Mathematics শিখুন সৃজনশীলতা দিয়ে- MATH Plus+

Mathematics শিখুন সৃজনশীলতা দিয়ে- MATH Plus+

Share

Class Eight to Intermittent teach only Mathematics and Higher Mathematics

02/11/2024

১ মিলিয়ন(Million) = ১০০০ হাজার= ১০ লক্ষ = ১,০০০,০০০ = ১+৬ শূন্য
১ বিলিয়ন(Billion) = ১০০০ মিলিয়ন = ১০০ কোটি= ১,০০০,০০০,০০০ = ১+৯ শূন্য
১ ট্রিলিয়ন(Trillion) = ১০০০ বিলিয়ন = ১ লক্ষ কোটি= ১,০০০,০০০,০০০,০০০ = ১+১২ শূন্য

১ কোয়াড্রিলিয়ন(Quadrillion) = ১০০০ ট্রিলিয়ন=১০০০ লক্ষ কোটি= ১ + ১৫ টা শূন্য
১ কুইন্টিলিয়ন(Quintillion) = ১০০০ কোয়াড্রিলিয়ন = ১০ হাজার কোটি কোটি=১+১৮ টা শূন্য

সেক্সটিলিয়ন(Sextillion) = ১ এর পর ২১ টা শূন্য
সেপটিলিয়ন(Septillion) = ১+২৪ শূন্য
অক্টিলিয়ন(Octillion) = ১+২৭ শূন্য
ননিলিয়ন(Nonillion) = ১+৩০ শূন্য
ডেসিলিয়ন(Decillion) = ১ + ৩৩ শূন্য
আনডেনিলিয়ন(Undecillion) = ১+৩৬ শূন্য
ডুওডেসিলিয়ন(Duodecillion) = ১+৩৯ শূন্য
ট্রেডেসিলিয়ন(Tredecillion) = ১+৪২ শূন্য
কোয়াটোওরডেসিলিয়ন(Quattuordecillion) = ১+৪৫ শূন্য
কুইনডেসিলিয়ন(Quindecillion) = ১+৪৮ শূন্য
সেক্সডেসিলিয়ন(Sexdecillion) = ১+৫১ শূন্য
সেপ্টেনডেসিলিয়ন(Septendecillion) = ১+৫৪ শূন্য
অক্টোডেসিলিয়ন(Octodecillion) = ১+৫৭ শূন্য
নভেমডেসিলিয়ন(Novemdecillion) = ১০^৬০
ভিজিন্টিলিয়ন(Vigintillion) = ১০^৬৩

কপি করা

21/10/2024

জালালউদ্দিন রুমি একবার একটা বনের মাঝ দিয়ে যাওয়ার সময় একটা বড় কালো তিতির পাখি ধরে ফেলেন। রুমি যখন ভাবছেন যে, পাখিটাকে কীভাবে খাবেন; আগুনে ঝলসে; নাকি তরকারি রান্না করে!

এমন সময় পাখিটি বলে ওঠে— ‘রুমী তুমি তোমার এই জীবনে এতো গোশত খেয়েছো; অথচ তোমার এই আমিষের আকুতি শেষ হয়না। তুমি যদি আমাকে মুক্ত করে দাও; আমি তোমাকে তিনটি পরামর্শ দেবো; যা তোমার জীবনকে সন্তোষ আর শান্তিতে ভরে দেবে।’

রুমি কিছুটা বিচলিত হয়ে বলেন— “আমার হাতে বসেই প্রথম পরামর্শটা দাও; যদি পছন্দ না হয়; সঙ্গে সঙ্গে হত্যা করবো তোমাকে।”

পাখিটি রাজি হয়ে বলল— ‘তুমি সব সময় তোমার বন্ধুদের উদ্ভট সব আলোচনায় বিচলিত হয়ে পড়ো। এর চেয়ে তাদেরকে তাদের মতো থাকতে দাও। তাতে তোমার জীবন শ্রেয়তর হবে।’

রুমি কিছুটা চিন্তা করে নিয়ে ভাবতে থাকেন; পাখিটার কথায় বোধ আছে। সুতরাং দ্বিতীয় পরামর্শ দিতে বলেন।

পাখি বলে— ‘তুমি আমায় ছেড়ে দিলে ওই গাছের ডালে বসে দ্বিতীয় পরামর্শটা দেবো।’

রুমি তখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পাখিটিকে ছেড়ে দেন; আর পাখি গিয়ে কাছেই একটি গাছের ডালে বসে।
পাখিটা এবার তার দ্বিতীয় পরামর্শের কথা বলে— ‘রুমী অতীতকে কখনো পালটানো যায় না। সুতরাং বর্তমান মুহূর্তটিকে উপভোগ করো। আর ভবিষ্যতের জন্য বাঁচো। যা হোক বড় বোকামি করেছো তুমি। আমার পেটের মধ্যে তিন কেজি হীরা আছে। তুমি এটা পেলে তোমার তিনপুরুষ বসে খেতে পারতে।’

