ন-LeDge

ন-LeDge

Share

ন-Ledg Daily Knowledge & Career Updates for Smart Learners

25/04/2026

আজকের বিষয়ঃ গণিত
-----বাস্তব সংখ্যা (Real Numbers)----

20/04/2026

বাংলা ব্যাকরণ - ষ-ত্ব বিধান
-
ষ-ত্ব বিধানঃ বাংলা ভাষায় সাধারণতঃ মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই। তাই দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ লেখার প্রয়োজন হয় না। কেবল কিছু তৎসম শব্দে ষ-এর প্রয়োগ রয়েছে। যে-সব তৎসম শব্দে ‘ষ’ রয়েছে তা বাংলায় অবিকৃত আছে। তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ‘ষ’-এর ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে।
-
ষ-এর ব্যবহারের নিয়মঃ
-
নিয়ম – ১
অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক বা র-এর পরে প্রত্যয়ের স ষ হয়। যেমন— ভবিষ্যৎ (ভ্ + অ + ব্ + ই + ) এখানে ব-এর পরে ই-এর ব্যবধান), মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
-
নিয়ম – ২
ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ’ হয়। যেমন— অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্তু > সুষুপ্তু, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, প্রতিসেধক > প্রতিষেধক, প্রতিস্ঠান > প্রতিষ্ঠান, অনুস্ঠান > অনুষ্ঠান, বিসম > বিষম, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।
-
নিয়ম – ৩
‘ঋ’ এবং ঋ-কারের পর ‘ষ’ হয়। যেমন- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট, দৃষ্টি, সৃষ্টি ইত্যাদি।
-
নিয়ম – ৪
তৎসম শব্দে ‘র’-এর পর ‘ষ’ হয়। যেমন— বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ।
-
নিয়ম – ৫
র-ধ্বনির পরে যদি অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকে তবে তার পরে ‘ষ’ হয়। যেমন- পরিষ্কার।
কিন্তু অ, আ স্বরধ্বনি থাকলে ‘ষ’ হয় না। যেমন- পুরস্কার।
-
নিয়ম – ৬
ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে ‘ষ’ যুক্ত হয়। যেমন- কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।
-
নিয়ম – ৭
কতগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ষ’ হয়। যেমন— ষড়ঋতু, ষড়যন্ত্র, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ভাষা, ঊষা, পৌষ, কলুষ, পাষাণ, মানুষ, ঔষধ, ভূষণ, দ্বেষ ইত্যাদি।
-
জ্ঞাতব্য
* আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে ‘ষ’ হয় না। এ সম্বন্ধে সতর্ক হতে হবে। যেমন— জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।
** সংস্কৃত ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত পদেও ষ হয় না। যেমন- অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।

17/04/2026

꧁༺ ণ-ত্ব বিধানঃ ༻꧂

বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ণ ধ্বনির ব্যবহার নেই। সেজন্য বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য বর্ণ (ণ) লেখার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য- ন-এর ব্যবহার আছে। তা বাংলায় অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়। তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণত্ব বিধান।

ণ-ব্যবহারের নিয়মঃ

১. ট বর্গীয় ধ্বনির আগের দন্ত্য ন সব সময় মূর্ধন্য ণ হয়। যেমনঃ ঘণ্টা, লুণ্ঠন, কাণ্ড ইত্যাদি।

২. ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য ণ-হয়। যেমনঃ ঋণ, তৃণ, বর্ণ, ভাষণ ইত্যাদি।

৩. ঋ, র, ষ এর পরে স্বরধ্বনি, য, ব, হ এবং ক ও পবর্গীয় ধ্বনি থাকলে পরবর্তী দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ হয়। যেমনঃ হরিণ (র এর পরে ই তারপরে ণ), অর্পণ (র+প+অ+ণ), লক্ষণ (ক্+ +অ+ণ), কৃপণ (ঋ কারের পরে প্, পরে ণ) ইত্যাদি।

৪. সমাসবদ্ধ শব্দে দুইপদেরই অর্থের প্রাধান্য থাকলে ণ-ত্ব বিধান খাটে না। যেমনঃ ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি ইত্যাদি।

৫. ত বর্গের আগে কখনও মূর্ধন্য ণ হয় না- দন্তন্য ন হয়। যেমনঃ অন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন ইত্যাদি।

