International Visa Care

International Visa Care

Share

IVC is your study abroad and travel companion. Get started hassle-free! We are with you to fulfill your dream of studying abroad.

Choose the university of your choice. Contact 24/7 for any information related to visa, immigration and studying abroad.

21/04/2023

Eid Mubarak ❤️

May Allah bless everyone with a beautiful and healthy Eid.❤️

05/04/2023

বিদেশে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে যাওয়ার ১ বছর আগে থেকেই যা যা করণীয় সেই সম্পর্কে আজকের আর্টিকেল আমরা জানবো।যেকোনো দেশেই উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে যান না কেনো এই তথ্য গুলো সহায়ক হবে।

১. নামের সংশোধন: আপনার নাম এবং আপনার পিতামাতার নামে যদি সার্টিফিকেটে কোনো ভুল থাকে তাহলে সেটা সংশোধন করবেন।সেটা হতে পারে নামের বানানে ভুল বা অন্য কিছু এ সময়ে একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন আপনার পিতামাতার ভোটার আইডিতে যে নাম আছে ঐ নাম ই যেন সার্টিফিকেটে থাকে।
মোট কথা আপনার জন্মসনদ, সার্টিফিকেট এবং বাবা-মা'র এনআইডিতে যেভাবে যে নাম দেওয়া আছে সেটা যেনো সেভাবে হয়।

২. পাসপোর্ট তৈরি: পাসপোর্ট তৈরির সময় পূর্বের সার্টিফিকেটের মতো নাম এবং স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানার দিকে খেয়াল রাখবেন, এমন যেন না হয় জন্মসনদে আছে বর্তমান ঠিকানা বরিশাল কিন্তু পাসপোর্টে কোনোভাবে এসে গেছে নোয়াখালী

( ১,২ নং পয়েন্টে কোনোভাবে ভুল হলে সেটা দ্রুত সংশোধন করে নিন কারণ আপনি বিদেশে লেখাপড়ার জন্য যান অথবা না যান এগুলো এমনিতেই জরুরি)

৩. সার্টিফিকেট সংগ্রহ: এসএসসি ও এইচএসসি এর নম্বরপত্র এবং সার্টিফিকেট বোর্ড থেকে সংগ্রহ করতে হবে। আর মাস্টার্সে যেতে চাইলে অনার্সের সার্টিফিকেট বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার অফিস থেকে সংগ্রহ করে রাখতে হবে।

৪. সার্টিফিকেট সংগ্রহের পর এগুলো শিক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করতে হবে।

৫. IELTS preparation: আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রিপারেশন টা একটু আগে থেকেই নেওয়া ভালো, কারন অনেকের কাঙ্ক্ষিত স্কোর তুলতে অনেক বেশি সময় লেগে যায় এবং এই সময়ের কারণে অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন মিস করে ফেলে, যার জন্য এডুকেশন গ্যাপ বেড়ে যায় যার জন্য ভিসা পাওয়া কঠিন হয়ে যায়।

৬. স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছা থাকলে আন্ডার-গ্র্যাজুয়েটের স্টুডেন্টদের জন্য SAT/ ACT পরীক্ষা এবং স্নাতকোত্তর ছাত্রীদের জন্য GRE/ GMAT পরীক্ষার প্রস্তুতিতে আগে থেকে নেওয়া ভালো।

৭. আপনার পরিচিত বা যে সকল শিক্ষকরা আপনাকে ভালো জানে, এই সকল শিক্ষকদের মধ্য থেকে দুইজন টিচারের রেকমেন্ডেশন লেটার সংগ্রহ করে রাখা।

৮. SOP লেখার প্রিপারেশন: বিদেশে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার জন্য SOP লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।SOP প্রিপারেশন অনেক আগে থেকেই নেওয়া ভালো। কিভাবে আপনি এটাকে লিখবেন এর জন্য অভিজ্ঞ ভাইদের সহযোগিতা নেওয়া বা বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ বা অন্য কোথাও থেকে সহযোগিতা নেওয়া এবং নিজের মতো করে এটাকে প্রস্তুতি নেওয়া যাতে SOP ভাষাটা নিজের মতো করে হয়।

