চারিদিকে ট্রেনিং সেন্টার নিয়ে স্ক্যাম দেখার পর মনে হচ্ছে আমি নিজেই একটা ট্রেনিং সেন্টার খুলে ফেলি। আমার টাকার অভাব আছে, তবে বাটপার না।
আপনাদের কি মতামত?
Ragib Hassan
Programmer | Entrepreneur | Apple Enthusiast - Learn programming
- Teach programming
- Teach English
- Talk about things
ক্রিকেট নিয়ে যতো হাউকাউ হচ্ছে এতো হাউকাউ যদি আমাদের সমস্যাগুলো নিয়ে হতো তাহলে দেশের অনেক সমস্যাই সমাধান হয়ে যেতো।
কিন্তু দেশের কোন সমস্যা নিয়ে কোন হাউকাউ হবেনা; হাউকাউ হবে ক্রিকেট নিয়ে। কারন ক্রিকেট তো নিজের পরিশ্রম করে খেলতে হয়না। খেলোয়াড়রা ক্রিকেট খেলে আর বাঙ্গালি বইসা বইসা জু য়া লাগায়। একবার বার জিতে, দুইবার হারে। এরপর ঋণ করে। এভাবেই জু য়ার এপ্স চলে। জু য়ারীরা প্রত্যেকবার জিতলে জু য়ার কোম্পানিগুলা ব্যবসা করে লাভ করবে কিভাবে? এছাড়া ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা করাটাও আসলে ভাদাইম্মা প্যাচাল। অনেকটা এমন - ফাও বইসা আছি, তাই ক্রিকেটীয় জ্ঞান ঝাড়ি।
মূলত ক্রিকেট না খেললে দেশ ও জাতির কিছু আসবে যাবেনা। তবে ক্রিকেট বন্ধ হলে খেলোয়াড়রা জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পাওয়ার পর খেলা বাদে দেশে বিদ্যমান সকল ধরনের ধান্ধায় মনোযোগ দেয় সেটা বন্ধ হয়ে যাবে। এখানেই খেলোয়াড়দের আপত্তি। অবিশ্বাস করা আপনার ইচ্ছা।
আমাগো মতো গরীব দেশ যেসব দেশের পেছনে সাহায্যের জন্য ঘুরে, টাকা চুরি করে যেসব দেশে পাচার করে সেসব দেশে ক্রিকেট নিয়ে উন্মাদনা নেই তেমন। সারাদিন খেলা দেখার মতো সময়ও নেই তাদের। কারন তারা পৃথিবী জয়ে ব্যস্ত।
যৌক্তিক কারনে আমি Unofficial ফোন বন্ধের বিপক্ষে।
Neir ভালো। তবে আমাদের জাতিগত খাসলত খারাপ। Official ফোনের মূলা ঝুলিয়ে নিম্নমানের ম্যাটেরিয়াল দিয়ে তৈরিকৃত ফোন বিক্রি করার সম্ভাবনা প্রবল। আর স্বাভাবিক ম্যাটেরিয়াল দিয়ে উৎপাদন করা ফোনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দাম ধরা হতে পারে।
মেধা সব জাতির মধ্যেই কমবেশি আছে। তবে বাঙ্গালীর মূল সমস্যা তাদের খাসলত। মনে রাখবেন, বাঙ্গালী ধরা খায় খাসলতে।
একটা সাধারন তুলনা দেখাই।
বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফোনের একই মডেলে ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্টেও NFC থাকে এবং দামও কম। অথচ বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া ভ্যারিয়েন্টে NFC থাকেনা। আমি যেই ফোনটা ব্যবহার করতাম সেই মডেলের ক্ষেত্রেও এমন হয়েছে। এইটা একটা উদাহরন মাত্র। এমন আরও অনেক কিছুই হয়তো ঘটে বাংলাদেশে Assemble হওয়া ফোনের ক্ষেত্রে যেগুলো আমরা জানিনা বা বুঝিনা। দিনশেষে সমস্যায় পড়ি।
এমন অনেক কারনে আমি Unofficial ফোন বন্ধের বিপক্ষে।
ল্যাপটপ বায়িং গাইড
অনেকেই ল্যাপটপ কেনার জন্য পোস্ট দেন। কিরকম ল্যাপটপ কেনা উচিৎ এবং কিরকম ল্যাপটপ কেনার উচিৎ না সেই টপিকেই আমার এই লেখা।
যারা সাধারন কাজের জন্য ল্যাপটপ কিনতে চানঃ
