29/05/2026
আমার বিয়ে হয়েছে আজ দুই বছর।
এই দুই বছর ধরেই আমি বাবার বাড়িতে আছি।
এখনো শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার কপাল হয়নি।
কারণ, আমার বাবা অনুষ্ঠান করে আমাকে
বিদায় দিবে আর শ্বশুরবাড়িতে ঘর তৈরি করছে।
টাকার সমস্যার কারণে সবকিছুতেই অনেক দেরি হচ্ছে।
অন্যদিকে, আমার স্বামী এখনো বেকার।
চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছে, কিন্তু এখনো কোনো চাকরি হয়নি। এই দুই বছরে স্বামীর টাকায় নিজের কোনো শখও পূরণ করতে পারিনি। ছোটখাটো প্রয়োজন হলেও বাবার কাছ থেকেই নিতে হয়।
শ্বশুরবাড়ির মানুষজনও তেমন ভালো ব্যবহার করে না। আমার স্বামী আমাদের বাসায় আসবে, এজন্য ২০০/৪০০ টাকা চাইলেও নানা কথা শুনিয়ে দেয়। আমি বর্তমানে নার্সিংয়ে পড়াশোনা করছি। আমার পড়া শেষ হতে এখনো প্রায় দেড় বছর বাকি। কিন্তু আমার শাশুড়ি পড়াশোনা বন্ধ করে বাচ্চা নিতে চাপ দিচ্ছেন। তিনি আমার স্বামীকেও এসব বুঝিয়েছেন। এখন সেও বাচ্চা নেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।
আমি বলেছি, “আগে আমাকে তোমাদের
বাসায় নিয়ে যাও, তোমার একটা চাকরি
হোক, তারপর বাচ্চার কথা ভাববো।” কারণ,
এখনই সে নিজের হাতখরচের জন্য বাবা-মায়ের কাছে টাকা চাইলে বাসায় ঝামেলা হয়। তাহলে বাচ্চা হলে বাড়তি খরচ কীভাবে সামলাবে?
কিন্তু সে কিছুই বুঝতে চাইছে না। এই বিষয় নিয়ে অনেকদিন ধরেই ঝামেলা চলছে। পরে আমি বললাম, “ঠিক আছে, বাচ্চা নেবো। তবে একটা শর্ত আছে।” আমি বলেছি, আমাকে নগদ এক লাখ টাকা দিতে হবে, যেন প্রেগন্যান্সির সময়ের সব খরচ, প্রয়োজনে
সিজারের খরচ এবং বাচ্চার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সেখান থেকে চালাতে পারি।
তখন আমার স্বামী বলেছে, “সিজারের টাকা
তোমার বাবার বাড়ি থেকে দিবে।”
এই কথাটা আমাকে ভীষণভাবে কষ্ট দিয়েছে। যে সন্তান আমি জন্ম দিবো, যে সন্তান তারও, সেই সন্তানের খরচ নাকি আমার বাবা-মা বহন করবে!
এখন আমি খুব মানসিক চাপে আছি। আমি কি ভুল ভাবছি? এই পরিস্থিতিতে আমার কী করা উচিত? আপুরা, প্লিজ আমাকে একটা সঠিক পরামর্শ দিন।
29/05/2026
28/05/2026
28/05/2026
28/05/2026
28/05/2026
28/05/2026
28/05/2026
28/05/2026
28/05/2026
28/05/2026