সাংঘাতিক ঘাবড়ে গিয়ে রুমি তিতিরের পেছনে রেগে ছুটতে থাকেন; তাকে আবার ধরতে। পাখি তখন জোরে জোরে বলে— ‘রুমি তুমি দেখছি আমার পরামর্শ একেবারেই শুনলে না। আমার নিজেরই ওজন যেখানে দুই কেজির বেশি নয়; আমার পেটে কী করে তিন কেজি হীরা থাকবে! তুমি দেখছি এখনো উদ্ভট আর বোধহীন কথায় প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছো! দ্বিতীয়ত আমি এরিমাঝে তোমাকে ছেড়ে গেছি; তোমার জীবনে এখন আমি অতীতের বিষয়।’

পুরোপুরি স্তম্ভিত হয়ে রুমি তখন তৃতীয় পরামর্শের জন্য অনুরোধ করেন।

তিতির পাখিটি বলে— ‘রুমি শোনো; সবাইকে উপদেশ দিতে যেওনা। শুধু তাদের উপদেশ দাও; যারা সেটা শুনবে-মনে রাখবে। মনে রেখো কিছু কাপড় এতো জীর্ণ হয়ে যায়; যা আর কখনো সেলাই করা যায় না।’

মাওলানা রুমী (রহ:)
Collected post.

12/10/2024

১-২ মিনিট সময় ব্যয় করে অবশ্যই পড়ে দেখবেন একটি অসাধারন শিক্ষানীয় গল্প---

একদিন একটা গরীব ছেলে রাস্তায় হাঁটছিলো। সে তার লেখাপড়ার খরচ জোগাড় করার জন্য ঘরে ঘরে গিয়ে বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করতো। ছেলেটার গায়ে ছিলো একটা জীর্ন মলিন পোষাক। সে ভীষণ ক্ষুধার্ত ছিলো। সে ভাবলো যে পরে যে বাড়ীতে যাবে, সেখানে গিয়ে সে কিছু খাবার চাইবে। কিন্তু সে যখন একটা বাড়ীতে গেল খাবারের আশা নিয়ে, সে ঘর থেকে একজন সুন্দরী মহিলা বেরিয়ে এলেন। সে খাবারের কথা বলতে ভয় পেলো। সে খাবারের কথা না বলে শুধু এক গ্লাস জল চাইলো। মহিলা ছেলেটার অবস্থা দেখে বুঝলেন যে সে ক্ষুধার্থ। তাই তিনি ছেলেটাকে একটা বড় গ্লাস দুধ এনে দিলেন।

ছেলেটা আস্তে আস্তে দুধটুকু খেয়ে বলল" আপনাকে আমার কত টাকা দিতে হবে এই দুধের জন্য?"

মহিলা বলল "তোমাকে কোন কিছুই দিতে হবে না।"

ছেলেটা বলল "আমার মা আমাকে বলেছেন কখনো করুণার দান না নিতে। তাহলে আমি আপনাকে মনের অন্ত:স্থল থেকে ধন্যবাদ দিচ্ছি।"

ছেলেটার নাম ছিলো স্যাম কেইলি।
স্যাম যখন দুধ খেয়ে ঐ বাড়ি থেকে বের হয়ে এল, তখন সে শারীরিকভাবে কিছুটা শক্তি অনুভব করলো। স্যাম এর বিধাতার উপর ছিলো অগাধবিশ্বাস । তাছাড়া সে কখনো কিছু ভুলতো না।

অনেক বছর পর ঐ মহিলা মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লো। স্থানীয় ডাক্তাররা তাকে সুস্থ করতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলো। তখন তাকে পাঠানো হলো একটা বড় শহরের নামকরা হাসপাতালে যেখানে দুলর্ভ ও মারাত্মক রোগ নিয়ে গবেষণা ও চিকিৎসা করা হয়।

ডা: স্যাম কেইলি কে এই মহিলার দায়িত্ব দেওয়া হলো। যখন ডাঃ স্যাম কেইলি শুনলেন যে মহিলা কোন শহর থেকে এসেছেন, তার চোখের দৃষ্টিতে অদ্ভুত একটা আলো যেন জ্বলে উঠলো। তিনি তাড়াতাড়ি ঐ মহিলাকে দেখতে গেলেন। ডাক্তারের এপ্রোন পরে তিনি মহিলার রুমে ঢুকলেন এবং প্রথম দেখাতেই তিনি মহিলাকে চিনতে পারলেন। তিনি মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলেন যে , যেভাবেই হোক তিনি মহিলাকে বাঁচাবেনই। ঐ দিন থেকে তিনি ঐ রোগীর আলাদাভাবে যত্ন নেওয়া শুরু করলেন। অনেক চেষ্টার পর মহিলাকে বাঁচানো সম্ভব হলো।

ডাঃ স্যাম কেইলি হাসপাতালের একাউন্টেন্টকে ঐ মহিলার চিকিৎসার বিল দিতে বললেন, কারণ তার সাইনছাড়া ঐ বিল কার্যকর হবে না। ডাঃ স্যাম কেইলি ঐ বিলের কোণায় কি যেনো লিখলেন এবং তারপর সেটা ঐ মহিলার কাছে পাঠিয়ে দিলেন। মহিলা ভীষণ ভয় পাচ্ছিলেন বিলটা খুলতে কারণ তিনি জানেন যে এতো দিনে যে পরিমাণ বিল এসেছে তা তিনি সারা জীবনেও জীবনেও শোধ করতে পারবেন না।

অবশেষে তিনি বিলটা খুললেন এবং বিলের পাশ দিয়ে লেখা কিছু কথা তার দৃষ্টি আকর্ষণ করলো। তিনি পড়তে লাগলেন "আপনার চিকিৎসার খরচ হলো পুরো এক গ্লাস দুধ" এবং বিলের নিচের সাইন করা ছিলো ডাঃ স্যাম কেইলির নাম।

মানুষকে সাহায্য করুন, যতটা আপনার পক্ষে সম্ভব। হয়তো এই অল্প সাহায্যের ফল হিসেবে আপনি এমন কিছু পাবেন যা কখনো আপনি চিন্তাই করেননি!

