২০১৬ সালে, বর্তমান আওয়ামী সরকার কমপক্ষে চারটি আইন গণঅধিকার হরণ এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা বৃদ্ধি করবার জন্য প্রস্তাব করেছিল, কিন্তু তৎকালীন নাগরিকদের একটি অংশ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেছিলেন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের আইনপ্রণয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে, পরবর্তীতে প্রস্তাবিত বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন আইন ২০১৬, এবং প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৬ আইনে পরিণত করতে পেরেছিল, প্রস্তাবিত আইন প্রণয়ণ করতে পারেন নাই বাংলাদেশ নাগরিকত্ব আইন ২০১৬ এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতিকরণ অপরাধ আইন ২০১৬।
যদিও আইন দুটি প্রণয়নে নাগরিকদের অংশগ্রহণ, পর্যালোচনায় সমতার সুযোগের, পরিছন্নতা, নাগরিকদের নিকট দায়বদ্ধতা ছিল শূন্য থেকে মহাশূন্যেময়; যার ফল সরাসরিভাবে মানবাধিকার সংগঠনসমূহ এবং নাগরিকরা ভোগ করেছেন, করছেন এবং করবেন; কারণ অবৈধ এবং নিপীড়নমূলক আইনসমূহ কার্যত রাষ্ট্র, শাসকশ্রেণি, ক্ষমতাধর, ও বিত্তবানদের স্বার্থই রক্ষা করে।
ঠিক একই প্রক্রিয়ায়, ২০২২ সালে বর্তমান সরকার আন্তর্জাতিক এবং জাতীয় আইনসমূহ, নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে সংবিধানের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ রেখে পাঁচটি নতুন আইন ও নীতিমালাসমূহ প্রস্তাব করেছে, এইসকল নীতিমালা-আইনসমূহ হয়তো নাগরিকদের পরিপূর্ন, প্রয়োজনীয়, যৌক্তিক এবং পরিছন্নতামূলক অংশগ্রহণকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে বাস্তবায়ন শুরু হয়ে যাবে; নাগরিকদের থেকে এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে, পাঁচটি প্রস্তাবিত নীতিমালা ও আইন বিদ্যমান হতাশাজনক মানবাধিকার পরিস্থিতিকে আরও সংকুচিত করে, নাগরিক অধিকার হরণ করে ফেলবে; এই সকল নীতিমালা-আইনসমূহ হল-
১. প্রস্তাবিত উপাত্ত সুরক্ষা আইন ২০২২
২. প্রস্তাবিত The Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission Regulation for Digital, Social Media and OTT Platforms, 2021
৩. প্রস্তাবিত ওভার দ্যা টপ (ওটিটি) কনটেন্টভিত্তিক পরিসেবা প্রদান ও পরিচালনা নীতিমালা ২০২১
৪. প্রস্তাবিত বৈষম্য বিরোধী আইন ২০২২ এবং
৫. গণমাধ্যমকর্মী (চাকরির শর্তাবলি) আইন
প্রস্তাবিত নীতিমালাসমূহ এবং আইনগুলোর নানা দিক সম্পর্কে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনার এবং প্রশ্ন করা দরকার এবং নাগরিকদের একটি খুবই ছোট অংশ বা মহলের প্রায় সবকটিই সাম্প্রতিক প্রস্তাবিত আইন নিয়ে সরকারের আগ্রহকে প্রশ্ন তুলেছেন কিন্তু কতটুকু কার্যকর?
সেই প্রেক্ষাপটে নাগরিক সংগঠন নাগরিক আগামী ২৩ এপ্রিল (শনিবার) ২০২২, সকাল ১১.০০ থেকে দুপুর ১.০০ ঘটিকা পর্যন্ত সাম্প্রতিক প্রস্তাবিত আইন-নীতিমালাসমূহ কেন্দ্র করে নাগরিকদের অবস্থান থেকে নাগরিক অধিকার প্রশ্নসমূহ ও বাস্তবতা যাচাই-বাছাই করতে চায় এবং এই আলোচনায় আপনাদের সকলকে আমন্ত্রণ ।
Academic Freedom in Bangladesh
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Academic Freedom in Bangladesh, Academic camp, Dhaka.
15/10/2021
Over the years, instead of transforming into a space that promotes free thinking and pluralism through debate and discussion, university campuses appear to have become a hotbed of conservatism promoting and patronising particular narratives. This perpetuates a condition in which academics feel hesitant to express freely and share and facilitate views on history, politics, society and culture, for fear of retribution from religious bigots on the one hand and intolerant partisan zealots on the other hand. Sharing of scientific research findings—including one on the likely scenario of the spread of Covid-19—also came under severe institutional assault, which forced the researchers to make amends.
https://www.thedailystar.net/views/opinion/news/we-must-stand-firm-against-threats-academic-freedom-2197796?fbclid=IwAR0uriAs4sMLJPYyGqLwV7KoWzC5YGWz-_x-lxjixSyy-srv2PKez-ov0I4
We must stand firm against incursions into academic freedom What is academic freedom? Why is academic freedom a necessary condition for educational institutions?