৬. কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই ণ হয়-

চাণক্য মাণিক্য গণ
বাণিজ্য লবণ মণ
বেণু বীণা কঙ্কণ কণিকা ।
কল্যাণ শোণিত মণি
স্থাণু গুণ পুণ্য বেণী
ফণী অণু বিপণি গণিকা ।
আপণ লাবণ্য বাণী
নিপুণ ভণিতা পাণি
গৌণ কোণ ভাণ পণ শাণ ৷
চিক্কণ নিক্কণ তূণ
কফণি (কনুই) বণিক গুণ
গণনা পিণাক পণ্য বাণ ৷

৭. সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে ন হয়। যেমন – ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক। ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত ন কখনো ণ হয় না, ন হয়। যেমনঃ অন্ত,গ্রন্থ, ক্রন্দন।

14/04/2026

সবাইকে জানাই ন-LeDge পরিবারের পক্ষ থেকে বাংলা নববর্ষের আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা

04/04/2026

Subject: English 📚

Chapter: Verb 📖

✅ কিছু Noun + Verb + Adjective

Noun Verb Adjective
▫️Awe - Awe - Awful
▫️Acceptance - Accept - Acceptance
▫️Activity - Activate - Active
▫️Addition - Add - Additional
▫️Admiration - Admire - Admirable
▫️Admission - Admit - Admissive/
Admissible
▫️Advice - Advise - Advisable
▫️Agreement - Agree - Agreeable
▫️Appreciation - Appreciate - Appreciable
▫️Attention/ - Attent - Attentive
Attendance
▫️Attraction - Attract - Attractive
▫️Authority - Authorize - Authoritative
▫️Ability - Enable - Able
▫️Automation - Automate - Automatic
▫️Access - Accede - Accessible
▫️Actuality - Actualize - Actual
▫️Agitation - Agitate - Agitated
▫️Abortion - Abort - Abortive
▫️Abstinence - Abstain - Abstinent
▫️Acquisition - Acquire - Acquirable
▫️Abundance - Abound - Abundant
▫️Assumption - Assume - Assumptive
▫️Acceleration - Accelerate - Accelerated
▫️Base - Debase - Baseless
▫️Beauty/ - Beautify - Beautiful
Beautician
▫️Beautifier - Beautify - Beautiful
▫️Beautification - Beautify - Beautiful
▫️Belief - Believe - Believable
▫️Breadth - Broaden - Broad
▫️Blood - Bleed - Bloody
▫️Brevity - Brief - Brief
▫️Botheration - Bother - Bothersome
▫️Breath - Breathe - Breathtaking
▫️Brother - Brotheren - Brotherly/
Fraternal
▫️Boasting - Boast - Boastful
▫️Benefit - Benefit - Beneficial

03/04/2026

বিষয়: বাংলা 📚

অধ্যায়: ব্যাকরণ ও বাংলা ব্যাকরণ 📖

✅ 'ব্যাকরণ' একটি সংস্কৃত শব্দ। 'ব্যাকরণ' শব্দের ব্যুৎপত্তিগত রূপ বি + আ + √কৃ + অন, যার অর্থ 'বিশেষভাবে বিশ্লেষণ'। ব্যাকরণের প্রধান কাজ ভাষার বিশ্লেষণ ও অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আবিষ্কার করা। ব্যাকরণ ভাষাকে বর্ণনা করতে নির্দেশ করে। ব্যাকরণকে বলা হয় ভাষার সংবিধান। ব্যাকরণ ভাষার অনুগামী।

✅ পাণিনি ছিলেন বৈয়াকরণ / বৈয়াকরণবিদ। তিনি সংস্কৃত ভাষার মূল সূত্রগুলো লিপিবদ্ধ করেন। তিনি হলেন উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ বৈয়াকরণবিদ।

✅ প্রত্যেক ভাষার মৌলিক অংশ চারটি - ধ্বনি, শব্দ, বাক্য এবং অর্থ। কাজেই ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় চারটি - ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব।

