30/07/2023
অফিস থেকে ফিরে এসেই দেখি বউ টিভিতে সিরিয়াল দেখছে।
আমি চুপচাপ জামা কাপড় খুলতে খুলতে ওকে বললাম, রান্না করছো?
বউঃ-- হুমমম
আমিঃ-- খেয়েছো?
বউঃ--- তুমি খাইয়ে দিবে না?
আমিঃ--- নামাজ পড়েছো সারাদিনে?
বউঃ,--- না পড়তে পারিনি।
কেন নামাজ পড়েনি বললে? নানা রকম মিথ্যা কারন দেখায়। শুনেছি ভালোবাসার মানুষের জন্য উত্তম শাস্তি হচ্ছে ভালোবাসাটুকু কেড়ে নেওয়া। ভালোবাসাটুকু কেড়ে নিলেই, তখন বুঝতে পারে তার ভুলটা কোথায় ছিলো। আমিও এখন থেকে তাই করবো।
বাথরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে বাসার নিচে দোকানে গিয়ে, সিগারেট কিনে ঘড়ে এসে ধরালাম। সঙ্গে সঙ্গে গন্ধ পেয়ে বউ লাফিয়ে এলো।
বউঃ-- তুমি সিগারেট খাচ্ছো?
আমিঃ--- হ্যা, তো?
বউঃ---- তুমি না আমাকে প্রমিস করে ছিলে?
আমিঃ--- মিথ্যা ছিলো।
বউঃ ---- সিগারেট ফেলে দাও বলছি!
আমিঃ--- বেশ বাড়াবাড়ি না করে চুপচাপ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ো।
বউঃ---- না আমি খাবো না।
আমিঃ--- খুব ভালো কথা, আমার এক বেলা খাবার বেঁচে যাবে।
বউঃ---- ও তাই না? তা হলে কালই আমি আমার বাপের বাড়ি চলে যাবো।
আমিঃ---- যা না! আটকে রাখছে কে? তুমি গেলে তোমার জায়গায় আরেকটা চলে আসবে।
এখন সর....মুখের সামনে থেকে।
রাগ দেখিয়ে বাসা থেকে চলে আসলাম।
ঘন্টা খানেক পর, আবার রুমে ঢুকে দেখলাম, বউটা বিছানায় শুয়ে কাঁদছে। জানি খায় নি,
আমিও না খেয়ে বিছানায় মুখ ঘুরিয়ে শুয়ে পড়লাম।
কিছুক্ষণ পর,
আমিঃ--- এই ফ্যাচ ফ্যাচ করে কাঁদবে না।
বউঃ--- টেবিলের উপর খাবার রাখা আছে। (কাঁদতে, কাঁদতে)
আমিঃ-- তোর ওই জঘন্য রান্না খাওয়া যায়?
আমি সন্ধায় ফেরার সময় হোটেলে খেয়ে এসেছি।
কিছু বললো না। একটু পর বউটা আস্তে করে আমার গায়ে হাত রাখলো, আর বললো-
বউঃ--- কি হয়েছে তোমার? আমি কি কোনো ভুল করেছি?
আমিঃ --- না তোমাকে আর আমার ভালো লাগে না।
বউঃ---- তাহলে আমি কি করবো? মরে যাবো?
আমিঃ---- হ্যা যা, মরে আমাকে উদ্ধার কর।
এবার হয়তো বাড়াবাড়ি হয়ে গেলো। সে জোরে কেঁদে দিলো, কিন্তু আমি পাত্তা না দিয়ে ঘুমোবার চেষ্টা করলাম।
সকাল বেলায় ওকে ঘুমন্ত অবস্থায় রেখেই অফিসে চলে গেলাম। ৯টার দিকে ফোন করলো-
আমিঃ--- কি হয়েছে? এতো ফোন কিসের?
বউঃ--- নাস্তা না করে চলে গেলে কেন?
আমিঃ---- তোমার হাতের খাবার খেতে আমার বমি আসে বমি। এখানে এসে খেয়েছি। আমার সহকারী মুনতাহা নাস্তা নিয়ে এসেছে।
বউঃ--- ওই মেয়ের সাথে তুমি..........
