19/12/2024
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি কার্যনির্বাহী পরিষদের দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি কার্যনির্বাহী পরিষদ ২০২৪-২০২৫-এর দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান অদ্য (১৯ ডিসেম্বর ২০২৪, বৃহস্পতিবার) সমিতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, “সাংবাদিক প্রতিনিধিদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে এগিয়ে আসতে হবে। সংবাদ কোনো পক্ষের পক্ষে বা বিপক্ষে যাবে কিনা তা বিবেচনার বিষয় নয়; বরং এটি সত্য ও স্বচ্ছতার প্রতিফলন হওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, “সাফল্য অর্জনের পাশাপাশি আমাদের কাজের মাধ্যমে সমষ্টিগত স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, সাংবাদিক প্রতিনিধি এবং ছাত্র সংগঠনগুলোকে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে হবে।”
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও সম্ভাবনাকে ধারণ করলে এটিকে একটি অনন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব। এই লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রশাসনের সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক, সহকারী প্রক্টর ড. মুহাম্মদ ছালেহ উদ্দিন এবং মোঃ ফেরদাউস হোসেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি কার্যনির্বাহী পরিষদ এর সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হাসান তানভীর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদ ২০২৪-২০২৫ এর সভাপতি ইমরান হোসাইন এবং সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব হোসেন লিমনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সমিতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক সমিতি সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ মামুন শেখ।
অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস ক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃবৃন্দ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ, ছাত্র অধিকার পরিষদ নেতৃবৃন্দ, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কসহ অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা সাংবাদিক প্রতিনিধিদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি প্রদানের আহ্বান জানান।
18/12/2024
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
১৮ ডিসেম্বর ২০২৪
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
‘সায়েন্স, টেকনোলজি এন্ড ইনোভেশন : পেভিং বাংলাদেশ’স ফিউচার ইন এ কম্পেটিটিভ ওয়ার্ল্ড’ শীর্ষক সেমিনার
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারডিসিপ্লিনারি রিসার্স এন্ড ডেভেলপমেন্ট কনসোর্টিয়াম (আইআরডিসি)- এর আয়োজনে অদ্য (১৮ ডিসেম্বর ২০২৪-বুধবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘সায়েন্স, টেকনোলজি এন্ড ইনোভেশন : পেভিং বাংলাদেশ’স ফিউচার ইন এ কম্পেটিটিভ ওয়ার্ল্ড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব অংশগ্রহণ করেন। তিনি আধুনিক প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অগ্রণী ভূমিকা রাখার উপায় নিয়ে গভীর বিশ্লেষণমূলক আলোচনা করেন। বিশেষ করে তরুণ গবেষকদের উদ্ভাবনী চেতনা বিকাশে এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “বর্তমান বিশ্বে সবকিছুই অনেক চ্যালেঞ্জিং, টেকনোলজি দ্রুত পরিবর্তনশীল, গ্লোবালি প্রতিযোগিতা অনেক বেশি। যেসকল দেশ সায়েন্স ও টেকনোলজিতে এগিয়ে তারাই অর্থনৈতিকভাবে ততো প্রসারিত। আমাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ গবেষক তৈরি করতে হবে সাথে সাথে টেকনোলজিও উন্নত করতে হবে। শিক্ষাখাতে বাজেটের বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে এবং ন্যূনতম জিডিপি’র ৫% বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষায় ফান্ডিং না বাড়াতে পারলে উন্নত বিশ্বের সাথে আমরা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়বো।”
আইআরডিসি এর প্রেসিডেন্ট ও ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন এর সভাপতিত্বে প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. জে. সালেহ আহমেদ এবং সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আবু লায়েক।
প্যানেল আলোচনায় ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, “প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে বাংলাদেশকে টিকিয়ে রাখতে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তিতে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। দল মতের ঊর্ধ্বে মেধাবীদের মূল্যায়ন করতে হবে। এতো বছর বিজ্ঞান প্রযুক্তি উদ্ভাবনের আড়ালে লুটপাট হয়েছে একারনে আমাদের নৈতিক মানদণ্ডে বলিয়ান হতে হবে, এর শিক্ষা ইসলাম আমাদেরকে দিয়েছে।”
রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. জে. সালেহ আহমেদ বলেন, “এতো বছর কত টেকনোলজি উদ্ভাবন হলো কিন্তু এতে আমাদের কোনো অবদান নাই। শুধু উন্নয়নের জোয়ারে ভাসলে হবে না, এসকল উন্নয়ন আমাদের নিজস্ব টেকনোলজি দ্বারা তৈরি হলে আমরা আরো উৎফুল্ল হতে পারতাম।”
সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আবু লায়েক বলেন, “জনসংখ্যাকে মানব সম্পদে রূপান্তর করার মূল উপায় হচ্ছে শিক্ষা। আমাদেরকে একাডেমিক ইন্ডাস্ট্রি কোলাবোরেশনের গুরুত্ব দিতে হবে, এর মাধ্যমে আমরা গবেষণালব্ধ ফলাফলকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবো।”
অনুষ্ঠানটির শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আইআরডিসি এর প্রেসিডেন্ট ও ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন এবং সঞ্চালনা করেন আইআরডিসি এর জেনারেল সেক্রেটারি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক।
সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গবেষক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় বক্তারা দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি গবেষণাকেন্দ্রিক ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগ বাস্তবায়নে কার্যকর কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।
সেমিনার শেষে মূল বক্তা শিক্ষার্থী ও গবেষকবৃন্দের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন।
16/12/2024
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
১৬ ডিসেম্বর ২০২৪
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন
আজ (১৬ ডিসেম্বর ২০২৪-সোমবার) মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সকালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম, পিএইচডি এর নেতৃত্বে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা ও কর্মচারী, জবি সাংবাদিক সমিতি, জবি প্রেস ক্লাব, জবি রিপোর্টাস ইউনিটি, ছাত্র সংগঠন নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে একে একে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
14/12/2024
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন
আজ (১৪ ডিসেম্বর ২০২৪-শনিবার) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, এই উপলক্ষে সকালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলে কালো ব্যাজ ধারণ করেন। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মৃতির প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম, পিএইচডি এর নেতৃত্বে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা ও কর্মচারী, জবি সাংবাদিক সমিতি, জবি প্রেস ক্লাব, জবি রিপোর্টাস ইউনিটি, ছাত্র সংগঠন নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
11/12/2024
মাদকবিরোধী তৃতীয় আন্তঃসেশন বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৪ এর পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের রেঁনেসা ও ডিবেটিং ক্লাব এর আয়োজনে অদ্য (১১ ডিসেম্বর ২০২৪-বুধবার) কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে মাদকবিরোধী তৃতীয় আন্তঃসেশন বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৪ এর পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম, পিএইচডি বলেন, “মাদক বিরোধী আইন আরো কঠোর করে এর বিনাশ করা যাবে না, যদি না আমরা নিজ থেকে সচেতন হই। সামাজিক সচেতনতার পাশাপাশি যারা মাদকের দ্বারা আক্রান্ত হয়, তাদের আরো সচেতন করা আমাদের দায়িত্ব। মনে রাখতে হবে, আমার জীবন একান্তই আমার। মাদকাসক্ত হলে জীবন পুরো ধ্বংস হয়ে যাবে, তোমাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে জীবনকে ধ্বংস করবে না জ্ঞানের আলোয় বিকশিত করবে।”
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহমুদা খানম এর সভাপতিত্বে অতিথিবৃন্দ হিসেবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মুহাম্মদ ইউছুফ ও একেএম শওকত ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আজকের মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় উক্ত বিভাগের ১৮তম ব্যাচ (বিরোধী দল) চ্যাম্পিয়ন এবং ১৫তম ব্যাচ (সরকারী দল) রানার্স আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক হিসেবে ১৮তম ব্যাচের হ্যাপী নির্বাচিত হন।
11/12/2024
‘এপ্লিকেশন অব থিওরি ইন হিউম্যানিটিজ অব সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ’ শীর্ষক ট্রেনিং
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি এর আয়োজনে অদ্য (১১ ডিসেম্বর ২০২৪-বুধবার) সিএসই বিভাগের ভার্চুয়াল রুমে ‘এপ্লিকেশন অব থিওরি ইন হিউম্যানিটিজ অব সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ’ শীর্ষক ট্রেনিং আয়োজিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম, পিএইচডি বলেন, “ট্রেনিং-এ অংশগ্রহণকারীরা সময়ের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে অনেক কিছু অর্জন করে নিতে পারেন। নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করার মাধ্যমে গবেষণায় নিজস্ব থিওরি তৈরি করতে সহায়ক হয়।”
