ব্ল্যাকবোর্ড

ব্ল্যাকবোর্ড Share your knowledge with others. Everyday know something new and also teach other something new through this page.

Psychology  শব্দটির উৎপত্তি গ্রীক থেকে। ইংরেজি ভাষায় যেসব বিদেশি শব্দের অনুপ্রবেশ ঘটেছে, সেসব শব্দের ক্ষেত্রে  কিছু কিছু...
20/01/2022

Psychology শব্দটির উৎপত্তি গ্রীক থেকে। ইংরেজি ভাষায় যেসব বিদেশি শব্দের অনুপ্রবেশ ঘটেছে, সেসব শব্দের ক্ষেত্রে কিছু কিছু সময় মূল শব্দের বানান(spelling) ঠিক রেখে উচ্চারণের(pronunciatio) সময় কিছুটা পরিবর্তন করা হয়। মূলত সহজেই উচ্চারণের সুবিধার্তে এই পরিবর্তন করা হয়। যেমন, xylophone শব্দটির উচ্চারণ করা হয় Zylophone এর মত, কিন্তু এর বানান(spelling) মূল শব্দের সাথে মিল রেখে xylophone-ই রাখা হয়েছে।

ঠিক তেমনি Psychology শব্দটির বানান মূল শব্দের সাথে ঠিক রেখে উচ্চারণ Sychology এর মত করা হয়।

Can you appreciate someone now? Mention the person's name.
17/01/2022

Can you appreciate someone now? Mention the person's name.

আমাদের সবার গানের গলা খুব ভালো না হলেও বাথরুমে কিন্তু আমরা সবাই কমবেশি গান গাই। কারণ বাথরুমে আমাদের গলাকে আমাদের কাছে আই...
13/01/2022

আমাদের সবার গানের গলা খুব ভালো না হলেও বাথরুমে কিন্তু আমরা সবাই কমবেশি গান গাই। কারণ বাথরুমে আমাদের গলাকে আমাদের কাছে আইয়ুব বাচ্চু, জেমস, তাহসান এর চেয়েও ভালো মনে হয়। কিন্তু কেন এইরকম হয়? চলুন জেনে নেই।

সুন্দর গান গাওয়ার জন্য যে কিছু মুখ্য উপাদান দরকার হয় বাথরুমে প্রায় তার সবগুলোই রয়েছে। যেমন, দেয়ালের কথাই ধরা যাক।

বাথরুমের টাইলস শব্দ শোষণ করে না, তাই যখন আপনি গান করেন,তখন নিঃসৃত শব্দগুলো মিলিয়ে যাওয়ার আগে উপরে নিচে ধাক্কা খেতে থাকে এবং আমাদের আওয়াজকে আরও বেশি শক্তিশালী করে তোলে। দ্বিতীয়ত,কনসার্ট হলের একটা নির্দিষ্ট আকার থাকে। আপনার বাজেট কম হলে বাথরুমকেই আপনি কনসার্ট হল হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।কারণ কনসার্ট হলের কিছু সুবিধা এতে পাবেন, যেমনঃ আপনি শক্তিশালী আওয়াজ পাচ্ছেন,পাশাপাশি সামান্য পরিমাণ বেসও আপনার স্বরে যুক্ত করছে।

এছাড়াও, দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে শব্দগুলো প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করে,শব্দগুলোকে কিছুটা ছড়িয়ে দেয়। ফলে আপনার স্বর আরও বেশি শ্রুতিমধুর এবং অর্নামেটেড মনে হয় ঠিক যেন অটো টিউনের মতো কৃত্রিম স্বর। তাই আপনার বাথরুমে গান গাওয়ার প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায়।

তাছাড়া, বাথরুমই হচ্ছে আপনার কর্ম থেকে মুক্তির স্থান। আমরা যখন ঝর্ণা ছেড়ে দিই বা শরীরে পানি ঢালতে থাকি,তখন মনে হয় জীবনের সব হতাশা,মানসিক চাপ,বিভ্রান্তি থেকে মুক্তি পাচ্ছি, যা আমাদেরকে আনন্দিত করে তোলে। পাশাপাশি আমাদের মস্তিষ্কও ভালো অনুভূতি সৃষ্টি করে এমন হরমোন ডোপামিন নিঃসরণ করতে থাকে, যা আমাদের স্নায়ুকে প্রশান্ত করে তোলে এবং প্রফুল্লতা বাড়িয়ে দেয়।

আর আমরা এ ভালো অনুভুতিগুলোকে প্রকাশ করতে গান গাওয়া শুরু করি। আমাদের ভোকাল কর্ডগুলি খোলার ফলে স্ট্রেস হ্রাস, ফুসফুসের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে।

#ব্ল্যাকবোর্ড
#প্রশ্ন

#বিজ্ঞান

.
12/01/2022

.

