রমাদানের ইবাদাতে ইখলাস এর উপর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও নাবীর (সাঃ) এর সুন্নাহ অনুসারে রমাদানে করনীয় কিছু উত্তম আমল উদাহারনসহ সংক্ষেপে আলোচনা করেছেন মাহাদি হাসান, তালিবে ইলম, মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়।
আলোচনার চুম্বক অংশসমুহ
১) রমাদান প্রাপ্তিতে আলহামদুলিল্লাহ কেন বলবো?
২) যেকোনো ইবাদাত কবুলের ২টি শর্ত - ইখলাস ও সুন্নাতি রাসুলিল্লাহ (সাঃ)
৩) ইখলাস এর উপর আলোচনা
৪) সুন্নাহ ভিত্তিক সহজ ও সুন্দর আমলসমূহ যা রমাদানে পালন সহজ
বিষয়ঃ রমাদানের প্রস্তুতি
আলোচকঃ মাহাদি হাসান, তালিবে ইলম, মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়।
বেলাভূমি
Belabhumi Academy
বেলাভূমি মজার স্কুল, পরিচ্ছন্ন প্রজন্মের লক্ষ্যে।
হে ঈমানদারগণ! তোমরা অধিকাংশ অনুমান হতে দূরে থাক; কারণ কোনো কোনো অনুমান পাপ এবং তোমরা একে অন্যের গোপনীয় বিষয় সন্ধান করো না এবং একে অন্যের গীবত করো না । তোমাদের মধ্যে কি কেউ তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে চাইবে ? বস্তুত তোমরা তো একে ঘৃণ্যই মনে কর। আর তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর; নিশ্চয় আল্লাহ্ তওবা গ্রহণকারী, পরম দয়ালু।
Al-Ḥujurāt, Ayah 12
কিন্তু আমরা কি করি, এমনকি যারা প্র্যাকটিসিং তারাও এখান থেকে বের হয়ে আসতে পারি না, একজনের বিষয়ে অনুমান করেই কোনো খারাপ ধারণা হলে শয়তান ওই ব্যক্তির প্রতিটি কর্ম কে সন্দেহ যুক্ত করে দিতে পারে, পরবর্তীতে যেটা আরেক মুসলিম ভাইয়ের প্রতি খারাপ ধারণা সৃষ্টি করে, এবং এটাই শয়তান এর সফলতা, আর গীবতের কথা বাদ ই দিলাম, মানুষের দোষ চর্চা করা একটা অভ্যাস হয়েগেছে , তবে আল্লাহ শেষে বলেছেন, তাকওয়া অবলম্বন করার কথা এবং তওবা করার কথা কারণ তিনি তওবা কবুলকারী ! আলহামদুলিল্লাহ
যদি আল্লাহ তোমাদের সহায়তা করেন, তাহলে কেউ তোমাদের উপর পরাক্রান্ত হতে পারবে না। আর যদি তিনি তোমাদের সাহায্য না করেন, তবে এমন কে আছে, যে তোমাদের সাহায্য করতে পারে? আর আল্লাহর ওপরই মুসলমানগনের ভরসা করা উচিত।
(আল ইমরান - ১৬০)
আল্লাহ র কাছে দুনিয়ার জীবন ঘৃণিত ও তুচ্ছ, আল্লাহ আমাদের ও বারবার সেটি ই কুরআন এ বলেছেন, ভোগ্য সামগ্রী এবং বিলাসিতা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কাফির দের, আর আল্লাহ এটাও বলছেন আমাদের যদি দুনিয়ার লোভ লালসার কারণে ঈমান হারানোর ভয় না থাকতো তবে আল্লাহ কাফিরদের যা দিয়েছেন তার থেকে আরো বেশি দিতেন, যেমন আল্লাহ বলেন
আর সব মানুষ এক মতাবলম্বী হয়ে পড়বে, এ আশংকা না থাকলে দয়াময়ের সাথে যারা কুফরী করে, তাদেরকে আমরা দিতাম তাদের ঘরের জন্য রৌপ্য-নির্মিত ছাদ ও সিঁড়ি যাতে তারা আরোহণ করে
Az-Zukhruf, Ayah 33