মৌলিক বিষয় আলোচ্য বিষয়
▫️ধ্বনিতত্ত্ব 🔸 ধ্বনি
(Phonology) 🔸 ধ্বনির উচ্চারণ প্রণালি
🔸 ধ্বনি প্রতীক বা বর্ণের বিন্যাস
🔸 ধ্বনি পরিবর্তন ও লোপ
🔸 ধ্বনির স্বরূপ বিশ্লেষণ
🔸 উচ্চারণের স্থান
🔸 সন্ধি
🔸ণত্ব বিধান ও ষত্ব বিধান

▫️শব্দতত্ত্ব বা 🔸 শব্দ
রূপতত্ত্ব 🔸 শব্দের উৎপত্তি
(Morphology) 🔸 শব্দের উপাদান
🔸 বিশেষ্য
🔸 ক্রিয়ামূল বা ধাতুরূপ
🔸 বিশেষণ
🔸 সর্বনাম
🔸 শব্দের গঠন
🔸 পদ, পদ নির্মাণ
🔸ক্রিয়া
🔸 ক্রিয়ার কাল
🔸ক্রিয়াবিশেষণ

▫️বাক্যতত্ত্ব বা 🔸 বাক্যের গঠন প্রণালী ও বিভিন্ন
পদক্রম উপাদানের সংযোজন বিয়োজন
(Syntax) ব্যবহার সার্থক ব্যবহার বাক্যের
রূপান্তর
🔸 বাচ্য
🔸 কারক
🔸 শব্দের স্থান বা ক্রম
🔸 পরিবর্তন
🔸 উক্তি
🔸 যতি চিহ্ন
🔸 শব্দ ও পদের রূপ

▫️অর্থতত্ত্ব 🔸 শব্দের অর্থবিচার: প্রতিশব্দ /
(Semantics) সমার্থক শব্দ
🔸 বিপরীত শব্দ
🔸 শব্দজোড়
🔸 বাক্যের অর্থ বিচার
🔸 বাগধারা
🔸 অর্থের বিভিন্ন প্রকারভেদ / শব্দ
🔸বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা

এছাড়া ব্যাকরণের উচ্চতর পর্যায়ে আলোচিত হয় অভিধানতত্ত্ব (Lexicography)। বাংলা ভাষায় প্রথম অভিধান সংকলন করেন রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ।

✅ বাংলা ভাষার কিছু গ্রন্থ ও গ্রন্থকার:

রচয়িতার নাম ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম
▫️ন্যাথানিয়েল ব্রাসি 🔸 A Grammar of the
হেলহেট Bengal Language

▫️উইলিয়াম কেরি 🔸 A Grammar of the
Bengali Language
▫️ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 🔸 ব্যাকরণ কৌমুদী
▫️ডঃ মোহাম্মদ এনামুল 🔸 ব্যাকরণ মঞ্জুরী
হকজ
▫️জগদীশচন্দ্র ঘোষ 🔸 আধুনিক বাংলা
ব্যাকরণ
▫️রফিকুল ইসলাম ও 🔸 প্রমিত ভাষার বাংলা
পবিত্র সরকার ব্যাকরণ
▫️ডক্টর মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ 🔸 বাংলা ব্যাকরণ
▫️সুনিতি কুমার চট্টোপাধ্যায় 🔸ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা
ব্যাকরণ
▫️উইলিয়াম কেরি 🔸 বাংলা ভাষার
অভিধান