৯. ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে মিল রেখে আপনি যে দেশে পড়তে যেতে চাচ্ছেন ওই দেশের মিনিমাম পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে বের করে রাখা এবং যে সাবজেক্টে পড়তে যেতে চাচ্ছেন ওই সাবজেক্টটা যেন আপনার পূর্বের পড়া সাবজেক্ট এর সাথে মিল হয়।ধরেন আপনি সায়েন্স থেকে এইচএসসি পাশ করছেন সুতরাং আপনাকে এমন কোন সাবজেক্টই পরবর্তীতে চয়েজ করতে হবে যেটা সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে মিল হয় বা ব্যবসা শিক্ষা বিষয় থেকে আগে পড়াশোনা করে থাকলে এমন সাবজেক্ট পছন্দ করতে হবে যেটা যেন ব্যাবসা শিক্ষার সাথে মিল থাকে।

১০. আপনার বাজেট, আপনার পছন্দের শহর সহ সব কিছু বিষয় মাথায় রেখে মিনিমাম পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ আগে থেকে পছন্দ করে রাখা।

১১. আপনি যে সকল বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ করবেন সে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের ডেডলাইনের দিকে খেয়াল রাখা এবং সে অনুযায়ী আগে থেকেই আবেদন করা।

১২. ভলেন্টিয়ার সংগঠনে যুক্ত: আপনি যদি খুব সহজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন করে সিলেক্ট হতে চান বা স্কলারশীপ পেতে চান এবং সহজেই ভিসা পেতে চান তাহলে কিছু ভলেন্টিয়ার সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকা এবং তার যথেষ্ট প্রমাণ সংগ্রহ করে রাখা।

১৩. বিদেশে গেলে বেশিরভাগ সময় আপনাকে নিজেকে নিজের রান্না করে খেতে হবে সুতরাং আগে থেকেই দেশ থেকে রান্না শিখে যাওয়া টা ভালো।

১৪ যদি সম্ভব হয় ড্রাইভিং শেখা তাহলে শিখে ফেলুন, ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখুন এবং যদি আরও সম্ভব হয় তাহলে ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখতে পারেন।

১৫. যদি সম্ভব হয় তাহলে কম্পিউটারে নিজের স্কিল দেশ থেকে আপগ্রেড করে যান যেমন microsoft-office, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টের কাজ শেখা এবং সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে রাখতে পারেন এটা বিদেশে আপনাকে অনেক সাপোর্ট দিবে।

এই ১৫ টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখবেন। আশা করি অনেকের কাছে প্রিপারেশন নেওয়াটা সহজ হয়ে যাবে।
©️

Book your free consultation 09/03/2023

Book your free Consultation

Book your free consultation INTERNATIONAL VISA CARE is a leading provider of visa and immigration services, helping individuals and businesses navigate the complex and often confusing visa application process. Our team of experienced immigration specialists are dedicated to ensuring a smooth and stress-free experience for our....

21/02/2023

সকলকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা💐🥀

#মাতৃভাষা #মাতৃভাষা_দিবস ুশে

06/02/2023

IVC সাধারণত নিম্নলিখিত কাজগুলি সম্পাদন করে:

★ ভিসা এবং অভিবাসনের জন্য ক্লায়েন্টদের যোগ্যতা মূল্যায়ন করা।
★ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় নির্দেশিকা এবং সহায়তা প্রদান।
★ভিসা এবং অভিবাসন আবেদন প্রস্তুত করা এবং জমা দেওয়া।
★ অভিবাসন সাক্ষাৎকার বা শুনানিতে ক্লায়েন্টদের প্রতিনিধিত্ব করা।
★ অভিবাসন নীতি এবং পদ্ধতির পরিবর্তন সম্পর্কে গ্রাহকদের অবহিত রাখা।
★অভিবাসন আইন এবং প্রবিধান সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান।
★ অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সাথে ক্লায়েন্টদের জন্য ওকালতি করা।
★ওয়ার্ক পারমিট এবং রেসিডেন্সি ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টদের সহায়তা প্রদান করা।
★অন্য দেশে অভিবাসন মামলা স্থানান্তর করতে সহায়তা করা।
★ বিদেশে কাজ বা অধ্যয়ন প্রোগ্রামের অভিবাসন প্রভাব সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া।
★ অভিবাসন-সম্পর্কিত সমস্যা যেমন অভিবাসন আটক বা নির্বাসন মোকাবেলায় ক্লায়েন্টদের সহায়তা করা।
★ক্লায়েন্টদের জন্য সঠিক এবং আপ-টু-ডেট ইমিগ্রেশন রেকর্ড বজায় রাখা।
-----------------------------------------------
IVC typically performs the following tasks:

★Assessing clients' eligibility for visas and immigration.
★Providing guidance and support in the visa application process.
★Preparing and submitting visa and immigration applications.
★Representing clients in immigration interviews or hearings.
★Keeping clients informed of changes in immigration policies and procedures.
★Providing advice on immigration law and regulations.
★Advocating for clients with immigration authorities.
★Providing support for clients in obtaining work permits and residency visas.
★Assisting with the transfer of immigration cases to another country.
★Advising on the immigration implications of work or study abroad programs.
★Supporting clients in dealing with immigration-related issues such as immigration detention or deportation.
★Maintaining accurate and up-to-date immigration records for clients.