আমিঃ--- হুমমম, ওকে আমি পছন্দ করি, ভালোবাসি। আর ফোন দিবে না সারাদিনে।
অনেক বা
14/07/2023
ইস র*ক্ত বের হচ্ছে !
এখনি ওয়াসরুমে যেতে হবে !
এখনই পিরিয়ড হওয়ার সময় হলো !
স্যার আমি একটু ওয়াসরুমে যাবো !
এই নিয়ে পাখি তিনবার বললো কিন্তু স্যার তাকে বাইরে যেতে দিচ্ছে না! ধমকি দিয়ে পাখিকে বসে থাকতে বললো স্যার! পিরিয়ড এর যন্ত্রণায় পাখি স্যারকে লুকিয়ে লুকিয়ে কান্না করছে !
একটানা ১.৩০ মিনিট স্যার ক্লাস নিলো ! বিজ্ঞান ক্লাস ছিলো ! স্যার খুব কড়া । তার ক্লাসে কোনো ছাএ-ছাএী বাইরে যেতে পারে না ।
স্যারের ক্লাস শেষ করেই পাখি দ্রুতো ওয়াসরুমে চলে গেলো ।
ক্লাসে সব ছাএ-ছাএী হাঁটাহাটি করছে ক্লাসের ভিতর৷
হঠাৎ ---- পাখি যেখানে বসেছিলো সেখানে নীরবের চোখ পড়ল । সে দেখলো পাখির ছিটে রং লাগানো ।
নীরব একটু খেয়াল করে দেখলো ওটা রং না ওটা র*ক্ত!
নীরব র*ক্ত দেখে ক্লাসের সবাইকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললো বিষয়টা ৷
ক্লাস ভর্তি ছাএ-ছাএী সবাই কানাকানি শুরু করলো।
কিছু ছেলেরা এটা নিয়ে হাসাহাসিও করছে ।
সেই মূহুর্তে ইংরেজি মেডাম হাজির ক্লাসে ।
সবার এমন অবস্থা দেখে মেডাম জিজ্ঞেস করলো কী হয়েছে !?
তিষা নামে একটি মেয়ে উঠে বলে দিলো: মেডাম বিজ্ঞান ক্লাসের সময় পাখির পরিয়ড শুরু হয়ে গেছিলো কিন্তু স্যার বাইরে যেতে না দেওয়াতে তার বসার জায়গায় কিছুটা র*ক্ত লেগে গেছে । তারজন্য সবাই হাসাহাসি করছে ।
মেডাম বলরো আজকে তোমাদের ইংরেজি ক্লাস নিবো না আজ তোমাদের পিরিয়ড বা মেন্স সম্পর্কে কথা বলবো ৷
মেডাম সবার উদেশ্য করে বলা শুরু করলো ::
"পিরিয়ড লজ্জার নয়, হাসির নয়,
পিরিয়ড না হলে একটা মেয়ে মা হতে পারেনা।
ছেলেরা মাত্র একবার যদি পিরিয়ডের ৩ দিনের যন্ত্রনা ভোগ করতো ।
তাহলে মেয়েরা নিত্যদিনের বেঁচে থাকা আর একটু অপমানের হাত থেকে রেহাই পেতো...