02/04/2026

ভূগোলের বিপরীত জিনিসগুলো যা আপনাকে চমকে দিবে।
নিচে ছোট বিবরণ ও উদাহরণ দিলে সহজেই অনুমেয় হবে।
-
১. উপদ্বীপ বনাম উপসাগর (Peninsula vs. Gulf):
উপদ্বীপ (Peninsula): ভূমির এমন একটি অংশ যা পানির দিকে বেরিয়ে থাকে । (উদাহরণ: ভারত বা আরব উপদ্বীপ)
উপসাগর (Gulf): জলভাগের এমন অংশ যা পানিকে ভূমির ভেতরের দিকে টেনে নেয়। (উদাহরণ: পারস্য উপসাগর)
-
২. ইসথমাস বনাম প্রণালী (Isthmus vs. Strait):
ইসথমাস (Isthmus): এটি দুটি বড় ভূখণ্ডকে বা ভূমিকে একে অপরের সাথে সংযুক্ত করে। (উদাহরণ: পানামা যোজক)
প্রণালী (Strait): এটি দুটি বড় জলভাগ বা পানিকে একে অপরের সাথে সংযুক্ত করে। (উদাহরণ: জিব্রাল্টার প্রণালী বা পাল্ক প্রণালী)
-
৩. দ্বীপ বনাম হ্রদ (Island vs. Lake):
দ্বীপ (Island): চারদিকে পানি দ্বারা ঘেরা একটি ভূমিখণ্ড। (উদাহরণ: শ্রীলঙ্কা বা মাদাগাস্কার)
হ্রদ (Lake): চারদিকে ভূমি দ্বারা বেষ্টিত একটি জলভাগ। (উদাহরণ: বৈকাল হ্রদ বা কাস্পিয়ান সাগর)
-
৪. দ্বীপপুঞ্জ বনাম হ্রদের সমষ্টি (Archipelago vs. System of Lakes):
দ্বীপপুঞ্জ (Archipelago): পানির মধ্যে অবস্থিত অনেকগুলো দ্বীপের সমষ্টি। (উদাহরণ: ইন্দোনেশিয়া বা মালদ্বীপ)
হ্রদের সমষ্টি (System of Lakes): ভূমির মধ্যে বা স্থলভাগের মধ্যে অবস্থিত অনেকগুলো হ্রদ। (উদাহরণ: ফিনল্যান্ডকে হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়)
-
৫. অন্তরীপ বনাম উপসাগর (Cape vs. Bay):
অন্তরীপ (Cape): এটি বর্ষার ফলার মতো সরু হয়ে বাইরের দিকে বা সাগরের দিকে বেরিয়ে থাকে। (উদাহরণ: কেপ অফ গুড হোপ)
উপসাগর (Bay): এটি বাটির মতো ভেতরের দিকে বাঁকানো জলভাগ। (উদাহরণ: বঙ্গোপসাগর)
এই বৈশিষ্ট্যগুলো মনে রাখলে ভূগোল বোঝা অনেক সহজ ও আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে

01/04/2026

On behalf of the ন-LeDge family, Good Afternoon to everyone 💛


Take a pause, breathe, and remind yourself—
You are stronger than you think.

25/03/2026

বিষয়: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি 📚

অধ্যায়: কম্পিউটার বিজ্ঞান 📖

✅ কম্পিউটার পেরিফেরালস:
📝 যে সকল যন্ত্র কম্পিউটারের সি পি ইউ-এর সঙ্গে সংযুক্ত থেকে এর কর্মদক্ষতা ও কর্মপরিধি বৃদ্ধি করে তাদের বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস। যেমন: মনিটর, কী-বোর্ড, স্ক্যানার, মাইক্রোফোন, লাইটপেন ইত্যাদি।
🖋️ কম্পিউটার পেরিফেরালকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় -
ক. ইনপুট পেরিফেরাল
খ. আউটপুট পেরিফেরাল ও
গ. ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল

✅ ইনপুট পেরিফেরাল:
📝 কম্পিউটারকে নির্দেশনা বা ডাটা প্রদানের জন্যে যে সমস্ত ইনপুট ডিভাইস বা গ্রহণ মুখ যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা হয় তাদের বলা হয় ইনপুট পেরিফেরালস।

🖋️ ইনপুট পেরিফেরালস এর বা ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
১. কী-বোর্ড
২. মাউস
৩. স্ক্যানার
৪. লাইট পেন
৫. ওয়েবক্যাম
৬. জয়স্টিক
৭. ও এম আর
৮. ওসিআর
৯. সেন্সর
১০. চৌম্বক টেপ ড্রাইভ
১১. বারকোড রিডার
১২. ডিজিটাইজার
১৩. পাঞ্চকার্ড রিডার
১৪. ম্যাগনেটিক ইংক ক্যারেক্টার রিডার
১৫. মাইক্রোফোন

🖋️ Mobile Phone-এর যে অংশটি ইনপুট ডিভাইস নয় - Power Supply।

✅ কী-বোর্ড:
🖋️ কী-বোর্ড একটি ইনপুট ডিভাইস। একে বলা হয় কনসোল। বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন ইত্যাদি কী বা বোতাম বিশিষ্ট যন্ত্র হল কী-বোর্ড।

🖋️ একটি কী-বোর্ডে সর্বোচ্চ ১০৫ টি key থাকে। এতে সংখ্যাসূচক বা নিউম্যারিক কী থাকে ১৭ টি। সাধারণত কী-বোর্ডের বিন্যাসকে বলা হয় QWERTY.