25/01/2023

চাকরি না পেয়ে হতাশায় আত্মহত্যা করলেন জাবি শিক্ষার্থী। এদেশে চাকরির বাজার যে কি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তরুণ প্রাণ এভাবে নষ্ট হতে পারে না।

তাই সময় থাকতেই সচেতন হতে হয়।বিদেশে উচ্চ শিক্ষা হতে পারে জীবন গঠনের অন্যতম শক্ত হাতিয়ার।সময় থাকতে IELTS করুন এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভুলবেন না।

উচ্চ শিক্ষা বিষয়ক যেকোনো প্রয়োজনে আপনার পাশে আছে International Visa Care

13/01/2023

Basic preparation for before going abroad.📄📖

08/01/2023

উচ্চশিক্ষা অর্জনের উদ্দেশ্যে বিদেশে পাড়ি দেওয়ার পূর্বে একজন শিক্ষার্থীকে যে সকল বিষয়ে অবগত থাকা জরুরী ।
যেমন:
১. আপনি কোন সাবজেক্টে পড়তে চান?
২. সাবজেক্ট অনুসারে কোন বিশ্ববিদ্যালয় বেশি জনপ্রিয়?
(আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুসারে)
৩. আপনি যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চান সেখানকার টিউশিন ফিস তুলনামূলক কম না বেশি?
৪. কোন দেশের বসবাসের খরচ কেমন?
৫. আপনি যে সাবজেক্টে পড়তে চান আপনার সিলেক্ট করা দেশে তার ডিমান্ড কেমন?
৬. অথবা আপনি যে সাবজেক্টে পড়তে চান সেটার ডিমান্ড অন্যদেশে কেমন?
৭. বর্তমানে কোন সাবজেক্টের ডিমান্ড কেমন?
৮. সেসকল সাবজেক্টের ডিমান্ড থাকার সময়কাল কেমন হতে পারে?
৯. অদূরভবিষ্যতে কোন সাবজেক্টের ডিমান্ড কেমন থাকবে?
১০. আপনি যে দেশে পড়তে চান সেই দেশের কাঙ্ক্ষিত চাকুরীর ডিমান্ড কেমন?
১১. অথবা সেই চাকুরীর অন্যদেশে ডিমান্ড কেমন?
১২ কোন চাকুরীতে Salary Range বেশি?
১৩. কোন চাকুরীতে দ্রুত প্রমোশন বেশি?
১৪. কোন দেশে IELTS/TOFEL লাগে না?
১৫. কোন দেশে IELTS/TOFEL কত লাগে?
১৬. কোন দেশে শিক্ষা Tuition Fees কম?
১৭. কোন দেশে Tuition Fees বেশি লাগে?
১৮. কোন দেশের আবহাওয়া কেমন?
১৯. কোন দেশে Part Time চাকুরীর পাওয়া যায় বেশি?
২০. কোন দেশে part time চাকুরীর পাওয়ার নিশ্চয়তা কম অথবা LImitation আছে।
২১. কোন দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন?
২২. কোন দেশে অর্থনৈতিক অবকাঠামো বর্তমানে বা ভবিষ্যতে কেমন?
২৩. কোন দেশে টেকনোলোজির দিক থেকে উন্নয়ন কেমন ?
২৪. কোন দেশে সামাজিক অবস্থা কেমন?
২৫. কোন দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়ন কেমন?
২৬. কোন কোন দেশে একজন শিক্ষার্থী সহজে Teacher Assitant হয়ে Research facility বেশি।
২৭. কোন দেশে স্কলারশিপ পাওয়ার প্রবণতা বেশি ?
২৮. কোন দেশে কোন কোন স্কলারশিপ বেশি পাওয়া যায়?
২৯. কোন দেশে সহজে P.R পাওয়া যায়।
©️

