Academic Freedom in Bangladesh

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Academic Freedom in Bangladesh, Academic camp, Dhaka.

Operating as usual

22/04/2022

২০১৬ সালে, বর্তমান আওয়ামী সরকার কমপক্ষে চারটি আইন গণঅধিকার হরণ এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা বৃদ্ধি করবার জন্য প্রস্তাব করেছিল, কিন্তু তৎকালীন নাগরিকদের একটি অংশ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেছিলেন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের আইনপ্রণয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে, পরবর্তীতে প্রস্তাবিত বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন আইন ২০১৬, এবং প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৬ আইনে পরিণত করতে পেরেছিল, প্রস্তাবিত আইন প্রণয়ণ করতে পারেন নাই বাংলাদেশ নাগরিকত্ব আইন ২০১৬ এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতিকরণ অপরাধ আইন ২০১৬।

যদিও আইন দুটি প্রণয়নে নাগরিকদের অংশগ্রহণ, পর্যালোচনায় সমতার সুযোগের, পরিছন্নতা, নাগরিকদের নিকট দায়বদ্ধতা ছিল শূন্য থেকে মহাশূন্যেময়; যার ফল সরাসরিভাবে মানবাধিকার সংগঠনসমূহ এবং নাগরিকরা ভোগ করেছেন, করছেন এবং করবেন; কারণ অবৈধ এবং নিপীড়নমূলক আইনসমূহ কার্যত রাষ্ট্র, শাসকশ্রেণি, ক্ষমতাধর, ও বিত্তবানদের স্বার্থই রক্ষা করে।

ঠিক একই প্রক্রিয়ায়, ২০২২ সালে বর্তমান সরকার আন্তর্জাতিক এবং জাতীয় আইনসমূহ, নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে সংবিধানের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ রেখে পাঁচটি নতুন আইন ও নীতিমালাসমূহ প্রস্তাব করেছে, এইসকল নীতিমালা-আইনসমূহ হয়তো নাগরিকদের পরিপূর্ন, প্রয়োজনীয়, যৌক্তিক এবং পরিছন্নতামূলক অংশগ্রহণকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে বাস্তবায়ন শুরু হয়ে যাবে; নাগরিকদের থেকে এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে, পাঁচটি প্রস্তাবিত নীতিমালা ও আইন বিদ্যমান হতাশাজনক মানবাধিকার পরিস্থিতিকে আরও সংকুচিত করে, নাগরিক অধিকার হরণ করে ফেলবে; এই সকল নীতিমালা-আইনসমূহ হল-

১. প্রস্তাবিত উপাত্ত সুরক্ষা আইন ২০২২
২. প্রস্তাবিত The Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission Regulation for Digital, Social Media and OTT Platforms, 2021
৩. প্রস্তাবিত ওভার দ্যা টপ (ওটিটি) কনটেন্টভিত্তিক পরিসেবা প্রদান ও পরিচালনা নীতিমালা ২০২১
৪. প্রস্তাবিত বৈষম্য বিরোধী আইন ২০২২ এবং
৫. গণমাধ্যমকর্মী (চাকরির শর্তাবলি) আইন

প্রস্তাবিত নীতিমালাসমূহ এবং আইনগুলোর নানা দিক সম্পর্কে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনার এবং প্রশ্ন করা দরকার এবং নাগরিকদের একটি খুবই ছোট অংশ বা মহলের প্রায় সবকটিই সাম্প্রতিক প্রস্তাবিত আইন নিয়ে সরকারের আগ্রহকে প্রশ্ন তুলেছেন কিন্তু কতটুকু কার্যকর?

সেই প্রেক্ষাপটে নাগরিক সংগঠন নাগরিক আগামী ২৩ এপ্রিল (শনিবার) ২০২২, সকাল ১১.০০ থেকে দুপুর ১.০০ ঘটিকা পর্যন্ত সাম্প্রতিক প্রস্তাবিত আইন-নীতিমালাসমূহ কেন্দ্র করে নাগরিকদের অবস্থান থেকে নাগরিক অধিকার প্রশ্নসমূহ ও বাস্তবতা যাচাই-বাছাই করতে চায় এবং এই আলোচনায় আপনাদের সকলকে আমন্ত্রণ ।

08/03/2022
We must stand firm against incursions into academic freedom 15/10/2021

Over the years, instead of transforming into a space that promotes free thinking and pluralism through debate and discussion, university campuses appear to have become a hotbed of conservatism promoting and patronising particular narratives. This perpetuates a condition in which academics feel hesitant to express freely and share and facilitate views on history, politics, society and culture, for fear of retribution from religious bigots on the one hand and intolerant partisan zealots on the other hand. Sharing of scientific research findings—including one on the likely scenario of the spread of Covid-19—also came under severe institutional assault, which forced the researchers to make amends.

https://www.thedailystar.net/views/opinion/news/we-must-stand-firm-against-threats-academic-freedom-2197796?fbclid=IwAR0uriAs4sMLJPYyGqLwV7KoWzC5YGWz-_x-lxjixSyy-srv2PKez-ov0I4

We must stand firm against incursions into academic freedom What is academic freedom? Why is academic freedom a necessary condition for educational institutions?

