18/01/2023
꧁༺𝐈𝐬𝐥𝐚𝐦𝐢𝐜 𝐎𝐧𝐮𝐩𝐫𝐞𝐫𝐨𝐧𝐚༻꧂
আমরা পৃথিবীতে সবচেয়ে অপমানিত
ছিলাম ?
18/01/2023
দুশ্চিন্তা বা বিপদগন্তের দোয়া
اَللَّهُ اَللَّهُ رَبِّي لَا أُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا
আল্লা-হু, আল্লা-হু রাব্বী, লা- উশরিকু বিহী শাইআন
আল্লাহ্, আল্লাহ্ আমার রব, তার সাথে কাউকে শরীক করি না।
আসমা বিনতু উমাইস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বলেন, আমি কি তোমাকে এমন কয়েকটি বাক্য শিক্ষা দিবো না, যা তুমি বিপদের সময় পাঠ করবে? তা হচ্ছে: (উপরের দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)
রেফারেন্স: আবু দাউদঃ ১৫২৫
উপকারীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশে আমরা Thank you বলে থাকি। একবারও কি ভেবে দেখেছি আমরা এই Thank you তে কোন কল্যাণ আছে কিনা। আসুন আজকে এখন থেকেই বলি সেই বাক্য যার মধ্যে রয়েছে কল্যাণ।
جَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا
জাযা-কাল্লা-হু খইরান
আল্লাহ্ আপনাকে উত্তম প্রতিদান প্রদান করুন। [১]
আমরা দেখেছি যে, মুমিন কাউকে উপকার করলে কখনোই তার থেকে কৃতজ্ঞতা বা প্রতিদানের আশা করে না। পক্ষান্তরে উপকৃত মুমিনের দায়িত্ব, উপকারীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, তার প্রশংসা করা, তার উপকারের কথা অকপটে স্বীকার করা এবং তার জন্য দোয়া করা। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, কেউ কারো উপকার করলে সে যদি উপকারীকে এ কথা বলে কৃতজ্ঞতা জানায় তাহলে তা সর্বোত্তম প্রশংসা করা হবে। [২]
রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৩৩৬
[২] সহীহ। তিরমিযীঃ ২০৩৫
রাসূল হাসান-হুসাইনের জন্য নিম্নোক্তভাবে পরিত্রাণ চাইতেন,
أُعِيْذُكُمَا بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَّهَامَّةٍ وَّمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ
উচ্চারণ: উ‘ঈযুকুমা- বিকালিমা-তিল্লা-হিত্ তা-ম্মাতি মিং কুল্লি শাইত্ব-নিওঁ ওয়া হা-ম্মাহ্, ওয়া মিং কুল্লি ‘আইনিল্ লা-ম্মাহ্।অর্থ: ‘প্রত্যেক
শয়তান হতে আল্লাহর পূর্ণ কালেমা দ্বারা তোমাদের দুই জনের জন্য পরিত্রাণ
চাচ্ছি। আর পরিত্রাণ চাচ্ছি প্রত্যেক বিষাক্ত কীট হতে এবং প্রত্যেক ক্ষতিকর
চক্ষু হতে’ (ছহীহ বুখারী, হা/৩৩৭১; মিশকাত, হা/১৫৩৫)।
اَلۡاَخِلَّآءُ یَوۡمَئِذٍۭ بَعۡضُہُمۡ لِبَعۡضٍ عَدُوٌّ اِلَّا الۡمُتَّقِیۡنَ
বন্ধুরা সেই দিন হয়ে পড়বে একে অপরের শত্রু, তবে মু’মিনরা ব্যতীত।
(সূরা যূখরুফঃ৬৭)
অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে।
آمَنْتُ بِاللَّهِ وَرُسُلِهِ
আ-মানতু বিল্লা-হি ওয়া রুসূলিহি
আমি আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলদের মেনে নিয়েছি।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “লোকজন পরস্পরকে একের-পর-এক প্রশ্ন করতেই থাকে; একপর্যায়ে এমন কথাও বলা হয়, আল্লাহ্ তো সকল সৃষ্টিকে সৃষ্টি করেছেন, তা হলে আল্লাহ্কে সৃষ্টি করল কে? যার মনে এ ধরনের কোনও প্রশ্ন সৃষ্টি হয়, সে যেন বলে - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)
রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১৩৪
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
1212