সংগৃহীত

10/09/2024

আপনার জীবনকে পাল্টে দিতে পারে শেক্সপিয়ারের এমন কিছু উক্তি সমূহ :

📍যা তুমি দেখাও, তার চেয়ে বেশি তোমার থাকা উচিত। যা তুমি জান, তার তুলনায় কম কথা বলা উচিত।!

📍সততার কাছে দুর্নীতি কোন দিন জয়ী হতে পারে না।

📍দুটো জিনিস খুবই কষ্টদায়ক। একটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে কিন্তু তা তোমাকে বলে না। আর অপরটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে না এবং সেটা তোমাকে সরাসরি বলে দেয়।

📍বিপদের সময়ে যে হাত বাড়িয়ে দেয় সেই সত্যিকারের বন্ধু।

📍দু:খ কখনও একা আসে না, যখন আসে তখন তার দলবল নিয়ে-ই আসে।

📍আমি সবসময় নিজেক সুখী ভাবি, কারণ আমি কখনো কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করি না, কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করাটা সবসময় এই দুঃখের কারণ হয়ে দাড়ায়।

📍অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায়, ভালবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।

📍কাউকে সারা জীবন কাছে পেতে চাও। তাহলে প্রেম দিয়ে নয় বন্ধুত্ব দিয়ে আগলে রেখো। কারন, প্রেম একদিন হারিয়ে যাবে কিন্তু বন্ধুত্ব কোনদিন হারায় না।

📍যে তার ভালবাসা প্রকাশ করতে পারে না, সে ভালোবাসতেই জানে না।

📍আনন্দ ও কাজ সময়কে সংক্ষিপ্ত করে।

📍সাফল্যের ৩টি শর্তঃ - অন্যের থেকে বেশী জানুন! - অন্যের থেকে বেশী কাজ করুন! - অন্যের থেকে কম আশা করুন!

📍তোমার একটু অভিমানের জন্য যদি কারো চোঁখে জল আসে, তবে মনে রেখো, তার চেয়ে বেশি কেউ তোমাকে ভালোবাসে না।

📍তোমার বন্ধু যখন বিপদে থাকবে, তখন সে না ডাকলেও তাকে সাহায্য কর। কিন্তু, যখন সে খুশিতে থাকবে, তখন সে না ডাকলে যেওনা।

📍শেক্সপিয়ার কে একজন জিজ্ঞেস করলো "তুমি বিয়ে করেছ তোমার চেয়ে বেশি বয়সের একটি মেয়েকে। তোমার লজ্জা করেনা।" শেক্সপিয়ার তাকে একটি ক্যালেন্ডার এনে দেখালেন আর বললেন "আপনি বলতে পারবেন সপ্তাহের সাতটি দিনের মধ্যে কোনটা যুবক আর কোনটা বৃদ্ধ?" আসলে ভালবাসার কোন বয়স হয়না আপনি যে কাউকেই ভালবাসতে পারেন।

📍প্রয়োজন খারাপ কেও ভাল করে তোলে।

📍মহত্ত্বের প্রতীক হচ্ছে ক্ষমাশীলতা।

📍জীবন-জীবন মানেই অনিশ্চিত ভ্রমণ।

📍আমি নষ্ট করেছি সময়, এখন সময় নষ্ট করছে আমায়।

📍ভীরুরা তাদের প্রকৃত মৃত্যুর আগেই বহুবার মরে, কিন্তু সাহসীরা জীবনে মাত্র একবারই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে থাকে|
👉ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার দিয়ে রাখুন 👍

cp

25/06/2024

যারা স্টুডেন্ট আছেন, অনুরোধ থাকবে ধৈর্য্য নিয়ে সম্পূর্ণ লেখাটা পড়া শেষ করবেন...

আজকাল বেশির ভাগ স্টুডেন্টদেরই একটা সমস্যা আছে। আর সেটা হলো, এরা সবাই ভালোবাসার জন্য পাগল হয়ে যাচ্ছে। এরা বলে তাদের নাকি সত্যি কারের প্রেম হয়ে গেছে?
তাহলে আমি আপনাকে বলতে চাই, এই পৃথিবিতে প্রেম- ভালোবাসা বলে কিছু হয় না। আর যদিও সেটা হয় তবে তার সংখ্যাটা খুবই কম। তাই আজকাল যা কিছু হচ্ছে এটা কেবল মাত্র "এট্রাকশন"।

"এট্রাকশন" প্রাকৃতিক একটা জিনিস। আপনি ছেলে হলে মেয়ের প্রতি হবে আর মেয়ে হলে ছেলের প্রতি হবে। আর এই "এট্রাকশনকে" আমরা ভালোবাসা নাম দিয়ে দেই।

সত্যি বলতে আপনার কোনো লাভ হয় নি কেউ যদি আপনাকে বলে সে আপনাকে সত্যিই ভালোবাসে। তবে সেটা পরিক্ষা করে দেখুন...