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ আবু লায়েক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, “একাডেমিকলি প্রফেশনালিজমের জন্য এ ধরনের ট্রেনিং অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। বিশ্ববিদ্যালয়েগুলোতে ট্রেনিং এর মাধ্যমে নতুন নতুন শিক্ষণ কৌশল শিখতে পারেন, যা শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাকে আরো কার্যকরী করে তুলতে পারে।”
ট্রেনিং-এ রিসোর্স পার্সন হিসেবে ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আনিসুর রহমান।
ট্রেনিং প্রোগ্রামের মডারেটর হিসেবে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আইকিউএসি এর অতিরিক্ত পরিচালক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ মেজবাহ-উল-আজম সওদাগর এবং সঞ্চালনা করেন উক্ত প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর আইকিউএসি এর সহকারী পরিচালক তাহসিনা ফারহান।
আজকের ট্রেনিং-এ কলা অনুষদ এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
10/12/2024
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
১০ ডিসেম্বর ২০২৪
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আবাসন সংকট নিরসনে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
আজ (১০ ডিসেম্বর ২০২৪) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আবাসন সংকট নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও দেশের অন্যতম গ্রহণযোগ্য ফিলানথ্রপিক প্রতিষ্ঠান আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন এবং মানসম্মত আবাসনের সুযোগ পাবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন এবং আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের পক্ষে জেনারেল সেক্রেটারি জনাব মোঃ সাব্বির আহম্মদ এই স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম, পিএইচডি, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।
সমঝোতা অনুযায়ী, কেরাণীগঞ্জের বসুন্ধরা রিভারভিউ প্রজেক্ট এলাকায় আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন প্রাথমিকভাবে ৭০০ শিক্ষার্থীর আবাসন ব্যবস্থা করবে। পর্যায়ক্রমে এই সংখ্যা ৫,০০০ শিক্ষার্থীতে উন্নীত করা হবে। ছেলে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্যও আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আবাসন সমস্যা সমাধানে আমরা আনন্দিত। এখানে ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে মেধার ভিত্তিতে আবাসনের সুযোগ দেওয়া হবে। শুধু মুসলিম শিক্ষার্থী নয়, ভিন্ন ধর্মের শিক্ষার্থীরাও তাদের নিজ নিজ ধর্ম পালনের সুযোগ পাবে।”
প্রকল্পটি ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে চালু হবে বলে জানানো হয়।
আবাসন সুবিধার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নৈতিকতার বিকাশে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই প্রকল্পের আওতায় থাকবে:
• একটি অত্যাধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, যেখানে ১০০টি কম্পিউটার থাকবে।
• শিক্ষার্থীদের জন্য আইইএলটিএস প্রস্তুতিমূলক প্রশিক্ষণ। প্রথম বছর প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ব্র্যান্ড স্কোর ৭ অর্জনের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
• সফট স্কিল, নেতৃত্বগুণ এবং পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম, পিএইচডি বলেন, “গত ১২ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত অনুসারে আমরা আবাসন সংকট সমাধানে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে যোগাযোগ করছি। আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের মতো প্রতিষ্ঠানের সাথে এই চুক্তি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। আমরা ইউজিসিতে একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা জমা দিয়েছি, যা অনুমোদিত হলে অস্থায়ী হল নির্মাণ শুরু হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা এ সংকট সমাধানে অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সফলতা পেলে তা প্রকাশ করা হবে।”
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এই উদ্যোগকে ভিন্নধর্মী উল্লেখ করে বলেন, “এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু আবাসন সমস্যার সমাধান পাবে না, বরং দক্ষ এবং আদর্শ মানব সম্পদে পরিণত হবে।” তিনি আরো জানান, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের এই সমঝোতা স্মারক শিক্ষার্থীদের মানসম্মত জীবনযাত্রা ও দক্ষতা উন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে পাঁচ সদস্যের একটি পরামর্শক বোর্ড গঠন করা হবে। এই বোর্ড প্রকল্প পরিচালনা এবং সমস্যার সমাধান করবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান, ছাত্র হল-১ এর প্রভোস্ট মুহম্মদ আসাদুজ্জামান সাদী, ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক ড. কে. এ. এম. রিফাত হাসান, আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ আবু লায়েক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ মেজবাহ-উল-আজম সওদাগর, পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নূরুল্লাহ, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. নাসির উদ্দিন আহমদ, এবং ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সাংবাদিকবৃন্দ ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