যদি বুঝতো তলপেট চেপে ধরে শরীর উল্টানো ব্যথার কান্না কতটা ভয়ঙ্কর তাহলে খুড়িয়ে হাঁটতে দেখে মুচকি হাসি দিতো না।
হাতটা ধরে রাস্তা পার করে দিতো
যদি টের একটা মেয়েকে ন্যাপকিন কিনতে দেখে মজা করছেন,
মাত্র দুই ঘন্টা একটা ন্যাপকিন আন্ডারওয়ারে লাগিয়ে বাহির দিয়ে হেঁটে আসলেই বোঝা যেতো সে কত বড় বাঘের বাচ্চা।
আমার বড় মায়ের পিরিয়ড হয়েছে বলেই আমার নানীর জন্ম, আমার নানীর পিরিয়ড হইছে বলেই আমার মায়ের জন্ম, আমার মায়ের পিরিয়ড হইছে বলেই আমার জন্ম…।❤
পিরিয়ড একটা মেয়েকে কতটা কষ্ট দেয়, কতটা যন্ত্রণা দেয় তা একজন মেয়েই ভালো বলতে পারবে।
সব যন্ত্রণা সে নিজেই ম
07/07/2023
ফেসবুকে প্রোফাইল ছবি দেখে একটা মেয়েকে খুব ভালো লাগল! মেয়েটা কে রিকোয়েস্ট পাঠালাম।
দুইজনের বন্ধুত্ব হলো৷ আমি মনে মনে মেয়েটা কে ভালোবাসি। মেয়েটার সাথে মেসেঞ্জারে আলাপ করা শুরু করলাম। আমাদের মাঝে খুব বেশি কথা হয় না। আমিও বেশি মেসেজ দিই না। আবার কী মনে করে? বলা তো যায় না।
আমার লেখায় দেখি মেয়েটা ভালো ভালো কমেন্ট করে। আমার খুব ভালো লাগে! আমার কেন জানি মনে হচ্ছে মেয়েটা আমাকে পছন্দ করে।
অনেকদিন কেটে গেছে। এখনো আমাদের সম্পর্ক আগের জায়গায় আছে। আগের মতোই টুকটাক আলাপ হয়।
আমার মনে হলো মেয়েটাকে মনের কথাটা বলে দিতে হবে। কতদিন এভাবে মনে মনে ভালোবাসব। আবার ভয় হয়! যদি কিছু মনে করে?
সেদিন মেয়েটা আমাকে মেসেজ দিলো। "আজ আমি খুব খুশি!"
"কেন কী হয়েছে?"
"বিয়ে ঠিক হয়েছে তা-ই। "
আমার মনটা খারাপ হয়ে গেল। মেয়েটার বিয়ে ঠিক হয়ে গেল। আর আগে যদি বলতাম তাহলে এমনটা হতো না! আমি কত বোকা!
"কী হলো তুমি খুশি হওনি?"
"হ্যাঁ, খুব খুশি হয়েছি। "
"তোমাকে কিন্তু বিয়েতে আসতে হবে। তোমার সাথে দেখা হয়নি। এ সুযোগে দেখাটা হয়ে যাবে।"
মনে মনে বললাম আর দেখা হয়ে কী হবে! সব কিছু তো শেষ।
"দেখি সময় পেলে আসব।"
"না, না, এ সব বললে হবে না। অবশ্যই আসতে হবে। বিয়ের আগেরদিনে চলে আসবা।"
একটু ভালো লাগল! বিয়ের আগেরদিন ডাকছে। মানে একটা সুযোগ আছে। শাহরুখ খানের মতো দুলহান নিতে পারব।
"কেন?"
"তুমি আসলে খুব ভালো হবে। এত ঝামেলা একা সামলানো যায়!"
মেয়ে কি নিজের বিয়ে নিজে আয়োজন করছে নাকি কে জানে?
"তোমার কিসের এত ঝামেলা?"
"কী বলো! আমারই তো সব কিছু করতে হবে। ছোটো মেয়ের বিয়ে বলে কথা। আয়োজনটা বড়ো করে করব ভাবছি।"
"তোমার মেয়ের বিয়ে মানে?"
হ্যাঁ, আমার ছোটো মেয়ের বিয়ে। আমার প্রোফাইলে ছবি দেখোনা। এটাই তো আমার ছোটো মেয়ে!
(সংগৃহীত)
07/07/2023
সকালে ঘুম থেকে উঠতে চাইনা তাই আম্মু বুদ্ধি করে বলে এই উঠ আজকে তোর আব্বুর বিয়ে তাঁরা তারি উঠ
07/07/2023
নেশা তো সেই রাতেই করছিলাম
যে রাতে মোবাইলের আলো দিয়েই,
সারারাত মোবাইল খুজছিলাম😜😁