যেমনঃ আপনি তাকে বলুন আপনার শরীর অসুস্থ এবং আপনি বেশি দিন বাঁচবেন না। দেখবেন কিছুদিন পরে সে আপনাকে কোনো অজুহাতে ছেড়ে চলে যাবে । কিন্তু একই কথা আপনি আপনার বাবা মা কে বলে দেখুন, দেখবেন তারা ঠিকই আপনাকে মেনে নিবে। আর যদি প্রয়োজন হয় এরা আপনার জন্য নিজেদের বিক্রি করে দিবে। আর এটাই হচ্ছে রিয়েল লাভ।

আর আজ লোক "এট্রাকশনকে" লাভ মনে করছে। আর এর জন্য নিজের জীবনকেও নষ্ট করে দিচ্ছে। আর এই সব কিছু আপনি ভূল করছেন। আপনার ক্যারিয়ার ছেড়ে যদি আপনি এই সবকিছু করেন তাহলে আপনার জীবনটাই নষ্ট হয়ে যাবে। আপনি যে সম্পর্ক তৈরি করেন আপনার স্কুল, কলেজ কিংবা কোচিংয়ে এসব সম্পর্ক পারমানেন্ট সম্পর্ক হতে পারে না।

আপনি যদি আপনার গার্লফ্রেন্ড, বয়ফ্রেন্ড কে বিয়ে করেন তাহলে সেটা আপনার জন্য বেস্ট ছেলে, মেয়ে হবে। কিন্তু আপনার বাবা মা যাকে পছন্দ করবে সেটা আপনার জন্য ইউনিক হবে। যদি আপনি বেস্ট পছন্দ করেন তবে আপনি নাম্বার ওয়ান হবেন, আর যদি ইউনিক পছন্দ করেন তাহলে আপনি (You will only one) ইউ উইল ওয়ানলি ওয়ান হবেন।
তাই আপনার যদি ভালোবাসতেই হয়, তবে আপনার বইকে ভালোবাসুন, আপনার কাজকে ভালোবাসুন।
কারণ, এরা আপনাকে কখনোই ধোকাঁ দিবে নাহ, কিছু না কিছু অবশ্যই দিয়ে যাবে।

দিন সবার জন্যই ২৪ ঘন্টার হয়। এমন না যে কেউ আলাদা করে সময় পায়। কিন্তু এই ২৪ ঘন্টায়ই কেউ ভালোবেসে পতি হতে চায়, আবার কেউ পরিশ্রম করে কোরো পতি হতে চায়। এখন আপনিই ভেবে দেখুন, আপনি কি হতে চান?

লোক কিছু বছর পর যখন আপনার সঙ্গে দেখা করবে তখন তারা এটা জিজ্ঞেস করবে না যে, আপনার কয়টা গার্লফ্রেন্ড, বয়ফ্রেন্ড আছে। তারা এটাই জিজ্ঞেস করবে, আপনি কতো টাকা রোজগার করেন, আপনার যোগ্যতা কতোটা?

এটাই পৃথিবীর নিয়ম, লোক কখনওই আপনার অবস্থা জিজ্ঞেস করবে না। তারা আপনার আর্থিক অবস্থা জিজ্ঞেস করবে। আজকাল লোক প্রমিস করে আমি তোমার সাথে সারা জীবন থাকবো। তাহলে আমি বলবো কেউ কারোর সাথে থাকে না, লোক যখন জানাযায় যায় তখনও কেবল কাধ অদল বদল করে নিয়ে যায়।

আর তাই এখন যদি আপনি মাথা নিচু করে পড়েন, আমি বলছি কিছুদিন পর আপনার মাথা সবার উপরে থাকবে। আর এখন যদি আপনি আরাম করার কথা ভাবেন তাহলে আপনার সারা জীবন কষ্ট সহ্য করতে হবে। আজ যদি আপনি আপনার বই কে আর কাজকে ভালোবাসেন, তাহলে কাল লোক আপনাকে ভালোবাসবে।

কোনো ড্রিম গার্ল/ড্রিম বয়ের জন্য কখনও নিজের বাবা মায়ের ড্রিমকে নষ্ট করবেন না।
আপনি আজ যেটাকে খুশি মনে করছেন সেটা কোনো খুশিই নয়। সত্যি বলতে কোনো স্টুডেন্ট এখনও খুশি দেখেই নি।
খুশি আপনি কবে পাবেন জানেন?
যেদিন আপনি প্রথম সেলারি পাবেন কিংবা আপনি আপনার বিজনেস শুরু করবেন (সেটাও কিন্তু খুশি নয়) কিন্তু যখন আপনি আপনার প্রথম সেলারি নিয়ে গিয়ে আপনার মায়ের হাতে দিবেন তখন আপনার চোখে পানি থাকবে।
তখন আপনি ফিল করবেন, যেই মায়ের আঙ্গুল ধরে আমি পথচলা শিখছি সেই মায়ের হাতেই আমি আমার প্রথম ইনকাম তুলে দিয়েছি। আর ঠিক তখনই আপনি সত্যিকারের খুশিটা ফিল করবেন। আর যখন আপনি ইনকাম করা শুরু করবেন তখন আপনি বুঝতে পারবেন, লক্ষ টাকারও কোনো মূল্য নেই সেই এক টাকার পিছনে, যখন আপনার মা স্কুল যাবার সময় আপনার হাতে দিতো।