*পুরোলেখার সারাংশ নীচের ধাপে আছে যাদের সময় নেই তারা সেখানে দেখে নিন*আলো বলতে আমরা আসলে কি বুঝি? উইকিপিডিয়া অনুযায়ী বলতে ...
12/01/2022

*পুরোলেখার সারাংশ নীচের ধাপে আছে যাদের সময় নেই তারা সেখানে দেখে নিন*

আলো বলতে আমরা আসলে কি বুঝি? উইকিপিডিয়া অনুযায়ী বলতে গেলে, আলো একধরনের শক্তি যা আমাদের চোখে প্রবেশ করে আমাদের দর্শনের অনুভূতি যোগায়। কিন্তু এটি নিজে অদৃশ্য।

এটি মূলত আমাদেরকে দৃশ্যমান আলোর ব্যাখ্যাই দেয়। কিন্তু, আপনি কি জানেন আমাদের আশেপাশের দৃশ্যমান বস্তুতে যে আলো পড়ছে সে আলোর সম্পুর্ণটা আপনার চোখে এসে পড়ছে না। বা আপনি দেখতে পাচ্ছেন না। ধরুন আপনার সামনের একটি কেক এ আলো পড়ে সেই আলো আপনার চোখে পড়েছে। আপনি সে কেক টা দেখে কেক টা নিতে গেলেন এমন সময় টেবিলের ওপর রাখা লোহায় আপনার হাত কেটে গেলো। লোহাটা আপনার হাতে লাগলো কারণ লোহাতে পড়া আলো আপনার কাছে আসেনি। অথবা ওই আলো আপনার চোখে এসেছিলো কিন্তু আপনার চোখ সে আলো দেখার সক্ষম হয় নি।
তারমানে বুঝতে পারছেন চোখে দেখলেই কিন্তু সব বিশ্বাস করা যায় না।

এবার আসি আসল কথায়। আলো কিন্তু মুলত এমন এক আশ্চর্য শক্তি যার কণা ধর্মও আছে আবার তরঙ্গ ধর্মও আছে। আলোর যেহেতু তরঙ্গ ধর্ম রয়েছে তাই তার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য(একটা পূর্ণ ঢেউয়ে কতদূর যায়), কম্পাঙ্ক( প্রতি সেকেন্ডে কয়টা তরঙ্গ বা ঢেউ খেলে) এগুলো আছে। কথা হচ্ছে রেডিওতে আমরা যে গান শুনি তারও কিন্তু তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আছে, কম্পাঙ্ক আছে কিন্তু তবুও আমরা রেডিওর গানের সিগনালকে দেখতে পাই না কেন? অর্থাৎ, সে আলো আমাদের চোখে এসে পরে না অথবা আমাদের চোখ সে আলোকে গ্রহন করে না মানে ফিরিয়ে দেয়।
আসলে এটা শুধু একটা উদাহরণ আমাদের আশেপাশে এমন অনেক আলোই আছে যা আমরা দেখতে পাইনা। মানুষের চোখ একটা নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোর মধ্যেই বিরাজমান। যা ৩৮০-৭০০ ন্যানোমিটার এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এর বাইরের আলো আমরা দেখতে পাইনা যেমন UV Ray, IR, Microwave, X-ray etc. কিন্তু আমরাতো মানুষ। আমাদের কৌতুহল অন্য যেকোনো প্রানী থেকে বেশী। তাই আমরা ওই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো নিয়েও কাজ করেছি। যেমন আমরা এখন X-Ray ব্যাবহার করে মানুষের ভেতরের হাড়ের খোজ করে ফেলি। X - Ray এর আলোকে আমরা আমাদের চোখের সীমাবদ্ধ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সীমায় রুপান্তরিত করি।এটা তো শুধু একটা উদাহরণ এরকম আমাদের আশেপাশে অনেক উদাহরণ রয়েছে। মানুষ মহাবিশ্বকে জানছে এখন এই আলোকে ব্যাবহার করে। বিভিন্ন আলোর ধারণক্ষমতা সম্পন্ন টেলিস্কোপ পাঠিয়ে পরীক্ষা নীরিক্ষা করছে। অর্থাৎ, আমরা আসলে কতটুকু এখন দেখি সেটা আমাদের কৌতুহল এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা কৌতুহলী ছিলাম বলে আজ আমরা আমাদের চোখের বাইরে গিয়েও দেখতে শিখেছি। তাই, বলা যায় মানবজাতির দৃষ্টি এখন তার কৌতুহলের সমান বিস্তৃত। ধন্যবাদ।
লেখাটি ভালো লাগলে আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করবেন।
সারাংশঃ
****** মানুষের চোখ ৩৮০-৭০০ ন্যানোমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলোগুলোই শুধু দেখতে পায় এর ওপর বা নীচের আলো দেখতে পায়না। তাই আমাদের আশেপাশের অনেক কিছুই আমাদের কাছে অদৃশ্য। কিন্তু মানুষ তার কৌতুহল আর মেধা কাজে লাগিয়ে অন্য আলোগুলোকেও ব্যাবহার করছে/ চোখের দৃষ্টিকেও হার মানিয়েছে। তাই বলা যায় মানুষের দৃষ্টি তার কৌতুহল এর সমান বিস্তৃত*****

