মাওলানা মহিবুল্লাহ ইসকনের বিরুদ্ধে শুধু জুমার বয়ানেই সীমাবদ্ধ থাকেন নি ।
Muslim Hedaya - মুসলিম হেদায়া
Learn about the Islam, it is peace and friendly to all the people.
21/10/2025
11/10/2025
দারুল উলূম দেওবন্দে আ ফ গা ন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকী কে বুকে জড়িয়ে নিলেন মাওলানা আরশাদ মাদানি।
22/08/2025
আলহামদুলিল্লাহ্ । মুক্ত বাতাসে ফারাবি
12/06/2025
জুম্মাবার সূরা কাহাফ, বেশি বেশি দোয়া, দুরুদ আর ইস্তেগফার ইনশাআল্লাহ।
“সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম”
জুমুআর দিনের বিশেষ কয়েকটি আমল ও ফজিলত :–
◾১. দরুদ শরীফ – জুমুআর দিন বেশী বেশী দুরূদ শরীফ পাঠ করা ও বেশী বেশী যিকির করা মোস্তাহাব।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন- “তোমাদের দিনসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম হলো জুমু’আহর দিন। কাজেই এদিন তোমরা আমার উপর বেশি বেশি দরূদ পাঠ করো। কারণ তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়।
[আবু দাউদ -১০৪৭]
“যে আমার উপর একবার দরূদ পড়বে আল্লাহ তার উপর দশটি রহমত নাযিল করবেন, তার দশটি গুনাহ ক্ষমা করা হবে এবং দশটি দরজা বুলন্দ হবে।”
[সুনানে নাসায়ী ১/১৪৫; মুসনাদে আহমদ ৩/১০২]
◾২. সূরা কাহাফ – রাসূল ﷺ বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুমু'আহর দিনে সূরা কাহফ পাঠ করবে, তার ঈমানের নূর এক জুমু'আহ থেকে অন্য জুমু'আহ পর্যন্ত বিচ্ছুরিত হতে থাকবে।
[সহিহ আত-তারগীব, হাদিস ৭৩৬]
◾৩. দোয়া – জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
“জুমার দিনের বারো ঘণ্টার মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যদি কোনো মুসলিম এ সময়ে আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করে, তাহলে মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাকে দান করেন। এ মুহূর্তটি তোমরা আসরের শেষ সময়ে অনুসন্ধান করো।” [আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৮]
আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) বর্ণনা করেন, “শুক্রবারে আছরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দোয়া কবুল হয়। বিখ্যাত সিরাতগ্রন্থ যাদুল মাআ’দ-এ বর্ণিত আছে, জুমার দিন আছরের নামাজ আদায়ের পর দোয়া কবুল হয়।” (যাদুল মাআ’দ : ২/৩৯৪)
ইমাম আহমদ (রহ.)-ও আসরের পর বিশেষভাবে দোয়া কবুল হওয়ার কথা বলেছেন। বিখ্যাত হাদিসের গ্রন্থ তিরমিজি শরিফের ২য় খণ্ডের ৩৬০ নং পৃষ্ঠায় তাঁর সবিশেষ কথাটি উল্লেখ আছে।
আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত আছে–
“জুমাবারে এমন একটি সময় আছে, যেটাতে বান্দা আল্লাহর কাছে কোনো দোয়া করলে আল্লাহ তাকে তা দিয়ে থাকেন।” [মুসান্নাফ, হাদিস : ৫৫৮৮]
◾৪. ইস্তিগফার: – রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন- “যে ব্যক্তি বেশি পরিমাণে ইস্তেগফার করবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা যে কোন অভাব ও সংকটের সময় তার জন্য রাস্তা খুলে দিবেন, যেকোন দুঃখ ও দুশ্চিন্তা দূর করে দিবেন এবং তার জন্য এমন রুজি-রোজগারের ব্যবস্থা করে দিবেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না।”
[সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং: ১৫১৮]
এছাড়াও –
৫. অন্য দিনের তুলনায় ফজরের সময় ঘুম থেকে আগে উঠা।
৬. গোসল করা (মেসওয়াকও করবে।)
৭. উত্তম ও পরিস্কার কাপড় পরিধান করা।
৮. আতর বা খুশবূ লাগানো।
৯. পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া।
১০. ইমাম সাহেবের কাছাকাছি বসা।
১১. মনোযোগ সহকারে খুতবা শোনা।
১২. খুতবার সময় কোনরূপ কাজ না করা বা কথা না বলা।
১৩. দুই খুতবার মাঝখানে হাত উঠানো ব্যতীত দিলে দিলে দু'আ করা।
১৪. জুমুআর দিন জুমুআর নামাযের জন্য যত শীঘ্র মসজিদে যাবে তত বেশী ছওয়াব হবে। সর্বপ্রথম যে যাবে একটা উট কুরবানীর ছওয়াব পাবে। তারপরের জন একটা গাভী কুরবানীর, তারপরের জন দুম্বা কুরবানীর, তারপরের জন একটা মুরগি দানের এবং তারপরের জন একটা ডিম দানের ছওয়াব পাবে।
১৫. যে ব্যক্তি জুমুআর দিন ফজর নামাযের পূর্বে তিনবার নিম্নোক্ত এস্তেগফারটি পাঠ করবে তার সমস্ত গোনাহ মাফ করে দেয়া হবে-
19/12/2024
তাবলীগ জামাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে কাকরাইলে মাওলানা জুবায়ের সাহেব দাঃবাঃ এর সাথে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ করেছেন হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব শাইখুনা মুফতী হারুন ইজহার হাফিঃ।
তিনি মাওলানা জুবায়ের সাহেব দাঃবাঃকে বলেছেন, আমাদের আগামী কল্যাণময় হবে ইনশাআল্লাহ, এই জন্য আল্লাহ তা'য়ালা পরিক্ষা নিচ্ছেন। পাশাপাশি ফেতনা নির্মুল করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ করেন।
আল্লাহ তা'য়ালা আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দাওয়াতের কাজ করার তাওফীক দান করুন। আমীন
18/12/2024
টঙ্গী ট্রাজেডি-২০২৪; মূল বিষয়টি এরূপ,,,,
সারজিস ভাই এবং হাসনাত ভাইদের একটা টিম টঙ্গীতে সাদপন্থীদের সাথে কথা বলে রাত আড়াইটায় কাকরাইল এসেছে। সাদপন্থীদেরকে বলেছে, যে আপনাদের প্রস্তাবনা গুলো আমরা আলোচনা করে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছবো। এর আগ পর্যন্ত আপনারা ইজতেমার ময়দানে ঢুকবেন না।
সারজিস ভাই এবং হাসনাত ভাই কাকরাইল পৌঁছে মুরুব্বিদের সাথে কথা শুরু করে। আলোচনার মাঝে সারজিস ভাই এবং হাসনাত ভাই সাদপন্থী উসামাকে ফোন দিয়ে বলেছে, আপনারা যদি সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার আগে ইজতেমার ময়দানে ঢুকেন, তাহলে আপনাদের সাথে আমরা নেই। এটাও বলেছে কোনভাবেই আপনারা ময়দানে ঢুকবেন না। এবং আমাদেরকে নিয়ে যে ভিডিও প্রচার করেছেন, এটা ডিলিট করবেন।
কিছুক্ষণ পরে যখন আক্রমণের খবর এলো, সাথে সাথে হাসনাত ভাই এবং সারজিস ভাই উসামা এবং আব্দুল্লাহকে অনেক ফোন করেছে, কেউ ফোন ধরে না। তখন তারা আক্রমণ করতেছিল।
তারা উপদেষ্টাদের কথা উপেক্ষা করেছে। ছাত্র জনতার আলোচনার উদ্যোগকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সর্বশেষ আমার ভাইদেরকে রক্তাক্ত করে শহীদ করেছে। শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমকে যারা প্রত্যাখ্যান করে, সমাধানের পথকে উপেক্ষা করে যারা স'ন্ত্রা'সের পথকে বেছে নেয়, তাদের কঠিন বিচার অবশ্যই করতে হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.