একটু ভালোভাবে বাবা মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে দেখুন, এটাই হলো সেই আয়না, যেখানে সন্তান কখনও বৃদ্ধ হয় না।

আর সব শেষ এটাই বলবো....
জীবনে কখনো নিজের মাঝে অহংকার কে আসতে দেবেন না। কারণ, অহংকার অনেক খারাপ জিনিস।
ছাদের অনেক অহংকার ছিলো তার ছাদ হবার, আর যখনই তার উপরে ঘর তৈরি হয় তখন সে মেঝে হয়ে যায়। তাই অহংকার করবেন না। যেদিন আপনার মধ্যে অহংকার আশা শুরু করবে যে, আমি অনেক বড় হয়ে গেছি, অনেক কিছু জেনে নিয়েছি, অনেক কিছু পড়ে নিয়েছি, আমি অনেক সাকসেস হয়ে গেছি, সেদিন আপনি কোনো কবরস্থানে কিংবা কোনো শসানে গিয়ে দেখে আসবেন, আপনার থেকে অনেক সেরা মানুষ আজ মাটির সাথে মিশে গেছে। তাই জীবনে কখনোই অহংকার করবেন না।

ধন্যবাদ সবাইকে ❤️

23/06/2024

সফলতার ১৫টি সূত্রঃ
১. আজ থেকে পাঁচ বছর পর আপনি কোথায় যাবেন তা নির্ভর করবে এখন আপনি কী ধরনের বই পড়ছেন, কোন ধরনের মানুষের সাথে মেলামেশা করছেন সেটার উপর।

২. এডিসন বলেন, সাফল্য হলো ৯৫% কঠোর পরিশ্রম আর ৫% অনুপ্রেরণার ফল।

৩. যে ব্যক্তি পড়তে পারে কিন্তু পড়ে না আর যে ব্যক্তি পড়তে পারে না দুই-ই সমান।

৪. ফার্স্ট ইমপ্রেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কোন কথা বলার আগেই একজনের সাথে সাক্ষাত হওয়ার তিন থেকে পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই তার সম্পর্কে একটা ধারণা হয়ে যায়। We never get a 2nd chance to make the first impression.

৫. আপনি কী অর্জন করেছেন, সাফল্য মাপার মানদন্ড সেটা নয় বরং আপনি পড়ে যাওয়ার পর কতবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন সেটা।

৬. পরাজয়ের ভয়, পরাজয়ের চেয়েও খারাপ।

৭. একটা পরাজয় আরো পরাজয়ের জন্ম দেয়। কারণ প্রত্যেকটা পরাজয়ের সাথে ব্যক্তি তার আত্ম-মূল্য হারিয়ে ফেলে যেটা পরবর্তী পরাজয়ের কারণ।

৮. পরাজিতরা কোন কিছু ঘটার অপেক্ষায় থাকে। তারা কখনই কোন কিছু ঘটাতে পারে না।

৯. যে সবকিছু তৈরি পাওয়ার জন্য তৈরি, সে জীবনে কিছু করতে পারে না। সফল ও ব্যর্থ উভয়ের দিনই ২৪ ঘন্টায়।

১০. NO মানে একেবারে না নয়। NO = Next Opportunity.

১১. বাহ্যিক সাফল্য আচরণের উপর নির্ভর করে। যদি আপনি নিজেকে চরিত্রবান, সাহসী, সৎ বলে বিশ্বাস করেন তাহলে এগুলো আপনার আচরণে প্রতিফলিত হবে।

১২. জয়ী হতে হলে কী কী করতে হবে বিজয়ীরা সেটার উপর গুরুত্ব দেয়। আর বিজিতরা যা যা পারে সেটার উপর গুরুত্ব দেয়।

১৩. আপনি সবসময় যা করে এসেছেন, এখনও যদি সেটাই করেন তাহলে সবসময় যা পেয়েছেন, এখনও তাই পাবেন।

১৪. সম্পর্ক তৈরি করা একটা প্রক্রিয়া, কোন ঘটনা না।

১৫. আপনার ইচ্ছা শক্তি আপনার ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করবে।

সংগৃহীত পোস্ট

#

02/06/2024
11/05/2024

ছেলেকে দেওয়া একজন আদর্শ বাবার উপদেশঃ

১. জুতা সেলাই বা রং করতে চাইলে মেরামতকারীর দোকানের সামনে পা বাড়িয়ে দিওনা, বরং জুতাটা খুলে নিজে একবার মুছে দিও।

২. কখনও কাউকে কামলা, কাজের লোক বা বুয়া বলে ডেকোনা। মনে রেখো তারাও কারো না কারো ভাই, বোন, মা, বাবা। তাদেরকে সম্মান দিয়ে ডেকো।

৩. বয়স, শিক্ষা, পদ বা পদবীর দিক দিয়ে কেউ ছোট হলেও কখনও কাউকে ছোট করে দেখোনা। নইলে তুমি ছোট হয়ে যাবে।