08/09/2021

করোনাকালে আমরা দেখছি কেমন করে চিন্তা, বিবেক এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতায় আঘাত করা হয়েছে এবং হচ্ছে । প্রচারমাধ্যমের প্রতিবেদনসমূহ করোনাকালে যে সকল উপায়ে শিক্ষাঙ্গনের স্বাধীনতায় আক্রমণ এবং নিবর্তনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করণাকাল হচ্ছে, সে সকল বিষয়ের আংশিক সাক্ষী।

আমরা জানি শিক্ষাঙ্গনের স্বাধীনতা চারটি মূল বিষয় চিহ্নিত করে, সেগুলো হল- শিক্ষা প্রদান এবং আলোচনার স্বাধীনতা, গবেষণা পরিচালনা, গবেষণার ফলাফল প্রকাশ এবং প্রচারের স্বাধীনতা এবং বিধিনিষেধ ছাড়াই চাকরিরত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে মতামত প্রদানের স্বাধীনতা। এই সঙ্গায়নটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো কর্তৃক ১৯৯৭ সালে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।

এছাড়াও, শিক্ষার অধিকারও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অধিকার, পাশাপাশি পর্যাপ্ত এবং যথাযথ কর্মসংস্থানের অধিকার এবং একই সাথে জোরপূর্বক গুম, নির্যাতন-নিপীড়ন ও নিগ্রহের শিকার না হবার অধিকার।

করোনা সংক্রমণকালের বাস্তবতায় আমরা মনে করি, শিক্ষাঙ্গনের স্বাধীনতাকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মূলনীতিসমূহের আলোকে ‘শিক্ষা লাভের অধিকার এবং স্বাধীনতা’ নামক মৌলিক অধিকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকার করে নিতে হবে। শিক্ষাঙ্গনে স্বাধীনতা—ব্যক্তির সাংবিধানিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতার অধিকার হিসেবে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকারের মূলনীতিসমূহের আলোকে সরকার এবং নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নীতি প্রণয়ণ এবং কার্যক্রম পরিচালনা করবে, যা কিনা সাংবিধানিক স্বাধীনতার অংশবিশেষ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় সরকারের অযাচিত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং মত প্রকাশের অধিকার হরণ বন্ধ করা সহ , শিক্ষক ও শিক্ষার্থী নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনে দুর্নীতি দমন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ সময়ের দাবী...

এই বাস্তবতায় নাগরিক সংগঠনের অনলাইন সেমিনারের আয়োজন "শিক্ষক- শিক্ষার্থীর অধিকার এবং শিক্ষাঙ্গনের স্বাধীনতা: প্রেক্ষিত কোভিড ১৯"

সভাপতি: সি আর আবরার, শিক্ষক ও অধিকার কর্মী

সঞ্চালনায়: জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

বক্তাগণ:

কাজী মারুফ, অধ্যাপক, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আবদুল্লাহ আল মামুন, সহযোগী অধ্যাপক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রুশাদ ফরিদী, সহযোগী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

মোবাশ্বের হাসান শিক্ষক, গবেষক, সহযোগী গবেষণা ফেলো, ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়া

সিরাজাম মুনিরা, প্রভাষক, বাংলা বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

মাহমুদ সাদাত রুহুল, শিক্ষার্থী, ইউ ল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়

মারুফ হোসেন, শিক্ষার্থী, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

10/08/2021
Timeline photos 02/05/2021

কথা হবে...

