Islamic Boyan Tv

Islamic Boyan Tv

Share

Assalamu Alaikum dear visitor I made this page to upload Islamic posts, status, videos.

29/05/2026

আমার বিয়ে হয়েছে আজ দুই বছর।
এই দুই বছর ধরেই আমি বাবার বাড়িতে আছি।
এখনো শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার কপাল হয়নি।
কারণ, আমার বাবা অনুষ্ঠান করে আমাকে
বিদায় দিবে আর শ্বশুরবাড়িতে ঘর তৈরি করছে।
টাকার সমস্যার কারণে সবকিছুতেই অনেক দেরি হচ্ছে।

অন্যদিকে, আমার স্বামী এখনো বেকার।
চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছে, কিন্তু এখনো কোনো চাকরি হয়নি। এই দুই বছরে স্বামীর টাকায় নিজের কোনো শখও পূরণ করতে পারিনি। ছোটখাটো প্রয়োজন হলেও বাবার কাছ থেকেই নিতে হয়।

শ্বশুরবাড়ির মানুষজনও তেমন ভালো ব্যবহার করে না। আমার স্বামী আমাদের বাসায় আসবে, এজন্য ২০০/৪০০ টাকা চাইলেও নানা কথা শুনিয়ে দেয়। আমি বর্তমানে নার্সিংয়ে পড়াশোনা করছি। আমার পড়া শেষ হতে এখনো প্রায় দেড় বছর বাকি। কিন্তু আমার শাশুড়ি পড়াশোনা বন্ধ করে বাচ্চা নিতে চাপ দিচ্ছেন। তিনি আমার স্বামীকেও এসব বুঝিয়েছেন। এখন সেও বাচ্চা নেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।

আমি বলেছি, “আগে আমাকে তোমাদের
বাসায় নিয়ে যাও, তোমার একটা চাকরি
হোক, তারপর বাচ্চার কথা ভাববো।” কারণ,
এখনই সে নিজের হাতখরচের জন্য বাবা-মায়ের কাছে টাকা চাইলে বাসায় ঝামেলা হয়। তাহলে বাচ্চা হলে বাড়তি খরচ কীভাবে সামলাবে?

কিন্তু সে কিছুই বুঝতে চাইছে না। এই বিষয় নিয়ে অনেকদিন ধরেই ঝামেলা চলছে। পরে আমি বললাম, “ঠিক আছে, বাচ্চা নেবো। তবে একটা শর্ত আছে।” আমি বলেছি, আমাকে নগদ এক লাখ টাকা দিতে হবে, যেন প্রেগন্যান্সির সময়ের সব খরচ, প্রয়োজনে
সিজারের খরচ এবং বাচ্চার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সেখান থেকে চালাতে পারি।

তখন আমার স্বামী বলেছে, “সিজারের টাকা
তোমার বাবার বাড়ি থেকে দিবে।”

এই কথাটা আমাকে ভীষণভাবে কষ্ট দিয়েছে। যে সন্তান আমি জন্ম দিবো, যে সন্তান তারও, সেই সন্তানের খরচ নাকি আমার বাবা-মা বহন করবে!

এখন আমি খুব মানসিক চাপে আছি। আমি কি ভুল ভাবছি? এই পরিস্থিতিতে আমার কী করা উচিত? আপুরা, প্লিজ আমাকে একটা সঠিক পরামর্শ দিন।