৪. পড়াশুনা করে জীবনে উন্নতি করো, কিন্তু কারো ঘাড়ে পা দিয়ে উপরে উঠার চেষ্টা করো না।

৫. কাউকে সাহায্য করে পিছনে ফিরে চেওনা, সে লজ্জা পেতে পারে।

৬. সব সময় পাওয়ার চেয়ে দেয়ার চেষ্টা করো বেশি । মনে রেখো, প্রদানকারির হাত সর্বদা উপরেই থাকে।

৭. এমন কিছু করোনা যার জন্য তোমার এবং তোমার পরিবারের উপর আঙুল ওঠে।

৮. ছেলে হয়ে জন্ম নিয়েছো, তাই দায়িত্ব এড়িয়ে যেওনা।

৯. তোমার কি আছে তোমার গায়ে লেখা নেই। কিন্তু তোমার ব্যবহারে দেখা যাবে তোমার পরিবার কোথায় আছে।

১০. কখনও মার কথা শুনে বউকে এবং বউয়ের কথা শুনে মাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিও না। কাউকে ফেলতে পারবে না।

১১. কারও বাসায় নিমন্ত্রন খেতে গেলে বাসায় দু-মুঠো ভাত খেয়ে যেও। অন্যের পাতিলের ভাতের আশায় থেকো না।

১২. কারো বাসার খাবার নিয়ে সমালোচনা করো না। কেউ খাবার ইচ্ছে করে অস্বাদ করার চেষ্টা করে না।

১৩. বড় হবার জন্য নয়, মানুষ হবার জন্য চেষ্টা করো।

১৪. শ্বশুর কিংবা শাশুড়িকে এতটা সম্মান দিও, যতটুকু সম্মান তোমার বাবা-মাকে দাও। এবং তাদের প্রতি এমন আচরন করো, যাতে করে তাদের মেয়েকে তোমার বাড়ি পাঠানোর জন্য উতলা থাকে।

১৫. সব সময় ভদ্র ও নম্রভাবে চলো এবং কথা বলো। কিন্তু অন্যায়ের সাথে আপোষ করোনা।

- Collected

20/04/2024

একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন?

এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে কাটিয়ে দিলেন দীর্ঘ পঞ্চাশটি বছর। তাদের জীবন শান্তিতে ভরপুর ছিল। ঝগড়া তো দুরের কথা, দাম্পত্য জীবনে কখনো কথা কাটাকাটি পর্যন্ত হয়নি।
একজন সাংবাদিক এই বৃদ্ধার কাছে তার পঞ্চাশ বছরের স্থায়ী সফলতার রহস্যের ব্যপারে জানতে চাইলেন।

কী ছিল সে রহস্য? মজার মজার খাবার বানানো? দৈহিক সৌন্দর্য? বেশী সন্তান জন্ম দেয়া? নাকি অন্যকিছু?

বৃদ্ধা বললেন, দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তি প্রথমত আল্লাহর ইচ্ছা অতপর স্ত্রীর হাতেই। একজন স্ত্রী চাইলে তার ঘরটাকে জান্নাতের টুকরো বানাতে পারেন আবার চাইলে এটাকে জাহান্নামেও পরিনত করতে পারেন।

কীভাবে? অর্থ দিয়ে? তা তো হতে পারে না। কেননা অনেক অর্থশালী মহিলা আছেন, যাদের জীবনে দুঃখ দুর্দশার শেষ নেই, যাদের স্বামী তাদের কাছেই ভিড়তে চান না।

সন্তান জন্ম দান? না, তাও নয়। কারণ, অনেক মহিলা আছেন, যাদের অনেক সন্তান আছে, অথচ স্বামী পছন্দ করেননা। এমনকি এ অবস্থায় তালাক দেওয়ার নজিরও কম নয়।

ভালো খাবার বানানো? এটাও না, কারণ অনেক মহিলা আছেন, যারা রান্না বান্নায় বেশ দক্ষ, সারা দিন রান্না ঘরে কাজ করে, অথচ স্বামীর দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হন।

তার কথায় সাংবাদিক বিস্মিত হয়ে গেলেন। বললেন, তাহলে আসল রহস্যটা কী?

বৃদ্ধা বললেন, যখনই আমার স্বামী রেগে গিয়ে আমাকে বকাবকি করতেন, আমি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়ে নিরবতা অবলম্বন করতাম এবং অনুতপ্ত হয়ে মাথা দুলিয়ে তার প্রতিটি কথায় সায় দিতাম।

সাবধান! বিদ্রুপের দৃষ্টিতে কখনো চুপ হয়ে থেকো না, কেননা পুরুষ মানুষ বিচক্ষণ হয়ে থাকে, এটা সহজেই বুঝতে পারে।

সাংবাদিক: ঐ সময় আপনি ঘর থেকে বের হয়ে যান না কেন?