কোভিড অতিমারী: সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা

প্রতি বছর, ৩ মে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার মৌলিক নীতিসমূহ বিশ্লেষণ করে বিশ্বজুড়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার মূল্যায়ন করতে, গণমাধ্যমকে তাদের স্বাধীনতার উপর হামলা থেকে সুরক্ষা পেতে এবং সাংবাদিকতা অনুশীলনে জীবন হারানো সাংবাদিকদের শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উদযাপন করা হয়ে থাকে। ১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনের ২৬ তম অধিবেশনে গৃহীত একটি সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ঘোষণা করেছিল ।

গত বছর ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শনাক্তের পর সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারকে ব্যাপকভাবে ক্ষুন্ন করে। করোনা অতিমারী শুরুর পর থেকে আজ পর্যন্ত মত প্রকাশের স্বাধীনতার এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের ক্র্যাকডাউন নাগরিকদের বড় ধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছে, বিশ্ববাসীকে করেছে বিস্মিত।

বিশেষত, বাংলাদেশের করোনভাইরাস অতিমারী সম্পর্কে সরকারের প্রতিক্রিয়া নিয়ে পর্যালোচনায় সক্ষম ও ভিন্ন মতাবলম্বী প্রচারমাধমের ওপর হামলার ঘটনায় নাগরিকরা উদ্বিগ্ন, এবং উৎকণ্ঠিত । সাংবাদিকদের শারীরিক ও মানসিক হয়রানি, নির্যাতন, ও মিথ্যা-বানোয়াট অভিযোগে গ্রেপ্তারের জন্য সরকার গভীরভাবে ত্রুটিযুক্ত এবং মানবাধিকার হরণকারী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ প্রয়োগ করে অপপ্রয়োগ করে চলছে। জনগণের মত প্রকাশের ওপরও রয়েছে নানা বিধিনিষেধ। সাংবাদিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশার নাগরিকরা যেমন, আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শ্রমিক, কৃষক, এমন কী চিকিৎসা পেশাজীবিদের প্রচারমাধ্যমে কথা বলা বা মত প্রকাশকে বাঁধাগ্রস্ত করছে নানা প্রশাসনিক আইনি প্রক্রিয়া। একই সাথে নাগরিকদের. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে; এবং সরকারী- বেসরকারী কর্মচারীদের, সরকারের সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট বা মতামত দেওয়া বা মন্তব্য করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে । এছাড়াও করোনাভাইরাস মহামারী বাংলাদেশে আঘাত হানার পর থেকে সংবাদকর্মী এবং অন্যান্যদের গ্রেপ্তারের ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে যারা বাংলাদেশ সরকারের কোন কোন তৎপরতা ও কর্মকান্ডের সমালোচনা ও পর্যালোচনা করছেন । অতিমারীর শুরুর পর থেকে কমপক্ষে ৮০ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে এবং কমপক্ষে ৫০ জন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে নানা মামলায়! পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিক নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ২ জন, আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৭৪ জন, লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন কমপক্ষে ৩১ জন এবং সাময়িকভাবে গুমের শিকার হয়েছেন কমপক্ষে ৫ জন।

বিভিন্ন গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে চিন্তা, বিবেক ও মতপ্রকাশের দমন, রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও সহিংসতার শর্ত তৈরি করে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মানে শুধু কথা বলা বা লেখার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নয়, অন্যান্য যেকোনো উপায়ে চিন্তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করাও এর অন্তর্গত। জীবন ধারণের অধিকার, যোগাযোগ ও ব্যক্তিগত তথ্য গোপনীয়তার অধিকার, ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা, স্বাধীনভাবে চলাফেরার অধিকারসহ অনেকগুলো মৌলিক অধিকারের সঙ্গেও মানুষের পরস্পরের সঙ্গে নির্ভয়ে কথা বলা এবং মতের আদান-প্রদান এর সাথে সম্পর্কিত।

এই বছরের বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হল "জনসাধারণের মঙ্গলের জন্য তথ্য"। জনসাধারণের মঙ্গল হিসাবে তথ্যকে লালন করার গুরুত্বকে নিশ্চিত করার এবং সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্ব আরও জোরদার করার জন্য করার জন্য সামগ্রিকভাবে তথ্য উৎপাদন, বিতরণ এবং প্রকাশে কী কী করা যায় তা অনুসন্ধান করার আহ্বান হিসাবে কাজ করেছে এবং কাউকে পিছনে ফেলে না রেখে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও ক্ষমতায়নের অগ্রগতি আনতে এই প্রতিপাদ্য বিষয়টি বিশ্বজুড়ে সকল দেশের জন্য জরুরী এবং প্রাসঙ্গিক। বাংলাদেশের জনগণের স্বাস্থ্যের উন্নয়নে এবং মানবাধিকার, গণতন্ত্র এবং টেকসই উন্নতির জন্যও এ বিষয়টি প্রাসঙ্গিক এবং প্রয়োজনীয়। চিন্তা, বিবেক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ছাড়া কোনো সুস্থ ও সক্রিয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারে না। তাই সুস্থ, সক্রিয় ও অংশগ্রহণমূলক বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রস্তুতি হিসেবে আমাদের আগামীকালের আলোচনা অনুষ্ঠানের, বিষয়: কোভিড অতিমারী: সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা।