11/01/2022
ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির রহস্য জানার আগ্রহ মানবজাতির দীর্ঘদিনের। সেই আগ্রহ মেটানোর লক্ষ্যে অবশেষে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হলো বহু...
11/01/2022

ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির রহস্য জানার আগ্রহ মানবজাতির দীর্ঘদিনের। সেই আগ্রহ মেটানোর লক্ষ্যে অবশেষে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হলো বহুল আলোচিত জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। এর মাধ্যমে প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর আগে ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির সময়কার নানা তথ্য জানা যাবে। অর্থাৎ মহাকাশ বিজ্ঞানীদের ১৪০০ কোটি বছর পেছনে যাওয়ার সুযোগ দেবে সর্বাধুনিক এ মহাকাশ টেলিস্কোপ।

৩০ বছরের পরিশ্রম

২৫ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ফ্রেঞ্চ গায়ানাতে অবস্থিত ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির লঞ্চপ্যাড উৎক্ষেপণ করা হয় জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। এই টেলিস্কোপ লঞ্চের কথা ছিল ২০০৭ সালে। দীর্ঘ ১৪ বছর পর সেই স্বপ্ন অবশেষে বাস্তবে রূপ নিয়েছে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা, কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির হাজার কোটি ডলারের ফসল জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি যার খরচ ধরা হয়েছিল ১০ থেকে ২০ কোটি ডলার, তা শেষ পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে ১০০০ কোটি ডলার। প্রকল্পের নকশা থেকে শুরু করে মহাকাশ যাত্রার মাঝে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ নিয়ে প্রায় ৩০ বছর পরিশ্রম করেছেন বিজ্ঞানীরা।

২৯ দিন পরে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ পৌঁছবে পৃথিবী থেকে ১৫ লাখ কিলোমিটার দূরে। সেখানে থেকে পাঠাবে তথ্য। বর্তমানে মহাকাশে কর্মরত হাবল স্পেস টেলিস্কোপের উত্তরসূরী হিসেবে পাঠানো হয়েছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। মহাকাশে ৩১ বছর কাটানো হাবল স্পেস টেলিস্কোপ জীবন সীমার শেষ প্রান্তে চলে এসেছে। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ হাবলের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বড় এবং ১০০গুণ বেশি শক্তিশালী।

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ পাঠানোর উদ্দেশ্য

পৃথিবীর প্রথমাবস্থায় নক্ষত্র, ছায়াপথ কেমন ছিল, সেসব তথ্য জানাবে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যার চারটি ক্ষেত্রে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সাহায্য করবে সর্বাধুনিক এই টেলিস্কোপ।