29/05/2026

হাসবেন্ডকে না জানিয়ে বেবি কনসিভ
করতে চাচ্ছি।

আমি একদম গরীব বাবার মেয়ে।
গরিব ছেলের সাথে বিয়ে হয়েছিলো
করোনার আগে। বিয়ের সময় বাইক
দিতে চাইলেও আমার হাসবেন্ড টাকা
নিয়েছে। তখন খুবই কষ্টে টেনেহিঁচড়ে
সংসার চলতো।এতটাই গরীব অবস্থা
ছিল যে আমি ধ_*র্ষ*নের শিকার হলেও
মামলা করার মত টাকা ছিল না।,
মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য আমার
বাবা ৪ ভাগের ৩ ভাগ টাকা দেয়।
আমার হাসবেন্ড মালয়েশিয়া যাওয়ার
সময় বাচ্চা নেওয়ার চেষ্টা করি ।
সে বিদেশ যাওয়ার পর মিসকারেজ
হয়ে যায়। আলহামদুলিল্লাহ সে
মালয়েশিয়ায় কোম্পানির ফোরম্যান হয়।
এই ৭ বছরে কলাম দিয়ে দোতলা বাড়ি
বানাই। জমিজমা কিনি। আলহামদুলিল্লাহ
আল্লাহ সচ্ছলতা দিয়েছে। সাড়ে চার মন
ওজনের গরু কোরবানী দিলো।
আমার হাসবেন্ড বলতেছে, "সুরাইয়াকে
(খালাতো বোন) ২য় বিয়ে করবো।
আশ্চর্য হয়ে বললাম মানে কি?
বললো তুমি থাকতে না চাইলে চলে
যেতে পারো। ১০ লক্ষ টাকা দিতেও রাজি।
শশুর শাশুড়িকে বললাম, উনারা বললো
আমরা কিছু জানি না। মানে শশুর শাশুড়িও
চায় যেন বিয়ে হয় । দোষ একটাই আমি
গরিবের মেয়ে। তাদের পরিবারের সাথে
যাচ্ছে না। দোতলা বাড়ির আসবাবপত্র
জিনিসপত্র সব যৌতুক দেবে আমার
খালা শাশুড়ি। স্বামীকে বললাম, আমাকে
যে তালাক দিবা আমার তো দোষ থাকা
লাগবে , আমার দোষ কি । বললো কোনো
দোষ নেই, তুমি চলে যেতে পারো।
বললাম RAB কে দিয়ে রিমান্ড নিলে
বিয়ের ভুত মাথা থেকে যাবে ।
বললো, তুমি যত টাকা দিবা RAB কে তার
চেয়ে ৫ গুণ টাকা দেবো।
তোমার খালাতো বোন তো ছোট্ট, ১৫ বছর বয়স। তার তো বিয়ের বয়স হয়নি । বললো, দুই পরিবার বিয়ে ঠিক করে ফেলেছে। স্বামীকে বললাম প্রিয় স্বামী ওই দিনের কথা তোমার মনে আছে? চাল ছিল না, ভাত ছিল না। আমি আলু 🥔 কুড়িয়ে এনেছিলাম। আলু সিদ্ধ করে খেয়ে দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছিলাম, মানুষের কাঁথা সেলাই করেছি, তোমার খাওয়ার দুধের জন্য মানুষের গরুর গোয়াল পরিস্কার করেছি। এলাকায় সবচেয়ে অসহায় গরীব ছিলাম আমরা। সেই তুমি যৌতুকের লোভে ১৫ বছরের মেয়ের সাথে বিয়ে করতে চাচ্ছো। উপরে আল্লাহ সব দেখছে।
আপুরা , আমি চাচ্ছি আমি বেবি কনসিভ করবো , প্রেগ*ন্যান্ট অবস্থায় ডি*ভোর্স হয় না। এই সম্পদের ওয়ারিশ আমার বাচ্চা হবে। আমার হাসবেন্ড বাচ্চা চায় না। আমি বাচ্চা কনসিভ করে তাকে জানাতে চাই। সে সতর্ক থাকে এখন আমি এখন কি করবো? কিভাবে চেষ্টা করবো ?