05/01/2023

একজন ব্যক্তি অথবা শিক্ষার্থী যখনই সর্বপ্রথম দেশের বাহিরে আসার জন্য সিদ্ধান্ত নেয় তখন অনেকগুলো প্রশ্ন তার মাথার মধ্যেই ঘুরপাক খেতে থাকে!
এই মুহূর্তটাতে একটা সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেকের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে । আমরা এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে তাদের এই যাত্রাটি সহজ করে তোলার চেষ্টা করব এবং কিভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশের বাহিরে আসার পর সবকিছু সহজভাবে ম্যানেজমেন্ট করা যায় এটা নিয়েও কথা বলব।
এই জার্নিটা কে আমরা দুইটি ভাগে ভাগ করতে পারি-

★দেশ থেকে প্রস্তুতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: যখনই দেশের বাহিরে যাওয়ার কথা মাথায় আসে তখন আমাদের কাছে অনেকগুলো অপশন থাকে, তবে আমাদেরকে আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে সবকিছু নির্ধারণ করতে হবে।
ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের জন্য জনপ্রিয় কয়েকটি ডেস্টিনেশন হচ্ছে আমেরিকা কানাডা ইউরোপ অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড। আপনি যদি আর্থিকভাবে সচ্ছল থাকেন দেশ নির্ধারণের ক্ষেত্রে আপনার বেশি গবেষণা না করলেও চলবে তবে আপনার যদি নিজের পড়ালেখার খরচ নিজে চালাতে হয় সেক্ষেত্রে ইংল্যান্ড কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়া হয়তোবা আপনার জন্য ভালো ডেস্টিনেশন হবে না। তবে ডেস্টিনেশন আপনার যেখানেই হোক দেশের বাইরে পড়ালেখার জন্য IELTS খুবই গুরুত্বপূর্ণ । এবং আর্থিক ব্যাপার চিন্তা করলে ইউরোপে পড়ালেখা করতে যাওয়া বেটার। কারণ অনেক স্কলারশিপ অপরচুনিটির পাশাপাশি ইউরোপের কিছু দেশে বাংলাদেশের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি সমান খরচে পড়ালেখা করা সম্ভব।

★দেশের বাহিরে আসার পর পড়ালেখা - কাজ এবং ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট:
শিক্ষার্থী দেশের বাহিরে তার সময়ের সর্বোচ্চ ম্যানেজমেন্ট করতে পারলেই কাজ করে পড়ালেখা করা সম্ভব। তবে নতুন বিদেশে আসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবথেকে বড় সমস্যা যেটা লক্ষ্য করা যায় তারা ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্টে দুর্বল হয়। একজন শিক্ষার্থী তার চাহিদাকে যতটা সীমিত রাখতে পারবে তার পড়ালেখার খরচটা চালাতে তার জন্য ততটাই সহজ হবে।
একটি নতুন দেশে আসার পর দেশের বেসিক কাগজপত্র এবং নিয়ম কারণ জেনে নিতে হবে বিশেষ করে ভ্যাট এবং ট্যাক্সের ব্যাপারটার ইনফরমেশন নিতে হবে।

ক্যারিয়ার পরিকল্পনা,ভিসা আবেদন ও বিদেশে লেখাপড়া বিষয়ক যেকোনো ধরনের পরামর্শের জন্য whatsapp করুন অথবা মেইল করুন এই ঠিকানায়:
Whatsapp: +39 350 995 5562
Email: [email protected]_

31/12/2022

HAPPY NEW YEAR 2023🎉🎊🗓️
...................................................
“Learn from yesterday,live for today ,hope for tomorrow.”-Albert Einstein.
...................................................

29/12/2022

≈IELTS প্রস্তুতি কিভাবে নিবেন?
অনেকেই আইইএলটিএস পরীক্ষা নিয়ে খুব ভয়ে থাকেন। শুরুতেই আপনার লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। রাতারাতি ভালো স্কোর করা সম্ভব নয়। আবার ইংরেজিতে আপনি যথেষ্ট দক্ষ হলেও কোনো প্রস্তুতি ছাড়া পরীক্ষা দিয়ে আশানুরূপ স্কোর লাভ করা সহজ নয়। তবে আইইএলটিএস এ কৌশলগতভাবে প্রস্তুতি নিয়ে যথেষ্ট ভালো স্কোর করা সম্ভব। প্রশ্নপত্র সমাধান করাটা প্রস্তুতির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। ঘড়ি ধরে প্রশ্নপত্র সমাধান করুন। সম্ভব হলে পরীক্ষার পরিবেশে একসঙ্গে সব অংশের পরীক্ষা দিন। আইইএলটিএস নিবন্ধনের সময় প্রস্তুতির জন্য দুটি ছোট বই দেওয়া হয়। এগুলো ভালোমতো পড়ুন ও সমাধান করুন।