সুতরাং সম্পদ প্রাচুর্য এগুলো দুনিয়ার জীবনে মুমিন দের নিকট খুবই নগণ্য হওয়া উচিত, আর এটা নিয়ে কোনো আফসোস না করা উচিত কারণ আল্লাহর রাসূল সা: এর মতে কাফির দের জন্যে দুনিয়া আর আমাদের জন্যে আখিরাত, আর কাফিরদের সম্পদ যেনো আমাদের এরকম না মনে করায় যে আল্লাহ ওদের ভালোবাসেন, কখনোই না,
হযরত সাহল ইবনে সা'দ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আল্লাহ তা'আলার নিকট দুনিয়ার মূল্য যদি একটি মশার ডানার সমানও হতো তবে তিনি কোন কাফিরকে এক চুমুক পানিও পান করাতেন না।
আল্লাহ আমাদের দুনিয়া বিমুখ এবং আখিরাত মুখী হবার তৌফিক দান করুন আমীন
29/08/2024
তারা কিন্তু এলজিবিটি তথা সমকামী অধিকার নিয়ে কথাও বলা শুরু করেছেন (ভিডিওর এর ১১ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড অংশে)! তিনি তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্য দূর করতে সংসদে আইন করার জন্য সোচ্চার ছিলেন ততকালীন সরকারের সময়। দেশকে সমকামী বান্ধব করতে ইউএসআইড এর সমতা প্রজেক্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি সেই দাবী জানান ফ্যাসিবাদের সময়। এই লোকগুলো সুবিধাবাদী যারা সব সরকারের আমলে নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করেন।
মনে রাখতে হবে সাঈদসহ শিক্ষার্থীরা জীবন, রক্ত, অন্ধত্ববরণ করেননি সেই ব্যক্তিগত বি কৃত অভিরুচিকে সামাজিকীকরণে।
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য | মুক্তমঞ্চ | Mukto Moncho | Channel 24 মুক্তমঞ্চ | Mukto Moncho | Channel 24অতিথি:ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যঅর্থনীতিবিদসঞ্চালনা: জান্নাতুন নাঈমWelcome to the ...
যারা মনোযোগের সাথে কথা শোনে এবং তার মধ্যে যা উত্তম তা অনুসরণ করে। তাদেরকেই আল্লাহ্ হিদায়াত দান করেছেন আর তারাই বোধশক্তি সম্পন্ন।
Az-Zumar, Ayah 18
জেনে রাখুন, অবিমিশ্র আনুগত্য আল্লাহরই প্রাপ্য। আর যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদেরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তারা বলে, 'আমরা তো এদের ইবাদত এ জন্যে করি যে, এরা আমাদেরকে পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর সান্নিধ্যে এনে দেবে ।’ তারা যে বিষয়ে নিজেদের মধ্যে মতভেদ করছে নিশ্চয় আল্লাহ তাদের মধ্যে সে ব্যাপারে ফয়সালা করে দেবেন। যে মিথ্যাবাদী ও কাফির, নিশ্চয় আল্লাহ তাকে হিদায়াত দেন না।
Az-Zumar, Ayah 3
এই যুগে এ ধরনের লোকজনের অভাব নাই, অনেকেই হয়ত বিষয়টা না বুঝেই করে যাচ্ছে, তারা তো আল্লাহ কে রব হিসেবে মানে কোনো সন্দেহ নাই অন্যান্য ঈমানের সকল বিষয়গুলো ও অন্তর দিয়ে বিশ্বাস করে সাথে সাথে অন্য দের কেও অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করে, সেটা কোনো পীর হোক, কবর পূজা হোক, মূর্তি পূজা হোক আবার দুনিয়া লাভের উদ্দেশ্যে কোনো ইসলাম বিবর্জিত কোনো দল হোক গোষ্ঠী হোক বা মানুষ রুপি শয়তান অথবা সরাসরি জীন শয়তান ...