08/09/2021
করোনাকালে আমরা দেখছি কেমন করে চিন্তা, বিবেক এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতায় আঘাত করা হয়েছে এবং হচ্ছে । প্রচারমাধ্যমের প্রতিবেদনসমূহ করোনাকালে যে সকল উপায়ে শিক্ষাঙ্গনের স্বাধীনতায় আক্রমণ এবং নিবর্তনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করণাকাল হচ্ছে, সে সকল বিষয়ের আংশিক সাক্ষী।
আমরা জানি শিক্ষাঙ্গনের স্বাধীনতা চারটি মূল বিষয় চিহ্নিত করে, সেগুলো হল- শিক্ষা প্রদান এবং আলোচনার স্বাধীনতা, গবেষণা পরিচালনা, গবেষণার ফলাফল প্রকাশ এবং প্রচারের স্বাধীনতা এবং বিধিনিষেধ ছাড়াই চাকরিরত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে মতামত প্রদানের স্বাধীনতা। এই সঙ্গায়নটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো কর্তৃক ১৯৯৭ সালে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।
এছাড়াও, শিক্ষার অধিকারও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অধিকার, পাশাপাশি পর্যাপ্ত এবং যথাযথ কর্মসংস্থানের অধিকার এবং একই সাথে জোরপূর্বক গুম, নির্যাতন-নিপীড়ন ও নিগ্রহের শিকার না হবার অধিকার।
করোনা সংক্রমণকালের বাস্তবতায় আমরা মনে করি, শিক্ষাঙ্গনের স্বাধীনতাকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মূলনীতিসমূহের আলোকে ‘শিক্ষা লাভের অধিকার এবং স্বাধীনতা’ নামক মৌলিক অধিকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকার করে নিতে হবে। শিক্ষাঙ্গনে স্বাধীনতা—ব্যক্তির সাংবিধানিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতার অধিকার হিসেবে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকারের মূলনীতিসমূহের আলোকে সরকার এবং নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নীতি প্রণয়ণ এবং কার্যক্রম পরিচালনা করবে, যা কিনা সাংবিধানিক স্বাধীনতার অংশবিশেষ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় সরকারের অযাচিত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং মত প্রকাশের অধিকার হরণ বন্ধ করা সহ , শিক্ষক ও শিক্ষার্থী নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনে দুর্নীতি দমন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ সময়ের দাবী...
এই বাস্তবতায় নাগরিক সংগঠনের অনলাইন সেমিনারের আয়োজন "শিক্ষক- শিক্ষার্থীর অধিকার এবং শিক্ষাঙ্গনের স্বাধীনতা: প্রেক্ষিত কোভিড ১৯"
সভাপতি: সি আর আবরার, শিক্ষক ও অধিকার কর্মী
সঞ্চালনায়: জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
বক্তাগণ:
কাজী মারুফ, অধ্যাপক, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
আবদুল্লাহ আল মামুন, সহযোগী অধ্যাপক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
রুশাদ ফরিদী, সহযোগী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
মোবাশ্বের হাসান শিক্ষক, গবেষক, সহযোগী গবেষণা ফেলো, ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়া
সিরাজাম মুনিরা, প্রভাষক, বাংলা বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
মাহমুদ সাদাত রুহুল, শিক্ষার্থী, ইউ ল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়
মারুফ হোসেন, শিক্ষার্থী, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
14/07/2021
Comilla Victoria College campus turns into den of drugs, prostitution in pandemic The closed dormitories are allegedly occupied by s*x workers and drug addicts at nighttime
02/05/2021
কথা হবে...