≈ঘরে বসে IELTS প্রস্তুতি:
প্রস্তুতির বিষয়টি পুরোটাই আপনার ব্যক্তিগত বিষয়। আপনার যদি কমিটমেন্ট থাকে, তাহলে ইন্টারনেটের সাহায্য নিয়েই ঘরে বসে ielts প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব।
কোচিং সেন্টারে শুধু কিছু টেকনিক শিখিয়ে দেয়, বাকিটা আপনার ঘরে বসে ielts প্রস্তুতি নিতে হয়। তবে আপনি কিছুদিন নিজে প্রস্তুতি নিয়ে তারপর একটি মক টেস্ট দিতে পারেন যেকোনো জায়গায় নিজের লেভেল যাচাই করার জন্য। মক টেস্ট দিলে পুরো প্রক্রিয়ার সাথেও পরিচিত হতে পারবেন। ভালো সহায়তার জন্য বিভিন্ন ওযেবসাইটে যেতে পারেন। তাছাড়া ইউটিউব এবং ফেসবুকের সাহায্য নিতে পারেন।

≈লিসেনিং (Listening):
পরীক্ষার সময়: ৩০ মিনিট
এই পরীক্ষায় চারটি অংশ থাকে। অর্থাৎ মোট ৪টি রেকর্ডিং শোনানো হবে। প্রথম দুটি অংশে যথাক্রমে জনগণের আগ্রহের বিষয় সংশ্লিষ্ট সংলাপ এবং বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। তৃতীয় ও চতুর্থ অংশে থাকে দুি বা ততোধিক ব্যক্তির শিক্ষা কিংবা প্রশিক্ষণ বিষয়ক আলোচনা। প্রার্থীকে একবার প্রশ্ন সম্পর্কিত একটি রেকর্ড শোনানো হয়, প্রশ্ন পড়ে উত্তরপত্রে উত্তর লেখার জন্য ১০ মিনিট সময় দেয়া হয়। লিসনিং পরীক্ষায় বেচিত্র্যময় প্রশ্ন করা হয়। এ অংশে ৩৮ থেকে ৪০টি প্রশন করা হয় এবং সময় দেয়া হয় ৩০ মিনিট। এ প্রশ্নগুলো হচ্ছে সাধারণত এমসিকিউ, ছোট প্রশ্নে বক্তার বক্তব্য শুনে প্রশ্নের উত্তর লেখা, শূন্যস্থান পূণ, মিলকরণ-একটি শব্দের সাথে অন্য শব্দ মিলিয়ে পূর্ণাঙ্গ একটি অর্থ দাঁড় করানো, চার্ট পূর্ণ করা প্রভৃতি।

≈রিডিং (Reading):
পরীক্ষার সময়: ৬০ মিনিট
উচ্চশিক্ষার্থে যারা বিদেশ যেতে চান তাদের জন্য একাডেমিক রিডিং এ পরীক্ষা দিতে হয়। এ পরীক্ষায় সংবাদপত্র, জার্নাল, বই ও ম্যাগাজিন থেকে যে কোন বিষয় আসতে পারে; তার উপর লিখতে হয়। প্রশ্নের সাধারণত এমসিকিউ হয়। অল্প কথায় উত্তর, সারাংশ, কোন নির্দিষ্ট প্যাসেজ, প্যারার টাইটেল প্রদান, মিলকরণ ইত্যাদি। এ অংশে ৩৮ থেকে ৪০টি প্রশ্ন করা হয় যার জন্য সময় এক ঘন্টা ।