বৃদ্ধা: সাবধান! সেটা কখনো করবেননা। তখন তিনি মনে করবেন, আপনি তাঁর কথায় বিরক্ত হয়ে পালাতে চাচ্ছেন। আপনার উচিত, চুপ থেকে ওর প্রতিটি কথায় হা সুচক সায় দেওয়া, যতক্ষণ না তিনি শান্ত হন।

অতপর আমি তাকে বলি, আপনার শেষ হয়েছে? এবার আমি যেতে পারি? তারপর আমি চলে যাই, আর আপন কাজে লেগে যাই। কারন চিৎকার করে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, তার বিশ্রাম প্রয়োজন।

সাংবাদিক: এরপর কি করেন? এক সপ্তাহ খানেক তার থেকে দূরে থাকেন, এবং কথা বলা বন্ধ রাখেন নিশ্চয়?

বৃদ্ধা: সাবধান! এধরনের বদভ্যাস থেকে দূরে থাকুন।
যা দুধারী তরবারির চেয়েও মারাত্মক। স্বামী যখন আপনার সাথে আপোষ করতে চান তখন যদি আপনি তার কাছে না যান, তখন তিনি একা থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। কখনো কখনো এ অবস্থা তাকে প্রচন্ড জিদের দিকে ঠেলে দেবে।

সাংবাদিক: তাহলে কি করবেন তখন?

বৃদ্ধা: দুই ঘন্টা পর এক গ্লাস দুধ বা এক কাপ গরম চা নিয়ে তার কাছে যাই, আর বলি, নিন, এগুলো খেয়ে নিন, আপনি খুব ক্লান্ত। এসময় তার সাথে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলি। তারপর তিনি বলেন, রাগ করেছো? আমি বলি, না।
তারপর, তার দূর্ব্যবহারে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্নেহ ও ভালোবাসার কথা বলেন।

সাংবাদিক: আপনি কি তার কথা তখন বিশ্বাস করেন?

বৃদ্ধা: অবশ্যই। কেন নয়? শান্ত থাকা অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস না করে, রাগান্বিত অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস করব?

সাংবাদিক: তাহলে আপনার ব্যক্তিত্ব?

বৃদ্ধা: আমার স্বামীর সন্তুষ্টিই আমার ব্যক্তিত্ব। আমাদের স্বচ্ছ সম্পর্কই আমাদের ব্যক্তিত্ব। আর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন ব্যক্তিত্ব থাকে না। যার সামনে তুমি পুরোপুরি ভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?

(((সংগৃহীত)))

18/04/2024

সন্তানের জন্য বাবার লেখা অসাধারন এক চিঠি।ভালো লাগলে আপনার সন্তানদেরও পড়তে দিন

প্রিয় সন্তান,,
আমি তোমাকে ৩ টি কারনে এই চিঠিটি লিখছি...

১। জীবন, ভাগ্য এবং দুর্ঘটনার কোন নিশ্চয়তা নেই, কেউ জানে না সে কতদিন বাঁচবে।

২। আমি তোমার বাবা, যদি আমি তোমাকে এই কথা না বলি, অন্য কেউ বলবে না।

৩। যা লিখলাম, তা আমার নিজের ব্যক্তিগত তিক্ত অভিজ্ঞতা- এটা হয়তো তোমাকে অনেক অপ্রয়োজনীয় কষ্ট পাওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।

জীবনে চলার পথে এগুলো মনে রাখার চেষ্টা কোরো:

১। যারা তোমার প্রতি সদয় ছিল না, তাঁদের উপর অসন্তোষ পুষে রেখোনা। কারন, তোমার মা এবং আমি ছাড়া, তোমার প্রতি সুবিচার করা কারো দায়িত্বের মধ্যে পড়েনা। আর যারা তোমার সাথে ভালো ব্যবহার করেছে - তোমার উচিত সেটার সঠিক মূল্যায়ন করা এবং কৃতজ্ঞ থাকা। তবে তোমার সতর্ক থাকতে হবে এজন্য যে, প্রতিটি মানুষেরই প্রতি পদক্ষেপের নিজ নিজ উদ্দেশ্য থাকতে পারে। একজন মানুষ আজ তোমার সাথে ভালো- তার মানে এই নয় যে সে সবসময়ই ভালো থাকবে। কাজেই খুব দ্রুত কাউকে প্রকৃত বন্ধু ভেবোনা।

২। জীবনে কিছুই কিংবা কেউই "অপরিহার্য" নয়, যা তোমার পেতেই হবে। একবার যখন তুমি এ কথাটির গভীরতা অনুধাবন করবে, তখন জীবনের পথ চলা অনেক সহজ হবে - বিশেষ করে যখন বহুল প্রত্যাশিত কিছু হারাবে, কিংবা তোমার তথাকথিত আত্মীয়-স্বজনকে তোমার পাশে পাবেনা।

3. জীবন সংক্ষিপ্ত।
আজ তুমি জীবনকে অবহেলা করলে, কাল জীবন তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে। কাজেই জীবনকে তুমি যতো তাড়াতাড়ি মূল্যায়ন করতে শিখবে, ততোই বেশী উপভোগ করতে পারবে।

৪. ভালবাসা একটি ক্ষণস্থায়ী অনুভূতি ছাড়া কিছুই নয়। মানুষের মেজাজ আর সময়ের সাথে সাথে এই অনুভূতি বিবর্ণ হবে। যদি তোমার তথাকথিত কাছের মানুষ তোমাকে ছেড়ে চলে যায়, ধৈর্য ধরো, সময় তোমার সব ব্যথা-বিষন্নতা কে ধুয়ে-মুছে দেবে। কখনো প্রেম-ভালবাসার মিষ্টতা এবং সৌন্দর্যকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেনা, আবার ভালবাসা হারিয়ে বিষণ্ণতায়ও অতিরঞ্জিত হবে না।