🖋️ কী-বোর্ডের ওপরে F1-F12 পর্যন্ত বোতামগুলোকে ফাংশন কী বলে। F1 - Help; F5 - Slide Show, Refresh; F6 - Weblink; F7 - Spelling checking; F9 - System Option; F12 - Reboot।

🖋️ কম্পিউটারের অধিকাংশ প্রোগ্রামে F1 ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়। এটি হেল্প ফাংশন প্রকাশ করে। কী-বোর্ডে সংরক্ষণ কী হিসেবে ব্যবহৃত হয় F12 কী।

🖋️ কম্পিউটারের 12 টি ফাংশন কী থাকে।

🖋️ কী-বোর্ডে প্রত্যেকটি 'কী'র একটি অনন্য কোড আছে যাকে বলা হয় স্ক্যান কোড।

🖋️ অভ্র কী-বোর্ড তৈরি করেন ডা. মেহেদী হাসান। বিজয় কী-বোর্ড তৈরি করেন মোস্তফা জব্বার। মুনীর অপটিমা কী-বোর্ড তৈরি করেন মুনীর চৌধুরী।

🖋️ কী-বোর্ডের Shift, Ctrl, Alt কী গুলোকে বলা হয় Modifier Key।

🖋️ এক বাইট (byte) সমান - ৮ টি।

🖋️ বিজয় লে-আউটে বাংলা লেখার সময় 'ন' বর্ণটি লিখতে কী-বোর্ডে ইংরেজি B বর্ণটি চাপতে হবে।

🖋️ বিজয় লে-আউটে বাংলা লেখার সময় 'দ' বর্ণটি লিখতে কী-বোর্ডে ইংরেজি L বর্ণটি চাপতে হবে।

✅ মাউস:
🖋️ ১৯৬৩ সালে ডগলাস এঞ্জেলবার্ট মার্ডস মাউস আবিষ্কার করেন। মাউস একটি পয়েন্টিং ইনপুট ডিভাইস।

🖋️ মাউস নড়ালে পর্দায় একটি তীর বা হাতের মতো চিহ্ন নড়াচড়া করে তাকে কার্সর বলে। এটি দেখতে অনেকটা ইঁদুরের মতো। এজন্য এর মাউস নামকরণ হয়েছে।

🖋️ মাউস দিয়ে ক্লিক, ড্রাগ ও সিলেক্ট করা যায়। মাউসের চাকার সাহায্যে খুব সহজে scroll through documents করা যায়।

✅ OCR:
🖋️ OCR একটি ইনপুট ডিভাইস। OCR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Optical Character Recognition। OCR কোন বর্ণ পড়ার সময় সেই বর্ণের গঠন অনুযায়ী কতগুলো বৈদ্যুতিক সংকেত সৃষ্টি করে। এটি কোন স্ক্যান টেক্সটকে সম্পাদনার উপযুক্ত টেক্সট-এ পরিবর্তিত করে।

🖋️ চিঠির পিন কোড, ইলেকট্রিক বিল, ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিস ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

✅ OMR:
🖋️ OMR হচ্ছে ইনপুট ডিভাইস। OMR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Optical Mark Reader। এটি এমন একটি যন্ত্র যা পেন্সিল বা কালির দাগ বুঝতে পারে। এটি ইনপুট ডিভাইস।

🖋️ সাধারণত নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনমত জরিপ, আদমশুমারী ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ যন্ত্র ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

🖋️ গোলক ভরাট করা খাতা পড়তে পারে OMR একটি ইনপুট ডিভাইস।

✅ MICR:
🖋️ MICR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Magnetic Ink Character Recognition। এটি একটি ব্যাংকের চেকের চেক নম্বর লেখা ও পড়ায় ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে ব্যাংক চেক বইয়ে এটি ব্যবহার করা হয়।

✅ স্ক্যানার:
🖋️ স্ক্যানার একটি আধুনিকতম ইনপুট যন্ত্র। স্ক্যানার ফটোকপি মেশিনের মতো। মুদ্রিত কোনো ছবি, ক্যামেরায় তোলা ছবি বা লেখা হুবহু কম্পিউটারের ইনপুট করার জন্য কেনার ব্যবহৃত হয়।