কোভিড অতিমারী: সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা
প্রতি বছর, ৩ মে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার মৌলিক নীতিসমূহ বিশ্লেষণ করে বিশ্বজুড়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার মূল্যায়ন করতে, গণমাধ্যমকে তাদের স্বাধীনতার উপর হামলা থেকে সুরক্ষা পেতে এবং সাংবাদিকতা অনুশীলনে জীবন হারানো সাংবাদিকদের শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উদযাপন করা হয়ে থাকে। ১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনের ২৬ তম অধিবেশনে গৃহীত একটি সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ঘোষণা করেছিল ।
গত বছর ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শনাক্তের পর সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারকে ব্যাপকভাবে ক্ষুন্ন করে। করোনা অতিমারী শুরুর পর থেকে আজ পর্যন্ত মত প্রকাশের স্বাধীনতার এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের ক্র্যাকডাউন নাগরিকদের বড় ধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছে, বিশ্ববাসীকে করেছে বিস্মিত।
বিশেষত, বাংলাদেশের করোনভাইরাস অতিমারী সম্পর্কে সরকারের প্রতিক্রিয়া নিয়ে পর্যালোচনায় সক্ষম ও ভিন্ন মতাবলম্বী প্রচারমাধমের ওপর হামলার ঘটনায় নাগরিকরা উদ্বিগ্ন, এবং উৎকণ্ঠিত । সাংবাদিকদের শারীরিক ও মানসিক হয়রানি, নির্যাতন, ও মিথ্যা-বানোয়াট অভিযোগে গ্রেপ্তারের জন্য সরকার গভীরভাবে ত্রুটিযুক্ত এবং মানবাধিকার হরণকারী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ প্রয়োগ করে অপপ্রয়োগ করে চলছে। জনগণের মত প্রকাশের ওপরও রয়েছে নানা বিধিনিষেধ। সাংবাদিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশার নাগরিকরা যেমন, আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শ্রমিক, কৃষক, এমন কী চিকিৎসা পেশাজীবিদের প্রচারমাধ্যমে কথা বলা বা মত প্রকাশকে বাঁধাগ্রস্ত করছে নানা প্রশাসনিক আইনি প্রক্রিয়া। একই সাথে নাগরিকদের. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে; এবং সরকারী- বেসরকারী কর্মচারীদের, সরকারের সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট বা মতামত দেওয়া বা মন্তব্য করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে । এছাড়াও করোনাভাইরাস মহামারী বাংলাদেশে আঘাত হানার পর থেকে সংবাদকর্মী এবং অন্যান্যদের গ্রেপ্তারের ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে যারা বাংলাদেশ সরকারের কোন কোন তৎপরতা ও কর্মকান্ডের সমালোচনা ও পর্যালোচনা করছেন । অতিমারীর শুরুর পর থেকে কমপক্ষে ৮০ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে এবং কমপক্ষে ৫০ জন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে নানা মামলায়! পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিক নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ২ জন, আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৭৪ জন, লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন কমপক্ষে ৩১ জন এবং সাময়িকভাবে গুমের শিকার হয়েছেন কমপক্ষে ৫ জন।
বিভিন্ন গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে চিন্তা, বিবেক ও মতপ্রকাশের দমন, রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও সহিংসতার শর্ত তৈরি করে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মানে শুধু কথা বলা বা লেখার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নয়, অন্যান্য যেকোনো উপায়ে চিন্তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করাও এর অন্তর্গত। জীবন ধারণের অধিকার, যোগাযোগ ও ব্যক্তিগত তথ্য গোপনীয়তার অধিকার, ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা, স্বাধীনভাবে চলাফেরার অধিকারসহ অনেকগুলো মৌলিক অধিকারের সঙ্গেও মানুষের পরস্পরের সঙ্গে নির্ভয়ে কথা বলা এবং মতের আদান-প্রদান এর সাথে সম্পর্কিত।
এই বছরের বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হল "জনসাধারণের মঙ্গলের জন্য তথ্য"। জনসাধারণের মঙ্গল হিসাবে তথ্যকে লালন করার গুরুত্বকে নিশ্চিত করার এবং সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্ব আরও জোরদার করার জন্য করার জন্য সামগ্রিকভাবে তথ্য উৎপাদন, বিতরণ এবং প্রকাশে কী কী করা যায় তা অনুসন্ধান করার আহ্বান হিসাবে কাজ করেছে এবং কাউকে পিছনে ফেলে না রেখে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও ক্ষমতায়নের অগ্রগতি আনতে এই প্রতিপাদ্য বিষয়টি বিশ্বজুড়ে সকল দেশের জন্য জরুরী এবং প্রাসঙ্গিক। বাংলাদেশের জনগণের স্বাস্থ্যের উন্নয়নে এবং মানবাধিকার, গণতন্ত্র এবং টেকসই উন্নতির জন্যও এ বিষয়টি প্রাসঙ্গিক এবং প্রয়োজনীয়। চিন্তা, বিবেক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ছাড়া কোনো সুস্থ ও সক্রিয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারে না। তাই সুস্থ, সক্রিয় ও অংশগ্রহণমূলক বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রস্তুতি হিসেবে আমাদের আগামীকালের আলোচনা অনুষ্ঠানের, বিষয়: কোভিড অতিমারী: সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
Click here to claim your Sponsored Listing.