28/05/2026

আমি ডিভোর্সি।।। বাবু আছে।
সেকেন্ড বার বিয়ের জন্য ভাবছি।
।।ফেসবুক থেকে পরিচয় হয়েছে৷

আবার বাজে ভাবে ঠকেছি।।কারন
উনার বউ আছে৷ এটা আমি যানতাম নাহ।
।।আমি আস্তে আস্তে ভাবা শুরু করলাম
এখন বাসায় বলা যায়।।

পারিবারিক ভাবে দেখা শুনা হোক৷ তখন
যেয়ে এই কাহিনি বের হয়।।যাই হোক কথা
আর আগায় নায়।।

তো বিবাহিত যেনে ৯/১০ দিন হয় ব্লক
দিয়েছি৷ আগে যানলে ত সরে আসতাম।
।এখন এটা ভাবাচ্ছে আমাকে।
।কষ্ট দিচ্ছে৷সে তো জানতো৷
আমি কেমন।।।ভাঙা মনের মানুষ৷
যেনে শুনে এমন করলো কীভাবে??
ঈদ এর দিন।।তার বউ আছে৷
পরিবার আছে।।আমার ত আল্লাহ
ছাড়া কেউ নেই।।

এর আগে এক ঠকবাজ ঘটক ও এমন
কাজ করছে।।।

ভেবে পাইনা আমার সাথেই এমন হয় কেনো??

আপনারা বলেন তো আমি কীভাবে মানুষ
চিনবো আর কী করলে মানসিক ভাবে শক্ত
থাকবো।।

ধন্যবাদ সবাইকে।।দুঅ করবেন আমার জন্য৷
সবাই কে ঈদ মুবারক।

28/05/2026

আমি হিন্দু থেকে মুসলিম হয়ে ভালোবেসে
একজনকে বিয়ে করেছিলাম।আমাদের
সংসার ৩ বছর ভালোই চলছিল।
তারপর গত বছর আমার হাসবেন্ড তার
এক বিবাহিত কলিগের সাথে কথা
বলতে শুরু করে। একদম বিয়ে পর্যন্ত চলে
যাই দুজনে।কিন্তু তার ওই কলিগ ও
জানতো আমার হাসবেন্ড বিবাহিত।
আমি জানার পরে সে ওই মেয়ের সাথে
আর কথা বলে না। আমার পা ধরে মাপ
চাইছে তওবা করছে আমিও মাপ করে দিছি।
কিন্তু কিছুদিন পর আবার তার এক
ক্লাসমেটের সাথে কথা বলতে শুরু করে।
সব রকম কথা বলতো। আমি তার ফোন
নিলে দেখতে পাই সব। পরে জিজ্ঞেস
করলে বলে এমনি টইম পাস করছে।
এখন আমি ৬ মাসের গভর্বতী এখন
আবার ও কথা বলা পুরু করছে ওই
ক্লাসমেটের সাথে। এই ব্যাপারে কিছু
বললে রাগারাগি করছে।আমি বলছি
আমায় ভালো না লাগলে ওই মেয়েকে
বিয়ে করতে পারে আমার সমস্যা নাই
এখন আমি কি করব আমি সিদ্ধান্ত হীনতায় ভুগছি।আমি আর থাকতে পারছি না। ওকে দেখলেও আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে।কিন্তু আমার যাওয়ার জায়গা নাই কারণ আমি পালাই বিয়ে করছি বাবা মা মেনে নেয়নি।

28/05/2026

Dear girls,,, তোমরা যারা রিলেশনে
বয়ফ্রেন্ডের সাথে ইন্টিমেট হচ্ছো,,,
তোমাদের কি দায়িত্ব না তার আগে,
তোমাদের বয়ফ্রেন্ডদের ব্যাপারে খোজ
খবর নেওয়া??