24/06/2020

শিক্ষাঙ্গনের স্বাধীনতা এবং চিন্তা, বিবেক, ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার রক্ষায় বাধা নিপীড়নমূলক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন

করোনা ভাইরাস মহামারী পরিস্থিতিতে শিক্ষাঙ্গনের স্বাধীনতা ও স্বাধীন চিন্তা, বিবেক, ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার ভূলিণ্ঠিত করে নিপীড়নমূলক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ব্যাপকহারে সাংবাদিকবৃন্দ, চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীবৃন্দ, আইনজীবীবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ, তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকবৃন্দ, এবং নানা পেশায় যুক্ত ব্যক্তিবর্গকে আটক এবং গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। নিন্দনীয় হলেও সত্য, শুধুমাত্র আটক এবং গ্রেপ্তারের মধ্যে ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ থাকছে না, অনেক ব্যক্তিকে হারাতে হচ্ছে সামাজিক অবস্থান, কর্মসংস্থান এবং শিকার হতে হচ্ছে মামলা হবার হুমকির, সামাজিক হেয় প্রতিপন্নতা, ও লাঞ্ছনার।

সম্প্রতি পত্রিকা পর্যবেক্ষণ করে মানবাধিকার সংক্রান্ত গবেষক দল বলেছে, ৮ মার্চ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সবমিলে সারা দেশে কমপক্ষে ৫০টি মামলা হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এবং যার মাঝে কমপক্ষে ৩৫ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং কমপক্ষে ১৩ জন সাংবাদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং মাত্র দুইজন সাংবাদিক জামিনে মুক্ত আছেন। এছাড়াও গ্রেপ্তার করা হয়েছে চার জন তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের, দুই জন আইনজীবী, দুইজন শিক্ষক, দুইজন লেখক এবং একজন কার্টুনিস্টকেও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণহত্যা স্টাডিজ সেন্টারের তথ্য মতে, মার্চ থেকে জুন ১০ পর্যন্ত কমপক্ষে ১৪২ জন নাগরিকদেরকে তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কার্যকলাপের জন্য গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়েছে।

মামলার শিকার আটককৃত ব্যক্তিবর্গের ওপর মূলত অভিযোগ ক্ষমতাশালী ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে 'অবমাননাকর, 'গুজবনির্ভর’, 'আপত্তিকর’, এবং‘মানহানিকর' বক্তব্য প্রদান করেছেন এবং অন্যদিকে যারা সম্প্রতি নিপীড়নমূলক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামালা করছেন, তারা মূলত স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি কিংবা ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী এবং এই প্রতিযোগিতায় সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শুধু মামলা করে ছাড় দিচ্ছে না বরং সেসব মামলায় গ্রেফতারও নিশ্চিত করেছেন।

এমনকি এই নিপীড়নমূলক আইনের সুযোগ নিয়ে সর্বশেষ মানহানির মামলার অপ্রয়োজনীয় অপব্যবহার দেখতে পাচ্ছি ভালুকা উপজেলায় পাড়াগাঁও নবদিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৪ বছরের স্কুল ছাত্রকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে। ১৪ বছরের স্কুল ছাত্র ফেসবুক আইডি থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে একটি ‘আপত্তিকর’ পোস্ট দেয় এবং এ ঘটনায় হবিরবাড়ি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হানিফ মোহাম্মদ নিপুণ বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন এবং ১৪ বছর বয়সী এই শিশুটিকে ময়মনসিংহ আদালতে হাজির করা হয়, পরবর্তীতে, করোনা মহামারী পরিস্থিতে তাকে গাজীপুরের কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।অন্যদিকে, প্রয়াত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের নাম উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে 'মানহানিকর' পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের, ২ জন শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয় করেন। প্রায় একই ধরণের অভিযোগে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থী মাহিরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছে এবং কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেছে।