এই যুগে Core i5 8th Generation, 8GB RAM এই কনফিগারেশনের ল্যাপটপ কেনা উচিৎ। এতে করে কাজ করতে গেলে ল্যাপটপ স্লো হবেনা এবং কাজ করতে পারবেন দ্রুত। বাজারে ১৪ ইঞ্চি স্ক্রিনের দুবাই ল্যাপটপের দাম ২৫-২৮ হাজার।
উপরের একই কনফিগারেশনের ১৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের ল্যাপটপের দাম সাধারনত ৩৫-৪০ হাজার।
যারা প্রোগ্রামিং করার জন্য ল্যাপটপ কিনতে চানঃ
Core i5 8th Generation দিয়েও অনায়াসে প্রোগ্রামিং করা যায়। তবে Core i7 8th Gen প্রেফার করি। প্রসেসর যাই হোক না কেন RAM 16 GB, SSD 256 GB নেওয়ার চেস্টা করবেন। তাহলে কোথাও কাজ করতে সমস্যা হবেনা।
বর্তমান সময়ের কথা মাথায় রেখে লেখাটা লেখা হয়েছে। তবে ল্যাপটপের কন্ডিশন, সোর্সিং এবং অন্যান্য ব্যাপারের কারনে দামে পরিবর্তন হতে পারে। আরও জানতে চাইলে মেসেজ দিতে পারেন।
ধন্যবাদ
যারা বিভিন্ন বিদেশি ওয়েবসাইট থেকে পেইড কোর্স এবং রিসোর্স কিনতে আগ্রহী তাদের জন্য ডলারের ব্যবস্থা করলে কেমন হবে?
কোথায় যাচ্ছে প্রোগ্রামিংয়ের ভবিষ্যত?
তার আগে চিন্তা করেন কেন করেন প্রোগ্রামিং? প্রোগ্রামিংয়ের দরকার কোথায়?
প্রোগ্রামিংয়ের অন্যতম ব্যবহার হচ্ছে ব্যবসার প্রচার বাড়ানোর মাধ্যমে সম্প্রসারনের চেস্টা করা। প্রচার কিভাবে বাড়ানো হবে? উত্তর হচ্ছে, যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে। যোগাযোগ বাড়ানো কেন প্রয়োজন? যোগাযোগ বাড়লে বিক্রি বাড়বে। এভাবে ব্যবসার উন্নতি হবে। এখন কিভাবে প্রোগ্রামিং করে ব্যবসার উন্নতিতে অবদান রাখবেন সেটা আপনার ব্যাপার। এইটা একটা কমন ব্যবহার নিয়ে বলা হলো।
বিগত বছরগুলোতে খেয়াল করলে দেখবেন যে, সারা পৃথীবিতে আলোড়ন সৃষ্টিকারী বেশিরভাগ আইটি-বেজড সার্ভিসের মূলে ছিলো কোন একটা সমস্যা সলভ করা। উল্লেখ্য, ফেসবুকের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিলো যোগাযোগে বৃদ্ধির উপায় বের করা, Twitter (বর্তমানে X) ছিলো মাইক্রো-ব্লগিং প্লাটফর্ম, Whatsapp ছিলো কথা বলার সার্ভিস। মানুষজন সমস্যার সমাধান পাওয়ার আশায় উক্ত সার্ভিসটি ব্যবহার করতে শুরু করে এবং উপকার পাওয়ায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ে এক পর্যায়ে। এভাবেই সেটা একটা বড় প্রজেক্টে পরিণত হয়, দুনিয়াব্যাপী নাম ছড়িয়ে পড়ে, মার্কেট শেয়ার বাড়ে এবং বিনিয়োগ পায়। এভাবেই প্রজেক্টের উন্নতি হয়।
AI এর কারনে জব কমবে এটা সত্য। তবে নতুন নতুন কাজের ধরন আসবে। প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা সমাধান, ব্যবসার উন্নতি প্রভাবিত করতে পারার সক্ষমতা থাকলে জব কমবেনা।
প্রোগ্রামিং ক্যারিয়ারের একটা চিরন্তন ব্যাপার হলো, আপনি কাজের পারপাসে কোন স্কিল থেকে কোন স্কিলে গিয়ে সুইচ করবেন সেটার কোন নির্দিস্ট নিয়ম নেই। তবে সফলতা পাওয়ার আশায় ডাইভার্স স্কিল আপনাকে সবসময় এগিয়ে রাখবে। কারন আপনি সমস্যা সলভ করছেন। সমস্যার কোন ধরাবাঁধা বৈশিষ্ট্য নেই; প্রোগ্রামিং স্কিলেরও কোন নির্দিষ্ট স্কিলসেট নেই।
MANG, FANG, আ ল-বা ল যাই বলেন না কেন, মাঝে মাঝে যখন দেখি অনেক বছর কাজ করার পর এসব কোম্পানি থেকে ছাটাই হয়ে যায় তখন একটা শব্দই মাথায় আসে। শব্দটি হচ্ছে, "Betray"।