≈রাইটিং (Writing) :
সময়: ৬০ মিনিট
এ অংশে প্রার্থীকে ইংরেজিতে কোন বিষয় বুঝতে পারা ও তার প্রাকাশভঙ্গির দক্ষতা নির্ণয় করা হয়। দুধরনের রাইটিং এর মধ্যে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য একাডেমিক রাইটিং এ অংশ নিতে হয়। এ অংশে এক ঘণ্টার ভিতর দুটি প্রবন্ধ লিখতে হয়। লেখার সময় যে বিষয়গুলো বিশেষভাবে খেয়াল করতে হবে তা হল, অপ্রাসঙ্গিক বিষয় এড়িয়ে চলা, যুক্তি কিংবা দৃষ্টান্তের সঠিক প্রয়োগ করে সংক্ষেপে গুছিয়ে লেখা। জটিল শব্দ পরিহার করা। স্পস্ট করে লেখা। এক ঘণ্টার পরীক্ষায় দুটি রচনায় অংশ গ্রহণ করতে হয় পরীক্ষার্থীকে। এ দুটি রচনার প্রথমটিতে একটি গ্রাফ বা চার্টকে ব্যাখ্যা করতে বলা হয়। ২০ মিনিটের মধ্যে ন্যূনতম ১৫০ শব্দের ভিতরে রচনাটি লিখতে হবে। দ্বিতীয়,যে রচনাটি লিখতে হবে সেখানে মূলত একটি বক্তৃতা দেয়া থাকে। নিজের মত করে বিষয়টি গুছিয়ে লিখতে হয়। শব্দসংখ্যা ২৫০-এর মধ্যে সীমিত রাখতে হয়।

≈স্পিকিং (Speaking):
পরীক্ষার সময়: ১০-১৫ মিনিট
৫টি ধাপে পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থীর ইংরেজি বলার দক্ষতা পরীক্ষা করা হয় এ পর্যায়ে। এখানে পরীক্ষক প্রার্থীকে তার নাম, বয়স, ঠিকানা, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং কোন বিষয়ে পড়তে ইচ্ছুক ইত্যাদি বিষয়ে প্রশ্ন করেন। একটি কার্ডে সমস্যা বা ঘটনার ছবি থাকবে। ছবি দেখে পরীক্ষার্থী পরীক্ষককে প্রশ্ন করবেন। প্রশ্ন হতে হবে যৌক্তিক-অপ্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখতে হবে, পরীক্ষার্থী যত বেশি যৌক্তিক ও প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারবেন তার স্কোর তত বেশি হবে। ব্যাখ্যাসহ উপরোক্ত বিষয়ে প্রার্থীকে পরীক্ষকের সাথে আলোচনা করতে হয়। পরীক্ষার জন্য মোট সময় দেয়া হয় ১০-১৫ মিনিট। ১ম অংশের জন্য ৪-৫ মিনিট, ২য় অংশের জন্য ২-৩ মিনিট এবং শেষ অংশের জন্য ৪-৫ মিনিট।

≈IELTS সহায়ক গ্রন্থ:
ক্যামব্রিজ আইইএলটিএস ৯-১৬ পার্ট গুলো পড়ে ফেলুন। বাজারে অন্যান্য প্রকাশনী ,লেখকের বই আছে সেগুলোর মধ্যে ক্যামব্রিজ সবথেকে ভালো।

≈ILETS প্রস্তুতি সহায়ক ওয়েব লিংক:
https://ieltsliz.com/ এটার ওয়েবসাইটে বিস্তারিত সবকিছুই লেখা আছে। যারা ভিডিও দেখতে চান তাদের ক্ষেত্রে https://youtube.com/ ইউটিউব চ্যানেলে ৪৪ টি ভিডিও দেখে শেষ করতে পারেন।

≈কোথায়, কিভাবে পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন করবেন?
IDP বা ব্রিটিশ কাউন্সিল যেকোনো একটির অধীনে পরীক্ষা দেওয়া যায়। ঢাকার ধানমন্ডি, উত্তরা সহ মোট ৫টি জায়গায় ব্রিটিশ কাউন্সিলের আই.ই.এল.টি.এস টেস্ট সেন্টার আছে। তাছাড়া ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, সিলেট এবং রাজশাহীতেও ব্রিটিশ কাউন্সিলের টেস্ট সেন্টার রয়েছে। অনলাইনে অথবা টেস্ট সেন্টারে পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন করা যায়। বিস্তারিত জানার জন্য IDP অথবা ব্রিটিশ কাউন্সিলের ওয়েবসাইটের সাহায্য নিতে পারেন।
ক্যারিয়ার পরিকল্পনা,ভিসা আবেদন ও বিদেশে লেখাপড়া বিষয়ক যেকোনো ধরনের পরামর্শের জন্য whatsapp করুন অথবা মেইল করুন এই ঠিকানায়:
Whatsapp: +39 350 995 5562
Email: [email protected]