🖋️ অপটিক্যাল স্ক্যানার আলোক রেখা, লেখা ইত্যাদি তথ্য পাঠ করে থাকে।

✅ আউটপুট পেরিফেরাল:
📝 কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যেসব যন্ত্রের সাহায্যে ফলাফল প্রদান করে তাকে আউটপুট পেরে ফেরাল বা আউটপুট ডিভাইস বলে। কম্পিউটারের ইনপুট যন্ত্রাংশ সমূহে প্রাপ্ত তথ্যসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে এ অংশসমূহের সাহায্যে ফলাফল প্রদান করা হয়।
বিভিন্ন ধরনের আউটপুট পেরিফেরাল:
১. মনিটর
২. প্রিন্টার
৩. স্পিকার
৪. প্রজেক্টর
৫. প্লটার
৬. হেডফোন

✅ মনিটর:
🖋️ মনিটরে লেখা ও ছবি দেখানো হয়। এটি কম্পিউটারের গ্রহণমুখ। VGA এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Video Graphics Array।

🖋️ সিআরটি, এলসিডি ও এলইডি হলো কমন টাইপ ডিসপ্লে স্ক্রিন।

🖋️ LCD এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Liquid Crystal Display। ডিজিটাল ঘড়ি বা ক্যালকুলেটরে কালচে অনুজ্জ্বল যে লেখা ফুটে ওঠে তা LCD ভিত্তিতে তৈরি।

🖋️ LED এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Light Emitting Diode।

🖋️ পিকচার ইলিমেন্টের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো পিক্সেল। কালার মনিটরের পিক্সেল তিনটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত - লাল, নীল ও সবুজ।

✅ প্রিন্টার:
🖋️ প্রিন্টার কাগজে আউটপুট প্রদান করে। এটি ইম্প্যাক্ট ও নন-প্যাক্ট প্রিন্টারে বিভক্ত। এটি একটি অফলাইন ডিভাইস।

🖋️ লেজার প্রিন্টারের অন্য নাম পেইজ প্রিন্টার। এ প্রিন্টার সবচেয়ে দ্রুতগতিতে উন্নতমানের প্রিন্ট প্রদান করে। LASER এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Light Amplification on Stimulated Emission of Radiation।

🖋️ লেজার প্রিন্টার সবচেয়ে দ্রুতগতিতে উন্নত মানের প্রিন্ট প্রদানের সক্ষম। কম্পিউটার শিল্পে Dot Matrix বলতে প্রিন্টার বোঝায়।

✅ ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
🖋️ কিছু কিছু যন্ত্রপাতি আছে যা ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করে থাকে। যেমন: ভিসিআর, টিভি, মডেম, টাচস্ক্রিন, ক্যামেরা ইত্যাদি।

🖋️ টাচস্ক্রিন দ্বারা স্ক্রিনে স্পর্শ করে মাউসের কাজ করা যায়।

🖋️ VDU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Visual Display Unit। VDU তে একটি মনিটর ও একটি কী-বোর্ড থাকে। বর্তমানে বিভিন্ন শ্রেণীর কম্পিউটারে VDU বেশ প্রচলিত ইনপুট ও আউটপুট ব্যবস্থা হিসেবে।

✅ টাচ স্ক্রিন:
📝 টাচ স্ক্রিন মোবাইল ইনপুট ও আউটপুট দুটোই। টাচ স্ক্রিন হলো চাপীয় সেন্সরযুক্ত আলোকভেদ্য পর্দা। এই সেন্সিটিভ পর্দাকে ফোনের ডিসপ্লের উপর বিশেষভাবে synchronize করে বসানো হয়। ফলে যেখানেই টাচ করে ইনপুট দেয়া হোক না কেন তার ঠিক নিচে ডিসপ্লেতে আউটপুট আসবে।

24/03/2026

Good evening everyone. ✨

21/03/2026

ন-LeDge পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাচ্ছি ঈদের শুভেচ্ছা সকলের ভালো হোক সকলের শুভ হোক
" ঈদ মোবারক "

19/03/2026

ন-LeDge এর পক্ষ থেকে সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদের জানাই পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
সকলের ঈদ যাত্রা শুভ হোক।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Dhaka