উপরোক্ত উল্লেখিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে 'মানহানি' সংক্রান্ত আটক এবং গ্রেপ্তারের ঘটনাসমূহ মূলত ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, কিন্তু এই ক্ষেত্রে আমরা সরকারকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, মানবাধিকার কর্মী হিসেবে আমরা মনে করি সমস্ত ফৌজদারি মানহানির আইন বাতিল এবং প্রতিস্থাপন করা উচিত কেননা এটি শিক্ষাঙ্গনের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার আন্তর্জাতিক নীতির সাথে সাংঘর্ষিক এবং এগুলি রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের উপায় হিসাবে ব্যবহৃত হয় এবং হুমকি এবং শাস্তি প্রদানের ক্ষেত্রেও ব্যাপক অনলাইন এবং অফলাইনে অসমজ্ঞ্জসও পরিলক্ষিত। একইসাথে এই নিপীড়নমূলক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক, গ্রেপ্তার এবং মানবাধিকার হরণের ঘটনাসমূহের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং দাবি করছি অবিলম্বে নিপীড়নমূলক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ অন্যান্য নিপীড়নমূলক আইনে সকল আটক ও বন্দিদের মুক্তি দিতে হবে। করনাকালে সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছি শিক্ষাঙ্গনের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার আন্তর্জাতিক আইন ও মূলনীতিগুলো সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করে বাংলাদেশকে রাষ্ট্রীয় বাধ্যবাধকতা পালন করতে হবে, শিক্ষাঙ্গনের স্বাধীনতা ও চিন্তা, বিবেক, এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার রক্ষা করতে আইনত, বৈধ উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তার এবং সমানুপাতিকতার নীতি অবশ্যই স্মরণ রাখতে হবে । চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ব্লগার, মানবাধিকার কর্মী ও তথা নাগরিকদের অবশ্যই তাদের নিজেদের ভাব অবাধে প্রকাশ করতে দিতে হবে, যাতে করে হয়রানি, জবরদস্তি, হুমকি, আক্রমণ ও বেআইনি আটকের ভয় ছাড়াই অনলাইন ও অফলাইনে জনজীবনে অংশগ্রহণ করতে পারে, তার নিশ্চয়তা নিশ্চিত এবং যথাযথ ব্যবস্থাও করতে হবে।

18/06/2020
Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Dhaka
Other Educational Camps in Dhaka (show all)
Azhar Academy- BD Azhar Academy- BD
Dhaka, 1219

Islamic Da'wah for all

Al-Quran Learning Institute-AQLI Al-Quran Learning Institute-AQLI
Satarkul, North Badda
Dhaka, 1212

Your Born , Your Life , Your Faith , Your Death, All are belongs to your LORD. If You want to learn

কুরআনের আলোকে আরবি ব্যাকরণ কুরআনের আলোকে আরবি ব্যাকরণ
Savar
Dhaka, 1000

Come to learn Arabic Language.

Aqua Innovation Hub Aqua Innovation Hub
Sher-e-Bangla Nagar
Dhaka, 1207

Aqua Innovation Hub (AIH) is a student organization/club from Sher-e-Bangla Agricultural University.

Dhaka English Language Club Dhaka English Language Club
Dhaka, 1219

All kinds of information will be available on this page to learn English.

𝗔𝗗-𝗗𝗨𝗛𝗔 𝗜𝘀𝗹𝗮𝗺𝗶𝗰 𝗔𝗰𝗮𝗱𝗲𝗺𝘆 𝗔𝗗-𝗗𝗨𝗛𝗔 𝗜𝘀𝗹𝗮𝗺𝗶𝗰 𝗔𝗰𝗮𝗱𝗲𝗺𝘆
Dhaka, JIRABO

خيركم من تعلم القرآن وعلمة=طلب العلم فريضة على كل مسلم

Techie Academy Techie Academy
Dhaka, 1219

Hello everyone! Techie academy teaches you how to earn money online. If you're thinking about making money online, you have come to right place! Leave us a message and we'll be in touch in any minute.

StudyBee Academic Care StudyBee Academic Care
68 No. Ward DSCC, Hajeenagar, Demra
Dhaka, 1361

মানসস্মত ও সৃজনশীল পাঠদানে StudyBee পরিবার

Programming Hero Courses Programming Hero Courses
Dhaka
Dhaka

Job/Intern Focused Learning. Guided Career Oriented mission for hard-working Learners.

Praggo Academy Praggo Academy
House-11/13, Road-5, Block-C, Banasree
Dhaka, 1219

একাডেমি ও প্রফেশনাল এডুকেশন সেন্টার

IDMVS Disaster Management Studio, University of Dhaka IDMVS Disaster Management Studio, University of Dhaka
Institute Of Disaster Management And Vulnerability Studies, University Of Dhaka
Dhaka, 1000

Disaster Management Studio (DMS) is an initiative of the Institute of Disaster Management and Vulner

Street Eight Academy Street Eight Academy
Khilkhet-To-Ichapura Road
Dhaka