯৭]
১০. বৈশ্বিক মানব উন্নয়ন সূচক প্রকাশ করে কে ?
~UNDP
১১. সুশাসন নিশ্চিত করতে White paper প্রকাশ করে কে ?
~EEC
কারক নির্ণয়ের সহজ উপায়:
-----------------------------------------
কর্তা পেতে ক্রিয়াকে প্রশ্ন কর কে/ কাহারা দিয়ে,
কি/কাকে দ্বারা ক্রিয়াকে প্রশ্ন কর কর্ম নিয়ে,
কীসের দ্বারা/ কী উপায় দিয়ে প্রশ্ন করলে পাবে করণ,
দান করে ফেরৎ না পাওয়াই সম্প্রদানের ধরণ।
ভয়-ভীতি-শংকা-ডর পেয়ে স্থান ত্যাগ করাই অপাদান,
স্থান-কাল-পাত্র-সময়-বিষয়ের মধ্যেই পাবে অধিকরণের সমাধান।
{ যদি বিরাট স্থানের মধ্যে কোন কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা একটি মাত্র জায়গায় থাকে তাহলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে। যেমন-পুকুরে মাছ আছে। {পুকুরের যে কোন এক স্থানে}
যদি কোন কিছু পাওয়ার সম্ভ্যবতা পুরো এলাকা জুড়ে থাকে তাহলে তাকে অভিব্যাপক আধারাধিকরণ বলে। যেমন- তিলে তৈল আছে। [তিলের সসস্ত জায়গায়]
SAAO ONLINE COACHING LOGO
04/12/2020
উপসকারী প্রশ্ন সমাধান।বিস্তারিত সমাধানের জন্য কমেন্ট কর।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
1230 UTTARA, DHAKA