গত কালকে আমি জানতে পারি, আমার
হাজবেন্ডের এক্সট্রা ম্যারিটিয়াল এফেয়ার
এর সম্পর্কে। লাস্ট ১ ইয়ার ধরে চলছিলো।
আমার হাজবেন্ড বলে যে বলছি,, তাও,
আমার বমি আসছে ।
যাই হোক, যেই মেয়ে তার গালফ্রেন্ড ছিলো,,
সে রিলেশন শুরুর ৭ দিন পরের বসুন্ধরা
থেকে মোহাম্মদপুরের একটা ( ডে বেসিসে
যে ফারর্নিসড এপ্রার্টমেন্ট যে ভাড়া দেয়)
ওখানে চলে আসে। আর, তারা ইন্টিমেটও হয়।
এটা গত কোরবানীর সময়ের কাহিনি খুব
সম্ভবত।
এর পর থেকে,, সেটা থেকে আর তারা বের
হতে পারে নি।
আমি তাদের কনভারসন থেকে বুঝতে পারলাম,
মেয়েটা নিডি( ফাইন্সসিয়াল + ফিজিক্যাল
বোথ ওয়েতে)। আমি তাদের ক্যামেস্ট্রি থেকে
অনেক অবাক হয়েছিলাম। আমার কাগজে
কলমের হাজবেন্ড কে জিগেস করলাম, "
সে তার গালফ্রেন্ডকে বিয়ে করতে চায় কিনা?
" সে জানায়েছে, বিয়ে করার কথা চিন্তা করে নাই।
আর, ওই মেয়ের মতো মেয়েদের নাকি বিয়ে
করা যায় না। "
আমি ভাবলাম,, ওই মেয়েকে পুরো বিষয়টা জানানো উচিত। তাকে কল দিয়ে সব বলার পরে, সে আকাশ থেকে পড়লো। সে কিছুই জানে না। একটা ২৮-৩০ বছরের মেয়ে,, এই যুগে এসোও, তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে এতো সিরিয়াস হওয়ার আগে, দেখবা না যে, তার পরিচয় আসলে কি। নরমালি সোসাল মিডিয়ার পোস্ট, কমেন্ট বক্স চেক করলেই তো অনেকটা বোঝা যায়৷ যে করে নাই কিছুই। সে, আসলে খোজ নিতে চায় ও নাই। এটা তার ফল্ট।

ওয়ান মোর থিং, সে আমার হাজবেন্ডের সাথে শুয়েছে,, এর জন্য রাগে আমি এগুলো বলছি,,,,, ব্যাপারটা মোটেও সেটা না। তার সাথে যতক্ষণ কথা হয়েছে, আমি তাকে একটা বাজে কথাও বলি নি,, অথবা, তাকে ছোট ও করি নি। আমার তার প্রতি কোনো রাগ নেই। কারন, আমি আমার মাকে ভালোবাসি। আর, মাকে ভালোবাসি বলেই, কোনো মেয়েকে অসম্মান করতে পারি না।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, সে যদি এখানে ভিক্টিম কার্ড পেলে করে,, সেটা কতটা যুক্তিযত! সে মাস্টার্স কম্পিলিট করা মেয়ে হয়েও, কেন এই ভুল করলো। তাও নিজে ইচ্ছে করে। এখানে দোষ তারও নয় কি!

আর হ্যা, আমাদের বিয়ের পরে সেই আমার তথাকথিত হাজবেন্ডের একমাত্র গালফ্রেন্ড ছিলো না। এর আগেও ছিলো, অনেক অনেক। কিন্তু, খুব সম্ভবত মেয়েগুলো সিন- সিয়ার ছিলো এই ব্যাপারে।। তাই তারা বেঁচে গেছে।

আর তোমরা মেয়েরা যারা, ডেটিং এপ্যাসে ছেলে খোঁজো! তোমাদের বুদ্ধি কই রেখেছো!! একটু বলতো, খালি আমার হাজবেন্ড না, এই রকম হাজার হাজার শুয়োরের থেকে নিকৃষ্ট জীব আসে পাশে অভাব নেই। তোমরা কেন নিজেদের নিয়ে সিনসিয়ার না, বলো তো! ওদের ফাঁদে কেন পা দাও!