26/12/2022

আমাদের জীবনের পরিকল্পনা শুরুর থেকে নেওয়া উচিত।সেই শুরুটা ঠিক কবে সেটা একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম। আমাদের শিক্ষার শুরুটা হয় আমাদের মাতা পিতার কাছ থেকে তারপর পর্যায়ক্রমে প্রাইমারি স্কুল শিক্ষা,মাধ্যমিক ,উচ্চ মাধ্যমিক,বিশ্ববিদ্যালয় এই প্রত্যেকটা ধাপে ধাপে আমরা শিখি এছাড়াও আমরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে আমরা শিখি।কিন্তু বেশিরভাগ শিক্ষার্থী তাদের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা করতে ব্যর্থ হয়।চলুন আজকের আর্টিকেলে এটি জানবো কিভাবে আমরা আমাদের সঠিক ক্যারিয়ার পরিকল্পনা করবো:

১. প্রাইমারি স্কুল শিক্ষা(০-৫):
আমাদের লেখাপড়ার শুরুর যে ধারণা সেই ধারণা মূলত এই প্রাইমারি লেভেলে শিক্ষার্থীরা শেখে।আর এটা যেহেতু একেবারেই শুরু তাই একজন শিক্ষার্থীর এই প্রাইমারি লেভেলে কোনো রকম ক্যারিয়ার প্লান থাকবে না এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তারপরেও এই প্রাইমারি লেভেলে যে যায়ই শিখবে এটাই সারা জীবন প্রয়োজন হবে।বলা হয়ে থাকে “যার বেসিক যত ভালো তার অ্যাডভান্স লেভেলে ততই সহজ”।প্রাইমারি স্তরে একজন শিক্ষার্থীকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় যে তোমার ভবিষ্যৎ প্লান কি? তাহলে সে উত্তর দিবে তার বাবা/চাচা/ভাই ইত্যাদি আত্মীয়স্বজন যা করে সেটাই।

২. মাধ্যমিক শিক্ষা(৬-১০):
একজন শিক্ষার্থী মাধ্যমিক স্তরে এসে অনেক কিছু শিখে।প্রাইমারি স্তরে যে বেসিক শিখে সেটার বিশ্লেষণ শিখে এই মাধ্যমিক স্তরে।বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরা এই স্তরে এসে পড়ায় একটু বেশি মনোযোগ দেয় আবার অনেকের ক্ষেত্রে এটি ভিন্ন।কারণ এই মাধ্যমিক চলা কালে বাবা/মা এর ভয়ে হোক কিংবা নিজেকে লেখাপড়া হোক এই সময়টাতে শিক্ষার্থীরা একটু বেশি সময় দেয়।মাধ্যমিক স্তরের কোনো শিক্ষার্থীকে যদি প্রশ্ন করা হয় তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও? তখন তার মতের পরিবর্তন দেখা যায়।তখন তার নিজের ইচ্ছে/ পছন্দমত একটি পেশার কথা বলে। কারণ তখন সে বুঝতে শুরু করে।

৩. উচ্চ মাধ্যমিক স্তর(১১-১২):
প্রাইমারি এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে একজন শিক্ষার্থী যা কিছু জেনেছে সেগুলারই অ্যাডভান্স লেভেলে শুরু হয় এই উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে।বলা হয়ে থাকে “উচ্চ মাধ্যমিকে যার জানার পরিধি যত বেশি তার ভবিষ্যতে ভালো কিছু করার সম্ভবনা অনেক বেশি থাকে”।উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে একজন শিক্ষার্থী যত ভালোভাবে লেখাপড়া করবে তার ভবিষ্যতের পড়াশুনার পর্যায়টা তত সহজ হবে।উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে কাউকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় “তোমার ভবিষ্যৎ প্লান কি”? তখন ও একটা পরিবর্তন আসে। তার মানে আমরা বুঝতে পারছি যে একজন শিক্ষার্থী যখন বুঝতে শুরু করে তখন থেকে তার মনের ইচ্ছের ও তার ভবিষ্যৎ পেশার অবস্থান পরিবর্তন হতে থাকে।