* প্রাথমিকভাবে আলোর উৎস। সৌরজগৎ সম্পর্কে প্রচলিত সব ধারণা ভুলে গিয়ে নতুন করে আরও গভীরে গিয়ে একাধিক খুঁটিনাটি তথ্য।

* সৌরজগতের বাইরের বিভিন্ন গ্রহ (এক্সোপ্ল্যানেট) সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা।

* এই মহাবিশ্ব কী ভাবে গঠিত হয়েছে, তা বুঝতে সাহায্য করবে।

* সৌরজগতের বাইরের সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহগুলোর বিস্তারিত বায়ুমণ্ডলীয় বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে।

মহাকাশে যেভাবে কাজ করবে এ টেলিস্কোপ

ইনফ্রারেড বা অবলোহিত স্পেকট্রামে কাজ করবে এই টেলিস্কোপ, যে অবজেক্টের উপরে এটি ফোকাস করবে, সেখান থেকেই ইনফ্রারেড লাইট সংগ্রহ করবে। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের এই বিশেষ বৈশিষ্ট্য এটিকে অন্যান্য টেলিস্কোপের তুলনায় আরও কার্যকরভাবে সময় মতো একাধিক মূল্যবান জিনিস দেখতে সাহায্য করবে। এটি বিজ্ঞানীদের নক্ষত্রের বায়ুমণ্ডল দেখতেও সাহায্য করবে, যা সাধারণত ধূলা এবং গ্যাস দ্বারা আবৃত থাকে। ইনফ্রারেড আলো সহজেই এই ধরনের মহাজাগতিক ধূলিকণা এবং গ্যাস ভেদ করতে পারে।
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ

মোট চারটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি রয়েছে এই টেলিস্কোপে। সেগুলো হলো নিয়ার-ইনফ্রারেড ক্যামেরা, নিয়ার-ইনফ্রারেড স্পেক্টোগ্রাফ, মিড-ইনফ্রারেড ইনস্ট্রুমেন্ট এবং নিয়ার ইনফ্রারেড ইমেজার ও স্লিটলেস স্পেক্ট্রোগ্রাফ।

নক্ষত্র এবং গ্রহ জগতের গবেষণায় যেভাবে সাহায্য করবে এই টেলিস্কোপ

উষ্ণ গ্যাস এবং ধূলিকণার মেঘের মধ্যে নক্ষত্রের জন্ম হয় এবং অপেক্ষাকৃত কম বয়সের নক্ষত্র প্রাথমিক অবস্থায় সাধারণত কাছাকাছি এবং মধ্য-ইনফ্রারেডে বিকিরণ নির্গত করে। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ মহাকাশের সেই অঞ্চলগুলো পর্যালোচনা করতে সাহায্য করবে। প্ল্যানেটারি সিস্টেম বা গ্রহ ব্যবস্থা সম্পর্কে মহাকাশচারীদের জানতে সাহায্য করবে নিয়ার ইনফ্রারেড ইমেজার ও স্লিটলেস স্পেক্ট্রোগ্রাফ। এই বিশেষ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র ০.৬ থেকে ৫ মাইক্রন পর্যন্ত আলো ক্যাপচার করতে পারে। এছাড়াও এই টেলিস্কোপ ডিজাইন করা হয়েছে সৌরজগতের একাধিক গ্রহ- মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন এবং তাদের স্যাটেলাইটও গবেষণা করার জন্য। পাশাপাশি ধূমকেতু, গ্রহাণু এবং মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথের বাইরের অপেক্ষাকৃত ছোট গ্রহ সম্পর্কেও একাধিক তথ্য জানতে পারবে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ।

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ নিয়ে যে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, কক্ষপথে স্থাপনের পর এতে কোনো মেরামত করা প্রায় অসম্ভব হবে। হাবল স্পেস টেলিস্কোপ মেরামত করা যেত, কারণ এটি পৃথিবীকে ৫৭০ কিলোমিটার উচ্চতায় প্রদক্ষিণ করে। কিন্তু জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ পৃথিবীকে থেকে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে থাকবে।