09/12/2024
জনতা ব্যাংক পিএলসি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোঃ মজিবর রহমান (৯ ডিসেম্বর ২০২৪-সোমবার) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম, পিএইচডি এর সাথে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এসময় জনতা ব্যাংক পিএলসি এর ঢাকা দক্ষিণ বিভাগীয় কার্যালয়ের ডিজিএম মোঃ আবদুল হাই ও মোঃ মিজানুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ এরিয়া অফিসের ডিজিএম অর্জুন কুমার ঘোষসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
07/12/2024
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের বালুভরাট ও অন্যান্য কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে অদ্য ৭ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে প্রক্টর মহোদয়সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে যান।
পরিদর্শনকালে প্রক্টর মহোদয় তাঁর ব্যক্তিগত ক্যামেরায় বালুভরাটের দৃশ্যের ভিডিও:
04/12/2024
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
৪ ডিসেম্বর ২০২৪
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
‘বিপ্লবোত্তর ছাত্র ঐক্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে সমুন্নত রেখে জাতীয় ঐক্যকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক জোটের আয়োজনে অদ্য (৪ ডিসেম্বর ২০২৪-বুধবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবন চত্বরে দেশের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে ‘বিপ্লবোত্তর ছাত্র ঐক্য’ শীর্ষক সভার উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম, পিএইচডি।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য মহোদয় বলেন, “স্বৈরাচারের পতন পরবর্তীতে আমাদের একমাত্র প্রত্যাশা হচ্ছে, ছাত্রনেতৃবৃন্দ দৃঢ় ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে। আমরা বৈষম্যবিরোধী উন্নত গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ে তুলতে চাই।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, “ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়কালে আমরা ক্রিমিনাল ইকোনোমির বয়ান শুনতাম, যা আমাদের দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। ছাত্রসমাজের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ আমাদেরকে মুক্তি দেওয়ার জন্য।”
কলা অনুষদের সাবেক ডিন ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “জবি সকল ধরনের আন্দোলনের রসদ যোগায় কিন্তু জবি’র ত্যাগ কেউ স্মরণ করে না। কাঙ্খিত স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার জন্য কোনো ধরনের বৈষম্য করবো না।”
ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বিলাল হোসাইন বলেন, “ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্যে, ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে এবং মাতৃভূমিতে সকল বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্য থাকতে হবে।”
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, “ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে নিপীড়ন, গুম ও খুনের প্রেক্ষাপট ছিল উল্লেখযোগ্য। সাম্য ও মানবিক বাংলাদেশ নির্মাণে জবিসহ অন্যান্য জায়গায় ঘটে যাওয়া এ ধরনের গুম ও খুনের বিচার করতে হবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে আবাসনসহ পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করতে চেয়েছিলেন কিন্তু দুঃখের বিষয় গত পনের বছরে এর তেমন কোন উন্নতি হয়নি।”
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, “ছাত্রলীগের রাজনৈতিক ট্রেন্ড থেকে বের হতে না পারলে সাধারন শিক্ষার্থীরা কখনও কোন ছাত্র সংগঠনকে গ্রহণ করবে না। শিক্ষার ও শিক্ষার্থীদের অধিকার এবং ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে ছাত্র সংগঠনগুলো এগিয়ে যাবে।”
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “বর্তমানের কাঠগড়ায় অতীতের হাসিনাকে যেভাবে দায় দিচ্ছি, আজকের মঞ্চটিও ঠিক সেরকম গুরুত্বপূর্ণ। এই মঞ্চ থেকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমরা যদি দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র রুখে দিতে না পারি তাহলে আমাদেরকেও কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।”
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, “জাতীয় ঐক্য ও বিপ্লবের জন্য শিক্ষার্থীদের সবসময় সজাগ থাকতে হবে।”