৫. অনেক সফল লোক আছেন যাদের হয়তো উচ্চশিক্ষা ছিলনা- এর অর্থ এই নয় যে তুমিও কঠোর পরিশ্রম বা শিক্ষালাভ ছাড়াই সফল হতে পারবে! তুমি যতোটুকু জ্ঞানই অর্জন করোনা কেন, তাই হলো তোমার জীবনের অস্ত্র। কেউ ছেঁড়া কাঁথা থেকে লাখ টাকার অধিকারী হতেই পারে, তবে এজন্য তাকে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে।

৬. আমি আশা করি না যে, আমার বার্ধক্যে তুমি আমাকে আর্থিক সহায়তা দিবে। আবার আমিও তোমার সারাজীবন ধরে তোমাকে অর্থ সহায়তা দিয়ে যাবনা। যখনি তুমি প্রাপ্তবয়স্ক হবে, তখনি বাবা হিসেবে আমার অর্থ-সহায়তা দেবার দিন শেষ। তারপর, তোমাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে- তুমি কি পাবলিক পরিবহনে যাতায়াত করবে, নাকি নিজস্ব লিমুজিন হাঁকাবে; গরীব থাকবে নাকি ধনী হবে।

৭. তুমি তোমার কথার মর্যাদা রাখবে, কিন্তু অন্যদের কাছে তা আশা করোনা। মানুষের সাথে ভালো আচরন করবে, তবে অন্যরাও তোমার সাথে ভালো থাকবে- তা প্রত্যাশা করবেনা। যদি তুমি এটি না বুঝতে পারো, তবে শুধু অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রণাই পাবে।

৮. আমি অনেক বছর ধরে লটারি কিনেছি, কিন্তু কখনও কোন পুরষ্কার পাইনি। তার মানে হলো এই যে- যদি তুমি সমৃদ্ধি চাও তবে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। বিনামূল্যে কোথাও কিছু জুটবে না।

৯. তোমার সাথে আমি কতোটা সময় থাকবো- সেটা কোন ব্যাপার না। বরং চলো আমরা আমাদের একসাথে কাটানো মুহুর্তগুলো উপভোগ করি ...মূল্যায়ন করি।

——————
ভালোবাসা সহ,
তোমার বাবা......

বাবাটি হলেন একজন চাইল্ড সাইকোলজিষ্ট এবং হংকং-এর প্রখ্যাত টিভি সম্প্রচারকারী। তার কথাগুলো বয়োজ্যেষ্ঠ, বয়োকনিষ্ঠ, বৃদ্ধ কিংবা তরুন, শিশু, আমাদের সবার জন্যই প্রযোজ্য।

সংগৃহীত

10/04/2024

একটি_শিক্ষনীয়_গল্প।
আইনস্টাইনের যিনি ড্রাইভার ছিলেন,
তিনি একদিন আইনস্টাইনকে বললেন - আপনি প্রতিটি সভায় যে ভাষণ দেন সেইগুলো শুনে শুনে আমার মুখস্থ হয়ে গেছে । আইনস্টাইন তো অবাক!!!
উনি তখন বললেন, বেশ তাহলে এর পরের মিটিংয়ে যেখানে যাবো তারা আমাকে চেনেন না, তুমি আমার হয়ে ভাষণ দিও আর আমি ড্রাইভার হয়ে বসে থাকবো।

-এরপরে সেই সভায় তো ড্রাইভার হুবহু আইনস্টাইন-এর ভাষণ গড় গড় করে বলে গেলেন । উপস্থিত বিদ্বজ্জনেরা তুমুল করতালি দিলেন । এরপর তাঁরা ড্রাইভারকে আইনস্টাইন ভেবে গাড়িতে পৌঁছে দিতে এলেন ।
-সেই সময়ে একজন অধ্যাপক ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলেন, স্যার, ঐ আপেক্ষিক এর যে সঙ্গাটা বললেন, আর একবার সংক্ষেপে বুঝিয়ে দেবেন ?
-আসল আইনস্টাইন দেখলেন বিপদ, এবার তো ড্রাইভার ধরা পড়ে যাবে । কিন্তু তিনি ড্রাইভার-এর উত্তর শুনে তাজ্জব হয়ে গেলেন । ড্রাইভার উত্তর দিল।।এই সহজ জিনিসটা আপনার মাথায় ঢোকেনি ? আমার ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করুন সে বুঝিয়ে দেবে ।

বিঃদ্রঃ- জ্ঞানী ব্যক্তিদের সাথে চলাফেরা করলে আপনিও জ্ঞানী হবেন। আপনি যেমন মানুষের সাথে ঘুরবেন তেমনই হবেন। এই জন্যে কথায় আছে,
সৎ সঙ্গে স্বর্গ বাস,অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ..-গল্পটা কেমন লাগল ছোট একটা কমেন্ট করে জানাবেন।
ভাল লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Copied
#অভিজ্ঞতা

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Home 27, Road No 28, Rupnagar R/A, Rupnagar, Mirpur
Dhaka