৪. বিশ্ববিদ্যালয়(অনার্স/মাস্টার্স):
প্রাইমারি,মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করার পর আসে বিশ্ববিদ্যালয়।এই পর্যায়ে এসে একজন শিক্ষার্থী সাবলীলভাবে নিজের চিন্তা ভাবনা করতে পারে।এবং নিজের পরিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিজে গ্রহণ করতে পারেন।জ্ঞানের সীমানা আসলে পরিমাপ করা যায় না , সারাজীবনই আমাদের শেখার সময়। উচ্চ মাধ্যমিকের পর শিক্ষার্থীরা গ্র্যাজুয়েশন করার জন্য বিভিন্ন পাবলিক,প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে অ্যাডমিশন নিয়ে থাকে।আবার অনেকে দেশের বাহিরে যান লেখাপড়া শেষ করতে।বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এসে চূড়ান্ত ভাবে একজন শিক্ষার্থীরা লক্ষ ঠিক হয়। আবার অনেকের ক্ষেত্রে এই বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এসেও তারা লক্ষ্যহীন থাকেন। তারপরও এই পর্যায় যাওয়া পর সে তার নিজের অবস্থান সম্পর্কে অবগত থাকেন।

এখন আসুন জেনে নেয় কোন পর্যায়ে থেকে কোন কোন দিকে ফোকাস দেওয়াটা জরুরি। বিশেষ করে এখানে মাতা পিতার অবদানও অতুলনীয়।

১. প্রাইমারি স্তর(০-৫):
• মাতা পিতার উচিত এই সময়ে বাচ্চাদেরকে সঠিকভাবে শিখিয়ে তোলা। কারণ এই সময়ে বাচ্চারা সঠিক দিকনির্দেশনা পেলেই সে ভালো করতে পারবে।এটার জন্য এই প্রাইমারি স্তর থেকেই সাধারণ জ্ঞান,গণিত এবং ইংরেজি এই সাবজেক্ট এর গুরুত্ব আপনার সন্তানকে বোঝানো উচিত।

২. মাধ্যমিক স্তর(৬-১০):
• মাধ্যমিক পর্যায়ে এসে আপনার সন্তানকে সব বিষয় এর বেসিক থেকে শুরু করতে হবে।বিশেষ করে গণিত,এবং ইংরেজি বিষয়ে পারদর্শী করে তুলতে হবে। এজন্য স্কুল/কোচিং যেখানেই পড়ুক না কেনো শিক্ষার্থীদের ইংরেজি এবং গণিতের উপর পারদর্শী হতে হলে বেসিক থেকেই শুরু করতে হবে।এটি ভবিষ্যতে কাজে দিবে।এবং এই সময় থেকেই IELTS সম্পর্কে ধারণা রাখা প্রয়োজন অল্প অল্প করে প্রিপারেশন ও নেওয়া ভালো। কিন্তু একাডেমিক লেখাপড়ার বাইরে নয়।লেখাপড়ার বাইরে বাড়তি সময়টাকে এক্ষেত্রে কাজে লাগানো যেতে পারে।

৩. উচ্চ মাধ্যমিক (১১-১২):
• এই সময়টাতে বিভাগীয় সাবজেক্ট গুলোতে নজর দেওয়া জরুরি।এবং সাথে সাথে IELTS এর প্রিপারেশন নেওয়া অত্যান্ত জরুরী।HSC এর পর যারা বিদেশে লেখাপড়া করতে আগ্রহী তাদের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এছাড়াও যারা ইংলিশে ভালো পারে এবং বোঝে তাদের জন্যেও IELTS দরকার।যারা দুর্বল তাদের অধিক পড়াশোনার বিকল্প আর নেই।ভালো ইংলিশ বলতে পারা এবং বুঝতে পারে আপনাকে অন্যদের চেয়ে অনেকটায় স্মার্ট করে তুলবে।

৪. বিশ্ববিদ্যালয়:
আমাদের মধ্যে এমন অনেক শিক্ষার্থী আছেন যারা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে যাওয়ার আগেই ঝরে পড়েন আবার অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয় ওঠার পর ঝরে পড়েন। HSC এর পরে অনেকে বিদেশে লেখাপড়া করতে যান। আবার অনেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য চেষ্টা করেন আবার অনেকে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ভর্তি হন। যারা স্মার্ট জীবনযাপন করতে চান তারা চলে যান বিদেশে লেখাপড়ার জন্য।

এজন্য জীবনের শুরু থেকেই পরিকল্পিতভাবে শুরু করলে শেষটাও ভালো হবে,ইন শা আল্লাহ। নয়তো বেশি বয়সে যেয়ে আবার শুরু থেকে শুরু করতে হবে।

ক্যারিয়ার পরিকল্পনা,ভিসা আবেদন ও বিদেশে লেখাপড়া বিষয়ক যেকোনো ধরনের পরামর্শের জন্য whatsapp করুন অথবা মেইল করুন এই ঠিকানায়:
Whatsapp: +39 350 995 5562
Email: [email protected]

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

Dhaka