****** সম্পুর্ণ লেখাটি risingbd.com নামক একটি নিউজ পোর্টাল থেকে নেয়া হয়েছে********* আপনারা চাইলে সেখান থেকে ঘুরে আসতে পারেন।

১. ঘুমানোখাবার খাওয়ার পর আমাদের অনেকেরই ঘুমানোর অভ্যাস থাকে। কিন্তু এটি করলে হতে পারে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি। কারণ খাওয়া...
06/01/2022

১. ঘুমানো
খাবার খাওয়ার পর আমাদের অনেকেরই ঘুমানোর অভ্যাস থাকে। কিন্তু এটি করলে হতে পারে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি। কারণ খাওয়ার পর পর ঘুমালে খাবার হজমে সমস্যা হয়। ফলে পেটে গ্যাসের সমস্যা সৃষ্টি হয়ে টক্সিন জমতে থাকে শরীরে। তাই খাওয়ার অন্তত ৩ ঘণ্টা পর ঘুমানো উচিত।

২. ধূমপান
খাবার খাওয়ার পর অনেকেই ধূমপান করে থাকেন। এমনিতেই ধূমপান করা শরীরের জন্য অনেক ক্ষতিকর। আর খাওয়ার পর ধূমপান করলে সেটি শরীরের আরও বেশি ক্ষতি করে থাকে। খাওয়ার পর পর ধুমপান করা মানে রক্তে বিষ ঢোকানোর মতো ক্ষতিকর।

৩. ফল খাওয়া
ফল আমাদের স্বাস্থের জন্য উপকারী হলেও খাওয়ার পর পর ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এটি করলে গ্যাস ও বদহজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই চিকিৎসকরা ফল খাওয়ার আদর্শ সময় হিসেবে বলে থাকেন খাওয়ার ২ ঘণ্টা আগে অথবা পরে।

৪. চা পান
খাওয়ার পর চা পান করার অভ্যাস অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চায়ে ক্যাফইন থাকার কারণে এটি হজম ক্ষমতা কমিয়ে শরীরে টক্সিন বাড়িয়ে তোলে। তাই খাওয়ার পর পর চা পান না করে অন্তত এক ঘণ্টা পর পান করতে হবে।

৫. ব্যায়াম
ব্যায়াম করা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কিন্তু খাওয়ার পর পর ব্যায়াম করা খুবই ক্ষতিকর। চিকিৎসকদের মতে, খাওয়ার পর স্বস্তি পেতে ধীরে ধীরে হাঁটা যেতে পরে। কিন্তু জোরে হাঁটা ও ব্যায়াম করলে তা শরীরের অনেক ক্ষতি করে থাকে।

৬. গোসল
খাবার খাওয়ার পর গোসল করলে রক্ত শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এতে করে হজমে সমস্যা হতে পারে। হজমে প্রচুর শক্তি প্রয়োজন হয়। আর রক্ত শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে শক্তি ব্যয় করার কারণে হজমে পর্যাপ্ত শক্তি পাওয়া যায় না। তাই খাবার খাওয়ার পর পর গোসল করলে তা স্বাস্থ্যের অনেক ক্ষতি করে থাকে।

৭. পানি পান করা
খাওয়ার পরই পানি পান করলে এটি পেটে এনজাইম ও রস নিঃসরণ হ্রাস করে থাকে। এর কারণে অম্লতা ও ফোলাভাব দেখা যেতে পারে। ফলে এটি হজমের সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে।

তথ্যসূত্রঃ Gazi tv
05/01/2022

তথ্যসূত্রঃ Gazi tv

প্রাচীন মিশরীয়রা মনে করতো মৃত্যুর পর মানুষ নতুন জীবন পরকালে শুরু করবে। কিন্তু সেখানে যাওয়ার জন্য তাদের দেহ সংরক্ষণ করে র...
04/01/2022

প্রাচীন মিশরীয়রা মনে করতো মৃত্যুর পর মানুষ নতুন জীবন পরকালে শুরু করবে। কিন্তু সেখানে যাওয়ার জন্য তাদের দেহ সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। এ জন্যই মমি বানানো শুরু হয়। তবে এ কাজ শুধুমাত্র সমাজের উচ্চবর্গীয় ধ্বনিদেরই করা হতো।