একটা কোম্পানি সময়ের সাথে গ্রো করবে, জনবল বাড়বে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একটা নতুন টেকনোলজি আসলো আর আগের সব লোক ছাটাই হয়ে গেলো এমন হবে কেন? তার মানে এসব বড় কোম্পানি তার কর্মীদের প্রতি লয়েল না এবং কর্মীদেরও সেটা ভেবেই কাজ করা উচিৎ। আমার মতে এসব বড় কোম্পানিতে জব না খুঁজে মিডিয়াম কোম্পানিতেই জব করা উচিৎ। বড় কোম্পানিতে ফার্স্ট চয়েসে না রেখে তাদের হাইপ কমানো উচিৎ।
আমি মানলাম, এসব বড় কোম্পানি নানাধরনের ইনোভেশন নিয়ে আসে। তাতে কি? কোম্পানি লয়েল না হলে তার ইনোভেশন দরকার নাই।
এখন কর্মীদেরও তার কোম্পানিগুলোকে তাদের অবস্থান বুঝিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে আমার মনে হয়।
Programming শেখার পাশাপাশি Documentation কিভাবে পড়তে হয় শেখা প্রয়োজন।
অনেক অনেক আগের কথা।
তখন সাধারন HTML দিয়ে ওয়েবসাইটা বানানো হতো। ওই সময় অনেকেই্মসাধারন HTML দিয়ে ওয়েবসাইট বানিয়ে অনেক কিছু করেছে। এরপর CSS দিয়ে ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য্য বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হলো। আস্তে আস্তে jQuery এর মতো জিনিসপত্র আসলো। এভাবেই ওয়েব ল্যাঙ্গুয়েজগুলো বড় হওয়া শুরু হলো। এখন একটা ওয়েবসাইট বানাতে গেলে অনেকরকম ইকোসিস্টেম মেইনটেইন করে বানাতে হয়। এসব ইকোসিস্টেমের কারনে নানারকম স্কিল তৈরি হয়েছে। ফলাফল হিসেবে নানারকম জব তৈরি হয়েছে।
AI এর ক্ষেত্রেও সেইম। এখন AI বেসিক লেভেলে আছে। AI ব্যবহার করে নানারকম কাজ করা সম্ভব হচ্ছে। আস্তে আস্তে AI টেকনোলজি বড় হবে। AI এর মাধ্যমে অনেক কিছু সিকিউর করা এবং মেইনটেইন করার জন্য স্কিল তৈরি হবে; এভাবে জব তৈরি হবে।
আপনারা যারা ভাবছেন যে, AI এর কারনে অনেকের জব চলে যাবে তারা কিঞ্চিৎ ভুল। স্কিল না বাড়ালে এমনিতেই জব চলে যায়।
অতএব, স্কিলের সাথে থাকেন।
েক অনেক আগের কথা।
তখন সাধারন HTML দিয়ে ওয়েবসাইটা বানানো হতো। ওই সময় অনেকেই্মসাধারন HTML দিয়ে ওয়েবসাইট বানিয়ে অনেক কিছু করেছে। এরপর CSS দিয়ে ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য্য বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হলো। আস্তে আস্তে jQuery এর মতো জিনিসপত্র আসলো। এভাবেই ওয়েব ল্যাঙ্গুয়েজগুলো বড় হওয়া শুরু হলো। এখন একটা ওয়েবসাইট বানাতে গেলে অনেকরকম ইকোসিস্টেম মেইনটেইন করে বানাতে হয়। এসব ইকোসিস্টেমের কারনে নানারকম স্কিল তৈরি হয়েছে। ফলাফল হিসেবে নানারকম জব তৈরি হয়েছে।
AI এর ক্ষেত্রেও সেইম। এখন AI বেসিক লেভেলে আছে। AI ব্যবহার করে নানারকম কাজ করা সম্ভব হচ্ছে। আস্তে আস্তে AI টেকনোলজি বড় হবে। AI এর মাধ্যমে অনেক কিছু সিকিউর করা এবং মেইনটেইন করার জন্য স্কিল তৈরি হবে; এভাবে জব তৈরি হবে।
আপনারা যারা ভাবছেন যে, AI এর কারনে অনেকের জব চলে যাবে তারা কিঞ্চিৎ ভুল। স্কিল না বাড়ালে এমনিতেই জব চলে যায়।
অতএব, স্কিলের সাথে থাকেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1219