আমি জানি, অনেকেই বলবে, থাকেন কেন এমন জামাইয়ের সংসারে? তাদের জন্য বলি, সংসার আমার কখনোই ছিলো না। আর কে থাকতে চায়, এমন অবস্থায়। যারা থাকে বাধ্য হয়ে থাকে। আর কোনো উপায় না পেয়ে থাকে। তাদের যে কি কস্ট,, যাকে দেখলে ও বমি পায়, তার সাথেই থাকতে হচ্ছে। এটা একমাত্র যারা ফেইস করেছে, তারা ফিল করতে পারবে।

অনেকদিন আগে, এই গ্রুপের একটা মেয়ে পোস্ট করেছিলো যে, "উনি ডেটিং এ্যাপ্সের থ্রুতে একটা
লোকের সাথে পরিচিত হয়েছিলাম। তারপর, তাদের মধ্যে ন্যানোশিপ হয়েছিলো। ওই লোকের বউ পরবর্তী তে মেয়ে ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করে তাদের সম্পর্কে। আবেগের জন্য, উনি মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করে তার সংসার কেন নষ্ট করলো? মেয়েটা তাকে বলেছিলো, এমন হাজবেন্ড পাশে ঘুমায় কেমন করে,, আবার অন্য মেয়েদের দোষ দেয়! " এ সমস্তই সে, আরো বিস্তারিত ভাবে লেখেছিলো।যা আমার মনেও নাই।

তোমরা যারা এমন করে ভাবো, তাদের কে বলি, শোনো, রাতে ঘুম হয় না । মাথার সব রগ গুলোও ছটফট করতে থাকে মুক্তি পাবার জন্য। নিজের পছন্দ জামাও পড়তে চায় না আর। আয়না দেখতে চায় না। নিশ্বাস নিতে কস্ট হয়।

পোস্ট পরে, তোমারা যারা আমাকে লিগ্যাল একশন নিতে বলবা, তাদেরকে বলি, কোনো ম্যারিড ছেলে যদি, কোনো ম্যারিড মেয়ের সাথে এফেয়ারে জড়ায়, তাহলে সেটা আইনিভাবে ইলকিগাল না। এতো তেমন কোনো শাস্তিই হয় না। বুঝছো ব্যপারটা!

28/05/2026

আমার বিয়ে হয়েছে আজ দুই বছর।
এই দুই বছর ধরেই আমি বাবার বাড়িতে আছি।
এখনো শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার কপাল হয়নি।
কারণ, আমার বাবা অনুষ্ঠান করে আমাকে
বিদায় দিবে আর শ্বশুরবাড়িতে ঘর তৈরি করছে।
টাকার সমস্যার কারণে সবকিছুতেই অনেক
দেরি হচ্ছে।

অন্যদিকে, আমার স্বামী এখনো বেকার।
চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছে, কিন্তু এখনো কোনো
চাকরি হয়নি। এই দুই বছরে স্বামীর টাকায়
নিজের কোনো শখও পূরণ করতে পারিনি।
ছোটখাটো প্রয়োজন হলেও বাবার কাছ
থেকেই নিতে হয়।

শ্বশুরবাড়ির মানুষজনও তেমন ভালো
ব্যবহার করে না। আমার স্বামী আমাদের
বাসায় আসবে, এজন্য ২০০/৪০০ টাকা
চাইলেও নানা কথা শুনিয়ে দেয়। আমি
বর্তমানে নার্সিংয়ে পড়াশোনা করছি।
আমার পড়া শেষ হতে এখনো প্রায়
দেড় বছর বাকি। কিন্তু আমার শাশুড়ি
পড়াশোনা বন্ধ করে বাচ্চা নিতে চাপ
দিচ্ছেন। তিনি আমার স্বামীকেও এসব
বুঝিয়েছেন। এখন সেও বাচ্চা নেওয়ার
জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।

আমি বলেছি, “আগে আমাকে তোমাদের
বাসায় নিয়ে যাও, তোমার একটা চাকরি
হোক, তারপর বাচ্চার কথা ভাববো।”
কারণ, এখনই সে নিজের হাতখরচের
জন্য বাবা-মায়ের কাছে টাকা চাইলে
বাসায় ঝামেলা হয়। তাহলে বাচ্চা হলে
বাড়তি খরচ কীভাবে সামলাবে?