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি রাফিকুজ্জামান ফরিদ বলেন, “দাসত্বের জন্য কোনো বিপ্লব হয় নাই, ফ্যাসিবাদি চক্রান্ত এখনও চলমান। সকল বিভাজন ভুলে আমাদের মধ্যে ঐক্য থাকতে হবে।”
এছাড়াও বিপ্লবোত্তর ছাত্র ঐক্য বিষয়ে আরো বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় ছাত্র সমাজের আহবায়ক সাইফুল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জবি শাখার সভাপতি আসাদুজ্জামান আসলাম ও সেক্রেটারি সুজন মোল্লা, বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবির জবি শাখার সভাপতি ইকবাল হোসেন শিকদার ও সেক্রেটারি আসাদুল ইসলাম, জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের এ কে এম রাব্বি, জাস্টিস ফর জুলাই’র মুখপাত্র মাহি আল মোবাশ্বের ও জবি’র আহবায়ক সজিবুর রহমান, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জবির আহবায়ক ইভান তাহসিব, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নূর নবী, বাংলাদেশ ইসলামিক ছাত্র আন্দোলন জবির সেক্রেটারি আশিকুর রহমানসহ অন্যান্যরা।
অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মাহমুদুল হাসান তানভীর এবং যৌথভাবে সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন জবি প্রেসক্লাবের সভাপতি সুবর্ণ আসসাইফ ও জবি সাংবাদিক সমিতির সেক্রেটারি মামুন শেখ। উল্লেখ্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক জোটের মধ্যে রয়েছে- জবি সাংবাদিক সমিতি, জবি প্রেসক্লাব ও জবি রিপোর্টার্স ইউনিটি।
04/12/2024
বোর্ড অব এডভান্সড স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ এর ১৩তম সভা অনুষ্ঠিত
আজ (৪ ডিসেম্বর ২০২৪-বুধবার) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম, পিএইচডি এর সভাপতিত্বে বোর্ড অব এডভান্সড স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ এর ১৩তম সভা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপকবৃন্দ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
03/12/2024
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
৩ ডিসেম্বর ২০২৪
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইরানি চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগ এবং ফিল্ম ক্লাবের যৌথ আয়োজনে এবং ঢাকাস্থ ইরানের দূতাবাসের কালচারাল সেন্টারের সহযোগিতায় তিন দিনব্যাপী (৩-৫ ডিসেম্বর) ইরানি চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হয়েছে। উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা আজ (৩ ডিসেম্বর ২০২৪) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
‘ইরান-বাংলাদেশ ফিল্ম কো-প্রোডাকশন: ব্রিজিং মার্কেটস অ্যান্ড কালচার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম, পিএইচডি। তিনি বলেন, “ইরান ও বাংলাদেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে অনেক মিল রয়েছে। ইরানি চলচ্চিত্রের সরলতা, নৈতিক শিক্ষা এবং মানবিক বার্তা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সমাজ, সংস্কৃতি ও মানবিকতার দিকগুলো সম্পর্কে জানা সম্ভব। এ ধরনের উৎসব শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জ্ঞানচর্চার নতুন দ্বার উন্মোচন করবে।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন। তিনি ইরানি দূতাবাসকে উৎসব আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “ইরানি চলচ্চিত্রে সমাজের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক শিক্ষনীয় বিষয়গুলো অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়। আমাদের শিক্ষার্থীরা এসব চলচ্চিত্র থেকে অনেক কিছু শিখতে পারে। ইরানি চলচ্চিত্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের দৃষ্টিভঙ্গি ও সৃজনশীলতা আরও সমৃদ্ধ হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মানসুর চাভোশি। তিনি বলেন, “ইরানি চলচ্চিত্র মানুষের জীবনের গল্প, ভবিষ্যৎ এবং মানবিক মূল্যবোধকে তুলে ধরে। এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশ ও ইরানের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”
ইরানের কালচারাল সেন্টারের কাউন্সেলর সাইয়্যেদ রেজা মীর মোহাম্মদী তার বক্তব্যে বলেন, “চলচ্চিত্র একটি শক্তিশালী মাধ্যম যা বিভিন্ন দেশের সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক বার্তা সহজে পৌঁছে দিতে সক্ষম। ইরানি চলচ্চিত্র শুধুমাত্র বিনোদন নয়, বরং শিক্ষার মাধ্যমও। এটি মানুষের জীবনযাত্রা, সংগ্রাম এবং মানবিকতা তুলে ধরার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে।”
ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শাহ মো. নিসতার জাহান কবীর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তিন দিনব্যাপী এই উৎসবে প্রথম দিনে বডিগার্ড, দ্বিতীয় দিনে কালার অব প্যারাডাইজ ও দ্য সারভাইভার, এবং সমাপনী দিনে দ্য সং অব স্প্যারো, টেস্ট অব চেরি, ও চিলড্রেন অব হ্যাভেন প্রদর্শিত হবে। প্রতিটি প্রদর্শনী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।