আল্লাহ আমাদের বুঝ শক্তি দান করুন আমীন
তোমরা যেন এমন ধারণা না করো যে জালিমরা যা করছে সে ব্যাপারে আল্লাহ বুঝি গাফিল। তিনিতো তাদেরকে শুধূ সেদিন পর্যন্ত অবকাশ দিয়ে রেখেছেন যেদিন ভয়ের কারণে তাদের দৃষ্টি বিস্ফোরিত হয়ে পড়বে।
সূরা ইব্রাহিম: 42
আর অবশ্যই আমাদের প্রেরিত বান্দাদের সম্পর্কে আমাদের এ বাক্য আগেই স্থির হয়েছে যে,
নিশ্চয় তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে
এবং আমাদের বাহিনীই হবে বিজয়ী।
Aṣ-Ṣāffāt, Ayah 171, 172, 173
আর ‘রাহমান’ -এর বান্দা তারাই, যারা যমীনে অত্যন্ত বিনম্রভাবে চলাফেরা করে এবং যখন জাহেল ব্যক্তিরা তাদেরকে সম্বোধন করে, তখন তারা বলে, ‘সালাম’
The ˹true˺ servants of the Most Compassionate are those who walk on the earth humbly, and when the foolish address them ˹improperly˺, they only respond with peace.
Al Furkan : 63
যারা রাসূলের (স) প্রতীক্ষায় ছিল, নিজেদের শ্রেষ্ঠ মনে করত আর রাসূলের উম্মত হিসেবে সবথেকে আগে এবং সর্বোত্তম অনুসারী হবে তারাই আসলে সবথেকে বড় শত্রু তে পরিণত হলো, এখন তো তাদের একটা অংশ মুসলিম নিধনে ব্যস্ত, আবার আমাদের সেই খয়বর দরকার সেই আলী দরকার সেই সাহসী মুসলিম দরকার, ইনশা আল্লাহ আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে, নিশ্চিত আল্লাহ ওদের ষড়যন্ত্র বিনষ্ট করবেন ইনশা আল্লাহ
আল্লাহ বলেন, তাদের ইসলাম এর প্রতি বিমুখতা বা দূরত্ব বাড়ার কারণ,
যমীনে ঔদ্ধ্যত প্রকাশ এবং কুট ষড়যন্ত্রের কারণে । আর কুট ষড়যন্ত্র তার উদ্যোক্তাদেরকেই পরিবেষ্টন করবে। তবে কি এরা প্রতিক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের প্রতি প্রযুক্ত পদ্ধতির ? কিন্তু আপনি আল্লাহর পদ্ধতিতে কখনো কোনো পরিবর্তন পাবেন না এবং আল্লাহর পদ্ধতির কোনো ব্যতিক্রমও লক্ষ্য করবেন না।
আর এরা কি যমীনে পরিভ্রমণ করেনি? তাহলে তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কি হয়েছিল তা তারা দেখতে পেত। আর তারা ছিল এদের চেয়ে অধিক শক্তিশালী । আর আল্লাহ্ এমন নন যে, তাঁকে অক্ষম করতে পারে কোনো কিছু আসমানসমূহে আর না যমীনে। নিশ্চয় তিনি সর্বজ্ঞ, ক্ষমতাবান।
Fāṭir, Ayah 43,44
তারপর আমরা কিতাবের অধিকারী করলাম তাদেরকে, যাদেরকে আমাদের বান্দাদের মধ্য থেকে আমরা মনোনিত করেছি ; তবে তাদের কেউ নিজের প্রতি অত্যাচারী, কেউ মধ্যপন্থী এবং কেউ আল্লাহর ইচ্ছায় কল্যাণের কাজে অগ্রগামী । এটাই তো মহাঅনুগ্রহ
Fāṭir, Ayah 32
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Dhaka
1217