কিন্তু সে কিছুই বুঝতে চাইছে না।
এই বিষয় নিয়ে অনেকদিন ধরেই ঝামেলা চলছে। পরে আমি বললাম, “ঠিক আছে, বাচ্চা নেবো। তবে একটা শর্ত আছে।” আমি বলেছি, আমাকে নগদ এক লাখ টাকা দিতে হবে, যেন প্রেগন্যান্সির সময়ের সব খরচ, প্রয়োজনে সিজারের খরচ এবং বাচ্চার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সেখান থেকে চালাতে পারি।

তখন আমার স্বামী বলেছে, “সিজারের টাকা তোমার বাবার বাড়ি থেকে দিবে।”

এই কথাটা আমাকে ভীষণভাবে কষ্ট দিয়েছে। যে সন্তান আমি জন্ম দিবো, যে সন্তান তারও, সেই সন্তানের খরচ নাকি আমার বাবা-মা বহন করবে!

এখন আমি খুব মানসিক চাপে আছি। আমি কি ভুল ভাবছি? এই পরিস্থিতিতে আমার কী করা উচিত? আপুরা, প্লিজ আমাকে একটা সঠিক পরামর্শ দিন।

28/05/2026

ঈদের দিন গোসল না করে নামাজ না
পরে দরজা বন্ধ করে হাও মাও করে
কান্না করেছেন কখনো

😅💔🥀

৩০ টা ঈদ যাচ্ছে নতুন জামা কিনি না
কোন ঈদে গোসল করি না নামাজ পরি
না খাবারও খাইনা 😅💔

এই ৩০ টা ঈদ আমি দরজা বন্ধ করে
কান্না করছি 😅🥀

কাওকে বুজতে দেয়"নি মা বেচে থাকার
পরেও আমি আমার মা"কে জরিয়ে
ধরতে পারি না তাকে দেখতে পারি না
😅🥀💔

বুজো মা তুমি আমাকে কতটা ভয়ংকর
ভাবে ঠোকিয়েছো আমাকে হ*ত্যা
করেছো 😅🥀💔

তুমি সুখি হও দোয়া করি অনেক সুখি
হও এতটাই সুখি হও যে তোমার যেন
মনেই না পরে ৭ বছরের একটা
শিশুকে তুমি কমলাপুর রেলস্টেশনে
রেখে পর*কি*য়া প্রেমিক এর হাত
ধরে চলে গেছিলে 😅🥀

ঈদ মোবারক আম্মু
ইতি তোমার আয়ান😢

28/05/2026

আমার কোনো অভিযোগ নেই কারোর প্রতি।
তবে ২ বছর এক জানোয়ার এর সাথে সংসার
করে আমি শেষ হয়ে গিয়েছি।
আমি সাত মাসের প্রেগন্যান্ট।
আমাকে প্লিজ বাঁচান। আমার যাওয়ার
কোনো জায়গা নাই৷ আমাকে আর
আমার বাচ্চাকে মেরে ফেলবে জানোয়ার টা।
আমি এতো মাইর আর সহ্য করতে
পারতেছি না৷
আপনাদের কি কোনো ফ্রি শেলটার হোম আছে?
আমি নিরাপদে থাকতে পারবো৷আমার আব্বা
অনেক রাগী আমাকে কখনোই বুঝবে না।
আর আমি মরতে চাই না। আমার বাচ্চাকে
দুনিয়াতে নিয়ে আস্তে চাই৷

28/05/2026

আমি একজন বিবাহিত মেয়ে।
গত দুই বছর ধরে আমেরিকায়
আমার স্বামীকে নিয়ে সংসার করছি।
এই দুই বছরে আমাদের জীবন খুব
সাধারণ, শান্তিপূর্ণ এবং সুন্দরভাবেই
চলছিল। কিন্তু কিছুদিন আগে হঠাৎ
করেই আমাদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব
তৈরি হয়েছে।