গ্যালিলিও : ইতালিয়ান পদার্থবিদ ও জ্যোতির্বিদ গ্যালিলিও গ্যালিলি (১৫০৪-১৬৪২ খ্রি.)। ইতিহাসে তিনি বিজ্ঞানের সঙ্গে অন্ধবিশ...
04/01/2022

গ্যালিলিও : ইতালিয়ান পদার্থবিদ ও জ্যোতির্বিদ গ্যালিলিও গ্যালিলি (১৫০৪-১৬৪২ খ্রি.)। ইতিহাসে তিনি বিজ্ঞানের সঙ্গে অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন। টেলিস্কোপ ব্যবহার করে তিনি প্রথমবার বৈজ্ঞানিকভাবে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। এভাবে তিনি একে একে সূর্যের কলঙ্ক, চাঁদের পাহাড় ও উপত্যকা, বৃহস্পতির চারটি বড় উপগ্রহ এবং শুক্র গ্রহের কলা আবিষ্কার করেছিলেন। শুরু থেকে কোপার্নিকাসের তত্ত্ব (গ্রহগুলো সূর্যের চারপাশে ঘুরছে) বিশ্বাস করতেন গ্যালিলিও। তবে এ ধারণার সমর্থনে প্রয়োজনীয় প্রমাণ খুঁজে পাওয়ার পরই তিনি এ তত্ত্বের সপক্ষে জনসমক্ষে বলতে শুরু করেছিলেন। কোপার্নিকাসের তত্ত্ব তিনি ইতালিয়ান ভাষায় (তখনকার প্রচলিত কেতাবি ভাষা লাতিনে নয়) লিখেছিলেন। এ ঘটনা অ্যারিস্টটলপন্থী অধ্যাপকদের খেপিয়ে তোলে। একসময় তাঁরা একজোট হয়ে গ্যালিলিওর বিরুদ্ধে দাঁড়ান এবং পাশাপাশি কোপার্নিকাসের তত্ত্ব বাতিলের জন্য ক্যাথলিক গির্জাকে প্ররোচিত করতে থাকেন। এখান থেকেই গির্জার সঙ্গে তাঁর বিরোধের সূত্রপাত। ১৬১৬ সালে কোপার্নিকাসের তত্ত্বকে মিথ্যা ও ভ্রান্ত বলে ঘোষণা করা হলো।এই মতবাদের পক্ষে আর কখনো সমর্থন না করতে বা প্রচার না করতে গ্যালিলিওকে আদেশ দেওয়া হলো। তা মেনেও নেন গ্যালিলিও।

গির্জার অনুমোদন নিয়ে ১৬৩২ সালে ডায়ালগ কনসার্নিং দা টু চিফ ওয়ার্ল্ড সিস্টেম শিরোনামের একটি বই প্রকাশ করেন তিনি। বেশ দ্রুতই বইটি ইউরোপে সাহিত্য ও দর্শন বিষয়ে একটি মাস্টারপিসে পরিণত হয়। কিন্তু খুব শিগগির তাঁর ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার অভিযোগে গ্যালিলিওকে ইনকুইজিশনে পাঠায় ক্যাথলিক গির্জা। সেখানে গ্যালিলিওকে যাবজ্জীবন গৃহবন্দী করে রাখাসহ জনসমক্ষে কোপার্নিকাসের মতবাদ পরিত্যাগের আদেশ দেওয়া হয়। জীবন বাঁচাতে গ্যালিলিও তা মেনেও নিয়েছিলেন। ১৬৪২ সালে তাঁর মৃত্যুর চার বছর আগেও তিনি গৃহবন্দী ছিলেন। সে সময় তিনি তাঁর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের পাণ্ডুলিপি চোরাপথে হল্যান্ডের এক প্রকাশকের কাছে পাঠান। কোপার্নিকাসের মতবাদ সমর্থন করে লেখা টু নিউ সায়েন্সেস নামের এই বইটিকেই আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জন্মদাতা বলে ভাবা হয়।

Address

R. K Mission Road
Dhaka
1203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ব্ল্যাকবোর্ড posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to ব্ল্যাকবোর্ড:

Shortcuts

Share

Category