05/05/2026
এই বাচ্চাগুলার প্রতি রাষ্ট্রের কি দায় নাই?
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য ২০১৪ সাল থ?
05/05/2026
এই বাচ্চাগুলার প্রতি রাষ্ট্রের কি দায় নাই?
স্কুলের নাম "রওশন আরা বিদ্যানিকেতন" থেকে পরিবর্তন করে "ইচ্ছেখুশী বিদ্যালয়" রাখা হয়েছে। এবং স্কুলের জন্য "রওশন আরা ট্রাস্ট" গঠন করা হয়েছে।
রাস্তায় বসবাসরত পরিবারহীন, ঘরবাড়িহীন এতিম বাচ্চাদের জন্য আমরা আবাসিক স্কুল বানাচ্ছি। এখনো প্রচুর টাকা ডোনেশন প্রয়োজন।
ভিডিও- আমাদের স্কুলের বিগত ১১ বছরের কিছু ছোট ছোট স্মৃতি...
13/03/2026
আমাদের জার্নিটা শুরু আরো ১১ বছর আগে, ২০১৪ সালে। একটু করে আমাদের জার্নির শুরু থেকে ছবিগুলো আপলোড দিলাম। গল্প বোঝার জন্য প্রতিটি ছবির ক্যাপশন পড়ুন।
আমাদের স্বপ্ন, রাস্তায় বসবাস করা পরিবারহীন, আশ্রয়হীন শিশুদের ঘর দেওয়া, ভবিষ্যৎ দেওয়া। অনেক অনেক সংগ্রাম করে সেই ছোট্টবেলা থেকে আমরা নিজেরাও বড় হয়েছি, স্কুলটাকেও বড় করেছি আলহামদুলিল্লাহ। আমাদের স্বপ্নের পথে অনেকটা অগ্রসর হয়েছি আমরা।
আমাদের এই স্বপ্নে আপনাদের অংশগ্রহণ কাম্য। ফান্ডের অভাবে কাজ মাঝপথে থেমে আছে। এতিম অসহায় বাচ্চাদের জন্য এই আবাসিক প্রতিষ্ঠান, এখানে যাকাতের টাকাও দেওয়া যাবে। যারা ডোনেট করবেন তাদের কাছে আয় ব্যয়ের হিসাব ওপেন করে দেওয়া হবে, যেন আপনার টাকা ঠিক কোথায় খরচ হচ্ছে জানতে পারেন।
সাহায্য পাঠানোর জন্য ইনবক্স করুন।
13/03/2026
আলহামদুলিল্লাহ। কিছু ফান্ড ম্যানেজ হওয়ায় আল্লাহর নামে আবার স্কুলের কাজে হাত দিলাম৷ তবে এই কাজ চলমান রাখতে আরো অনেক টাকার প্রয়োজন।
এই স্কুলটা রাস্তার পরিবারহীন, আশ্রয়হীন বাচ্চাদের জন্য আবাসিক স্কুল। এখানে যাকাতের টাকা দেওয়া যাবে।
স্কুলের কাজ এই পর্যন্ত হয়ে থেমে গেছে। রমজান মাসে যাকাত দিয়ে এতিম বাচ্চাদের এই স্কুলটা সচল করতে সাহায্য করুন 🙏
ফান্ডের অভাবে স্কুলের কাজ আপাতত বন্ধ আছে
06/01/2026
স্কুলের কাজ চলছে আলহামদুলিল্লাহ। স্কুল ঘর কেনা ও বসানো মিলে সাড়ে আট লাখের মতো খরচ হয়েছে। এরপরে বাথরুম আর কিচেন বানাতে খরচ হচ্ছে ৪ লাখ+ টাকা। এখন আমাদের হাতে কোনো টাকা অবশিষ্ট নাই 😓
আমাদের আরো ৭-৮ লাখ টাকা ফান্ডিং করা লাগবে। খাতগুলা হলো:
১। পানির জন্য সাবমার্জ (২-২.৫ লাখ)
২। পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য সেপটিক ট্যাঙ্ক (২-২.৫ লাখ), স্যানিটারি (প্রায় ৫০ হাজার)
৩। বাউন্ডারি (প্রায় ১ লাখ)
৪। ফার্নিচার (প্রায় ১ লাখ)
৫। বাচ্চাদের মৌলিক প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র (প্রায় ১ লাখ)
৬। অন্তত একটা কম্পিউটার
আমরা বিস্তারিত হিসাব রাখি এবং ডোনারদের সেই হিসাব দেখার এক্সেস দেই। আপনারা যারা সামর্থবান আছেন তারা অনুগ্রহ করে এগিয়ে আসুন।
উল্লেখ্য, এই স্কুলটি বিগত ১০ বছর ধরে চালাচ্ছি আমরা আলহামদুলিল্লাহ। শুরু হয়েছিলো ফুটপাতে আর মাঠে পড়ানোর মধ্য দিয়ে।
মাঠ, ফুটপাত, গ্যারেজ, টিনের ঘর, ফ্ল্যাট বাসা থেকে এখন আলহামদুলিল্লাহ আমরা জমি লীজ নিয়ে বাচ্চাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থাসহ স্কুল বানাচ্ছি।
রাস্তার বাচ্চারা, যাদের মাথার উপর কোনো ছাদ নাই, তাদেরকে তুলে এনে এখানে পালব আমরা ইনশাআল্লাহ।