ঘটনার শুরু প্রায় এক মাস আগে,
আমার একটি ফেসবুক পোস্টকে
কেন্দ্র করে। পোস্টের ক্যাপশনে আমি
লিখেছিলাম—
“আমার স্বামী আমার কাছ থেকে টাকা
ধার নেয়, কিন্তু ফেরত দেয় না। তবুও
আমি তাকে টাকা দিই, কারণ আমি তাকে
অনেক বেশি ভালোবাসি।”

পরের দিন আমার ভাবি আমাদের বাসায় এসে আমার স্বামীকে বললেন, “তুমি নাকি তোমার স্ত্রীর কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে ফেরত দাও না?”
মূলত এখান থেকেই সমস্যার শুরু।

এরপর ভাবি আমাকে আলাদা করে জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন, আমি স্বামীর কাছ থেকে কত টাকা পাই। আমি সব হিসাব খুলে বললাম। পরে তিনি জোর করে আমার হাতে বেশ কিছু টাকা তুলে দিলেন। আমি সেই টাকা নিতে চাইনি, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে আর না করতে পারিনি।

কিছুদিন পর আমার স্বামীর হঠাৎ টাকার প্রয়োজন হয়। তখন সে তার এক বন্ধুর কাছে টাকা ধার চাইলে, সেই বন্ধু বলে—
“ভাবি তো স্যালারি পেয়েছে, ভাবির কাছ থেকে নিলেই তো হয়।”

তখন আমার স্বামী খুব কষ্ট পেয়ে বলেছিল—
“জীবনে আর কোনোদিন তার কাছে টাকা
চাইবো না। আমাকে অপমান করা হয়েছে।
মৃত্যুও যদি হয়, তবুও আর কখনো তার
কাছে টাকা চাইবো না।”

এই ঘটনার পর থেকেই আমার স্বামী যেন বদলে গেছে। গত এক মাস ধরে সে আমার সঙ্গে ঠিকমতো কথা বলে না। আমি কিছু বললে দেরিতে উত্তর দেয়, রাতে বাসায় ফিরতে দেরি করে, ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়াও করে না। আমি খাওয়ার কথা জিজ্ঞেস করলে বলে—
“বাইরে খেয়ে এসেছি, আমার পেট ভরা।”

এসব বিষয় আমাকে মানসিকভাবে খুব কষ্ট দিচ্ছে। আমি বুঝতে পারছি না, কীভাবে আমার স্বামীকে আগের মতো করে ফিরে পাব। আমি শুধু চাই, আমাদের সম্পর্কটা আবার আগের মতো সুন্দর হয়ে যাক।ল

28/05/2026

আমি একজন ছেলে।
বয়স ২০ বছর। এবার এইচএসসি
পরীক্ষা দেবো। আমাদের আর্থিক অবস্থা
খুব বেশি ভালো নয়। তাই আমি
পড়াশোনা করে জীবনে ভালো একটা
অবস্থানে যেতে চাই।
আসল বিষয় হলো, আমি একটি ক্লাস
টু–এর বাচ্চাকে টিউশন করাই।
সমস্যাটা হচ্ছে তার মাকে নিয়ে।
উনার বয়স আনুমানিক ২৮ বছর,
তিনি একজন বিধবা। শুরু থেকেই বুঝতে পেরেছিলাম উনি আমাকে পছন্দ করেন, তবে এখন তিনি সরাসরি আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন।
উনাদের আর্থিক অবস্থা অনেক ভালো এবং সমাজেও তাদের যথেষ্ট সম্মান আছে। প্রথমে ভেবেছিলাম টিউশনটা ছেড়ে দেবো, কিন্তু বাচ্চা মেয়েটার জন্য পারছি না।
সে আমাকে অনেক ভালোবাসে এবং খুব আপন মনে করে।
আমি আবেগের বশে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নিতে চাই না। উনি বলছেন, এখন গোপনে বিয়ে করে রাখতে, পরে সবাইকে জানানো যাবে। কিন্তু এই অবস্থায় তাকে বিয়ে করা কি আমার জন্য ঠিক হবে? আমি কাউকে কষ্ট দিতে চাই না, আবার নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও চিন্তিত।
এখন আমার করণীয় কী হতে পারে?

28/05/2026

আমি এখন সাত মাসের প্রেগন্যান্ট।
কিছুদিনের জন্য ননদের বাসায় বেড়াতে এসেছি।
সেদিন বাসায় অনেক আয়োজন করে রান্না
হয়েছিল—চিংড়ি মাছ, ডিম, মুরগি, হাঁসের মাংস,
গরুর মাংস আর কয়েক ধরনের সবজি।

ফজরের নামাজের পর সকালে আমি অল্প
একটু ভাত খেয়েছিলাম, সেটাও আমার স্বামীর হাতে।
এখন একসাথে বেশি খেতে পারি না, কারণ একটু
বেশি খেলেই নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। এরপর আর
আমাকে কিছু খেতে দেওয়া হয়নি।

দুপুরে সবাই যখন খেতে বসলো, তখন বাড়ির
পুরুষরা একসাথে খাচ্ছিল। আর আমাকে
বলা হলো রান্নাঘরে গিয়ে খেয়ে নিতে।
আমি সবার খাবার পরিবেশন শেষ করার
পর আমার স্বামী জিজ্ঞেস করলো, “তুমি খেয়েছো?”
তখন আমার শাশুড়ি জোরে বললেন,
“তোর বউকে তো সবার আগেই খাবার দিয়ে দিয়েছি, ও খাচ্ছে।”

কিন্তু হয়তো তারা ভাবেননি, আমার স্বামী নিজে এসে দেখে যাবে। সে এসে দেখে, আমার পাতে শুধু দুই টুকরো আলু আর একটা মুরগির পা রাখা। 🥲

এরপর শাশুড়ি বললেন,
“কম করে খেতে হবে। বেশি খেলেই বাচ্চা বড় হয়ে যাবে, পরে সিজার লাগবে।”

এই কথাগুলো শুনে আমার স্বামী নিজেও আর খায়নি। আমাকেও খেতে দেয়নি। সাথে সাথেই আমাকে নিয়ে সেখান থেকে চলে এসেছে।

পরে বাসায় এসে শাশুড়ি আমার স্বামীকে বললেন,
“তোর যদি মনে হয় আমরা তোর বউকে খেতে দেই না, অত্যাচার করি, তাহলে ওকে ওর বাবার
বাড়িতে দিয়ে আয়। সেখানে ও ভালো থাকবে।”

তখন আমার স্বামী উত্তর দিল,
“কেন? আমি কি মারা গেছি? যে আমার বউকে শ্বশুরবাড়িতে থাকতে হবে?”

এরপর টানা চারদিন আমার স্বামী ওদের
সামনেই আমার জন্য বাইরে থেকে খাবার
নিয়ে এসেছে। আর সেই থেকেই শাশুড়ি
আমার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন।

এখন চাচি শাশুড়ি এসে বলছেন, স্বামী বাইরে
গেলে আমি যেন শাশুড়ির পা ধরে মাফ চাই।
তাহলে নাকি উনার মন ভালো হয়ে যাবে।

কিন্তু আমি বুঝতে পারছি না, আমি এমন কী ভুল করেছি, যার জন্য আমাকে মাফ চাইতে হবে? নিজের কষ্টের কথা বলাটাই কি এত বড় অপরাধ? এই বিষয়টা কি আমার স্বামীকে খুলে বলা উচিত? নাকি চুপচাপ মাফ চেয়ে সম্পর্কটা ঠিক করে নেওয়াই ভালো হবে?

সত্যি বলতে, এই অবস্থায় মানসিকভাবে খুব
ভেঙে পড়েছি। আপুরা, একটু পরামর্শ দিবেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka
7721